Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শ্রেষ্ঠ উর্দু গল্প – সম্পাদনা : শহিদুল আলম

    লেখক এক পাতা গল্প766 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩.০৩ সাহেব গোলাম – রাজিয়া ফসিহ্ আহমদ

    সাহেব গোলাম – রাজিয়া ফসিহ্ আহমদ

    নদিম যখন বাংলো ছেড়ে গাড়ির পানে রওনা হল, তখন তার আগে আগে গেল মাত্র একটা হোল্ডল আর একটা স্যুটকেস্। গাড়ির পেছনের সিটে কিছু বই-পুস্তক, পত্রিকা ছড়িয়ে রয়েছে। পুরো বাংলো তার পেছনে পড়ে থাকল খোলা অবস্থায়।

    সাহেব কতদিন বাইরে থাকবেন, নানা কারণেই এ কথাটা জেনে নেওয়ার প্রয়োজন বোধ করল বেয়ারা। কাজেই কত দূরে সাহেব যাচ্ছেন, তা অনুমান করার জন্য সে কায়দা করে প্রশ্ন করল, ‘সাব, যদি কোনো জরুরি খবর-টবর আসে, তাহলে কোথায় জানাতে হবে?’

    ‘কোথাও না।’ নদিমের সংক্ষিপ্ত উত্তর।

    চালাকিটা একেবারেই ভেস্তে যাচ্ছে দেখে বেয়ারা মরিয়া হয়ে প্রত্যক্ষভাবেই প্রশ্ন করে বসল, ‘কবে নাগাদ ফিরবেন, সাব?’

    ‘জানি না।’

    ‘তা এক মাস, দুমাস লাগতে পারে?’ বেয়ারার এ প্রশ্ন যেন সাহেবকে নয়- নিজেকেই করা।

    নদিম কোনো উত্তর দিল না। বিরাট চাকর-বাহিনীর সালাম ঠোকা আরম্ভ হল। নদিম পকেট থেকে মনি-ব্যাগ বের করে একটা করে মুদ্রা তাদের হাতে হাতে ফেলে দিল। তারপর গাড়িতে এসে বসল, আর সঙ্গে সঙ্গে ভোঁ হয়ে গেল।

    চাকররা উঁকি মেরে, ছাদে উঠে, রাস্তার মোড় পর্যন্ত দৌড়ে গিয়ে জানবার যথাসাধ্য চেষ্টা করল, সাহেবের গাড়ির গতি কোনদিকে। কিন্তু এর চাইতে বেশি কিছুই জানা গেল না যে, রাস্তাটা রাওয়ালপিণ্ডির দিকে গেছে; আর যে গাড়ি রাওয়ালপিণ্ডি গেল, সে গাড়ি ইচ্ছা করলে পেশাওয়ার পর্যন্তও যেতে পারে।

    যাই হোক, সাহেবের চলে যাওয়াটা সুনিশ্চিত। কাজেই চাকররা সবাই একটা করে গভীর স্বস্তির শ্বাস ফেলল। তারপর, সবাই ড্রয়িং-রুমে এসে এলোপাথাড়ি হয়ে সোফার

    উপর বসে পড়ল। তাদের এখনকার কর্তব্য, সাহেব কবে নাগাদ ফিরতে পারেন, তাই নিয়ে জরুরি সভায় মিলিত হওয়া।

    প্রৌঢ় খানসামা প্রথমে শুরু করল, ‘সাব কয়টা কাপড় নিয়েছে?’ তার এই প্রশ্নের মধ্যে দার্শনিকতার স্পষ্ট আভাস।

    ‘বললেন, একটা স্যুটকেসে যয়টা কাপড় আঁটে, রেখে দে!’ উত্তর দিল বেয়ারা। ‘তবেই হয়েছে রে।’ ড্রাইভার তার নিজের অভিজ্ঞতার নির্যাস ব্যক্ত করে দিল, ‘মনে হচ্ছে, সায়েব এক হপ্তার মধ্যেই ফিরে আসছে।’

    মসলা আর ধুলো-মাটি মাখা পা দুটো সোফার উপর তুলে দিল খানসামা। ড্রাইভারের মত সে সমর্থন করতে পারে না, এমনি একটা ভাব দেখিয়ে প্রশ্ন করল, ‘অন্যান্য বারে কয়টা কাপড় নিয়ে যান?’ তার এই প্রশ্নের অর্থ যেন এই যে, চট্ করে রায় না দিয়ে বরং আরও গবেষণা করা উচিত।

    বেয়ারা বলল, ‘তার কোনো ঠিক-ঠিকানা নেই। কেন, মনে পড়ছে না, সেবার এক কাপড়ে গিয়েছিল এক রাত থাকব বলে, তারপর দুই মাস কাটিয়ে এল? সঙ্গে বিছানা ছিল না, কিচ্ছু ছিল না।’

    খানসামা আবার তেমনি ভারিক্কি একটা রায় ছাড়ল, ‘আজকাল টাকা থাকলে আর বিছানা লাগে না। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তুমি যা হুকুম করবে, তাই পাবে। কী বলছ বিছানা আর কাপড়ের কথা! ছোঃ! টাকা থাকলে গোটা একটা বালাখানা পাওয়া যায় রেডিমেড বিবি সুদ্ধ।’

    এ কথায় গাম্ভীর্যে খানিকটা আনন্দের আমেজ মিশ খেল। যে-যার রসবোধ অনুযায়ী হাসল। বেয়ারা বসে যোগদান দেওয়ার চেষ্টা করে বলল, ‘সেদিন আমি লুকিয়ে লুকিয়ে শুনছিলাম, সায়েবের দোস্ত সায়েবকে বলছিল, এবারে যখন ফিরবে, একটা বিবি সঙ্গে নিয়ে ফিরো।

    ‘তাহলেই হয়েছে।’ খানসামা কৃত্রিম আতঙ্ক প্রকাশ করে বলল, ‘সায়েব সত্যি সত্যি যদি বিবি নিয়ে ফেরে, তাহলে বুঝে নিও, আমি আর নেই, বাবা। সব ঘরে তালা পড়বে বুঝেছ? কোর্মা-পোলাও আর খেতে হবে না– তখন কেবল বাইরে বাইরে হাওয়া খেয়ে বেড়িও। আমার একটা রেকট আছে, বুঝলে? যে-ঘরেই চাকরি করতে গিয়েছি, আগে বলেছি, আমি কিচেন আর প্যান্ট্রি দেখব, তারপর কথা। তারপর কোনো আলমারিতে তালা দেখলেই বলে দিয়েছি, কাল থেকে কাজ করতে আসছি। কিন্তু আর আসতে হয়নি। ব্যস্, খতম। বুঝলে?’

    সামনে দূরে দাঁড়িয়ে বয় এতক্ষণ চুপ-চাপ শুনছিল। এবারে সে-ও তার অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিতে লাগল, ‘আর বল কেন! আমিও এক বেগম সায়েবের পাল্লায় পড়েছিলাম বটে। বেগম সায়েবের ছিল ইঁদুরের মতো ছোট মন। কোনোদিন যদি একটা টেডি পয়সা হাতে ধরে দিয়ে থাকে।

    অনেকক্ষণ পরে ড্রাইভার আবার মুখ খুলল, ‘সায়েব বিয়ে করলে আমাকেও নতুন চাকরি খুঁজতে হবে। পার্ট-টাইম চাকরিটা তো আর থাকবে না।’

    খানসামা মুরুব্বির চালে জবাব দিল, ‘মুফতের ড্রাইভারি করছ। সবসময় তো সায়েবই গাড়ি চালায়। আর, তুমি করে বেড়াও পার্ট-টাইম। বেগম সায়েব এলে তো আর সেটি চলবে না। এদিকে মিছামিছি পেট্রলের বিল, রিপিয়ার আর এই-সেই করে আরও খানিক কামিয়ে নিচ্ছ।’

    ‘কী করব বল। গরিব মানুষ, আর আটটা খানেওয়ালা। কিন্তু খানসামা ভাই, তুমিই-বা আর কম যাও কার চাইতে। গোটা ঘিয়ের টিন দু-দিনেই খতম। আর আস্ত আস্ত আটার বস্তা…।’

    ‘এখন থামাও এসব কথা। আমরা সবাই আল্লার দেওয়া রুজি কামাই করি আর খাই। অন্যের রুজি কি আর একজনে খেতে পারে!’ এই কথা বলে খানসামা এখন সোফার উপরে হাত-পা ছড়িয়ে সটান হয়ে শুয়ে পড়ল। তারপর, হাঁক ছাড়ল, ‘বয়, তাড়াতাড়ি চা বানিয়ে আন্। আর, শোন, সেই সঙ্গে কিছু ঘিয়ে-ভাজা পুরি। বুঝলি? তাড়াতাড়ি।’ রীতিমতো সাহেবের অনুকরণ শুরু করে দিল খানসামা।

    জমাদার এতক্ষণ মেঝের উপর বসে বসে এইসব শুনছিল। ঝাড়ুটাকে বালিশ বানিয়ে সে-ও লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ল ফরাশের উপর।

    বেয়ারা কোলের উপর একটা কুশন টেনে নিয়ে বলল, ‘আমার মাথায় একটা ভারি মজার খেয়াল এসেছে।

    ‘কী, কী! বল, বল!’ সবাই একসঙ্গে আগ্রহ প্রকাশ করল।

    ‘আমরা সবাই মিলে একটা পার্টি দিই, এস।’

    ‘পার্টি! ভোজের পার্টি নাকি?’ খানসামা বিস্ময় প্রকাশ করল, ‘তোমার তো সাহস কম নয় হে! তাহলে কেমন পার্টি, বল দেখি, বাপু, শুনি।’

    ‘হ্যাঁ দোস্ত, ভালোই খেলেছে তোমার মাথাখানা। হয়েই যাক একটা পার্টি।’ ড্রাইভার প্রথম সায় জানাল।

    ‘কিন্তু সায়েব না থাকলে তো আমাদের রোজই পার্টি চলে, ফুর্তি চলে। তাহলে আর নতুন ব্যাপারটা কী হতে যাচ্ছে?’

    বেয়ারা বলল, ‘সেরকম নয়, খানসামা সায়েব। এ হবে স্পেশাল ডিনার-পার্টি। আমরা স্যুট পরব। অনেক মেহমান আসবে। টেবিল জুড়ে থাকবে কোর্মা, পোলাও, জর্দা। রেডিও বাজবে। বক্তিমে হবে।’ কিছুক্ষণ থেমে আবার সে বলল, ‘কিন্তু আমি ভাবছি, পার্টিটা মিক্স হবে, না সিঙ্গেল!’

    ‘সেটা আবার কী জিনিস?’

    ‘বুঝলে না? মানে, পার্টিতে শুধু সায়েবরাই থাকবেন না, বেগম সায়েবদেরও আনা হবে?’ ড্রাইভার বলল, ‘না ভাই, বেগম সায়েবদের সঙ্গে করে আনলে আবার নানা ঝামেলা বাধবে। পর্দা কর, এই কর, সেই কর। তার চাইতে আমরা, মানে শুধু সায়েবরাই ঠিক আছি।’

    ‘তাহলে তো দেখছি, সব ঝক্কি আমাকেই সামলাতে হবে।’ খানসামা আসল কথাটা পেড়ে বসল, ‘তা ঠিক আছে, তোমরা যখন বলছ, তখন করতে হবে বৈকি!’

    ‘কিন্তু খানসামা সায়েব, মনে থাকে যেন, গণ্যমান্য সব অতিথিরা আসবেন। ভালো খানা হওয়া চাই কিন্তু।’

    ‘সে আর তোমাকে বলতে হবে না। এমন খানাটাই খাওয়াব যে, জিন্দিগি-ভর মনে থাকবে।’

    ‘তাহলে একটা দিন-ক্ষণ ঠিক হয়ে যাক।’

    ‘কাল।’

    ‘বেশ, কাল রাত্রেই তাহলে হোক। ডিনারের দাওয়াত সব জায়গায় পৌঁছে দাও।’

    ‘আর শোনো, মেহমানরা সব হুড়দ্দুম যেন ডাইনিং-হলে ঢুকে না পড়ে। সবাই আগে ড্রেসিং-রুমে আসবে, ফিটফাট কাপড় পরবে। তারপর আবার বাইরে যাবে। বাইরে গিয়ে ওই সামনের দিক থেকে এসে ড্রয়িংরুমে ঢুকবে। ড্রয়িংরুম থেকে তারপর ডাইনিং-হল।’

    ‘আর হ্যাঁ, মালিবাবাকে ডাকো। ওকে বলে দাও, যেন চমৎকার করে কয়েকটা ফুলের তোড়া বানিয়ে রাখে।

    এমন সময় বয় ট্রেতে করে চা নিয়ে এল। আর, গরম গরম পুরি ভাজা। বেয়ারা কোথাও থেকে ফাইভ ফিফটি ফাইভ সিগারেটের টিন নিয়ে এল বের করে। সবাইকে দিল একটা করে। বয় চা পরিবেশন করল। চায়ের পেয়ালায় আরও অনেকক্ষণ ধরে রাজনৈতিক এবং অন্যবিধ আলাপ-আলোচনা চলল। তারপর, সবাই একে একে যে-যার ঘরের দিকে চলে গেল। সাহেবই যখন নেই, তখন কাজেরও কোনো প্রশ্ন ওঠে না। বেয়ারা বয়কে দিয়ে চায়ের পেয়ালা ইত্যাদি সরাল। তারপর, ঘরে তালা লাগিয়ে বেড়াতে বেরিয়ে পড়ল বাইরে।

    .

    পরদিন সকাল থেকেই ডিনার-পার্টির আয়োজন শুরু হয়ে গেল। আগেই ঠিক হয়েছিল যে, প্রত্যেকে একজন করে ঘনিষ্ঠ, নির্ভরযোগ্য, বিশ্বাসযোগ্য আত্মীয় বা বন্ধুকে দাওয়াত দিতে পারবে। সে এমন হবে, যেন পার্টির কথা একটা তার মুখ থেকে বাইরে না বেরোয়।

    খানসামা মহাব্যস্ত। তার চাইতে ব্যস্ত করে রেখেছে সে বয়কে। তাকে সে বাঁদর-নাচ নাচাচ্ছে। বয় আবার খুব করে খাঁটিয়ে নিচ্ছে জমাদারকে। এরাই এখন এ বাড়ির সর্বেসর্বা।

    ধোপাকে ডেকে এনে সব কাপড়ে ইস্তিরি করিয়ে নেওয়া হল। তারপর, ধোপাকেও দাওয়াত দেওয়া হল ডিনার খাওয়ার।

    মালিবাবা সকাল থেকে ফুলের তোড়া তৈরি করছে নিবিষ্ট মনে

    জমাদার সমস্ত ঘর-দোর ঝেড়ে-ঝুড়ে পরিষ্কার, ফিটফাট করে তুলল।

    বয় একা পেরে উঠছে না বলে খানসামা আরও একজন অ্যাসিস্টেন্ট নিয়ে এল বাইরে থেকে। বয় আর নতুন অ্যাসিস্টেন্ট মেশিনের মতো কাজ করে যাচ্ছে। একের পর এক মুরগি জবাই করে ওরা দুজন দ্রুত হাত চালিয়ে সেই মুরগি ছাড়িয়ে চলেছে। নতুন অ্যাসিস্টেন্টকেও ডিনার পার্টির দাওয়াত দেওয়া হল।

    সন্ধ্যায় মেহমানদের আগমন শুরু হওয়ার আগেই খাবার টেবিলে ধপধপে সাদা কাপড় বিছিয়ে তার উপর ডিনার সেট, চকচকে ছুরি-কাঁটা, সুন্দর করে সাজানো ফুলদানি সাজিয়ে রাখা হল। গ্লাসে গ্লাসে সাদা ন্যাপকিনের সারি লেগে গেল, যা দেখতে মনে হল সারিবদ্ধ বলাকার মতো।

    টেবিলের পরিচর্যা শেষ হলে পর সবার আগে বেয়ারা কেতা-দুরস্ত পোশাকে সেজে নিল। সমস্ত মেহমানের জন্যও যার যার পদমর্যাদার দিকে খেয়াল রেখে ওয়ার্ড-রোব থেকে বের করে করে এগিয়ে দেওয়া হল স্যুট, জ্যাকেট, শেরওয়ানি, চুড়িদার ইত্যাদি। বেয়ারা নিজে পরল ডিনার স্যুট– সাদা শার্টের উপর ডিনার-জ্যাকেট, গলায় কালো বো, বুক-পকেটে বের করে রাখা সাদা রুমাল, পায়ে আলো-ঠিকরানো কালো জুতো আর বাটন-হোলে সুইট-পি ফুল গুঁজে যখন সে আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়াল, তখন নিজের কাছেই সে একটা লাটসাহেব বলে বোধ হতে লাগল। আর, তাই দেখে খানসামা মন্তব্য করল, ‘যা না, একবার মালিবাবার কাছে গিয়ে দাঁড়া। তোকে যদি সায়েব মনে করে একটা সালাম না ঠোকে, তো আমায় বলিস।’

    সবার যখন মোটামুটি সাজাগোজা শেষ হয়েছে, তখন ড্রেসিং-রুমের জৌলুস দেখে খানসামা একেবারে আত্মহারা। কিন্তু সেই আত্মহারা অবস্থাতেও তার মাথায় একটা বুদ্ধি গজাল। ভাবল, এমন জৌলুস, ছবি তুলে ধরে না রাখলেই নয়। পার্টির শেষ হওয়ার পর সেই ছবি সবাইকে দেখিয়ে বেড়ানো যাবে। চিরকাল সে ছবি হয়ে থাকবে সারাজীবনের একটা মনোরম স্মৃতি। কাজেই খানসামা টেলিফোন করে ফোটোগ্রাফারকে আসার জন্য ডাকতে চলে গেল।

    নিজের দৈনন্দিন কাজ শেষ করে মালিবাবাও এসে গেল তৈরি হতে। হাত-পায়ের কাদা ছাড়ানোর জন্য সে গোটা একটা খোশবুদার সাবান ঘষে ঘষে শেষ করল। তারপর গরম আর ঠাণ্ডা পানি মেশানো বাথটাবে শুয়ে থাকল কিছুক্ষণ। মালিবাবার দেরি হচ্ছে দেখে বেয়ারা যখন হাঁক ছাড়ল, তখন মানুষ-সমান লম্বা তোয়ালেতে সারা শরীর ঢেকে সে বাইরে বেরিয়ে এল। চুড়িদার পাজামা আর শেরওয়ানি পরল। মাথার উপর বাঁকা করে জিন্না-টুপি চাপাল। পায়ে দিল সলিম-শাহি পাদুকা। তারপর, আয়নার সামনে যখন দাঁড়াল, তখন তাকে মনে হতে লাগল স্বপ্নপুরীর রাজপুত্র বলে। তাই-না দেখে বেরিয়ে পড়ল তার বত্রিশ-পাটি দাঁত, আর সে দাঁত সারাসন্ধ্যা বেরিয়েই থাকল– কিছুতেই ভেতরে করা গেল না। বারবার শেরওয়ানিতে হাত বুলিয়ে বুলিয়ে তার মসৃণতা অনুভব করতে লাগল। মনে মনে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করল সেই আল্লার দরবারে, যিনি তাকে একদিনের সুলতান করেছেন।

    ড্রাইভার মাথায় একটা সাদা পাগড়ি জড়িয়ে নবাব সাজল।

    বেয়ারা মাথায় দিয়েছে তার সাহেবের ফেল্ট হ্যাটটা।

    বয় বেচারা সবচাইতে বেঁটে। কোনো কাপড়ই তার গায়ে ফিট্ করে না। যেটাই পরে, সেটাতেই হারিয়ে যায় সে। তখন সবার পরামর্শে তাকে পরানো হল একটা সিল্কের পাঞ্জাবি আর একটা সাদা লুঙ্গি। পাঞ্জাবির আস্তিন খানিকটা গুটিয়ে দেওয়া হল আর লুঙ্গি মাজায় খানিক জড়িয়ে দেওয়া হল তবে গিয়ে সে কিছুটা মানুষ-মানুষ বোধ হতে লাগল।

    মুকিল হল জমাদারকে নিয়ে। স্যুট-কোট-হ্যাট তার পছন্দ নয়। শেরওয়ানিও সে পরবে না। তার চোখ সাহেবের স্লিপিং গাউনের দিকে। তার এই ইচ্ছায় বাধা দেওয়া কারো যুক্তিসঙ্গত মনে হল না। কিন্তু মালিবাবার পরামর্শে সেই গাউনের উপর সে আবার যোগ করল একটা নতুন ফ্যাশন। দেড়শো টাকা দামের নতুন শৌখিন কম্বলটা সে জড়িয়ে নিল গাউনের উপর

    ডিনার-পার্টিতে বাইরের মেহমানরা তো মেহমানই; কিন্তু ভেতরের যারা, তারাও মেহমান বলে কেউ কাউকে খাবার পরিবেশন করবে না। সুতরাং, খাদ্য-সামগ্রী আগে থেকে টেবিলে সাজিয়ে রাখা হল।

    পেছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে তারা সবাই বাইরে এল। ভেতরে থাকল কেবল বেয়ারা। তারপর, সামনের দরজায় একে একে বেলটিপে এমনভাবে তারা ভেতরে ঢুকল, যেমন ঢোকে যথার্থ মেহমানরা। বেয়ারা এগিয়ে এসে, করমর্দন করে তাদের এগিয়ে নিয়ে যেতে লাগল। পকেট থেকে ফাইভ ফিফটি ফাইভের টিন বের করে মেলে ধরল সামনে। কুশল-বিনিময় চলতে লাগল পরিমিত ভাষায়। ব্যাগ্রাউন্ডে রেকর্ড-প্লেয়ার থেকে বাজতে লাগল স্পেনীয় সংগীত।

    ডিনার শুরু হয়ে গেল। বেয়ারা বিরাট একটা গামলায় করে গরম গরম সুপ এনে রাখল। যার যার পাত্রে ঢেলে নিয়ে কেউ ঢুঁ মেরে আর কেউ নুলো ডুবিয়ে খেয়ে ফেলল সেই সুপ।

    জমাদারকে দেওয়া হল প্রথম খানা তুলবার সম্মান। তারপর, প্রত্যেকে যার যার পাতে খানা তুলে নিল। প্রথম গ্রাস খানা মুখে তুলবার সম্মানও আবার দেওয়া হল জমাদারকেই তখন জমাদার কাঁটা-চামচ টেবিলের মাঝখানে সরিয়ে রাখল। রেখে হাত দিয়েই অতি দ্রুত গোগ্রাসে গিলতে আরম্ভ করে দিল। বেয়ারা মনে করল এটাকে হাভাতেপনা বলে।

    ডিনার-পার্টির মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা উচিত নয় ভেবে অতি অল্প পরিমাণে প্লেটে খানা নিল সে। কোলের উপর ন্যাপকিন বিছিয়ে নিল, ঠিক যেমন ভদ্রলোকদের নেওয়া উচিত, তেমনি করে। তারপর ফিশ-ফ্রাই-এ ছুরি-কাঁটা চালাতে লাগল আস্তে করে। নির্ভুল কায়দায় সে ছুরি-কাঁটা ধরেছে। কিন্তু অনভ্যস্ততা হেতু মাঝে মাঝে পিছলে যাচ্ছে, আর পিছলে যাওয়ার জন্য মাছের টুকরো পড়ে যাচ্ছে নিচে।

    বেয়ারার দেখাদেখি অন্য সবাইও কাঁটা-চামচ ধরল। কিন্তু তাদের কেউ কেউ এমনভাবে ধরল যে, ছুরি নিয়ে যেন শত্রুকে আক্রমণ করতে যাচ্ছে। কাঁটার ঘায়ে কারও কারও জিবে লাগল খোঁচা। কেউ কেউ মাংসের টুকরো হাত দিয়ে ছিঁড়ে, চামচে রেখে বা কাঁটায় বিঁধিয়ে মুখে ঢোকাল। বলাকার ঝাঁক হয় গ্লাসেই রয়ে গেল, না হয় ছড়িয়ে পড়ল টেবিলের উপর। সারা ডাইনিং-হল জুড়ে বিরাজ করতে লাগল কাঁটা-চামচ-প্লেটের ছন্দহীন ধ্বনি। তার সঙ্গে যোগ হয়েছে চপ্‌চপ্, সুড়ুৎ-সাড়ুৎ ইত্যাদি শব্দ। সবাই গিলছে গোগ্রাসে, ব্যস্তসমস্ত হয়ে। কথা বলার কারো ফুরসত নেই। কিছুক্ষণের মধ্যেই অনেকে বুঝল, কাঁটা-চামচের ঝকমারি ডিনারের সমস্ত স্বাদ নষ্ট করে ফেলছে। তখন তারা অস্ত্রশস্ত্র ত্যাগ করে হাতের সদ্ব্যবহারে মনোযোগী হল। একমাত্র বেয়ারাই শেষ পর্যন্ত কৌলীন্য বজায় রাখল। এই কারণে তাকে বেশ খানিক অতৃপ্ত, অর্ধভুক্ত থাকতে হল।

    একটা টানতে গিয়ে অন্যটায় ধাক্কা লেগে যাওয়ায় কিছু প্লাস, প্লেট নিচে পড়ে ভাঙল। অনেক দূরের জিনিস হাত বাড়িয়ে নিতে গিয়ে জমাদারের কম্বলের কোনা ঝোলের স্বাদ টের পেল।

    এইভাবে খাওয়া শেষ হলে ঢেকুর তোলার শব্দ উঠতে লাগল। স্পেনীয় সংগীতের সঙ্গে মিশে সেই শব্দ নতুন এক সুরের ব্যঞ্জনা সৃষ্টি করতে লাগল। গ্লাসের পানি খেতে গিয়ে ন্যাকিনগুলো টেবিলের তলায় চলে গেছে। কাজেই অনেকে টেবিলের চাদরেই হাত মুছে নিল। কেউ গেল বাথরুমে হাত ধুতে। বাদবাকি সবাই কোটের পকেটে হাত ঢুকিয়ে সে কাজ সম্পন্ন করে নিল।

    শেষে বয় চা পরিবেশন করল। সবাই ঠোঁটের কোণায় ফাইভ ফিফটি ফাইভ সিগারেট ঝোলাল। কেবল খানসামা তার পোশাকের গাম্ভীর্যের দিকে লক্ষ রেখে একটা চুরুট ধরাল।

    এমন সময় বেয়ারা দাঁড়িয়ে ঘোষণা করল, ‘এবার খানসামা সায়েব আমাদের ডিনার-পার্টির ওপর একটা বক্তিমে দেবেন।’

    খানসামা চুরুটটা হাতে নিয়ে ঠিক বক্তার মতো পোজ্ করে দাঁড়াল। তারপর একটুও চিন্তা-ভাবনা না করে বলতে শুরু করে দিল, ‘ভাইসব, আমরা বহুত দিন পর আজকে গোলাম থেকে সায়েব হয়েছি। নিজেরাই যা-খুশি রান্না করেছি– নিজেদের হাতে যেমন-করে-খুশি খেয়েছি। আহা, ইংরেজ সায়েবদের কথা আজকে আমার মনে পড়ছে। তেনারা ছিল খাঁটি সায়েব। আজকে যেমন আপনারা সায়েব হয়ে খেয়েছ, ওই সময় আমরা প্রত্যেকদিন সায়েবি খানা খেয়েছি, ভাইসব। এক মাস, দু-মাস মাত্র পরে কোট- পালুন সায়েবরা অমনি দিয়ে দিয়েছেন। মেম-সায়েবরা মুড়ি-ভাজার মতো দুহাতে পয়সা বিলিয়েছে। ফাস্টো ক্লাস বিয়ারের বোতল আমরা সাবাড় করেছি। আয়াদের সঙ্গে কত ঠাট্টা-দিল্লাগি করেছি। তারপর পাকিস্তান হলেন, আমাদের দেশ স্বাধীন হলেন। কিন্তু আমরা গোলাম হয়ে গেলাম, ভাইসব। ইংরেজ সায়েবরা কুত্তারও কত খাতির করতেন। দিশি সায়েবরা মানুষকে কুত্তার অধম ভাবলেন। একটা টেডি পয়সা এদিক-ওদিক হলে ধমক খেতে হচ্ছেন। আপনারা এখন সারা জিন্দেগিতে একদিন ছুটি পাও না। আমাদের সায়েব কিন্তু খারাব লোক নয়। ইংরেজ সায়েবদের মতো আমার সায়েব কুকুর রাখে না, ঘোড়া রাখে না, মেম রাখে না, আর…’

    খানসামার বক্তৃতা তখনো চলছে, কিন্তু বেয়ারা তাতে মজা পাচ্ছে না। এসব কথা সে প্রত্যেকদিনই শোনে। এখন তার খেয়াল অন্য দিকে। দুই-দুবার ফোটোগ্রাফারকে টেলিফোন করা হল এখনো সে আসছে না কেন, এই চিন্তায় সে মনে মনে ভারি ব্যস্ত। খানসামার ভাষণ শেষ হয়ে আসছে মনে করে বেয়ারা ইঙ্গিতে তাকে জানিয়ে দিল শেষ না করতে।

    ঠিক এমনি সময়ে বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল। বেয়ারা বয়কে ইঙ্গিতে বলে দিল ফোটোগ্রাফারকে তাড়াতাড়ি ভেতরে নিয়ে আসতে। বয় চলে গেল।

    খানসামা বেয়ারার ইঙ্গিত বুঝতে পেরে বক্তৃতার উপসংহারটাকে আর একটু লম্বা করল, ‘ভাইসব আমাদের সায়েবের জন্য আমরা দোয়া করি– আল্লা যেন তেনাকে আরও একশো বছর বাঁচিয়ে রাখে। আমাদের সায়েব যে কত ভালো লোক, তা আপনারা আজকের এই খানা-পিনা থেকেই বুঝতে পারছ।…‘

    এমন সময় ডাইনিং-হলের দরজার পর্দা নড়ল। খানসামা ফোটোগ্রাফারের জন্য বক্তৃতার পোজটাকে আর একটু আকর্ষণীয় করে নিল। উপস্থিত শ্রোতৃমণ্ডলীও যে-যার দৈহিক ও চেহারাগত আকর্ষণ বাড়ানোর জন্য তৎপর হয়ে উঠল। কিন্তু যার যেমন পোজ, তেমনিই থেকে গেল। খানাসামার বক্তৃতার শেষ শব্দটি অর্ধোচ্চারিত রয়ে গেল। মুখ হাঁ হয়েই থাকল, সে হাঁ আর বন্ধ হল না। সবাই যেন পাথরের মূর্তি– কেউ নড়ল না, কেউ নিশ্বাসটুকুও ফেলল না, যেন সবাই জমে গেছে। যে দাঁড়িয়েছিল, সে দাঁড়িয়ে থাকল। যে বসেছিল, সে বসে থাকল। যে চুলকাতে যাচ্ছিল, তার হাত থেমে গেল অর্ধপথে। সবাই স্থবির। কেবল বয় এর ব্যতিক্রম। সে নড়ছিল, থরথর করে কাঁপছিল নদিমের পেছনে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে।

    নদিম ভালো করে একবার অবস্থাটা দেখে নিল। হলের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত নজর বুলাল। তারপর বলল, আজ থেকে তোমাদের সবারই চাকরি নট্। বলে সে দ্রুত পায়ে শোয়ার ঘরে চলে গেল।

    অনুবাদ : নেয়ামাল বাসির

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমার বোকা শৈশব – আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
    Next Article এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে – আবদুল্লাহ আল-মুতী

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }