Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    April 25, 2026

    মন্দ মেয়ের উপাখ্যান – সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী এক পাতা গল্প258 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নৌকোবদল – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    দিলু দুপুরে হরিণের মাংস খেয়েছে, ভালোমতো হজম হয়নি, পেটটাও একটু ভুটভাট করছে, ডাঁও করে একটা ঢেঁকুর তুলে বলল, অলি খবরদার! তুই যাবি না ।

    অলি, যার ভালো নাম অঞ্জলি, এই গাঁয়ের সবচেয়ে সুন্দর তো বটেই, সবচেয়ে লম্বা মেয়ে । গোসাবা যাবে বলে ড্রেস দিয়ে শাড়ি পরেছে । পিঠে লম্বা বিনুনি । নদীর উঁচু বাঁধের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল । বাঁধের কাছেই একটা বাইন গাছের ডালে নৌকো বাঁধা । জামাইবাবুর কথায় শুকনো এঁটেলমাটিতে ঠপ ঠপ করে পা ঠুকতে ঠুকতে বলল, যাবই, আমি যাবই । ইস, আমি কোথাও যাব না, না!

    তার মাথার পিছনেই সূর্য অস্ত যাচ্ছে । ঠিক মনে হয় আকাশে আগুন ধরে গেছে ।

    দিলু নীচ থেকেই মুখ তুলে সাংঘাতিক চোখে তাকিয়ে বলল, তোর নাচ আমি বার করছি— গিয়ে দ্যাখ!

    অঞ্জলি ভয়ও পেয়েছে, আবার দুঃসাহসও ছাড়তে পারছে না, সে বোধহয় নৌকোর দিকেই তরতর করে নেমে যাচ্ছিল, গোসাবার মানুষ বোঝাই দিয়ে বড় একটা নৌকোকে এদিকেই আসতে দেখে দাঁড়িয়ে পড়ল । গিরিকে সে প্রথমেই দেখতে পেয়েছে । আর তার গোসাবায় যাবার দরকার নেই ।

    দিলু নীলকণ্ঠকে তাগাদা দিল, তোমার কী মতলব বলো তো? সন্ধে লেগে যাচ্ছে, এরপর আর লক্ষ্মণকে পাবে? একবার নেশায় বসে গেলে তখন হাজার টানাটানিতেও নড়বে না ।

    মাঠে বিকেল থেকেই লোক আসতে লেগেছে । আশপাশের গাঁয়ের মানুষ তো বটেই, দূর-দূর গাঁ থেকেও লোক আসছে । ওপারের দ্বীপ থেকে নৌকো বোঝাই করে মেয়ে-পুরুষ, বাচ্চা-বুড়ো আসছে । এই সময় দোকান ফেলে ওঠা নীলকণ্ঠের পক্ষে প্রায় অসম্ভব । সারা বছর তার বাড়িতেই তার দোকান । সামান্য টুকটাক বেচাকেনা । বছরে এই দুয়েকাবরই যা বড়মাপের দোকানদারি । গ্রামে এরকম যাত্রাগানের আসর-টাসর বসলে সে মাঠে দোকান দেয় । বড় ছেলেকে ক্যানিং পাঠিয়েছে, সিগ্রেট, পাউরুটি, কেক-বিস্কুট আনত । বিকেলের লঞ্চের সময় পার হয়ে গেল, এখনও ছেলে ফিরল না । সেই এক দুশ্চিন্তা, তার ওপর অন্যের হাতে দোকান ফেলে যাবার ভয় । নীলকণ্ঠ খদ্দেরের পানে খয়ের লাগাচ্ছিল, বিরক্তি নিয়ে বলল, শরীর বুঝে খেতে পারে না! ও বুড়োকে দেখেই আমার খটকা লেগেছিল । বাঁশি বাজাতে বুকের দম লাগে! হাভাতে মড়া, পেট ঠেসে হরিণ খেয়ে এখন চিত্তির!

    নীলকণ্ঠ নিজে বৈষ্ণব । বাড়ি থেকে কখনও ডিম বিক্রি করে না । মাঠে, যাত্রার আসরে অন্য কথা । আগুন আগুন তিনটে মুরগির ডিম ছাড়িয়ে দিয়ে খুচরো পয়সা গুনে রাখতে দিলুর দিকে মুখ তোলে, তোমাদেরও বলিহারি! দেশে আর যাত্রার দল পেলে না!

    দিলু ডাঁও করে ঢেঁকুর তোলে, মাংস তো আমরাও খেয়েছি!

    — তখন থেকে গুব-গুব ঢেঁকুর তুলছ! আসলে যাত্রা দলের বাঁশি-বাজিয়ে লোকটার ওপর নীলকণ্ঠ চটে আছে । লোকটা শেষবেলায় লোভের বশে ভুরিভোজ করে বার বার দাস্ত-বমি করে বিছানা নিয়েছে । ওই বুড়োর জন্যই এখন তাকে গোসাবায় ছুটতে হবে । লক্ষ্মণকে ধরে আনতে হবে । বুড়োর বদলে সেই বাঁশি বাজাবে । এ-তল্লাটে লক্ষ্মণের মতো বাঁশি-বাজিয়ে আর কে আছে! তার বাঁশির কাছে পাখিরাও হার মানবে । নৌকো বিকেল থেকেই তৈরি । দিলু যাবে, মোহন যাবে, নীলকণ্ঠকে তো যেতেই হবে । আরও কিছুক্ষণ জোয়ার থাকার কথা । গুণ টানতে হতে পারে । তরমুজকেও তাই দলে নেওয়া হয়েছে । গুন টানায় ওস্তাদ । এক ধামা মুড়ি পেলেই হল । সবাই তৈরি । শুধু নীলকণ্ঠ না গেলে লক্ষ্মণ কিছুতেই আসবে না । এ গ্রামে ইহজীবনে তার আর পা দেবার কথা নয় । নীলকণ্ঠই তাকে ওই কড়ার করিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছিল । এখন তাকেই গিয়ে সাধাসাধি করতে হবে । তার ওপর ভয়, সন্ধেবেলা একবার নেশার জিনিস নিয়ে বসলে আর তাকে তোলা যাবে না ।

    ইস্কুলবাড়িতে নট-নটীদের সাজগোজ চলছে পুরোদমে । প্রত্যেকটা জানলায় ভিড় । গ্রামের মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়েছে । জানলা দিয়ে চোখ বড় বড় করে সাজসজ্জা দেখছে ।

    তরমুজ একবার সাজঘরের জানলায় গিয়ে উঁকি দিচ্ছে, একবার বাঁধের কাছে নীলকণ্ঠের দোকানে এসে দাঁড়াচ্ছে । সে একটু উত্তেজিত । স্বয়ং অধিকারী এসে নীলকণ্ঠদের তাগাদা দিয়ে গেল । যে বাঁশি বাজাবে তার সঙ্গে একবার মহড়া না দিলেই নয় । তার নিজের লোক যে তাকে এভাবে পথে বসাবে কে জানত! পায়ের কেডসের নিচে সিগ্রেটের টুকরোটা ডলে দিতে দিতে বলল, ফিরে গিয়ে এই অপদার্থটার আর আমি মুখ দেখব ভেবেছেন!

    নীলকণ্ঠ টাকাপয়সার হিসেব নিয়ে হিমসিম খাচ্ছে । মিনিটে-মিনিটে এটা-ওটার দাম গুনে নিচ্ছে, গুনে-গুনে খুচরো ফেরত দিচ্ছে । প্রতি মুহূর্তে সাবধান থাকা দরকার । বড়ছেলেও এখনও ফিরল না । অধিকারীর কথায় সে ঝেঁঝে উঠল, অধিকারী ওমনি-ওমনি হওয়া যায় না! দরকার হলে আড়বাঁশিও মুখে নিতে হবে, আবার গানও ধরতে হবে!

    নীলকণ্ঠ যৌবনে যাত্রা করত । দলও করেছিল একবার । অভাবে পড়ে দল ভেঙে যায় । যাত্রা ছিল তার প্রাণ । তার জীবনের ধ্যান-জ্ঞান । কোনও দিন পান-তামাকও সে ছোঁয়নি । নেশা বলতে ওই যাত্রাই । ওটাই ছিল তার একমাত্র সাধ-আহ্লাদ ।

    সেটা মিটল না দেখে নীলকণ্ঠ তার নেশাটা বদলে নিল । যাত্রা-টাত্রা ছেড়ে সে খুব মন দিয়ে টাকা-পয়সা করতে লাগল । সে যে কিসের ব্যবসা করে না, চট করে বলা মুস্কিল । অন্যদিন এতক্ষণে সে ভাত খেয়ে ঘুমোতে গেছে । প্রথম রাতটা ঘুমিয়ে নিয়ে রাত দশটা বাজতে-না-বাজতেই সে রোজ উঠে পড়ে । সারারাত জেগে বসে থাকে । টাকাপয়সা পাহারা দেয় । বাইরে একটা খরগোশের পায়ের শব্দ হলেও চেঁচিয়ে ওঠে, কে যায়?

    এদিকে বাঁশির লোক না পাওয়া গেলে যাত্রাই হয়ত বন্ধ । রাতভর তার বিক্রি-বাটা হবার কথা । সব শিকেয় উঠবে । মাঠে ভিড় বাড়ছে । নৌকো ভরে ভরে লোক আসছে । ছেলেটার টাকা-পয়সা মার যায়নি তো? পরের লঞ্চ রাত ন-টায় ।

    নীলকণ্ঠ একবার শেষ চেষ্টা করে । অধিকারী তার খোঁচা হজম করে ফিরে গিয়েছিল । দোকানে যে-লোকটা জিলিপি ভাজছিল, নীলকণ্ঠ তাকে হাঁক দিয়ে বলল, বেশ লাল দেখে চারখানা দিলুকে দে । দুটো পয়সা তুমি কম দিও দিলু!

    দিলু চটে ওঠে, জিলিপি কে খাবে? তুমি থাকো! আমরা যাচ্ছি! লক্ষ্মণ না আসতে চাইলে বেঁধে আনব! মেরে অজ্ঞান করে নিয়ে আসব! চল, তরমুজ! এসো মোহনদা ।

    কী অদ্ভুত জেল্লাদার একেকজনের সাজ! তরমুজ এসব ছেড়ে এখন আর যেতে পারে না । এর মধ্যেই সে একবার বাঁধের ওদিকে নেমে নদীর স্রোত ছুঁয়ে পরীক্ষা করে এসেছে । গলা খাঁকরে বলল, এখুনি জোয়ার নেবে যাবে । ভাঁটা শুরু হবে । আমি জল ছুঁয়ে দেখেছি । নৌকো ছন-ছন করে ছুটবে । গুন টানার দরকার হবে না ।

    দিলু নিজেকে সামলাতে না পেরে ঠাস করে তরমুজের গালে এক চড় কষাল! অন্য যে কেউ হলে মাথা ঘুরে পড়ত । তরমুজ ফিক করে হেসে ফেলে ডানহাত বাড়াল ।

    এর একটা ইতিহাস আছে । তরমুজের মা-বাপ, বাড়ি-ঘর, জায়গা-জমি, কিচ্ছু নেই । থাকার মধ্যে এক সাংঘাতিক খিদে । খাবার জন্য তার ফন্দি-ফিকিরের শেষ নেই । অসম্ভব দুষ্টু বুদ্ধি । প্রায়ই তার ফন্দিফিকির ছল-চাতুরি ধরা পড়ে গিয়ে সে গ্রামের লোকের হাতে মার খায় । তার মা ছিল এদিককার বিশ-পঁচিশটা গ্রামের জগজ্জননী । সকলের বরাভয় । দিন নেই, রাত নেই, সবসময়ই কোনও না কোনও গ্রামে কারও না কারও সেবা করে বেড়াচ্ছে । গ্রামে রোগ-ব্যাধির শেষ নেই । তরমুজের মায়ের সেবা-কাজেরও ক্ষান্তি নেই । মরবার দিন পর্যন্ত অন্য মানুষের শিয়রে কাটিয়েছে । লতাপাতা শেকড়বাকড় বেটে ওষুধ খাইয়েছে । মাথায় জল দিয়েছে । কারও বুকে হাত বুলিয়ে দিয়েছে । ওই মায়ের এই ছেলে! এবাড়ি-ওবাড়ি, এখেত-ওখেত ঘুরে চুরি করে খেতে গিয়ে মার খায় । মা-ই কি কম মেরেছে! মারা যাবার সময় বিশ গ্রামের মানুষ ভিড় করে দেখতে এসেছে, তরমুজের মা এর-ওর যতজনের পারল হাত ধরে ধরে অনুনয় করল, আমার ছেলেটার খিদে আমি সইতে পারি না । মরে গিয়েও শান্তি পাব না । তোমরা ওকে মেরো, দোষ করলে মারবে বইকি, কিন্তু তার পর ওকে খেতে দিও । পেট ভরে খাইও । ও যেন ভরা পেটে মরে ।

    সেই থেকে গ্রামে নিয়ম হয়ে গেছে, তরমুজকে কেউ মারলে সে ওকে তখনকার মতো খেতে দেবে । পেটপুরে খাওয়া । যতক্ষণ না ও নিজে থামবে, ততক্ষণ খাবারের যোগান দিয়ে যেতে হবে । গতবছর সুন্দরবনের এইসব গ্রামে প্রচুর তরমুজ ফলেছিল । বিরাম দাসের হাতের বাঘথাবড়া খেয়ে তরমুজ বিরাম দাসের খেতের চুরাশিটা তরমুজ শেষ করে । সেই থেকে তার তরমুজ নাম । আগে তার নাম ছিল বাঁকাচাঁদ । মা ডাকত বাঁকা । গত এক বছর কেউ আর তাকে ও-নামে ডাকে না ।

    তরমুজকে চড় মেরেই দিলু ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গিয়েছিল । হাত বাড়াতে দেখে সে হঠাৎই চিৎকার করে উঠল, খবরদার, কাঁদবি না! গলা টিপে শেষ করে দেব!

    তরমুজকে যত জোরেই মারো, সে কাঁদবে না । ফিক করে হেসে ডান হাত বাড়িয়ে দেবে । তখন কেউ যদি তাকে খেতে না দেয় বা ওই ধরনের কিছু বলে, সে আকাশ ফাটিয়ে কেঁদে ওঠে । বর্শাবেঁধা বুনো জন্তুর মতো কাঁদে । মুখে খাবার না যাওয়া পর্যন্ত সে ওইরকম কেঁদে যাবে ।

    তরমুজের মুখে তখনও হাসি । মনে হয়, এই বুঝি হাসি মুছে ফেলে কেঁদে উঠবে । ডান হাত তেমনই বাড়ানো ।

    নীলণ্ঠ তখনও চেষ্টা ছাড়েনি । সে ভেবেছিল দিলুকে জিলিপি খাইয়ে তাকে পাঠিয়ে অধিকারীকে ডেকে আনবে । তার আর আশা নেই । সে হালুইকরকে জিলিপির কড়াই নামিয়ে রেখে দোকানে এসে বসতে বলল । বার-বার করে বুঝিয়ে দিল, কাউকে একটা বিড়িও বেচবি না । আমি না আসা পর্যন্ত বেচাকেনা বন্ধ । খেয়াল রাখিস!

    অধিকারী তার বাঁশি-বাজিয়েকে গেলাস-গেলাস বাতাসা-জল খাওয়াচ্ছে । কপালে-মুখে জলের ছিটে দিচ্ছে । যদি উঠে বসে । যদি এ যাত্রা বিপদটা কাটিয়ে দেয় । নীলকণ্ঠের মনে হল, ইহজীবনে এই লোক আর বাঁশি বাজাবে না ।

    নীলকণ্ঠ একটু দূরে দাঁড়িয়ে নরম গলায় বলল, তা, আপনার দলে আর কেউ বাঁশি বাজাতে পারে না?

    অধিকারী চোখ তুলে নীলকণ্ঠকে একবার দেখল । তারপর তাকে নিয়ে ঘরের বাইরে এসে বলল, হ্যাঁ, কী বলছিলেন?

    নীলকণ্ঠ প্রশ্নটা আরেকবার শোনাল ।

    অধিকারী মস্ত এক টিপ নস্যি দু-নাকে সমান-সমান ভাগ করে দিয়ে নাক মুছে বলল, একজন আছে, সে তো মহিষাসুর! সে কখন বাঁশি বাজাবে?

    নীলকণ্ঠের বুকের মধ্যে ঝমঝম শব্দ হল । মেদিনীপুরের কাঁথিতে সে যৌবনে মহিষাসুর-বধ করেছিল । সে নিজে হয়েছিল মহিষাসুর । মিনিটখানেক তার চোখের সামনে থেকে এই যাত্রার আয়োজন, এই দোকানদারি, এই সুন্দরবন একদম মুছে গেল । শুধু কাঁথির সেই আসরটা আট-দশটা হ্যাজাক হয়ে জ্বলছে । কানে তার নিজেরই গলা । যৌবনের গমগমে মহিষাসুর স্বরলহরী ।

    নীলকণ্ঠ ঘোর কাটিয়ে হাল্কা হাসল, তাহলে একজন মহিষাসুর পেলেও আপনার চলে যায়, কী বলেন? হয় বাঁশি, নয় মহিষাসুর!

    — না, সে হয় না । একটু থেমেই আবার বলল, তা মহিষাসুরই বা পাচ্ছি কোথায়?

    — শক্ত, আরও শক্ত । মহিষাসুর তো আর যে-সে হতে পারে না ।

    নীলকণ্ঠ ফিরে যাচ্ছিল, মাঝমাঠ থেকে আবার অধিকারীর কাছে গিয়ে বলল, বাঁশি বাজাবার ভালো লোক পাবেন, কুড়িটা টাকা খরচ করতে হবে ।

    — কুড়ি টাকা?

    — তা তো লাগবেই । বাঁশি-বাজিয়ে তো আমাদের দেবার কথা না— কী বলেন?

    — বাঁশি ছাড়াই আমি পালা নামাব! অধিকারী নস্যি নেয় । তারপর কী ভেবে একটা কুড়ি টাকার নোট বের করে দিল, ঠিক আছে, একটু তাড়াতাড়ি করুন । একটা মহড়া দিতে হবে ।

    তরমুজের গলাচেরা কান্না শুরু হয়েছে । দিলুর ঊরু দুটো দু-হাত দিয়ে প্রাণপণে জাপটে ধরে সে চিৎকার করে কাঁদছে । নীলকণ্ঠ দোকানে এসে গোটা ছয়েক জিবেগজা নিয়ে তরমুজের মুখের হাঁয়ের মধ্যে গুঁজে দিতেই কান্না বন্ধ ।

    — চলো দিলু, লক্ষ্মণকে নিয়ে আসি ।

    সে নিজের ফতুয়ার পকেট থেকে একটা দশ টাকার নোট বের করে নিজেরই দোকানের ক্যাশ বাস্কের মধ্যে রাখতে রাখতে তার হালুইকরকে বলল, তরমুজের জন্য দশ টাকা দিয়ে গেলাম । মুড়ি দিস বেশি করে । জিলিপির গরম রস দিস । জগজ্জনীর ছেলে । জলকষ্ট দিস না ।

    যাবার সময় তরমুজের পিঠে হাত বোলায়, একটু আস্তে আস্তে খাস আর নাদুর দিকে একটু নজর রাখিস— পয়সা-টয়সা না সরায় ।

    কথাটা নাদু, অর্থাৎ সেই হালুইকরের সামনেই বলল ।

    দিলুর হাঁটুর কাছে তরমুজের নখ বসে গিয়ে অনেকক্ষণ জ্বলছিল । সে অবাক হয়ে নীলকণ্ঠর কাণ্ড দেখছে । নীলকণ্ঠ সেটা লক্ষ করে বলল, বাঁশি বাজিয়ের খরচ, অধিকারী টাকাটা দিল । তাই দিয়ে আমি তোমায় দায়মুক্ত করলাম । না কী বলো?

    তরমুজ জোয়ার-ভাঁটার হিসেব সত্যিই বোঝে । ভাঁটার টানে নৌকো চলেছে তরতর করে । দিলু-মোহন দাঁড়ে বসেছে । নীলকণ্ঠ ধরেছে হাল । তবে নৌকোয় ভার একটু কম চাপলে আরও জোরে যেত । তারা তিনজন ছাড়াও, এ গ্রামের আরও কয়েকজন নৌকোয় উঠে বসেছে । তারাও অন্য কাজে গোসাবায় যাবে । বা ওদিককারই কোনও গ্রামে । নৌকো যাচ্ছে দেখে উঠে পড়েছে ।

    সূর্য একটু আগেও নদীর জল, আকাশ সব লাল করে রেখেছিল । সেই আগুন মুছে গিয়ে আকাশে দ্রুত অঙ্গারের রং ধরছে । দু-দিন পর অমাবস্যা । আজকাল সন্ধের মুখেই জানান দিচ্ছে ।

    দিলু দাঁড় মারতে মারতে তাড়া লাগায়, চড়ায় ঠেকে যাবে নীলুদা! সাবধান!

    নীলকণ্ঠর মুঠোয় হাল একটু ঝিমিয়ে ঝিমিয়ে নড়ছে, তার অনেক রকম চিন্তা । দিলুর তাড়া খেয়ে জোরে জোরে মোচড় দিয়ে হাল ঘোরায় । অনেকক্ষণ থেকে তার বুকের মধ্যে যেন একটা খিঁচ লেগেছে । পেরেক ফুটছে । নীলকণ্ঠ মুঠোয় জোর পায় না ।

    উল্টোদিক থেকে একটা নৌকো আসছে । অন্ধকারে আলোর দুলুনি দেখে মোহন হাঁক পাড়ে, কে যায়? কার নৌকো?

    ঢেউ, হাওয়া, অন্ধকারের মধ্যে দিয়ে উত্তর ভেসে আসে, আমি লক্ষ্মণ! তোমরা কে?

    দিলু পিছনে যতটা পারে ঘাড় ঘুরিয়ে চিৎকার করে বলল, নৌকো ভেড়াও । আমরা নীলকণ্ঠ, দিলু, মোহন । অন্ধকারে তার ঢেঁকুর শোনা গেল ।

    নীলকণ্ঠর মাথা বেয়ে ঘাম নামছে । কপাল মুখ ঘামে ভেজা । হাতে একদম জোর পাচ্ছে না । হাঁটুর জোর খুলে গেল নাকি? বুকে অসম্ভব কষ্ট!

    লক্ষ্মণের গলা সে শুনেছে কিনা বোঝা গেল না । ফ্যাসফেসে গলায় বলল, দিলু হাল ধর । বলেই সে হাল ছেড়ে দিল । লোকের ভিড়ে তাদের পায়ের কাছে ফাঁক-ফাঁক পাটাতনের ওপর কোনওরকমে শুয়ে পড়ল ।

    দিলু দাঁড় ছেড়ে ওঠার আগেই বদু হাল ধরল ।

    দিলু দাঁড়ে বসে বসেই বলল, কী হল তোমার, নীলুদা?

    সাড়া না পেয়ে আবার হাঁক পাড়ল— লক্ষ্মণ, নৌকো ভেড়াও । আমরা আসছি, নৌকো ভেড়াও ।

    লক্ষ্মণ গাঢ় গলায় কথা ছুড়ে দেয়— নৌকোয় আমার বাবা আছে । সময় নেই, এখন ভেড়াতে পারব না ।

    মোহনও কথা ছুড়ে দেয়— তোকে বাঁশি বাজাতে হবে । কুসুমখালিতে । দাঁড়া, আমরা যাচ্ছি ।

    ওদিকের নৌকো থেকে এবার অন্য কেউ কথা বলল, লক্ষ্মণের বাবাকে নিয়ে আমরা ডাক্তারের কাছে যাচ্ছি ।

    একটু পরে দুদিকের দুটো নৌকো কাছাকাছি হয় । লক্ষ্মণদের নৌকোয় চারদিক ঘিরে দশ-বারোজন লোক বসে আছে । মাঝখানে লম্বালম্বি বিছানা । লক্ষ্মণের বাবা বুকে দু-হাত রেখে শুয়ে আছে । চোখ খোলা, মাথা ফিরিয়ে দিলুদের কথা শুনছে । নৌকোর একধারে হাঁড়ি-কড়া, নানা মাপের কৌটো । চালের টিন । কদিন থাকতে হয় কে জানে, একেবারে সংসার সাজিয়ে নিয়েছে ।

    যদু হাল ঘুরিয়ে নৌকো দুটোকে গায়ে গায়ে লাগিয়ে দিয়েছিল । দিলু সাবধানে, লক্ষ্মণদের নৌকো একদম না দুলিয়ে এদের নৌকোয় উঠে এসে লক্ষ্মণের বাবার কপালে হাত রাখল । তারপর লক্ষ্মণের দিকে চোখ তুলে বলল, কী রকম অবস্থা? তুমি আমাদের ওখানে একটু নামতে পারবে না?

    লক্ষ্মণের মুখ-চোখ বসে গেছে । বাবার অসুখ নিয়ে আজ সারাদিনই তার ওপর খুব ধকল যাচ্ছে, বোঝা যায় । সে শুধু বলল, তুমি পাগলের মতো কথা বলছ! কাল রাত থেকে আমরা ঘুমোইনি । এক মিনিট এখন নষ্ট করতে পারব না ।

    লক্ষ্মণের মার মুখ ঘোমটায় ঢাকা । ডান হাতে ঘোমটা একটু সরিয়ে বলল, লক্ষ্মণের বাপের এই অবস্থা, এখন কি বাঁশি বাজাবার সময়?

    দিলু কথা বদলে বলল, নীলুদারও কী হল । দিব্যি হাল ধরেছিল, হঠাৎ শুয়ে পড়েছে ।

    লক্ষ্মণের বাবা পাশের নৌকোর দিকে অনেকখানি ঘাড় ঘোরাবার চেষ্টা করল । তার চোখ পিট-পিট করছে ।

    মোহন ঝুঁকে ঝুঁকে নদীর জল নিয়ে নীলকণ্ঠর মুখে মাথায় ছিটিয়ে দিচ্ছিল । লক্ষ্মণকে শুনিয়ে বলল, একদম হুঁশ নেই । অজ্ঞান হয়ে গেছে ।

    কুসুমখালিতে সবাই অপেক্ষা করে আছে । অধিকারী আবার বাঁশিবাজিয়ের টাকাও দিয়ে দিয়েছে । দিলু নিমেষে সব দুর্বÇলতা ঝেড়ে ফেলে মরিয়া হয়ে লক্ষ্মণকে বলল, তোমাকে কুসুমখালিতে নামিয়ে দিয়ে আমি এই নৌকোতেই থেকে যাচ্ছি । আমি ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাব । বাসন্তীতে তো?

    লক্ষ্মণ কিছু বলবার আগেই তার বাবা মৃদু কিন্তু স্পষ্ট গলায় বলে উঠল, তুমি যাও লক্ষ্মণ! আমি ভালো হয়ে গেছি । কাল সকালে তুমি বাসন্তী চলে এসো ।

    আজই পাঠানখালি থেকে লক্ষ্মণের দিদিকে আনা হয়েছে । তারও কেমন মনে হল, বাবার বিপদ কেটে গেছে । নৌকোর একধারে সে কেরোসিনের স্টোভে আদা দিয়ে চা বানাচ্ছিল, এদিক ফিরে বলল, আমি সকালে দেখেই বুঝেছি লক্ষ্মণ মিছিমিছি অত ভয় পাচ্ছে । তুমি আসলে বাবা আমাকে দেখতে চেয়েছিলে । তুমি ঠিকই জানতে একেবারে মরবার মতো ব্যামো তোমার এটা নয় ।

    অদ্ভূত ব্যাপার, লক্ষ্মণের বাবার মুখে খুব ক্ষীণ, খুব লাজুক, খুব ছেলেমানুষী একটা হাসি ফুটল ।

    লক্ষ্মণ পাশের নৌকোয় গিয়ে নীলকণ্ঠকে পরীক্ষা করে বলল, ও নৌকোয় নিতে হবে । গা ঠান্ডা, অবস্থা ভালো নয় ।

    সবাই মিলে ধরাধরি করে নীলকণ্ঠকে লক্ষ্মণদের নৌকোয় তোলা হলে বিছানা দুপাশে যেটুকু গুটিয়ে রাখা হয়েছিল, মেলে দিয়ে সেইখানে তাকে শোওয়ানো হল । লক্ষ্মণের বাবা ডানদিকে একটু সরে গেল । দুজনেই সমান মাপের । নদীর বুকে নৌকোর ওপর একচিলতে বিছানা দুজনে সমানভাগে ভাগ করে নিল ।

    দিলুদের নৌকোয় যারা নিজেদের কাজে গোসাবা যাচ্ছিল তাদের ওইখানেই ডাঙা ধরিয়ে দিয়ে নৌকো কুসুমখালির দিকে ফিরল ।

    দুটো নৌকো কুসুমখালিতে নোঙর করতে কয়েকজন অল্প জলে লাফিয়ে নেমে পড়ল । দিলুদের নৌকোর সবাই নেমে গেল । নীলকণ্ঠ তো আগেই লক্ষ্মণদের নৌকোয় চলে এসেছে ।

    লক্ষ্মণের সঙ্গে গোসাবার আরও অনেকেই কুসুমখালিতে নেমেছে । রোগী একটু সুস্থ হতেই সকলের মন থেকে ভার নেমে গেছে । তারা এবার যাত্রা দেখবে ।

    লক্ষ্মণ কাদা ভেঙে বাঁধের দিকে এগোচ্ছে, তাদের নৌকো থেকে তার দিদি বলে উঠল, দাঁড়া রে লক্ষ্মণ, আমিও আজ পালাটা দেখব ।

    আগেই সে বাবাকে বুঝিয়েছে ।

    ছেলে চলে গেল, মেয়ে চলে গেল, লক্ষ্মণের বাপ তার নৌকোর বাকি আত্মীয়দের একজনকে কাছে ডেকে বলল, আমি ভালো হয়ে গেছি । একটু ধরাধরি করে আসরের একধারে আমাকে শুইয়ে দাও । কাল সকালে বাসন্তী গেলেই হবে ।

    লক্ষ্মণ দিলু মোহনদের আবার নৌকোয় ডাকা হল । সকলে মিলে অনেক বোঝানো সত্বেও লক্ষ্মণের বাপের মত পাল্টাল না । লক্ষ্মণের মা ঘোমটার মধ্যে থেকেই বলে উঠল, ওই জেদ নিয়েই তুমি একদিন শেষ হবে!

    তাকেও নেমে পড়তে হল । নৌকোয় রইল শুধু নীলকণ্ঠ আর মোহন আর লক্ষ্মণদের নৌকোরই দুজন । তারা নীলকণ্ঠকে নিয়ে বাসন্তী যাবে ডাক্তার দেখাতে ।

    সেই দুজন দাঁড় মারতেই নীলকণ্ঠর শরীর ঝাঁকুনি খেল । সে এখন অন্যের নৌকোয় শুয়ে দোল খাচ্ছে ।

    নীলকণ্ঠর নিজের নৌকো ডাঙায় তুলে দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে । ক্রমে সেটা ছোট হয়ে আসছে । অন্ধকারে তার নৌকো কখন বদলে গেছে সে একদম টের পায়নি ।

    প্রথম প্রকাশ : যুগান্তর, ১৯৮০

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমন্দ মেয়ের উপাখ্যান – সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    April 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    April 25, 2026
    Our Picks

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    April 25, 2026

    মন্দ মেয়ের উপাখ্যান – সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }