Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026

    সংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ এক পাতা গল্প174 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চাঁদের অমাবস্যা – ১৪

    চৌদ্দ

    দুপুরবেলায় ইস্কুলের বিশ্রামঘরে আত্মপ্রবঞ্চনার কথাটি যুবক শিক্ষক সর্বপ্রথম আপন-মনে স্বীকার করে। বস্তুত, স্বীকার করতে সে বাধ্য হয়। সর্বপ্রকার চেষ্টার শেষ হয়েছে, কি করে তার ক’দিনব্যাপী মানসিক বিহ্বলতার সত্য কারণ নিজের কাছে আর ঢেকে রাখে? সঙ্গে সঙ্গে যে- ন্যায়বানের শ্বেতসৌধ সে সৃষ্টি করেছিল তা নিমেষে ধূলিসাৎ হয়। নিজের কাছেই সে নিজে ধরা পড়েছে অবশেষে : কোথাও আর একটি প্রাচীর দাঁড়িয়ে নাই যার পশ্চাতে সে আত্মগোপন করতে পারে।

    সত্যি, সন্দেহের আর অবকাশ নাই। জটিল এবং পরিশ্রমসিদ্ধ আত্মপ্রবঞ্চনাটি শুরু হয় তখন যখন আত্মরক্ষার প্রবল বাসনার জন্য তার বিবেকের নির্দেশ শুনতে সে অক্ষম হয়। তারপর তার লজ্জাকর ভীতি-দুর্বলতা সে নিজের কাছেই লুকাবার চেষ্টা করে।

    কাদের একটি গুরুতর অপরাধ করেছে তা জানতে পারলে একটি কঠিন সমস্যাও সে অনতিবিলম্বে দেখতে পায়। লোকটি সম্ভ্রান্তশালী অভিভাবক আশ্রয়দাতার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। অন্যদিকে, যুবতী নারী শুধু যে তার সম্পূর্ণ অপরিচিতা তা নয়, সে আর জীবিতদের মধ্যে কখনো প্রত্যাবর্তন করবে না। আজ সকালে কাদেরের উক্তির পরেই সে তা বুঝতে পারে। কাদের তাকে প্রশ্ন করেছিল, সে যুবতী নারীকে চিনত কিনা। হত্যাকাণ্ডটি প্রকাশ করলে তার কী শাস্তি হবে তা-ও সে স্পষ্টভাবে বলেছিল। বস্তুত, আত্মপ্রবঞ্চনার কথাটি বুঝবার ব্যাপারে কাদেরই তাকে সাহায্য করেছে।

    যুবক শিক্ষক লজ্জাই বোধ করে, তার কানে কেমন ঝাঁঝ ধরে। কিন্তু স্বীকার না করে উপায় নাই, সে ভাবেই মানসিক দ্বন্দ্বের সূত্রপাত হয়। বিবেক বলে, কথাটি প্রকাশ করা তার কর্তব্য, কিন্তু কাজটি তার কাছে দুষ্কর মনে হয়। সে দুর্বল মানুষ। মানসিক দ্বন্দ্বটি অসহ্য হয়ে উঠলে সে একটি পলায়নপথ আবিষ্কার করে : স্বপ্নরাজ্যে সে আশ্রয় গ্রহণ করে। তার দুর্বলতার সমর্থনে যদি কোনো যুক্তি থাকে তবে তা হয়তো এই যে, যুবতী নারী তার অপরিচিতা বলেই তার প্রতি নির্মম অবিচারটি সে সম্যকভাবে উপলব্ধি করতে পারে নাই, কাদেরের অপরাধটিও হৃদয় দিয়ে অনুভব করে নাই। কিন্তু সে-যুক্তিতে জোর আছে কি নাই তার বিবেচনা এখন তার কাছে অহেতুক মনে হয়।

    কর্তব্যটি যাতে পালন না করতে হয় সে জন্যে স্বপ্নরাজ্যে প্রবেশ করে সেখানেই সে এ ক’দিন বাস করছে। যুবতী নারীর মৃতদেহটি বহনের ব্যাপারে কাদের যখন তার সাহায্যপ্রার্থী হয় তখন সে ইতিমধ্যে স্বপ্নরাজ্যে পৌঁচেছে। বাস্তবজগৎ তখন মূল্যহীন বলে কাদেরকে সে-ব্যাপারে সাহায্য করতে তার বিন্দুমাত্র দ্বিধা হয় নাই। তবে স্বপ্নরাজ্যে সে নিরাপদ বোধ করে নাই : সব প্রবঞ্চনার মধ্যে আত্মপ্রবঞ্চনাই অধিকতম শক্ত। তাই সেখানে সে অলস হয়ে বসে থাকে নাই। তার বাহ্যিক আচরণ বিহ্বল মানুষের মতো হলেও সে অতি দক্ষতা এবং ব্যগ্রতার সঙ্গে কাদেরকে দোষমুক্ত করবার জন্যে একটির পর একটি বিচিত্র অবিশ্বাস্য যুক্তি-অজুহাত আবিষ্কার করেছে। কেন? কারণ কাদের নির্দোষ প্রমাণিত হলেই তার রক্ষা। তাহলে বিবেকের নির্দেশটি তাকে আর শুনতে হবে না, বিপজ্জনক কর্তব্যটিও পালন করতে হবে না। আত্মরক্ষার জন্যে সে কী সব যুক্তি-অজুহাতই না আবিষ্কার করেছে এবং তাতে নিজেই বিশ্বাস করেছে? যেমন, কাদের কেন মৃতদেহটি নদীতে ফেলবে ঠিক করে। হঠাৎ যুবক শিক্ষকের কাছে কাদের একটি দয়াশীল মহৎ মানুষ হিসেবে উদয় হয় এবং সে যুবতী নারীকে একটি নিদারুণ অপমান থেকে উদ্ধার করতে চায়।

    তবে গোড়াতে আত্মপ্রবঞ্চনা শক্ত বলেই নয়, অন্য একটি কারণেও সে-সব যুক্তির পশ্চাতে আশ্রয় গ্রহণ করা তার পক্ষে তত সহজ হয় নাই : তখন বাঁশঝাড়ের সত্য কথাটি সে নিশ্চিতভাবে জানত না। দুঃখের বিষয়, কাদের নিজের মুখেই কথাটি স্বীকার করে বসে। তারপর যুবক শিক্ষকের পক্ষে স্বপ্নরাজ্যে বাস করা যেন অসম্ভব হয়ে পড়ে, পালাবারও কোনো পথ থাকে না। কিন্তু হাল ছাড়তে সে রাজি হয় না। তার ভীত-নিপীড়িত মস্তিষ্ক শীঘ্র একটি নূতন যুক্তি দেখতে পায়। যুক্তিটি এই যে, যুবতী নারীর প্রতি প্রেম ছিল বলেই কাদের তার অন্তিম ব্যবস্থা না করে পারে নাই। এবং, যেহেতু নারীর প্রতি কাদেরের প্রেম ছিল সেহেতু হত্যাকাণ্ডটি শুধুমাত্র একটি শোচনীয় দুর্ঘটনা নয় কি? আর সে যুক্তি অনুসারে তার অপরাধও কি ক্ষমাই নয়?

    কাদেরের হাতেই যুবক শিক্ষকের স্বপ্নরাজ্যের দুর্বল প্রাচীর দ্বিতীয় বার ভাঙে। প্রেমের কথাটি সে স্বীকার করে না। বরঞ্চ সেটি যে অচিন্তনীয় সে-কথা সে পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দেয়। এবার যুবক শিক্ষক বুঝতে পারে, তার পালাবার সত্যিই কোনো পথ নাই : তার কর্তব্যটি যতই ভীতিজনক হোক না কেন, সেটি এড়াবার আর কোনো উপায় নাই।

    সম্পূর্ণভাবে নিরাশ হয়ে সে যখন ঘটনাটি প্রকাশ করবার জন্যে সাহস যোগাড় করার চেষ্টা করছে তখন কাদের তাকে প্রথম বার একটু সাহায্য করে স্বপ্নরাজ্যে প্রত্যাবর্তন করার একটি পথ দেখায় তাকে। সে বলে, ঘটনাটি প্রকাশ করলে তার চূড়ান্ত শাস্তি হবে এবং তার জন্যে যুবক শিক্ষক একাই দায়ী হবে। কাদের যে-বীভৎস শব্দটির উচ্চারণ করে সে–শব্দটিই ঘোর তমসার মধ্যে একটু আলোর সৃষ্টি করে। নতুন উদ্যমে যুবক শিক্ষক তার যুক্তির তলোয়ারে শান দেয় এবং তার এই বিশ্বাস হয় যে, সে অস্ত্রটির সাহায্যে সে যে শুধু বিবেকের সামনাসামনি হতে পারবে তা নয়, বিবেককে কাবু পর্যন্ত করতে পারবে। এবার তার নিজের সর্বনাশের প্রশ্ন নয়, প্রশ্ন হচ্ছে অন্য একটি মানুষের জীবন-মৃত্যু নিয়ে। সে নিজের প্রাণের জন্যে ভীত নয়, অন্য মানুষের প্রাণের জন্যে ভীত। সে-মানুষের জীবন-মৃত্যু সম্বন্ধে একটি ভীষণ দায়িত্ব গ্রহণ করার যথার্থ সব কারণ কি তার জানা আছে?

    যুক্তিটি অব্যর্থ মনে হয় কেবল অল্প সময়ের জন্যেই। শীঘ্র সে বুঝতে পারে, সেটি অতিশয় দুর্বল। আত্মপ্রবঞ্চনার জন্যে যথেষ্ট তো নয়ই, তা দিয়ে বিবেককেও মানানো যায় না। আর কোনো উপায় যখন নাই তখন সত্য কথাটি স্বীকার করতে অসীম লজ্জা হলেও তা স্বীকার করাই কি বাঞ্ছনীয় নয়? তাছাড়া, আপন-মনে বিবেকের মূল্য কী?

    সত্য কথা হল এই, বাঁশঝাড়ের হত্যাকাণ্ডটি প্রকাশ করার সাহস তার নাই। প্রথম দিন ছিল না, আজও নাই। সে ভীত, দুর্বলচিত্ত অসহায় মানুষ। কাদেরের ভয়-প্রদর্শন কার্যকরী হয়েছে। নিজেকে ফাঁকি দেওয়া আর যখন সম্ভব নয় তখন ফাঁকি দেবার চেষ্টা ছেড়ে কেন সে ভীত সে-কথা খোলাখুলিভাবে বুঝবার চেষ্টা করাটাই কি সাধু কাজ হবে না? তাছাড়া, বিবেকের মুখ বন্ধ করবার জন্যে ছলনার চেয়ে এ পন্থাটাই অধিকতর কার্যকরী। বস্তুত তার মনে হয়, ভীতির নগ্ন চেহারা দেখে বিবেকের কণ্ঠস্বর ইতিমধ্যে সম্পূর্ণভাবে স্তব্ধ হয়েছে।

    ঘটনাটি প্রকাশ না করার পক্ষে যে-সব যুক্তি সে পরিষ্কারভাবে ভাবতে সাহস পায় নাই, এবার সে-সব যুক্তি বিশ্লেষণ করে দেখতে তার আর বাধে না। চারপাশে খোলা মাঠ, আর বাধা কোথায়? প্রথমত, সে নিজের কথাই ভাবে। কে সে? একজন দরিদ্র শিক্ষক মাত্র। বর্তমানে জনৈক সম্ভ্রান্ত ধনী কিন্তু দয়াশীল মানুষের অভিভাবকত্বে জীবনে সর্বপ্রথম বেদনাদায়ক অভাব-অভিযোগটা যেন ভুলেছে, সুখের একটু আস্বাদ পেতে শুরু করেছে। তার ব্যক্তিগত দারিদ্র্যই যে শুধু ঘুচেছে তা নয়। সে তার বিধবা মা এবং তার মুখাপেক্ষী দুটি ভাই-বোনকেও খাওয়াতে পরাতে পারছে। তার যদি কোনো ক্ষতি হয় তবে কে তাদের দেখাশোনা করবে? কাদের যে তাকে মিছামিছি ভয় দেখিয়েছে সে-কথা ভাবা অন্যায়।

    তাছাড়া, কার জন্যেই-বা সে নিজের সর্বনাশ করবে? যুবতী নারী তার আত্মীয়-বন্ধু নয়, তার মৃত্যুতে সে ব্যক্তিগতভাবে কোনোপ্রকারে ক্ষতিগ্রস্ত হয় নাই। এ হতভাগা দেশে কত যুবতী নারীর জীবন অর্থহীনভাবে এবং অকারণে শেষ হয়, কে প্রতিবাদ করে, কে একবার ফিরে তাকায়? যেখানে জীবন মূল্যহীন সেখানে আরেকটি জীবন শেষ হয়েছে। কীভাবে হয়েছে, তাতে কোনো অন্যায়-অবিচার হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে মাথা ঘামিয়ে সে নিজের ওপর বিপদ ডেকে আনবে কেন?

    তারপর, কাদেরের কথা। হোক তার অপরাধ অতি গুরুতর বা যুবতী নারীর সঙ্গে তার সম্পর্কের কারণ পশুবৎ বাসনা, হোক সে নির্মম-নির্দয় মানুষ, তবু সে যুবক শিক্ষকের কোনো ক্ষতি করে নাই। তাছাড়া, কাদের তার বন্ধু না হোক, সে তার শত্রুও নয় : তার প্রতি সে হিংসাদ্বেষ বা প্রতিহিংসার ভাব বোধ করে না। কাদেরের সঙ্গে লড়াই করে তার কী লাভ হবে, কারই-বা সে মঙ্গল করবে?

    যুবক শিক্ষকের মনে কোনো সন্দেহ থাকে না যে, যুবতী নারীর মৃত্যুর সুবিচার হোক, তার চেষ্টা করলে কেউ তাকে সমর্থন করবে না, কেউ তাকে সাধু-সত্যবান বলে তার গলায় মালা দেবে না। সত্যবাদিতার মূল্য অবশ্য কেউ খোলাখুলিভাবে অস্বীকার করে না। এ-কথাও কেউ অস্বীকার করে না যে, সাক্ষ্য দেবার সমন পড়লে মিথ্যা বলা অন্যায়—বিশেষ করে মিথ্যাবিবৃতি যখন ধরা পড়ে। কিন্তু যুবক শিক্ষককে কেউ সমন পাঠায় নাই। স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে সত্যকথা বললে, এবং তার জন্যে শাস্তি লাভ করলে, তাকে তারা নির্বোধই বলবে।

    যুবক শিক্ষক সহসা তার সহযোগীদের কণ্ঠস্বর শুনতে পায়।

    ‘মানুষটি আরামে ছিল। খাসা চাকুরি, বড়বাড়িতে জামাই-আদর। বোকা না হলে খামাখা নিজের ওপর এমন সর্বনাশ ডেকে আনবে কেন?’

    ‘তাই। কত অন্যায়-দুর্নীতির কথা মানুষ জানতে পায়। কিন্তু নিজের ভাত মারা না পড়লে নিজের ক্ষতি করে কেউ সে-সব কথা প্রকাশ করে নাকি?’

    আদর্শ চরিত্র শুধু রূপকথায় বিরাজ করে, বাস্তবজগতে তার অস্তিত্ব নাই।

    যুবক শিক্ষকের কোনো ক্ষতি না হলেও, এবং কাদেরের যথাযথ শাস্তি হলেও তারা যুবক শিক্ষককে উচ্চাসনে বসাবে না। তার কার্যে তারা গূঢ় অভিসন্ধি খুঁজে বের করবে।

    ‘নিশ্চয়ই এর মধ্যে কোনো কথা আছে।’ (উক্তিটি যুবক শিক্ষক বারবার শোনে নাই কি?) ‘তার নিরীহ গোবেচারা চেহারায় ভুলবেন না।’

    ‘কী কথা?

    ‘বলে দিলাম, মেয়েলোকটির সঙ্গে আমাদের মাস্টারটিরও যোগাযোগ ছিল।’

    ন্যায়বানের প্রতি ক্রূরহিংসায় তাদের হৃদয়ে অশান্তির সৃষ্টি হবে। অন্য কেউ আরেকটি সম্ভাবনার কথা বলবে।

    ‘কোনো কারণে বড়বাড়িতে জামাইর আদর শেষ হয়ে আসছিল। প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে যাদের নিমক খেয়েছে তাদেরই ক্ষতি করবার জন্যে কথাটা সে প্রকাশ করেছে।’

    অকারণে কেউ ন্যায়বানের মুখাচ্ছাদন পরে না।

    যুবক শিক্ষকের বিরুদ্ধে কাদেরের পাল্টা অভিযোগটা প্রমাণিত হলে কারো মনে কি একবার কাদেরের দেরি করে কথাটা প্রকাশ করার বিষয়ে একটু প্রশ্ন জাগবে না? হয়তো জাগবে। কিন্তু যুবক শিক্ষক তারও একটা উত্তর শুনতে পায়।

    ‘আহা, দরবেশ মানুষ। অতশত কী বোঝে?’

    যুবক শিক্ষক তার সমর্থনে একটি কণ্ঠস্বরও শুনতে পায় না। কিন্তু জয় বা পরাজয়ের পরে তারা কী বলবে, সে-ভয়েই যে সে ভীত তা নয় : তাদের সম্ভাব্য মতামতের জন্যেও সে আত্মপ্রবঞ্চনার প্রয়োজন বোধ করে নাই। তবু সে-সব কি ঘটনাটি প্রকাশ না করার পক্ষে গণ্য করা যায় না?

    যুবক শিক্ষক কিছুক্ষণ আপন মনে স্তব্ধ হয়ে থাকে। তার অনুসন্ধান যেন শেষ হয়েছে। পূর্বের সিদ্ধান্তটি ত্যাগ করে নূতন সিদ্ধান্তে পৌঁছুতে আর কোনো বাধা নাই। ভেতরটা কেমন হাল্কা হাল্কাই মনে হয়, কষ্টকর আত্মপ্রবঞ্চনার প্রয়োজন থেকে মুক্ত হয়ে সে হয়তো স্বস্তিই বোধ করে।

    তবু সে নিজের মনেই শেষবারের মতো দুটি প্রশ্ন না করে পারে না। যুবতী নারীর সঙ্গে কাদেরের সম্পর্কটি যখন নিন্দনীয় এবং হত্যাকাণ্ডটি যখন অতিশয় গুরুতর অপরাধ, তখন তা প্রকাশ না করে কেউ চুপচাপ বসে থাকতে পারে কি?

    যুবক শিক্ষক আবার তার সহযোগীদের চেহারা দেখতে পায়। তারা যেন কেমন গোপনভাবে হাসছে। তারপর তাদের উত্তরটা সে শুনতে পায়।

    ‘পুরুষের ওসব দুর্বলতা একটু থাকেই। দোষটা আসলে মেয়েলোকটির। দুশ্চরিত্রা হলে এমন অপঘাত মৃত্যু অবধারিত।’

    বিশ্রামঘরটা শীতল হলেও কেমন ভ্যাপসা গরম বোধ করে যুবক শিক্ষক। চারপাশটা কেমন সঙ্কুচিত হয়ে উঠেছে যেন। হয়তো ভালো করে শ্বাস নেবার জন্যেই সে সোজা হয়ে উঠে বসলে আরবির মৌলবীর ওপর তার দৃষ্টি পড়ে। আজ সে বিপরীত দিকে বসে চোখ বুজে হয়তো ঝিমুচ্ছে। যুবক শিক্ষক অকারণে তার চিন্তাশূন্য শান্ত মুখমণ্ডলের দিকে কিছুক্ষণ চেয়ে থাকে। তারপর সে বুঝতে পারে, নিজের মনে যে-সব সহযোগীদের চেহারা সে দেখেছিল তার মধ্যে মৌলবীর শাশ্রুমণ্ডিত চেহারাটি নাই। তাকে কি একবার জিজ্ঞাসা করে দেখবে? হয়তো সে তাকে সমর্থন করবে। মনের ভীতির জন্যে যে-ব্যাপারটি তার কাছে অতীব গুরুতর সমস্যায় পরিণত হয়েছে, হয়তো সেটি তার কাছে কোনো সমস্যাই মনে হবে না। সমস্যা কোথায়? একটি খুনের কথা সে জানতে পেরেছে। সে-কথা সে প্রকাশ করবে। তাতে কোনো জটিলতা বা ভীতির প্রশ্ন নাই।

    মৌলবী চোখ বুজে থাকলেও চোখের অন্তরালে তার দৃষ্টি অবিশ্রান্তভাবে এধার-ওধার নড়ে : যেন চোখ বুজেই সে সব কিছু দেখতে পায়। তারপর তার চোখের পাতা নিমীলিত থেকেই প্রজাপতির পাখার মতো ফড়ফড় করতে শুরু করে, মনে হয় চোখ খুলবে। কিন্তু এবার মৌলবীর জিহ্বাগ্র ধীরে-সুস্থে এবং নিপুণতার সঙ্গে দাঁতপাটির গুহাগহ্বরে খাদ্যকণার সন্ধানে নিযুক্ত হয়। অনতিবিলম্বেই সে তার সন্ধানকার্যে সাফল্যমণ্ডিত হয়। তারপর কয়েক মুহূর্তের জন্যে তার চোখমুখ নিশ্চল হয়ে পড়ে। সে কি তুচ্ছ খাদ্যকণাটির জন্যে মহান অন্নদাতার কাছে শোকর আদায় করছে?

    হয়তো সেটি তার খেয়াল, তবু যুবক শিক্ষক ক্ষিপ্রগতিতে দৃষ্টি সরিয়ে নেয়, সঙ্গে সঙ্গে একটা গভীর নিরাশায় সে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। না, মৌলবীর মতো অসহায় ব্যক্তির কাছ থেকে কোনো উপদেশ আশা করা বৃথা।

    কিন্তু উপদেশের আর প্রয়োজনই-বা কী? ইতিমধ্যে তার সমস্যার সমাধান কি হয় নাই? ঘটনাটি প্রকাশ করার বিরুদ্ধে নানাবিধ যুক্তিতর্কে সে কি সন্তুষ্ট নয়?

    না, সে সন্তুষ্ট। সমস্যার সমাধান হয়েছে, আর ভাবনার কারণ নাই। কাউকে কোনো কথা জিজ্ঞাসা করার প্রয়োজন আর নাই।

    বিশ্রামঘরে আজ প্রগাঢ় নীরবতা, তর্কবিতর্ক এখনো শুরু হয় নাই। সে নীরবতার মধ্যে যুবক শিক্ষক একটি অস্পষ্ট শ্রান্তিতে চোখ বোজে। তার কি ঘুম পাচ্ছে? জোয়ারের সময় চর যেমন আস্তে, অলক্ষিতে ডুবে যায়, তেমনি তার সমগ্র অস্তিত্ব শ্রান্তির কালো জোয়ারে নিমজ্জিত হয়। না, তার আর কোনো প্রশ্ন নাই, বলবারও কিছু নাই। নিঃশব্দে সময় কাটে। কখনো কখনো কেউ কথা বললে মনে হয় তার কণ্ঠ যেন বহুদূর থেকে ভেসে আসে। বাইরে মাঠে খেলারত ছেলেদের চিৎকারধ্বনি অর্থহীন কোলাহলে পরিণত হয়।

    তারপর একসময় যুবক শিক্ষক আস্তে চোখ খুলে তাকায়। তার দৃষ্টি ছায়াচ্ছন্ন; কী যেন তার স্মরণ হয়েছে। একটু পর সে কারো সন্ধান করে, ধীরে ধীরে এধার-ওধার তাকায়। অবশেষে তারই বাম পাশে উপবিষ্ট সেদিনের বিজয়ী বক্তার ওপর তার দৃষ্টি থামে। সে আজ নির্বাক। নত মাথায় আঙুল দিয়ে নাক খুঁটতে খুঁটতে গভীর মনোযোগসহকারে সে একটি সংবাদপত্র পড়ে।

    শীঘ্র সে পাতা উল্টাতে খস্থস আওয়াজে ঘরের নীরবতা ভঙ্গ হয়। যুবক শিক্ষক আর দ্বিধা করে না। বক্তাকে প্রশ্ন করে, ‘মেয়েলোকটার সম্বন্ধে কিছু জানা গেছে কি?’

    তার আকস্মিক প্রশ্নে বিশ্রামঘরে অতি ক্ষীণ একটা আলোড়নের সৃষ্টি হয়, যেন শান্ত পানির বুকের ওপর দিয়ে একটা পাখি উড়ে গেল। তারপর কয়েক জোড়া দৃষ্টি তার ওপর নিবদ্ধ হয়।

    সেদিনের খবরবিশারদ প্রথমে যুবক শিক্ষকের প্রশ্নটির অর্থোদ্ধার করতে যেন সক্ষম হয় না। সে কি এর মধ্যে এমন মুখরোচক কথাটি ভুলে গেছে?

    না, তার স্মরণ হয়। বিপরীত দেয়ালের দিকে চোখ মিট্‌মিট্ করে তাকিয়ে নাকে একবার উচ্চ আওয়াজ করে, ডান ঊরুটা চুলকে নেয় বার কয়েক। তারপর সে পাল্টা প্রশ্ন করে, ‘কী জানা যাবে?’

    যুবক শিক্ষকের গলায় ঈষৎ কাঁপন ধরবার উপক্রম করে। সরাসরি প্রশ্নটা করতে তার দ্বিধা হয়। অবশেষে অস্ফুটভাবে কেশে সে বলে, ‘কে তাকে খুন করেছে?’

    ‘ও।’ এবার বক্তার চোখ ক্ষিপ্রগতিতেই মিট্‌মিট্ করতে শুরু করে। তারপর তাতে সামান্য হাসির আভাস জাগে। যুবতী নারীর মৃত্যু সম্বন্ধে সে একটি বিচিত্র খবর দেয়।

    যুবতী নারীর বৃদ্ধা মায়ের বিশ্বাস যে, হতভাগিনীর ওপর জিন-পরীর আছর পড়েছিল। একদিন দুপুরবেলায় উঠানে বসে সে শালীর চুলে উকুন দেখছিল, এমন সময় দীর্ঘকায় সাদা কিছু তার সামনে এসে দাঁড়ায়। মেঘহীন আকাশে সাদা মেঘের মতো, স্তব্ধদিনে দমকা হাওয়ার মতো। কানা শালী কিছু দেখতে না পেলেও তার গায়ে হাওয়া লাগে। তবে কেমন ধরনের হাওয়া যেন। বৃদ্ধা নারী ঘরে ছিল। অকারণে তার বুকটাও কেঁপে ওঠে।

    সেদিন থেকে যুবতী নারীর দশা উপস্থিত হয়। যার একবার দশা হয় সে কি আর বাঁচতে পারে?

    শীঘ্র হাসির ভাবটা মিলিয়ে যায় বক্তার চোখ থেকে।

    ‘কেন?’

    কয়েক জোড়া দৃষ্টি যুবক শিক্ষকের উপর পূর্ববৎ নিবদ্ধ হয়ে থাকে।

    প্রশ্নটি সে শুনতে পায় না। এবার তার মনে পরম স্বস্তির ভাব এলে সে ভাবে, শেষ বাধাটিও অবশেষে দূর হয়েছে। চাষাভূষা মানুষেরাও কথাটা গোপন রাখার প্রয়োজন বোধ করে। এ-বিষয়ে হন্তা-নিহতের মধ্যে কোনো প্রভেদ নাই।

    সন্দিগ্ধ চোখে বক্তা সহযোগীদের সঙ্গে একবার দৃষ্টি বিনিময় করে আবার বলে, কেন?’

    ‘এমনি।’ যুবক শিক্ষক কোনোপ্রকারে উত্তর দেয়। তারপর সে মাথা নত করে। মুখে ভারি কিছু নেবেছে যেন, ঠোঁটের পাশটাও কেমন বিকৃত হয়ে উঠেছে। স্বস্তির ভাবটা হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে গেছে।

    তারপর হঠাৎ ঝড়ের মতো তর্কবিতর্ক শুরু হয়। হাসিভরা চোখে বক্তা যে-কথাটি বলেছিল, সে-বিষয়ে অনেকের মৌলিক কিছু বলবার আছে।

    তারপর যুবক শিক্ষক তার হাত দুটি টেবিলের তলায় লুকায়। তার ভয় হয়, হয়তো তার হাত কাঁপতে শুরু করবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার
    Next Article বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026
    Our Picks

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026

    সংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }