Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শ্রেষ্ঠ উর্দু গল্প – সম্পাদনা : শহিদুল আলম

    লেখক এক পাতা গল্প766 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩.১০ খানবাহাদুর – আয়াজ আস্‌মি

    খানবাহাদুর – আয়াজ আস্‌মি

    সায়েবদের প্রতি, সায়েবি ভাষার প্রতি, এমনকি যেসব জিনিস রঙে সাদা, তাদের প্রতি একটা গভীর টান ছিল নুরুল হুদার। বন্ধুরা তাঁকে বলতেন, ‘যেহেতু ওঁর নিজের চামড়ার রং একেবারে নিকষ-কালো, তাই সাদা রঙের এত ভক্ত উনি।’

    সায়েবদের প্রতি তাঁর ভালোবাসার হেতু গায়ের রং কালো হওয়া ছাড়া আর কিছু থাক বা না-ই থাক, গাঁয়ের লোকেরা কিন্তু পাকাপাকিভাবে একথাটা জেনে নিয়েছিল যে, চৌধুরী সাদা-চামড়াঅলাদের প্রেমে অন্ধ হয়ে গেছেন। কথা বলতেন তিনি মাতৃভাষাতেই, কিন্তু ঢংটা ছিল সায়েবি। শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘শ্যুড্‌’ ‘উ্যড’-এর সীমানা পেরোতে পারেনি ঠিকই, কিন্তু কথা বলার সময় ‘ইয়েস’ ‘নো’ ‘থ্যাংকিউ’ ‘সরি’ ইত্যাদি কথার ঘন ঘন প্রয়োগে তিনি পারদর্শিতা অর্জন করেছিলেন। তাঁর পড়ার ঘরে ইংরেজ লেখকদের রাশি রাশি বই পরম যত্নে সাজানো থাকত। এগুলোর দিকে নজর পড়লেই নুরু চৌধুরীর ছাতি যেন ফুলে উঠত। এইসব গ্রন্থের রচয়িতা যেন তিনি নিজেই।

    নুরু চৌধুরীর শোবার ঘরে বিলিতি লর্ড এবং সম্রাটদের খোদাই করা প্রতিকৃতি আর ছবি ছিল। সম্রাট ষষ্ঠ জর্জের মস্ত এক মূর্তি তাঁর ঠিক শিয়রের ওপর থাকত। আরেকটা বিরাট ছবির নিচে চমৎকার অক্ষরে লেখা ছিল– ‘গড় সেভ্ দি কিং!’ ছবিটা এমন জায়গায় টাঙানো ছিল যে, সকালে ঘুম ভাঙতেই বিছানার উপর চোখ মেলে নুরু চৌধুরীর দৃষ্টি ঠিক ছবিটার ওপর পড়ত। নুরু চৌধুরী ইংরেজ লেখকদের বহুতর বাণী মাতৃভাষায় তর্জমা করে মুখস্থ করে রেখেছিলেন। আলাপ-আলোচনার সময় এগুলো যুৎসইভাবে প্রয়োগ করতেন তিনি।

    নুরু চৌধুরীর এইসব গুণপনা নিয়ে গাঁয়ে প্রায়ই আলোচনা চলত; কিন্তু যেদিন তিনি সদরে হাকিমের কাছে খবর পাঠিয়ে লতিফ আর শব্বিরকে গ্রেফতার করালেন, সেদিন তাঁর নাম প্রতিটি শিশুরও মুখে মুখে ফিরতে লাগল।

    গাঁয়ের কিছু লোক পুলিশের আবির্ভাবে চুপসে গেল। কিন্তু কেউ কেউ সাহসে ভর করে নুরু চৌধুরীর বাড়ির দিকে মুখ বাড়িয়ে মাটিতে থুতু ফেলল জোরে জোরে।

    সারা গাঁয়ে বেশ কিছুকাল নুরু চৌধুরী লতিফ আর শব্বিরই মূল আলোচনার বিষয় হয়ে রইল–

    ‘শালা সায়েবদের দালাল নূরু চৌধুরীর এসব কী ধরনের কাণ্ড বল তো?’

    ‘হ্যাঁ, ভাই, জানো না, ও কত সাদা ঠাকুর নিজের ঘরে জমা করে রেখেছে?’

    ‘কিন্তু ভাই, বেচারা লতিফ আর শব্বিরের কী হবে?’

    ‘যাবজ্জীবন দ্বীপান্তরই না হয়ে বসে আবার! ইংরেজ ওদের ওপর রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মানুষকে খ্যাপানোর অভিযোগ আনবে। তারপর পাঠিয়ে দেবে সারাজীবনের মতো।’

    ‘ওদের ছেলেপিলেরা তাহলে খাবে কী? ‘

    ‘বাচ্চাগুলোর অভিশাপ পড়বে নুরু চৌধুরীর ওপর।

    ‘কিন্তু ভাই, নুরু চৌধুরী ওদের সঙ্গে শত্রুতা করতে শুরু করল কেন?

    ‘কেন জানে! হয়তো লতিফ আর শব্বির নুরু চৌধুরীকে বলেছিল– চাচা, এই ঠাকুরগুলোকে কতদিন আর বুকে করে পুষে রাখবে? এবার তো ওদের পাতাড়ি গুটোবার দিন ঘনিয়ে এল! হয়তো এরই ওপর আরো কথা হয়েছে। লতিফ বলেছে– চাচা, এ শালাদের তল্পি তোলার সময় এসেছে, মনে রেখ। যেসব বীর দেশকে স্বাধীন করার জন্যে জীবন দিয়েছে, এখন বরং ওদের ছবি আর ফটো দিয়ে ঘর সাজাও। হয়তো নুরু চৌধুরীর এসব কথা খুব খারাপ লেগেছে; তখন সে কিছু বলেনি। কিন্তু পরদিন, ভালো করে তখনো সকাল হয়নি, এমন সময় লতিফ শব্বির গ্রেফতার হল।’

    .

    সময় কাউকে চিরকাল মনে রাখে না। গ্রামবাসীও ক্রমশ লতিফ আর শব্বিরের কথা ভুলে যাচ্ছিল। তাদের মনে নুরু চৌধুরীর প্রতি যে পক্ষপাতিত্ব উবে গিয়েছিল তা ক্রমেই ফিরে আসতে লাগল। কারণ সবাই দেখল, লতিফ আর শব্বিরের বিচারের পর নুরু চৌধুরী গাঁয়ের বহু লোককে জমায়েত করে তাদের কথা দিলেন, সরকার ওদের আট বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে বটে, কিন্তু তিনি ওদের নির্দোষ এবং নিজের ভাই বলে মনে করেন। তিনি ওদের ছেলেপিলের প্রতি বাস্তব সমবেদনার প্রমাণ স্বরূপ খরচ-পত্তরের জন্যে মাসিক পঞ্চাশ টাকা করে মঞ্জুর করে দিলেন। এইভাবে মাসে একশো টাকা খরচ করে নুরু চৌধুরী নিজের সম্পর্কে সারা গাঁয়ের মনোভাবকে দিলেন বদলে।

    কিন্তু তবু নুরু চৌধুরী তৃপ্ত হতে পারলেন না। তিনি গ্রামবাসীদের ধারণাই শুধু বদলে দেবার চেষ্টা করলেন না, বরং তাদের মনকেও জয় করে নেবার চেষ্টা করলেন। তিনি নিজের বাড়ির সামনের খালি জমিটুকুতে ছোট একটি পাঠশালা খুলে দিলেন। এছাড়াও গাঁয়ে কয়েকটি কুয়ো খোঁড়ালেন। গাঁয়ের প্রতিটি বিয়ে-শাদিতে, বিপদে-আপদে দেখাশোনা করা, অংশগ্রহণ করা ও সাহায্য করাটা নিজের অভ্যাসে পরিণত করে ফেললেন। আর, এদিকে তাঁর বাড়িতে বই, ছবি আর ঠাকুরেরও সংখ্যা বেড়ে চলল।

    সেদিন নুরু চৌধুরীর বাড়ি ছাড়াও গোটা গাঁ-টাকেই আলোর মালায় সাজিয়ে দেওয়া হল। চৌধুরী নুরুল হুদা এবার খানবাহাদুর নুরুল হুদা হলেন। সায়েব-সুবোদের সংবর্ধনার জন্যে যে বিশেষ ঘরটি তৈরি হয়েছিল, সেদিন সেটির ভাগ্য গেল খুলে। এ-দিনটির আনন্দঅনুষ্ঠান সুসম্পাদিত করার জন্যে শহর থেকে অনেক লোক আনা হয়েছিল। সন্ধ্যা হতেই অভ্যাগতদের আবির্ভাব আরম্ভ হল– সবার শেষে এল জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের মোটর। খানবাহাদুরের খেতাবপ্রাপ্তিতে তিনি অভিনন্দন জানাতে এসেছিলেন।

    ম্যাজিস্ট্রেট যখন তাঁর রাজকীয় ভাষায় বললেন, ‘কাবাহাডুর সায়েব কালা আডমি আছে, টাটে কোনো ক্ষটি নাই, উহার অন্টর আয়নার মটো পরিষ্কার আছে।’– তখন হলটি হাততালির চোটে ফেটে পড়ে আর কি! খানবাহাদুর নুরুল হুদার চেহারাও খুশির চোটে লাল হয়ে উঠল।

    ভোজের পর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং খানবাহাদুর নুরুল হুদার মধ্যে অনেকক্ষণ ধরে আলোচনা হল। তারপর ম্যাজিস্ট্রেট চলে গেলেন; তারপরও সারারাত আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে রইল গ্রামখানা

    কিন্তু দিন কয়েক পরেই গাঁয়ের আরো কয়জন যুবক গ্রেফতার হল এবং এদের বেলায়ও লোকে সন্দেহ করল, এরাও লতিফ আর শব্বিরের পথের পথিক ছিল।

    .

    খানবাহাদুর নুরুল হুদার খেতাব পাওয়ার এক বছরও হয়নি, এমন সময় ইংরেজ ঘোষণা করল, তারা ভারত ছেড়ে চলে যাবে। কিন্তু এ গাঁয়ে এ খবর এত দেরিতে পৌঁছল যে, জল তখন অনেকদূর গড়িয়েছে। দেশ জুড়ে দাঙ্গার আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে উঠেছে। ইংরেজ চলে গেলে খানবাহাদুরের বেশি চিন্তা হল নিজের জীবন নিয়ে। কারণ চারদিকে গুজব রটে গিয়েছিল, গাঁয়ে সকাল-সন্ধ্যা যে-কোনো সময়ে আক্রমণ হতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে তিনি কয়েকটা চিঠি লিখলেন, কয়েকবার নিজের বিশেষ বার্তাসহ লোক পাঠালেন। কিন্তু তিনি সদরের শান্তি রক্ষা করেই কুলিয়ে উঠতে পারছিলেন না, খানবাহাদুরের আহ্বানে গাঁয়ে আসেন কেমন করে!

    কিন্তু অবশেষে একদিন সশস্ত্র সৈন্যের একটা পল্টন খানবাহাদুরের নিরাপত্তার জন্যে শহর থেকে গাঁয়ে এল। সেদিন গাঁয়ের সমস্ত লোকের ধড়ে যেন প্রাণ ফিরে এল এবং সবার মনে খানাবাহাদুর নুরুল হুদার মর্যাদা অনেক বেড়ে গেল।

    আসলে ব্যাপারটা অন্যরকম। খানবাহাদুরও এই নতুন খেতাবের মারফতে পাওয়া সম্মানকে আরো খানিকটা দৃঢ় করার জন্যে অনেককিছুই করতে আরম্ভ করেছিলেন। ভাগ্যের জোরে দাঙ্গাও এই সময়ে তাঁকে গ্রামবাসীদের সেবা করার খাসা সুযোগ এনে দিল। গাঁয়ে যে-কোনো কাজই হোক না কেন– শান্তি-কমিটি গঠন কিংবা ‘মিলাদ-মাহফিলে’র অনুষ্ঠান কিংবা সভা-ধর্মসভা– খানবাহাদুর সবখানেই উঁচু আসন পেতেন। খানবাহাদুরের সায়েব-প্রীতি মূর্তি, ছবি আর বইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু পয়সার জোরে শুধু মর্যাদাই বাড়ে না, বরং এ যুগে পয়সা দিয়ে মানুষ পর্যন্ত কেনা যায়, এ শিক্ষা সম্ভবত তাঁকে এই বোবা বন্ধুরাই দিয়েছিল। এই কারণেই গাঁয়ের এবং আশপাশেরও সম্ভবত এমন কোনো সমিতি মণ্ডলী কিংবা রাজনৈতিক অরাজনৈতিক এমন কোনো প্রতিষ্ঠানই ছিল না যাতে খানবাহাদুরের চাঁদা যেত না।

    কোনো সমিতিকে চাঁদা পাঠাতে গিয়ে তিনি বন্ধুদের বিনীত কণ্ঠে বলতেন, ‘কী বল হে– এই সমিতির জন্যে আর্থিক সাহায্যটা কেমন হওয়া উচিত? আমার মনে হয় সমিতি গঠনমূলক কাজই করে যাচ্ছে। গরিব লোক এত ছুটোছুটি করছে, যদি ওদের আর্থিক সাহায্যটুকুর দিকেও খেয়াল না রাখি, তাহলে সমিতির কর্মীদের মন থেকে সেবার অনুপ্রেরণা জুড়িয়ে যাবে যে। তাছাড়া ভাই, এ দুনিয়ায় কে কার! আল্লা যা দিয়েছেন তা সৎ কাজে ব্যয় করাই দরকার।’

    খানবাহাদুরের বিগত জীবনের কথা যতদূর জানা যায় এবং গ্রামবাসীরা যতটুকু জানে, তা হচ্ছে, খানবাহাদুরের জন্মের পরই তাঁর বাবা আত্মহত্যা করেছিলেন। কারণ, তিনি নিজে একেবারে লাল টুকটুকে এবং ফর্সা ছিলেন, আর খানবাহাদুর নুরুল হুদার মতো কালো কিটকিটে শিশু ভূমিষ্ঠ হতে দেখে তাঁর সন্দেহ হয়েছিল যে, এ শিশু তাঁর নয়– অন্য কারো

    পিতৃহীন শিশু-খানবাহাদুরের লালন-পালন তাঁর চাচার তত্ত্বাবধানে হতে লাগল। খানবাহাদুরের বয়েস যখন মাত্র দু-বছর, তখন তাঁর মা এই নশ্বর পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়ে অবিনশ্বর জগতে যাত্রা করলেন। মা কোনো-এক সময়ে তাঁর বাবা চৌধুরী বদরুদ্দোজার ঘরে দাসীর মতন এসেছিলেন এবং এই ধরনের একটা ধারণাই চৌধুরীর মনের মধ্যে ছেয়ে গিয়েছিল যে, তাঁর স্বামী বাড়ির সক্কলের বিরোধিতা সত্ত্বেও একজন দাসীকে বিয়ে করেছেন।

    গাঁয়ে খানবাহাদুরের চাচার অনেক সম্পত্তি ছিল। তাঁকে নিয়ে চাচা গাঁয়ে এলেন। খানবাহাদুর তখন মাত্র আড়াই বছরের। তাঁর যখন জ্ঞানগম্যি হয়েছে, তখন এ সংসারে একমাত্র আপনার যে লোকটি চোখে পড়ল, তিনি হচ্ছেন তাঁর চাচা। চাচার মৃত্যুর পর সমস্ত সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হলেন খানবাহাদুর; এবং খানবাহাদুরের বাপ-চাচার সমস্ত ধন-দৌলত জমেছিল ইংরেজের দান ঠিকাদারির কৃপায়। এই জন্যে স্বাভাবিকভাবেই সায়েবদের সাথে তাঁর একটা সম্পর্ক জমে উঠছিল। এই সম্পর্ক বাড়তে বাড়তে প্ৰশংসা, তারপর পুজোর আকার ধারণ করেছে।

    খানবাহাদুরের জীবনে চল্লিশটি বসন্ত পার হয়ে গেছে। কিন্তু বন্ধুবান্ধবেরা অনেক বোঝানো সত্ত্বেও তিনি বিয়ে করেননি। ঘরে ছিল দুজন চাকর। এদের মধ্যে দীনু তাঁর প্রাচীন প্রসাদভোগী। তাঁর বাবার আমল থেকে সে এখানে আছে।

    একমাত্র দীনুই দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, খানবাহাদুরের বাবা চৌধুরী বদরুদ্দোজা নিছক সন্দেহের ভিত্তিতে আত্মহত্যা করেছেন। নইলে মায়ের গর্ভ তো কুমোরের চাক। দীনু বলে, ‘খানবাহাদুরের মা তাজি বিবিকে আমি ছেলেবেলা থেকেই জানি। বড় ভালো মেয়ে ছিলেন!’ সে কসম খেয়ে বলে, ‘তিনি যদ্দিন বেঁচে ছিলেন, পরপুরুষ তো দূরের কথা, বাড়ির চাকরদের সামনে পর্যন্ত পর্দা করতেন।’

    খানবাহাদুরের অতীত জীবন যেমনই হোক-না কেন, গ্রামবাসীদের তাতে কিছুই এসে যায় না। তারা শুধু এটুকুই জানে যে, চৌধুরী নুরুল হুদা যেদিন থেকে খানবাহাদুর হয়েছেন, সেদিন থেকে তাঁর মধ্যে বড় একটা পরিবর্তন এসেছে। তিনি তাঁর টাকার থলে খুলে দিয়েছেন।

    দাঙ্গার নামে খানবাহাদুর গদগদ হয়ে ওঠেন। কারণ দাঙ্গা তাঁকে দু-যুগের মতো বিখ্যাত করে দিয়েছে এবং গাঁ তো বটেই, শহরেও কোনো সভা হলে, কোনো সমিতি প্রতিষ্ঠিত হলে, সভাপতিত্বের জন্যে খানবাহাদুরের কাছেই আবেদন আসে।

    তারপর দাঙ্গার তামস ঝড়-ঝাপ্টা কেটে গেছে। দূর হয়েছে দাসত্বের অন্ধকারও। ইংরেজ চলে গেছে এবং বেরিয়ে এসেছে স্বাধীনতার প্রোজ্জ্বল সূর্য। ইংরেজদের চলে যাওয়ায় ঘরে ঘরে উৎসব উদ্যাপিত হচ্ছে।

    কিন্তু খানবাহাদুর হয়ে পড়লেন উদাস। দীনুর মনে হল, যেদিন তাঁর চাচা মারা যান খানবাহাদুর সেদিনও তো এতখানি উদাস হননি!

    স্বাধীনতার সাথে সাথে এ সংবাদও গাঁয়ে এল, যেসব লোক স্বাধীনতা-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে জেলে গিয়েছিল, স্বাধীনতা দিবসে তাদের মুক্তি দেওয়া হবে। লতিফ আর শব্বিরের বিস্মৃত মুখ আবার গ্রামবাসীদের স্মৃতিতে টাকা হয়ে উঠল।

    পরদিন দুপুরে যখন বন্ধু-বান্ধব আর সঙ্গী-সাথিদের সাথে মিছিল করে লতিফ আর শব্বির গাঁয়ে এসে পৌঁছল, তখন নেহালচন্দের খামারে সেই শোভাযাত্রার সংবর্ধনাকারীদের মধ্যে খানবাহাদুর নুরুল হুদাও ছিলেন। তিনি নাটকীয়ভাবে এগিয়ে গিয়ে লতিফ আর শব্বিরকে বুকে চেপে ধরলেন।

    ‘কী চৌধুরী সাহেব, আপনার মূর্তিগুলোর খবর কী?’ হাসতে হাসতে লতিফ খানবাহাদুরকে জিগ্যেস করল।

    খানবাহাদুর চুপ মেরে গেলেন। কিন্তু গাঁয়ের মৌমাছিরা লতিফকে জানিয়ে দিল, চৌধুরী খানবাহাদুর বনে গেছেন।

    ‘বটে! ব্রিটিশ তাহলে যাবার সময় ওঁকে কিছু দিয়ে গেছে! চৌধুরী সাহেবের রাজভক্তি ব্যর্থ হয়নি।

    খানবাহাদুর সংবর্ধনা থেকে বাড়ি ফিরে দেখলেন, সদরের কয়েক ব্যক্তি তাঁর জন্যে অপেক্ষা করছেন। জেলা-ম্যাজিস্ট্রেট খানবাহাদুরের কাছে স্বাধীনতার অভিনন্দন ও জরুরি সমাচার দিয়ে পাঠিয়েছেন। খানবাহাদুর তাঁদের বিদায় দিলেন। কিন্তু আজ তিনি ভারী উদাস। লতিফের কথা তাঁর মনের ওপর একটা বোঝা চাপিয়ে দিয়েছে যেন।

    ‘চৌধুরী সাহেব, আপনার মূর্তিগুলোর খবর কী?’ লতিফের এ কথাটা খানবাহাদুরের মস্তিষ্কে হাতুড়ি ঠুকছে। অনিচ্ছুকভাবে তাঁর দৃষ্টি বার কয়েক ইংরেজ লর্ড আর মূর্তিগুলোর ওপর পড়েছে। ইদানীং এগুলোর ওপর তিনি কালো পর্দা চাপিয়েছেন। সম্রাট ষষ্ঠ জর্জের বড় ছবিটার ওপরও তাঁর নজর পড়ল। ওটা ছিল তাঁর পালংকের সামনেই টাঙানো। পর্দাটা ইঁদুরে কেটে দিয়েছে। ইঁদুরে কাটা পর্দার ছিদ্র দিয়ে ছবির একটা চোখ উঁকি মারছে। খানবাহাদুরের মনে হল, যেন সম্রাট ষষ্ঠ জর্জের চোখে একটা গভীর উদাস ঝাপসা ছায়া। ও চোখ যেন খানবাহাদুরের কাছে কিছু চাইছে।

    ‘দীনু ভাই!’ খানবাহাদুর চোখটির দিকে আর চাইতে না পেরে বললেন, ‘দীনু ভাই, তোমাকে কতবার বললাম, ছবির পর্দাটা পাল্টে দাও। জানো না, এটা বাদশার ছবি!

    খানবাহাদুরের কথা শুনে দীনু খুব তাজ্জব বনে গেল। পর্দা বদলাবার কথা তাকে এই প্রথম বলা হল। তার এত অবাক হওয়ার কারণ, ওই যে ছবিটার পর্দা ইঁদুরে কেটে ফেলেছে, ওটাকে বাদশার ছবি বলা হচ্ছে। কিন্তু এমন বাদশা দীনুর চোখে কখনো পড়েনি, যাঁর মুখে দাড়ি এবং হাতে তসবিহ নেই! এক শা-সাহেবের কাছে আবার শুধু দীনুই নয়, তার বাড়ির সবাই মুরিদ হয়েছে কিনা।

    দীনু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে এ কথাই ভাবছিল। খানবাহাদুর আবার বলে উঠলেন, ‘শুনেছ, লতিফ ছাড়া পেয়ে এখানে এসেছে?’

    ‘জি হ্যাঁ, বড় ভালো লোক।’

    হ্যাঁ, আমারো তাই মনে হয়। আমার ইচ্ছে আছে– ওদের ছাড়া পাওয়ার খুশিতে গ্রামবাসীদের একটা বড়রকমের দাওয়াত দেব!’

    দীনু আর কথা বলতে পারল না। তার চোখে আজ খানবাহাদুর একজন উঁচু দরের মহৎ ব্যক্তি বলে প্রতিভাত হতে লাগলেন।

    .

    ভোজের আয়োজন শুরু হল। এ উপলক্ষে কিছু নতুন মানুষ এল গাঁয়ে। খানবাহাদুর এদের নিজের বাড়িতে থাকার জায়গা দিলেন। কথাবার্তা শুনে চাকর-বাকররা জানতে পারল– নতুন মানুষগুলো গোয়েন্দা বিভাগের সাথে সংশ্লিষ্ট।

    খানবাহাদুরের চাকররা এ তথ্য লুকিয়ে রাখতে পারল না। গাঁয়ের অধিকাংশ লোকই জেনে ফেলল, খানবাহাদুরের কাছে গোয়েন্দা পুলিশের কিছু লোক এসেছে।

    ‘আরে ভাই, বড় লোকের কারবার। আল্লা দিয়েছেনও অনেক আর জান বাঁচানোর জন্যে সবকিছু তো ওঁকে করতেই হবে!’ কেউ কেউ ভাবল– গোয়েন্দা পুলিশের লোক খানবাহাদুরের জীবন এবং সম্পত্তি রক্ষার জন্যেই এসে থাকবে।

    লতিফ, শব্বির আর বিশিষ্ট গ্রামবাসীদের বসবার জন্যে খানবাহাদুর তাঁর খাস কামরায় বন্দোবস্ত করলেন। সায়েবদের সাদা মূর্তিগুলোর উপর কালো পর্দা দেখে লতিফ হেসে উঠল।

    ‘ঠিক করেছেন, চাচা– শালাদের মুখে কালি লেপে দিয়ে ঠিক করেছেন। আবর্জনাগুলো এখন বাইরে ফেলে দেওয়াই সবচেয়ে ভালো!’

    লতিফের কথা শুনে খানবাহাদুরের চোখ সম্রাট ষষ্ঠ জর্জের ছবির দিকে উঠে গেল। দীনু ওটার পর্দা বদলায়নি। ছবির একটা চোখ তখনো ছিদ্র দিয়ে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। খানবাহাদুরের সাথে লতিফও ছবিটার দিকে তাকিয়ে ছিল। তাকিয়ে সে হেসে ফেলল।

    ‘বারে, বাহ্! ইংরেজ চলে গেছে ঠিকই। কিন্তু ওদের একটা চোখ এখনো আমাদের দিকে তাকিয়ে!’

    কয়েক কলসি ঘাম যেন খানবাহাদুরকে নাইয়ে দিল।

    ‘না, না, তা নয়। ইঁদুরে পর্দাটা কেটে দিয়েছে।’

    ‘ইঁদুর!’ লতিফ বাঁকা হাসি হাসতে হাসতে চুপ হয়ে গেল।

    নেমন্তন্ন শেষ হল। এ সময়ের মধ্যে খানবাহাদুর, লতিফ আর শব্বির কোনো কথাই বলেনি। নেমন্তন্ন থেকে ফেরার সময় লতিফ খানবাহাদুরকে জানাল, কাল সকালে সে শহরে যাচ্ছে। শব্বিরও থাকবে সাথে।

    কেন জানে, কেন, খানবাহাদুরের মুখখানা উজ্জ্বল হয়ে উঠল। কিন্তু তাঁর এ অবস্থা তিনি গোপন করার আপ্রাণ চেষ্টা করলেন।

    পরদিন সকালে লতিফ আর শব্বিরকে যারা বিদায় দিল, খানবাহাদুরও তাদের দলে রইলেন।

    কিন্তু সেদিন সন্ধ্যাবেলা গাঁয়ে খবর এল– শহরে যাবার পথে লতিফ আর শব্বির গ্রেফতার হয়েছে। খানবাহাদুর তখন গ্রামবাসীদের বোঝাতে লাগলেন, ‘কতবার আমি ওদের বলেছি– এ দেশ আমাদেরই, আমাদেরই এ সরকার। কিন্তু ওরা শুনল কই– নিজেদের ছেলেপিলের ভাবনা পর্যন্ত ওদের নেই!’

    ‘কিন্তু, চৌধুরী সাহেব!’ গাঁয়ের প্রবীণ গণমান্য পাঁচজনে বললেন (ওঁরা খানবাহাদুরকে বরাবর চৌধুরী বলেন), ‘ওরা দেশের বা সরকারের বিরোধী তো নয়, অবশ্যি ইংরেজদের বিরোধী নিশ্চয়ই।’

    ‘তোমরা জানো না ভাই এই ছোকরাদের। যাকগে, ওসব কথা বাদ দাও। আমি ওদের ছাড়াবার চেষ্টা করছি। যতদিন ছাড়া না পায়, আমার কাছ থেকে ওদের ছেলেপিলেরা মাসে মাসে পঞ্চাশটা করে টাকা পাবেই। ‘

    অনুবাদ : বাশীর আলহেলাল

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমার বোকা শৈশব – আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
    Next Article এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে – আবদুল্লাহ আল-মুতী

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }