Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালপুরুষ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প892 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৬১. সেই অভাবনীয় কাণ্ডটি

     একষট্টি

    তিন নম্বর ঈশ্বরপুকুর লেনে সেই অভাবনীয় কাণ্ডটি ঘটে গেল। মোট বাহান্নটি পরিবারের মধ্যে পঞ্চাশটি পরিবার এখন একত্রিত হয়েছে। দুটি পরিবার অপেক্ষাকৃত সচ্ছল। বস্তিতে থেকেও তারা চিরকাল নিজেদের আলাদা করে রেখেছিল, এবারও রাখল। পঞ্চাশটি পরিবারের মোট সংখ্যা, প্রাপ্তবয়স্ক দুশো বারো, শিশু একশ তিনজন।

    শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্করা একই রকম খাবার খাবে না, পরিমাণেও পার্থক্য থাকবে। সুতরাং দেয় চাঁদা কখনই এক হতে পারে না। বিলু এটা মানতে পারছিল না। কিন্তু অর্ক নরম হল। একটা তিনবছরের বাচ্চার জন্যে সমান টাকা চাওয়া অন্যায় হবে বলে মনে হচ্ছিল। সেই জন্যে ঠিক হল দশ বছরের নিচে তিরিশ টাকা দিতে হবে।

    দশজনের একটি কমিটি ঠিক করা হল। বিলু ক্যাশিয়ার। এই দশজন সমস্ত কিছু তদারকি করবে। দুজন রান্নার ঠাকুর রাখা হল যারা ঝুমকির তত্ত্বাবধানে কাজ করবে। প্রায় যজ্ঞবাড়ির মত ব্যবস্থা। কিন্তু কদিন চালু হতে সেটাও সহজ হয়ে দাঁড়াল। বিলু ফাঁক পেলেই অর্ককে হিসেবটা শোনাতো। মাসের শেষ কটা দিন না খাওয়াতে পারলে তিন নম্বরের লোক চামড়া ছাড়িয়ে নেবে। অর্ক কূল পাচ্ছিল না।

    কিন্তু এই পঞ্চাশটি পরিবারে কতগুলো পরিবর্তন স্পষ্ট ধরা পড়ল। মেয়েরা কাজ কমে যাওয়ায় সংসারের দিকে মন দিতে পারল। তাদের বাচ্চারা বেশি সহানুভূতি এবং যত্ন পাওয়ায় নিয়ন্ত্রিত হল। তিন নম্বরে বেশ শান্তিপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করতে লাগল।

    মাধবীলতা এখন ধীরে ধীরে হাঁটাচলা করতে পারে। যদিও তাকে বেশ বয়স্কা দেখায় কিন্তু উৎসাহ দ্রুত সুস্থতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করেছে। মাঝে মাঝে সে বারোয়ারি রান্নার জায়গায় চলে এসে ঝুমকিকে পরামর্শ দেয়। এই বস্তির মেয়েরাও মাধবীলতাকে আপনজন ভাবতে শুরু করেছে। এতবছর একসঙ্গে এই বস্তিতে থেকেও মাধবীলতার সঙ্গে তাদের কোন সংযোগ গড়ে ওঠেনি। চিরকাল তারা ওকে ঈর্ষার চোখে দেখায় একটা দূরত্ব থেকেই গিয়েছিল। কিন্তু এখন সেই বাঁধটা যেন হঠাৎ সরে গেল। একসঙ্গে খাওয়ার সুবাদে মানুষগুলো কাছাকাছি এসে গেল।

    পড়াশুনা আরম্ভ করলেও অর্ক মন বসাতে পারছিল না। সব সময় মাথার মধ্যে বিলুর হিসেবটা কিলবিল করছিল। এখন তিন নম্বরের সবাই তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। যার যা সমস্যা হয় সোজা চলে আসে অর্কর কাছে। দেখা যাচ্ছে অর্কর সিদ্ধান্ত মেনে নিচ্ছে সবাই। এমনকি ন্যাড়ারও পরিবর্তন ঘটে গেছে। কাজের ভার পেয়ে ছেলেটা আন্তরিকতার সঙ্গে খেটে যাচ্ছে। কাছাকাছি বাজার থেকে জিনিস না কিনে দূর থেকে আনলে সস্তা হয় আবিষ্কার করে ন্যাড়া সেই দায়িত্ব নিয়েছে। অনিমেষও এই ব্যাপারে উৎসাহী। এতগুলো মানুষের পেট ভরাবার কাজে সে ছেলের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। তিন নম্বরের বয়স্করা তার কাছে মনের কথা খুলে বলে। মাঝে মাঝে অনিমেষের মনে হয় ঠিক এই রকম একটা কিছু তারা চেয়েছিল। এই রকম বললে অবশ্য ঠিক বলা হয় না, এর কাছাকাছি একটা ব্যবস্থা। না এদেশে হবে না বলে মনে হয়েছিল। অসম অর্থনীতির একত্রীকরণ অনেক দূরের কথা কিন্তু সমআর্থিক অবস্থার মানুষেরাও যে একই ছাদের তলায় এল এটাই বা কম কথা কি! হয়তো এরা সংখ্যায় নগণ্য, বিশাল ভারতবর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে কোন হিসেবেই আসে না কিন্তু তবু এর একটা আলাদা মূল্য আছে। জুলিয়েনরা বোধ হয় এই রকম চেয়েছিল। গ্রামে গ্রামে মানুষদের একত্রিত করতে, তাদের আর্থিক সামাজিক এবং মানসিক গঠনে সামঞ্জস্য এলে বর্তমান কাঠামোর বিরুদ্ধে পা ফেলার সংকল্প ভাল কিন্তু তা বাস্তবায়িত হতে নানান বাধা। অনিমেষ কিছুতেই ভাবতে পারে না কি করে অর্ক এই রকম একটা পরিকল্পনা নিল। প্রথমে তো সে তার সঙ্গে কোন আলোচনা করেনি। শুধু একটা মাতাল লোকের সঙ্গে ঝগড়া করে এতবড় একটা ব্যাপার করা কম কথা নয়। তারপরে অনিমেষ অর্কর সঙ্গে অনেক আলোচনা করেছে। এখন তো সে নিজেই জড়িয়ে পড়েছে এই কর্মকাণ্ডে।

    দিন আটেক বাদে অর্ক কথাটা তুলল। তখন দুপুর। এই সময় বারোয়ারি রান্নার কাজকর্ম বন্ধ থাকে। সমস্যা শুনে অনিমেষ বলল, ‘এটা আগে ভাবিসনি?’

    ‘ভেবেছিলাম। কিন্তু মনে হয়েছিল যাহোক কিছু করে ম্যানেজ হয়ে যাবে। প্রথমে অল্প লোক ছিল তাই কেয়ার করিনি। কিন্তু যত লোক বাড়ছে তত সব উল্টোপাল্টা হয়ে যাচ্ছে। কি করি বলো তো? সবাইকে খুলে বলব?’

    অনিমেষ বলল, ‘তোদের উচিত ছিল খরচ কমানো। পেটভরে খাওয়া নিয়ে কথা। দুটো পদ করার কোন দরকার ছিল না।’

    অর্ক হাসল, ‘তাতে বদনাম হতো। প্রথম থেকে রটে যেত আমরা পয়সা মারছি।’

    অনিমেষ বলল, ‘তাহলে?’

    অর্ক শুয়ে পড়ল পাটিতে, ‘সবাইকে জানানো ছাড়া কোন উপায় নেই। যদি প্রত্যেকে বাড়তি টাকা দেয় তাহলে চলবে নইলে—!’

    অনিমেষ ছেলের দিকে তাকাল। কথাটা অর্ক খুব সহজ ভঙ্গীতে বলছে না। এবং এটা বলতেও যে ভাল লাগছে না তা বুঝতে অসুবিধে হল না। কিন্তু সে কোন কূল পাচ্ছিল না। এই সময় মাধবীলতা কথা বলল। চুপচাপ শুয়ে বই পড়ছিল সে। এবার বইটাকে মুড়ে রেখে ডাকল, ‘খোকা!’

    ‘বল।’

    ‘তুই হেরে যাবি?’

    ‘কি করব বল? আমার তো নিজের টাকা নেই যে সবাইকে খাওয়াব।’ ‘একটা কিছু রাস্তা বের কর।’

    অর্ক উঠে বসল, ‘জানো মা, আমরা তো টাকার চিন্তায় পাগল হয়ে যাচ্ছি। আজ বিলু বলল ও টাকার ব্যবস্থা করে আনতে পারে যদি আগের কাজটা মাসে দু’তিনদিন করে।’ অর্ক হাসল শব্দ করে।

    ‘আগের কাজ?’

    ‘স্মাগলিং। কয়লার সঙ্গে যেটা করত।’

    ‘ছিঃ।’

    ‘আরে তুমি ক্ষেপেছ? কিন্তু ব্যাপারটা দ্যাখো, ও আজ সম্পূর্ণ পাল্টে গেছে। পাগলের মত এটা নিয়ে পড়ে রয়েছে। টাকার যখন ভীষণ দরকার তখন ও মরিয়া হয়ে এটা করতে চাইল। কারণ ওই একটা পথ ছাড়া অন্য পথ আর ওর জানা নেই।’ অর্ক অনিমেষের দিকে তাকাল, ‘এই ভাবে কজন বলবে?’

    মাধবীলতা বলল, ‘তোদের সামনে কি কোন পথ খোলা নেই।’

    অর্ক মাথা নাড়ল, ‘বুঝতে পারছি না।’

    ‘তার আগে বল তো তুই এই ব্যাপারে ঝাঁপালি কেন? শুধু একটা মাতালের সঙ্গে ঝগড়া করে এতগুলো লোকের দায়িত্ব নিয়ে নিলি?’

    অর্ক স্বীকার করল, ‘প্রথমে আমার মনে হয়েছিল এই রকম করলে লোকগুলো হয়তো একটু আরামে থাকবে। তুমি বলতে না, তিনজনের রান্নায় চারজনের হয়ে যায়! তাই ভেবেছিলাম অনেকগুলো পরিবার একসঙ্গে এলে খরচ কমে যাবে।’

    ‘শুধু তাই?’

    ‘তার মানে?’

    ‘এই লোকগুলোকে যখন এক হাঁড়িতে এনেছিস তখন অন্য ব্যাপারগুলো ভুলে থাকলি কি করে? এতে প্রত্যেকের নাহয় পেট ভরে খাওয়া জুটলো কিন্তু আর্থিক অবস্থা তো যা ছিল তাই রয়ে গেল। তোরা কেন বাচ্চাগুলোকে পড়াবার জন্যে একটা নাইট স্কুল চালু করলি না? যে টাকা হাতে এসেছিল সেটা তো একদিনে খরচ হচ্ছে না। যারা বেকার তাদের দিয়ে এখন কিছু কিছু ব্যবসা করলি না কেন যাতে তাদেরও উপকার হয় তোদের ফাণ্ডে কিছু জমা পড়ে। আমি বলছি প্রত্যেকটা পরিবারকে যদি আর্থিক ব্যাপারে পরস্পরের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলতে পারতিস তাহলে অনেক বেশী উপকার করা হতো, তোদেরও সমস্যা আসতো না।’ কথাগুলো একটানা বলে মাধবীলতা দম নেবার জন্যে থামল। অনিমেষ চমকে উঠেছিল। মাধবীলতা যা বলছে সেটা করতে পারলে দারুণ ব্যাপার হবে। এতদিন ধরে যেসব থিওরির কথা সে পড়ে আসছে এটি তারই চমৎকার ব্যাখ্যা।

    অর্ক উঠে দাঁড়াল, ‘মা, সত্যি তুমি ভাল।’

    ‘মানে?’ মাধবীলতার কপালে ভাঁজ পড়ল।

    অর্ক কয়েকপা এগিয়ে আচমকা মাধবীলতাকে চুমু খেল। ছেলের এ ধরনের আদরের জন্যে প্রস্তুত ছিল না মাধবীলতা। হাতের চেটো দিয়ে কপাল মুছতে মুছতে বলল, ‘ইস, থুতু মাখিয়ে দিলি।’

    ততক্ষণে দরজায় চলে গেছে অর্ক। মুখ ফিরিয়ে বলল, ‘অনভ্যাস। কতকাল যে তোমাকে চুমু খাইনি তা ভেবেছ?’

    ছেলে বেরিয়ে গেলেও মাধবীলতার মুখের রক্তাভা কমল না। অর্ক কোন অন্যায় করেনি কিন্তু মনে মনে সে খুব লজ্জিত হয়ে পড়েছিল। সে জানে অনিমেষ তার দিকে তাকিয়ে আছে। এটাই তাকে আরও লজ্জিত করছে। তাছাড়া অত বড় ছেলে যে এমন কাণ্ড করবে তা সে আঁচ করতে পারেনি।

    এই সময় অনিমেষ বলল, ‘হাত পা নাড়ো।’

    ‘কেন?’ মাধবীলতার কাছে নিজের গলার স্বরই অপরিচিত শোনাল।

    ‘শরীরের সব রক্ত এখন মুখে জমেছে।’ অনিমেষ তরল গলায় জানাল।

    ‘যাঃ।’

    ‘লজ্জা পেলে তোমাকে এখনও সুন্দর দেখায়।’

    ‘থাক হয়েছে।’

    ‘হয়নি। এই মুহূর্তে তোমাকে দেখে একটা স্মৃতি মনে এল।’

    ‘কি?’ মাধবীলতা চেষ্টা করছিল গম্ভীর হতে।

    ‘তোমাকে আমি যেদিন প্রথম চুমু খেয়েছিলাম সেদিন এরকম মুখ হয়েছিল তোমার। অবিকল এই রকম।’ অনিমেষ নিঃশ্বাস ফেলল।

    ‘কি আজেবাজে বকছ? ছেলের সঙ্গে নিজের তুলনা করতে বাধছে না?’

    ‘তুলনা কারো সঙ্গে করছি না। আমি শুধু লজ্জাটা যে এক তাই বলছি।’

    ‘যত বাজে কথা! ওইসব পুরোনো দিনের ছবি ভেবে কি লাভ?’

    ‘দিনগুলো কি সত্যি খুব পুরোনো?’

    মাধবীলতা এবার পাশ ফিরে শুলো, ‘তুমি কিন্তু এবার সত্যি সত্যি সত্যি নিজের ছেলেকে হিংসে করছ?’

    ‘হিংসে করছি না। নিজেকে বড্ড বেশি অপদার্থ মনে হচ্ছে।’

    ‘তার মানে?’

    ‘আমি তোমাকে ঠিক বোঝাতে পারব না।’ অনিমেষ হাসল।

    মাধবীলতা চোখ বন্ধ করল। তারপর নিচু গলায় বলল, ‘তাই ভাল।’

    অনিমেষ এই ভঙ্গীটা পছন্দ করল না। আজকাল মাধবীলতা যেন সব ব্যাপারেই হঠাৎ নির্লিপ্ত হয়ে যায়। অনিমেষের এই ব্যাপারটা একদম ভাল লাগে না। অসুখের পর থেকেই মাধবীলতা যেন উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছে। শুধু অর্কর সঙ্গে কথা বলার সময়ে ওকে স্বাভাবিক দেখায়। অথচ অনিমেষের সঙ্গে মাধবীলতা কখনই খারাপ ব্যবহার করে না। প্রয়োজন-অপ্রয়োজনে নানান কথাবার্তা হয়। কিন্তু তার মধ্যেই হঠাৎ যে সে অন্যমনস্ক হয়ে যায় সেটা লক্ষ্য করেছে অনিমেষ।

    মাধবীলতার ভঙ্গীটা ভাল লাগছিল না। জলপাইগুড়ি থেকে ফিরে আসার পর অনেক কথা হলেও একটা অদৃশ্য দূরত্ব যেন থেকেই গেছে। অনিমেষ উঠে দাঁড়াল। ক্রাচদুটো শব্দ করতেই মাধবীলতা চোখ খুলল। চোখাচোখি হতে অনিমেষ স্থির হয়ে গেল। তার বুকের ভেতর টনটন করছিল। সে এগিয়ে এল খাটের কাছে। মাধবীলতা নড়ল না একটুও। সেই একই ভঙ্গীতে চেয়ে আছে অনিমেষের মুখের দিকে। কাঁপা হাত রাখল অনিমেষ মাধবীলতার কপালে। কথা বলতে চাইল কিন্তু পারল না। তার গলার কাছে যেন কিছু আটকে গেল অকস্মাৎ। মাধবীলতা প্রথমে স্থির হয়ে ছিল। তারপর ওর একটা হাত ধীরে ধীরে অনিমেষের হাতটাকে স্পর্শ করল। তারপর বলল, ‘তুমি আমাকে ভুল বুঝো না।’

    ‘না!’ অনিমেষ দীর্ঘশ্বাস ফেলল। তারপর খোলা দরজার দিকে তাকিয়ে চট করে হাতটা সরিয়ে নিয়ে বলল, ‘তুমি বিশ্রাম নাও, আমি আসছি।’

    তিন নম্বরের পঞ্চাশটি পরিবারে বেকার যুবকের সংখ্যা তিরিশটি। এরা চাকরির খোঁজ যতটা না করে তার অনেক বেশী আড্ডা মেরে কাটায়। এদের মধ্যে মাত্র পাঁচজন স্কুল ফাইন্যাল পাশ করেছে।

    সেদিন সন্ধ্যায় তাদের নিয়ে বসেছিল অর্ক। এদের অনেকের বয়স ওর চেয়ে ঢের বেশী হলেও এখন সবাই অর্ককে বেশ সমীহের চোখে দেখছে। তাদের কাছে প্রস্তাবটা রাখল অর্ক। স্রেফ বেকার না বসে থেকে কিছু আয় করতে হবে। কমিটি প্রত্যেককে দিনে দশ টাকা করে দেবে। সেই টাকায় বড়বাজার থেকে প্রয়োজনীয় জিনিস কিনে এনে বিক্রি করলে অন্তত পাঁচ টাকা লাভ হবে। লাভের শতকরা বিশ ভাগ কমিটির কাছে জমা দিতে হবে মূল টাকার সুদ বাবদ। কমিটি সেই টাকা তিন নম্বরের পরিবারের জন্যেই ব্যয় করবে।

    তিন নম্বরের বয়স্ক মানুষরাও উপস্থিত ছিলেন সেখানে। ব্যাপারটা তাঁদেরও খুব উৎসাহিত করেছিল। ছেলেগুলো বেকার বসে গেঁজিয়ে সময় নষ্ট না করে কিছু রোজগার করুক তাতে পরিবারের লাভ হয়। তাঁদের মধ্যে একজন প্রস্তাব দিলেন, এমন অনেক জায়গায় অফিসপাড়া আছে যেখানে টিফিনের সময় কোন খাবার পাওয়া যায় না। কমিটির পয়সায় যদি ছেলেরা খাবার বানিয়ে সেসব জায়গায় গিয়ে বিক্রি করে তাহলে প্রচুর লাভ হতে পারে। ব্যাপারটা অর্কর খুব পছন্দ হল। সে এই নিয়ে সবার মতামত চাইল। কিন্তু দেখা গেল তিরিশজনের মধ্যে একুশজন এই রকম ব্যবসায়ের ব্যাপারে উৎসাহী হয়েছে। বাকি নজন নানান টালবাহানা করতে লাগল। অর্ক বুঝল এদের জোর দিয়ে কোন লাভ হবে না। অনভ্যাস এবং বেকার বসে থেকে এদের মনে জং ধরে গেছে। আর একুশজন যে সম্মতি জানিয়েছে এইটেই অনেক কথা। এরা সক্রিয় হলে হয়তো নজন শেষপর্যন্ত উৎসাহী হবে। ওই একুশজনের মধ্যে তিনজনকে নির্বাচিত করা হল ব্যবসাটা দেখার জন্যে। বলা হল, কমিটির ফাণ্ড যেহেতু বেশী নেই তাই প্রতিদিন টাকাটা ফেরত দেবার ব্যবস্থা রাখতে হবে।

    তিন নম্বরে আর একটা ব্যবসা বারোয়ারিভাবে শুরু হল। বড়বাজার থেকে গোটা সুপুরি কিনে এনে মাপসই কেটে আবার ফেরত দিলে ভাল পয়সা পাওয়া যায়। এই কাজ দুপুরবেলায় মেয়েদের পক্ষে সম্ভব। কমিটি টাকা জমা রেখে সুপুরি এনে দিলে মেয়েরা কাজ শুরু করল। প্রথম প্রথম আয়টা চোখে দেখা না গেলেও পরে সেটা বোঝা গেল। পনের দিনের মাথায় নিশ্চিন্ত হল অর্ক। এইভাবে চললে কমিটির প্রাপ্য শেয়ার থেকে বাকি দিনগুলো চলে যাবে। যে আর্থিক গ্যাপটা ছিল তা মিটে যাবে। বিলু বলল, ‘তোমার খুরে খুরে প্রণাম গুরু। এ শালা আমার মাথায় ঢোকেনি। সবাই কেমন ব্যবসা করতে লেগে গেছে। পঞ্চাশ টাকার খাবার তৈরি করে একশ টাকায় বিক্রি করছে।’

    অর্ক বলল, ‘এটা আমার মাথাতেও আসেনি। মা বলায় বুদ্ধিটা এল।’

    ‘কিন্তু আমি শালা বেকার রয়ে গেলাম। আমাকে একটা ব্যবসা করার ক্যাপিটাল দাও।’

    ‘কি ব্যবসা?’

    ‘আমি তো একটাই জানি। তুমি পঞ্চাশ দিলে তোমাকে পঁচিশ টাকা ডেইলি ফেরত দিয়েও আমার পঁচিশের বেশি থাকবে।’

    অর্ক অবাক হল, ‘বাপ রে! এ কি ব্যবসা?’

    বিলু হাসল, ‘দুটাকা পাঁচের টিকিট পাঁচ টাকা। বাকিটা পুলিসকে দিতে হবে।’

    ‘মারব এক থাপ্পড়! এর পরে বলবি বিশ বোতল চুল্লু কিনে এনে ব্ল্যাকে বিক্রি করলে হেভি প্রফিট থাকবে। ওসব চলবে না।’

    ‘কিন্তু আমাকে তো কিছু করতে হবে। সারাজীবন পরের খেটে ত চলবে না।’

    ‘সে কথা তো আমার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।’

    ‘তুমি তো রাত্রে পড়াশুনা করছ। পরীক্ষা দেবে। তোমার কথা আলাদা।’

    ‘পরীক্ষা দেব মায়ের জন্যে। পাশ করলেও যা হবে না করলেও তাই।’

    বিলু হয়তো খুব সিরিয়াস ভঙ্গীতে কথাটা বলেনি কিন্তু ঝুমকি বলল।

    সকাল বেলায় যখন ঠাকুররা ব্যস্ত তখন অর্ক দাঁড়িয়ে তাদের কাজ দেখছিল। ঝুমকি সরে এল কাছে, ‘এভাবে কতদিন চলবে?’

    ‘মানে?’

    ‘এখানে যা করছি তার জন্যে দুবেলা খেতে দিচ্ছ। কিন্তু এভাবে চলবে?’

    ‘কি বলতে চাইছ?’ অর্ক বুঝেও জিজ্ঞাসা করল।

    ‘আমাদের অন্যান্য খরচ আছে। ওষুধ তো রোজই দরকার। একটা কিছু না করলে…।’

    ‘সুপুরি কাটছ না?’

    ‘তাতে যা হচ্ছে জানো না? হাতখরচ চলবে, বাকিটা?’

    ‘আমি একটু ভেবে দেখি। সবে তো এসব শুরু হয়েছে। কটা দিন অপেক্ষা করো।’ কথাটা শুনে ফিরে গেল ঝুমকি। কিন্তু অর্ক মনে মনে খুব অসহায় বোধ করল। এতগুলো পরিবারকে আর্থিক সাচ্ছল্য দেবার কোন উপায় তার জানা নেই। এটুকু করতেই চোখে অন্ধকার দেখতে হচ্ছে।

    এই সময় বিলু এসে খবর দিল, ‘গুরু শুনেছ কয়লা জামিন পেয়েছ।’

    ‘জামিন?’

    ‘হ্যাঁ। খুব বড় উকিল জামিন পাইয়ে দিয়েছে। এই নিয়ে শান্তি কমিটিতে খুব গোলমাল শুরু হয়েছে। তুমি জানো না?’

    ‘না তো।’ অনেকদিন ওমুখো হওয়ায় সময় পায়নি সে। বিলুকে জিজ্ঞাসা করল, ‘শান্তি কমিটিতে গোলমাল হচ্ছে কেন?’

    ‘জানি না, সতীশদারা বেরিয়ে এসেছে শান্তি কমিটি থেকে। শুনলাম ওরা নাকি একটা পৃথক শান্তি কমিটি গড়বে। আমার গুরু খুব ভয় করছে। কয়লা যদি এই সুযোগে বদলা নিতে চায় তাহলে আমি মারা পড়ব।’

    ‘চুপ কর। মেঘ জমল না আর তুই বৃষ্টির ভয় পাচ্ছিস।’

    সেদিনই শান্তি কমিটির অফিসে গেল অর্ক। সুবল বসেছিল একা। অর্ককে দেখে বলল, ‘শুনেছ। সতীশদা কমিটিতে নেই।’

    ‘কি ব্যাপার?’

    ‘কয়লা জামিন পেয়েছে।’

    ‘তাতে কি হয়েছে?’

    ‘সতীশদার ধারণা কয়লার জামিনের পেছনে কংগ্রেসীদের হাত আছে। কারণ কয়লাকে এক সময় যুবনেতা বলা হয়েছিল। কমিটির কংগ্রেসী সদস্যরা সেকথা স্বীকার করছে না। সতীশদা অবশ্য বলেছে কমিটিতে নেই বলে যেন ভাবা না হয় যে ওরা আমাদের সব কাজের বিরোধিতা করবে। কিন্তু—।’ সুবলকে খুব অন্যমনস্ক দেখাচ্ছিল।

    অর্ক জিজ্ঞাসা করল, ‘কয়লা কি ওর বাড়িতে ফিরে এসেছে?’

    ‘না। পাড়ায় ঢোকা ওর পক্ষে মুশকিল হবে। তাছাড়া জামিনের শর্ত হল ও এই এলাকার তিনটে থানায় পা দিতে পারবে না। কিন্তু বিশ্বাস করা মুশকিল।’

    অর্ক বলল, ‘আর যাই হোক তিন নম্বরে সমাজবিরোধীরা পাত্তা পাবে না। ওখানকার পঞ্চাশটা ফ্যামিলি এখন একটা ফ্যামিলিতে পরিণত হয়েছে।’

    সুবল বলল, ‘তুমি অসাধ্য সাধন করেছ। তবে এর মধ্যে অনেকেই তোমার সম্পর্কে নানান কথা বলছে। তুমি নাকি মোটা লাভ করছ।’

    ‘লাভ করছি! আমাকে কিভাবে চালাতে হচ্ছে তা সবাই জানে।’

    ‘জানলেও প্রচার চালাতে দোষ কি। বাঙালি কখনো কেউ ভাল কাজ করলে সহ্য করবে না। তারা চাইবে সেটা ভেস্তে দিতে।’

    ‘দিতে আসুক, আমরা প্রাণ থাকতে সেটা হতে দেব না।’

    সুবলকে খুব নিস্তেজ দেখাচ্ছিল। অর্ক বেরিয়ে এল সেখান থেকে। মোড়ের মাথায় তিনটে ছেলে দাঁড়িয়েছিল। একজন চাপা গলায় বলে উঠল, ‘এই, অক্ক আসছে।’

    ‘আসুক না। আমরা তো শান্তি কমিটির মেম্বার।’

    ওদের সামনে এসে অর্ক থমকে দাঁড়াল। এরা ঈশ্বরপুকুরের ছেলে নয়। একজন যেন সামান্য টলছে। দিনদুপুরে মাল খেয়েছে এরা। কয়লা গ্রেপ্তার হবার পর এই দৃশ্য এখানে দেখা যেত না। মাথা গরম হয়ে যাচ্ছিল ওর। তিনজনেই ওর দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। শেষ পর্যন্ত অর্ক নিজেকে সামলে নিল। খামোকা ঝামেলা করে লাভ নেই। সুবলের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলতে হবে। তবে ওর মনে হল কয়লার জামিন পাওয়ার সঙ্গে এই পরিবর্তনের সম্পর্ক আছে। শান্তি কমিটি যদি ভেতরে ভেতরে দুর্বল হয়ে পড়ে তাহলে এরকমটা ঘটবেই।

    সতীশদা পার্টির অফিসে ছিল। ওকে দেখে চেঁচিয়ে উঠল, ‘আরে, এসো এসো। আমি তোমার কথা ভাবছিলাম।’

    অর্ক দেখল ঘরে অন্তত সাতআটজন ছেলে বসে আছে। বেশ উত্তেজনাপূর্ণ আলোচনা চলছিল সেটা বোঝা যাচ্ছে। সতীশদা যেন ওকে দেখে বেশ স্বস্তি পেল। অর্ক বলল, ‘আপনার সঙ্গে কথা বলতে এলাম।’

    ‘হ্যাঁ নিশ্চয়ই বসো। তারপর ছেলেদের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘তোমরা কেউ উত্তেজিত হবে না। আমরা আজ সন্ধ্যেবেলায় পার্কে সভা করছি। নেতারা আসবেন। পার্টি যা সিদ্ধান্ত নেবে তাই করবে। ওরা প্ররোচনা করলেও তোমরা ফাঁদে পা দেবে না। এসো অর্ক।’ সতীশদা উঠে দাঁড়াতে অর্ক তাকে অনুসরণ করল।

    ‘কি ব্যাপার?’

    ‘আপনি শান্তি কমিটি থেকে বেরিয়ে এসেছেন?’

    ‘ঠিক বেরিয়ে নয়। সুবলের একার পক্ষে সামলানো সম্ভব নয়। কংগ্রেসী ছেলেরা এই সুযোগে নিজেদের শক্তি বাড়াবার চেষ্টা করছে, এটা কি করে হতে দেওয়া যায়? তাছাড়া কয়লা ছাড়া পাওয়া মাত্র কিছু কিছু ঘটনার কথা আমাদের কানে এসেছে। কয়লা নেই কিন্তু শান্তি কমিটির ছদ্মবেশে আর একটা কয়লা তৈরি হোক আমি চাই না। শান্তি কমিটির সদস্যরা যে সবাই সতীলক্ষ্মী এ ভাবার কোন কারণ নেই।’

    ‘এসব তো আপনি ভেতরে থেকেও সংশোধন করতে পারতেন।’

    ‘পারতাম না। কারণ বিপরীত মেরুর রাজনৈতিক ভাবনা নিয়ে পা বাড়ানো যায় না। তাছাড়া কর্পোরেশন ইলেকশন আসছে। ওরা যেভাবে কাজ গোছাচ্ছে তাতে আমরা অসুবিধেয় পড়ব। আমি সুবলকে বলেছি ওদের সমাজবিরোধীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সব সময় শামিল হবো। যাক, তোমার খবর বল।’

    অর্ক লোকটার দিকে ভাল করে দেখল। এইসব সমস্যার কথা সে আগেই ভেবেছিল। সেটা মিলে গেল। সে বলল, ‘এখন পাড়ায় শান্তি আছে, সেটা বজায় রাখুন।’

    ‘নিশ্চয়ই। শুনলে তো, আমি ছেলেদের উত্তেজিত হতে নিষেধ করেছি। কয়লা পাড়ায় ঢুকতে চাইলে আমরা বাধা দেব। কিন্তু তোমার সঙ্গে আমার কথা আছে।’

    ‘বলুন।’

    ‘তুমি যেটা করছ সেটা খুব ভাল উদ্যোগ। তবে তোমার একার পক্ষে কতদিন চালানো সম্ভব হবে? তুমি যদি আমাদের সদস্যপদ নাও তাহলে অনেক সুবিধে হবে।’

    অর্ক মাথা নাড়ল, ‘এখন তো কোন অসুবিধে হচ্ছে না।’

    ‘হচ্ছে কিন্তু বলছ না। লোকে বলছে তুমি আর বিলু নাকি ঘি খাচ্ছ। আমি বিশ্বাস করি না কিন্তু লোকের মুখ চাপা দিতে হলে তোমাকে পার্টিতে আসতে হবে।’

    ‘শুনলাম।’

    ‘তোমার পার্টিতে আসতে অসুবিধে কি?’

    ‘আমি ভেবে দেখিনি।’

    ‘কথাটা অনেক দিন থেকে বলছ। এখন তিন নম্বরে সবকটা লোক তোমার কথা শুনে চলছে। তুমি আজ ওদের পার্কের মিটিং-এ আসতে বল।’

    ‘পার্কের মিটিং-এ?’

    ‘হ্যাঁ। কেন্দ্রীয় নেতারা আসছেন। আমরা সমাজবিরোধীদের বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখব। শান্তি কমিটি যাতে সঠিক পথে চলে তার দাবি জানাবো আর আগামী কর্পোরেশনের ইলেকশনের জন্যে প্রচার করব। তিন নম্বরে অন্তত শ’ দেড়েক মানুষ সব সময় টলমলো করে। তাদের রাজনৈতিক চিন্তাশক্তি খুব দুর্বল। তোমাকে দায়িত্ব নিতে হবে।’

    অর্ক বলল, ‘এসব কথা ওদের বললে পারেন। কে যাবে বা না যাবে তা আমি বলার কে? আমি কি ওদের গার্জেন?’

    সতীশদা অর্কর কাঁধে হাত রাখল, ‘এসব বলছ কেন? ওরা তোমার ওপর নির্ভর করে আছে। তুমি বললে কেউ না বলতে পারবে না।’

    ‘আপনি কি আমাকে ব্যবহার করতে চান?’

    ‘মানে? কি বলছ তুমি?’

    ‘যা বলছি তা তো বুঝতেই পারছেন।’

    ‘অর্ক। তুমি বাজে কথা বলছ। তুমি সমাজবিরোধীদের প্রশ্রয় দিচ্ছ। বিলু, ন্যাড়া সমাজবিরোধী। বিলুর নাম তো তুমিই লিস্টে ঢুকিয়েছিলে। এসব কথা আমার মুখ থেকে শুনলে পাবলিক তোমাকে ভাল চোখে দেখবে না।’

    অর্ক হাসল। ঠিক আছে সতীশদা। আপনি যা পারেন করুন। ভয় দেখিয়ে কেউ আমাকে কোন কাজ করাতে পারবে না। আমি এই রাজনীতির মধ্যে নেই।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালবেলা – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }