Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026

    সংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ এক পাতা গল্প174 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চাঁদের অমাবস্যা – ৯

    নয়

    রবিবার সকাল। বেলা ন’টার দিকে যুবক শিক্ষককে আসতে বলে দাদাসাহেব নিচের তলার বারান্দায় খোলা জানালার পাশে রোদে পিঠ দিয়ে বসেন। হাতে তসবি, মুখভাব গম্ভীর। একটু পরে পায়ের মৃদু শব্দ শুনতে পেলে সেদিকে না তাকিয়ে বলেন, ‘বসেন।’

    অদূরে হাতল ছাড়া কাঠের চেয়ারে সঙ্কুচিত হয়ে যুবক শিক্ষক বসে, মনে অস্বচ্ছন্দতা। কেন তিনি ডেকে পাঠিয়েছেন? গত ক’দিনে শিক্ষকতার ব্যাপারে তার কোনো গাফিলতি হয়েছে কি? বা তার বিসদৃশ আচরণ-ব্যবহারের খবর তাঁর কাছে পৌঁছেছে কি? এসব ব্যাপারে তিনি যদি প্রশ্ন করেন তবে সে কী বলবে? সকালবেলা কাদেরের মুখে সত্য কথাটি জানবার পর একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছুতে তার দেরি হয় নাই। কিন্তু পরে আরেকটি কথা সে বুঝতে পারে। সে-কথাটি ভেবে দেখা দরকার। না, গত ক’দিনের কথা দাদাসাহেবকে বলবার জন্যে এখনো সে তৈরি নয়।

    অবশেষে দাদাসাহেব গলা সাফ করেন। তারপর অস্পষ্টকণ্ঠে যুবক শিক্ষককে তার বাড়ির খবর জিজ্ঞাসা করেন। শ্রদ্ধাভরে সেও একটি উপযুক্ত উত্তর দেয়।

    সামান্য নীরবতার পর দাদাসাহেব পুনর্বার গলা সাফ করেন। তারপর তসবিতে তাঁর আঙ্গুল সঞ্চালন থেমে যায়।

    ‘আমার ছোটভাই কাদের মিঞার সঙ্গে আপনার নাকি দেখাসাক্ষাৎ হয়। শুনে বড়ই খুশি হলাম।’

    তিনি বলেন না যে আজ সকালে ওপরের জানালা দিয়ে কাদেরকে যুবক শিক্ষকের ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে স্বচক্ষে দেখেছেন। কাদেরকে কেমন রাগান্বিত মনে হয়েছিল। দু-জনের মধ্যে অকস্মাৎ এই মেলামেশার কারণ কী, যুবক শিক্ষকের ঘর থেকে এমন রাগান্বিতভাবে সে বেরিয়ে আসবেই-বা কেন? ক’দিন আগে কাদেরের বিচিত্র দৃষ্টির কথা এখনো তিনি ভোলেন নাই।

    গভীর বিশ্বাস-ভরা কণ্ঠে—যে কণ্ঠ সম্পূর্ণ খাঁটি মনে হয় না, তিনি আবার বলেন, ‘তার ভাবসাব সাধারণ মানুষের মতো নয়।’ সামান্য ইতস্তত করে কথাটা বলেই ফেলেন। ‘একটু দরবেশী ভাব আছে তার মধ্যে।’

    যুবক শিক্ষক নত মাথায় তাঁর কথা শোনে, কিন্তু কিছু বলে না। কাদেরের বিষয়েই তিনি যে তাকে ডেকে পাঠাবেন, সে-কথা সে ভাবে নাই। হয়তো এখন সে তার সম্বন্ধে কিছু বলতে প্রস্তুত নয় বলেই সে-কথাটি ভাবতে পারে নাই। না, এই মুহূর্তে কিছু বলা তার পক্ষে সম্ভব নয়। বাঁশঝাড়ের সত্যটি সে জানতে পেরেছে বটে কিন্তু সে সত্যটি যেন অতিশয় নগ্ন। বস্তুত, তা এত নগ্ন যে তাতে না আছে সম্পূর্ণ সত্য, না আছে তার প্রশ্নের সম্পূর্ণ উত্তর। সব কথা জানার আগে তার পক্ষে কিছুই বলা সম্ভব নয়।

    দাদাসাহেবকে একটু অপ্রস্তুত মনে হয়। তাঁর পক্ষেও কাদেরের কথা তোলা সহজ হয় নাই। তিনি বড়বাড়ির মুরুব্বি। বয়স বা আত্মীয়তার ধরন যাই হোক, সে-বাড়ির প্রত্যেক বাসিন্দার প্রতি তিনি যে শুধু একটি গভীর দায়িত্ব বোধ করেন তা নয়, তাদের সঙ্গে একটা আন্তরিক যোগাযোগও বোধ করেন। কোথায় কার দোষত্রুটি, কোথায় কার গুণ বা গুণের সম্ভাবনা, সে-সব তাঁর অজ্ঞাত নয়। এমনকি প্রত্যেকের হৃদয়ের কথাও তিনি জানেন বলে তাঁর বিশ্বাস। এ-বিষয়ে কেবল কাদেরের ক্ষেত্রেই একটা ব্যতিক্রম বোধ করেন। সে জন্যে এবং তার সম্বন্ধে তাঁর চিন্তার শেষ নাই বলে অনাত্মীয়ের সামনে তার কথা তোলা তাঁর পক্ষে সহজ নয়।

    যুবক শিক্ষক নীরব হয়ে থাকলে তিনি এবার অনিশ্চিতকণ্ঠে প্রশ্ন করেন, ‘আপনাদের মধ্যে কী আলাপ হয়?’

    যুবক শিক্ষক ক্ষিপ্রদৃষ্টিতে দাদাসাহেবের দিকে একবার তাকায়। বর্তমান মানসিক অবস্থার জন্যে প্রশ্নটি সরলভাবে গ্রহণ করা তার পক্ষে সম্ভব হয় না। কাদের যে দরবেশ সে-বিশ্বাসটি তাঁর মনে কি এতই দৃঢ় হয়ে উঠেছে যে তিনি তার প্রমাণের জন্যে এমন উদগ্রীব হয়ে পড়েছেন, না তার সম্বন্ধে তাঁর মনে কোনো প্রকার সন্দেহ উপস্থিত হয়েছে?

    কারণ যা-ই হোক, তাঁর প্রশ্নের উত্তর দেয়া তার পক্ষে এখন সত্যিই সম্ভব নয়। তার মনে সন্দেহ নাই, শীঘ্র তাঁকে বাঁশঝাড়ের ঘটনাটি বলতে হবে, কিন্তু যে-নগ্ন সত্যটি আজ সকালে সে জানতে পেরেছে, তাতে সে তৃপ্ত নয়। যে-ঘটনাটি তার মনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছিল, নিঃসন্দেহে সে ঘটনাটির রহস্য ঘুচেছে : নানাপ্রকার কল্পনা-অনুমানের জটিল জাল থেকে মুক্তি পেয়ে তা একটি স্পষ্টরূপ ধারণ করেছে। তবু কাদেরের মুখে যা জানতে পেরেছে, তা একটু ভেবে দেখতেই তার মনে এ ধারণা জন্মে যে, এখনো সব কথা জানা হয় নাই। বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে জানার পূর্বে দাদাসাহেবকে এমন একটি নিদারুণ কথা কী করে বলে?

    আজ সকালে কাদের স্বীকার করেছে, সে-ই যুবতী নারীর হত্যাকারী। তবে সেটি ঠিক হত্যা নয়, একটি দুর্ঘটনা। বাঁশঝাড়ের বাইরে যুবক শিক্ষকের পদধ্বনি এবং পরে তার গলার শব্দ শুনতে পেলে হঠাৎ ভয়ে দিশেহারা হয়ে সে যুবতী নারীর গলা টিপে ধরেছিল। হত্যার উদ্দেশ্যে নয়, তার মুখের আওয়াজ বন্ধ করার জন্যে। মুখ না ঢেকে গলা টিপে ধরেছিল কেন সে তা বলতে পারে না : তখন তার জ্ঞান-বুদ্ধি ছিল না। আসল অপরাধী সে সংজ্ঞাবুদ্ধিগ্রাসী মারাত্মক ভয়। সে-নিদারুণ ভয়ের কারণ কী? তার পরিবারের সুনাম। এককালে যে-পরিবারের এত নামডাক ছিল, সে পরিবারের আজ আগের মতো ধন-দৌলত না থাকলেও ধার্মিকতা দান-দয়া-নিষ্ঠার জন্যে এখনো অনেক সুনাম। কাদের সে পরিবারেরই মানুষ। যে-পরিবার নিষ্কলঙ্কভাবে দীর্ঘদিন সুনামের সৌরভ ছড়িয়েছে, তার সে-সুনামে কলঙ্কের ছাপ বসাতে কার বুকে সাহস হয়? কথাটা অবিশ্বাস্য ঠেকে না।

    কাদের যখন বুঝতে পারে একটি ভয়ানক দুর্ঘটনা ঘটে গেছে, তখন সে বাঁশঝাড়ের পাশ দিয়ে পালিয়ে যায়। কিন্তু অল্পদূর যাবার পর তার মনে একটা সন্দেহ জাগে : সত্যই কি কোনো মানুষের শব্দ সে শুনেছিল? শীতের এমন গভীর রাতে কে আসবে বাঁশঝাড়ে? যুবতী নারীর স্বামীর কথাই কেবল তার মনে আসে কিন্তু সে যে গ্রামে নাই সে-বিষয়ে সে নিশ্চিত। সে কি ভুলবশত এমন মর্মান্তিক কাণ্ড করে বসেছে?

    কথাটা পরখ করে দেখবার জন্যে নির্বোধের মতো সে বাঁশঝাড়ের সামনে এবার ফিরে আসে। পরিস্ফুট চন্দ্রালোকে এধার-ওধার চেয়ে দেখে, কেউ কোথাও নাই। এমন সময় সে যুবক শিক্ষককে বাঁশঝাড় থেকে দ্রুতপায়ে বেরিয়ে আসতে দেখে। সে যেন তারই দিকে তাকিয়ে। শুধু তাই নয়। সে তারই দিকে আসছে। পালাবার কোনো সময় নাই, মুক্তস্থানে গা-ঢাকা দেবারও কোনো উপায় নাই। কাঠের পুতুলের মতো হতভম্ব হয়ে সে দাঁড়িয়ে থাকে। সেখানে তার উপস্থিতির একটা কৈফিয়ৎ বের করার চেষ্টাও করে কিন্তু বিশ্বাসযোগ্য কোনো কৈফিয়ৎ খুঁজে পায় না। তারপর যুবক শিক্ষক তার সামনে এসে দাঁড়ায় কিন্তু সে কোনো প্রশ্নই করে না। কয়েক মুহূর্ত তার দিকে চেয়ে থেকে হঠাৎ সে উদ্ভ্রান্তের মতো ছুটে পালিয়ে যায়। সে যেন ভূত দেখেছে।

    এবার কাদের দুটি কথা বুঝতে পারে। প্রথমত, যুবতী নারী যে এখনো বেঁচে থাকতে পারে সে-কথা আশা করা বৃথা। দ্বিতীয়ত, সে-ই যে হত্যাকারী সে কথা যুবক শিক্ষক জানে। বস্তুত, তাকে উদ্ভ্রান্তের মতো মাঠে-ঘাটে ছুটাছুটি করতে দেখলে সে বিষয়ে তার বিন্দুমাত্র সন্দেহ থাকে না। তবু কথাটা সামনাসামনি একবার যাচাই করে দেখবার জন্যে পরে সে তারই ঘরে এসে উপস্থিত হয়। সেখানে সে একটি অতি ভীত-বিহ্বল, বাকশূন্য মানুষ দেখতে পায়। সন্দেহের কোনোই অবকাশ থাকে না।

    এ-বিবৃতিতে অবিশ্বাস্য কিছুই নাই : নিঃসন্দেহে তার প্রতিটি শব্দ সত্য। প্রথম রাতের বিবরণটি এতই নিখুঁত যে তাতে কোনো ছিদ্র নাই, প্রশ্ন-জেরার স্থান নাই। অস্পষ্টতা দেখা দেয় দ্বিতীয় রাতের বিবরণে।

    যুবতী নারীর দেহটি নদীতে ফেলার ব্যাপারে কাদের যুবক শিক্ষকের সাহায্যপ্রার্থী হয়েছিল কেন? কথাটির কোনো ব্যাখ্যা কাদের দেয় নাই। তখন প্রশ্ন করার কোনো প্ৰয়োজন বোধ করে নাই বলে যুবক শিক্ষকও তাকে সে-বিষয়ে কিছু জিজ্ঞাসা করে নাই। এখন বিষয়টির ব্যাখ্যা শিক্ষকের কাছে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় মনে হয়। চারটি সম্ভাব্য উত্তর তার দৃষ্টিগোচর হয়। এক—বাঁশঝাড়ের ঘটনার পর কাদেরের মনে নিশ্চয়ই গভীর বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়। হয়তো একটি ঘোরতর পাপ বোধে সে জর্জরিত হয়ে পড়ে। তখন একটি বিচিত্র যুক্তির সাহায্যে সে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, যুবক শিক্ষক মৃতদেহটির বহনকার্যে অংশগ্রহণ করলে সে-পাপের খানিকটা তার মধ্যে স্থানান্তরিত হবে। দুই—তার এই বিশ্বাস হয় যে, যুবতী নারীর মৃত্যুর সঙ্গে যুবক শিক্ষক জড়িত, কারণ বাঁশঝাড়ে সে উপস্থিত না হলে দুর্ঘটনাটি ঘটত না। অতএব দেহ বহনকার্যে সাহায্য করা তার কর্তব্য। তিন— যুবতী নারীর মৃত্যুর কথা যুবক শিক্ষক ছাড়া অন্য কেউ জানে না। পরদিন সে কথাটা প্রকাশ করে নাই সত্য কিন্তু ভবিষ্যতে করবে না সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায় না। দেহটির বহনকার্যে তার কাছ থেকে একবার সাহায্য আদায় করতে পারলে তার মুখ বন্ধ করা সহজ হবে। দুর্বলচিত্ত লোকটি সাহায্য করতে রাজি না হতে পারে, সে-সম্ভাবনা নিশ্চয়ই কাদেরের মনে জেগেছে। হয়তো সে-ব্যাপারে তাকে বাধ্য করার ফিকির-ফন্দিও সে ভেবে নিয়েছিল। হয়তো তাকে ভয় দেখাত বা কোনো প্রকারে তার হৃদয় গলাবার ব্যবস্থা করত। কিন্তু কাদেরকে কিছুই করতে হয় নাই। দু-একবার ডাকতেই সে বিনাবাক্যে তার অনুসরণ করে। চার—ভয়াবহ কাজটি একা করতে সাহস পায় নাই। কাজটি একাকী সম্পন্ন করার লাভ নিশ্চয়ই তার চোখে পড়েছে। যুবক শিক্ষকের অগোচরে দেহটি একবার অদৃশ্য হয়ে গেলে সে কোনো অভিযোগ আনলেও সাক্ষীর অভাবে তা প্রমাণ করতে পারবে না। কিন্তু নির্জন রাতে বাঁশঝাড়ে একটি যুবতী নারীর সঙ্গে মিলিত হওয়া এক কথা, গভীর রাতে তার মৃতদেহটি বহন করা অন্য কথা। সে স্বভাবজাত খুনী-ডাকাত নয়।

    ভীতি, স্বার্থপরতা, দুরভিসন্ধি ইত্যাদি বিভিন্ন উদ্দেশ্য-অনুপ্রাণিত এর কোনটি সত্য?

    আরেকটি কথাও কুজ্‌ঝটিকাবৃত মনে হয়। কী কারণে কাদের দেহটি নদীতে ফেলবে ঠিক করে? আজ সকালে সে-বিষয়টি সে স্পর্শই করে নাই।

    হত্যাকাণ্ডের জের টানা বিপজ্জনক। দেহটি নিশ্চিহ্ন করার প্রয়োজনটা কি তার কাছে এতই জরুরি মনে হয়েছে যে সে দ্বিতীয় রাতে বিপজ্জনক কাজটি করতে দ্বিধা করে নাই? হয়তো পাপের ফল সম্পূর্ণভাবে অদৃশ্য না হয়ে-যাওয়া পর্যন্ত পাপী মনে শান্তি পায় না। এ- কথা যদি সত্যি হয় তবে কাদেরের চোখে যে-ব্যাপার একটি দুর্ঘটনা হিসেবে শুরু হয়েছিল, সেটি আর দুর্ঘটনা থাকে নাই, শীঘ্রই তা পাপে পরিণত হয়।

    আজ সকালে ঘটনাটির নির্মম সত্য জানার পর যুবক শিক্ষকের মনে হয়েছিল : আর কোনো কথা জানার প্রয়োজন নাই। কিন্তু দেখতে-না-দেখতে নূতন অনেক প্রশ্ন তার মনে এসে উপস্থিত হয়েছে। কাদেরের গুরুতর অপরাধের কথা প্রকাশ করা তার কর্তব্য। কিন্তু কর্তব্যটির সঙ্গে একটি গভীর দায়িত্ব জড়িত মনে হয়। অপরাধটি প্রকাশ করা অতি সহজ কিন্তু সব কথা না জেনে কী করে সে তা প্রকাশ করে? তার মনে হয়, অপরাধের গুরুত্ব অপরাধের ফলের উপরই নির্ভর করে না। একটি যুবতী নারীর খুন অতি গুরুতর ব্যাপার। তারই ওজনে অপরাধ মেপে দেখা স্বাভাবিক। কিন্তু দুটির ওজন সমান না-ও হতে পারে। সব কিছু না বুঝে কথাটা প্রকাশ করলে কর্তব্যপালন হবে কিন্তু তাতে দায়িত্বহীনতাও প্রকাশ পেতে পারে।

    তাছাড়া, সর্বপ্রথম তাকে ঘটনাটি পুরাপুরিভাবে বুঝতে হবে। সামাজিক কর্তব্যপালনের চেয়ে সেটাই তার কাছে বড় মনে হয়। অপরাধী কে সে কথা সে জানতে পেরেছে, কিন্তু অপরাধের অর্থ এখনো সে বোঝে নাই।

    যুবক শিক্ষককে চুপ করে থাকতে দেখে দাদাসাহেব কিছু বিস্মিত হন। তাঁর মনে হয়, দরবেশীর কথাটা তুলে তিনি ভুল করছেন। যুবক শিক্ষক হয়তো সে-কথা বিশ্বাস করে না বলে কী উত্তর দেবে তা ভেবে উঠতে পারছে না। সে-বিষয়ে তাকে নিশ্চিত করার জন্যে এবার তিনি বলেন, ‘কাদের একা একা থাকে। আপনার সঙ্গে মেলামেশা করতে শুরু করেছে দেখে মনটা খুশি হয়েছে।’ তাদের মধ্যে কী আলাপ-আলোচনা হয় সে বিষয়ে তাঁর ঔৎসুক্যের কথা তিনি এবার উল্লেখ করেন না। একবার বলেছেন, দু-বার বলতে পারেন না। তারপর তাঁর মুখে একটি কৌতূহলশূন্যতার ভাব জাগে। সেটা কৃত্রিম মনে হয়।

    হঠাৎ যুবক শিক্ষক মাথা তুলে বেদনার্ত দৃষ্টিতে দাদাসাহেবের দিকে তাকায়। তার সঙ্গে চোখাচোখি হলে সে ইতস্তত করে দৃষ্টি নাবিয়ে অস্ফুট গলায় বলে, ‘বেআদবি মাফ করবেন কিন্তু আজ কিছু বলতে পারব না।’

    দাদাসাহেব এবার তাঁর বিস্ময় ঢাকবার চেষ্টা করেন না। তার উক্তিটা বুঝবার চেষ্টা করে গম্ভীরকণ্ঠে প্রশ্ন করেন, ‘কী কথা বলতে পারেন না?’

    যুবক শিক্ষক চোখ না তুলে কয়েকবার কেবল ঘন-ঘনভাবে মাথা নাড়ে। দাদাসাহেবের দিকে তাকাতে বা তাঁকে আর কিছু বলতে তার সাহস হয় না। নিজের দৃষ্টিতে এবং কণ্ঠে সে- বিশ্বাস যেন হারিয়েছে। তার মনে হয়, আজ কিছু বলতে পারবে না এ-কথা বলেই সে ইতিমধ্যে অনেক কথা বলে ফেলেছে।

    দাদাসাহেব আর কিছু বলেন না। হঠাৎ উঠে দাঁড়িয়ে তিনি বারান্দা অতিক্রম করতে শুরু করেন। তাঁর খড়মের আওয়াজ আজ কেমন বেসুরো মনে হয়।

    শঙ্কিত হয়ে যুবক শিক্ষক বোঝে, তার হাতে সময় আর বেশি নাই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার
    Next Article বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026
    Our Picks

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026

    সংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }