Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    April 25, 2026

    মন্দ মেয়ের উপাখ্যান – সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী এক পাতা গল্প258 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শেতলের খিদে – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    শেতল চুপি চুপি নিজের ঘরে ঢুকতে যাচ্ছে, দেখল কালীপদ পুব-মুখো হয়ে পাশের উঠোনে দাঁড়িয়ে আছে । এত ভোরে পুব-মুখো! শেতলের কাপড়ের নীচে একগোছা ধানের শিস, পেটের কাছটা একটু একটু ফুলে আছে । দাঁড়ালেই কালীপদর চোখে পড়বার ভয়, সেসব ভুলে সে চোখ তীক্ষ্ণ করে কালীপদর মুখ দেখল । যা ভেবেছে, নাক লাল! দিনের প্রথম রোদ লাগাতে উঠে এসেছে । গ্রামের সাঁইতিরিশ জনের চোদ্দ জনই কুষ্ঠরোগী, শেতল আঙুলে গুনে রেখেছে । কালীপদকে নিয়ে পনেরো হল । ভয়ে সে সিঁটিয়ে গেল । কালীপদ তার ঠিক পাশেই থাকে!

    শেতলের সবচেয়ে অসহ্য, নিজের মুখভরা বসন্তের দাগ । এমনিতে শুকনো, প্যাকাটির মতো চেহারা, কিন্তু অসুখকে তার খুব ভয় । গ্রামে কুষ্ঠ লাগতে দেখেই সে পালাবে ঠিক করেছিল । তার নিজের বলতে এই একটা মাটির ঘর । সাহস করে ছাড়তে পারেনি ।

    ঘরে ঢুকে কাপড়ের তলা থেকে কোমরে-গোঁজা ধানের গোছা নামিয়ে রেখে শেতল গভীরভাবে ভাবতে বসল । ধানে তার আর রুচি নেই । একবার অন্যমনস্কভাবে একটা ছড়া তুলে নিয়ে একটা ধান খুঁটে মুখে দিল । মিষ্টি দুধে ভরা । তখুনি থু-থু করে ফেলে দিল । পাশের বাড়িতে কুষ্ঠ, এখানকার কোনও জিনিস আর মুখে দেওয়া যায় না!

    শেষ রাতে বেরিয়েছিল, সকালের হাওয়ায় তার ঘুম পাচ্ছে, বসে বসেই ঢুলতে লাগল । হঠাৎ চিত্তরঞ্জনের কথা মনে পড়ে সে সোজা হয়ে বসে । জায়গাটা ভারি পরিষ্কার, তকতকে রাস্তা, ঝকঝকে ঘরবাড়ি । দু-হাতে চোখ রগড়ে শেতল তখনই চিত্তরঞ্জনের রাস্তা ধরল ।

    হাঁটলে ঘাম হয় । তার ভুরু নেই, ঘাম গড়িয়ে চোখে ঢোকে । হাঁটতে হাঁটতে হাতের বুড়ো আঙুল দিয়ে কপালের ঘাম চেঁছে ফেলে শেতল জিভ দিয়ে দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত বের করে চাটতে লাগল । খিদে পেলে সে নিজের মাড়ির রক্ত টেনে বের করে খায় । ভাত-টাতের খিদে তার আজকাল হয়ই না । একবার বর্ধমান স্টেশনে পকেট মারতে গিয়ে সে প্রচণ্ড মার খায় । ঠিক তিনদিন পরে ট্রেন থেকে একটা টিফিন ক্যারিয়ার নিয়ে পালাতে গিয়ে ধরা পড়ে । পরদিন, সবে সূর্য উঠছে, শেতল তার ঘরে শুয়ে গায়ের ব্যথায় গোঙাতে গোঙাতে দেখল, একটা ভিখিরি নির্জন রাস্তায় তার পোটলা রেখে সামনের ঝোপের মধ্যে পায়খানা করতে বসেছে । একটু পরে দূরে একটা গর্তে বৃষ্টির জল দেখে লোকটা যেই জলের দিকে এগিয়েছে, শেতল ব্যথা ভুলে দৌড়ে গিয়ে পোটলাটা নিয়ে ঘরে ঢুকেই তার মধ্যে যা পেল পেটে ঢুকিয়ে দিল । শুকনো ভাত গলায় আটকে তার চোখ দিয়ে জল গড়াচ্ছে, সেই অবস্থায়ও তার কান ঝাঁ ঝাঁ করে উঠল । ভিখিরিটা তার পোটলা না পেয়ে চিৎকার করে চোরকে গাল দিচ্ছে । আর শাপমন্যি করছে । কয়েকটা গালাগাল আর অভিশাপ এমনকি শেতলও আগে কখনও শোনেনি । লোকটা প্রায় বিকেল পর্যন্ত ওইখানে বসে চিৎকার করল, মাঝে মাঝে গালাগাল থামিয়ে পোটলার জন্য বুক চাপড়ে চাপড়ে কাঁদল, তারপর একসময় চলে গেল ।

    শেতলের ঘরে দরজা-জানলা নেই । সারা সন্ধে ঝিঁঝির ডাক শুনতে শুনতে সে স্পষ্ট বুঝতে পারল, পৃথিবীতে দু-বেলা ভাত জোটানো ভারি শক্ত ব্যাপার । সেই থেকে সে কোনও দিন বন-বাদাড় ঘুরে মরা শালিকের ঝোল খায়, কোনওদিন ডাবের কুঁড়ি সেদ্ধ করে খেয়ে নেয়, যেদিন ধানের ছড়া পায়, চিবোয় । একদিন একটা মরা কাক খেয়ে তিনদিন ধরে বমি করেছিল । আজকাল সে প্রায় কিছুই খায় না, নিজের রক্ত ছাড়া । সারা বছরই তার দাঁত দিয়ে রক্ত পড়ে, জিভ লাগিয়ে টেনে নিলেই হল । একটু নোনতা নোনতা, ভারি সুস্বাদু । খাবার সময় তার মুখ দেখে মনে হয়, স্বপ্নের ঘোরে সে তার সবচেয়ে পছন্দের জিনিসটা তারিয়ে তারিয়ে খাচ্ছে ।

    চিত্তরঞ্জনের বাজারে পৌঁছে শেতল দেখল, পাজামা আর হাওয়াই শার্ট পরা মোটা মতো একটা লোক দু-হাতে বাজার-ভর্তি দুটো থলে নিয়ে থপ থপ করে বেরিয়ে যাচ্ছে । মুখ-গলা ঘামে জ্যাবজেবে । একটা ব্যাগ থেকে রুইয়ের ল্যাজ ঝাঁকুনি খেয়ে নাচছে । শেতলের তখন ভয় করবার সময় নয়, দাঁড়িয়ে ভাববারও তার সময় নেই, ঝাঁ করে সে ভদ্রলোকের সামনে গিয়ে বলতে যাচ্ছিল, আপনার বাড়িতে কাজের লোক লাগবে? হঠাৎ চোখে পড়ল লোকটার পিছনে, বাঁদিকে ইলিশের স্তূপের সামনে দাঁড়িয়ে ফরসা টকটকে একজন মেয়েছেলে একটা ইলিশ তার পছন্দ মতো খণ্ড খণ্ড করে কাটিয়ে নিচ্ছে । অপূর্ব সুন্দরী । বাঁ-হাতে শাড়ির কুঁচি অল্প তুলে ধরেছে, ডান-হাত বাড়িয়ে মাছওলাকে নির্দেশ দিচ্ছে, কোথায় কটা টুকরো করতে হবে ।

    শেতল মোটা লোকটার পাশ কাটিয়ে মেয়েলোকটার পাশে গিয়ে দম নিয়ে কপালে জোর হাত ঠেকাল, পেন্নাম মাঠাকরুন । তারপর বিড়বিড় করে বলল, বাড়িতে আপনার কাজের লোক রাখবেন?

    মহিলা শেতলকে দেখে ভুরু কুঁচকে বাঁ-পাশে এক-পা সরে দাঁড়াল ।

    ভিখিরি ভাবল নাকি? মহিলাটি লম্বায় শেতলের মাথা ছাড়িয়ে যায় । শেতল মুখ তুলে প্রাণপণে বলল, আমি ভিখিরি না । সবরকম কাজ জানি ।

    শেতলের মুখে দুর্গন্ধ ভকভক করছে । ডানহাতে কোমরের রুমালটা নিয়ে নাক চেপে মহিলাটি বলল, আমার কাজের লোক আছে ।

    শেতল নিরাশ হবার চেয়েও বেশি ভয় পেল । এমনিতেই বাজার-টাজারে তার দারুণ ভয় । মনে হয় এই বুঝি কোনও দোকানদার লাফ দিয়ে এসে তাকে চড়ঘুঁষি মারতে আরম্ভ করল । ভিড় দেখলেই শেতল স্পষ্ট দেখতে পায় লোকেরা তাকে তলপেটে লাথি কষাচ্ছে । চুলের মুঠি ধরে তার মুখ আকাশে তুলে ঘুঁষি মেরে তার ভুরু ফাটিয়ে দিচ্ছে । কল্পনাটা এত জীবন্ত হয়ে ওঠে যে শেতল ওইসব সময় হাত দিয়ে ঘন ঘন মুখ মোছে । নাকের ভেতরে আঙুল ঢুকিয়ে দ্যাখে রক্ত পড়ছে কিনা ।

    দায়ে পড়ে খুব সাহস করে সে বাজারে ঢুকেছিল, দূর থেকে মোটা লোকটাকে কষ্ট করে ব্যাগ বইতে দেখে তার আশা হয়েছিল লোকটা তাকে কাজ দেবে, এর মধ্যে এই মেয়েছেলেটাকে দেখে তার কী যে দুর্মতি হল! শেতল হন-হন করে, প্রায় লাফাতে লাফাতে ফাঁকা রাস্তায় পড়ে দেখল দূরে সেই মোটা লোকটা তখনও থপ থপ করে হেঁটে যাচ্ছে । একবার পায়ের পাতায় একটা ব্যাগ দাঁড় করিয়ে রেখে সে পিছনে ডাইনে বাঁয়ে ঘাড় ঘুরিয়ে বোধহয় রিকশা-টিকশা খুঁজল । শেতল জোরে পা চালিয়ে লোকটার সামনে এসে খুব আন্তরিকভাবে হাতজোড় করে বলল, পেন্নাম বাবু ।

    মুখে বসন্তের দাগ, ভুরু নেই, নাকের নীচে ঠোঁট ফেটে দু-ভাগ— হাঁফাতে-হাঁফাতে ভদ্রলোকের ভুরু একটু কুঁচকে গেল, একেই বাজারে দেখলাম না? বাড়িতে কাজ চায় শুনে শেতলের পা থেকে মাথা পর্যন্ত দেখে নিয়ে তখুনি তার হাতে ব্যাগ দুটো ধরিয়ে দিয়ে বললেন, দেশ কোথায়?

    — বর্ধমানেই, গাঁয়ে ।

    — গাঁয়ের নাম?

    শেতলের নিজের গ্রামের কুষ্ঠখ্যাতি আছে, সে অন্য একটা নাম বলে দিল ।

    চমৎকার একটা দোতলাবাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে পড়ে ভদ্রলোক ঘাড় ঘোরালেন, দফায় দফায় দম নিয়ে বললেন, একটা ফটো তুলতে হবে । বিকেলে স্টুডিওয় নিয়ে যাব । তোমার নাম ঠিকানা আর ফটো থানায় রাখতে আপত্তি নেই তো?

    শেতলের বুকটা গুড়গুড় করে উঠল, গলায় হঠাৎ ঝাঁকুনি দিয়ে বলল, আমি তো চোর-ছ্যাঁচোর নই!

    গ্রিলের দরজা ঠেলে ভদ্রলোক ভেতরে ঢুকলেন, বাঁদিকে ফুলের বাগান । অনেক রকমের গাছ, লাল সাদা গোলাপ ফুটে আছে । শেতল মুগ্ধ । ফুলের গন্ধে সে চুপি চুপি একটা নিশ্বাস টানছিল, ভদ্রলোক বললেন, তবে আর কী! তবে তো তোমার আপত্তি নেই, অ্যাঁ!

    বাগানের ধার ঘেঁসে কাঁকর-বেছানো পথ । শেতলের পায়ে জুতো নেই, কাঁকর ফুটছে, ভদ্রলোকের কথায় তার চিনচিনে ভয়ের ভাবটা আবার চাগিয়ে উঠতেই সে চাপা দিয়ে বলল, না, আপত্তি কিসের?

    — আমার বাগান পরে দেখাব । বাড়ির পিছনেও আছে । এখন ওপরে চলো, দেখি, কী-কী কাজ জানো ।

    সিঁড়ি ভাঙতে ভাঙতে শেতল চনচনে খিদে টের পায় । সে শব্দ না করে জিভ দিয়ে বাঁদিকের দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত টেনে নিল ।

    সারাদিন শেতলকে চোখে চোখে রেখে সন্ধের দিকে ভদ্রলোক বললেন, ইংলিশ ক্যালেন্ডার মানথের পয়লা তারিখে তিনটে করে করকরে দশ টাকার নোট তুমি পাবে ।

    শেতলের কাজের হাত পরিষ্কার । ভদ্রলোক খুশি । আজ যাব, কাল যাব করে ছবি তুলতে আর গেলেনই না । বউকে বললেন, লোকটা সৎ । একটু বোকা । বোকা না হলে কেউ ভালো চাকর হয় নাকি । মনে হচ্ছে, ওর ইহকাল আমাদের কাছে কাটবে ।

    থলথলে চেহারা, বিরাট ভুঁড়ি, মাথার মাঝখান দিয়ে লম্বা টাক, অথচ বউটা অনেকটা সেই ইলিশমাছের মেয়েছেলেটার মতো । শেতলকে পেয়ে সেও হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছে মনে হয় । বোঝা যাচ্ছে না ছোট মেয়েটার মনের কথা । এত বয়েসের মেয়েছেলের এতটুকু মেয়ে! বেশি বয়সে বিয়ে হয়েছে, নাকি দেরিতে বিইয়েছে? মেয়েটা একটু বেশি রাগী । এর মধ্যেই একবার শেতলকে বলেছে, এক লাথি মারব ।

    দুদিন পরে শেতল বুঝল লাথি মানে মেয়েটা জানে না । কিছু হলেই বলে লাথি মারব, আসলে দুম-দুম করে ঘুঁষি মারে ।

    শেতল বিকেলবেলা জুতো পরাচ্ছিল, পায়ে ঢোকাতে গিয়ে একটু ঘষা লেগেছে কি লাগেনি, মেয়েটা আঃ করে উঠেই বলল, এক লাথি মারব! বলেই শেতলের মাথায় দুম করে এক ঘুঁষি । একটুতেই তার রাগ আর কথায় কথায় ওই লাথি মানে ঘুঁষি । যাকগে কর্তাগিন্নি যখন খুশি, একটা পুঁচকে মেয়ে আর তার কী করবে!

    সমস্যা একটাই, শেতল একদম খেতে পারে না । এক কাপ চা খেতেও তার ইচ্ছে করে না । অনেক কাল না-খেয়ে ডাল-ভাতে তার রুচি চলে গেছে । ও সব খিদেই আর নেই । এখন তার একটাই খিদে, পেলেই চুপি-চুপি জিভ লাগিয়ে টেনে নেয় । একটু নোনতা-নোনতা, চমৎকার । জিভে আর টাগরায় যতক্ষণ পারে নাড়াচাড়া করে খুব তৃপ্তির সঙ্গে গিলে নেয় । ভাত বড় পানসে ।

    ভাত খায় না, বউটা বিরক্ত । দুপুরের শোয়ে সিনেমায় যাবে, বাবু গেছেন আসানসোলে তার মদের দোকানে, তাড়াহুড়োয় খেয়ে উঠে বড় আয়নার সামনে বসেছে । এখন এক ঘণ্টা মুখে এটা-সেটা মাখবে, চোখে কাজল দেবে, চুলে ব্রাশ বোলাবে, ঠোঁটে রং লাগাবে, টিপ পরবে, আরও কী-কী । প্লেটে ভাত ফেলে উঠে গেছে, শেতল সাবধানে একটা-একটা করে প্লেট-টেvট তুলে নিচ্ছে, বউটা ডাকল, শেতল—

    শেতল এঁটো হাত পিছনে রেখে ঘরের দরজায় গিয়ে দাঁড়াল ।

    হাতে কাজল লাগাবার তুলির মতো সরু কী একটা, আয়নায় ঝুঁকে এক চোখে লাগাচ্ছিল, শেতলের পায়ের শব্দে সোজা হয়ে বসে বলল, আমার প্লেটে অনেকটা ভাত আছে । নষ্ট কোরো না, তুমি খেয়ে নিও ।

    শেতলের মাথায় ঘাড়ের দিকটায় চ্চন করে শব্দ হল, আমি ভাত খাই না ।

    — দুপুরেও রোজ রুটি খাও?

    — আমার ভাত-রুটির খিদে হয় না ।

    বউটা আবার আয়নায় ঝুঁকে ছিল, পিঠ টান করে ঘাড় ঘুরিয়ে বলল, এখানে রোজ তবে কী খাও?

    শেতল জিভ সামলায়, ওই যাহোক একটু মুখে দিই, খিদেই হয় না ।

    — তোমার কোনও অসুখ আছে না-কি? যা একখানা স্যান্ডো-মার্কা চেহারা বানিয়েছ!

    বেরোবার আগে একটা একটা করে সব ঘরে চাবি দিয়ে শেতলকে বলল, ড্রইং, ডাইনিং, কিচেন খোলা রইল । ময়না নাচের স্কুল থেকে ফিরলে দুধ গরম করে দেবে, বিস্কুটে মাখন মাখিয়ে দেবে ।

    রাতে বন্ধ জানলার বাইরে, বারান্দায় দাঁড়িয়ে শেতল শুনল বউটা বাবুকে বলছে, কম খাওয়া ভালোই, খরচ বাঁচবে । গ্রামের লোকগুলো যা খায়! কিষেণ খেতো, মনে আছে— একেক বেলা তিনজনেরটা! মুশকিল হচ্ছে, কম খেয়ে শেষে অসুখে না পড়ে । তা হলেই গেছি বাবা । যা চেহারা, দেখে ভয় করে, টিবি-ফিবি নেই তো?

    বিরাট একটা হ্যাঁচ্চো দিয়ে বাবু বললেন, তুমি কি সারারাত আয়নার সামনেই বসে থাকবে? এখন ছাড়ো তো ওসব!

    পরদিন দুপুরে খেয়ে উঠেই বাবু রান্না ঘরে ঢুকলেন । শেতল কী একটা ভাবতে-ভাবতে জিভ দিয়ে দাঁতের গোড়া চুষছিল, চোখের তারায় ভাবনার ছায়া চিকচিক করছে । বাবুকে দেখে থতমত খেয়ে উঠে দাঁড়াল ।

    — কই তোর থালা দেখি ।

    — আজ্ঞে থালা তো নেই ।

    — নেই তো খাস কিসে?

    — আমার খিদে হয় না ।

    ভেতরের ঘরের দিকে মুখ ফিরিয়ে বাবু বললেন, মায়া! কিষেণের থালাবাটি একে বের করে দাওনি?

    বলতে-বলতে নিজেই নিচু হয়ে মিটসেফের তলা থেকে কলাইয়ের থালাবাটি-মগ বের করে আনলেন, এই তো! ধুলো পড়ে আছে । অ্যাদ্দিন খেলি কিসে?

    — ওই একটু-আধটু— মোটে খিদে হয় না, হাতে করেই—

    — ভাত-ডাল ঢাল । মাংস নে । চেটে-পুটে খাবি । পেটে না-খেলে কাজ করবি কী করে? আন, ভাত আন!

    শেতলের তখন চনচনে খিদে, লোকটার সামনে জিভ নাড়াতে পারছে না, থালায় ভাত তুলতে-তুলতে রাগে তার কাটা ঠোঁটটা তিরতির করে উঠল । এক যুগ পরে ভাত খেয়ে দৌড়ে গিয়ে নীচের পায়খানায় হড়-হড় করে বমি করে দিল ।

    বাসন ধোয়ার শব্দে আবার বাবু এলেন, তোর থালা আলাদা ধুচ্ছিস তো? আমাদের প্লেটের সঙ্গে ছোঁয়াসনি যেন ।

    — আজ্ঞে, সে আমি জানি ।

    বাবু খড়কে দিয়ে দাঁত খুঁটছিলেন, থুঃ করে এক টুকরো মাংস ছিটিয়ে বললেন, একটু গরম জল দে তো, শেভ করব । ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আজ একটু কাজ আছে ।

    জল দিয়ে, বাসন তুলতে-তুলতে শেতল মাড়ি থেকে বেশ খানিকটা রক্ত বের করে ফেলল । জিভে নিয়ে খাচ্ছে, বাবুর গলা কানে এল, শেতল! বাথরুম থেকে ডেটলের শিশিটা নিয়ে আয় তো, জলদি ।

    শেতল ডেটল নিয়ে ঘরে পা দিতেই তার বুকের মধ্যে কে তড়াক করে লাফিয়ে উঠল! শিশি হাতে সে ঠিক একটা পাথরের মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে আছে । তার চোখ বাবুর থুতনিতে । জোঁকের মতো এঁটে আছে । রক্ত চুঁইয়ে পড়ছে । একদম তাজা ।

    — রক্ত দেখে তোর মূর্ছা হয় নাকি? ডেটলটা দে ।

    শেতল ধাতস্থ হয় । চোখের দৃষ্টি এদিক-ওদিক করে লুকোয় । কাছে এসে ডেটলের শিশিটা টেবিলে রেখে চেষ্টা করেও থুতনি থেকে আর সে চোখ সরাতে পারে না ।

    বাবুর গলায় খাঁটি বিরক্তি, তুলো আনিস নি? তুই একটু বেশি বোকা । তুলো ছাড়া লাগানো যায়? ওই ড্রয়ারে আছে, বের কর ।

    তুলো ছিঁড়ে শেতল নিজেই ডেটলে ভেজাতে ভেজাতে উত্তেজনা চেপে বলল, আমি লাগিয়ে দিই?

    — তাড়াতাড়ি কর ।

    শেতলের হাত কাঁপছে । সে ঝুঁকে চট করে মাঝের আঙুলে খানিকটা রক্ত তুলে নিয়ে আঙুলটা মুড়ে তালুর মধ্যে লুকিয়ে ফেলল । তারপর তুলো দিয়ে কাটা জায়গাটা আস্তে-আস্তে মুছে দিল ।

    তার গলা কাঁপছে, এটা কি লাগানো থাকবে?

    — জ্বলে যাচ্ছে! একেবারে র লাগিয়েছিস । থাক, ছেড়ে দে ।

    শেতল সোজা নিজের পায়খানায় ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিল । ঘুলঘুলি দিয়ে অল্প আলো আসছে । আঙুলের ডগার রক্তটা তখনও শুকোয়নি, শেতল চোখের একদম সামনে নিয়ে রক্তের রং দেখল । নাকের কাছে আঙুল তুলে বড়-বড় নিশ্বাসে গন্ধ শুঁকল । মুখের কাছে নিয়ে একবার মাত্র জিভ ছোঁয়াল । তারপর আঙুলের ডগা চেটে রক্তটুকু সে জিভে নিয়ে অনেকক্ষণ ধরে নাড়াচাড়া করল, গিলে ফেললে পাছে জিভ থেকে স্বাদটুকু মুছে যায় । খাওয়া হয়ে গেলে সে এমনভাবে আঙুলের ডগাটা চুষতে লাগল যে রক্তের ফিকে দাগটুকুও পরিষ্কার হয়ে তার আঙুলের চামড়া কুঁকড়ে গিয়ে ধপধপ করতে লাগল । অনেকক্ষণ জল ঘাটলে যেমন হয় ।

    সারারাত শেতলের ঘুম হল না । নিজের রক্ত সে অনেক খেয়েছে, অন্যের রক্ত এই প্রথম । স্বাদই আলাদা! ঠিক মনে হয় জিভে এখনও লেগে আছে । মাঝরাতে তার খুব খিদে পেল । সে জিভ নাড়ল না । নিজের রক্ততে তার আর রুচি নেই । ভোর পর্যন্ত সে শুধু নতুন রক্তের স্বাদ মনে মনে নাড়াচাড়া করে কাটাল ।

    পরদিন সকালে ময়না স্কুলে যাবে, টেবিলে তার খাবার দিয়ে শেতল একটু দূরে দাঁড়িয়ে ফুটফুটে মেয়েটাকে দেখতে দেখতে হঠাৎ বাবুর অফিসঘরে গিয়ে একটা পিন তুলে নিল । সে তার নিজের পায়ের আওয়াজকেও ভয় পাচ্ছে । লুকিয়ে ময়নার একপাটি জুতো নিয়ে সে নীচের পায়খানায় গেল । ছোট্ট জুতো । তলা থেকে পিন ফুটিয়ে ডগাটা ভেতরের দিকে একটুখানি বের করে রাখতে তার কপাল ঘেমে উঠল ।

    ময়নার খাওয়া হয়ে গেছে । কোমরের বেল্ট এঁটে নিয়ে সে গলা তুলে ডাকল, শেতল! শিগগির এসো । আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে ।

    শেতল প্রথমে ডানপায়ের জুতো পরিয়ে দিল । খুব নিচু হয়ে ফিতে বাঁধছে, ময়না নিজেই আরেক পাটিতে পা গলিয়ে দিয়ে বলল, আ! মারব এক লাথি । তাড়াতাড়ি করো না ।

    সে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়েই জোরে একবার উঃ করে উঠল, তারপর এক ঝটকায় বাঁপায়ের জুতো খুলে ফেলে তার কচি গলা চিরে চিৎকার করে কেঁদে উঠল, ও মা, ও বাবাগো!

    শেতল চট করে পিনটা খুলে পকেটে পুরল । তারপর, বিছে বিছে, ওই যে পালাচ্ছে, কাঁকড়া বিছে— বলে চেঁচাতে লাগল ।

    বাবা বাথরুম থেকে ছুটে এসেছিলেন, মা দৌড়ে এসে ময়নাকে বুকের মধ্যে নিয়ে বললেন, শিগগির ডাক্তারকে ফোন করো ।

    শেতল বিছের পিছনে ছুটোছুটি করে হাঁফাচ্ছিল, বলল, আমি বিষ ঝাড়তে জানি । ঝেড়ে দেব?

    — যা পারো করো বাবা । এ কী সর্বনাশ হল আমার!

    শেতলের জিভ লক-লক করে ওঠে । সে তক্ষুনি হাঁটু গেড়ে বসে ময়নার বাঁ পা দু-হাতে তুলে নিল । টান মেরে মোজা খুলে ফেলতেই পায়ের তলা থেকে টপটপ করে রক্ত । শেতল চোখ বুজে তিনবার বিড়বিড় করে মন্ত্র পড়ার ভান করল, তারপর ঠিক যেখান থেকে রক্ত বেরোচ্ছে, সেইখানটায় মুখ লাগিয়ে চিৎ হয়ে মেঝেয় শুয়ে পড়ল । সে শব্দ করে-করে জায়গাটা অবিরাম চুষতে লাগল । ময়না এতক্ষণে ব্যথার চেয়ে ভয়েই বেশি কাঁদছে । তার কচি পা শেতলের হাতের মুঠোয় । শেতল মাঝে মাঝেই জোরে চাপ দিয়ে রক্ত বের করে নিচ্ছে । তার মুখ রক্তে ভেজা । গলা দিয়ে গরম সুগন্ধি রক্তের স্রোত নেমে যাচ্ছে । দুধ-ঘি ননী-ছানা খাওয়া শরীর, এর স্বাদই আলাদা!

    মিনিট তিনেক পর রক্ত বন্ধ হল । শেতল আরও বারকতক চুষে, কিছু না পেয়ে উঠে পড়ল ।

    — মুখটা ধুয়ে ফ্যালো ।

    শেতল চলে যেতে যেতে বলল, আর ভয় নেই । বিষ বের করে দিয়েছি ।

    ডাক্তার এলেন আরও কিছুক্ষণ পর । সব শুনে সিরিঞ্জ ভরতে ভরতে বললেন, এদেশে ওইসব হাতুড়ের রাজত্বই চলবে ।

    ময়নার বাবা এতক্ষণে গায়ে তোয়ালে জড়িয়েছেন, ভুঁড়ি ঢাকেনি, বললেন, যাই হোক, রক্ত পড়া তো বন্ধ হয়েছে ।

    সারা দুপুর বৃষ্টি হয়ে সন্ধের দিকে পৃথিবী একটু ঠান্ডা । বাড়ির পিছনে বাগানের মাথায় ঘোলাটে চাঁদ উঠেছে । শেতল চায়ের পেয়ালা-টেয়ালা ধুয়ে রেখে নীচে নেমে এল । তার মনটা আজ ভারি খুশি । আবছা অন্ধকারে ফুলবাগানে ঢুকে সে গাছপালার মধ্যেই ঘুরে বেড়াতে লাগল । ফুলের গন্ধে চারদিক ভরে আছে, শেতল লম্বা নিশ্বাস টানে, ঠিক গরম রক্তের সুগন্ধ । মাথায় একটা নতুন চিন্তা আসছে । পেট ভরা থাকলে মাথা খোলে । একটা গোলাপের পাপড়ি দাঁতে কাটতে সে ছোট্ট একটা ঢেকুর তুলে ভাবল, রোজ ওরকম পাওয়া যায় না? নিজের রক্তে তার আর রুচি নেই । সে জিভ দিয়ে ছোঁয় না । বমি পায় ।

    ওপরে ফোন বাজছে । শেতল একা-একা কথা বলে উঠল, আহা, যেন কত্তাল! জ্যোৎস্নায়, ফুলের গন্ধে, টেলিফোনের ঝনঝনে শেতলের আমেজ লাগে । সে উচ্চারণ করে বলল, রোজ এরকম… আঃ, এবার মচ্ছব লেগেছে রে!

    মায়া ফোনে কথা শেষ করেই ডাকল, শেতল, ও-শেতল!

    শেতল দরজায় এসে দাঁড়াল, আজ্ঞে, মা, আমায় ডাকছিলেন?

    — হ্যাঁ বাবা । গোটা-দুই মুরগি পাওয়া যাবে এখন? বাবুর এক বন্ধু রাতে খাবেন, এখুনি ফোন করলেন । বড় মানী লোক ।

    শেতল নিজের গুণে সকলের মন জয় করেছে । একা হাতে হাজারটা ঝামেলা সামলায়, মুখে কথাটি নেই । সৎ, বিশ্বাসী । কোনওরকম লোভ নেই । কাজকর্মও ভারি পরিষ্কার । তার সঙ্গে এঁরা আর রেগে কথা বলেন না, এমনকি গলায় স্নেহ লেগে থাকে ।

    শেতল মাথা কাত করে বলল, এই দুটো বাড়ি পরেই একটা পোলট্রি আছে, ছাদের ওপর, মুরগি কি কচি দেখে নেব, না একটু বুড়ো?

    — সে তুমি যা ভালো বোঝো ।

    হাত বাড়িয়ে টাকা নেবার সময় মায়ার হাতে ছোঁয়া লাগাল । এই বয়েসেও মাখন । শেতল তখুনি সন্ধের চিন্তাটা পাকা করে ফেলল, এবার কাচের গেলাস ভেঙে রাখতে হবে । মেঝের রক্ত সে ছাড়া কে পরিষ্কার করবে?

    বাগানের কোণে, লেবুগাছটার তলায় মুরগির পালক ছাড়াতে-ছাড়াতে শেতল কাটা ঠোঁট সামান্য বেঁকিয়ে হাসল, ন্যাকড়া নিয়ে খুব কাছেই থাকব, গরম-গরম চাই ।

    মুরগি সেদ্ধ হচ্ছে । হাতের তেলোয় নিয়ে মশলার আন্দাজ করা শেতলের অভ্যেস । বাঁ-হাতের তেলোয় রসুনের কোয়ার হিসেব করতে-করতেও সে কান খাড়া করে রেখেছে, বাবুর বন্ধুটি কখন আসেন । নতুন মানুষের জন্য তার এখন খুব লোভ ।

    শেষ পর্যন্ত আর এলেন না । শেতল নিরাশ হয় । তবে, যত রাত হবে ভেবেছিল, তার আগেই সব কাজ শেষ । শেতল অন্ধকার ছাদে উঠে গিয়ে বিড়ি ধরিয়ে পা টিপে-টিপে পায়চারি করে, নিচে না আওয়াজ যায়! বিড়ি তেতো । গলায় ধোঁয়া ঢুকে ভেতরটা ধুলো-ধুলো লাগছে । মেঘের আড়াল থেকে ফট করে ঘোলাটে চাঁদটা লাফিয়ে উঠতেই, ছাদের মাঝখানে দাঁড়িয়ে পড়ে শেতল টের পেল, তার আর দাঁড়িয়ে থাকারও শক্তি নেই ।

    রোজই তার জ্বর হয়, তার ওপর বুক জ্বলে, এতদিন এসব সে আমল দেয়নি । আজ একদম অন্যরকম । তার চোখের সামনে চাঁদ তারা নাচছে ।

    শেতল টলতে-টলতে এসে নিজের ঘরের চৌকাঠের ওপর শুয়ে পড়ল । গোঙাতে-গোঙাতে বলল, জল!

    মা বাথরুমে । ময়না শুতে যাবার আগে ক্যালেন্ডারের রঙিন পেলিক্যান দেওয়ালে সাঁটছিল, গোঙানি শুনে ঘাড় ফেরাল । তারপর কাছে এসে হাঁটুর ওপর ভর দিয়ে ঝুঁকে শেতলকে দেখল, তোমার জ্বর হয়েছে নাকি?

    শেতল যেন ঘুমের ঘোরে কোঁকাচ্ছে । চোখ না খুলেই বলল, জল!

    ময়না জল নিয়ে এসে ডাকল, শেতল, জল খাও । ও শেতল!

    শেতল চোখ মেলে । টকটকে লাল । তার বুকের ভেতরটা শুকিয়ে খরখর করছে । ময়নার হাত থেকে গেলাসটা প্রায় ছিনিয়ে নিয়ে এক চুমুকে শেষ করে খালি গেলাস বাড়িয়ে দিয়ে দম নিল, জল!

    — আরও খাবে? দাঁড়াও—

    ময়না দৌড়ে গিয়ে খাবার ঘর থেকে জল ভরে আনে ।

    — আঃ, আস্তে-আস্তে খাও! ঠিক বিষম খাবে । ওর’ম চোঁ-চোঁ করে খাচ্ছ কেন? আর খাবে? একি! কী হয়েছে, কাঁদছ কেন? মা, দেখে যাও, শেতলদার চোখ দিয়ে কীরম বৃষ্টির মতো জল পড়ছে!

    প্রথম প্রকাশ : অমৃত, ২০ এপ্রিল ১৯৭৯

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমন্দ মেয়ের উপাখ্যান – সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    April 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    April 25, 2026
    Our Picks

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    April 25, 2026

    মন্দ মেয়ের উপাখ্যান – সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }