Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শ্রেষ্ঠ উর্দু গল্প – সম্পাদনা : শহিদুল আলম

    লেখক এক পাতা গল্প766 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪.১৩ সন্ন্যাসী ও গণিকা – সোহেল আজিমাবাদী

    সন্ন্যাসী ও গণিকা – সোহেল আজিমাবাদী

    মায়া যখন তার শাশুড়ি এবং ননদের সাথে ‘শান্তি আশ্রমে’ পৌঁছল তখন সেখানে আরও কিছু মেয়েছেলে জড়ো হয়েছে। স্বামী চৈতন্যানন্দ মহারাজ প্রার্থনার জন্য এসে উঁচুমতো চত্বরের উপর উপবেশন করেছেন। এখন শুধু তাঁর উপদেশবাণী বর্ষণ বাকি। প্রথমে তার শাশুড়ি কমলা দেবী মহারাজের পদস্পর্শ করে প্রণাম করলেন। মহারাজ সবার মাথায় হাত রেখে আশীর্বাদ করলেন। সবার শেষে মায়া তার পদস্পর্শ করে প্রণাম জানাবার জন্য এগোল, কিন্তু সে পা স্পর্শ করতে উদ্যত হয়ে হাত বাড়াতেই মহারাজ পা গুটিয়ে নিলেন আর তার মস্তক স্পর্শ করা ব্যতিরেকেই ইঙ্গিতে তাকে আশীর্বাদ করলেন এবং কমলা দেবীকে বললেন, ‘দেবী, তোমার বউ তো সত্যি সুন্দরী।’ পরে মায়াকে বললেন, ‘এখন থেকে তুমি…।’

    স্বামীজি চুপ করে গেলেন। মায়া মাথা তুলে এক পলকে স্বামীজিকে দেখল। তার উদ্ভাসিত চেহারা চুপসে গেছে। ঠোঁট থর থর করছে। স্বামীজি আরও কিছু বলতে চাইলেন কিন্তু পারলেন না। মায়া মনে ভীষণ আঘাত পেল। সে মনে গভীর ভক্তি আর বিশ্বাস নিয়ে এখানে এসেছিল। সে শুনেছিল ‘শান্তি আশ্রমে’ এসে মহারাজের দর্শনের পর উপদেশাবলি শুনলে নাকি মনে গভীর শান্তি নেমে আসে। কিন্তু এখানে এসে মহারাজের ব্যবহার দেখে তার মনে হল শান্তি তার যা-ও-বা ছিল তাও শূন্যে বিলীন হয়ে গেছে। মহারাজ কিছু না-বলেও যেন অনেককিছু বলে দিয়েছেন। ‘এখন থেকে তুমি…’ এরপর মায়া নিজেই বাক্য সমাপ্ত করল। বরং কিছু বাক্য তৈরি করে নিল যা মহারাজ বলতে পারতেন, ‘এখন থেকে তুমি ঘরের সম্মান রাখবে। ভদ্রমহিলার মতো জীবনযাপন করবে।’ আরও না-জানি কত কী বলতে চেয়েছিলেন। মহারাজ কী বলতে চেয়েছিলেন বুঝতে মায়ার একটুও বিলম্ব হল না। সে এজাতীয় কথা হাজার বার ঘরে এবং নাটকের সংলাপে বলেছে, যার দুটি মাত্র অক্ষর এইমাত্র তিনি উচ্চারণ করলেন, যাতে শ্রোতা শোনামাত্রই বাক্য সমাপ্ত করে নেয়। স্বামী চৈতন্যানন্দ মহারাজও এটাই বলেছিলেন। মায়া নিজেই বাক্য সমাপ্ত করল। সেই না-বলা এক-একটি শব্দ তীরের মতো তার মনের গভীরে বিদ্ধ হল। সে আসার আগে ভেবেছিল, স্বামীজির দর্শন পাবে, তাঁর পদস্পর্শ করে প্রণাম করবে, তাঁর আশীর্বাদ নেবে, তাঁর উপদেশ শুনবে এবং তাঁর সাথে প্রার্থনায় অংশগ্রহণ করবে। এভাবে সে তার মনের ফিরে পাওয়া শান্তিকে ষোলোকলায় পূর্ণ করবে। কিন্তু স্বামীজির কথায় তার মনে যে শান্তি ছিল তা-ও নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল– যা সে কয়েক মাসের ভেতর পেয়েছিল। সবার সামনে যেন তাকে চপেটাঘাত করে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হল সে কে, এবং সে যদি নিজেকে ভুলে গিয়ে থাকে তবে বোকামি করেছে। তার জন্য সবচাইতে বুদ্ধিমানের কাজ হল নিজেকে স্মরণ রাখা। তবুও সে নিজেকে দমন করল। ভাবল-এসেছে যখন, তখন উপদেশ শুনে প্রার্থনা করেই যাওয়া উচিত। কিন্তু তার মনে হল ‘শান্তি আশ্রমে’ উপস্থিত কয়টি চোখের দৃষ্টি তার ওপর নিবদ্ধ, তার উদ্দেশ্যে সবকটি ঠোঁট স্পন্দিত এবং যদি সে অবিলম্বে শান্তি আশ্রম ত্যাগ না করে তবে তার শ্বাসপ্রশ্বাস রুদ্ধ হয়ে যাবে এবং সেখানেই সে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করবে। মায়া ঝুঁকে পড়ে শাশুড়ির কানে কিছু বলল এবং আশ্রম থেকে বেরিয়ে পড়ল।

    ঘরে পৌঁছে সে মশারি না-ফেলেই বিছানায় ঝাঁপিয়ে পড়ল। চোখের জল তার দুচোখ ছাপিয়ে কূলহারা প্লাবন বইয়ে দিল। স্বামী চৈতন্যানন্দ বড় সন্ন্যাসী। সমস্ত শহরে তাঁর নামডাক। অনেক পাপিষ্ঠ তাঁর দর্শন পেয়ে নিজেকে শুধরে নিয়েছে, অনেক নষ্ট লোক তাদের সৎজীবন ফিরে পেয়েছে। তাঁর কথায় জাদু আছে। তার কথা কারও ওপর প্রভাব বিস্তার করবে না, এ একেবারেই অসম্ভব। মানুষ ব্যাধিগ্রস্ত মন নিয়ে এখানে এসে নিষ্পাপ মন নিয়ে ফিরে যায়।

    কিন্তু মায়ার মনে হল — স্বামীজি তার উজ্জ্বল প্রদীপ্ত আত্মাকে কলঙ্কিত করে দিয়েছেন এবং তাকে সেই নরকে নিক্ষেপ করেছেন, যেখানে ছ মাস পূর্বে পর্যন্ত সে দগ্ধ হচ্ছিল। তার মন ছটফট করে উঠল। তার মনে পুরনোদিনের ক্ষয়ে যাওয়া স্মৃতি নতুন করে ধাক্কা মারল যা সে ভুলে গেছে; তার স্বামী, শাশুড়ি, ননদেরা ভুলিয়ে দিয়েছে। কিন্তু স্বামীজি পারলেন না ভুলিয়ে রাখতে। অথচ তার পূর্বাপর জীবনের সাথে স্বামীজির কোনও সম্পর্কই ছিল না। সে আগে কী ছিল, এখন কী, এ সম্পর্কে স্বামীজির কী! আগামীকাল তার জীবন কেমন হবে এই তো শুধু স্বামীজির চিন্তা করা উচিত। সে তো প্রমাণ করেই দিয়েছে মানুষ যদি সৎভাবে জীবনযাপন করবার সুযোগ পায় তা হলে অতীতের কার্যকলাপ শুধরে নিতে পারে। কিন্তু স্বামীজি এখনও বিস্মৃত হতে পারেননি যে, সে ছ মাস আগে গণিকা ছিল, সে কি না প্রত্যেক রাতে কোনও-না-কোনও পুরুষের কাছে বিক্রি হত। কিন্তু সে চেষ্টা করে তার জীবন শুধরে নিয়েছে এবং অন্যান্য নারীর মতো সে-ও ভদ্রভাবে জীবনযাপন করছে।

    হঠাৎ তার চিন্তাধারার গতি পরিবর্তিত হল। সে ভাবল –তপস্যা কে করেছে? স্বামীজি, মহারাজ, না সে? তপস্যার গুণে মুক্তিই-বা কে পেয়েছে? সে না স্বামীজি? তার অনুভূতি মুখর হয়ে উঠল। সে-ই তো মুক্তি পেয়েছে। মহারাজ তো এখনও বিভিন্ন প্রকার বন্ধনের অক্টোপাসে জড়িয়ে আছেন– সেসব বন্ধন থেকে অন্যের মুক্তির জন্য তিনি আশ্রম এবং এ-জাতীয় জাল বিছিয়ে রেখেছেন। অথচ এই বন্ধন থেকে তিনি জীবনে মুক্ত হতে পারবেন না। সেই আশ্রম, দর্শন, উপদেশ এবং প্রার্থনার ধূম্রজালে তিনি সর্বদা জড়িয়ে থাকবেন, কিন্তু তাঁর আত্মা সেই শক্তি কোনওদিনও পাবে না যে-শক্তি দুর্বল এবং অবসাদগ্রস্ত মনের অবলম্বন হতে পারে।

    তার মনে বিস্তৃত দিনের স্মৃতি পুনর্জীবন লাভ করল। বিগত দিনের এক-একটি ঘটনা মনে পড়তে লাগল। যদ্দূর তার মনে পড়ছে তাকে কলকাতা এনে বিক্রি করা হয়েছিল। সে শহরের কুখ্যাত একটি মহল্লার একখানা ক্ষুদ্র কক্ষে আটকা পড়ে ছিল। বুড়িমা তাকে লালনপালন করত। মা-বাবার ঘরের জীবনের সাথে এই জীবনের পার্থক্য ছিল প্রচুর। কিন্তু সে কোনও ব্যাপারে কষ্ট পায়নি। বুড়িমা তাকে কখনও কখনও গালিগালাজ করত, কখনও-বা তার ব্যাপারে অন্যান্য মেয়েলোকদের সাথে আলাপ-আলোচনা করত। সে ভাবত, বুড়িমা তাকে বুড়োবয়সের অবলম্বন হিসেবে গড়ে নিচ্ছে। এভাবে সে যতই বড় হচ্ছিল মা’র আনন্দও বেড়ে যাচ্ছিল। কিন্তু সে নিজে এ-জীবন পছন্দ করত না। মনের ভেতর তার আগুন ছিল কিন্তু কিছু করতে পারত না। কখনও রাত্রে বালিশে মুখ গুঁজে সে খুব কাঁদত। এভাবে একদিন তার সৌন্দর্য আর যৌবনের খ্যাতি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ল। বুড়িমা তাকে একদিন একলা রেখে দুনিয়া ছেড়ে চলে গেল আর তার জীবনের ধারাও বদলে গেল। তাদের মহল্লার অন্য মেয়েদের মতো নিজের পছন্দ হোক বা না-হোক, তাকেও প্রত্যেকদিন আগন্তুক পুরুষের প্রতীক্ষায় বসে থাকতে হত।

    একদিন তার কক্ষে মধ্যবয়েসি একজন পুরুষ এল। সে ছিল রূপমহল থিয়েটারের মালিক। তার নাকি অনেক মেয়ের প্রয়োজন। তার সাথে আরও লোকজন ছিল যারা তাকে ‘শেঠ’ সম্বোধন করত। সে মায়াকে থিয়েটারে কাজ করার জন্য বলল। মায়াও রাজি হয়ে কাজ শুরু করে দিল। পরে মায়া বুঝতে পেরেছিল সে নামেই শেঠ, তার থলি শূন্য। সব-কয়টি প্রাণীকে জীবনধারণের মতো কিছু পয়সা দিতে পারত সে। বেশি দেওয়া তার পক্ষে সম্ভব ছিল না। কিন্তু এতে মায়ার একটা লাভ হয়েছিল, তা হল শহরময় তার অভাবনীয় খ্যাতি। মানুষ তাকে দেখার জন্য আসতে থাকল। এতে তার জীবন আগের চাইতে সুখে এবং স্বস্তিতে চলতে লাগল। কিন্তু তার আত্মার ক্রন্দন দিনদিন বেড়ে চলল। এক-একদিন তার মন একখানা ছোটখাটো ঘর এবং স্বচ্ছন্দ জীবনের জন্য আইঢাই করে উঠত। তার গাঁয়ের সাধারণ মানুষের মতো জীবন! কিন্তু সে-জীবন ছিল অনেক দূরে। প্রত্যেকদিন তার কক্ষে প্রেমিকের ভিড় হত। কিন্তু প্রেম ছিল তার থেকে অনেক দূরে।

    হঠাৎ একদিন রাত্রে মেঘাচ্ছন্ন আকাশে চন্দ্রের মতো তার কক্ষে মোহন এসে উপস্থিত হল। বড় একখানা গাড়িতে চড়ে সুন্দর সাজ-পোশাক করে এসেই সে বলল, ‘আরে তুমি এখানে, গোবরে পদ্মফুল।’

    মায়া তার দিকে চেয়ে থাকল। এ পর্যন্ত অনেকেই তো তার কক্ষে এসেছে কিন্তু কেউ তো তাকে ‘গোবরে পদ্মফুল’ বলে আখ্যা দেয়নি। মোহন অন্যদের মতো তার সাথে বিকিকিনির কথাও বলেনি, বরং যতক্ষণ সে ছিল তার অভিনীত প্রত্যেকটি নাটকের প্রশংসাই শুধু করেছে। চারদিকে চুপি চুপি চেয়ে একসময় বলল, ‘কী করবে মায়া দেবী, আমাদের দেশে কি শিল্পীর সম্মান আছে?’

    মায়ার মনে হল, মোহন যেন তার মনের কথাই বলেছে। মোহনের কথা তার কাছে দূর থেকে আগত সুরের মতো মূর্ছনা সৃষ্টি করল। কিছুক্ষণ পর মোহন অত্যন্ত ধীরে একশো টাকার একখানা নোট তার দিকে বাড়িয়ে দিল আর নিঃশব্দে উঠে চলে গেল। মোহনের চলে যাবার পর সে ভেবে পেল না মোহন এলই-বা কেন আর চায়ই-বা কী। অনেকক্ষণ ভেবে সে সিদ্ধান্তে এল, মদ খেয়ে উন্মত্ত হয়ে এসেছিল সে। কিন্তু এজাতীয় কোনও লক্ষণ তো তার ভেতর ছিল না। বরং তার হুঁশ তো ঠিকই ছিল। যেসব কথা সে বলেছে তা-ও সজ্ঞানেই বলেছে। সে-রাতে সে কিছুই করতে পারল না। তাড়াতাড়ি দরজা বন্ধ করে বিছানায় আশ্রয় নিল। সে ভাবল, আগামী রাত মোহন নিশ্চয়ই আসবে। তার অন্তর মোহনের জন্য সহানুভূতিতে ভরে গেল। এই যুবক মদ খায় কেন?

    দ্বিতীয় রাতে মোহন আবারও এল। সে-রাতে সে একটু বেশি পান করেছিল। তার পা কাঁপছিল। এসেই সে বলল –‘মায়া, আমি চাই তুমি আমার হয়ে যাও।’

    মায়া তার দিকে তাকিয়ে রইল। মোহন তার প্রত্যেকটি শব্দের ওপর জোর দিয়ে বলল, ‘আমি চাই তুমি আমার হয়ে যাও, আমি চাই তুমি আমায় বিয়ে করো।’

    তার মনের ভিতর তোলপাড় শুরু হয়ে গেল। সত্যি সত্যি কি সে বলছে, নাকি মদের নেশায় অপ্রকৃতিস্থ অবস্থায় বলছে!

    মোহন তার মনোভাব বুঝে ফেলল এবং বলল –‘মায়া, আমি উন্মত্ত নই। প্রত্যেকটি কথা বুঝে-শুনে বলছি, আমার প্রশ্নের জবাব চাই আমি।’

    মায়া বলল, ‘একটি শর্তে।’

    মোহন উচ্ছ্বসিত হয়ে বলল– ‘তোমার প্রত্যেকটি শর্ত স্বীকৃত। তোমাকে আপন করে নেবার জন্য যে-কোনও শর্ত আমি মানতে পারব

    মায়া বলল –‘মদ খাওয়া ছেড়ে দাও।’

    মোহন বলল –‘তাই রাজি।

    মায়া তার দিকে চেয়ে থাকল।

    মোহন বলল– ‘তুমি আমার হলে-পর পৃথিবীতে কোনওকিছুর প্রয়োজনই আমার হবে না।

    মোহন তখুনি তাকে তার সঙ্গে আসতে বলল। কিন্তু মায়া আপত্তি জানাল। কারণ অনেকে তার কাছে অনেক টাকাপয়সা পাবে। মোহন ঋণ শোধ করার জন্য তাকে দু হাজার টাকা দিল। এর পরদিন থেকেই তার জীবনাকাশে নতুন সৃষ্টির অভ্যুদয় ঘটল। আর সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় নতুন বিবর্তন। কখনও কখনও তার মনে হতে লাগল, তার জীবনের সাধ বুঝি-বা পূরণ হবে না, বুঝি-বা তার জীবনের সবকিছু ওলটপালট হয়ে গেল। মোহনের বাবা তাকে বধূ হিসেবে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানালেন। মোহনও তাকে ছাড়া ঘরে থাকবে না বলে ঘোষণা করে দিল। তার নিজের আয় বলতে কিছুই নেই। সমস্ত সম্পত্তি বাবার। আর বাবা এরূপ বধূকে ঘরে তুলে সমাজে হেয় হতে মোটেই রাজি নন। মোহন সাধারণ একটা চাকরি নিয়ে যে-কোনও প্রকার দুঃখ স্বীকার করতে প্রস্তুত হয়ে গেল। এরই ভেতর থিয়েটারের অনেকে তাকে প্রলোভন দেখাল। বিভিন্ন লোভে তাকে আত্মসাৎ করতে চাইল, কিন্তু সে নিজের সিদ্ধান্তে পাহাড়ের মতো অবিচল রয়ে গেল। কখনও তার পা পর্যন্ত কাঁপল না। যে বিশ্রী পরিবেশ থেকে সে নিষ্কৃতি পেয়েছে তাতে সে কোনও অবস্থাতেই ফিরে যেতে চাইল না। এবং কোনও মূল্যেই সে মোহনকে পরিত্যাগ করতে রাজি হল না, যে কি না তার জন্য আকাশের নক্ষত্রলোক থেকে ছিটকে পড়ে ধুলোতে গড়াগড়ি দিচ্ছে।

    মাত্র দুদিন আগে তার জীবনে আবারও পরিবর্তন এসেছে। মোহনের পিতা অপারগ হয়ে তাকে গ্রহণ করেছেন। সে প্রাসাদোপম অট্টালিকার ধনী মালিকের পুত্রবধূ হয়ে এসেছে! যার মনে যা-ই থাক, সবাই তার সাথে ভালো ব্যবহার করছে। শাশুড়ি এবং ননদেরা এমন কথা আজও বলেনি যা শ্রুতিকটু লাগতে পারে বা যাতে তার মন ছোট হয়ে যেতে পারে। সে-ও প্রমাণ করতে চেষ্টা করছে যে, মোহন গোবর থেকে পদ্মই আহরণ করে এনেছে, এজন্যই মোহনের মা আশ্রমে যাবার সময় তাকে সাথে নিয়েছেন। কিন্তু স্বামীজির কথায় সত্যি তার মন দমে গেল।

    সমস্ত কথা চিত্রের মতো তার মগজে জড়ো হল। সে কাঁদতে লাগল। ভাবতে লাগল– মানুষের পাপ কি কোনও দিনও স্খলিত হয় না! এই যদি হয় তবে কি সে জীবনধারা পরিবর্তিত করেও গণিকা থেকে গেল! তবে কি তাকে জীবনভর গণিকাই থেকে যেতে হবে!

    হঠাৎ কক্ষে কার পদশব্দ শোনা গেল। সে দেখতে চাইল, কিন্তু পারল না। বুঝতে পারল, কক্ষে মোহন ছাড়া আর কেউ আসেনি। সে তাড়াতাড়ি অশ্রু সংবরণ করতে উদ্যোগী হল আর সঙ্গে সঙ্গে তার কানে এল– ‘স্বামীজি মহারাজের দর্শনের আশ্রমে যাওনি?’

    মায়া উঠে দাঁড়াল। তার মুখমণ্ডল অশ্রুসিক্ত।

    মোহন ভয় পেয়ে গেল। জিগ্যেস করল– ‘কী ব্যাপার, তুমি কাঁদছ?’

    নিজের মস্তক মোহনের পায়ের উপর রেখে মায়া বলল –‘আমি কোথাও যাব না। সবচাইতে বড় সন্ন্যাসী এবং মহাত্মা তুমি– আমার স্বামী, তুমিই আমায় নরক থেকে বের করে স্বর্গে উত্তোলন করেছ। অতএব আমার আর কোনও মহাত্মার প্রয়োজন নেই।’

    অনুবাদ : আখতার-উন-নবী

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমার বোকা শৈশব – আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
    Next Article এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে – আবদুল্লাহ আল-মুতী

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক জীবন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Our Picks

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }