Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    সায়ক আমান এক পাতা গল্প344 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তার চোখের তারায় – ১১

    একাদশ অধ্যায়

    লাফ দিয়ে খোপ থেকে নেমে সিঁড়ির দিকে দৌড় দিল পায়েল। তার মিলিয়ে আসা গলা সিঁড়ির কাছ থেকে শোনা গেল, “তুমি মুখে মুখ দিয়ে হাওয়া দেওয়ার চেষ্টা করো। আমি দেখছি কারও ইনহেলার আছে কিনা, আর শুইয়ে রেখো না।”

    দৌড়ে অন্দরমহল থেকে বেরিয়ে এল পায়েল। এক ছুটে চলে এল দক্ষিণের প্রাসাদের কাছে। চাতালটা পেরিয়েই সিঁড়ির কাছে মালতীকে দেখা গেল। পায়েলকে এভাবে বিভ্রান্তের মতো ছুটে আসতে দেখে খানিকটা ভয় পেয়ে গেছিল সে, হতচকিত হয়ে জিজ্ঞেস করল, “কী হয়েছে দিদি? দৌড়াচ্ছ কেন?”

    “এবাড়িতে কারও হাঁপানি আছে? মানে তুলি ছাড়া?”

    কয়েক সেকেণ্ড চুপ করে ভাবল মালতী, তারপর একবার থেমে জবাব দিল, “অতীনদাদার ছিল।”

    “ওর ইনহেলারটা কোথায় আছে জানো?”

    “টেবিলের ড্রয়ারে রাখত।”

    আবার হরিণের মতো দৌড়ে সিঁড়ি দিয়ে উপরের দিকে উঠে এল পায়েল। ক্ষেত্রমোহন তাকে দেখে কিছু একটা জিজ্ঞেস করতে যাচ্ছিলেন, পায়েল শুনল না। ঝড়ের মতো ঢুকল পাশের ঘরে।

    জানালার ঠিক নিচেই টেবিলটা। সেটার কাছে গিয়ে ড্রয়ারটা খুলতেই একটা আতঙ্কের স্রোত পায়েলের ভাবনা চিন্তায় তালা লাগিয়ে দিল – ইনহেলার এখানেও নেই।

    মাথায় হাত দিয়ে মাটিতে বসে পড়ল পায়েল। ওদিকে মেয়েটা এখন কী অবস্থায় আছে কে জানে। তার কপাল দিয়ে দর করে ঘাম পড়তে লাগল। কান গরম হয়ে উঠল ক্রমশ।

    মাটিতে বসে বিছানার তলায় মেঝের উপরে চোখ পড়তেই আশঙ্কার মেঘটা কেটে গেল তার। বিছানার একটু নিচের দিকেই পড়ে আছে ইনহেলারটা। সাপের মতো মাটিতে শুয়ে পড়ে সেটা তুলে আনতে গিয়ে একটা কাগজ হাতে লাগল পায়েলের। অনেকটা ফেলে দেওয়া ওয়েস্ট পেপারের মতো। কাগজটা সরিয়ে ফেলতে গিয়েও ফেলল না পায়েল। ইনহেলারের সঙ্গে সেটাও একহাতে ধরে তেমনই দ্রুত বেগে আবার দৌড় দিল বাইরের দিকে। সিঁড়ির উপর দিয়ে নামতে গিয়ে উত্তেজনায় তার পা কেঁপে গেল।

    এতক্ষণে তুলিকে নিয়ে অন্দরমহল থেকে বেরিয়ে এসেছে সুনন্দা। পায়েল তাদেরকে দেখেই ইনহেলারটা এগিয়ে দিল। সুনন্দা একহাতে তুলির মাথাটা ধরে আর একহাত দিয়ে ইনহেলারটা পাম্প করতে লাগল তার মুখে।

    মেয়েটা এতক্ষণে অবশ হয়ে এসেছে। সুনন্দার কাঁধের উপরে নেতিয়ে পড়েছে তার শরীরটা। মুখটা রক্ত জমে লাল হয়ে ফুলে আসছে। ফাঁকা হাওয়ার শব্দ আসছে গলার ভিতর থেকে।

    কিছুক্ষণ পাম্প করার পর আওয়াজটা বন্ধ হল। মুখের রঙটা একটু ফ্যাকাশে হয়ে এল। পায়েল তার মাথায় একটা হাত দিয়ে জিজ্ঞেস করল, “আর কষ্ট হচ্ছে?”

    খুব অল্প মাথা নাড়ল তুলি। দু’দিকে। যদিও বেশ বোঝা যাচ্ছে তার শরীরটা এখনও যন্ত্রণায় কুঁকড়ে আছে। বুকের কাছটা খামচে ধরার মতো ব্যথা ছিঁড়ে নিচ্ছে তাকে।

    “কীসের জন্যে করছে এরকম?” সুনন্দার মুখ রাগে লাল হয়েছিল পায়েলের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল সে।

    “যেই করে থাকুক সে কাল সন্ধ্যা থেকে আজ সকালের মধ্যে তোমার ঘরে ঢুকেছিল।”

    “সেতো অনেকেই ঢুকেছিল…”

    একটু ভেবে সুনন্দা বলে, “মালতী, মধুবাবু, শশাঙ্কদা… আরও কেউ ঢুকতে পারে। আমি সব সময় ছিলাম না ঘরে।”

    “অর্থাৎ বোঝার উপায় নেই কে নিয়েছে। কিন্তু তার থেকেও বড় কথা হল, কেন? কে তুলির ক্ষতি করতে চায়? করেছেটা কী ও?”

    চাতাল পেরিয়ে এগিয়ে আসে দু’জনে। পায়েল প্রাসাদের দিকে হাঁটতে হাঁটতে বলে, “অতীনের সঙ্গে এ বংশের একটা তাও সম্পর্ক ছিল। কিন্তু তুলি একেবারেই অজানা। তার ক্ষতি করে লাভ কিছু কারও হবার নেই। আনলেস…”

    “আনলেস কী?”

    “আচ্ছা এই যে তুলির বাবা-মা, তাদের বয়স কেমন বলতো?”

    “কত হবে, ছেচল্লিশ-সাতচল্লিশ।”

    সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে থেমে গেল পায়েল, “তুলির বয়স দশ। অর্থাৎ তুলি যখন হয় তখন ওর বাবা মায়ের বয়স ছত্তিরিশের কাছাকাছি। ওয়াইল্ড গেস, তাও মনে হচ্ছে তুলি ওর বাবা-মার অ্যাডাপ্টেড চাইল্ড।”

    “মানে বলছ সন্তান না হওয়ার জন্যে নিজেদের বয়স বেড়ে যাচ্ছে দেখে অ্যাডাপ্ট করেছিল ওকে?”

    সুনন্দার কোল থেকে তুলিকে নিজের কোলে নেয় পায়েল। মেয়েটা এখন চোখ বুজে আছে। সম্ভবত ঘুমাচ্ছে। তার কপালে একবার হাত বুলিয়ে চুলগুলো সরিয়ে দেয় পায়েল, “হয়তো এ বংশের সঙ্গে কোনো সম্পৰ্ক আছে ওর। যার জন্যে খুনির রাগ গিয়ে পড়েছে ওর উপরে।”

    “কিন্তু এ বংশের সঙ্গেই ওর সম্পর্ক, আবার ঘুরে ফিরে এই জমিদারবাড়িই লিজ নিলেন নাথবাবু। ব্যাপারটা কেমন কাকতালীয় মনে হচ্ছে না?”

    “বা এমনও হতে পারে যোগেন্দ্র নিজেও এ বাড়ির ব্যাপারে কিছু জানেন এবং তুলিকে এখানে পাঠানোটাই তার উদ্দেশ্য ছিল। বিদেশ যাত্রাটা ছল।”

    “তাহলে তুলির এখানে বিপদ আছে বুঝেই পাঠানো হয়ছে তাকে?” একটা অজানা আশংকায় সুনন্দার মুখ ভরে উঠল।

    “আমার কেন জানি না মনে হচ্ছে এই নাথ ফ্যামিলি ততটা ইনোসেন্ট নয় যতটা আমি মনে করছি।”

    “সে যাই হোক না কেন আমাদের আর জানার উপায় নেই। “

    প্রাসাদে ঢোকার মুখে ক্ষেত্রমোহনের সঙ্গে দেখা হয়ে গেল ওদের। তিনি একটু এগিয়ে এসে তুলির মুখের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “কী হয়েছে বলতো? ওইভাবে ঘরে ঢুকলে…”

    “আসলে তুলির একটু শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল, ওর ইনহেলারটা হারিয়ে গেছে আবার। এইটা আপনার ছেলের…” হাতের ইনহেলারটা ক্ষেত্রমোহনের দিকে বাড়িয়ে দিল পায়েল।

    হাত তুলে বাধা দিলেন ক্ষেত্রমোহন, “থাক ওটা আপনারাই রাখুন। অতীনের তো আর লাগবে না।”

    “তাও… আপনার ছেলের স্মৃতি…” কথাটা শেষ না করেই থেমে গেল সুনন্দা। ক্ষেত্রমোহন হাসলেন, “স্মৃতি নিয়ে আর কী করব বলুন। এ বাড়িটাও তো ছেড়ে দিচ্ছি।”

    “সে কি!” আঁতকে উঠল পায়েল, “ছেড়ে দিচ্ছেন কেন?”

    “এখানে থাকতে আর ভালো লাগছে না। গিরিজাকে দেখে ডাক্তার বলছে ওকে এখান থেকে দূরে নিয়ে যেতে….”

    পায়েল সুনন্দার দিকে একবার তাকিয়ে প্রায় অস্ফুট চাপা স্বরে বলল, “চা, চা অফার করো।”

    সুনন্দা চকিতে ইশারাটা বুঝে নিয়ে বলল, “আপনি চা খাননি তো সকালে। এদিকে আসুন না।”

    ক্ষেত্রমোহন খুব একটা আপত্তি করলেন না। প্রাসাদের দিকে পা বাড়ালেন। সুনন্দা পায়েলের দিকে ফিরে বলল, “কাজটা ভালো করলে না।”

    “কী কাজ?”

    “উনি ওদিকের রান্নাঘরে যেতে চান না কেন তুমি জান। সেই সুযোগে চায়ের নেমন্তন্ন করলে। সুযোগ নিলে।”

    “তাতে কী এমন ক্ষতি হল?”

    “ক্ষতি কিছু হত না, যদি তুমি নিঃস্বার্থভাবে ডাকতে। তুমি ওঁর থেকে কিছু জানতে চাও, তাই ডাকলে।”

    “বেশ, তাহলে কাল তুলির ইনহেলার কে সরিয়েছিল সেটা তুমিই খুঁজে বের করো।”

    একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে সুনন্দা, বলে, “তা আর হবে না। আজ একটু পরেই নীলাদ্রি আসবে। তখন আর এত সময় পাব না তোমাকে দেওয়ার।”

    পায়েল আর কিছু বলল না। তিনজনে সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠে সুনন্দার ঘরে চলে এল। ক্ষেত্রমোহনকে ঘরের ভিতর ঢুকতে বলে রান্নাঘরের দিকে যাচ্ছিল সুনন্দা। হঠাৎ পায়েল তার একটা হাত ধরে থামিয়ে দিল।

    ঠিক এই মুহূর্তে চমকে পায়েলের চোখের দিকে তাকাতেই অবাক হয়ে গেল সুনন্দা। অসহ্য উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে চোখ দুটো। কীসের আগুনের যেন ধিকিধিকি জ্বলছে তারা। মেয়েটাকে এভাবে এর আগে দেখেনি সুনন্দা হতবাক গলায় বলল, “কী হল তোমার?”

    “একটা কথা ছিল।” থমথমে গলা। একফোঁটা আবেগের চিহ্ন নেই। “হ্যাঁ। বল।”

    কেটে কেটে উচ্চারণ করল পায়েল, “আমার মনে হয় যে শশিভূষণ সরকার আর অতীনকে খুন করেছে, যে তুলির শ্বাস আটকে তাকে খুন করতে চেয়েছে সে একই লোক। সে যদি সত্যি ধরা পড়ে, পুলিশই ধরুক অথবা অন্য কেউ তুমি তার কী শাস্তি চাও?”

    “আইন যা বলবে…”

    “যে লোকটা তোমার মেয়েকে চাপা দিয়ে গেছিল, তাকে পুলিশে ধরতে পেরেছিল। কয়েকমাস জেল আর কিছু টাকা ফাইন হয়েছিল তার। তুমি খুশি ছিলে তাতে?”

    মাথা নামিয়ে নেয় সুনন্দা। একটু একটু করে মাথা নাড়ে।

    “তাহলে কী চাও তুমি?” একই রকম শুকনো গলায় জিজ্ঞেস করে পায়েল। উত্তর দেয় না সুনন্দা, পায়েল আবার ঝাঁকুনি মারে তার হাতে, “বল কী চাও?”

    “মৃত্যু।” অস্ফুটে কথাটা বলে একছুটে রান্নাঘরের দিকে চলে যায় সুনন্দা।

    পায়েল সেদিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে ঘরে ঢুকে এল। তারপর ক্ষেত্রমোহনের পাশে বসে পড়ে বলল, “আপনার স্ত্রী কেমন আছেন এখন?”

    “খুব একটা ভালো নেই।” দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে মাথা দোলালেন ক্ষেত্রমোহন, “কান্নাকাটিটা করছে না বটে কিন্তু কথা বলছে না কারও সঙ্গে, খাওয়া দাওয়াও একরকম ছেড়ে দিয়েছে।”

    “ঠিক হয়ে যাবে। একটু সময় দিন। ওঁর মা-বাবা বেঁচে আছে?”

    “না। আমার বিয়ের আগেই মারা গেছেন তারা।”

    “আর আপনার?”

    “তারাও মারা গেছেন।”

    “আচ্ছা এ বংশের সঙ্গে আপনার যোগাযোগ মায়ের দিক থেকে না বাবার দিক থেকে?”

    “মা। চাণক্য দত্তের স্ত্রী আশারানি দত্ত আমার মায়ের কোনো এক পূর্বপুরুষ ছিলেন। পরে আমার কোনো এক পূর্বপুরুষকেই এ বাড়িতে নায়েব নিযুক্ত করা হয়।”

    পায়েল দু’হাতে ভর দিয়ে একটু পিছনে হেলে পড়ে বলল, “দত্ত বংশের সব দিক থেকেই বংশধর পাচ্ছি শুধু কন্দর্প দত্ত ছাড়া। বড় ছেলের কী হল বলুন তো?”

    ‘সে অত সংসারি ছেলে ছিল না। শুনেছি ভূপতি দত্ত বেঁচে থাকতে থাকতে, কন্দর্পকে একবার ত্যাজ্য করতে চেয়েছিলেন।”

    “কেন?”

    “লোকে বলে সে নাকি বদ সঙ্গে পড়ে উইচক্রাফট শিখেছিল।”

    “বাবা!” পায়েল অবাক হবার ভান করে, “সেই সময়ে উইচক্র্যাফট! কী ডেঞ্জারাস।”

    “সেসময় ওসবের আরও বেশি চল ছিল বাংলায়। কন্দর্প লেখাপড়া শিখেছিল কিছু। ইংরাজি বইপত্র পড়ে তার মাথাটা ওইদিকে চলে যায়। বনে বাদাড়ে ঘুরে বেড়াত। মানুষের সঙ্গে বিশেষ কথাবার্তাও বলতো না। লোকে রাস্তাঘাটে পড়ে থাকতে দেখে বাড়ি দিয়ে যেত। জমিদারবাড়ির তাতে মান যায়।”

    “তো এই কন্দর্পের কী হল?”

    “সেটা জানা যায় না। অবাক করা ব্যাপার হল ওই আঠেরোশ সাল থেকে আস্তে আস্তে নানা কারণে জমিদারদের বংশ কেমন যেন ছোট হয়ে আসতে থাকে। কন্দর্পের পাগলামি, নৃপতি দত্তের হত্যা, জমিদারগিন্নিদের বন্ধ্যা হয়ে যাওয়া, লোকে বলাবলি করত বংশে অভিশাপ লেগেছে।”

    “কীসের অভিশাপ বলুন তো?”

    “ধুর, অভিশাপ টভিশাপ বলে কিছু নয় না।” ক্ষেত্রমোহন মৃদু হাসার চেষ্টা করলেন।

    “না না আমি অভিশাপটা নিয়ে ভাবছি না। তবে লোকে যখন অভিশাপের কথা বলাবলি করত তখন বাড়িতে এমন কিছু একটা ঘটেছিল যাতে লোকের মনে অভিশাপের কথাটা আসতে পারে।”

    ঘরে চায়ের ট্রে নিয়ে ঢুকছিল সুনন্দা। সে টেবিলের উপরে প্লেট রাখতে রাখতে বলল, “আপনাকেও জেরা করা শুরু করেছে। এই মেয়েটা পুলিশের থেকেও ভয়ানক। “

    “না না, জেরা কোথায়? ওর এসবে আগ্রহ একটু বেশি। ভারি ভালো মেয়ে।”

    লাজুক হাসল পায়েল। তারপর কি মনে পড়তে ব্যাগ থেকে সেই কাগজটা বের করে এগিয়ে দিয়ে বলল, “এইটা একটু দেখুন তো, আপনি লিখেছিলেন?” কাগজটা দেখলেন ভালো করে ক্ষেত্রমোহন। তারপর ঠোঁট উলটে মাথা নাড়িয়ে বললেন, “নাতো! কী কাগজ এটা?”

    “আপনার ছেলের বিছানার তলায় পড়েছিল ইনহেলারের সঙ্গে। তাহলে কি ওই লিখেছে? কিন্তু ‘তার চোখের তারায়’ মানে কী?”

    এক সেকেণ্ড পরেই ক্ষেত্রমোহন মুখে একটা বিদ্যুৎ রেখা দেখা দিয়েই মিলিয়ে গেল, “এটা কবে একটা শুনলাম যেন… ও হ্যাঁ আপনিই তো সেদিন…”

    ক্ষেত্রমোহনের আঙুলটা সুনন্দার দিকে। সুনন্দা নিজেও এতক্ষণে দেখছে সে কাগজটা, এবার সেটা ফেরত দিয়ে বলল, “হ্যাঁ। এ কথাটা আমি সেদিন বলছিলাম বটে কিন্তু সেখানে তো আমি আপনি আর শশাঙ্কদা ছাড়া আর কেউ ছিল না। অতীন তো নয়ই।”

    “তাহলে কথাগুলো লিখল কী করে?”

    “তাহলে নিজের খেয়ালে লিখে থাকবে হয়তো… ও একটু ওরকমই ছিল।”

    “কিন্তু এই কথাটার তো একটা…” কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল সুনন্দা। পায়েল চোখের ইশারায় তাকে থামিয়ে দিল। তারপর মাথা নামিয়ে বলল, “এতে হয়তো আপনার মনের সব প্রশ্ন যাবে না। তবে আপনার একটা প্রশ্নের উত্তর আমি দিতে পারি।”

    “কী? বল।” পায়েলের দিকে ঘুরে তাকান ক্ষেত্রমোহন।

    “সেদিন রাতে অতীন কেন বাইরে গেছিল সেটা বলতে পারি।”

    ক্ষেত্রমোহন আর কিছু বলেন না। তার কপালের রগগুলো দপদপ করে ওঠে। সুনন্দা অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে পায়েলের দিকে। সে ধীরে ধীরে বলতে শুরু করে, “সম্ভবত ভোর রাতের দিকে অতীনের হাঁপানির টান ওঠে। ওইসময়ে শ্বাসকষ্ট হওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু ঘটনাচক্রে সেই সময়ে সে ইনহেলারটা খুঁজে পায় না। ফলে বেশ কিছুক্ষণ দম বন্ধ হয়ে যায় তার। শেষে যখন খুঁজে পায় তখন তার শ্বাস প্রায় বন্ধ হয়ে এসেছে। ঠিক আজকে তুলির যেমন হয়ছিল। ইনহেলারটা নেবার পর তার হাত থেকে খসে বিছানার পাশে পড়ে গড়িয়ে নিচে ঢুকে যায় সেটা।

    খানিকটা দম নেবার পর ঘরের বাতাসটা বদ্ধ মনে হয় অতীনের। ফলে বাইরে বেরিয়ে আসে এবং সেই সময়ে রান্নাঘর থেকে কিছুর আওয়াজ শোনে সে। সম্ভবত বাসন বা ওই জাতীয় কিছুর।”

    “তার মানে তখনই কিছু দেখে ফেলেছিল বলে…” কথাটা বলতে গিয়ে থেমে যান ক্ষেত্রমোহন।

    কয়েকটা নিস্তব্ধ মুহূর্ত কাটে। চা খেতে খেতে কেউ কোনো কথা বলে না। চা শেষ হতে উঠে পড়েন ক্ষেত্রমোহন। বাইরে দিকে এগোতে এগোতে বলেন, “ওকে একা রেখে এসেছি, চলি। আবার পরে কথা হবে না হয়।”

    তিনি বেরিয়ে যেতে পায়েলের কাছে সরে আসে সুনন্দা। তারপর নামানো মুখের দিকে তাকিয়ে বলে, “বাকিটা বিশ্বাস করলাম, শেষটা করতে পারলাম না।”

    “মানে? বাসনের আওয়াজের ব্যাপারটা?”

    “হ্যাঁ। এত জায়গা থাকতে খুনি রান্নাঘরে কী করছিল? আর তার থেকেও বড় কথা ফরেনসিক রিপোর্টে তাহলে আত্মহত্যা বলছে কেন? “

    “ধর খুনি মাথার কাছটা না ধরে ঘাড়ের দিকটা ধরেছিল। তাই মাথার চুল ছেড়েনি।”

    “কিন্তু কেন? খুনি তো এখানে একবারও প্রমাণ করতে চায়নি যে এটা আত্মহত্যা। তা যদি করতে চাইত তাহলে দড়ি দিয়েই ঝুলিয়ে দিত। বরঞ্চ ফরেনসিক বলছে উলটোটা।”

    প্রশ্নটার উত্তর দিল না পায়েল। উলটে নতুন একটা প্রশ্ন করল, “আচ্ছা সুনন্দাদি, তুমি ভূতে বিশ্বাস করো?”

    প্রথমে কিছু উত্তর দিল না সুনন্দা, তারপর ধীরে ধীরে মাথা নাড়ল, “ভগবানে বিশ্বাস করি যখন ওটা জোর করেও অস্বীকার করতে পারি না।”

    “আর অভিশাপে?”

    “অভিশাপ! কীসের অভিশাপ?”

    “এই যে লোকে বলে কিছুর একটা অভিশাপে নাকি জমিদার বংশ শেষ হয়ে গেছে? এরকম কি সত্যি হতে পারে?”

    “কি জানি। আমি এসব এত ভেবে দেখি না।”

    “আমিও ভাবতাম না। কিন্তু আজ ওই ঘরটায় ঢোকার পর থেকে মনটা কেমন জানি হয়ে আছে।”

    “কোন্ ঘর?”

    “ওই খোপের মধ্যে দিয়ে একটা ঘরে যাওয়া যায়। সম্ভবত কিছু একটা লুকানোর জন্যে তৈরি করা হয়েছিল ওটা। তেমন কিছু নেই শুধু দেওয়ালে কয়েকটা চেরা দাগ আর সমস্ত ঘরের দেওয়াল জুড়ে আগুনের দাগ।”

    “আগুন!”

    “হ্যাঁ, আগুন। মনে হয় বহুবছর আগে ওখানে আগুন জ্বলেছিল। সেই আগুনে হয়তো পুড়ে মারা গিয়েছিল কেউ। কেউ ঘরে ঢুকিয়ে জ্বেলে দিয়েছিল আগুনটা এবং তার ফলেই জমিদারবাড়ির উপর অভিশাপ নেমে আসে।”

    “কিন্তু কেন? খামোখা একটা মানুষকে আগুনে পুড়িয়ে মেরে কার কি লাভ?”

    “জানি না। তবে একটা কথা আমার মনে হচ্ছে।”

    “কীরকম কথা?”

    “উত্তরের ওই অন্দরমহলটা তৈরি হয়েছিল অনেক আগে। মানে এই প্রাসাদগুলো তৈরি হবার বহু আগে এবং বিশেষ কোনো কারণে তৈরি হয়েছিল। শুধু কয়েকটা মানুষের থাকার জন্যে নয়। সম্ভবত এমন কিছু হত ওখানে যেটা লোকসমাজে রটে গেলে বড়সড় সমস্যা হতে পারত।”

    ঘরের বাতাস ক্রমশ ভারি হয়ে উঠছে। একটা চাপা অস্বস্তি শুরু হয়েছে সুনন্দার। সে নিচু গলায় বলে, “কী হত বলে মনে হয় তোমার?”

    “এমন একটা কিছু যার সন্ধান পায় কন্দর্প। সম্ভবত ওই ঘরে সে নিজে ও ঢুকেছিল। কিছু একটা আন্দাজ পেয়েছিল। কিছুর একটা খোঁজ করছিল সে যেটাকে লোকে উইচক্র্যাফট বলে ভুল করে। পেয়েছিল কিনা, তারপর খুঁজে পেতে কী হল সেটা আর জানতে পারছি না। তবে আঠেরোশো তিরিশে কুড়িজন এসাসিনেটারের শরীর দীঘির জলে যখন ভেসে ওঠে তখন সে পাড়ে দাঁড়িয়েছিল।”

    থমথমে গলায় উত্তর দেয় সুনন্দা, “মানে বলতে চাইছ উইচক্র্যাফট শিখেই সে অতগুলো ডাকাতকে কাবু করে?”

    “না। সে নিজে প্রায় কিছুই করেনি। করেছিল সেই নারীমূর্তি। যাকে তুলি দেখেছে, অতীন দেখেছে এবং এই বাড়িতে এর আগে চারজনের মৃত্যুর পিছনেও তারই হাত ছিল।”

    “কিন্তু সেটা অসম্ভব। কন্দর্প যদি সত্যি উইচক্র্যাফট শিখেও থাকে তাহলেও এটুকু নিশ্চিত যে আজ সে বেঁচে নেই। তাহলে?”

    “এমনও হতে পারে কন্দর্পের পদ্ধতি অন্য কেউ অবলম্বন করছে। কোনোভাবে হয়তো সেটা জানতে পেরেই খুনগুলো করেছে সে।”

    “এগুলো বড্ড বেশি অবাস্তব হয়ে যাচ্ছে পায়েল। তুমি নিজেও জানো উইচক্র্যাফট বলে কিছু হয় না। অন্তত এ যুগের মেয়ে হয়ে কয়েকটা মৃত্যু এক্সপ্লেন না করতে পেরে উইচক্র্যাফট বলে চালানো তোমার সাজে না।”

    পায়েলের গম্ভীর হয়ে আসা মুখে এবার এক টুকরো হাসি খেলে যায়, পকেট থেকে একটা সিগারেট বের করে সেটা ধরিয়ে বলে, “ঠিক বলেছ, উলটোপালটা ভাবতে শুরু করেছি। আসলে এতগুলো প্রশ্ন এমন ঘেঁটে দিয়েছে না, যে কিছুই ভেবে উঠতে পারছি না। আর ভেবে কাজ নেই অবশ্য। আমার যাবার ডাক এসে গেছে।”

    “সেকি! বাড়ি চলে যাবে!”

    “ইয়েস।” সিগারেটে আরামের লম্বা টান দিল পায়েল, “বাবা আজই ফোন করেছিল। বলল দিন তিনেকের মধ্যে ব্যাক টু শান্তিনিকেতন।”

    “যাঃ, তারপর আর তোমার সঙ্গে দেখা হবে না।”

    “তাতে তোমার কি, তুমি সংসারী মানুষ। আজ তো আবার তিনি চলেও আসছেন।”

    “সে আসুক। কাউকে দিয়ে কাউকে রিপ্লেস করা যায় না।”

    সুনন্দার মনটা খারাপ হয়ে গেছিল। কিছুক্ষণ চুপ করে বসে থাকল সে। এই ক’দিনে পায়েলের সঙ্গে বেশ একটা বন্ধুত্ব হয়ে গেছিল। এখানে সবাই তার অচেনা। এমনকি পায়েল নিজেও। তা সত্ত্বেও এক-একজন মানুষ থাকে যাদের ভিতরে তাড়াতাড়ি কাছে চলে আসার একটা অলৌকিক ক্ষমতা থাকে। তারা যে খুব মিশুকে তা নয়, খুব যত্নশীল তাও নয় তবু। তবে তাদের হাসিটা অনেক অন্ধকারের মধ্যেও ভরসা জোগাতে পারে।

    সনাতন খাবারের থালা নিয়ে ঘরে ঢুকেছিল। সে তুলির দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল, “দিম্মনির কী হয়েচে?”

    “তেমন কিছু না। একটু শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল।”

    টেবিলের উপরে দুটো প্লেট রেখে সনাতন বলে,”আপনারা অন্দরমওলের দিকে গেচিলেন?”

    একটা ছোটোখাটো কম্পন অনুভব করে সুনন্দা বুকের মাঝে। মুখ তুলে বলে, “হ্যাঁ। ওই একটু দেখার ইচ্ছা হয়েছিল ভিতরে কী আছে।”

    “রমেনবাবুও খুব যেতেন। শেষে আমি মানা করতে আর যাননি।”

    “রমেন কে?” পায়েল প্রশ্ন করে।

    “ওই যে চার্চে যিনি আছেন এখন।”

    “চার্চের ফাদার?” দু’জনে প্রায় একসঙ্গে প্রশ্ন করে।

    “আজ্ঞে হ্যাঁ। একদিন রাতের বেলা ঘুম ভেঙি গেল, তো একতলায় পেসাপ করতে গে দেখি বাবু একটা আলোয়ান জড়িয়ে প্রাসাদের ফাঁক দি বেরিয়ে আসচেন। আমি ভাবলাম জোরে ডাকি, শেষে তার পিচু পিচু গেলাম। দেকি তিনি চোরের মতো মহলের দিকে যাচ্ছেন। আমি তকন দৌড়ে গিয়ে তাকে ধরতে তিনি ঘাবড়িয়ে গেলেন। প্রথমে টাকা দিতে চাইলেন। আমি বললুম আর যদি কোনোদিন ওভাবে চোরের মতো ওখানে না যায় তাহলে কাউকে। আজকেরের কথা বলব না।”

    “তাহলে আমাদের বললে যে।”

    সনাতন হাসল। তারপর ঘর থেকে বেরোতে বেরোতে বলল, “আপনারা আজ গেছিলেন যে। আমার ভারী জানতে ইচ্ছা করে ওখানে কী আছে যে সবাই যায়।”

    পায়েল আর সুনন্দা একবার দু’জনে চোখাচোখি করে নেয়। তারপর বলে, “তেমন কিছু নেই। কিছু পুরনো সিন্দুক আছে। সবাই ভাবে তার ভিতরে হয়তো এখনও রত্ন-টতু আছে।”

    “ও…”

    উত্তরটা খুব একটা যে পছন্দ হয় না সনাতনের সেটা বোঝা যায়। আর কিছু জিজ্ঞেস না করে ঘর থেকে বেরিয়ে যায় সে।

    পায়েল একবার দরজাটা দেখে এসে বলে, “মালটা কি ঘাঘু দেখেছ? আমাদের দেখে ফেলেছে সেটা চেপে রেখেছিল পেট থেকে কথা বের করবে বলে।”

    “তুমি তার থেকে বড় ঘাঘু, বের করলে কোথায়?”

    বিজয়ীর হাসি হাসে পায়েল, তারপর একটু গম্ভীর হয়ে বলে, “কিন্তু ফাদার ওখানে কী ধান্দায় যেত বলতো? কিছু জানতে পেরেছিল নাকি?”

    “জানাটা অস্বাভাবিক নয়। চার্চের নিজস্ব কিছু রেকর্ড বুক থাকে। সেখান থেকে অতীতের কিছু ঘটনা জেনে থাকতে পারে। ঘরটার কথাও হয়তো জানে।”

    “তাহলে আজ একবার দেখা দিয়ে আসি? কি বল?”

    “বেশ। বিকেলের দিকে যেও। এখন খেয়ে নাও।”

    বিছানা থেকে উঠে একবার প্লেটের দিকে উঁকি মারে পায়েল। তারপর হতাশ হয়ে বলে, “ধুর… শুকনো রুটি, পেঁয়াজকলি ভাজা আর চাটনি। এই নাকি শালা জমিদারবাড়ির খাওয়া।”

    “মাত্র দু’শো বছর লেট করে ফেলেছো জন্মাতে। তখন এ বাড়িতে থাকে দেখতে খাওয়া কাকে বলে।”

    বিরক্তি ভরা মুখে প্লেটটা টেনে নিয়ে একটুকরো রুটি মুখে দেয়। তারপর সেটা চেবাতে চেবাতে বলে, “যাই বল তুমি। এই সনাতন বুড়োটার রান্না হাত একেবারে যাচ্ছেতাই। সবজি খাইয়ে খাইয়ে পেটে গ্রিন রিভোলিউশান ধরিয়ে দিল শালাটা।”

    “তা তোমার কী খেতে ভালো লাগে?”

    হাতে করে রুটি মুখের কাছে তুলে এনেছিল পায়েল। সেটা নামিয়ে রেখে খুশি খুশি মুখে বলল, “কোল্ড কফি।”

    “ধুর, ওসব এখানে কোথায় পাব?”

    পায়েল চোখ বড়বড় করে বলে, “এই, পাবে মানে? তুমি কি আমাকে খাওয়াবে ভাবছ নাকি? “

    “ধর যদি খাওয়াই?” সুনন্দা চাটনি চাটতে চাটতে বলে, “মানে তুমি চলে যাবার আগে ভাবছি একদিন রান্না করে খাওয়াবো তোমাকে।

    “তাহলে…” পায়েল কয়েক সেকেণ্ড ভেবে নেয়। তারপর বলে, “ফ্রায়েড রাইস বানাতে পারো? আর ঝাল ঝাল করে চিলি চিকেন? “

    “হুঃ, ওসব তো বাচ্চারাও পারে।”

    “ব্যস। ওই খাইয়ে দাও। তোমাকে আশীর্বাদ করে যাব।”

    “বাবা! তা কী আশীর্বাদ করবেন গুরুদেব?”

    ‘সেটা আগে খাওয়াও তারপর বলে দেব না হয়।”

    “বেশ।”

    এবার বেশ খুশি মনে খেতে লাগল পায়েল। সুনন্দা তার মুখের দিকে তাকিয়ে অল্প হাসল।

    তুলি এতক্ষণে উঠে বসেছে। সে দুহাতে চোখ রগড়ে সুনন্দার দিকে তাকিয়ে বলল, “আমার তো খিদে পেয়েছে।”

    সুনন্দা মাটি থেকে উঠে নিজের প্লেট থেকে একটু রুটি ছিঁড়ে তার মুখে ঢুকিয়ে দিয়ে বলল, “এখন আর কষ্ট হচ্ছে না তো?”

    “না।” তুলি চিবাতে চিবাতে বলল, “আমি আর ওখানে যাব না। খুব ধুলো।”

    “না না। পাগল নাকি? আর যাই ওখানে?”

    পায়েল তার দিকে ফিরে বলল, “হ্যাঁরে বাবু। সেদিন তুই যাকে দেখতে পেয়েছিলি, সেই যে একটা মেয়ে, তাকে আর কোনোদিন দেখতে পেয়েছিস?” তুলির ফ্যাকাসে মুখে একটা অস্বস্তির রেখা দেখা দেয়। ধীরে ধীরে উপরে নিচে মাথা নাড়ায় সে।

    “কবে?” সুনন্দা জিজ্ঞেস করে।

    “আজ একটু আগে। ওর ভিতরে।” আঙুল দিয়ে অন্দরমহলটা দেখিয়ে দেয় তুলি।

    সুনন্দা আরও কিছু জিজ্ঞেস করতে যাচ্ছিল। পায়েল চোখের ইশারায় বারণ করে তাকে। তুলির পাশে বসে তাকে খাওয়াতে থাকে সুনন্দা।

    উলটো দিকে ঘুরে বসে কি যেন বিড়বিড় করে পায়েল। অস্পষ্ট হলেও শব্দগুলো শুনতে পায় সুনন্দা,

    “পাঁচটা খুন। চারটে আলাদা দশকে। যেন সব ক’টাই হয় দুর্ঘটনা না হয় আত্মহত্যা। একজন সিঁড়ি থেকে পড়ে, একজন জলে ডুবে, একজন কুয়োতে পড়ে আর বাকি দু’জন গলায় দড়ি… এদের মধ্যে কোনো যোগসূত্র নেই… নাকি আছে? আছে… নিশ্চয়ই আছে… কী হতে পারে? কী… কী…

    আচমকাই প্লেট বিছানায় রেখে প্রায় লাফিয়ে ওঠে পায়েল, “আছে, একটা ভয়ানক মিল আছে। ইশশ্… এতক্ষণ দেখতে পাইনি! কত বড় গাধা আমি… সুনন্দা কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই সুনন্দার দিকে ফেরে সে, “সুনন্দাদি, বড়বাজারের শশীবাবুর কীসের দোকান ছিল?”

    “মশলার।” সঙ্গে সঙ্গে জবাব দেয় সুনন্দা।

    “মশলার…” পায়েলের চোখ দুটো মুহূর্তে নিষ্প্রভ দেখায়, “মশলা হলে তো…’

    “কী ব্যাপার বলতো? কিছু হয়েছে?”

    “নাঃ, একটু এক্সাইটেড হয়ে গেছিলাম। “

    কথাটা বলে খাবারে মন দেয় পায়েল। অস্বাভাবিক রকম হতাশ দেখায় তাকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Next Article হেঁটে যাই জনমভর – সেলিনা হোসেন

    Related Articles

    সায়ক আমান

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026
    সায়ক আমান

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }