Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026

    সংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ এক পাতা গল্প174 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চাঁদের অমাবস্যা – ৪

    চার

    দু’বছর ধরে বড়বাড়ির বাইরের ঘরে বসবাস, তবু কাদেরের সঙ্গে মুখামুখি হবার সুযোগ কমই হয়েছে। মুখামুখি হলেও কথালাপ হয় নাই। তবু তার সম্বন্ধে যুবক শিক্ষক কখনো কখনো গভীর কৌতূহল বোধ করেছে। হয়তো তার সম্বন্ধে দাদাসাহেবের খেয়ালটির কোনো ভিত্তি নাই, তবু দরবেশী ব্যাপারে কে নিশ্চিত হতে পারে?

    আজ রাতে যুবক শিক্ষক শান্তচিত্তে তাকে ভালো করে চেয়ে দেখে। খাটো মানুষ, কিন্তু বংশজাত চওড়া হাড়। কালো রং, চেহারার গঠন ধারালো। তবে তার চেহারায় দুটি জিনিস শীঘ্র চোখে পড়ে। প্রথমত, তার অর্ধ-নিমীলিত চোখ। সে যেন নিদ্রা-জাগরণের মধ্যে কোথাও সর্বদা বিরাজ করে। নিদ্রাবিষ্ট চোখের প্রভাব তার সারা মুখেও বিস্তারিত। দ্বিতীয়ত, তার মাথায় চুলের বাহার। তেল-চকচকে মাথায় সযত্নে সিঁথি কাটা, একটি চুলও অস্থানে নাই। তার অর্ধঘুমন্ত মুখে সে চুলের বাহার কেমন বেমানান মনে হয়।

    কাদের মশারি সরিয়ে যুবক শিক্ষকের বিছানার একপ্রান্তে বসে। তার অর্ধ-নিমীলিত ছোট টেবিলে স্থাপিত লণ্ঠনের ওপর নিবদ্ধ। কেমন মনে হয়, যুবক শিক্ষকের এ-সূক্ষ্ম পরীক্ষা সম্বন্ধে সে সচেতন এবং এ-পরীক্ষায় তার আপত্তি নাই। বরঞ্চ স্ব-ইচ্ছায়ই যেন সে তার পরীক্ষাধীন হয়েছে। কয়েক মুহূর্তের জন্যে যুবক শিক্ষকের ভয় হয়, কানে আবার ঝাঁঝ ধরবে বুঝি। ভাগ্যবশত, কাদের এমন সময় একটু নড়ে ওঠে। হয়তো সে বুঝতে পারে, পরীক্ষা শেষ হয়েছে। আলগোছে সে এধার-ওধার তাকায়। টেবিলের ওপর দু-একটা বইয়ের ওপর তার নজর পড়ে। কিন্তু ক্ষণকালের জন্য। অবশেষে লণ্ঠনের ওপরই তার দৃষ্টি ফিরে আসে।

    শীঘ্র যুবক শিক্ষক অস্বস্তি বোধ করতে শুরু করে। একই বাড়িতে দু-বছর বসবাস করে যার সঙ্গে কখনো কথালাপ হয় নাই এবং যার সঙ্গে গত রাতে অতি বিচিত্র অবস্থার মধ্যে সাক্ষাৎ হয়েছিল, গভীর রাতে তার এ আগমন এবং আগমনের পরেও তার গভীর নির্বাকতা বেশিক্ষণ স্বচ্ছন্দচিত্তে গ্রহণ করা মুশকিল। কী জন্যে সে এসেছে? তার সম্বন্ধে যুবক শিক্ষকের মনে যে একটি অদ্ভুত সন্দেহ জেগেছিল, সে সন্দেহটি দূর করতে এসেছে কি? তার সন্দেহটি কাদেরকে হয়তো সারাদিন পীড়া দিয়েছে।

    একটা অস্পষ্ট সহানুভূতিতে যুবক শিক্ষকের মন আর্দ্র হয়ে ওঠে। কিন্তু নীরব লোকটিকে কী বলবে বুঝে পায় না। মনে সন্দেহটা কেটেছে বলে কথাটা ভাবতেই মনে লজ্জা আসে। তার পক্ষে সে কথা তোলা সহজ নয়।

    অবশেষে নীরবতা ভঙ্গ করে কাদের কিছু বলে ওঠে। যুবক শিক্ষক তার কথাটা ঠিক ধরতে পারে না। কেবল কাদের কথা বলেছে বলে একটা স্বস্তির ভাব বোধ করে। নম্রকণ্ঠে সে প্রশ্ন করে, ‘কী বললেন?’

    কাদেরের দৃষ্টি পূর্ববৎ লণ্ঠনের ওপর নিবদ্ধ। একটু চুপ থেকে সে কেমন খনখনে গলায় বলে, ‘তোতারী কিংখাবের কথা বলছিলাম।’

    আরেকটি বিসদৃশ জিনিস : খনখনে গলা। মুখের সঙ্গে মানায় না!

    ‘তোতারী কিংখাব?’

    ‘শোনেন নাই?’

    গলা আরো নম্র করে যুবক শিক্ষক উত্তর দেয়, ‘না।’

    ‘পুরোনো আমলের জিনিস। সিন্দুকে তালাবন্ধ থাকে।’

    যুবক শিক্ষক বোঝে, উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত কোনো মূল্যবান বস্তুর কথা কাদের বলছে, কিন্তু সে কথার আকস্মিক উত্থাপনের অর্থ সে বোঝে না। হঠাৎ তার সন্দেহ হয়, গত রাতের ঘটনা বা তার প্রতি যুবক শিক্ষকের যে সন্দেহ জেগেছিল, সে ঘটনা বা সে-সন্দেহ তার আগমনের কারণ নয়। তাদের বংশের তোতারী কিংখাবের কথাও যে তাকে বলতে এসেছে, তা নয়। কাদের নিঃসঙ্গ মানুষ। গত রাতে বিচিত্র অবস্থার মধ্যে তাদের সাক্ষাৎ হলে হঠাৎ সে কি তার প্রতি একটা বন্ধুত্ব-ভাব বোধ করতে শুরু করেছে?

    ‘দামি জিনিস হবে।’ অবশেষে যুবক শিক্ষক উত্তর দেয়। সে যে তোস্তারী কিংখাবের মূল্য বুঝতে পেরেছে সে-কথা কাদের উপলব্ধি করেছে কিনা তাই দেখবার জন্যে তার দিকে একবার তাকায়। কাদের তার দৃষ্টি লক্ষ করে না। কয়েক মুহূর্ত নির্বাক থাকার পর যুবক শিক্ষক ভাবে তাকে প্রশ্ন করবে তোস্তারী কিংখাব আসলে কী জিনিস, এমন সময় কাদের হঠাৎ উঠে দাঁড়ায়। একটু ইতস্তত করে অবশেষে খনখনে গলায় বলে, ‘চলেন যাই।’

    যুবক শিক্ষক সহসা কোনো উত্তর দিতে সক্ষম হয় না। শেষে শুষ্ককণ্ঠে প্রশ্ন করে, ‘কোথায়?’

    ‘এখনো বাঁশঝাড়ে পড়ে আছে। কেউ খবর পায় নাই।’

    কথাটি এমন সাধারণ শোনায় যেন তা যুবক শিক্ষকের মনে তৎক্ষণাৎ কোনো প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে না। তারপর হঠাৎ কাদেরের কথার মর্মোদ্ধার করার আগেই যেন একটা দুর্বোধ্য স্রোত প্রবলবেগে এসে তাকে স্থানচ্যুত করে। দুপুরবেলা থেকে তার মনে দুনিয়াটা স্বাভাবিক রূপ ধারণ করেছিল। মধ্যরাতে তার ঘরে কাদেরের উপস্থিতিও সে যে শুধু স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করেছিল তা নয়, তাদের কেমন বন্ধুত্বের আভাস পেয়ে তার মন উষ্ণ হয়ে উঠেছিল। কাদেরের প্রস্তাবে এবার সব ধূলিসাৎ হয়ে যায়। না, সে কিছুই বুঝতে পারছে না।

    যুবক শিক্ষকের উত্তর দিতে দেরি হচ্ছে দেখে কাদের আবার বলে, ‘বাঁশঝাড়ে জন্তু-জানোয়ার আসে।’

    যুবক শিক্ষক তখন লণ্ঠনের দিকে মুখ ফিরিয়ে বসে। এবারও সে কোনো উত্তর দিতে সক্ষম হয় না। সে কী উত্তর দেবে? মনটা তার কেমন ঘোলাটে হয়ে উঠেছে। কী একটা কথা ধরবার চেষ্টা করে বলে সারা মনে প্রচণ্ড আলোড়ন হয় কিন্তু কথাটি শুধু কাদায় নয়, লতাপাতা-আগাছায়ও জড়িয়ে আছে।

    ‘চলেন।’ আরেকটু অপেক্ষা করে কাদের আবার বলে। চলার ভঙ্গি করে বলে তার জুতায় একটু শব্দ হয়।

    যুবক শিক্ষক বুঝতে পারে, তার পক্ষে চুপচাপ বসে থাকা সম্ভব নয়। কাদেরের প্রস্তাবটি বুঝতে না পারলেও সেটিকে উপেক্ষা করার ক্ষমতা তার নাই। সত্যাসত্য, সাধারণ-অসাধারণ, উচিত-অনুচিত বিচার করাও যেন আর সম্ভব নয়। মনের কথাটি উদ্ধার করবার চেষ্টায় শুধু শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে, শরীরে কোথাও কাঁপনও ধরেছে।

    তবু সাহসের জন্যেই যেন বিহ্বল দৃষ্টিতে কাদেরের দিকে তাকায়। তার মুখের পাশটা কেবল দেখতে পায়। কপালটা খাড়া, কিন্তু অর্ধ-নিমীলিত চোখে বেদনার আভাস। তার মুখে ভীতিজনক কোনো ছায়া তো নাই-ই বরঞ্চ তাতে অতি নিরীহ, এমনকি একটু অসহায় ভাবও। বিস্মিত হয়ে সে কতক্ষণ তার দিকে তাকিয়ে থাকে।

    অকস্মাৎ যুবক শিক্ষক যন্ত্রচালিতের মতো উঠে দাঁড়ায়। ঘরের কোণে খড়ম ছেড়ে পাম্প-সু পরে, টেবিলের ওপর লণ্ঠনটা নিভিয়ে দেয়। কাদের তখন খোলা দরজার সামনে দাঁড়িয়ে। বাইরে উজ্জ্বল চন্দ্রালোকের জন্যে চৌকাঠের মধ্যে তার শরীরের ছায়া জেগে উঠেছে। মুহূর্তের মধ্যে সে যেন অন্য মানুষে রূপান্তরিত হয়েছে। যুবক শিক্ষক কিন্তু তার দিকে আর স্পষ্টভাবে তাকায় না।

    সন্ধ্যার পর ঝড়-বৃষ্টি হয়েছিল, কিন্তু এখন চাঁদ আর ছিটেফোঁটা কয়েকটা তারা ছাড়া সম্পূর্ণ আকাশ শূন্য। স্থানে স্থানে মাটি ভেজা, গাছের সিক্ত পাতায় আলোর ঝলকানি। যুবক শিক্ষক কোনো দিকে তাকাবার প্রয়োজনও বোধ করে না। চতুর্দিকে অন্ধকার দেয়াল, যে-দেয়ালের জন্যে বাস্তব জগতের সঙ্গে হঠাৎ তার সমস্ত সংযোগ ছিন্ন হয়ে পড়েছে। অন্যান্য দিনের মতো সে আজও সুপরিচিত পথে চলেছে কিন্তু যে-অবাস্তব জগতে সে প্রবেশ করেছে সে-জগতের সঙ্গে সত্যিকার পারিপার্শ্বিকতার কোনো সম্বন্ধ নাই। তার পরিচিত জগৎ সে যে আর দেখতে পায় না তাতে তার দুঃখ হয় না, বরঞ্চ তাতে সে স্বস্তিই পায়। তবে এমন স্বচ্ছন্দতার সঙ্গে সে-জগৎ পরিত্যাগ করতে পেরেছে বলে মনে একটু বিস্ময় হয়। যে-দুর্লঙ্ঘ্য প্রাচীরবেষ্টিত জগতের মধ্যে মানুষ আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা, তার আলিঙ্গন থেকে এত সহজেই যে মুক্তিলাভ করা সম্ভব সে-কথা সে জানত না। চোখের পলকেই সে তার সীমানা অতিক্রম করেছে। এ-নূতন জ্ঞান শীঘ্র তার মনে একটা বিচিত্র নেশার সৃষ্টি করে। ক্ষণকালের জন্যে তার হৃদয়ে কম্পন উপস্থিত হয়। ভয়ে নয়, কেমন একটা উত্তেজনায়। বাঁশঝাড়ে মৃতদেহের কাছে নয়, সে যেন অভিসারে চলেছে।

    খানিকটা পথ গিয়ে তারা লাঙ্গল-দেয়া ক্ষেতের পাশে আইল পথ ধরে। পাশে ছোট সেচনী-নালা। একটু দূরে রাতে পরিত্যক্ত সেঁউতি নজরে পড়ে। মনে হয়, একটি মানুষ হাত বাড়িয়ে উবু হয়ে বসে আছে। সেদিকে একবার দৃষ্টি দিয়ে কাদের আস্তে বলে, ‘সেকালে তোতারী কিংখাব বড় মশহুর ছিল।’

    পাশে ক্ষুদ্র নালায় স্বচ্ছ আকাশের প্রতিবিম্ব। নিঃশব্দ রাতে তাদের দু-জনের পায়ের শব্দ। তারা দ্রুতপায়ে চলে। একটু পরে কাদেরের উক্তিটা যুবক শিক্ষকের কানে পৌঁছায়। উক্তিটি অর্থহীন মনে হয়, তবু তাতে সে বিস্ময় বোধ না করে বরঞ্চ স্বস্তিই বোধ করে। অবাস্তব জগতে প্রবেশ করেও বাস্তব জগতের সঙ্গে সম্বন্ধ যে একেবারে ছিন্ন হয় নাই, কোথাও যে দুটির মধ্যে একটি অদৃশ্য বন্ধন আছে, উক্তিটি সে-কথাটাই যেন ঘোষণা করে। তাই মনে স্বস্তি আসে। অবাস্তব জগৎও নেহাত স্বাভাবিক। তাতে কিছু অসাধারণত্ব নাই। দুটি যেন একই মুদ্রার এপাশ-ওপাশ।

    সে-বিষয়ে আশ্বস্ত হলে একটু আগে যে-নেশা এসেছিল সে নেশা কাটে। পরক্ষণেই তার মনে একটি প্রশ্ন আসে, কোথায় যাচ্ছে সে? উত্তরের জন্যে সে কাদেরের দিকে চোরা- দৃষ্টিতে একবার তাকায়। অভ্যাসবশত বাঁ-হাত স্থির রেখে ডান-হাত সজোরে দুলিয়ে তার সঙ্গী পূর্ববৎ দ্রুতপায়ে হাঁটে, দৃষ্টি সামনের পথে নিবদ্ধ। সে জানে কোথায় সে যাচ্ছে।

    শীঘ্র যুবক শিক্ষক নিঃসঙ্গ বোধ করতে শুরু করে। একটা নিদারুণ বেদনায় বার-বার ভেতরটা মুচড়ে ওঠে। অকারণেই যেন কতগুলি অর্থহীন ঘরোয়া চিত্র তার মনের পর্দার ওপর দিয়ে ভেসে যায়। তার গ্রামের মুদির দোকানের ফেনি বাতাসা, ঘরের পেছনে শেওলা পড়া ছায়াচ্ছন্ন পুকুর, পড়শীর নূতন বেড়া। তার বর্তমান যাত্রার পরিণাম তার কাছে প্রত্যক্ষগোচর হয় না বলে হয়তো তার ভীত মন পশ্চাতের পরিচিত স্থানে খুঁটি গাড়তে চায়। অথবা যা সে পেছনে ফেলে যাচ্ছে তার মূল্য নিরূপণ করবার চেষ্টা করে। হয়তো এখনো ফিরবার সময় আছে। যা সে ফেলে যাচ্ছে তার সে মূল্য জানে না কিন্তু সেখানেই তার প্রত্যাবর্তন করা উচিত। জীবনের মূল্য কি কেউ কখনো সঠিকভাবে বুঝতে পারে? মানুষ সর্বদা, জ্ঞাতসারে বা অজ্ঞাতসারে, জীবনের মূল্য নিরূপণ করার চেষ্টা করে কিন্তু সক্ষম হয় কি? কী দিয়ে ওজন করে তুলনা করে? স্বর্ণকারের নিক্তিতেও তার মূল্য যাচাই করা যায় না। তার মূল্য নিরূপণের কোনো মানদণ্ড নাই।

    যুবক শিক্ষক কাদেরের দ্রুতগতিতে তাল দিয়ে চলে কিন্তু তার সঙ্গীর সাবলীলতা নাই তার পদক্ষেপে। কাদের জানে যাত্রার কারণ, সে জানে না। অর্ধ-নিমীলিত চোখেও কাদের সবকিছু দেখে, যা সে সম্পূর্ণ খোলা দৃষ্টিতেও দেখতে পায় না। কিন্তু দেখার কী আছে? না দেখাতেই নিরাপত্তা। শীঘ্র কল্পনায় সে শত-শত চোখ দেখে : হাটে-বাজারে, পথে-ঘাটে, ক্ষেত-খামারে। তার বিশ্বাস হয়, সবারই চোখ আছে কিন্তু কেউ কিছু দেখে না। সবাই তাই অতল গহ্বরের প্রান্তে দাঁড়িয়েও নিরাপদ বোধ করে।

    একটু পরে যুবক শিক্ষকের মনটা পরিষ্কার হয়ে ওঠে। চারধারে চাঁদের আলো ঝকঝক করে। না, সে দেখতে না পেলেও সামনে অতল গহ্বর নাই। পাশে কাদেরের নিঃশঙ্কচিত্ত ও সে যেন স্পর্শ করতে পারে।

    তবু শীতের রাতেও তার কপালে ঘামের আভাস দেখা দেয়।

    .

    বাঁশঝাড়ে প্রবেশ করার আগে কাদের একবার থমকে দাঁড়ায়। শান্তভাবে এদিক-ওদিক তাকায়, পাশে যুবক শিক্ষক সম্বন্ধে সজ্ঞান বলে মনে হয় না। তারপর সে দৃঢ়পদে বাঁশঝাড়ের মধ্যে প্রবেশ করে। অপ্রশস্ত পথ, পাশাপাশি দুজন মানুষের পক্ষে চলা সম্ভব নয়। একটি মানুষের গায়েও আঁচড়-খোঁচা লাগে। যুবক শিক্ষকও কাদেরের মতো এধার-ওধার তাকায়, কিন্তু কেন তাকায় তা সে নিজেই জানে না। তারপর পায়ে কেমন জড়তা বোধ করলে সে দাঁড়িয়েই থাকে। অনতিদূরে নদী দেখা যায়। নদীর বুকে কুয়াশা। বাঁশঝাড়ে কাদেরের আওয়াজ শোনা যায় কিন্তু সেদিকে কান দেয় না। সে যে নদীর বুকে কুয়াশা দেখতে পায় তাতেই সে সন্তুষ্ট। উদ্দেশ্যহীনভাবে সে উরুর কাছে চুলকাতে শুরু করে এবং মনে হয় একবার হাই তুলবে।

    বাঁশঝাড় থেকে কাদেরের অনুচ্চকণ্ঠ শোনা যায়।

    ‘কোথায় আপনি?’

    যুবক শিক্ষক উত্তর দেয় না। উত্তর দেবার চেষ্টা করে বটে কিন্তু ভেতর থেকে উঠে এসেও উত্তরটা মাঝপথে কোথাও হারিয়ে যায়। তারপর কাদের আবার তাকে ডাকে। যুবক শিক্ষক কতক্ষণ আর দাঁড়িয়ে থাকে? এবারও সে উত্তর দেয় না বটে কিন্তু ঝট্ করে বাঁশঝাড়ে ঢুকে পড়ে। সঙ্গে-সঙ্গে শরীরটা অবশ হয়ে ওঠে, চোখের সামনে নিবিড় অন্ধকারটিও আবার নাবে। আজও বাঁশঝাড়ে হাল্কা অন্ধকার, দেখতে চাইলে সব দেখা যায়, কিন্তু সে আর কিছুই দেখতে পায় না। একটি দুর্বোধ্য কিন্তু দুর্লঙ্ঘ্য আদেশে অন্ধের মতো সে এগিয়ে যায়।

    তারপর বাঁশঝাড়ে সে কাদেরকে সাহায্য করে, কিন্তু কিছু না দেখে কিছু না অনুভব করে। সময় দীর্ঘ ঢেউয়ের মতো ধীরে-ধীরে বয়ে যায়, চোখের অন্ধকার আরো নিবিড় কালো হয়, তার সমস্ত জ্ঞানেন্দ্রিয় শিল-পাথরের মতো স্তব্ধ হয়ে থাকে। সাবধানতা সত্ত্বেও বাঁশঝাড়ে নানাবিধ শব্দ হয়, প্রভূত বাধাবিপত্তির সৃষ্টি হয়। যুবক শিক্ষক সে-সব শব্দের বা বাধাবিপত্তির কারণ বোঝে না, বোঝার তাগিদও বোধ করে না।

    একবার কাদেরের কণ্ঠস্বর তার কর্ণগোচর হয়। অনুচ্চ কণ্ঠ, তবু সন্দেহ থাকে না যে যুবক শিক্ষককে সে তিরস্কার করে।

    ‘শক্ত করে ধরেন না কেন?’ সে বলে।

    কী সে শক্ত করে ধরবে? তার হাতে দুই খণ্ড হিমশীতল কাঠ। কিন্তু নিজের হাত দুটিও কাঠের মতো প্রাণহীন মনে হয় তার কাছে। তবু যতটা পারে ততটা শক্ত করে ধরে।

    আবার কাদেরের গলা কোত্থেকে ভেসে ওঠে। তখন কালোস্রোতে যুবক শিক্ষক ভাসছে। কাদেরের কণ্ঠ অনেক দূরে অজানা কোনো পানির জন্তুর মতো লাফিয়ে ওঠে। যুবক শিক্ষক হিমশীতল কাঠ দুটি প্রাণপণে আঁকড়ে ধরে।

    ‘কোথায় যাচ্ছেন?’ আবার কাদেরের গলা। কাছাকাছি কোথাও সে-গলা ঝনঝন করে ওঠে।

    উত্তরে যুবক শিক্ষক ব্যথার অস্ফুট আওয়াজ করে, কারণ তার পশ্চাদ্ভাগে সূক্ষ্মাগ্র কিছু বিদ্ধ হয় যেন। ত্রস্তগতিতে অন্যদিকে মোড় নিলে বাঁশঝাড় তাকে সহস্র হস্ত দিয়ে আলিঙ্গন করে। ফলে বিদ্যুদ্বেগে একটি নিদারুণ ভয় তাকে এবার আঁকড়ে ধরে। তারপর সে-ভীতির জন্যেই হয়তো সে ক্ষণকালের জন্যে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পায়। বাঁশে আলোয়ান আটকে গেছে। একহাতে মৃত নারীর পা-দুটি ধরে সে বিষম বেগে আলোয়ানটা ছাড়িয়ে নেয়। হিংস্র জন্তুর মুখগ্রাস থেকে সে যেন হাত ছিনিয়ে নেয়। সারা বাঁশঝাড় কেঁপে ওঠে।

    কয়েক মুহূর্ত পরে অত্যাশ্চর্য একটি ঘটনা ঘটে। হঠাৎ উজ্জ্বল জ্যোৎস্নালোকে যুবক শিক্ষকের মুখ ভেসে যায়। সে অবশেষে দীর্ঘ গুহা অতিক্রম করে আলোতে পৌঁছেছে। কিছুটা বিহ্বল হয়ে দাঁড়িয়ে পড়লে কাদের তৎক্ষণাৎ ভর্ৎসনা করে ওঠে। কাতরকণ্ঠে যুবক শিক্ষক উত্তর দেয়, ‘কোন্ দিকে যাব?’

    তারা নদীর দিকে চলতে শুরু করে। কাদের নির্বাক। দূরে গ্রামে একটা কুকুর ঘেউ-ঘেউ করে, কোথাও একটা রাত জাগা পাখি নিঃসঙ্গ কণ্ঠে ডেকে ওঠে। যুবক শিক্ষকের মুখ দিয়ে দরদর করে ঘাম ঝরে। অতি নিকটে পরিচিত আওয়াজ শুনতে পেলে প্রথমে কিছুটা বিস্মিত হয়, তারপর বোঝে সে-আওয়াজ তাদের উচ্চ শ্বাস-প্রশ্বাসের। তার মনে হয়, তারা যেন বিক্রয়সামগ্রী নিয়ে হাট-বাজার অভিমুখে ধাবমান দুটি মানুষ, দিগন্তে সকালের তির্যক সূর্যালোক। তারা হাঁপাচ্ছে। পথে অশেষ ধুলা।

    নদীর খাড়া পাড় দিয়ে নাবতে শুরু করে যুবক শিক্ষক ভয়ে নিথর হয়ে পড়ে। তার মনে হয়, সে হুমড়ি খেয়ে পড়বে। নিচে আবার অতল গহ্বর।

    ‘কী হল?’ কাদের অনুচ্চকণ্ঠে হুমকি দিয়ে ওঠে।

    যুবক শিক্ষক চোখ খুলবার আপ্রাণ চেষ্টা করে হাল ছেড়ে দিয়ে কান্নাকাতর স্বরে বলে, ‘কিছু দেখতে পাচ্ছি না।’

    কিন্তু অতল গহ্বরের প্রান্তে চোখ আপনা থেকেই খোলে। অবশেষে অসীম শক্তি প্রয়োগ করে যুবক শিক্ষক তার দৃষ্টিকে কেন্দ্রীভূত করে। খাড়া পাড় অত খাড়া নয়। অদূরে একটু সমতল স্থানের পর পানি অস্ফুট শব্দে ছলছল করে। তারপর সে মুখটি দেখে। কাদের তার মুখ ঢেকে দিয়েছিল কিন্তু এক সময়ে আঁচলটি সরে গেছে! তার উন্মুক্ত মুখে চাঁদের পূর্ণ আলো।

    নিচে নেবে যুবক শিক্ষক এবার হুমড়ি খেয়ে পড়ে। চাপাস্বরে কাদের আবার ভর্ৎসনা করলে সে উঠবার চেষ্টা করে, কিন্তু পারে না। দেহে একবিন্দু শক্তি আর নাই। হাড়-মাংস গলে নিঃশেষ হয়ে গেছে! যুবক শিক্ষক আর ওঠে না। কাদেরের ভর্ৎসনায় কানও দেয় না।

    কিছুক্ষণ পরে একাকী কাজ শেষ করে কাদের যখন নিঃশব্দে তার পাশে এসে দাঁড়ায়, তখন তার কিছু সম্বিত ফিরেছে। সে নিঃসাড় হয়ে পড়ে থেকে তার কণ্ঠস্বরের জন্যে অপেক্ষা করে। কাদের কিছু না বললে সে ধীরে-ধীরে উঠে বসে। তারপর একবার এক পলকের জন্যে মুখ তুলে তাকায় তার দিকে। কোমর পর্যন্ত তার কাপড় ভিজে জবজব করছে। সে তার দিকে তাকিয়ে আছে বলে তার মুখটা অন্ধকারে ঢাকা। তারপর অস্পষ্টভাবে তার চোখ সে দেখতে পায়। সে-চোখে যেন পরম ঘৃণার ভাব। কাদেরের পায়ের তলে সে যেন ঘৃণ্য বস্তু, শিরদাঁড়াহীন নপুংশক কীটপতঙ্গ কিছু।

    যুবক শিক্ষক মন্থরগতিতে প্রবাহিত শীতের শীর্ণ নদীর দিকে তাকায়। জ্যোৎস্না তার বুকে রূপালি আলোয় ঝলমল করে। এখন তাতে কুয়াশার কোনো চিহ্ন নাই। সত্যিই সে কি কুয়াশা দেখেছিল? নদীর বুকে কিছুই নাই। একবার দূরে একটা শিশুক মাছ ভেসে উঠে পরক্ষণেই আবার ডুবে যায়। ওপারে শুভ্র কাশবন স্বপ্নের মতো বিস্তারিত হয়ে ধবধব করে। পানির অস্ফুট কলতান ছাড়া চারধারে প্রগাঢ় নীরবতা।

    একটু পরে কাদের নিঃশব্দে সরে গিয়ে পাড় বেয়ে উঠে অদৃশ্য হয়ে যায়। যুবক শিক্ষক মুখ ফিরিয়ে দেখে, কাদের নাই। কোনো কথা না বলে সে চলে গেছে। কোনো কথা, কোনো ব্যাখ্যার যেন প্রয়োজন ছিল না। শূন্য পাড়ের দিকে তাকিয়ে যুবক শিক্ষক কতক্ষণ হতবাক হয়ে বসে থাকে। তারপর কোথেকে একটা ক্রোধ এসে তার সারা মন ভরে দেয়। সে-ক্রোধের কারণ না বুঝলেও তার সন্দেহ থাকে না যে, ক্রোধটা ন্যায্য। তারপর এক সময় সে-ক্রোধ নিঃশেষ হয়ে গেলে সে অতিশয় নিঃসঙ্গ বোধ করে।

    পাড় বেয়ে ওঠার আগে যুবক শিক্ষক শেষবারের মতো নদীর বুকে দেহটাকে খুঁজে দেখে : কিন্তু কোথাও তার চিহ্ন নাই। তারপর একটি অপ্রীতিকর কথা স্মরণ হলে সে পানির ধারে গিয়ে কাদা মেখে প্রবলভাবে হাত সাফ করে। সে কাজ সম্পন্ন হলে সে আলোয়ানটা ভালো করে গায়ে জড়িয়ে তীরে উঠে বাড়ি অভিমুখে রওনা হয়।

    নদীর শূন্য বুকের মতো তার বুকও শূন্যতায় খাঁ খাঁ করে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার
    Next Article বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026
    Our Picks

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026

    সংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }