Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালপুরুষ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প892 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. বেলগাছিয়া থেকে সেকেণ্ড ক্লাস ট্রামে

    সাত

    বেলগাছিয়া থেকে সেকেণ্ড ক্লাস ট্রামে চেপে ওরা হাতিবাগানে চলে এল। এতক্ষণে অর্কর শরীর ম্যাজম্যাজ করছে, দুচোখ ভারী। মনে মনে বিলুর ওপর ভীষণ চটে যাচ্ছিল ও। হাতিবাগানে নেমে বিলু বলল, ‘ওস্তাদ, পেটে একটু চা ঢেলে নিই চল।’

    প্রথম প্রথম এই ওস্তাদ কিংবা গুরু সম্বোধনে অস্বস্তি হত অর্কর। পরে বুঝেছে ওগুলো কথার মাত্রা, কোন মানে না করেই বলা হয়। দুই অক্ষরের যে শব্দটি পুরুষাঙ্গের পরিচয় তাও ওরা ব্যবহার করে অসাড়ে। কোন মানে হয় না কিন্তু কথা বলার সময় ওই ব্যবহার বেশ জোর আনে। কথাটা কখনও ব্যবহার করতে পারেনি অর্ক। জিভে যেন আটকে যায়। ও বিলুর দিকে তাকাল। ওদের দলটায় বিলুকেই সবচেয়ে বুদ্ধিমান বলে মনে হয়। চট করে রাগে না কিন্তু কাজ গোছাতে পারে। বাবা চায় না এদের সঙ্গে সে মেশে। শুধু খিস্তি করা ছাড়া বিলুর আর কোন দোষ নেই। অন্তত খুরকি কিংবা কিলার থেকে বিলু অনেক ভাল। এদের সঙ্গে সে মিশছে বছর তিনেক। গত বছর থেকে ঘনিষ্ঠ। হাঁটতে হাঁটতে অর্ক জিজ্ঞাসা করল, ‘তুই কখনও জেল খেটেছিস?’

    বিলু আচমকা প্রশ্ন শুনে বেশ অবাক গলায় বলল, ‘কেন বে?’

    ‘এমনি জিজ্ঞাসা করছি।’

    ‘থানায় গিয়েছিলাম তিনবার, কোর্টে যেতে হয়নি।’

    ‘ম্যানেজ করেছিলি?’

    ‘ম্যানেজ না করলে চলে গুরু?’

    বাঁদিকের একটা গলির মুখে ভাঁড়ের চায়ের দোকান। তার বেঞ্চিতে বসল ওরা। চায়ে চুমুক দিয়ে ভাল লাগল অর্কর। ও হঠাৎ জিজ্ঞাসা করল, ‘তোর দেশ কোথায় ছিল বে?’

    ‘পাকিস্তান।’

    ‘দূর বে, বাংলাদেশ বল।’

    ‘বাবা বলে পাকিস্তান; ওসব দিয়ে কি দরকার?’

    ‘না, জিজ্ঞাসা করছি। তুই দেখেছিস?’

    ‘ফোট! আমি শালা এখানে পয়দা হয়েছি। তবে বাবা হেভি গুল মারে, এই ছিল তাই ছিল। মাইরি জন্মাবার পর কোন দিন খাঁটি ঘি-এর লুচি খাইনি।’

    কথাটা অর্কর মনে লাগল। সে কি নিজে কখনও খেয়েছে? নিচু গলায় বলল, ‘আমাদের দেশ মাইরি পাকিস্তানে ছিল না কিন্তু আমিও খাইনি। একদিন খেলে হয়।’

    চায়ের দাম মিটিয়ে দিল অর্ক। এখন শরীর একটু ভাল লাগছে। সিনেমা হলটার সামনে এসে ওর চক্ষুস্থির হয়ে গেল। বিরাট ভিড়। এখন সবে নটা বাজে বোধহয় কিন্তু কমসে কম হাজারখানেক লোক জটলা পাকাচ্ছে। মেয়েদের লাইনটা এঁকেবেঁকে চলে গেছে অনেকদূর। ছবিটার কথা অর্ক শুনেছে অনেকদিন কিন্তু অভ্যেস নেই বলে দেখতে আসার ইচ্ছে হয়নি। হলের কোলাপসিবল্‌ দরজা বন্ধ। ছেলেদের লাইনে জোর মারপিট শুরু হয়েছে। পাঁচ ছয়টা ছেলে লাইন ম্যানেজ করছে। ওদের সামনে একটা ছেলেকে বেধড়ক পেটালো ওরা। জামা ছিঁড়ে ছেলেটা লাইন ছেড়ে চলে গেল। হঠাৎ মেয়েদের লাইনে চিৎকার শুরু হল। অর্ক দেখল একটা রোগা মতন মেয়ে একজন মহিলার চুলের মুঠি চেপে ধরে টানছে। মহিলাটি মোটাসোটা তবু সেই চেহারায় দুহাতে মেয়েটি আঁচড়াতে চেষ্টা করছে। লাইনের অন্যান্য মেয়েরা তারস্বরে চিৎকার করছে। এদের ব্যাপার দেখে ছেলেদের মারামারি থেমে গেল। সেই মাস্তান ছেলেরা এদের সামনে এসে জোর হাততালি দিতে লাগল। একজন আবার হেঁড়ে গলায় শোলের ডায়লগ বলতে লাগল। অবিকল আমজাদ খান। মেয়ে দুটোর কোন হুঁস নেই। তারা মাটিতে পড়ে গিয়েও পরস্পরকে ছাড়ছে না। এইসময় একটা পুলিস ভ্যান সামনে এসে দাঁড়াতেই বিলু বলল, ‘খেল শুরু হল।’

    একজন অফিসার ভ্যান থেকে নেমে চিৎকার করলেন, ‘আই চোপ্‌! কেউ মারামারি করবে না। মারামারি করা খুব খারাপ।’

    আমজাদ খান সেই গলায় বলল, ‘খুব খারাপ স্যার, কিন্তু ওরা খুব লড়ে যাচ্ছে।’

    ঠিক তখনি কোলাপসিব্‌ল গেট ফাঁক হতেই প্রথমে ঢোকার জন্যে তাড়াহুড়ো লেগে গেল। অর্ক দেখল রোগা মেয়েটা চটপট মাটি ছেড়ে দৌড়ে গেল লাইনের মধ্যে। মোটাসোটা মহিলা তড়িঘড়ি লাইনে ঢুকে গেলেন। এতক্ষণের অত উত্তেজক মারামারির কোন মূল্য থাকল না। অর্ক বিলুর দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করল, ‘টিকিট পাবি কি করে?’

    ‘পেয়ে যাব।’

    ‘যা বে! আমি মরে গেলেও ওখানে ঢুকব না। দ্যাখ দ্যাখ পুলিশ লাঠি চার্জ করছে। শালা, বড় হলে পুলিশ হতে হবে।’

    ‘তুই হতে পারবি, তোর ফিগার আছে। দু’হাত ভরে দুই নম্বর লুটবি। লে বে, টাকাটা বের কর।’

    ‘টিকিট কোথায়?’

    ‘তুই আমাকে অবিশ্বাস করছিস অক্ক। এ লাইনে অবিশ্বাস করলে কোন কাজ চলে না। ব্যবসা হয় বিশ্বাসের ওপরে।’

    অত্যন্ত অনিচ্ছায় পকেট থেকে টাকাগুলো বের করল অর্ক। বের করবার সময় হারখানার কথা মনে পড়ায় সে চট করে দেখে নিল সেটা পকেটেই আছে। বিলুকে হারোনার কথা কিছুতেই বলা যাবে না। টাকাটা হাতে নিয়ে গুণে ফেলল বিলু। তারপর দশটা টাকা অর্কর হাতে দিয়ে বলল, ‘এটা রাখ, ভাগাভাগি করে নেব।’

    ‘কেন?’

    ‘তুই শালা ধুর নাকি বে! টিকিটগুলো ক্যাশ না করা পর্যন্ত হাওয়া খাব নাকি? অক্ক, আজ থেকে আমরা হলাম পাটনার, মনে রাখিস।’

    অর্ককে সেখানেই দাঁড় করিয়ে বিলু হলের দিকে চলে গেল। অর্ক দেখল লাঠি চার্জের পর লাইন বেশ শান্ত হয়েছে। ছয়জন ছেলে আর চারজন মেয়েকে এক একবারে কোলাপসিব্‌ল গেটের ফাঁক দিয়ে ভেতরে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে টিকিটের জন্যে। বিলু সামনের ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে গেলে অর্কর মন খুঁতখুঁত করতে লাগল। টাকাটা নিয়ে বিলু হাপিস হয়ে যাবে না তো! যদি হয় তাহলেও অর্কর কিছু বলার নেই। কারণ টাকাটা ন্যাড়ার মায়ের আর সে-ই নিজে কাল রাত্রে ছাই হয়ে গেছে। কিন্তু টাকাটা অনেকক্ষণ পকেটে ছিল, বিলু কি ঢপ্‌ দেবে!

    মিনিট পনের বাদে ফিরে এল বিলু। অর্ক খুশি হল, ‘পেলি?’

    ‘না পাটনার। ওই চায়ের দোকানে বসতে বলল।’

    ‘চায়ের দোকানে কেন?’

    ‘ওখানেই লেনদেন হবে।’

    সিনেমা হাউস ছাড়িয়ে একটু এগোতেই একটা জীর্ণ চায়ের দোকান চোখে পড়ল অর্কর। গোটা আটেক তাদের বয়সী ছেলে সেখানে বসে আছে। বিলুর সঙ্গে ঢুকে অর্ক একটা বেঞ্চিতে বসতেই মন্তব্য কানে এল, ‘এরা খোঁচড় নাকি বে?’

    ‘হলে হবে। কোন খানকির বাচ্চা নাক গলালে লাস পড়ে যাবে!’

    উত্তরটা শুনে কান ঝাঁ ঝাঁ করে উঠল অর্কর। সে বিলুর দিকে তাকাতেই বিলু চোখ মারল। তারপর বলল, ‘দেশলাই আছে?’

    অর্ক মাথা নাড়ল, ‘না।’

    একটা চারমিনার দুই আঙ্গুলে গুঁজে বিলু চারপাশে তাকাল। তারপর যে ছেলেটি লাশ ফেলবে বলেছিল তার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘ওস্তাদ, আগুন আছে?’

    প্রচণ্ড কালো, মুখ চোখ ভাঙ্গা, লাল জামা পরা ছেলেটা বিলুর দিকে তাকাল। অর্ক দেখল ছেলেটা বেশ বিরক্তি সত্ত্বেও পকেট থেকে দেশলাই বের করে খুব জোরে ছুঁড়ে দিল বিলুর দিকে। ছোঁ মেরে সেটাকে লুফে নিয়ে বিলু সিগারেটটা ধরাল মন দিয়ে। তারপর বেঞ্চি ছেড়ে উঠে গেল লাল জামার কাছে, ‘ওস্তাদ, পহেলে পুছো কৌন হ্যায় উসকি বাদ বাত বোলো। সেমসাইড গোল হয়ে যাচ্ছে।’

    ছেলেটার মুখ আরও কঠিন হল, ‘কি চাই এখানে?’

    ‘চা খেতে এসেছি।’

    লাল জামা হাঁক দিল, ‘গণা, ওদের চা দে খেয়ে ফুটে যাক।’

    বিলু মাথা নাড়ল, ‘আবার সেমসাইড হচ্ছে ওস্তাদ।’

    লাল জামা ঘুরে বসল, ‘মানে?’

    ‘অমাদা বলেছে এখানে বসতে।’

    ‘অমাদা বলেছে!’ লাল জামার মুখ থেকে কথাটা বের হতেই অন্যান্যরা নড়ে চড়ে বসল। অর্ক বুঝল কেউ তাদের ভাল চোখে দেখছে না।

    লাল জামা বলল, ‘আরে, আমি সাফ বলে দিচ্ছি। নতুন পার্টি ঢোকাতে চাইলে হেভি কিচাইন হয়ে যাবে।’

    বিলু বলল, ‘আমরা নতুন নই।’

    ‘নতুন নই!’ হা হা করে হেসে উঠল লাল জামা, ‘এ খোমা অ্যাদ্দিন কোন গাদিতে ঝুলিয়েছিলে চাঁদ!’

    ‘আমি আসতাম না, আমার দোস্ত আসতো, খুরকি।’

    ‘খুরকি?’ অর্ক লক্ষ্য করল ছেলেটার মুখের চেহারা পাল্টে গেল আচমকা। সে বিলুর মুখের দিকে চোখ ছোট করে দেখতে লাগল।

    বিলু হাসল, ‘খোমা দেখে নাও ওস্তাদ। অনেক খেলেছ এতক্ষণ। খুরকি আমাদের পাঠিয়েছে ওর মাল নিয়ে যেতে। আপত্তি আছে?’

    লাল জামা বলল, ‘খুরকি কোথায়?’

    ‘শরীর খারাপ।’

    ‘ওকে বলো মানাদা ডেকেছে। ও শালা মানাদাকেও টপকেছে। মানাদাই এই হলের সঙ্গে প্রথম বন্দোবস্ত করেছিল, আমরা এখনও মানাদাকে হিস্যা দিই।’

    বিলু বলল, ‘বলব। কিন্তু আর কি সেমসাইড হবে?’

    ‘ঠিক আছে। কিন্তু দশটার বেশী টিকিট—।’

    ‘এক কুড়ি। আমাদের সঙ্গে বাতচিত হয়ে গেছে। যে যার করে খাও গুরু।’ বিলু ফিরে এল অর্কর পাশে। অর্ক বিলুকে এতক্ষণ অবাক হয়ে দেখছিল। রোগা ক্ষয়াটে চেহারা নিয়ে বিলু কি রোয়াবে কথা বলে গেল এতক্ষণ। সে কি নিজে এরকম পারত! ও দেখল সবাই এবার তার দিকে তাকাচ্ছে। ঠোঁট বেঁকিয়ে কিলার ভঙ্গীতে অর্ক চেঁচাল, ‘কি বে, চা কি বাগানে পয়দা হচ্ছে এখনও?’

    গলার স্বর এবং ভঙ্গী অনেকটাই কিলার মত মনে হল অর্কর। ওপাশ থেকে সাড়া এল, ‘দিচ্ছি।’

    হঠাৎ বাইরে দুদ্দাড় করে মানুষজন ছুটতে লাগল। ওরা দোকানে বসেই দেখল পুলিস লাঠি উঁচিয়ে তাড়া করেছে। লাল জামার কাছে একজন এসে বলল, ‘টিকিট নেই বলে কাউন্টার বন্ধ করে দিয়েছে বলে পাবলিক রঙ নিচ্ছে।’

    অর্ক চা খেতে খেতে অনুভব করল ওর শরীরের সেই ম্যাজম্যাজানি ভাবটা আর নেই, এমনকি ঘুমও পাচ্ছে না। ঠিক তখনই ‘আবে অমাদা এসে গেছে,’ ‘এসো ওস্তাদ’ ইত্যাদি হাঁকডাকে ভরে গেল দোকান। অর্ক দেখল একটি আধবুড়ো লোক চায়ের দোকানে ঢুকে সন্ত্রস্ত ভঙ্গীতে চারধারে তাকিয়ে নিয়ে বলল, ‘বাইরে পুলিস প্যাঁদাচ্ছে।’

    লাল জামা বলল, ‘যুগ যুগ জীও গুরু। যত প্যাঁদাবে তত লাভ।’

    অমাদা মাথা নাড়ল, ‘ঠিক। আজ আরও চারআনা বেশী লাগবে।’

    সঙ্গে সঙ্গে লাল জামা ছুটে এল, ‘কি কিচাইন করছ অমাদা, তোমার সঙ্গে মানাদা রেট ঠিক করে গিয়েছে, এখন বেশী চাইলে দেব কি করে?’

    অমাদা হাত নাড়ল, ‘দর আবার কি! রোজ রোজ যেমন কমছে বাড়ছে তেমন চলবে। আজকের যা ডিম্যাণ্ড তাতে চারআনা বেশী পড়বে।’

    কথাটা শেষ করে অমাদা দোকানের খদ্দেরদের মুখ ভাল করে দেখল, ‘মারপিট হচ্ছে যখন রাস্তায় তখন ঝাঁপটা বন্ধ করে দে। বাইরের কেউ এখানে নেই তো?’

    লাল জামা মাথা নাড়ল, ‘না। কিন্তু তুমি খুরকিকে মাল দিচ্ছ কেন?’

    অমাদা বলল, ‘কে খুরকি?’

    ‘বেলগাছিয়ার খুরকি।’

    ‘ওরে বাবা, ওকে না দিলে উপায় আছে! খুরকি যেন কাদের পাঠিয়েছে এখানে?’ অমাদা একটা বেঞ্চিতে বসতেই কয়েকজন সরে গিয়ে তাকে জায়গা করে দিল। বিলু হাত তুলল।

    তাকে দেখে নিয়ে অমাদা টিকিট বিতরণ শুরু করল। অর্ক দেখল গোছ গোছ টিকিট হাত বদল হয়ে যাচ্ছে। সাধারণত নিচু আর মাঝারি শ্রেণীর টিকিট অমাদা এনেছে। তবে চার আনা বেশী দিতে হচ্ছে বলে অনেকে যত টিকিট নেবে ভেবেছিল তত নিতে পারছে না। বিলু বেশ কিছু টিকিট ম্যানেজ করে আদ্ধেক অর্ককে দিল, ‘এগুলো শুক্কুরবার পর্যন্ত তোর কাছে রেখে দে। কেউ যেন টের না পায়।’

    ‘তোর কাছে রেখে দে না।’

    ‘না বে, বাইরে বের হলেই খোঁচড় ধরতে পারে। একজনকে ধরলে আর একজনের মাল বেঁচে যাবে।’

    চোখের সামনে দোকানটা সাফ হয়ে গেল। যে যার টিকিট নিয়ে এক এক করে বেরিয়ে পড়েছে। অমাদা টাকাগুলো থলিতে পুরে বিড়ি ধরাল, ‘একটা ডবল হাফ দাও।’

    বিলু অর্ককে ইশারা করে বেরিয়ে পড়ল। কর্ণওয়ালিস ষ্ট্রীট এতক্ষণে স্বাভাবিক হয়ে গেছে। হাঁটতে হাঁটতে বিলু বলল, ‘এ হপ্তার খরচটা ম্যানেজ হয়ে গেল অক্ক।’

    ‘কি করে বিক্রি করবি?’

    ‘শো শুরু হবার পনের মিনিট আগে আসব। ততক্ষণে অন্য শালাদের টিকিট শেষ হয়ে যাবে। চারটাকা নাফা রাখব দেখিস।’

    ‘পুলিস যদি ধরে!’

    ‘আমার ওপর ভরসা কর ওস্তাদ। তোকে তো বলেছি আমি এখনও শ্বশুরবাড়ি যাইনি। চ, সটকাট করি।’

    নলিনী সরকার স্ট্রীট দিয়ে কেন যাচ্ছে প্রথমে ধরতে পারেনি অর্ক, পরে খেয়াল হল লেক টাউনের কথা। এইসব উত্তেজনার মধ্যে অর্ক বিলাস সোমের কথাটা ভুলে গিয়েছিল। কিন্তু লেক টাউনে গিয়ে কি হবে? লোকটা যদি মরে যায় তাহলে পুলিস কি তাকে ঝামেলায় ফেলতে পারে? ওর আর একবার আফসোস হল নিজের ঠিকানাটা হসপিটালে দেওয়ার জন্যে।

    হঠাৎ বিলু বলল, ‘তোদের অ্যাকসিডেণ্টটা ঠিক কোথায় হয়েছিল?’

    ‘আর জি করের মুখে।’

    ‘পুরো ঘটনাটা বল তো!’

    বিলুর দিকে তাকাল অর্ক। না, হারের কথা বলবে না সে। ওটা আছে জানলেই শালা ভাগ বসাবে। নিজে যদিও জানে না কোথায় কার কাছে হারখানা বিক্রি করা যায়, তবু ভাগীদার চায় না সে। প্রায় সবটাই খুলে বলার পর বিলু বলল, ‘পার্টি মালদার বলে মনে হচ্ছিল?’

    ‘বাঃ, নিজের গাড়ি আছে, টাই পরে যখন—।’

    ‘তার মানেই যে মাল আছে তা নাও হতে পারে। চল বাড়িতে গিয়ে দেখব।’

    সাতচল্লিশ নম্বর বাসে চেপে ওরা লেকটাউনে চলে এল। বাসে উঠেই বিলু বলেছিল, ‘কেমন আছ ওস্তাদ!’

    কণ্ডাক্টর ওদের বয়সী একটা ছেলে, কাঁধ অবধি চুল, ভাঙ্গা চোয়াল, ঘাড় নেড়েছিল, ‘কিলার খবর কি?’

    ‘কাল থেকে হাপিস।’

    ‘কি ব্যাপার?’

    ‘ঠিক জানি না।’

    ওরা টিকিট দিল না, কণ্ডাক্টরও চাইল না। দরজায় দাঁড়িয়ে সিগারেট ধরালো বিলু। এখন গাড়ি প্রায় ফাঁকা। কয়েকটা টান দিয়ে সে সিগারেটটা কণ্ডাক্টরকে দিয়ে দিল। অর্ক দেখল বাসের কিছু লোক তাদের দিকে তাকাচ্ছে কিন্তু কিছু বলছে না।

    লেকটাউনে নেমে বিলু বলল, ‘ঠিকানাটা কি পড়!’

    পকেট থেকে লাইসেন্সটা বের করে অর্ক ঠিকানা পড়ল। জয়া সিনেমার পেছনের রাস্তায় ওদের যেতে হবে। অর্ক বলল, ‘গিয়ে কোন লাভ হবে না। পুলিস নিশ্চয়ই ওদের খবর দিয়েছে।’

    বিলু বলল, ‘তা তো দিতেই পারে। কিন্তু তোর কাজ তুই করবি চল, বলা যায় না কি থেকে কি হয়!’

    নম্বর মিলিয়ে বাড়িটাকে খুঁজে পেতে দেরি হল না। দোতলা ঘিয়ে রঙের বাগানওয়ালা বাড়ি। সুন্দর দেখতে। গেটে লেখা, কুকুর হইতে সাবধান। অর্ক বলল, ‘কুকুর আছে।’

    ‘যা বে!’

    ‘হ্যা, লেখা আছে, দ্যাখ না।’

    বিলু চোখ বোলালো, ‘আমি তাহলে ঢুকছি না। ওরে শালা, বড়লোকের কুত্তা খুব হারামি হয়।’

    অর্ক হেসে ফেলল ওর ভয় দেখে, ‘তাহলে চল ফিরে যাই।’

    ‘তোর তো ভয় নেই, তুই ঢোক না।’

    ‘কি বলব?’

    ‘যা ঘটনা তাই বলবি। প্রথমে মাল খেয়েছিল বলবি না, ওটা আমাদের ইস্ক্রু হবে। যা বে। কুকুরটাকে বাঁধতে বলে আমায় ডাকবি।’

    বিলু গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে রইল। নুড়ি দিয়ে সাজানো প্যাসেজে পা দিতেই মেঘ গর্জন করে উঠল যেন। অর্ক থমকে গিয়েছিল। সতর্ক চোখে সে দেখল বারান্দার গায়ে জানলার গ্রিলের ফাঁকে বিরাট একটা কুকুর ছটফট করছে তাকে দেখে, ক্রমাগত ডেকে যাচ্ছে। এগোবে কিনা বুঝতে পারছিল না অর্ক, পেছন থেকে বিলু সাহস দিল, ‘কিছু হবে না, এগিয়ে যা। হারামিটা বেরুতে পারবে না।’

    অর্ক আরো খানিকটা এগোতেই ভেতর থেকে একটি মেয়ের গলা ভেসে এল, ‘সাট আপ ম্যাক, হোয়াটস দ্য প্রব্লেম!’

    গলা শুনে ম্যাক আরও উত্তেজিত হল। দুটো পা গ্রিলের ওপর তুলে দিয়ে দাঁতগুলো বের করে চেঁচিয়ে যাচ্ছে সমানে।

    তারপরেই নীল ম্যাক্সি পরা একটি মেয়ে এসে দাঁড়াল গ্রিলের পাশে। কুকুরের বিশাল মাথায় হাত রেখে অত্যন্ত বিরক্ত চোখে অর্ককে দেখে জিজ্ঞাসা করল, ‘কি চাই?’

    মেয়েটি মোটেই লম্বা নয়। কিন্তু শরীরে বাড়াবাড়ি রকমের যৌবন। চোখ মুখের অভিব্যক্তিতে যে সফিস্টিকেশন তার সাক্ষাৎ কোনদিন পায়নি অর্ক। হঠাৎ সে আবিষ্কার করল তার জিভ শুকিয়ে গেছে, কথা বলতে পারছে না। মেয়েটি আবার জিজ্ঞাসা করল, ‘কি চাই, চাঁদা?’

    মাথা নাড়ল অর্ক। তারপর কোনরকমে বলল, ‘বিলাস সোম—।’

    ‘ড্যাডি বাড়িতে নেই। ওঃ, ম্যাক, চলে এস।’ মেয়েটি চলে যাচ্ছিল, অর্ক তাড়াতাড়ি বলে উঠল, ‘আপনারা কোন খবর পাননি?’

    ‘কি খবর?’

    ‘ওঁর অ্যাকসিডেণ্ট হয়েছে!’

    ‘অ্যাকসিডেণ্ট? ও মাই গড! মা, মা, তাড়াতাড়ি এস!’ চিৎকার করতে করতে মেয়েটি ছুটে গেল ভেতরে। এবং কি আশ্চর্য, কুকুরটাও হঠাৎ শান্ত হয়ে গেল। অর্ক বারান্দায় দাঁড়িয়ে বিলুর দিকে তাকাল। বিলু রাস্তার ওপাশে দাঁড়িয়ে তাকে দেখছে। হঠাৎ অর্কর মনে হল, বিলুটা অত্যন্ত কুৎসিত দেখতে। এই বাড়িতে একদম মানাবে না। ভেতরে একটি ঈষৎ খসখসে কণ্ঠ বাজল, ‘কত আজে বাজে লোক আসে সব কথা বিশ্বাস করতে হবে!’

    এইসময় গ্রিলের আড়ালে একজন মধ্যবয়সিনী এসে দাঁড়ালেন। হাতহীন জামা এবং কাঁধ ছোঁওয়া চুল। মুখে এই সকালেও বেশ প্রসাধন। ভ্রূ কুঁচকে অর্ককে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কি হয়েছে?’

    ‘অ্যাকসিডেণ্ট। কাল রাত্রে।’

    ‘তুমি কে?’

    ‘আমি ওঁর সঙ্গে ছিলাম।’

    ‘তুমি বিলাসের সঙ্গে ছিলে?’

    ‘হ্যাঁ। মানে আমাকে উনি লিফট দিচ্ছিলেন।’

    ‘ইমপসিব্‌ল। বিলাস কাউকে লিফট দেয় না। তাছাড়া অ্যাকসিডেণ্ট হলে পুলিস খবর দিত। তোমার সাহস তো খুব, আমি যদি এখন তোমাকে পুলিসে ধরিয়ে দিই।’ ধমকে উঠলেন মহিলা।

    ‘বিশ্বাস করুন, আমি মিথ্যে কথা বলছি না। এই দেখুন, ওঁর ড্রাইভিং লাইসেন্স। এখান থেকেই ওঁর ঠিকানা পেয়েছি।’ পকেট থেকে সেটা বের করে গ্রিলের ফাঁক গলিয়ে মহিলাকে দিল।

    লাইসেন্স হাতে নিয়ে মহিলা একটু নার্ভাস হলেন। তিনি অর্কর কপাল এবং হাতের দিকে তাকালেন, ‘এটা তুমি কোত্থেকে পেলে?’

    ‘গাড়িতে ছিল। পরে পেয়েছি।’

    ‘কোথায় থাক তুমি?’

    ‘বেলগাছিয়াতে।’

    মহিলা চিৎকার করে কাউকে ডাকলেন, ‘দরজা খুলে দে।’

    খানিক বাদেই একটা বুড়ো চাকর দরজা খুলে দিতে মহিলা বললেন, ‘ভেতরে এসো।’

    অর্ক ঘরে ঢুকতেই কুকুরটা সাঁৎ করে তার সামনে চলে এল। মহিলা বললেন, ‘সোফায় বসো। ওঠার চেষ্টা করলে ম্যাক তোমাকে ছিঁড়ে খাবে। আমি থানায় ফোন করে তোমার কথা বলছি।’

    অসহায় অর্ক সোফায় বসতেই কুকুরটা তার সামনে পেছনের পা ভেঙ্গে বসল। মহিলা ততক্ষণে রিসিভার তুলেছেন। সেই মেয়েটি ডিভানে বসে আছে, চাকরটা দরজায়।

    লাইন পাওয়া মাত্র মহিলা কথা বললেন, ‘হ্যালো, আমি লেকটাউন থেকে বলছি। আমার নাম সুরুচি সোম। বিলাস সোম আমার স্বামী। কি বললেন? আমাকে খুঁজছেন। অ্যাকসিডেণ্ট হয়েছে! কখন? আর জি করে! কি আশ্চর্য, এতক্ষণ খবর দেননি কেন? ঠিকানা ছিল না এটা মানতে হবে? ভাগ্যিস একটি ছেলে খবর দিল এসে। কণ্ডিশন ভাল নয়, আমি এক্ষুনি যাচ্ছি।’

    টেলিফোন রেখেই মহিলা মেয়েটির দিকে ঘুরে দাঁড়ালেন, ‘সু তোমার ড্যাডির অ্যাকসিডেণ্ট হয়েছে। এক্ষুনি যেতে হবে।’

    মেয়েটি চিৎকার করে উঠল মুখে হাত চাপা দিয়ে। মহিলা বললেন, ‘ডোন্ট বি সিলি। তুমি ভেতর থেকে আমার ব্যাগটা এনে দাও। আর নবীন, তুমি জলদি ট্যাক্সি ডেকে আন।’

    অর্ক হতচকিত হয়ে ব্যাপারটা দেখছিল। মহিলা এবার ওকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘বিলাস কি ড্রাঙ্ক ছিল?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘কোত্থেকে তোমাকে লিফট দিয়েছে?’

    ‘বিডন স্ট্রীট।’

    কথাটা শুনেই মুখ বিকৃত করলেন মহিলা, ‘ওঃ, দ্যাট বিচ্‌। শিক্ষা হয় না পুরুষগুলোর। সেই স্ত্রীট গার্লটার কাছেই গিয়েছিল। তোমাকে ও লিফট দিল কেন? ঠিক আছে, যেতে যেতে শুনবো।’

    ঘরখানার দিকে তাকিয়ে অর্কর মনে হল, এরা কি সুন্দর ঘরে থাকে, কি সাজিয়ে গুছিয়ে। কিন্তু বিচ্‌ শব্দটার মানে কি?’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালবেলা – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }