Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026

    সংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ এক পাতা গল্প174 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চাঁদের অমাবস্যা – ১৩

    তেরো

    দীর্ঘ রাত্রির নিস্তব্ধতা ভঙ্গ করে নানারকম মৃদু সঙ্কুচিত আওয়াজ শুরু হয়েছে : দিনাগমনের বেশি দেরি নাই।

    শীতটা কনকনে মনে হয়। তার হাড়ে-মজ্জাতে সে-শীত হানা দিলেও যুবক শিক্ষক নিশ্চল হয়ে শুয়ে অপেক্ষা করে। চৌকির নিকটে টিনের বাক্সটি তৈরি, টেবিলের ওপরটা শূন্য, ঘরের কোণ থেকে দড়িটা অদৃশ্য হয়ে গেছে।

    তারপর আকাশের ধূসর আলো কিছু পরিস্ফুট হয়ে উঠলে মুয়াজ্জিনের কণ্ঠস্বর শোনা যায়। এবার যুবক শিক্ষক উঠে পড়ে দরজার নিচে দুইধাপ সিঁড়ির ওপর বসে ওজু করে। একবার সে দাদাসাহেবের জানালার দিকে তাকায়। তাঁর ঘরে আলো। মুহূর্তের মধ্যে যুবক শিক্ষকের ভেতরটা ব্যথায় মুচড়িয়ে ওঠে। দাদাসাহেব আজ নির্মম কথাটি জানতে পারবেন।

    ঘরের কোণে এখনো অন্ধকার। সে-অন্ধকারে নক্‌শা-কাটা শীতলপাটির জায়নামাজ বিছিয়ে দাঁড়াতেই সে ভেজানো দরজার কাছে একটি আওয়াজ শোনে। মাথাটা ঈষৎ সরিয়ে দেখে, সেখানে কাদের দাঁড়িয়ে। কিন্তু তাকে দেখেও সে যেন দেখে না। কোনো কথা না বলে তার দিকে পিঠ দিয়ে সে নামাজ পড়তে শুরু করে। কাদেরের অস্তিত্বের আর কোনো মূল্য নাই যেন। যুবক শিক্ষক তার মনে যে অত্যন্ত গুরুতর একটি কর্তব্যবোধের ভার বোধ করে, তার তলে কাদের নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।

    বড়বাড়িতে আসার পূর্বে নিয়মিতভাবে নামাজ পড়ার অভ্যাস যুবক শিক্ষকের ছিল না। আজকাল অন্ততপক্ষে সকাল-সন্ধ্যায় নামাজটা পড়ে। তবু ঠিক মনঃপ্রাণ দিয়ে পড়ে যে তা নয়। তার প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার না করলেও তা সে সম্পূর্ণভাবে বোঝে না। কিন্তু আজ সে হঠাৎ অত্যন্ত নিঃসঙ্গ এবং অসহায় বোধ করে বলে নামাজ পড়তে দাঁড়ালেই তার মন একটি তীব্র ভাবোচ্ছ্বাসে ভরে ওঠে। সে যেন আর তোতার মতো মুখস্থ-করা বুলি আবৃত্তি করে সারশূন্য কর্তব্যপালন করছে না : যাঁর সামনে সে দাঁড়িয়েছে তাঁর উপস্থিতি সে অন্তর দিয়ে অনুভব করছে, তার বক্তব্য তাঁর কর্ণগোচর হচ্ছে তাতেও তার বিন্দুমাত্র সন্দেহ থাকে না।

    মনে যে-অপরিচিত ভাবোচ্ছ্বাসের উদয় হয়, তাতে কিছু আশান্বিত হয়ে সে নিঃশব্দে সূরা আল্‌-খালাক পড়ে। অসংখ্যবার পড়েও যে-সূরাটি তার মনে কখনো আলোড়ন সৃষ্টি করে নাই, আজ সে-সূরার প্রতিটি শব্দ সহস্র অর্থে ঐশ্বর্যশালী হয়ে ওঠে। তাতে আশ্রয়-রক্ষার জন্যে নিঃসহায়ের যে-আকুল আবেদন, সে- আবেদনের মর্মার্থও সহসা পরিষ্কার হয়ে ওঠে। তার সাহায্যের দরকার। সঙ্কটের সময় কেবল দাদাসাহেবের কাছেই সে যেতে পারত। আজ সে- দরজা বন্ধ।

    কিন্তু যুবক শিক্ষক শীঘ্র এ কথা উপলব্ধি করে যে, ভাবাপ্লুত হয়ে সজ্ঞানে প্রার্থনা করেও সে মনে কোনো শান্তি পাচ্ছে না। শীঘ্র তার মনে হয়, হয়তো কাদেরের উপস্থিতিই তার অশান্তির কারণ। কেন সে আবার এসেছে? কী তার বলার বাকি? যুবক শিক্ষকের সামনে কঠিন কর্তব্য। সে-কর্তব্যপালনের জন্যে তার শান্তি ও সাহসের প্রয়োজন। কাদের কেন তাকে বিরক্ত করতে এসেছে? যুবক শিক্ষকের মতো সে-ও যদি আজ নিঃসহায় নিঃসঙ্গ বোধ করে, তার জন্যে তার নির্দয় অন্তরই দায়ী। সে অন্তর মরুপ্রান্তরের মতোই ধু-ধু করে। সেখানে কোনো উদ্ভিদের জন্ম হলেও সে-উদ্ভিদ শীঘ্র কণ্টকাকীর্ণ হয়। সেখানে যদি ক্ষীণ আর্তনাদ জাগে, সে-আর্তনাদ চতুর্দিকের বালুরাশি অতিক্রম করতে পারে না। না, কাদেরের কোনো আবেদন থাকলেও তার কানে তা পৌঁছুবে না।

    অশান্তি কাটে না দেখে যুবক শিক্ষক আরেকটি সূরা পছন্দ করে। কেন সেটি পছন্দ করে তা বোঝে না, কিন্তু তৃষ্ণার্তের মতো অধীরভাবে নিঃশব্দে তা আওড়াতে থাকে। দ্রুতভাবে তার ঠোঁট নড়ে, মনের গহ্বর থেকে সূরাটির শব্দগুলি অনর্গল ধারায় কিন্তু অশ্রোতব্যভাবে ঝরতে থাকে, তার চোখে চঞ্চলতা আসে। আবু লাহাবের শক্তি ধ্বংস হবে, সে ধ্বংস হবে : তার ধনসম্পত্তি তাকে রক্ষা করতে পারবে না। লেলিহান আগুনে সে নিক্ষিপ্ত হবে, তার স্ত্রী—কাষ্ঠবাহক স্ত্রী—তার গলায় তালতন্তু তৈরি ফাঁস-দড়ি পড়বে। সূরাটি পড়তে পড়তে তার বুকের স্পন্দন দ্রুত হয়ে ওঠে, কিন্তু আবৃত্তিতে একটু স্খলন হয় না, মনে কোনো ভয়ও জাগে না। কেন সে সূরাটি পড়ছে? তার চোখে কাদের কি আবু লাহাব -দম্পতিতে রূপান্তরিত হয়েছে? তাদের পাপ কি তার পাপের সমতুল্য? তাদের যে-শাস্তিবিধান কেতাবে লিখিত, সে-শান্তিবিধানই কি যুবক শিক্ষক তার জন্যে কামনা করে? অথবা পাপীর শাস্তি যে অনিবার্য সে-বিষয়ে তার মনকে সে কি নিশ্চিত করতে চায় যাতে তার সম্মুখে যে-কঠোর কর্তব্য সে-কর্তব্যপালনে তার মধ্যে কোনো দুর্বলতা দেখা না দেয়?

    যুবক শিক্ষক বুঝতে পারে না। মনে সে শান্তিও পায় না। নিমীলিত চোখে ভক্তিমান শান্তচিত্ত ব্যক্তির মতো সে নামাজ পড়ে, কিন্তু সেটি বাহ্যিক রূপ। ভেতরে অশান্তির জ্বালা।

    অবশেষে নামাজ শেষ করে মাটিতে বসেই কাদেরের দিকে মুখটা সামান্য ফেরায়, কিছু বলে না। কাদের এবার তার খনখনে গলায় প্রশ্ন করে, ‘কী ব্যাপার?’

    যুবক শিক্ষক বুঝতে পারে, কাদের তার প্রস্থানোদ্যোগ লক্ষ করে। তার কারণ জানতে চায়।

    সামনের দেয়ালটা পরিষ্কার হয়ে উঠেছে। সেদিকে তাকিয়ে যুবক শিক্ষক নীরব হয়ে থকে। তার উত্তরের কোনো প্রয়োজন নাই। কাদের কিছু না বলে কতক্ষণ চুপ করে থাকে। মনে হয় সে আর কিছু বলবে না, কিছু ঘটবেও না। তারপর অকস্মাৎ বিষম ক্রোধে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে সে অস্ফুটকণ্ঠে বিড়বিড় করতে শুরু করে। যুবক শিক্ষক তার কথা বুঝতে পারে না, বুঝবার চেষ্টাও করে না। কেবল তার ক্রোধটা দমকা হাওয়ার মতো তার গায়ে ঝাপটা দিলে সে অকারণে দুর্বল বোধ করতে শুরু করে।

    তারপর কাদের নীরব হয়ে কেমন দম খিচে থাকে যেন। অবশেষে কৃত্রিম সংযত গলায় প্রশ্ন করে, ‘কজন চাই? সাক্ষী। কজন চাই?’

    সামনের দেয়ালের রক্তিমাভা দেখা দিয়েছে। সে রক্তিমাভার অর্থ যুবক শিক্ষক যেমন বোঝে না, তেমনি কাদেরের কথারও অর্থ সে বোঝে না। নিস্পন্দভাবে সে বসে থাকে : সে যেন স্তূপাকার হাড়মাত্র।

    কাদেরের সংযম স্থায়ী হয় না। সে এবার গর্জে ওঠে, ‘ক-জন সাক্ষী চাই? তারা বলবে কোথায় আপনাকে দেখেছে।’

    এবার যুবক শিক্ষক বুঝতে পারে, কাদের তাকে ভয়-প্রদর্শন করছে। কিন্তু এবারও কিছু না বলে সে পূর্ববৎ নিশ্চল হয়ে বসে থাকে। তবে আরেকটি কথা বুঝতে পেরে সে স্বস্তিই বোধ করে। সে মুখ খুলে কথাটি যদিও বলে নাই, কাদের তার সঙ্কল্পটি অনুমান করতে পেরেছে। তাকে মুখ খুলে কথাটি বলতে হবে না।

    যুবক শিক্ষকের পক্ষ থেকে কোনো উত্তর না পেলে কাদের হয়তো হতাশ হয়েই এবার নীরব হয়ে পড়ে। মনে হয়, দমকা হাওয়া নিঃশেষ হয়ে গেছে। ঘরময় নীরবতাটি অবিচ্ছিন্ন থাকলে এক সময়ে যুবক শিক্ষকের মনে হয়, হয়তো কাদের কখন নিঃশব্দে উঠে চলে গেছে। তাকিয়ে দেখবে কি দেখবে না সে-কথা ভাবছে, এমন সময় নিতান্ত অপরিচিত গলায় আস্তে প্রশ্ন করে, ‘মেয়েলোকটাকে চিনতেন?’

    কাদেরের কণ্ঠস্বর তাকে এতই বিস্মিত করে যে তার মুখ হতে আপনা থেকেই একটা উত্তর বেরিয়ে আসে। সে বলে, ‘না।’

    ‘সে বেঁচে নাই বা কীভাবে মরেছে, তাতে আপনার কী?

    প্রশ্নটির জন্যেই হোক বা তার কণ্ঠস্বরের জন্যেই হোক যুবক শিক্ষকের মনে এবার একটা সন্দেহের সৃষ্টি হয়। কাদের তার জন্যে কোনো প্রকারের ফাঁক তৈরি করছে যেন। থেমে কাদের আবার বলে, ‘কিন্তু দুর্ঘটনাটির কথা কাউকে বললে আমার কী হবে জানেন?’ সে যেন অবোধ শিশুর সঙ্গে কথা বলছে। যুবক শিক্ষক আরো সতর্ক হয়, কিন্তু উত্তরটা শুনবার জন্যে তার শ্রবণেন্দ্রিয়ও সজাগ হয়ে ওঠে। পূর্ববৎ কণ্ঠে কাদের বলে, ‘ফাঁসি।’ থেমে আবার বলে, ‘তাতে আপনার লাভ কী হবে?’

    প্রথমে কোনো প্রতিক্রিয়াই যুবক শিক্ষক অনুভব করে না। তারপর সে বুঝতে পারে, হঠাৎ তার সমস্ত শরীর অতিশয় দুর্বল হয়ে পড়েছে। এমন ক্ষিপ্রগতিতে সে-দুর্বলতা সমস্ত শরীরে বিস্তারলাভ করে যে সে তা প্রতিরোধ করার কোনোই চেষ্টা করে না। কিন্তু কাদের যে- শব্দটি উচ্চারণ করেছে সে-শব্দটিতে সে এমন তীব্রভাবে আঘাত পাবে কেন? কথাটা কি সে একবারও ভাবে নাই? না, কথাটা সে ভাবে নাই। অন্ততপক্ষে, স্পষ্টভাবে ভাবে নাই। সে তার কর্তব্যের কথা ভেবেছে, কিন্তু পরিণামের কথা স্পষ্টভাবে ভাবে নাই। সে কি মনে করেছিল কথাটি তার এলাকার বাইরে? না, কথাটি ভাবতে তার সাহস হয় নাই?

    যুবক শিক্ষক তার মুখের পার্শ্বদেশে কাদেরের দৃষ্টি অনুভব করে। একটা উত্তরের আশায় কাদের তার দিকে তীক্ষ্ণদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। একটা উত্তর দেয়ার প্রয়োজনও সে নিজেই বোধ করে কিন্তু কী করে উত্তর দেবে? তার মনে হয়, কাদেরের দৃষ্টির তলে সে যেন গলে যাচ্ছে। একটি কর্তব্যনিষ্ঠ মানুষ ক্রমশ একটি দায়িত্বহীন মানুষে, একটি বুদ্ধিমান মানুষ নির্বোধ মানুষে পরিণত হচ্ছে। যা সে শক্ত করে ধরেছিল তা যেন হাত থেকে ফসকে যাচ্ছে। না, তার প্রতি ভাগ্যের নির্মমতা সত্যিই মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। বাঁশঝাড়ে একটি মৃতদেহ দেখেই তার নিস্তার নাই, একটি মানুষের জীবনমৃত্যুর দায়িত্বও তাকে নিতে হবে।

    যুবক শিক্ষকের কাছ থেকে কোনো উত্তর না পেলেও হয়তো তার মুখে বিহ্বলতার ভাব লক্ষ করে কাদের আশ্বস্ত বোধ করে। এবার বড়বাড়ির ছোকরাটি সকালের নাস্তা-পানি নিয়ে এলে কোনো কথা বলে, যেন আলাপ-আলোচনার মধ্যখানে বক্তব্য অসমাপ্ত রেখে কাদের হঠাৎ উঠে চলে যায়। যুবক শিক্ষক যখন সে-কথা বুঝতে পারে তখন সে অতি বিস্মিত হয়ে দরজার দিকে তাকায়। দরজাটি অর্থহীনভাবে শূন্য মনে হয়।

    কথা শেষ না করে এমনভাবে কাদের চলে গেল কেন? সে কি তাহলে বুঝতে পারে নাই যে আজই সকালে তার নিষ্ঠুর কীর্তির কথা প্রকাশ করবে বলে সে মনস্থির করেছে? কথাটা অবশ্য বিশ্বাস হয় না। তবে যুবক শিক্ষককে নীরব থাকবার জন্যে স্পষ্টভাবে অনুরোধ করে সে তার বক্তব্যটি সম্পূর্ণ করে নাই কেন?

    অবশেষে একটি কথা যুবক শিক্ষকের কাছে পরিষ্কার হয়ে ওঠে এবং তা তার কাছে বিশেষ অর্থপূর্ণ মনে হয়। কাদের তাকে ভয় দেখিয়েছে, পরিণামের কথা বলেছে, কিন্তু বাঁশঝাড়ের কথাটি প্রকাশ না করার জন্যে একবারও অনুরোধ করে নাই। কেন? কারণ এ-কথা সে জানে যে, যুবক শিক্ষক একবার তার কাজের পরিণাম বুঝতে পারলে কথাটি প্রকাশ করা উচিত হবে কি হবে না তা সে নিজেই বুঝতে পারবে, নিষেধের প্রয়োজন হবে না। কাদের কি তার বুদ্ধিবিবেচনায় গভীর আস্থা প্রকাশ করে নাই?

    জায়নামাজে বসেই যুবক শিক্ষক স্থির হয়ে থাকে। সময় কাটে। টেবিলের ওপর চা কিছুক্ষণ ধোঁয়া ছেড়ে থেমে গেছে, বাইরে উঠানে রোদ পড়েছে।

    যুবক শিক্ষকের সন্দেহ থাকে না, কোথায় কী যেন গোলতাল পাকিয়ে উঠেছে, সে যেন নিজের উদ্দেশ্যই ভালোভাবে বুঝতে পারছে না। সে কী চায়? কেনই-বা তার মধ্যে একটুতেই এমন বিহ্বলতা দেখা দেয়? অথচ মাঝে মাঝে রাগান্বিত হলেও কাদেরকে এমন সুস্থির এবং আত্মনির্ভরশীল মনে হয় কেন? সে যেন সব জানে, সব বোঝে তাছাড়া, একটি নারীর মৃত্যুর অর্থই-বা কী?

    অবশেষে যুবক শিক্ষক উঠে দাঁড়ায়। দেহের অসীম দুর্বলতা তার মনেও গভীর অবসাদ সৃষ্টি করেছে। সে যন্ত্রচালিতের মতো বড়বাড়ির অভিমুখে রওনা হয়। সে জানে, অন্যান্য দিনের মতো সে ছেলেমেয়েদের পড়াতেই যাচ্ছে।

    না, তার সঙ্কল্পে কোনো পরিবর্তন হয় নাই। তবে আজ সকালে সে দাদাসাহেবকে কথাটা না বলে সন্ধ্যাবেলায়ই বলবে। ইতিমধ্যে এত দেরি হয়েছে, আরেকটু দেরি হলে তেমন ক্ষতি কী? বিষয়টি আবার ভেবে দেখা প্রয়োজন। তার বিবেচনায় যদি কোনো ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকে তবে একবার বলে ফেললে পরে শোধরানো সহজ হবে না। অবশ্য ভুলভ্রান্তির কোনো সুযোগ সে দেখতে পায় না। তবু বিষয়টি অতি গুরুতর। তার সিদ্ধান্তের যথার্থতা সম্বন্ধে সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত হওয়া ভালো।

    একটি কথায় সে নিজেই কিছু বিস্মিত না হয়ে পারে না। বাঁশঝাড়ের ঘটনাটি প্রকাশ করায় কিছু বিলম্বের সুযোগ পেয়ে সে এমন স্বস্তিবোধ করছে কেন?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার
    Next Article বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026
    Our Picks

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026

    সংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }