Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026

    সংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ এক পাতা গল্প174 Mins Read0
    ⤶

    চাঁদের অমাবস্যা – ১৬

    ষোল

    আদালতের সামনে ঘাসশূন্য বৃক্ষছায়াচ্ছন্ন প্রাঙ্গণটি অতিক্রম করে দু-দিন আগে স্ব-ইচ্ছায় যে-ঘরে সে এসেছিল, আজ সে ঘরেই তারা তাকে নিয়ে এসেছে। টেবিলের ওপাশে সেদিনের মতো উপরিতন পুলিশ -কর্মচারীটিও যথাস্থানে বসে। ছোটখাটো মানুষ দেখতে নিরীহ। সামনের দাঁত অসমান, নিচের ঠোটটা ভারি। তাই হয়তো মুখ খুলে রাখার অভ্যাস। তবে একটা স্থায়ী ভ্রূকুটির জন্যে তার মুখের শিথিলতা কিছু রক্ষা পায়।

    তাদের পায়ের আওয়াজ পেয়ে পুলিশ কর্মচারী চোখ তুলে তাকায়। দেখতে-না-দেখতে তার চোখে-মুখে বিপুল পরিবর্তন উপস্থিত হয়। তার ভ্রূকুটি গাঢ় হয়ে ওঠে, দৃষ্টিতে ক্ষীণ ধার দেখা দেয়। সন্দেহের অবশ্য কোনো অবকাশ ছিল না, তবু যুবক শিক্ষকের মন থেকে এবার সব সন্দেহ দূর হয়। কিন্তু তার মুখে ভাবান্তর ঘটে না। সেদিনের ঘরটি এবং টেবিলের ওপাশে পুলিশ-কর্মচারীকে সে যেন বহুদূর থেকেই দেখে। তার দৃষ্টি স্বচ্ছ, তবু কিছুই নিকটে মনে হয় না। পুলিশ-কর্মচারীটি সাব-ইন্সপেক্টরের দিকে তাকায়। সাব-ইন্সপেক্টরের পেছনে দণ্ডায়মান কনস্টেবলটির বুটে আওয়াজ হয়।

    ‘বসেন।’ পুলিশ-কর্মচারী সাব-ইন্সপেক্টরকে বসতে বলে। সাব-ইন্সপেক্টর বসলে তার মধ্যে সর্বপ্রথম স্বচ্ছন্দতা আসে। তার বয়স বেশি নয়।

    ‘ঘরেই ছিল। পালাবার চেষ্টা করে নাই।’ অল্পবয়স্ক সাব-ইন্সপেক্টরটি বলে।

    যুবক শিক্ষক বুঝতে পারে, সে-ই উক্তিটির বিষয়বস্তু। তবু তার মনে হয়, সাব-ইন্সপেক্টর অন্য কোনো মানুষের কথা বলছে যেন। অপরিচিত কোনো মানুষ ঘরেই ছিল, পালাবার চেষ্টা করে নাই।

    ততক্ষণে পুলিশ-কর্মচারির দৃষ্টি তার ওপর আবার নিবদ্ধ হয়েছে। সে-দৃষ্টিতে প্রবঞ্চিত মানুষের ক্রোধভাব যেন। যুবক শিক্ষক এবারও বোঝে যে, সে-ই তার ক্রোধের কারণ। কিন্তু তাতে বিচলিত না হয়ে নিস্পৃহ-নিষ্পলক দৃষ্টিতে সে তার দিকে তাকিয়ে থাকে। প্রয়োজনীয় সরকারি ক্ষমতাপত্র সমেত অল্পবয়স্ক সাব-ইন্সপেক্টর এবং দু’জন বন্দুকধারী কনস্টেবল সকালবেলায় তার বাড়িতে উপস্থিত হলেও সে বিচলিত হয় নাই। বরঞ্চ তাদের আগমন, তারপর সুটকেস হাতে তাদের সঙ্গে থানা অভিমুখে যাত্রা সবই তার কাছে বারবার মহড়া-দেয়া অভিনয়ের মতো সুপরিচিত মনে হয়েছে। পুলিশ কর্মচারীর চোখে এখন সে যে-ক্রোধ দেখতে পায়, সে- ক্রোধও অপ্রত্যাশিত মনে হয় না। তাছাড়া, সে- ক্রোধ সত্য নয় যেন। আসলে তা বর্তমান অভিনয়ের একটি অংশমাত্র।

    শীঘ্র যুবক শিক্ষক কেমন অস্বস্তি বোধ করতে শুরু করে। তখনো সে ফুলতোলা সুটকেসটি হাতে করে দাঁড়িয়ে। সে সুটকেসটি সমস্যায় পরিণত হয়েছে যেন। সে বুঝতে পারে না সেটি কোথায় রাখবে। কনস্টেবলটি তার সমস্যার কথা বুঝে তার হাত থেকে সুটকেসটি তুলে নিয়ে দেয়ালের পাশে রাখে। ঘরের নিঃশব্দতায় শক্ত বুটের অজস্র আওয়াজ হয়।

    পুলিশ-কর্মচারীর রাগ পড়ে, ভ্রূকুটিটাও ক্ষণকালের জন্যে অন্তর্ধান করে। সে যুবক শিক্ষককে বলে, ‘বসেন।’

    বসার অনুরোধটি মহড়ায় যেন বাদ পড়েছিল। তাই যুবক শিক্ষকের বসতে কিছু দ্বিধা হয়। তারপর আস্তে বসে পড়ে সে টেবিলের তলে আলগোছে হাত কচলাতে শুরু করে। তারপর সে অপেক্ষা করে।

    পুলিশ-কর্মচারীর মুখমণ্ডলে ক্রোধভাব কঠিনতা এবং ভ্রূকুটি ফিরতে দেরি হয় না। সঙ্গে সঙ্গে ধমকে বলে ওঠে, ‘চালাকি করতে চেয়েছিলেন? না, চালাকিতে কাজ হয় না।’

    যুবক শিক্ষক তার ভর্ৎসনা শোনে, কিন্তু কিছু বলে না। হয়তো অভিনয়ে তার বলার সময় এখনো আসে নাই বলেই সে নির্বাক হয়ে থাকে। বাইরে আদালতের সামনে মামলাবাজদের কলরব তার কানে লাগে।

    পুলিশ-কর্মচারী চোখ ছোট করে তীক্ষ্ণভাবে যুবক শিক্ষককে কয়েক মুহূর্ত পরীক্ষা করে দেখে। নিচের ঠোঁটটা অভ্যাসমত ঝুলেই থাকে। তারপর হঠাৎ টেবিলে হাত পিটিয়ে বাঘা-গলায় আবার সে আগের কথাই একটু ঘুরিয়ে বলে, ‘ভেবেছিলেন চালাকি করে পার হয়ে যাবেন?’

    এবারও যুবক শিক্ষক উত্তর দেয় না। সব কথা জেনে পুলিশ কর্মচারী অর্থহীন কথা বলছে। সেটাও অভিনয়ের অংশ। এখানে যুবক শিক্ষকও একজন অভিনেতা। তবে যথানিৰ্দিষ্ট সময়েই সে কথা বলবে।

    তার নীরবতা পুলিশ-কর্মচারীর পছন্দ হয় না। টেবিলে দু-হাত চেপে সামনে ঝুঁকে থুত ছিটিয়ে আবার সে বলে, ‘কী, অপরাধ স্বীকার করতে রাজি আছেন?’

    এবার একটা উত্তর না দিয়ে উপায় নাই। তবে প্রশ্নটির মতো উত্তরটিও তার মুখস্থ বলে কোনো দ্বিধা না করে সে ক্ষুদ্র গলায় তার বক্তব্য বলে। কিন্তু তার বক্তব্যটি শুনে পুলিশ -কর্মচারীটি অকস্মাৎ ক্রোধে আত্মহারা হয়ে পড়ে। সেটাও অভিনয় সন্দেহ নাই, কিন্তু তবু তার ক্রোধের ঝাপটা গায়ে লাগে বলে যুবক শিক্ষক ঈষৎ চমকে ওঠে।

    ‘সত্য কথা!’ পুলিশ -কর্মচারী আবার হুঙ্কার দিয়ে ওঠে।

    যুবক শিক্ষক তার বক্তব্যটি আবার বলে, ক্ষুদ্র নিস্তেজ কণ্ঠে। সেদিন সে সত্য কথাই বলেছিল।

    পুলিশ-কর্মচারী কয়েক মুহূর্তের জন্যে বাকশূন্য হয়ে পড়ে যেন। বাক্‌শক্তি ফিরে এলে সে এবার গভীর বিরক্তির সঙ্গে বলে, ‘তদারক হবে। কিন্তু আপনার তাতে লোকসান বই লাভ নাই।’

    যুবক শিক্ষক এবার নীরব হয়ে থাকলে পুলিশ-কর্মচারী সহসা হয়তো বুঝতে পারে না, সে কী বলবে। ভাগ্যবশত এমন সময় একটি ছেলে দু-পেয়ালা চা নিয়ে ঘরে ঢোকে। এক পেয়ালা পুলিশ কর্মচারীর জন্যে দ্বিতীয় পেয়ালা সাব-ইন্সপেক্টরের জন্যে। এক চুমুক দিয়ে উপরিতন কর্মচারীটি পকেট থেকে একটা আধা-ভরা সিগারেট-প্যাকেট বের করে একটি সিগারেট ধরায়। মুহূর্তের মধ্যে তার গন্ধে ঘরটা ভরে ওঠে।

    গন্ধটা নাকে লাগতেই যুবক শিক্ষক সন্তর্পণে তা বার-দুয়েক ঘ্রাণ করে দেখে, তারপর তার মনের অন্তরালে কোথাও ঈষৎ বেদনার ভাব দেখা দেয়। কাদেরের কথা তার মনে পড়ে। সে-রাতে কাদের তাকে একটি সিগারেট দিয়েছিল। সে-কথাটাই স্মরণ হয়। না, কাদেরের কথা যে স্মরণ হয়, তা নয়। কাদের যেন তার মন থেকে অদৃশ্য হয়ে গেছে। তবে সিগারেটের গন্ধটি একটি দৃঢ়জীবনের স্মৃতিই যেন জাগায় তার মনে। সে-রাত আর আজকার মধ্যে এতই কি ব্যবধান?

    চা-এ আরো কয়েকবার চুমুক দিয়ে পুলিশ -কর্মচারী কণ্ঠস্বর নিচতম খাদে নাবিয়ে অন্তরঙ্গভাবে বলে, ‘আপনি মাস্টার। কথাটা বুঝতে দেরি হবে না আপনার।’

    পরম হিতৈষীর মতো সে একটি নাতিদীর্ঘ কিন্তু সহৃদয় বক্তৃতা শুরু করে। প্রথমে তার দিকে নিষ্পলকদৃষ্টিতে তাকিয়ে যুবক শিক্ষক কান দিয়েই তার কথা শোনে। তারপর বিস্ময়ে তার মন ভরে ওঠে। সে বুঝতে পারে যে, পুলিশ কর্মচারী তাকে সুবুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তির মতো ব্যবহার করতে বলে যে-সব যুক্তিতর্কের অবতারণা করছে, সে-সব যুক্তিতর্ক সে যে শুধু জানে তা নয়, সে-সব নিজেই সে ভেবে দেখেছে। পুলিশ-কর্মচারী নূতন কিছুই বলছে না; যা সে বলছে যুবক শিক্ষক তার মহড়া দিয়েছে অনেকবার। তার কার্যের কী পরিণাম হবে, কেন হবে, কী কী ভাবে হবে—সে-সব কথা উপলব্ধি করে তার ভীতির শেষ থাকে নাই। সে-ভীতি এখনো যায় নাই। তবে তা এমনই এক ধরনের ভীতি যা শরীরে কোথাও গভীর ক্ষতের মতো লেগে আছে, তা উপড়ানোও যায় না অস্বীকার করাও যায় না। এমন ভয়কে মেনে নিয়ে ভুলে যাওয়াই ভালো।

    পুলিশ-কর্মচারীর কথা শুনে অকস্মাৎ সে একটা অপরিসীম তৃপ্তিও বোধ করতে শুরু করে। সে কি তার মনের যুক্তিতর্কের কথা অপরের মুখে শুনছে না? এ কি তার বিচক্ষণতা এবং পরিণামদর্শিতার প্রমাণ নয়?

    ভ্রূকুটি করে পুলিশ-কর্মচারী প্রশ্ন করে, ‘শুনছেন আমার কথা?’

    সচকিত হয়ে যুবক শিক্ষক উত্তর দেয়, কিন্তু পুলিশ-কর্মচারী তাকে ভুল বোঝে। তার চোখে প্রথমে সন্দেহ, শেষে কেমন যেন অহেতুক প্রতিহিংসার ভাব দেখা দেয়। বিকৃতকণ্ঠে সে বলে, ‘হবে, তদারক হবে। আপনার ভালো হতে পারে, মন্দও হতে পারে। কিন্তু একটা কথা মনে রাখবেন। যার ক্ষতি করতে চান, তার ক্ষতি করা সহজ হবে না।’

    সে যে কারো ক্ষতি করতে চায় না, সে-কথা বলার বিশেষ প্রয়োজন বোধ করলেও শেষপর্যন্ত সে কিছুই বলতে পারে না। এক কথায় উক্তিটির উত্তর দেয়া যায় না। তাছাড়া, কী একটা কথা সে বুঝতে চেষ্টা করে বলে কোনো উত্তর তৈরি করাও তার পক্ষে হয় না।

    নিজেকে কিছুটা সংযত করে পুলিশ-কর্মচারী আবার বলে, ‘হয় অপরাধ স্বীকার করেন, না হয় আজগুবি কথাটা ছাড়েন।’

    সাব-ইন্সপেক্টরও এবার তার উপরিতন কর্মচারীকে সমর্থন করে বলে, ‘নিজের মন্দ না চাইলে আজগুবি কথাটা ছাড়াই ভালো হবে।’

    তাদের কথা যুবক শিক্ষকের কানে আর পৌঁছায় না। তার মন অন্যত্র। তার মনের তৃপ্তির কারণ সে বুঝতে পেরেছে। বিচক্ষণতা-পরিণামদর্শিতার প্রমাণ পেলে তৃপ্ত হওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু সে-জন্যে সে তৃপ্ত নয়। তার তৃপ্তির কারণ এই যে, মনে-মনে যে-সব সম্ভাবনা সে দেখেছিল, তা সত্যে পরিণত হয়ে তার সিদ্ধান্তকে অর্থপূর্ণ করেছে। কথাটা অত্যন্ত বড় মনে হয় তার কাছে। তার মনে যে তুমুল দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়েছিল, সে-দ্বন্দ্বের ভিত্তি কাল্পনিক ভয় নয়। তাছাড়া, যে-সংগ্রাম পরের বিরুদ্ধে মনে হলেও আসলে নিজেরই বিরুদ্ধে ছিল, সে-সংগ্রামে সে জয়লাভ করেছে।

    তার তৃপ্তির ভাবটি স্থায়ী হয় না। এক প্রকার প্রাকৃতিক আলোড়নে নদী যেমন হঠাৎ শুকিয়ে যায়, তেমনি তার মন থেকে সব ভাববোধ নিঃশেষ হয়ে যায়। সে তার উত্তর পেয়েছে। কিন্তু সে উত্তরটি চতুর্দিকে মরুভূমির সৃষ্টি করে যেন।

    দূর থেকে পুলিশ-কর্মচারীর কণ্ঠস্বর ভেসে আসে।

    ‘বুঝতে পারছেন? হোক আপনার কথা সত্য, কিন্তু সাক্ষী কই? আপনি নিজের চোখে কিছু দেখেন নাই, কিন্তু অপর পক্ষ দেখেছে।’ সে যেন একটু দ্বিধা করে। তারপর বলে, ‘আপনাকে স্বচক্ষে দেখেছে।’

    হয়তো কথাটি পুলিশ কর্মচারীর নিজেরই বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়, কিন্তু সে কী করতে পারে? ব্যক্তিগত বিশ্বাস-অবিশ্বাসের মূল্য কী?

    ক্ষীণভাবে পুলিশ-কর্মচারীর কণ্ঠস্বর যুবক শিক্ষকের কানে পৌঁছালে সে মন্ত্রমুগ্ধের মতো তার বক্তব্যটির পুনরাবৃত্তি করে। যেন সে কথাটি প্রথম বার বলছে। কিন্তু তার দ্বিতীয় বক্তব্য নাই। একই কথা বারবার বলছে সে-কথা বুঝলেও সে অপ্রস্তুত বোধ করে না।

    ‘সত্য কথা!’ ব্যঙ্গের সুরে পুলিশ কর্মচারী চিৎকার করে ওঠে। ব্যঙ্গটি যুবক শিক্ষককে স্পর্শ করে না। সে আপন-মনে একটি দৃশ্য দেখবার চেষ্টা করে। যে-দৃশ্যটি মন থেকে এ-ক’দিন ঠেকিয়ে রেখেছে, সে দৃশ্যটিই সে দেখবার চেষ্টা করে। অল্প চেষ্টাতে দৃশ্যটি চোখের সামনে ভেসে ওঠে। বাঁশঝাড়ে যুবতী নারীর দৃশ্য। একটু পরে সে বোঝে, কিছুই সে স্পষ্টভাবে দেখতে পারছে না। কী করে দেখতে পারবে? দু-রাতের এক রাতেও সে-প্রাণহীন দেহটির দিকে ভালো করে তাকাবার সাহস তার হয় নাই। শুধু কয়েক মুহূর্তের জন্যেই সে তার দিকে তাকাতে সক্ষম হয়েছিল। তার দেহে যে প্রাণ নাই, সে-কথা বোঝার আগে। এখন যেটুকু সে দেখতে পায়, তা সে সংক্ষিপ্ত স্মৃতির জন্যেই। শাড়িটা অসংলগ্ন, পায়ের কাছে এক ঝলক চাঁদের আলো। একটি হাতই দেখা যায়। অন্য হাতটি কি দেহের তলে চাপা পড়েছে? মুখে ছায়া, শুধু ছায়া। আসলে মুখটা ঠিক মনে পড়ে না।

    যুবক শিক্ষকের মনে ভয় বা ঘৃণা বা দুঃখ – কোনো ভাবই জাগে না। তবে কেন সে দৃশ্যটি স্মরণ করার চেষ্টা করছে? আজ যে স্থানে সে এসে পৌঁচেছে, তারই অর্থ কি সে-পরিত্যক্ত প্রাণহীন দেহটির মধ্যে সন্ধান করছে? কাদের তার জন্যে যে-ভাবাবেগ বোধ করে নাই, সে ভাবাবেগই কি সে নিজের মনে সৃষ্টি করতে চাইছে? সে জানে না কেন সে দৃশ্যটি স্মরণ করবার চেষ্টা করে।

    হয়তো সে-দেহটি প্রাণ নেই বলে অর্থহীন নয়। বাঁশঝাড়ে যুবতী নারীর জীবন শেষ হলেও সে দৃশ্য স্মরণ করে যুবক শিক্ষকের মনে কোনো ভাবের আভাসও না দেখা গেলেও, সেখানেই যুবতী নারীর কথা শেষ হয় নাই। কারণ, তার জন্যে এখনো কি কারো শাস্তি পাওয়া বাকি নাই?

    কিন্তু কে শাস্তি পাবে? পুলিশ-কর্মচারীর সামনে বসে যুবক শিক্ষকের হয়তো এই ধারণা হয় যে, কে শাস্তি পাবে সেটি আর প্রধান কথা নয়। শাস্তিটার অর্থ যখন মৃত যুবতী নারীর কাছে আর পৌঁছবে না, তখন কে শাস্তি পাবে তাতে তার আর কী এসে যাবে? শাস্তিটা তার জন্যে নয়। যুবক শিক্ষক যদি ভুল করে শাস্তিটা নিজের ওপরই টেনে আনে, যুবতী নারীর মৃত্যুর জন্যে সে-ই যদি অবশেষে শাস্তি পায়, তবে শাস্তিটা আসলে যার উদ্দেশ্যে সেখানে তা পৌঁছবে। সে-কথায় সে কি একবার সান্ত্বনা পেতে পারে না?

    কিন্তু যুবক শিক্ষক জানে না। যে-দৃশ্যে কোনোই মনোভাব জাগে না, সে-দৃশ্যই সে অর্থহীনভাবে দেখবার চেষ্টা করে।

    তার ব্যঙ্গ যুবক শিক্ষকের মধ্যে কোনো প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে না দেখে পুলিশ-কর্মচারী এবার তার দিকে তাকায়, তারপর তার ঝানু চোখে ঈষৎ কৌতূহলের ভাব দেখা দেয়। যুবক শিক্ষক তারই দিকে নিষ্পলকদৃষ্টিতে চেয়ে পূর্ববৎ স্থির হয়ে বসে আছে, চোখে-মুখে কোনো উদ্ধত ভাব নাই। বরঞ্চ সমীহ বিনয়ের ভাবই যেন তাতে। গায়ের জীর্ণ আলোয়ানটি ঘরের উজ্জ্বল আলোয় অতিশয় জীর্ণ মনে হয়। আর মনে হয় কোনো কথায় তার কান নাই। কোনো, কথার প্রয়োজন সে বোধ করে না।

    পুলিশ-কর্মচারীর চোখ একবার ক্রোধে সঙ্কুচিত হয়ে ওঠে। কিন্তু যুবক শিক্ষকের দৃষ্টির সামনে সে–ক্রোধ হয়তো অর্থহীন মনে হয় বলে সে নিজেকে সংযত করে। তারপর তার সরকারি ভ্রূকুটিও প্রত্যাবর্তন করে। সোজা হয়ে বসে কঠিন দৃষ্টিতে তাকিয়ে যুবক শিক্ষককে প্রশ্ন করে, ‘আপনার আর কিছু বলবার নাই?’

    যুবক শিক্ষক উত্তর দেয় না।

    ‘শুনছেন?’ সাব-ইন্সপেক্টর বলে। কনস্টেবলের বুটের আওয়াজ হয়।

    সচকিতভাবে সজ্ঞান হয়ে যুবক শিক্ষক আবার তার বক্তব্যটি বলে। শুনে পুলিশ–কর্মচারীর মুখে তীব্র বিরক্তির ভাব জাগে। কিন্তু কয়েক মুহূর্তের জন্যে কেবল। তারপর সে ব্যস্তসমস্ত হয়ে ওঠে। বাজে কথার সময় শেষ হয়েছে।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার
    Next Article বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026
    Our Picks

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026

    সংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }