Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালপুরুষ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প892 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. অর্ক দরজা ঠেলতেই মাধবীলতা

    নয়

    অর্ক দরজা ঠেলতেই মাধবীলতা মুখ তুলল। প্রথমে বিস্ময় ফুটে উঠল চোখে তারপর মুখখানা শক্ত হয়ে গেল। মায়ের এই পরিবর্তন দেখা মাত্র অর্কর ঘাড় টান হল। বুকের ভেতর যে তিরতিরে ভয় ডালপালা মেলছিল প্রাণপণে সেটাকে রুখতে চাইছিল সে।

    মাধবীলতার দুটো চোখ এখন জ্বলছে, হিসহিসে গলায় ছিটকে এল প্রশ্ন, ‘কোথায় গিয়েছিলি?’

    ভয়টা চট করে বড় হচ্ছে টের পেতেই অর্কর গলা চড়া হল, ‘কেন, বাবা বলেনি তোমাকে?’

    ‘আমি তোকে প্রশ্ন করছি, তুই জবাব দে।’ মেঝেতে বসা মাধবীলতা সশব্দে সামনে নামিয়ে রাখা ভাতের সসপ্যানটা সরিয়ে দিল এক পাশে।

    ‘অ্যাকসিডেণ্টের খবর দিতে গিয়েছিলাম। কাল রাত্রে অ্যাকসিডেণ্ট হয়েছিল, অল্পের জন্যে বেঁচে গিয়েছি।’ শেষের দিকে গলাটা নেমে এসেছিল অর্কর, যতটা নামালে যে শুনছে তার মন নরম হয়।

    ‘কাল সারাদিন, সারাদিন কোথায় ছিলি?’

    ‘অনুর মাকে পোড়াতে গিয়েছিলাম। তুমি মাইরি এমন বাতেলা করছ যেন কিছুই জানো না।’ অর্ক খানিকটা বিস্ময়েই হাত নাড়ল।

    ‘কি বললি?’ একটা বিকট চিৎকার ছিটকে এল মাধবীলতার মুখ থেকে। উত্তেজনায় উঠে দাঁড়াল সে। মায়ের এই মূর্তি দেখে আচমকা কুঁকড়ে গেল অর্ক। জিভ জড়িয়ে গেল, কোনরকমে বলল, ‘কি আবার বললাম!’

    সঙ্গে সঙ্গে অনিমেষের দিকে ঘুরে দাঁড়াল মাধবীলতা, ‘তুমি শুনতে পেয়েছ? এই তোমার ছেলে যাকে আমি—!’ দাঁতে ঠোঁট চাপল সে! তারপর গোঙানির গলায় বলল, ‘তুই বেরিয়ে যা, আমি তোর মুখ দেখতে চাই না।’

    এরকম একটা বাক্যের জন্যে প্রস্তুতি চলছিল অর্কর মনে। কানে ঢোকা মাত্র চ্যালেঞ্জের ভঙ্গীতে বলল, ‘কেন?’

    মাধবীলতা প্রশ্নটা শুনে প্রথমে স্তম্ভিত তারপরেই প্রাণ ফিরে পেয়ে ছুটে গেল দরজার কাছে। হাত বাড়িয়ে হিড়হিড় করে ছেলেকে টেনে নিয়ে এল ঘরের মধ্যে। অর্ক কিছু বোঝার আগেই দুহাতে চড় মারতে লাগল ওর গালে মাথায় বুকে। বিস্ময়ের ধকলটা কাটিয়ে ওঠা মাত্র অর্ক হাত তুলে আঘাত বাঁচাবার চেষ্টা করতেই মাধবীলতা আর্তনাদ করে উঠল। জোরে মারতে গিয়ে বেকায়দায় অর্কর কনুইএর হাড়ে তার লোহার নোয়া বেঁকে চামড়ায় মুখ বসিয়েছে। অন্য হাত তখনও অর্ককে খামচে ধরে ছিল।

    নিজেকে বাঁচাতেই সেই হাতটাকে টেনে সরিয়ে দিতে মাধবীলতা পিছু হঠে খাটের ওপর গিয়ে পড়ল। অর্ক দেখল মায়ের কবজির ওপর এক বিন্দু রক্ত টলটল করছে।

    অনিমেষ এতক্ষণ চুপচাপ কথাবার্তা শুনে যাচ্ছিল। খাটের ঠিক মাঝখানে খালি গায়ে বসে সে রক্তের ফোঁটাকে দেখতে পেয়ে চিৎকার করে উঠল, ‘তুই মায়ের গায়ে হাত তুললি?’

    ‘আমি মাকে মেরেছি?’ অর্ক ঘাবড়ে গেল যেন।

    ‘চোখের সামনে ঠেলে ফেলে দিলি আবার মিথ্যে কথা!’

    হঠাৎ মাধবীলতা অনিমেষের দিকে মুখ ফেরালো, ‘দোহাই, চুপ করো!’

    ‘ও তোমাকে, ও তোমাকে—।’ অনিমেষ যেন কথা খুঁজে পাচ্ছিল না।

    ‘তুমি চুপ করো। আমি যদি একা থাকতাম তাহলে ও কখনই এরকম হতো না।’

    ‘তার মানে? আমি আসার পর থেকে ও পাল্টেছে?’

    ‘হ্যাঁ, সেটাই ঘটনা। তুমি তো এখন শালগ্রামশিলা, তোমাকে আর কি বোঝাব।’ মাধবীলতা তর্জনী দিয়ে রক্তের ফোঁটা মুছে নিল।

    ‘আচ্ছা!’ অনিমেষের কণ্ঠস্বর এখন খ্যানখেনে, ‘আমি যে তোমার বোঝা সে কথাটা এতদিনে মুখ ফুটে বললে!’

    ‘বোঝা ছিলে না, ক্রমশ বোঝা বানিয়ে নিচ্ছ নিজেকে!’

    ‘হ্যাঁ, এখন তো আমার অনেক দোষ হবে। আমি হাঁটতে পারি না, কাঁড়ি কাঁড়ি পয়সা রোজগার করি না, তোমার ঘাড়ে বসে খাচ্ছি কথা তো শোনাবেই।’ অনিমেষের বুক বাতাস শূন্য হল।

    ‘এসব কথা আমি বলিনি। তুমি নিজে ভাবছ।’

    ‘আর বলতে কি বাকি রাখলে! আমি তো তোমার কাছে আসতে চাইনি, তুমিই ছুটে গিয়েছিলে আমাকে আনতে। আঃ!’

    মাধবীলতার চিবুক বুকে গিয়ে ঠেকেছিল। সেই অবস্থায় সে মাথা নাড়ল, ‘এমনভাবে বলোনা, আমি তো তোমাকে কিছুই বলতে চাইনি। সব জেনে শুনেও তুমি একথা বলতে পারলে!’ মাধবীলতা দেখল কবজির চামড়া আবার ভিজে ভিজে দেখাচ্ছে। এখন আর রক্ত ফোঁটা হয়ে ফুটছে না। তিরতিরে হয়ে চামড়ায় ছড়িয়ে পড়ছে।

    সে উঠল। তারপর ছেলের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘স্নান করে নাও। খেয়েদেয়ে তোমার সঙ্গে কথা বলব।’

    গলার স্বর এবং বলার ভঙ্গী যে এখন একদম পাল্টে গেছে সেটা বুঝতে অসুবিধে হল না অর্ক কিংবা অনিমেষের। খানিক আগের সেই আক্ষেপে জর্জরিত উত্তেজনা এখন শামুকের মত মুখ লুকিয়েছে। হঠাৎ অত্যন্ত শান্ত কিন্তু কঠিন পাথরের মত হয়ে গেছে মুখের চেহারা। গলার স্বরে যে শীতলতা ফিরে এসেছে তাকে একটুও পছন্দ করে না অর্ক। এত উত্তেজনা কিংবা রাগারাগি যা কিনা এই বস্তির আর পাঁচটা ঘরের মত স্বাভাবিক সেটা কিছুতেই মেলে না মায়ের এই পরিবর্তনের সঙ্গে। কিন্তু অর্ক বুঝতে পারে যে ঝড় আসছে এবং সেই ঝড়ের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়ানো অসম্ভব।

    মাধবীলতা জামাকাপড় গামছা এবং বালতি নিয়ে ঘর থেকে বের হবার সময় সামান্য দাঁড়িয়ে আবার পা বাড়াল। ওর হাতে নিজের এবং অনিমেষের ময়লা কাপড়। অর্ককে খুলে দিতে বলতে গিয়ে সামলে নিল সে। এতদিন ওর যাবতীয় জামা প্যান্ট গেঞ্জি মায় আণ্ডারওয়ার পর্যন্ত সে কেচে দিত। আজ থেকে আর নয়। দরজার বাইরে পা দিয়ে সে চারপাশে একবার তাকাল। না, কোন ভিড় জমেনি। অর্থাৎ তাদের ঘরের কথা কাউকে আকর্ষণ করেনি। একটু চিৎকারে যদি খেয়োখেয়ির গন্ধ থাকে তাহলে বস্তির মানুষ মাছির মত ভনভন করে। আজ হয়নি এটুকুই শান্তি।

    এত বছরে একটা অভ্যেস হল না মাধবীলতার। এই বস্তির আর পাঁচটা মেয়ের মত খোলামেলা হয়ে স্নান করতে আটকে যায় তার। প্রথম দিকে সি এম ডি এ যখন মেয়েদের স্নানের জায়গা আলাদা করে দেয়নি তখন কয়েক মগ মাথায় ঢেলে বুকে গামছা জড়িয়ে ঘরে ফিরে কাপড় ছাড়তো। তারপর অভ্যেস করেছিল অন্ধকার থাকতে ওঠার। কেউ জাগবার আগেই শরীরের প্রয়োজনগুলো চুকিয়ে ঘরে স্থির হয়ে বসা। খুব কষ্ট হত, কোন কোন দিন বেলায় ঘুম ভাঙ্গলে আর গায়ে জল ঢালা হত না। সে সময় মাধবীলতার প্রায়ই শ্রীশ্রীমায়ের কথা মনে পড়ত। বছরের পর বছর ওই মুরগির খাঁচার মত ঘরে দিন রাত বন্দী হয়ে থাকতেন তিনি। দিনের বেলায় প্রাকৃতিক কাজ করার কোন উপায় ছিল না। অন্ধকার থাকতে তাঁকে যেতে হত গঙ্গায়। প্রাতঃকৃত্য করে স্নান সেরে আবার সারাদিনের মত ঢুকতেন খাঁচায়। কষ্ট হয়নি তাঁর? নিয়মটা ভাঙ্গতে ইচ্ছে হয়নি? কোন বই-এ সে খবর পায়নি মাধবীলতা। তবে শ্রীশ্রীমায়ের কথা ভাবলে তখন মনে জোর আসতো। সে একরকম আনন্দ যার খবর আগে জানা ছিল না।

    অনুদের দরজার সামনে দিয়ে নীরবে চলে এল মাধবীলতা। ওই দরজার দিকে তাকাতেই শরীর কুঁকড়ে উঠল। গতকালও সেই মহিলা ওখানে ছিলেন। মৃত্যু স্থির। শুধু জীবন তার কাছ থেকে পিছলে পিছলে সাময়িক সরে যেতে চায়। ওই ঘরে সেটা হল না। হয় না।

    কল খুলে বালতিটা পেতে দিতেই জলের শব্দ ধক্‌ করে উঠল! তারপর নিঃসাড়ে শব্দের বয়ে বয়ে যাওয়া। মাধবীলতা মাথা নাড়ল, না মরতে ইচ্ছে করে না একটুও। তাছাড়া এখন মরলে ওই ধারগুলো শুধবে কে? কিন্তু কেন বেঁচে থাকা? আমি কেন বাঁচবো? মাধবীলতা মুখ তুলে আকাশের দিকে তাকাল। মেঘ নেই, নীল নেই, একটুও চোখের আরাম নেই। শুধুই ক্যাটকেটে শূন্য। যতই ওপরে যাও কোন স্পর্শ নেই কিংবা গন্ধ। ঠিক জীবনের মত। আগামীকালটার জন্য কেন অপেক্ষা করব তা জানি না। ঘুম ভেঙ্গে আজ যা করেছি তা কাল কেন পুনরাবৃত্তি করব? কোন উত্তর নেই। তবু মরে যেতে ইচ্ছে করে না। কেন যে করে না।

    রবিবার ছাড়া এই সময়টা কলতলা খালি থাকে। জামাকাপড় কেচে স্নানের ঘরে ঢুকল সে। সি এম ডি এ মাথায় একটা ছাদ আর চারপাশে পাঁচ ফুট দেওয়াল তুলে দিয়েছে! অল্প বয়সী মেয়েরাই এটাকে ব্যবহার করে। মাধবীলতার বয়সী যারা তারা বাইরেই স্নান সারে। পঁয়ত্রিশ পেরিয়ে গেলে ওদের লজ্জাবোধ কমে আসে। আসা যাওয়ার পথের পাশে ওই কলের সামনে বসে উদোম পিঠে সাবান ঘষতে কারো কোন সঙ্কোচ হয় না। দরজা বন্ধ করে মগে জল নিতেই মাধবীলতার শরীর আচমকা থরথরিয়ে কেঁপে উঠল। বুকে চিনচিনে ব্যথা, নিঃশ্বাসে চাপ আর তারপরেই হাউ হাউ কান্নাটাকে দাঁতে দাঁত চেপে সামলালো সে। ঠোঁট দুটো কাঁপছে, কাঁধ পিঠ, দুই চোখ ঝাপসা। মগের জল পড়ে গেল বালতিতে এবং মাটিতে। বন্ধ স্নানের ঘরের মেঝেতে বসে পড়ল মাধবীলতা। নিজের শরীরটা এখন স্পর্শে এক, কাঁপুনিটা ছড়িয়ে পড়েছে সবখানে। আর তখনই দরজায় কেউ ধাক্কা দিল। এত দ্রুত কান্নাকে লুকোন যায় না। কিন্তু ত্রস্ত হল মাধবীলতা। শরীর উজাড় করে আসা কান্নাকে প্রাণপণে শরীরেই ফেরত পাঠাল।

    জামাটাকে একটানে খুলে অর্ক বাবার দিকে তাকাল। অনিমেষ এখন পাথরের মূর্তির মত বসে আছে। অর্ক খাটের সামনে এগিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসা করল, ‘তুমি মা-কে বলনি কিছু?’

    অনিমেষ উত্তর দিল না। বোধহয় প্রশ্নটা তার কানে ঢোকেনি। অর্ক এবার সামান্য গলা তুলল, ‘বাবা!’

    এবার অনিমেষ চেতনায় ফিরল। চকিতে ছেলের দিকে তাকাতেই তার কপালে ভাঁজ পড়ল। সেই মুখের দিকে তাকিয়ে অর্ক তৃতীয়বার প্রশ্ন করতে সাহস পেল না। ময়লা জামা প্যান্ট নিয়ে দ্রুত পায়ে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেল।

    এখন অনিমেষ এই ঘরে একা, দরজা হাট করে খোলা। আমি শালগ্রামশিলা! কি আশ্চর্য। আমি সেই অনিমেষ মিত্র যে উত্তাল আন্দোলনে একসময় শামিল হয়েছিল সে নেহাতই জড়ভরত। কে কবে কি করেছিল তা নিয়ে বিচার করে কি হবে, সত্যি যা তা সব সময়েই সত্যি। এখন সে প্রকৃত অর্থেই দায় ছাড়া কিছু নয়। যেটা স্বাভাবিক সেটাকেই মেনে নেওয়া উচিত।

    কথাটা গতকাল ছেলের মুখে শুনেও তার চৈতন্য হয়নি। এখন পৃথিবীর অনেক হাত-পা কাটা মানুষ রোজগার করে। সে কেন পারবে না? একটা সিগারেটের দোকান বা ওইরকম কিছু করলে নিশ্চয়ই চালাতে পারবে। অনিমেষ চোখ বন্ধ করে নিজের দোকান করা দেখল। সঙ্গে সঙ্গে একধরনের হীনতাভাব তাকে আচ্ছন্ন করল। একটা সিগারেটের দোকানের মালিক হওয়ার জন্যে কি সে স্কটিশে ভরতি হয়েছিল? অতদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিল? বিরাট একটা নিঃশ্বাস বেরিয়ে গেল বুক থেকে। অথচ গতকাল ছেলের মুখে সেই পঙ্গু লোকটার দোকান করার গল্প শোনার পর থেকে নিজের রোজগারের কথা মনে হলেই সিগারেটওয়ালা ছাড়া কিছুই ভাবতে পারছে না। আচ্ছা, দুটো হাত এবং মস্তিষ্ক দিয়ে আর কি করা যায়?

    এই ঘরে অনেক দিন কেটে গেল। কত বছর? হিসেবের দরকার নেই, অর্ককে দেখলেই তো বোঝা যায়। চুপচাপ নিঃসঙ্গ কাটিয়ে যাওয়া! নিঃসঙ্গ? অনিমেষ নিজের ঠোঁট নিজেই কামড়ালো। কেন মাধবীলতা ছিল না? অর্ক ছিল না? ছিল, তবু এই মুহূর্তে নিজেকে নিঃসঙ্গ মনে হচ্ছে কেন? এই বস্তির ঘরে আসার পর থেকে মাধবীলতা বারংবার তাকে অনুরোধ করেছে জলপাইগুড়ির চা-বাগানে চিঠি দিতে। যে কোন মেয়েই বোধহয় প্রথমে শ্বশুর শাশুড়ির সংস্পর্শ কামনা করে। কিন্তু প্রবলভাবে আপত্তি করেছিল অনিমেষ। না, শরীরের এই অবস্থায় কাউকেই নিজের অস্তিত্ব জানাতে চায় না সে। বাবার সঙ্গে তার আবাল্য যে ফাঁক ছিল সেটা তখন আরও বড় হয়ে গিয়েছে। ছোটমায়ের কথা মনে পড়ত কিন্তু নিজের শরীর নিয়ে কারো দ্বারস্থ হওয়া মানে তাকে বিব্রত করা, মাধবীলতা যেচে যা কাঁধে নিয়েছে অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার কোন যুক্তি ছিল না। তাই এই বস্তির ঘরে এক ধরনের স্বেচ্ছা নির্বাসনে ক্রমশ অভ্যস্ত হয়ে পড়ল সে। তখন মনে হত, যদি কখনও শরীর আগের সুস্থতা ফিরে পায় তাহলে সবাইকে নিয়ে জলপাইগুড়িতে বেড়াতে যাবে। এ নিয়ে মাধবীলতার সঙ্গে নানান গল্প হত, সেই গল্প শোনার জন্যে অর্ক কান খাড়া করে থাকতো। একটু একটু করে সে জেনে গিয়েছিল তার ঠাকুরদা-ঠাকুমা যে জায়গায় থাকেন তার নাম স্বৰ্গছেঁড়া। তার একজন বড়দিদা আছেন যিনি চমৎকার পায়েস রাঁধতে পারেন। সেখানে চারধারে যতদূর তাকানো যায় শুধু সবুজের ভিড়, চায়ের বাগান এবং খেলার মাঠ। এক সময় অর্ক বায়না ধরতো সেখানে যাওয়ার জন্যে, অনেক কষ্টে ভোলাতে হত তাকে। একটু বড় হওয়ার পর আর ওসব কথা বলতো না সে, এ নিয়ে আলোচনাও হত না এই ঘরে। সেই সময় অর্ক তো সারাক্ষণই তার কাছে থাকতো। সেই শিশু অবিরাম প্রশ্ন করতো কেন সে হাঁটতে পারে না? প্রথম প্রথম এড়িয়ে যেত। কিন্তু একা থাকতে থাকতে মানুষের মন নিশ্চয়ই দুর্বল হয়ে পড়ে নইলে শুধু কথা বলতে পারার নেশায় কেন সে একে একে সব কথা ওই ছোট্ট ছেলেটাকে বলত? কি করে এই দেশ স্বাধীন হল, কংগ্রেসের রাজত্ব, তার কলকাতায় আসার রাতের ঘটনা, আহত হয়ে বিছানায় শুয়ে থাকা, সি পি এমে যোগ দেওয়া এবং শেষ পর্যন্ত নকশাল আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার গল্প শোনাতে সে ছেলেকে। কথাগুলোর অর্থ ধরতে পারতো না অর্ক কিন্তু বারংবার শুনতে চাইতো। আর একই কথা দিনের পর দিন বলতে একটুও ক্লান্তিবোধ করত না অনিমেষ। প্রথম দিকে মনে হত এই সব ঘটনা আর তার সমালোচনা ওই শিশুর মনে নিশ্চয়ই ছাপ রাখছে। এগুলো থেকে ভবিষ্যতে সে পথ চিনে নিতে পারবে। কিন্তু ক্রমশ অর্কর আকর্ষণ বাড়লো সেইসব অংশের ওপর যেখানে অ্যাকশন আছে। সেই ঘটনাগুলোই বারংবার শুনতে চাইতো।

    আর একটু বড় হয়ে একদিন স্কুল থেকে ফিরে অর্ক তাকে জিজ্ঞাসা করেছিল, ‘বাবা, তুমি মানুষ মারতে?’

    ‘মানুষ মারতাম?’ অনিমেষ অবাক, ‘কে বলল?’

    ‘শুনেছি। বল না, কটা মানুষকে মেরেছ তুমি?’

    ‘কে বলেছে তোকে এসব কথা?’

    ‘আমার ক্লাসের একটা ছেলে। নকশালরা নাকি দুমদাম মানুষ মারতো। তাই নকশালদের পুলিশ মেরেছে। তাই?’

    অনিমেষের খুব রাগ হয়ে যেত। এইসব অপপ্রচার থেকে শিশুদের মুক্ত করা দরকার। ও তখন অর্ককে নিয়ে পড়তো, খুব বিশদভাবে ওকে নকশাল আন্দোলনের লক্ষ্য বোঝাতো। কিন্তু সেটা শুরু করলেই ছটফটানি আরম্ভ হত অর্কর। কিছুতেই কোন গভীর কথাবার্তা পছন্দ হত না তার।

    কিন্তু মাধবীলতা বলল সে একা থাকলে অর্ক নাকি এমন হত না। কথাটা কি সত্যি? অনিমেষ ভাবছিল। সে তো অর্ককে বুকে আঁকড়ে রেখেছিল। কখন কোন ফাঁকে চুঁইয়ে চুঁইয়ে জলের মতন মুঠো থেকে বেরিয়ে গেল তা টের পায়নি। কিন্তু তার চেষ্টায় তো কোন ফাঁকি ছিল না। মাধবীলতা এর থেকে বেশি কি পারতো? কিন্তু না, আর নয়, এবার বেরোতেই হবে। পা-দুটো যখন আর কখনই সারবার নয় তখন বাইরের পৃথিবীটাকে একটু দেখা দরকার। অনিমেষের মনে জেদ এল, সে এবার থেকে রোজগার করবে, যেভাবেই হোক।

    স্নান সেরে বাইরে বেরিয়ে এল মাধবীলতা। এখন ওর মুখ বেশ শান্ত। সৌন্দর্য চলে যেতে যেতে যেটুকু রয়ে গেছে তাতেই তাকে আলাদা করে চিহ্নিত করা যায়। সে দেখল বারোয়ারি কলতলায় অর্ক খাটো প্যান্ট পরে গায়ে জল ঢালছে। অর্ক কল দখলে রাখায় কয়েকজন অপেক্ষা করে আছে। সেই কালো লম্বা মেয়েটা হাঁ করে অর্কর শরীর দেখছে। মেয়েটা মোটেই ভাল নয়। হাব ভাব ভঙ্গীতেই সেই ভাল না হওয়াটা স্পষ্ট। মাধবীলতা মুখ ফিরিয়ে নিল। এই বস্তিতে কেউ নিজে ঠিক না থাকলে ঠিক রাখা মুশকিল। খামোকা চেষ্টা করে কি লাভ।

    ঘরের সামনের প্যাসেজটায় একটা তার টাঙানো রয়েছে। কাচা কাপড় মেলতে এসে মাধবীলতা বিব্রত হল। একটুও জায়গা খালি নেই। অথচ কলঘরে যাওয়ার আগে এত কাপড় এখানে ছিল না। এটা অদ্ভুত একরকম জেদাজেদি। সে কলঘরে গিয়েছে মানেই ফিরে এসে কাচা কাপড় মেলবে। এটা জেনেই কেউ না কেউ তাড়াতাড়ি তার দখল করে রেখেছে। মাধবীলতার নজরে পড়ল অর্কর শার্ট এবং প্যান্ট তারের একপাশে ঝুলছে। টপটপ করে জল ঝরছে সেগুলো থেকে। ধোয়ার পর যে জলটা নিংড়োতে হয় সে বোধ পর্যন্ত নেই। কিন্তু আজ যে হঠাৎ নিজেই নিজের জামা কাপড় নিজে কাচল। যদিও মাধবীলতা মুখ ফুটে তখন বলেনি তবু এখন খারাপ লাগছিল। জীবনে বোধহয় আজই প্রথম ছেলেটা এই পরিশ্রম করল।

    কাপড়গুলো সরিয়ে সরিয়ে খানিকটা জায়গা বের করে মাধবীলতা নিজের কাচা কাপড়গুলো মেলে দিল। ছড়াতে না পারলেও শুকিয়ে যাবে। ব্রেসিয়ারটা চট করে তারে ঝুলিয়ে ব্লাউজ দিয়ে চাপা দিল সে। নিজের অন্তর্বাস প্রকাশ্যে মেলে ধরতে রুচিতে বাধে তার। অথচ এই বস্তিতে এসব নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না। কদিন আগে অর্কর প্যান্টের গায়ে অনুর ময়লা ব্রেসিয়ার নেতিয়ে ছিল, দেখে মাথায় আগুন জ্বলে উঠেছিল তার।

    ঘরে ঢুকে কয়েকটা ক্লিপ নিয়ে সে আবার বেরিয়ে এল। অনিমেষ যে তখনও খাটে বসে আছে টের পেয়েও তাকায়নি। ক্লিপ গুলোয় জামাকাপড় আটকে ঘরে ফিরতে গিয়েও থমকে দাঁড়াল মাধবীলতা। তারপর অর্কর জামাটা নামিয়ে জল নিংড়ে আবার মেলে দিল। প্যান্টটা নামাতে নামাতে দেখল অর্ক স্নান সেরে দ্রুত পায়ে ফিরছে। ওর হাতে প্যান্ট দেখে যেন আঁতকে উঠল ছেলেটা। প্রায় দৌড়ে এসে বলল, ‘আমার প্যান্ট তুমি ধরো না, ছেড়ে দাও বলছি।’

    ‘কেন?’ খুব অবাক হল মাধবীলতা।

    একটু তোতলালো অর্ক, ‘তুমি তো কাচোনি, আমি কেচেছি।’

    ‘কেমন কেচেছিস তা তো দেখতেই পাচ্ছি। জলটা যে নিংড়োতে হয় তা জানিস না।’ মাধবীলতা ঈষৎ মুচড়ে জল ঝরাচ্ছিল।

    অর্কর খুব অস্বস্তি হচ্ছিল। মায়ের হাত থেকে প্যান্টটা কেড়ে নিতে পারলেই যেন সে বেঁচে যায়। প্রথমে প্যান্টটাকে মাধবীলতার হাতে দেখে সে উত্তেজিত হয়ে পড়েছিল। এখন অনেক কষ্টে নিজেকে সংযত রাখছিল সে। মাধবীলতার বিস্ময় বাড়ছে। ছেলে ওইরকম চোখে প্যান্টের দিকে তাকাচ্ছে কেন? শুধু নিজে কেচেছে এই অহঙ্কারে তাকে স্পর্শ করতে দিতে চায় না, তাই? সে প্যান্টটাকে ঝাড়তেই অর্ক ছোঁ মেরে প্যান্টটা নিয়ে বলল, ‘আমার প্যান্ট আমি মেলব। এখন থেকে কাউকে আমার কাজ করতে হবে না।’

    মাধবীলতা হাসল, ‘ভাল। চৈতন্য উদয় হলেই ভাল।’

    মা ঘরে ঢুকে গেলে অর্ক দ্রুত হাত ঢোকাল ভেজা প্যান্টের পকেটে। আঙ্গুলের ডগা যে ভেজা কাগজটাকে তুলে নিয়ে এল সেটা যে দশ টাকার নোট তা বুঝতে অসুবিধে হল না। অন্য পকেটে হাত চালালো সে। কিছুই নেই। আবার তন্নতন্ন করে পকেট দুটো দেখে সে পাথর হয়ে গেল। হারখানা নেই।

    অবশ ভাবটা কাটতেই সে চকিতে মাটিতে চোখ রাখল। পুরো প্যাসেজটা তন্ন তন্ন করে খুঁজতে খুঁজতে অনুর গলা শুনল সে, ‘কি হারিয়েছে?

    সে চোখ তুলে সন্দেহের গলায় জিজ্ঞাসা করল, ‘কেন?’

    ‘হারিয়েছে মনে হচ্ছে তাই।’ অনু যে অবাক হয়েছে বোঝা গেল।

    অর্ক জবাব দিল না। ওর মাথা ঘুরছিল। ভারী দামী সোনার হার। একটা লকেটও ছিল। সেটা কি হীরের? রাগের মাথায় নিজের জামাপ্যান্ট নিয়ে কলতলায় গিয়ে জলে ডুবিয়েছিল সে। এমন বেহুঁশ যে খেয়ালেই ছিল না হারখানার কথা। নিজের পাছায় নিজেরই লাথি মারতে ইচ্ছে করছিল তার। এই একটু আগে স্নান শেষ করার পর খেয়াল হতেই ছুটে আসছে সে। মায়ের হাতে প্যান্ট দেখে বুক কেঁপে উঠেছিল। আচ্ছা, মা কি হারখানা দেখে সরিয়ে ফেলেছে?

    প্যান্টটাকে তারের ওপর ছুঁড়ে ফেলে সে ঘরে ঢুকল। মাধবীলতা তখন চুল আঁচড়াচ্ছে। অর্ক শক্ত গলায় জিজ্ঞাসা করল, ‘তুমি কি আমার প্যান্টের পকেট থেকে কিছু নিয়েছ?’

    ‘আমি?’

    ‘হ্যাঁ!’

    ‘না তো! কি ছিল?’

    ‘নাওনি?’

    ‘কি বলছিস তুই? তোর প্যান্টে এমন কি থাকতে পারে যে আমি নিতে যাব?’ মাধবীলতা ছেলের মুখ দেখে অবাক হয়ে গেল।

    অর্ক এবার বিব্রত হল। মা যদি না নিয়ে থাকে তবে কোথায় গেল? শেষ কখন সে হারখানা দেখেছিল মনে করার চেষ্টা করল!

    ‘কি ছিল তোর পকেটে?’ এবারের প্রশ্ন অনিমেষের।

    অর্ক প্রথমে বাবা তারপর মাকে দেখল। সত্যি কথাটা বলবে নাকি? ওরা বিশ্বাস করবে? উঁহু করবে না। বলবে লেকটাউনে খবর দিতে যখন গিয়েছিল তখন হারখানা দিয়ে আসেনি কেন? অথচ এমনভাবে দুজনে তাকিয়ে আছে যে একটা জবাব দেওয়া দরকার। সে মাথা নেড়ে বলল, ‘টাকা ছিল।’

    মাধবীলতা চাপা গলায় বলল, ‘টাকা! টাকা কোত্থেকে পেলি তুই? তোর বাঁ হাতে ওটা কি?’

    অর্ক মুঠোটা তুলতেই ভেজা কোঁচকানো দশ টাকা স্পষ্ট হল। অনিমেষ বলল, ‘ওই তো। ভিজে গেল কি করে?’

    মাধবীলতা বলল, ‘তুই টাকা পেলি কোথায়?’

    তোমার কি দরকার বলতে গিয়ে সামলে নিল অর্ক, ‘কাল শ্মশান থেকে ফিরে ওরা রাখতে দিয়েছিল।’

    ‘কারা?’

    ‘বিলুরা। অনুর মাকে পোড়াবার জন্যে চাঁদা তুলেছিল।’

    কথাটা শুনে মাধবীলতা বিরক্ত হল আরও, ‘যার টাকা তাকে ফেরত দিসনি কেন? খেয়ে উঠেই দিয়ে আসবি।’

    অনিমেষ বলল, ‘টাকাটা কার তাই তো সমস্যা, না অর্ক?’

    মাধবীলতা বলল, ‘ওসব আমার জানার দরকার নেই, টাকাটা তোর কাছে রাখবি না। কিন্তু হাতে টাকা নিয়ে তুই খুঁজে বেড়াচ্ছিস?’

    অর্ক আর কথা বাড়াল না। তার মাথা ঝিমঝিম করছে। নিশ্চয়ই রাস্তায় পড়ে যায়নি। জামাপ্যান্ট পাল্টাতে পাল্টাতে ওর মনে হল বিলাস সোম যদি সেরে উঠে তার কাছে হারখানা ফেরত চায় সে কি জবাব দেবে? কেউ তার কথা বিশ্বাস করবে না। কেউ না। হারখানা খুঁজে বের করতেই হবে, জান কসম!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালবেলা – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }