Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026

    সংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ এক পাতা গল্প174 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চাঁদের অমাবস্যা – ৮

    আট

    এক সময়ে দরজায় করাঘাত শুরু হয়। প্রথমে আস্তে, সন্তর্পণে; তারপর হঠাৎ সে- করাঘাত কেমন দ্রুত এবং জোরালো হয়ে ওঠে। নিঃসন্দেহে বাইরে-দাঁড়ানো মানুষটি ধৈর্যহারা হয়ে পড়েছে।

    যুবক শিক্ষকের ঘুমটা আলগোছে ভাঙে বলে তার মনে হয় সে জেগেই ছিল। করাঘাতে সে বিচলিত হয় না : সে-করাঘাত বিরক্তিকর কিন্তু তার দরজায় নয় যেন। অন্ধকারের মধ্যে চোখ খুলে পাশের দেয়ালের দিকে সে তাকিয়ে থাকে। সেখানে সূক্ষ্ম কারুকার্যের নক্শা কখন অদৃশ্য হয়ে গেছে।

    তারপর কাদেরের কণ্ঠস্বর এবং করাঘাত যুগপৎ শোনা যায়। এবার যুবক শিক্ষক বুঝতে পারে, কোনটা সত্য কোনটা অসত্য, কোনটা বাস্তব কোনটা অবাস্তব সে-বিষয়ে একটা সিদ্ধান্তে আসা প্রয়োজন। কিন্তু সিদ্ধান্তে পৌঁছুবার আগেই তার দেহ একটি গভীর অবসাদে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে, মনে একটা অস্পষ্ট আশঙ্কার উপস্থিতি সম্বন্ধেও সে সচেতন হয়।

    দরজা খুললে বাইরে কাদেরের ছোটখাটো কিন্তু প্রশস্ত দেহটির ছায়া জেগে ওঠে। তাকে উপেক্ষা করেই যেন যুবক শিক্ষক একবার আকাশের দিকে তাকায়। রঙটা ঠিক ধরতে পারে না। না কালো না ধূসর; না আলো না অন্ধকার। সময় নির্ধারণ করা যেন সম্ভব নয়। তারপর শীতটা লাগে বলে দরজাটা ভেজিয়ে দেয়।

    ঘরের অন্ধকারের মধ্যে কাদের অনুচ্চ কিন্তু কেমন হুকুমের কণ্ঠে বলে ওঠে, ‘বাতি জ্বালান।’

    যুবক শিক্ষক নীরবে বাতি জ্বালানোর কাজে মনোনিবেশ করে। প্রথমে দেশলাই খুঁজে পায় না; এখানে- সেখানে হাতড়ায়। অবশেষে দেশলাইটি যখন খুঁজে পায় তখন সে বুঝতে পারে, তার হাত একটু কাঁপতে শুরু করেছে। কিন্তু কেন? সে নিজেই বিস্মিত হয়। এতক্ষণে তার মনে আর কোনো সন্দেহ নাই যে, সে ডাকিয়ে পাঠিয়েছে বলেই কাদের এসেছে। সময়টা হয়তো একটু বেখাপ্পা, কিন্তু তার এ-আবির্ভাবের আর কোনো কারণ নাই।

    লণ্ঠনের মৃদু আলোয় ঘরের অন্ধকারটা অবশেষে কাটে। মশারি সরিয়ে কাদের বিছানার কোণে বসে। একবার তাদের চোখাচোখি হয়। তারপর কাদের কতক্ষণ নিশ্চল হয়ে বসে থেকে অকস্মাৎ আঙ্গুল মট্‌কাতে শুরু করে। দশ আঙ্গুল থেকে দশাধিক আওয়াজ বের করে সে পকেট থেকে সিগারেটের বাক্স বের করে একটি সিগারেট ধরায়। মুহূর্তের মধ্যে তার গন্ধে ছোট ঘরটি ভরে ওঠে।

    যুবক শিক্ষকের মুখে এখনো কথা সরে না। একবার সে ভাবে কাদেরকে জিজ্ঞাসা করে, কত রাত হয়েছে, কিন্তু কথাটি জানা নিষ্প্রয়োজনীয় মনে হয়। তবু তার কেমন সন্দেহ হয়, কাদের অন্য কোনো সময়ে এলেই ভালো হত। তাকে ডেকে পাঠাবার কারণটি সে যেন নিজেই এখন বুঝতে পারে না। তাই হয়তো মনে কেমন ভয়। তার হাত দুটিতে ঈষৎ কম্পন এখনো থামে নাই।

    অসংযত মনকে সংযত করবার চেষ্টা করে সে ভাবে, ভয়ের কিছু নাই। কাদেরকে ডেকে পাঠিয়েছিল, সে এসেছে। সেটাই বড় কথা। যার সঙ্গে দেখা করবার জন্যে এ ক’দিন সে এমন ব্যাকুল হয়ে ছিল, সে এখন দু-হাত দূরে বসে। ভয়ের কারণ কী?

    যে-বিশ্বাসটি নিয়ে সে শুয়ে পড়েছিল, তার কথা একবারও মনে হয় না। সেটি যেন সব-ভুলানো রূপকথা, যার মধ্যে তার বিহ্বল মন একটু শান্তির জন্যে আশ্রয় নিয়েছিল। এখন যে-কঠিন সত্যের সামনে সে দাঁড়িয়ে, সেখানে তার স্থান নাই।

    তবু সত্য কী? যাকে সে ডেকে পাঠিয়েছে সে তাকে ডেকে পাঠানোর কারণ জিজ্ঞাসা করলে কী উত্তর দেবে? ক-দিনব্যাপী মনের গভীর বিপর্যস্ততা সত্যে পরিণত করা কি সম্ভব?

    কাদের কোনো কথা না বললে যুবক শিক্ষক অবশেষে স্বস্তিই বোধ করে। আড়চোখে তার দিকে একবার তাকায়। অভ্যাসমতো লণ্ঠনের দিকে তাকিয়ে সে’ নিশ্চল হয়ে বসে, ভুবনভুবর্লোকে তার যেন কিছুই বলবার নাই। হয়তো কিছুক্ষণ এমনি বসে থেকে এক সময়ে হঠাৎ উঠে চলে যাবে। যুবক শিক্ষক ভাবে, সেটাই ভালো হবে। ব্যাখ্যা-কৈফিয়তের, প্রশ্ন-উত্তরের প্রয়োজন উঠবে না। না, সে কিছুই জানতে চায় না। যে-অন্ধকারাচ্ছন্ন গোলকধাঁধাঁয় সে প্রবেশ করেছে, সে-গোলকধাঁধা হতে সে বের হতে চায় না। অন্ধকারই শ্রেয়, কারণ অন্ততপক্ষে অন্ধকারে সে কিছুই দেখতে পায় না।

    নীরবতার মধ্যে হঠাৎ যেন একটা আওয়াজ হয়। চমকিত হয়ে যুবক শিক্ষক কাদেরের দিকে তাকায়। সে তারই দিকে তাকিয়ে। হাতে খোলা সিগারেটের বাক্স।

    ‘সিগারেট খাবেন?’

    যুবক শিক্ষকের সিগারেটের অভ্যাস নাই। একটু পরে ক্ষুদ্রকণ্ঠে সে উত্তর দেয়, ‘না।’

    কাদের আরেকটি সিগারেট ধরায়। হয়তো কল্পনা, কিন্তু যুবক শিক্ষকের মনে হয়, কাদের কেমন অস্থির অস্থির বোধ করে। কিন্তু তার অর্ধনিমীলিত চোখের দিকে তাকিয়ে অস্থিরতার কোনো আভাস দেখতে পায় না। বরঞ্চ সেখানে যেন গভীর বিষাদের ছায়া। তারপর যুবক শিক্ষক অকস্মাৎ স্বচ্ছন্দ বোধ করতে শুরু করে। না, ভয়ের কোনোই কারণ নাই। বাস্তবজগতে যদি ভীতির কারণ থাকে তা এখন অতি দূরে, দিগন্তরালে কোথাও হবে। তবু দূরগত সে-ভীতি যদি তার মনে বন্ধুত্ব – সান্ত্বনার জন্যে ক্ষুধা সৃষ্টি করে থাকে, তবে কাদেরই তা মেটাতে পারে। হয়তো কাদেরের মনেও বন্ধুত্ব-সান্ত্বনার জন্যে তেমনি ক্ষুধা। সেও কি এ-ক’দিন মানসিক কষ্ট-যন্ত্রণা ভোগ করে নাই? দু-জনেরই বন্ধুত্বের বিশেষ প্রয়োজন। তারা একটি গুপ্তকথার মালিক। সে-গুপ্তকথা একাকী বহন করা যদি কষ্টসাধ্য হয়, তবে বন্ধুত্বের সাহায্যেই তারা তা অনায়াসে বহন করবে, মনের বিহ্বলতাও জয় করতে পারবে।

    লণ্ঠনের পতেটা বাঁকা বলে কাচের একপাশ ক্রমশ কালো হয়ে ওঠে, শীঘ্র তার অনুজ্জ্বল আলো আরো অনুজ্জ্বল হয়ে উঠবে। তারা কি অন্ধকারের জন্যে অপেক্ষা করছে?

    না, সত্যিই সে কিছুই জানতে চায় না। কাদেরের উপস্থিতিতেই সে সন্তুষ্ট। মনে যদি কোনো ইচ্ছা বোধ করে সে-ইচ্ছা কাদেরকে সান্ত্বনা দেবার জন্যে, তাকে তার বন্ধুত্ব সম্বন্ধে নিশ্চিত করবার জন্যে। জীবনে সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস মানুষের সহানুভূতি, সহৃদয়তা, স্নেহমমতা। সে-বিষয়ে নিশ্চিত হলেই মানুষ বিভীষিকা-নিষ্ঠুরতার দিকে নির্ভয়ে তাকাতে পারে।

    একটু হেসে দুঃসাহসীর কণ্ঠে যুবক শিক্ষক সজোরে বলে, ‘দিন্ একটা সিগারেট।’

    সিগারেট হাতে নিয়ে কৌতুকভরে কিছুক্ষণ সেটি নেড়েচেড়ে দেখে, মুখে হাসি-মাখা দুষ্টু ছেলের কৃত্রিম ভাব।

    ‘একবার বিড়িতে দু-একটা টান দিয়েছিলাম।’

    ধূমপানের ব্যাপারে সে যে একেবারে অজ্ঞমূর্খ মানুষ নয়, সে কথা প্রকাশ করে সে আনাড়ির মতো সিগারেটটি জ্বালায়। প্রথম টানেই তার শ্বাসরোধ হবার উপক্রম হয়, তবু সে পিছপা হয় না। মনে হয়, অন্তরটা যেন আরো স্বচ্ছন্দ হয়ে ওঠে। তাছাড়া এ-কথাও সে অনুভব করে যে, দুজনের মধ্যে যেন বন্ধুত্বের পুল পড়ছে।

    ‘মাথা ঘুরছে।’ সে-টি যে অতিশয় আনন্দেরই বিষয় তা কণ্ঠভঙ্গিতে পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দিয়ে এবং তাতে বিন্দুমাত্র না দমে, সে ঘন ঘন ফুঁকতে থাকে : দৃষ্টি সিগারেটের জ্বলন্ত অংশ থেকে নড়ে না। কাদের নীরব হয়েই থাকে। সে-নীরবতা সম্বন্ধে সে সচেতন না হয়ে পারে না।

    ‘ইস, সত্যিই চরকির মতো মাথাটা ঘুরছে।’ আবার মহা-উল্লাসে তার মস্তিষ্কের অবস্থার কথা ঘোষণা করে সে এবার একগাল ধোঁয়া ছাড়ে। মনে-মনে ভাবে, কী করে কাদেরকে এ-কথা বলে যে সত্যিই সে কিছু জানতে চায় না? সত্য হলেও সব স্বপ্ন বলে মেনে নিতে সে রাজি। যা ঘটেছে তা ঘটেছে—তা বিস্মৃতির মধ্যে বিলীন হয়ে গেলে ক্ষতি কী? অন্ততপক্ষে আজ কোনো কথাই সে তুলতে চায় না।

    ‘কী করে রোজ এত সিগারেট খান?’ কৃত্রিম শ্রদ্ধা- বিস্ময়ে যুবক শিক্ষক মন্তব্য করে। কাদের জবাব দেয় না।

    হঠাৎ যুবক শিক্ষক বোঝে, এ ভাঁড়ামিপনা অর্থহীন, তাতে কাদের বিন্দুমাত্র আমোদ বোধ করছে না। আড়চোখে সে আবার তাকায় তার দিকে। তার চোখ প্রায় নিমীলিত। তবে তার কারণ যে নিদ্রা নয়, তা বুঝতে তার দেরি হয় না। কাদেরের মুখে একটি অস্বাভাবিক কাঠিন্য।

    কাদের কি তার উৎফুল্লতা এবং ভাঁড়ামিতে বিরক্ত হয়েছে? নিঃসন্দেহে সে একটু ভাঁড়ামি করেছে বটে কিন্তু সে ভাঁড়ামির কারণ আকস্মিক সুখবোধ। তার উৎফুল্লতায় কিছুটা কৃত্রিমতা যদি দেখা দিয়ে থাকে তার কারণ উৎফুল্লতা তার চরিত্রের স্বাভাবিক অঙ্গ নয় : সে জানে না তা কী করে প্রকাশ করতে হয়। অবশ্য সে কাদেরের বিরক্তির কারণ বোঝে। তার বিষাদাচ্ছন্ন মনে এ-মাত্রাহীন ভাঁড়ামি ও উৎফুল্লতা নিশ্চয়ই অত্যন্ত বিসদৃশ ঠেকেছে। উৎফুল্ল হবার কোনোই কারণ নাই। নদীর বুকে যুবতী নারীর দেহটি আবিষ্কার করে তারা কি তার সব পরিকল্পনা পণ্ড করে নাই?

    সিগারেটের কথা ভুলে গিয়ে যুবক শিক্ষক কতক্ষণ নিশ্চল হয়ে বসে থাকে। ঘরে প্রগাঢ় নীরবতা। সে-নীরবতার মধ্যে এবার যুবক শিক্ষকের মনে হয়, বিভীষিকাময় যে-অবাস্তব জগৎ থেকে সে মুক্তি পেয়েছে বলে কল্পনা করেছিল, সে- অবাস্তব জগৎ‍ই তার চারধারে পূর্বের মতোই তাকে ঘিরে আছে। গভীর হতাশার সঙ্গে সে ভাবে, সত্যিই সে কিছুই জানতে চায় নাই। এখনো সে জানতে চায় না। কাদের যদি তাকে তার বন্ধুত্বের সামান্য প্রমাণ দিত তবে ভাঁড়ামির কোনো প্রয়োজন বোধ সে করত না। কাদের কি বুঝতে পারে না বন্ধুত্বের জন্যে তার মনের এ তীব্র আকাঙ্ক্ষা? পরিকল্পনাটি নিঃসন্দেহে কাদেরেরই, তবু তার সংসাধনকার্যে পরম-বিশ্বাসীর মতো দ্বিরুক্তি না করে তাকে কি সে সাহায্য করে নাই? কিন্তু শুধু বিশ্বাসেই দিন কাটানো যায় না। কিছু পরিষ্কারভাবে না জেনে একাকী সে-ভার কী করে সে বহন করে? সে-ভার ক্রমশ আরো দুর্বিষহ হয়ে উঠবে।

    কেমন কঠিন গলায় কাদের হঠাৎ ডাকে, ‘মাস্টার!’

    এ-নামে সে যুবক শিক্ষককে কখনো ডাকে নাই। বস্তুত আজ পর্যন্ত কোনো নামেই সে তাকে সম্বোধন করে নাই। চমকিত হয়ে সে কাদেরের দিকে তাকায়। তবে সেখানে বন্ধুত্বের ক্ষীণতম আভাস সে দেখতে পায় না।

    তারপর এক মুহূর্তের জন্যে কাদেরের চোখ যেন ঝলকে ওঠে। পূর্ববৎকণ্ঠে সে আবার বলে, ‘আপনার মতলব কী?’

    প্রশ্নটি যেন আকাশ থেকে পড়ে, বিনামেঘে বজ্রপাতের মতো। তার মতলব? বিস্ময়ের ধমকটা কাটলে সে অনুচ্চস্বরে বলে, ‘আমার মতলব?’

    কাদের তার প্রশ্নের কোনো ব্যাখ্যার প্রয়োজন বোধ করে না বলে নীরব হয়ে থাকে। কিন্তু তার ভাব দেখে মনে হয়, সে যুবক শিক্ষকের কাছে এটি অর্থপূর্ণ উত্তর আশা করে।

    যুবক শিক্ষক কোনো উত্তরই খুঁজে পায় না। কাদেরের অপ্রত্যাশিত প্রশ্নটি তাকে যে ব্যথা দিয়েছে, কেবল সে ব্যথাই সে অনুভব করে। অনেক ভেবেও প্রশ্নটির যথার্থ কোনো কারণ দেখতে পায় না।

    কয়েক মুহূর্ত অপেক্ষা করে কাদের একবার এক পলকের জন্যে চোখ খুলে যুবক শিক্ষকের দিকে তাকায়। তারপর আবার প্রশ্ন করে, ‘ডাকাডাকি করতে শুরু করছেন কেন?’

    নুতন প্রশ্নটিও যুবক শিক্ষক নীরবে শোনে। অতি সহজবোধ্য প্রশ্ন, তবু তারও অর্থ সে বুঝতে পারে না। তবে পূর্বের প্রশ্নের মতো এ-প্রশ্নটিও তাকে আঘাত দেয়। না, তাদের মধ্যে বন্ধুত্বের পুল তো পড়েই নাই, বরঞ্চ তারা প্রশস্ত নদীর দু-পাড়ে দাঁড়িয়ে। পাশে বসে থাকা কাদেরের চেহারাটা হঠাৎ অস্পষ্ট হয়ে ওঠে। না, এ-লোকটিকে সে চেনে না।

    একটু পরে দুর্বলকণ্ঠে সে উত্তর দেয়, ‘ডেকেছি এ কারণে যে আমি কিছুই বুঝতে পারি না।’

    একটু ভেবে কাদের প্রশ্ন করে, ‘কী বুঝতে পারেন না?’

    যুবক শিক্ষকের দুর্বলকণ্ঠের ওপর দিয়ে হঠাৎ দমকা হাওয়া বয়ে যায়। সজোরে মাথা নেড়ে সে উচ্চস্বরে বলে, ‘কিছুই বুঝতে পারি না।’

    এই কথার পুনরাবৃত্তিতে কাদের সন্তুষ্ট হয় না। তার মুখে বিরক্তির ভাব দেখা দেয়। কণ্ঠেও সে বিরক্তি প্রকাশ পায়।

    ‘কী বুঝতে পারেন না?’

    যুবক শিক্ষক এবার বিহ্বল হয়ে পড়ে। সে যেন শক্ত ফাঁদে পড়েছে, যে-ফাঁদ থেকে সে অক্ষতদেহে বের হতে পারবে না। কিছুক্ষণ আগে যার সঙ্গে সে একটা বন্ধুত্বের সম্ভাবনা কল্পনা করে কেবল তার উপস্থিতিতেই সুখবোধ অনুভব করতে শুরু করেছিল, সে-ই তাকে এ-ফাঁদে ফেলেছে। সে বন্ধু না হোক, শত্রু হবে কেন? না, তাকে কিছুই বলা যায় না। যা সে বুঝতে পারে না তা যেন অতি মূল্যবান। তা ব্যক্ত করা যায় না। একটু হাওয়া লাগলেই তা ভেঙে যাবে।

    ‘কথা বলছেন না কেন?’

    আবার কাদেরের কঠিন গলা তার কর্ণগোচর হয়। এবার তার গলায় সে বিচলিত হয় না। কাদেরের প্রশ্নের উত্তর দেবার কোনোই প্রয়োজন সে বোধ করে না। কাদের তার সঙ্গে যেন বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। তার অন্তরটা অভিমান- ক্রোধে জমে যায়।

    নাকে বিরক্তি-ক্রোধের আওয়াজ করে কাদের এবার চুপ হয়ে যায়। তাকে ডেকে পাঠিয়ে যুবক শিক্ষকের এ অদ্ভুত ব্যবহার তার কাছে অর্থহীন মনে হয়।

    কিছুক্ষণ নীরবতার পর কাদেরের মনোভাবে হয়তো কিছু পরিবর্তন হয়। যুবক শিক্ষকের দিকে তাকিয়ে সে আস্তে বলে, ‘শোনেন।’

    যুবক শিক্ষক যে শোনবার জন্যে তৈরি তার কোনো প্রমাণ না পেলেও একটু থেমে আবার বলে, ‘মানুষের জীবনটা অতি ভঙ্গুর। একটুতেও মটকে যায়।’

    এ-গভীর দার্শনিকোচিত উক্তিটি যুবক শিক্ষকের কানে গেল কি গেল না, তা বোঝা যায় না। সে তেমনি স্তব্ধ হয়ে বসে থাকে। একটু থেমে কাদের আবার বলে, ‘একটা দুর্ঘটনা ঘটেছে, কী আর করা যায়? ডাকাডাকি করে আর লাভ কী?’

    এবারও যুবক শিক্ষক নির্বাক হয়ে বসে থাকে। কিন্তু ক্রমশ তার বসে থাকার ভঙ্গিতে পূর্বের অভিমান-ক্রোধের কঠিনতা যেন মিলিয়ে যায়। মনে হয়, সে যেন গভীরভাবে ভাবছে। এমন একটা নিগূঢ় কথা যার রহস্য ভেদ করা তার পক্ষে সম্ভব নয়, তারই রহস্য ভেদ করবার জন্যে আপ্রাণ চেষ্টা করছে। না, ঠিক তা নয়। একটি কথা তার মাথায় ঢোকবার চেষ্টা করছে, তাকে ঠেকিয়ে রাখবার জন্যে আপ্রাণ চেষ্টা করছে। কিন্তু সে-কথাটি তার চেয়েও বেশি শক্তিবান। তাকে ঠেকাবার চেষ্টায় সে কেবল গলদঘর্ম হয়ে ওঠে।

    সে-কথাকে ঠেকানো তার পক্ষে সম্ভব নয়। যে-টুকু শক্তি ছিল সে-শক্তিও নির্বিবাদে অন্তর্ধান করেছে। কী দিয়ে সে তার সঙ্গে লড়াই করবে? লড়াইর ছলনা পরিত্যাগ করতেই গভীর অবসাদে তার দেহমন ভরে ওঠে।

    বাইরে উঠানে মৃদু আলোর আভাস দেখা দিয়েছে। ভেজানো দরজার ফাঁক দিয়ে সেদিকে একবার অকারণে তাকিয়ে কাদের কেমন হৃদ্যতার সঙ্গে বলে, ‘বুঝলেন?’

    যুবক শিক্ষক সবই বোঝে। প্রথম থেকেই সে সব কথা বুঝেছিল, কিন্তু মন স্বীকার করতে চায় নাই। ঘটনার নৈকট্যে তা না বুঝে উপায় ছিল না, কিন্তু কিছু সময় পেরিয়ে গেলে কথাটা মন আর মানতে চায় নাই। তারপর থেকে সে সত্যকে এড়াবার জন্যে বাঁদরের মতো কল্পনার গাছের এক শাখা থেকে অন্য শাখায় ঝুলে ঝুলে বেড়াচ্ছে। সত্যটি গ্রহণ করা কি এত সহজ? একবার গ্রহণ করলে চিরকালের জন্যে জীবনে একটা ফাটল ধরবে না? তারপর কি পৃথিবী সে-ই পৃথিবী থাকবে?

    ‘বুঝেছি।’ অকস্মাৎ ঘন-ঘন মাথা নেড়ে যুবক শিক্ষক বলে।

    বোঝা কি অতই শক্ত ব্যাপার? বোঝা-না-বোঝার মধ্যে ব্যবধান অতি সামান্য। চুলের মতো সরু সীমারেখার ওপারেই সত্য। এধারে আশা-ভরসা, ওধারে হতাশা-নিরাশা। পা বাড়ালেই ওধারে চলে যাওয়া যায়, তবু সে সীমারেখা সে অতিক্রম করতে চায় নাই। সীমারেখাটি যাতে অতিক্রম করতে না হয় তার জন্যে সে কাদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করার চেষ্টা করেছে, তাকে অশেষ গুণাগুণেও আবৃত করেছে যাতে সে-প্রয়াসে সে সফল হয়।

    আবার ঘন-ঘন মাথা নেড়ে যুবক শিক্ষক আপন মনে বলে, ‘কেন বুঝব না? আপনি আমার আত্মীয়-কুটুম্ব বা দোস্ত মানুষও নন, বুঝতে বাধা কী?’ শুধু তা-ই নয়, তার সঙ্গে যুবক শিক্ষকের পরিচয়ও ছিল না। মুখ দেখাদেখি হয়েছে বটে, কিন্তু কখনো কথার আদান-প্রদান হয় নাই। তবু কথাটা সে বিশ্বাস করতে চায় নাই। আত্মীয়স্বজন বা বন্ধ মানুষ না হোক, পরিচয়ও না থাক, একটি মানুষের সম্বন্ধে এমন কথা বিশ্বাস করা কি সোজা?

    যুবক শিক্ষকের আচরণে কাদেরের স্থৈর্য একটু টলে ওঠে যেন। ইতস্তত করে সে বলে, ‘কী বুঝেছেন!’

    ‘বুঝেছি, বুঝেছি।’ আবার যুবক শিক্ষক দ্রুতভাবে মাথা নেড়ে বলে, কণ্ঠে এবার কোনো দুর্বলতার চিহ্ন নাই। সে এ-কথা বুঝে তৃপ্তি পায় যে, বঞ্চনার আঘাতের ফলে মনে যে একটি অসহনীয় তিক্ততার ভাব এসেছিল, সে ভাব এখন ক্রোধে চাপা পড়েছে। এখন ক্রোধ দাউ-দাউ করে জ্বলছে, এবং সে-ক্রোধে সে গভীর তৃপ্তিই পায়। বারবার একটি কথা মনে পড়ে, বারবার সে-ক্রোধ ফুঁসে ওঠে। কী দুঃসাহস! যাকে কাদের হত্যা করেছে, তার দেহ নদীতে ফেলবার জন্যে তারই সাহায্য নিতে তার একটু দ্বিধা হয় নাই? বুকে কত সাহস! শীর্ণদেহ যুবক শিক্ষক আগুনের লেলিহান শিখায় যেন দীর্ঘকায় হয়ে ওঠে, তার রক্তহীন শুষ্ক মুখ যেন অত্যুজ্জ্বল রূপ ধারণ করে। না, শুধু দুঃসাহস নয়। অন্য মানুষের প্রতি কী অবজ্ঞা! যুবক শিক্ষক যেন তুচ্ছ কীটপতঙ্গ। এত ক্রোধ সত্ত্বেও যুবক শিক্ষক নিষ্কম্পকণ্ঠে বলে, ‘আপনার সাহসের সীমা নাই।’

    কাদের কথাটি বুঝবার চেষ্টা করে। তারপর কী বুঝে উত্তর দেয়, ‘ভয় পেলে মানুষ কী না করে? মানুষের গলার আওয়াজ পেলে জ্ঞানবুদ্ধি লোপ পেয়েছিল। বললাম না দুর্ঘটনা? দুর্বল সুতায় জীবন বাঁধা। জীবন কী?’

    যুবক শিক্ষক উত্তর দেয় না। মনে হয় কাদেরের কোনো কথা তার শ্রবণেন্দ্রিয় গ্রহণ করতে রাজি নয়। তার কথার কি আর কোনো মূল্য আছে?

    তার মানসিক অবস্থা দেখে কাদেরের মনে এবার হয়তো কিছু ভয়ের সঞ্চার হয়। তার এ বিচিত্র আচরণের কোনো অর্থই খুঁজে পায় না। কিন্তু যুবক শিক্ষককে আর কী বলবে? সে নীরব হয়ে থাকে।

    ক্রোধ অবশেষে উপশমিত হলে যুবক শিক্ষক কতক্ষণ নিঃস্ব বোধ করে। তারপর অস্ফুটকণ্ঠে বলে, ‘যান, বাড়ি যান।’ কাদেরের উপস্থিতিতে সে ভীষণ অস্বস্তি বোধ করতে শুরু করেছে।

    কাদের যাবার কোনো লক্ষণ দেখায় না। তাকে একটু অন্যমনস্ক মনে হয়। তারপর হঠাৎ সে অপ্রত্যাশিতভাবে কথা বলতে শুরু করে। অনেকটা আপন মনেই। তাছাড়া, কেমন ইশারা-ইঙ্গিতেই বলে যেন। মনের কথা খুলে বলার তীব্র ইচ্ছা বোধ করলেও সব খুলে বলতে যেন বাধে। হয়তো যা বলে তার অর্থ সে নিজেই বোঝে না। প্রথমে সে আশ্বিন মাসের কথা বলে। কেন সে মাসের কথা বলে তা প্রথমে পরিষ্কার ভাবে বোঝা যায় না। কিন্তু একটু নীরব থেকে কথাটি বোধগম্য করে। আশ্বিন মাসেই যুবতী নারীর সঙ্গে তার প্রথম সাক্ষাৎ হয়।

    যুবক শিক্ষক তার কথা শুনেও শোনে না। শুনে লাভ কী? যে-কথাটি সে জানতে পেরেছে তারপর আর কোনো কথা জানার প্রয়োজন সে বোধ করে না। যে-কলুষতা সে সমগ অন্তরে সমগ্র দেহে বোধ করে সে-কলুষতা কোনো কথায় কি কাটবে? তাছাড়া, কাদেরের কণ্ঠস্বর তাকে পীড়া দেয়।

    আশ্বিন মাসের কথাটার উল্লেখ করেই চার মাস ডিঙিয়ে কাদের সেদিনের বাঁশঝাড়ের ঘটনায় এসে পৌঁছায়। হয়তো সে চার মাসে উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটে নাই, ঘটলেও তার আর কোনো মূল্য নাই। বাঁশঝাড়ের কথা বলতে-বলতে তার বলার ভঙ্গিটা কিছু সাবলীল হয়ে ওঠে।

    শীঘ্র তাকে বাধা দিয়ে যুবক শিক্ষক আবার বলে, ‘যান, বাড়ি যান।’

    এবার নীরব হয়ে কাদের কতক্ষণ স্তব্ধ হয়ে থাকে। তারপর কালো মুখে কিন্তু সহিষ্ণুকণ্ঠে বলে, ‘ঘটনাটা বুঝিয়ে বলছি।’

    এ-উক্তিটা যুবক শিক্ষকের অসহ্য মনে হয়। কী তাকে সে বোঝাবার চেষ্টা করছে? যে-কথাটি জানতে চায় নাই বা বিশ্বাস করতে চায় নাই, সে কথা সে জানতে পেরেছে। তারপর বাকি সব কি অর্থহীন নয়? কাদের যে-কথা এখনো পরিষ্কারভাবে বোঝে নাই, সে- কথাই সে এবার তাকে বলে।

    মুহূর্তের মধ্যে কাদেরের মুখে গভীর বিস্ময়ের সঞ্চার হয়। ক্ষিপ্রগতিতে ঘুরে সে কতক্ষণ যুবক শিক্ষকের দিকে বিচিত্র দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। অবশেষে সে প্রশ্ন করে, ‘আপনি জানতেন না?’

    যুবক শিক্ষক উত্তর না দিলেও শীঘ্র কাদেরের মুখ ক্রোধে বিকৃত হয়ে ওঠে, তার স্বাভাবিক গভীর স্থৈর্য ভীষণভাবে টলে ওঠে। সে যে হত্যাকারী সে-কথা যুবক শিক্ষক জানত না? এবং সে-কথা সে নিজেই তাকে বলেছে?

    যুবক শিক্ষক এবার চিৎকার করে ওঠে, ‘যান যান।’ তার মনে হয়, কাদেরের দেহ থেকে কলুষতা সমাপ্তিহীন ধারায় তার মধ্যে প্রবাহিত হচ্ছে, আর তার উপস্থিতি সহ্য করা অসম্ভব।

    কাদের আপন ভাবনায় নিমজ্জিত হয়ে আরো কিছুক্ষণ বসে থাকে। এক সময়ে আর দ্বিরুক্তি না করে সে উঠে চলে যায়। সে কোনোদিকে তাকায় না।

    বাইরে উঠানে তখন সূর্যের প্রথম সোনালি রশ্মি পড়েছে, দূরে মাঠে কুয়াশাও জমতে শুরু করেছে। যুবক শিক্ষক বোধ করে তার গলা-মুখ শুকিয়ে কাঠ হয়ে আছে। অত্যধিক তৃষ্ণায় তার ভেতরটা যেন জ্যৈষ্ঠের রোদপোড়া মাঠের মতো চড়চড় করে।

     ঘরের কোণে সুরাহিতে শীতল পানি। কিন্তু সে নড়ে না।

    আপন মনে সে প্রশ্ন করে, অবশেষে সে কি অবাস্তব জগৎ থেকে প্রত্যাবর্তন করেছে?

    বাস্তব জগতে সে যদি প্রত্যাবর্তন করে থাকে, তবে সেখানেও অতৃপ্তির জ্বালার শেষ নাই যেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার
    Next Article বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026
    Our Picks

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026

    সংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }