Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    April 25, 2026

    মন্দ মেয়ের উপাখ্যান – সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী এক পাতা গল্প258 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঠাকুরদার বাড়ি – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    ছটা নারকেলগাছে জ্যোৎস্না ঘাই দিচ্ছে । আমার ঠাকুরদার বাড়ির এই জ্যোৎস্না আমি চিনি । ষোল বছর বয়েস পর্যন্ত বছর-ভর এই এক পূর্ণিমাই আমি দেখেছি ।

    জ্যোৎস্নায় চকচকে পিতলের গাড়ুটা দোতলার চৌবাচ্চার গা-ঘেঁসে তেমনই আছে । আমার ঠাকুরদার শেষ রাতের নিত্যসঙ্গী । শীত-গ্রীষ্ম বারো মাস ।

    বড় জ্যাঠাবাবুর গাড়ু গোলগাল । এখন বৈদ্যবাটিতে তাঁর নিজের বাড়িতে । যদিও তিনি বা তাঁর ছেলেরা আর গাড়ু নেন না, বাথরুমে জলের ট্যাপ আছে । তাঁর পাঁচটিই ছেলে । একজন বিদেশে, একজন হলদিয়ায়, একজন পুণায় ক্যামেরা ঘোরানো শেখে । বাকি দুজন এখনও বউ নিয়ে পৈতৃক ভিটেয় ।

    মেজো জ্যাঠা চন্দননগরে বাড়ি করে উঠে গেছেন ।

    আমি সেজোজনের একমাত্র ছেলে । গোল পার্কে ওয়ান বেডরুমের ফ্ল্যাটে স্ত্রী ও এক মেয়ে নিয়ে নির্জনবাস করি । বাবা-মা উত্তরপাড়ায় একতলা ভাড়া দিয়ে অর্ধেক-তোলা দোতলায় আকাশ ধরে ঝুলে আছেন ।

    নকাকা যাত্রার পার্ট করতেন । ঠাকুরদা মারা গেলে কাকা-জ্যাঠারা আজ ইনি কাল উনি বাড়ি ছেড়ে চলে যান । নকাকা প্রৌঢ় বয়েসে কাকিমা ও তিন মেয়ে নিয়ে বর্ধমানে এক প্রাক্তন জমিদারের পুকুর-জমি তদারকির কাজ জুটিয়ে চলে গেছেন ।

    রাঙাকাকা স্থানীয় হাইস্কুলের শিক্ষক । শ্রীরামপুরেই রেললাইনের ওপারে বাড়ি তুলেছেন । বিরাট বৈঠকখানা । তাতে একসঙ্গে অনেক ছাত্র পড়ানোর সুবিধে ।

    নতুন কাকাকে আমার ছেলেবেলায় পুজো-প্যান্ডেলে আফ্রিকা ও পৃথিবী আবৃত্তি করতে শুনেছি । তারপর রেলের চাকরি । ঠাকুরদার পরে খালি ঘরে তালা দিয়ে স্ত্রী-পুত্রকে নিয়ে যান ।

    একুশ বছর পর আমি শ্রীরামপুরে এসেছি । ছেলেবেলার বাড়িতে । ছেলেবেলার বাড়ি মানে আমার ঠাকুরদা ও তাঁর আট ছেলের বাড়ি । ঠাকুরদার লম্বাটে গড়নের গাড়ুটা দেখলাম মণিকাকা ব্যবহার করছেন । পোস্ট-অফিসের কেরানি, ছোট ভাইয়ের সঙ্গে পৈতৃক বাড়িতেই রয়ে গেছেন ।

    বড় জ্যাঠাবাবুদের পাশাপাশি দুটো ঘরেও তালা । ঝুল বারান্দায় মরা মাধবীলতার শুকনো শিরা-উপশিরা আজও দড়ি বেঁধে টেনে রাখা আছে ।

    সাত ঘর ছোঁয়া রাজপথের মতো যে বিরাট বারান্দায় আমরা আঠেরো-কুড়িটি বালক-বালিকা দুবেলা পাঠশালা জুড়তাম, সেটার কোণে-কোণে এখন মাকড়শা-আরশোলার কলোনি । ওয়্যারিং ঝুলে গেছে । সন্ধে থেকে অন্ধকার ।

    একতলার বারান্দায়, ঠিক এটারই নীচে, একসঙ্গে আঠাশ-তিরিশটা পাত পড়ত । এখন একটা মাত্র জিরো পাওয়ার টিম-টিম করে, না-হলে ঘরের দরজা খুঁজে পাওয়া যায় না ।

    এক পাশে ঝুনো নারকেলের স্তূপ । ছটা গাছের সারা বছরের নারকেল! বাগদিপাড়ার গয়ানাথ এসে নিয়ে যাবে । নারকেল-বেচা টাকা থেকে নিজেদের দু-ভাগ কেটে রেখে মণিকাকা ছ-ভাইয়ের নামে-নামে মনি অর্ডার পাঠাবেন । প্রতি বছর পাঠান ।

    কিছু নারকেল আর কিছু জ্যোৎস্না নিয়ে ওই গাছকটাই যা আগের মতো । আর সব বদলেছে । এই বাড়ি কি সেই বাড়ি? বাসিন্দার সংখ্যাও সাড়ে তিন । মণিকাকা, ছোটকাকা, তাঁর স্ত্রী ও একটি মেয়ে । অত বড় বাড়িতে একটি মাত্র শিশু!

    আমার ঠাকুরদার নাম সূর্যকান্ত কাব্যতীর্থ । আসল পদবী চক্রবর্তী । ও-রকম শুদ্ধউচ্চারণ স্বাস্থ্যবান হেড পণ্ডিত আমি দ্বিতীয় দেখিনি । সৎ হয়েও তিনি স্কুল থেকে রিটায়ার করে একতলাকে দোতলা করেছেন । সকাল থেকে সন্ধে নিজে মিস্ত্রিদের সঙ্গে থেকেছেন, এক মুঠো বালি থেকে এক কণা সিমেন্ট খসতে দেননি ।

    শুধু বাড়ি তৈরির ব্যাপারেই নয়, বাড়ির সব কাজেই তিনি ছিলেন নিষ্ঠাবান সুপারভাইজার । সবদিকে তাঁর নজর । তাঁর শাসনে তাঁর পুত্রবধুরা একটি সরষেদানার অপচয়েও সন্ত্রস্ত থাকতেন । তিলেক অপচয় তিনি সহ্য করতে পারতেন না ।

    ঠাকুরদার একটা জেদ ছিল । তাঁর জীবদ্দশায় তাঁর কোনও ছেলের আলাদা বাড়ি তো দূরের কথা, আলাদা হেঁসেলও চলবে না । যৌথ পরিবারের লোকবলের দিকটা তাঁর কাছে খুব বড় ব্যাপার ছিল । তিনি স্বপ্ন দেখতেন, তাঁর পুত্র-পৌত্র-প্রপৌত্ররা বংশানুক্রমে এই বাড়িতেই জীবন কাটাবে । কোন প্রতিবেশীর বাড়িতে কোন ছেলে বউ নিয়ে আলাদা হয়ে গেছে শুনলে দীর্ঘ বারান্দায় তাঁর খড়ম পায়ে পায়চারি শোনা যেত অনেকক্ষণ । তিনি তিনতলার ভিত দিয়েছিলেন ।

    ঠাকুমার শ্রাদ্ধে ধূপধুনোর ধোঁয়ার মধ্যে আমার বাবা-জ্যাঠাদের আটটি মুণ্ডিত মস্তককে উদ্দেশ্য করে ঠাকুরদা বলেছিলেন, আমার শ্রাদ্ধেও আমি পরলোক থেকে তোমাদের এই রকম একত্রিত দেখতে চাই । লোকবলই শ্রেষ্ঠ বল ।

    বলে তিনি পুত্রবধূদের দিকে একবার বিরূপ চোখে তাকিয়েছিলেন ।

    ভোরবেলা গরু বের করা ছিল মণিকাকার কাজ । গোয়ালঘর থেকে বাইরের চাতালে । বাতাবিতলায় । ভোরে ঠাকুরদার সংস্কৃত মন্ত্রের সঙ্গে হাম্বা-হাম্বা আমার এমন অভ্যেস হয়ে গিয়েছিল যে জামাইষষ্ঠীতে এক রাতের জন্যও মামার বাড়িতে থাকতে আমার একটু অসুবিধে হত ।

    মণিকাকা নিজে খড় কাটতেন, খোল ভেজাতেন । চাতালের বাঁধানো মাটির গামলায় গরুর জাবনা দিয়ে দাঁতন মুখে সোজা গঙ্গায় । তারপর বড় জ্যাঠাইমার রান্না ভাত ডাল মাছের ঝোল ও মেজজ্যাঠাইমার সাজা পান খেয়ে পোস্টঅফিসে ।

    বড়দের আপিশ, ছোটদের ইস্কুল, অতএব রান্না শুরু হত শেষরাতে । বড় জ্যাঠাইমা উনুনে ভাত চড়িয়ে রান্নাঘরের মেঝেয় আঁচল বিছিয়ে একটু ঘুমিয়ে নিতেন । ভাত ফোটার শব্দে ঠিক তাঁর ঘুম ভেঙে যেত ।

    আলো ফুটলে তিনি রাঙাকাকার হাতে বাজারের থলে ধরিয়ে কানে ফর্দ পড়িয়ে দিতেন । রাঙাকাকা ঠাকুরদার কাছ থেকে বরাদ্দ টাকা নিয়ে বাজারে যেতেন । বাজার এলে অন্য বউয়েরা শিল-নোড়া নিয়ে বসে যেতেন । গয়লা এসে গরু দুইয়ে দিত ।

    জলখাবার, আপিশের ভাত, ইস্কুলের ভাত, ছেলেদের টিফিন, নিজেদের খাওয়া— সবশেষ হতে বেলা আড়াইটে-তিনটে ।

    ওবেলার রান্নার দায়িত্ব একেক দিন একেক জনের পালা করে । তখন বড় জ্যাঠাইমার ছুটি । সন্ধে হতেই তিনি আমাদের আঠেরো-কুড়িজনকে ডেকে নিয়ে পড়াতে বসতেন বারান্দায় । আমার ছোট দু-কাকাকে তিনিই কোলে-পিঠে করে মানুষ করেছেন । আমার মা আমাদের সকলকে ছবি আঁকা শেখাতেন, তাঁর আঁকার হাত ছিল চমৎকার । হাতের লেখা সুন্দর করতে আমরা তাঁর কাছেই শিখেছি । আমার, বড়দার (বড় জ্যাঠাবাবুর বড় ছেলে) ও কেতকীর (মেজো জ্যাঠার মেয়ে) হাতের লেখা দেখিয়ে আমার মা তাঁর জায়েদের কাছে গর্ব করতেন ।

    অসুখ-বিসুখে সেবা করতে ন-কাকিমার জুড়ি ছিল না । শুধু তাঁর সেবা-যত্নের লোভে আমি ছেলেবেলায় অনেক দিন মনে মনে জ্বর চেয়েছি । ন-কাকার চাকরি ভাল লাগত না, তিনি তিনবার চাকরি ছেড়েছেন । যাত্রা করতেন বলে কাকিমাকে অনেক দুঃখ সইতে হত । বিশেষ করে ঠাকুরদাকে লুকিয়ে রিষড়ায় কি ভদ্রেশ্বরে সারারাত যাত্রা করে এসে যেদিন তিনি ভোরে ঠাকুরদার কাছে ধরা পড়ে যেতেন, সেদিন তাঁর ও কাকিমার লাঞ্ছনার শেষ থাকত না । ঠাকুরদার বকুনি তো মেঘগর্জন, শুনে আমরা ছোটর দল যে যার বিছানায় ঘুম ভেঙে ভয়ে ও উত্তেজনায় উৎকর্ণ হয়ে থাকতাম । ঠাকুরদা কাকিমাকেও বকতেন, কেন তিনি আগেই ঠাকুরদাকে জানিয়ে দেননি ।

    একদিন, সেও ভোরবেলা, ঠাকুরদা প্রাতঃকৃত্য সেরে, শুচি বসনে, পুবমুখো আসনে, উদাত্ত স্বরে স্তোত্র পাঠ করছেন, এমন সময় নীচে আরও উদাত্ত, আরও জলদ কাবুলির গলার শোনা গেল । নীলকান্তবাবুকে ডাকছে । নীলকান্ত ন-কাকার নাম ।

    ঠাকুরদা পড়েই চলেছেন, তবে খুব দ্রুত, কাবুলিটাও উত্তরোত্তর গলা চড়াচ্ছে, হঠাৎ খিড়কির দরজা দিয়ে ন-কাকাকে পালাতে দেখে স্তোত্র পাঠ থেমে যায় । পঁচাত্তর বছরের ঠাকুরদা সাত লাফে সিঁড়ি ভেঙে বাঘের থাবায় ন-কাকার ঘাড় ধরলেন ।

    — বাড়িতে কাবলি কেন?

    ন-কাকা ভ্যাবাচ্যাকা খাওয়া চোখে ঠাকুরদার দিকে শুধু চেয়ে আছেন ।

    — টাকা নিয়ে কী করেছিস? টাকার তোর দরকার পড়ল কিসে?

    ন-কাকার মুখে কথা নেই ।

    — তোর বাবা বেঁচে নেই? রোজগেরে দাদারা নেই? তুই গেছিস কাবলির কাছে টাকা নিতে!

    বাঁ হাতে চুলের মুঠি ধরে ডান হাতে তিনি ন-কাকার গালে ঠাস-ঠাস চড় কষাতে লাগলেন । সেদিন বড় জ্যাঠাবাবু, মেজ জ্যাঠা, আমার বাবা ও রাঙাকাকাও ঠাকুরদার চড়-ঘুঁষি খেয়েছিলেন । তাঁরা ন-কাকাকে বাঁচাতে এসেছিলেন । মণিকাকা গরুর জাবনা মাখা হাতে ছুটে এসেছিলেন, ঠাকুরদার চড় থেকে মুখ বাঁচাতে তাঁর সারা মুখে খোল-ভূষি লেপে যায় ।

    ন-কাকা কাকিমাকে রুপোর মল কিনে দিয়েছিলেন । সে দায়িত্ব তাঁর নয় ।

    এমার্জেন্সি ভাণ্ডার থেকে ঠাকুরদা সেদিন কাবলির টাকা মিটিয়ে দিয়েছিলেন ।

    নানা খাতে ঠাকুরদা আলাদা-আলাদা টাকা রাখতেন । ওষুধ-ডাক্তার, অতিথি-অভ্যাগত, রোববারের মাংস ও বাড়তি বাজার ইত্যাদি । সংসার খরচের জন্য তিনি শুধুমাত্র রোজগেরে ছেলেদের কাছ থেকে তাদের আয়ের মাত্র ২৫ শতাংশ নিতেন । তাছাড়া প্রত্যেক মাসে মাথাপিছু পাঁচ টাকা নিয়ে পোস্টঅফিসের ক্যাশ সার্টিফিকেট কিনে রাখতেন, ভবিষ্যতে কোনও নাতনির বিয়ের খরচ কম পড়লে ওই টাকা থেকে কাজ চালানো যাবে । তাঁর নিজের শ্রাদ্ধের খরচ পোস্টঅফিসে সুদে বাড়ছিল ।

    রোববার বা যে-কোনও ছুটির দিনে খাবার বারান্দাকে মনে হত নেমন্তন্ন বাড়ি । সেদিন বাড়ির সব বউ একসঙ্গে পরিবেশন করতেন । বড় জ্যাঠাইমা রান্নাঘরে বসে গামলায় একেকটি পদ তুলে দিতেন, আর মাছি তাড়াতেন । রাঙাকাকিমার তেমন কাজে খ্যাতি ছিল না । একটু কুঁড়েও ছিলেন । সাজতে খুব ভালোবাসতেন । তাঁর গানের গলা ছিল । বিয়ের আগে নাকি দুয়েকবার রেডিওয় অতুলপ্রসাদ গেয়েছিলেন । তিনি শুধু লেবুটা নুনটা দিয়ে যেতেন । খুব বেশি হলে, জলের জগ । নতুন কাকা একদিন খাবার পাতে কচি, রসহীন লেবু পেয়ে খাওয়া ছেড়ে উঠে যান । খাওয়ার ব্যাপারে তাঁর খুব খুঁতখুঁতুনি ছিল । পরে একদিন ওই রাঙাকাকিমার হাতেই তাঁর সঞ্চয়িতার পাতা ছিঁড়ে যাওয়ায় তিনি রাঙাকাকিমাকে খোঁটা দিয়ে কথা বলেন । সেই থেকে রাঙা-কাকাদের সঙ্গে তাঁর কথা বন্ধ । যেদিন রেলের চাকরি নিয়ে চলে যাচ্ছেন, আমি তাঁর ব্যাগ, সুটকেশ রিকশায় তুলে দিচ্ছি, রাঙাকাকিমা তাঁর জানলা থেকে আমাকে হাতছানি দিলেন, কাছে যেতে বললেন, ও কোথায় যাচ্ছে রে?

    — তুমি জানো না?

    — আমাকে কিছু বলে, না জানায়! সুটকেশ-টুটকেশ নিয়ে কোথায় চলল?

    — রেলের চাকরি পেয়েছে, শিলিগুড়ি যাচ্ছে ।

    ততদিনে আরও অনেকেই বাড়ি ছেড়েছেন । বড় জ্যাঠাবাবু বৈদ্যবাটিতে ।

    মেজো চন্দননগরে । আমার বাবা উত্তরপাড়ায় জানলা বসাচ্ছেন । তখনও ঠাকুরদার শ্রাদ্ধের পর বছর ঘোরেনি ।

    নতুনকাকা পরের বছর এসে বউ-ছেলেকে নিয়ে যান ।

    এই নতুনকাকাই যেদিন কাগজে তাঁর আই এস সির রেজাল্ট দেখে এসে ছোট বৈঠকখানায় ঝাঁপিয়ে পড়ে কেঁদে উঠেছিলেন, সেদিন তাঁর সব বৌদি মিলে যেভাবে তাঁকে সান্ত্বনা দিয়েছিলেন তার কোনও তুলনা হয় না । অনেকটা রামায়ণ-মহাভারতের যুগের মতো । ঠাকুরদা তাঁর এই আদরের ছেলেটিকে বেকার অবস্থায় বিয়ে দিয়েছিলেন, হাত খরচের টাকাও বরাদ্দ করেছিলেন, কিন্তু নতুন বউয়ের মনে বেকার স্বামীর জন্য কোনও গ্লানি জমতে দেননি তাঁর বৌদিরাই । কোনও ইন্টারভিউয়ের পর বাড়িতে পিওন এলে সবাই লাফিয়ে উঠেছেন, বুঝি নতুন ঠাকুরপোর চাকরি হল ।

    সেই মন, সেই যুগ একদিন ঝরে যায় । ঠাকুরদার শেষ ক-বছর ভাইয়ে-ভাইয়ে, বউয়ে-বউয়ে তিক্ততা, হাজারও খিটিমিটি রোজকার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছিল ।

    সামান্য দুধের ভাগ নিয়েও ঈর্ষা দেখেছি । মেজো নিশ্চয়ই ওর ছেলের জন্য আজ এক পো দুধ বেশি সরিয়েছে!— এই সন্দেহও শুনেছি । আমি কি সারা জীবন শুধু হেঁসেল নিয়েই পড়ে থাকব! কেন, মেজো কি একদিন উনুন ধরাতেও পারে না? একবেলা বাসন মাজলে সেজোর কি ছবি আঁকার আঙুল নষ্ট হয়ে যাবে? রাঙা কী অত গানের গলা দেখায়! দিনভর ছেলেদের পিছনে এমন গলা ফাটাতে হলে দেখা যেত! বড়রই বা অত গুমর কিসের? বাবা তো দেখছি সব চাবিই একে-একে ওর আঁচলেই বাঁধছেন! ভিমরতি!

    তারপর শুরু হয় এঘরে হরলিকস, ওঘরে মাখন, সেঘরে জ্যাম-জেলি— আলাদা আলাদা বিশেষ বিশেষ ব্যবস্থা ।

    ও কেন এত কম টাকা দেবে? সে কেন বসে বসে খাবে? ও কেন সারা রাত আলো জ্বেলে রাখে? সে কেন সারা সন্ধে বন্ধু নিয়ে বৈঠকখানা আটকে রাখে? ও কেন অত ভোরে বেরোয়, সে কেন অত রাত করে ফেরে, আমার বউয়ের অন্য কাজ নেই? এক ধরনের হীনতায় বাড়ি ম-ম করে । অশান্তিতে বাড়ি থম মেরে থাকে ।

    বড় জ্যাঠাবাবু একদিন ঠাকুরদাকে বললেন, আপনি এসব বুঝতে চান না, কিন্তু ছেলেরা বড় হয়েছে, রোজ রোজ এত অশান্তি ওরা সহ্য করবে কেন?

    রাঙাকাকা একদিন বললেন, আপনি চোখ বুজে থাকেন কিন্তু এরকম পরিবেশে মেয়েদের মানুষ করা শক্ত!

    নতুনকাকা বললেন, বাবা! আপনি যদি সম্মতি দেন, আমি রেণুকে নিয়ে গঙ্গায় ঝাঁপ দিই, বাড়ির সবাই যখন তাই চাইছে!

    ছোটকাকা অনার্সে গোল্ড মেডেল পেয়ে সংস্কৃতে এম-এ পড়ছিলেন, বললেন, বস্তিতে থেকে সংস্কৃত চর্চা হয় না । তার চেয়ে পড়াশুনো ছেড়ে দোকানে খাতা লেখাও ভালো । বড়দা মেজদারাও তো চায়, পড়া ছেড়ে যাহোক একটা চাকরি করি । লেখাপড়া তো শুধু ওদের ছেলেদের জন্য । বেশ, তাই হবে!

    শেষদিকে ঠাকুরদাও আর তেমন দাবাথাপা ছিলেন না । তাঁর পেশী শিথিল, মন ঝিমনো, বেশিরভাগ সময় একা চুপচাপ বসে বসে শুধু ভাবেন । কখনও খড়মের খট খট শোনা যায়, ঘণ্টার পর ঘণ্টা । আগের মতোই শেষ রাতে ওঠেন, কাপড়ের খুট গায়ে দিয়ে পায়খানা যান, শুচি বসনে পুবমুখো হয়ে সংস্কৃত স্তোত্র পড়েন, বাজারের টাকা বের করে দেন । কারও বাড়ি ফিরতে দেরি হলে যথারীতি বার বার উঠে এসে খোঁজ নেন, ফিরেছে কিনা ।

    তাঁর ঘুম কমে গিয়েছিল । মাঝরাতে তাঁর ঘরের সামনের জ্যোৎস্না ভেঙে চৌবাচ্চার দিকে যেতে যেতে আমি অনেক দিন শুনেছি, তিনি একা ঘরে কার সঙ্গে কথা বলছেন । অত রাতে, একা কার সঙ্গে? ঠাকুমার সঙ্গে কি?

    ছেলেদের অনুনয় করেন, আমি বেঁচে থাকতে তোরা আলাদা হোসনি । আর তো কদিন ।

    তারপর খড়মের খট-খট ।

    মারা যাবার আগে তিনি উইল করে যান, বাড়ির কোনও অংশ ভাড়া দেওয়া যাবে না । পার্টিশান তোলা যাবে না ।

    সময়ের উলটো স্রোতে তিনি তাঁর স্বপ্নের খেয়া বইতে চেয়েছিলেন । ভেবেছিলেন এইসব শর্তের দড়ি-দড়ায় ছেলেদের এক জায়গায় বেঁধে রাখবেন ।

    ওই সময়টা ঠাকুরদা ঘন ঘন নস্যি নিতেন । ওটিই তাঁর বড় নেশা, আর দু-বেলা দু-খিলি পান । শেষ দিকে দাঁত ছিল না, নতুন কাকিমা পান থেঁতো করে দিতেন ।

    বাড়িতে চা হত কোনও অতিথি, কি বাড়ির কোনও জামাই এলে । সারা বাড়িতে অতজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ, আমি কোনওদিন কাউকে সিগারেট খেতে দেখিনি ।

    আমরা ছোটরা একদিন সিগারেট খেয়ে মণিকাকার কাছে শাস্তি পাই । দল বেঁধে মাহেশে রথের মেলায় গিয়েছিলাম, সেখানে স্কুলের কালীচরণের প্ররোচনায় দুটো কাঁচি কিনে আমরা আঠেরোজন একটা করে টান দিয়ে খুব কেশেছিলাম । বড়দের চেনা-জানা কেউ দেখে থাকবে, বাড়ি ফিরতেই মণিকাকার মুখোমুখি । তিনি ওত পেতে ছিলেন । শাস্তি ঠিক হয়, পরদিন স্কুল থেকে ফিরে ছাদে আমাদের বলখেলা বন্ধ ।

    গরুর চাতালের বাতাবি লেবু দিয়ে ছাদে ফুটবল খেলা আমাদের বিকেলের সবচেয়ে বড় আনন্দ ছিল । এখন মনে হয়, বিকেলের বিরাট ছাদটাই ছিল আসল আকর্ষণ । এই ছাদ থেকে কতদিন রামধনু দেখেছি । ছাদের এক কোণে মঞ্চ বেঁধে আমরা বাড়ির ছেলেরা অবাক জলপান, লক্ষ্মণের শক্তিশেল করেছি । বুড়োরা আলোর ব্যবস্থা করে দিয়েছেন । কাকি-জ্যেঠিরা আমাদের সাজিয়ে দিয়েছেন । ন’কাকা হতেন প্রম্পটার ।

    ছাদ বলতে, সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে পৌষসংক্রান্তিতে ঘুড়ি ওড়ানো । শ্রীরামপুরে ওটাই ছিল ঘুড়ি ওড়ানোর বড়দিন । আকাশ ঘুড়িতে-ঘুড়িতে ছেয়ে যেত । ঘুড়ি ওড়ানোয় বাড়ির বড়দের উৎসাহ ছোটদের চেয়েও বেশি ছিল । ঘুড়ি ওড়ানো, প্যাঁচ খেলা, ঘুড়ি দিয়ে কাটা-ঘুড়ি লটকে আনার রীতি-পদ্ধতি নিয়ে তাঁদের চিন্তা, গাম্ভীর্য, নিজেদের মধ্যে শলা-পরামর্শ পুরো ব্যাপারটাকে আমাদের চোখে বেশ মর্যাদাবান করে তুলত ।

    পৌষসংক্রান্তির কদিন আগে থেকে বাড়িতে লাটাই পালিশ করা, ঘুড়ি বানানো, সুতো কেনার হিড়িক পড়ে যেত । তার ওপর ছিল ছাদজোড়া সুতো মাঞ্জা দেওয়ার উত্তেজনা । সবুজ বোতল গুঁড়িয়ে মিহি করা, শিরীষ ভেজানো, এইসব আয়োজনে বড়দের সঙ্গে সারাক্ষণ আমরা সেঁটে থাকতাম । সে এক রোমাঞ্চ!

    তারপর পৌষের শেষ দিনটিতে ভোর থেকে আমরা পাখি হয়ে সারা আকাশ চক্কর দিয়ে ফিরতাম । মাঝে মাঝে নিচে নেমে নলেন গুড় দিয়ে গরম গরম চিতুই পিঠে খেয়ে আবার আকাশে । কখনও পুলিপিঠে, কখনও পাটিসাপটাও ব্যস্ত ছোঁয়ে তুলে নিয়েছি ।

    মা-কাকি-জ্যাঠাইমাদের সেদিন চুলে চিরুনি বোলাবার সময় হত না । আগের রাত থেকেই শুরু হয়ে যেত চাল বাটা, নারকেল কোরানো, রাঙা আলু সেদ্ধ করা, হরেক কাজ ।

    সারাদিন খড়মের খট খট তুলে সকলের পিঠে খাওয়া তদারক করে বেড়াতেন ঠাকুরদা ।

    খড়মের খট খট শব্দে আরেকটা বার্ষিক আনন্দের কথা মনে পড়ে । খড়ম সেখানে হরিষে বিষাদ ডেকে আনতো । আমাদের বাড়িতে কালীপুজোয় বাজি পোড়ানো হত ধুম করে । বাজি মানে শুধু তুবড়ি । কাকারা প্রতি বছর তুবড়ির আরও ভালো ফর্মুলা বার করতেন । বসন তুবড়ি, উড়ন তুবড়িতে তাঁদের হাত-যশ অন্য পাড়াতেও রটেছিল । মুস্কিল বাধত ছুঁচোবাজি নিয়ে । ঠাকুরদার কড়া নিষেধ ছিল, ছুঁচোবাজি বানানো চলবে না । কাকারা লুকিয়ে বানাতেন । আমাদের কাজ ছিল, খড়মের খট খট শুনলেই খবরের কাগজ দিয়ে ছুঁচোর মশলা ঢেকে গা দিয়ে আড়াল করে বসা । ছুঁচো পোড়ানোও হত লুকিয়ে-চুরিয়ে ।

    সন্ধে হতেই বাড়ির উঠোনে, ছাদে পর পর অনেকগুলো তুবড়ি জ্বালানো হত । চারদিক আলোয় অলঙ্কৃত হয়ে উঠত । তারপর কাকারা ব্যাগে বাছাই করা তুবড়ি নিয়ে আশপাশের প্রতিবেশীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে জ্বালাতেন । আমরা ছোটরাও সঙ্গে যেতাম! সেই আলোর ফুলকি আমি এখনও চোখ বুজলে দেখতে পাই । বুকের চামড়ায় ছ্যাঁকা দেয় ।

    ভোররাতে স্তোত্র পড়তে পড়তে ঠাকুরদা হঠাৎ থেমে যান । বাড়ির সবাই জেগে উঠে দেখেন, তাঁর মাথা পুবমুখো প্রণামের ভঙ্গিতে মাটিতে ঠুকে রয়েছে । গা ঠান্ডা ।

    তাঁর আট ছেলেকে এক ছাদের নিচে থাকার দায় থেকে মুক্তি দিয়ে ওই শেষবার তিনি আটটি মুণ্ডিত মস্তক একত্রিত দেখেছিলেন ।

    ধূপধুনোর ধোঁয়ায় ছোটকাকার চোখে জল এসেছিল, পুরোহিতের উচ্চারণ শুধরে দিয়ে বললেন, আমার বাবার শ্রাদ্ধে ভুল সংস্কৃত আমি সহ্য করতে পারব না । সময় নিয়ে মন্ত্র পড়ূন!

    ছোটকাকা এখন ওখানকার সবচেয়ে প্রাচীন বিদ্যালয়ে সংস্কৃতের প্রধান শিক্ষক । কানাডায় অধ্যাপনার ডাক এসেছিল, তিনি যাননি । পৈতৃক বাড়ির বেশিটাই জরা ও উইয়ের হাতে ছেড়ে দিয়ে ছোট একটা অংশে তাঁরা দুভাই থাকেন । তিনি, তাঁর স্ত্রী ও এক মেয়ে । ঠাকুরদার ঘরে চিরকুমার মণিকাকা । দুজনেরই সামান্য আয়, বাড়ি সারানোর স্বপ্ন দেখা ছেড়েছেন । আর কেউ তো খোঁজ নেন না ।

    আমি এসেছিলাম আমার মেয়েটাকে দেখাশোনা করার যদি একটা লোক পাওয়া যায় । আশপাশের চেনা-জানা কাউকে পেলে ভালো । বিশ্বাসী, নিজের লোকের মতো থাকবে । মেয়ে দেখবে । বাড়ি পাহারা দেবে । আমার স্ত্রী সামনের মাস থেকে কলকাতা টি ভিতে খবর পড়ার কাজ পেয়েছেন । একা বাড়িতে বাচ্চা রেখে কাজে যাওয়া সম্ভব নয়, আবার এই দুর্মূল্যের বাজারে একার আয়ে সংসার চালানোও অসম্ভব ।

    ছোটকাকা বললেন, এখানে চলে আয় ।

    — তাই কি হয়?

    বলে আমি বাইরে এসে সিগারেট ধরাই । কাকাদের সামনে অনেকক্ষণ সিগারেট খেতে পারিনি ।

    প্রথম প্রকাশ : অমৃত, ৫ আগস্ট, ১৯৭৭

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমন্দ মেয়ের উপাখ্যান – সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    April 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    April 25, 2026
    Our Picks

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    April 25, 2026

    মন্দ মেয়ের উপাখ্যান – সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }