Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শ্রেষ্ঠ উর্দু গল্প – সম্পাদনা : শহিদুল আলম

    লেখক এক পাতা গল্প766 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৫.১১ এক মগ চাল – খাজা আহমদ আব্বাস

    এক মগ চাল – খাজা আহমদ আব্বাস

    সাপের মতো এঁকেবেঁকে, পিঁপড়ের মতো বিড়বিড় করে গুঁড়ি মেরে মেরে, মৌমাছির ঝাঁকের মতো ভনভন করতে করতে দুটি লম্বা লাইন সরকারি রেশনের দোকানের দিকে এগিয়ে চলে। একটি পুরুষের, একটি স্ত্রীলোকের। স্ত্রীলোকের লাইনটা পুরুষের লাইনের চেয়েও লম্বা, প্রায় এক ফার্লং। তার শেষ প্রান্ত রাস্তার মোড় দিয়ে ঘুরে একটি সরু মতো গলিতে গিয়ে ঢুকেছে। যেসব স্ত্রীলোকের আসতে দেরি হচ্ছে, তারা একে অন্যের পেছনে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। রেশনের দোকানটা যে দূর থেকে এক ঝলক দেখে নেবে তারা, তা-ও পারছে না। চোখে পড়ছে শুধু যারা সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে, তাদের মাথা।

    কয়েকশো স্ত্রীলোক হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান, পারসি এবং ইহুদি; মুসলমান মেয়েরা কেউ বোরকা পরে এসেছে, কেউ-বা বোরকা ছাড়াই। চিকন কালো মেছুনিরা এসেছে চুলে ফুল গুঁজে। তাদের কাপড়ের আঁশ-গন্ধের সঙ্গে মিশে সেই ফুলের সুগন্ধ বাতাসে ছড়িয়ে পড়ছে। এসেছে ফ্রক-পরা, হাঁটু-আলগা, চটি পায়ে গরিব দেশের খ্রিস্টান গোয়ানিজ মেয়েরা। এসেছে সস্তা পেন্ট, পাউডার ও সেন্টে চুবড়ানো আর নকল সিল্কের মোজা এবং উঁচু হিলওয়ালা জুতো পরা অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান মেয়ে। ফুল-কাটা রেশমি শাল কাঁধে ফেলে এসেছে গৌরাঙ্গি, কৃষ্ণকেশী ইহুদি মেয়েরা। আরো এসেছে সুডোল-দেহ মারাঠি এবং অত্যন্ত কৃশাঙ্গি বা ধুমসো গুজরাটি মেয়ের দল, আর কেরানি, মজুর, সাধারণ শ্রেণির দোকানদার এবং ট্যাকসি-ড্রাইভারের বউয়েরা। কেউ বিয়ে করা বউ। কেউ-বা অবিবাহিত বউ। চারদিকে মোতিয়ার কলি আর আঁউরানো ফুল, পেন্ট আর ঘাম এবং মাছ আর নারকেল তেলের গন্ধ। দুপুরের রোদে এই রকমারি সুগন্ধ আর দুর্গন্ধ মিলে ওপর দিকে বাষ্প ঠেলে উঠছে। মারাঠি, গুজরাটি, হিন্দুস্তানি এবং ইংরেজি ভাষার কথাবার্তার একটা অবোধ্য কোলাহল শোনা যাচ্ছে। যেন লাখখানেক মৌমাছি গুঞ্জন করছে। এদিকে চলে অপেক্ষা। ষাট সেকেন্ডে এক মিনিট…ষাট মিনিটে এক ঘণ্টা… এক ঘণ্টা… দু’ ঘণ্টা… তিন ঘণ্টা… সাপের মতো আঁকাবাঁকা, পিঁপড়ের মতো মন্থরগতি মেয়েদের লম্বা লাইনটা ক্রমে আরো বেড়ে চলে। একজন যতক্ষণে লাইনের মাথা থেকে রেশন নিয়ে বিদায় নেয়, ততক্ষণে আরো দুজন পেছনে এসে দাঁড়িয়ে যায়। দুশো আড়াইশো, তিনশো, সাড়ে তিনশো– ক্রমে আরো স্ত্রীলোক এসে দাঁড়ায়। ধৈর্য, সাধুতা আর বিশ্বাসের অদ্ভুত দৃশ্য। যেন পূজার্থিনীর দল মন্দিরের দরজা খোলার প্রতীক্ষায় রয়েছে। এ এক নতুন মন্দির, যেখানে হিন্দু, মুসলমান, পারসি, ইহুদি– সব একসাথে পূজা দিতে এসেছে। প্রত্যেকের একই চিন্তা, একই কামনা, একই সাধ– এক মগ চাল।

    দুর্গা এসে মেয়েদের লাইনের একেবারে পেছনে দাঁড়িয়ে যায়। সকাল থেকে মাথা, গা এবং পেটে অসহ্য বেদনা হওয়ায় এখানে আসতে তার দেরি হয়ে গেছে। আজ তার শরীরের অবস্থা এমন নয় যে, ঘণ্টার পর ঘণ্টা এখানে দাঁড়িয়ে থাকে। কিন্তু কী করবে! না-এসেও উপায় নেই। ঘরে যে কটি চাল ছিল, সবই শেষ হয়ে গেছে। দুই বেলা বাজার থেকে খাবার কিনে খেয়েছে। কয়েকদিন পর দোকান খুলেছে আজ। চাল যদি সে না নিতে পারে, তাহলে কবে যে বাড়ির খাবার ভাগ্যে জুটবে, কে জানে। আর, এই সময়ের মধ্যে যদি দিন পূর্ণ হয়ে যায় এবং সেই প্রতীক্ষিত লগ্নটি এসে পড়ে, তাহলে তো আরোই মুশকিলে পড়তে হবে।

    দুর্গার স্বামী এক কারখানায় কাজ করে। ভোরে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়, ফিরে আসে সাঁঝ দেওয়ার পর একসময়। তা-ও আবার সমস্ত দিন মেশিনের মতো হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে শ্রান্ত-ক্লান্ত হয়ে। বাজার থেকে সওদা-পত্তর সব দুর্গাকে আনতে হয়। সে মজুর মেয়ে। কাজ করতে তার না আছে কোনো আপত্তি, না আছে সময়-অসময়ের প্রশ্ন। যদ্দিন গাঁয়ে বাপ-মায়ের কাছে ছিল, চাষের কাজে সাহায্য করত, চরকা কাটত, চাকি চালাত, বাপ-ভাইয়ের জন্য রুটি তৈরি করে মাঠে নিয়ে যেত, গরু-বলদের জন্য বিচালি কাটাত, দুধ দু’তো, রাতে শোওয়ার আগে গরুগুলো ডেকে-ডুকে এনে বেঁধে রাখত, এমনি কত কী করেছে। বিয়ের পর শহরে এসে তার নন্দ’র মতো সে-ও কারখানায় কাজ করত। প্রতিদিন দশ ঘণ্টা কাজ করতে হত কারখানায়। তারপর বাড়ি ফিরে আবার চুলোয় ফুঁ পাড়ত। কিন্তু কখনো তার একথা মনে হয়নি যে, সে খুব পরিশ্রম করছে। তার নন্দ’র জন্য সে সবকিছু করতে প্রস্তুত। নন্দ কত ভালো মানুষ। দুর্গাকে বোম্বাই নিয়ে এসে সে কত বেড়িয়ে এনেছে চিড়িয়াখানা, চৌপাটি আর অ্যাপোলো বন্দর থেকে। কয়েকবার সিনেমায়ও নিয়ে গেছে। এমন সব জিনিস দুর্গা গ্রামে দেখতে পেত কী করে? নন্দ তার দিকে খুব খেয়াল রাখে। অন্যান্য শ্রমিকের মতো সে মদ খেয়ে বাড়ি ফেরে না বা বউকে মারধোর করে না। এদিকে, ছয় মাসও যখন পূর্ণ হয়নি, তখন দুর্গার কারখানায় যাওয়া সে বন্ধ করে দিয়েছে।

    : তোর এখন বাড়িতে বিশ্রাম করা দরকার। তুই এবার আমার ছেলের মা হতে চলেছিস না?– নন্দ হেসে বলেছিল, দেখ, ছেলে চাই, মেয়ের দরকার নেই আমার।

    সাপের মতো এঁকেবেঁকে, পিঁপড়ের গতিতে বিড়বিড় করে মেয়েদের দীর্ঘ লাইনটা রেশনের দোকানের দিকে এগিয়ে চলেছে। এখন দুর্গার পেছনেও আট-দশজন স্ত্রীলোক এসে দাঁড়িয়েছে লাইনে। কোথাও কোথাও পরস্পরের মধ্যে আলোচনা চলছে। একটি পারসি স্ত্রীলোক বাজারে দর বেড়ে যাওয়ার বিশদ বর্ণনা দিচ্ছে। একটা খোঁজা মেয়েছেলে চালের ঘাটতির জন্য কংগ্রেসের ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছে। একজন খ্রিস্টান স্ত্রীলোকের ধারণা এসব মহাত্মা গান্ধীর দোষ। তিনি যদি সরকারের সঙ্গে যেচে হাঙ্গামা না-বাধাতেন, তাহলে সরকারও ভারতীয়দের শাস্তি দেওয়ার জন্য চালের ওপর কন্ট্রোল বসাত না।

    একটি গুজরাটি স্ত্রীলোক বলে, কংগ্রেস আর মহাত্মা গান্ধীর দোষ দিচ্ছ কেন? জান না, গরমেন্ট লাখো লাখো মণ গম ইরান, ইরাক আর মিশরে রপ্তানি করেছে!

    : অ্যাঁ, গরমেন্ট খাবার বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছে?– একজন মারাঠি স্ত্রীলোক বিস্মিত হয়ে বলে, কিন্তু আমরা হিন্দুস্তানিরাই-বা কবে নির্দোষ হলাম। ব্যবসায়ী আর আড়তদাররাই কি বাড়িতে কিছু কম চাল ভরে রেখেছে!

    : তা নয় তো কী! আমরা এক মগ চালের জন্য পাঁচ-ছয় ঘণ্টা রোদ্দুরের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকি, আর ওদিকে ব্যবসায়ীরা হাজার হাজার মণ চাল লুকিয়ে রেখে দুই গুণ তিন গুণ দামে বিক্রি করছে!

    : এরকম লোকদের ফাঁসি দেওয়া উচিত।

    : সে অন্য দেশে হয়। আমাদের দেশে তো এদের রায় বাহাদুর, খান বাহাদুর খেতাব দেওয়া হয়, যুদ্ধের কাজের কনট্রাকটরি দেওয়া হয়। এটা হল হিন্দুস্তান।

    আর একদিকে যুদ্ধের খবরের ব্যাখ্যা চলছে।

    : আরে, তুমি জানো না, জার্মান আর জাপান একই কম্বলের লোম– জাপান সুযোগ পেলে রাশিয়ার ওপর হামলা না-করে ছাড়বে না।

    : তাহলে, বাবা, ধরে নাও, তার বিপদই ঘনিয়ে এসেছে। এ বার্মা আর ফিলিপাইন নয় যে, গিলে ফেললে ঢেকুরটাও উঠবে না। এ হল গিয়ে রাশিয়া।— এটি কোনো সাংবাদিকের বউ, যার স্বামী হয়তো স্বপ্নেও খবরের কাগজের হেডিং পড়ে।

    রুশ! রৌদ্রে দুর্গার মাথা ঘুরছিল। কিন্তু তার মনে হল, এই ‘রুশ’ শব্দটি সে কোথায় যেন শুনেছে। হ্যাঁ, তার মনে পড়েছে। নন্দ একবার তাকে সঙ্গে করে একটা সভায় নিয়ে গিয়েছিল। শ্রমিকদের সেই সভায় প্রায় পঁচিশ-তিরিশ হাজার শ্রমিক উপস্থিত ছিল। মেয়েছেলেই তো ছিল কয়েক হাজার। চারদিকে লাল লাল ঝাণ্ডা। মাঝখানে একটি উঁচু জায়গা। সেখানে দাঁড়িয়ে লোকে বক্তৃতা দিচ্ছিল। দুর্গা দেখে আশ্চর্য হয়ে গিয়েছিল– বক্তৃতা হচ্ছে অত দূরে উঁচু জায়গাটায়, কিন্তু আওয়াজ আসছে কাছেরই একটা থামে বাঁধা একটি কালো চোঙা থেকে। অদ্ভুত আওয়াজ। যেন কেউ কুয়োর মধ্যে মুখ বাড়িয়ে কথা বলছে। এই আওয়াজটায় শোনা গেল, ভাই সব, হিটলারের খুনি নেকড়েরা রুশিয়ার ওপর হামলা করেছে। রুশিয়া শ্রমিকদের নিজের দেশ। রুশিয়া শ্রমিকদের নিজেদের সরকার।… পৃথিবীর সমস্ত শ্রমিকের কর্তব্য রুশিয়ার সাহায্যের জন্য তৈরি থাকা।… তারপর, হাজার হাজার গলা থেকে এমনভাবে ধ্বনি বেরুল যে, মনে হল, বুঝি-বা আকাশ ফেটে পড়বে।

    কতক্ষণ হয়ে গেল দুর্গার দাঁড়িয়ে থাকা! পেছন ফিরে তাকিয়ে দেখে, ষোল-সতেরো জনের মতো স্ত্রীলোক রয়েছে তার পেছনে। লাইনের সঙ্গে এগোতে এগোতে এবার সে রাস্তার মোড়ে এসে পৌঁছেছে। ঘাড় বার করলে রেশনের দোকানের লাল লাল লেখাওয়ালা সাইনবোর্ডটাও দেখতে পাচ্ছে সে। কিন্তু এখনো কমপক্ষে শ’খানেক স্ত্রীলোক পার হলে তবে সে এক মগ চাল পাবে। একটি ক্লান্ত পা থেকে অন্য ক্লান্ত পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়াতে দাঁড়াতে দুর্গা মনে মনে বলে, দোকানদারটা এত দেরি করছে কেন, বুঝতে পারছিনে তো।– অন্য স্ত্রীলোকরাও কথা বলতে বলতে হাঁপিয়ে পড়েছে। গরম আর নীরবতায় গোটা লাইনটি কাবু হয়ে পড়েছে এখন। নীল উর্দি পরা একটা সেপাই সামনের গাছতলায় ঝিমোচ্ছিল। তাকে ঝিমোতে দেখে দুর্গার সমস্ত ক্লান্তি, পায়ের ব্যথা, পেটের বেদনা– সব তার চোখে এসে জড় হয়। রাস্তার ট্রাম-লাইনে মাথা দিয়ে শুয়ে পড়তে ইচ্ছে করে তার। পা দুখানা টলে উঠতেই সামনের স্ত্রীলোকটিকে ধরে দাঁড়ায় সে। বুড়ি মতো লোকটি বলে, ও বোন, একটু নিজের পায়েই দাঁড়াও!– বুড়ির কথায় রাগ বা জ্বালা নেই। কিন্তু দুর্গা লজ্জিত হয়ে একটু যেন বিমূঢ় হয়ে পড়ে। অন্যমনস্কভাবে পিছু হটতে গিয়ে এবারে প্রচণ্ড ধমক খায়, কানী, আমার পা-খানা মাড়িয়ে দিল!– এই স্ত্রীলোকটি দুর্গার হাত থেকে নিজেকে বাঁচাবার জন্য যন্ত্র-চালিতের মতো পিছু হটতেই লাইনের শেষ পর্যন্ত বিভিন্ন ভাষায় গালাগালি আর অভিশাপের উচ্চ রোল ওঠে।

    দুর্গা লজ্জায় মরতে মরতে একেবারে মরে যায়। দাঁতে দাঁত চেপে নিজেকে সামলে নিয়ে সে দৃষ্টিটা মাটিতে বিঁধিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। একবার তার ইচ্ছা হয়, এক মগ চালের আশা ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। কিন্তু পরক্ষণেই ভাবে, নন্দ সন্ধ্যার সময় শান্ত, ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফিরে কী খাবে? তার বড়-ভালো-মানুষ নন্দ তার জন্য প্রত্যেকদিন কয়েক ঘণ্টা ওভারটাইম করে। আর এখন তো দোকানের কাছেই এসে গেছে। কোনোরকমে এক ঘণ্টা, আধ ঘণ্টা কেটে গেলে তো সে চাল নিয়েই বাড়ি ফিরে যেতে পারবে। কিন্তু পেটে এত বেদনা হচ্ছে কেন? আর, কোন মানুষ যেন চিৎকার করছে! ব্যথায় ঘেমে নেয়ে ওঠে দুর্গা। মাথাটা আবার ঘুরতে থাকে। পেটের মধ্যে ব্যথার ঢেউ উঠছে, জোয়ার-ভাটা চলছে। মনে হচ্ছে, কোন শত্রু যেন বারবার বর্শা দিয়ে আক্রমণ করছে। একটি আঘাতের জখম সেরে উঠতে না- উঠতেই আবার আঘাত করছে। দিন কি পুরো হয়ে গেল? এতদিন থেকে সে যে দিনটির অপেক্ষা করছে, সেই দিনটি কি এসে গেল? না, তা কী করে হয়! সবেমাত্র তিন দিন হল, দাই বলেছে, এখনো দশ-পনেরো দিন বাকি আছে। এটা হয়তো অন্য কোনো বেদনা।

    ব্যথা আর কষ্টের মধ্যে দুর্গা কেমন করে জানি পুরো লাইনের সঙ্গে সঙ্গে আপনা থেকেই দোকানের দরজা পর্যন্ত এসে পৌঁছয়। এখন শুধুমাত্র একটি স্ত্রীলোক রয়েছে তার সামনে। এই স্ত্রীলোকটিও যখন দোকানের ভেতরে চলে যায়, তখন দুর্গা দেখে, তাকে ও সিঁড়ি ভেঙে ভেতরে ঢুকতে হবে। এক ফুট উঁচু উঁচু দুটো ধাপ তার কাছে মনে হয়, তাদের গাঁয়ের সেই মন্দিরের টিলার মতো, যার উপরে পৌঁছতে হলে একশোর ওপর ধাপ পার হয়ে উঠতে হয়। ভগবান! এই নড়বড়ে কাঠের সিঁড়ি দিয়ে সে কী করে যাবে?

    তার সামনের স্ত্রীলোকটি থলেয় এক মগ চাল নিয়ে স্মিতমুখে ঘাম মুছতে মুছতে দোকান থেকে বেরিয়ে আসে। পেছনের স্ত্রীলোকটি দুর্গাকে ধাক্কা দিয়ে বলে, যাও বাপু, যাও। ঘুমোচ্ছ নাকি?

    দোকানদারও তার দিকে তাকিয়ে বলে, এস গো, দেরি করছ কেন?– কিন্তু সে দেখে না যে, দুর্গার মুখটা কেমন ফ্যাকাসে হয়ে যাচ্ছে। সিঁড়ি ভাঙবার কথা মনে আসতেই তার পা দুটি থরথর করে কাঁপছে।

    : আমাকে… আমাকে… আমাকে এখান থেকেই দিয়ে দাও, ভাই।– দুর্গার ঠোঁট দুটি শুকিয়ে গেছে। কথাও বের হয় কষ্টে।

    : তোমার এত গুমর কিসের? নিতে যদি হয়, ভেতরে এসে নাও!

    : যাচ্ছ-না কেন?

    : না-নিতে হলে রাস্তা ছেড়ে দিয়ে অন্য লোককে আসতে দাও!

    প্রতি পদক্ষেপে দুর্গার মনে হয়, সে মাথা ঘুরে পড়ে যাবে। কিন্তু নিজের দেহটাকে কোনোরকমে টেনেহিঁচড়ে দোকানের মধ্যে পৌঁছে দেয় সে; তারপর কম্পিত হাতে থলেটা দোকানদারের দিকে বাড়িয়ে দিয়ে দামটা সামনে রেখে দেয়। পয়সাগুলো চারঘণ্টা ধরে তার হাতের মুঠোয় থেকে থেকে ঘামে ভিজে গেছে। দোকানদার মাপের মগ উঠিয়ে চাল ভরে দুর্গার থলেয় ঢেলে দেয়। তারপর দুর্গার মনে হয়, মোটা দোকানদারটি যেন আপনা-আপনিই ঘুরছে। মাপের মগটাও। চালের থলেও। গোটা দোকানটা ঘুরছে। ঘুরতে ঘুরতে গোটা দোকান– চালের বস্তা, ঘিয়ের পিঁপে, দেয়ালে টাঙানো হনুমানজির ছবি– দুর্গার গায়ে ধাক্কা খায়। সে তীব্র আর্তনাদ করে ওঠে।

    তারপর দুর্গার মনে হয়, সে যেন চালের স্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে। তার দম বন্ধ হয়ে আসছে। কিন্তু তার গাঁয়ের উপর থেকে চাল আপনা-আপনিই সরে যায়। হনুমানজি সেই চাল মাপের মগে ভরে ভরে সমস্ত স্ত্রীলোককে বিতরণ করছে– এই নাও এক মগ চাল, এই নাও এক মগ চাল। আনন্দে হনুমানজির লেজটা নামছে। কিন্তু লেজ তো নয়। এ তো সাপ। দুর্গাকে যে গাল দিয়েছিল, সাপটির মুখখানা সেই স্ত্রীলোকটির মুখের মতো। নিশ্বাস টেনে টেনে সাপটি ফুলছে আর বাড়ছে। তারপর দোকান থেকে বেরিয়ে এঁকেবেঁকে গলির মোড় পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছয়। ফোঁস ফোঁস করতে করতে এবার সে দুর্গার দিকে এগিয়ে আসতে থাকে। যে-কোনো মুহূর্তে দুর্গাকে গিলে ফেলবে সে। সাপ নিশ্বাস টানে, দুর্গা ছিটকে তার পেটের মধ্যে চলে যায়।

    কিন্তু এটা সাপের পেট নয়, অন্ধকার ঘর। অন্ধকার এবং গরম। বাতাস স্তব্ধ। দুর্গার দম বন্ধ হয়ে আসে। অন্ধকার গহন থেকে কার যেন কণ্ঠস্বর শোনা যায়, ‘এটা হিন্দুস্তান, হিন্দুস্তান।’ অন্ধকারের মধ্যেই আবার দূর থেকে দুটি লাল আলো ঝলমল করতে থাকে। দুর্গার মনে হয়, কোনো সাপের চোখ জ্বলছে। কিন্তু কাছে এলে দেখে, দুটি লাল পতাকা। ঝাণ্ডা দুটি আপনা-আপনিই হাওয়ায় উড়ছে। এবার চারদিক আলোকিত হয়ে যায়। সহস্র সহস্র, লক্ষ লক্ষ শ্রমিক অদ্ভুত ধরনের কী এক ভাষায় গান গাইতে গাইতে এগিয়ে চলেছে। একটি কুয়োর ভেতর থেকে আওয়াজ ভেসে আসে। তারপর হঠাৎ মেঘ ঘনিয়ে আসে এবং বিদ্যুৎ চমকাতে থাকে। দূর থেকে মেঘ গর্জনের আওয়াজ আসে। কিন্তু না, মেঘের গর্জন তো নয়, কামান চলেছে, গোলাবর্ষণ হচ্ছে। যেরকম দুর্গা একদিন সিনেমায় দেখেছিল। একটা বোমা একেবারে তার পাশে এসে পড়ে, টুকরো টুকরো হয়ে বাতাসে উড়ে যায়।

    এবার দুর্গার মনে হয়, সে উলঙ্গ হয়ে পড়ে রয়েছে। একেবারে উলঙ্গ। লজ্জায় সে লুটিয়ে পড়ে। কিন্তু উঠে দাঁড়াবার আগেই একটা ভীষণাকার দৈত্য এসে করাত দিয়ে তার পেট চিরতে শুরু করে। ভালো করে দেখবার পর কিন্তু দুর্গার বিস্ময়ের সীমা থাকে না। এ স্বয়ং তার স্বামী নন্দ। উচ্ছলভাবে সে দুর্গার পেট কাটছে, আর বলছে, ছেলে চাই না, ছেলেমেয়ের দরকার নেই আমার।

    চারদিকে হাজার হাজার লোক জমা হয়ে যায়। দুর্গার এই অবস্থা দেখে তারা হাসতে থাকে। একজন বলে, হিন্দুস্তান, হিন্দুস্তান।

    এ কথায় ধুমসো গুজরাটি স্ত্রীলোকটি বলে, গান্ধীজিকে কেন দোষ দাও। স্বয়ং ইংরেজরাই তো এদের ক্ষিধেয় মারছে।…

    সব লোক অদৃশ্য হয়ে যায়। এবার দুর্গা দেখে, সে মোটা হয়ে গেছে। ওই দোকানদারটার চেয়েও মোটা। আর, একটা হাঁড়ির সমান ভুঁড়ি বেরিয়েছে তার। কে যেন ভুঁড়ির মধ্যে একটা কাঠি ঢুকিয়ে দিয়েছে। পেট থেকে এবার রক্ত বেরোতে থাকে। এত রক্ত বের হয় যে, তার সমস্ত কাপড় ও শরীর রক্তে ভেসে যায়, আর পেটটা সঙ্কুচিত হয়ে কোমরের সঙ্গে লেগে যায়। দুর্গা আবছা চেতনার দুয়ারে কে যেন নাড়া দিতে থাকে। কয়েকজন লোক গল্প-গুজব করছে। দোকানটা ঘুরতে ঘুরতে সংজ্ঞাহীনতার মেঘলোক থেকে বেরিয়ে আসছে। ঘুরতে ঘুরতে আস্তে আস্তে দোকানটা স্থির হয়ে দাঁড়ায়। সামনে হনুমানজির ছবি টাঙানো।

    দুর্বলতার জন্য দুর্গা ঘাড়টাও ফেরাতে পারে না। তার মনে হয় দোকানটা যেন মানুষে ভর্তি। তাদের কথার আওয়াজ বেশ শোনা যাচ্ছে। কিন্তু কোনো কোনো শব্দ বোঝা যাচ্ছে না।

    : বেচারি… বোধহয়, এই-ই প্রথম…

    : কোন মজদুরের… জানিনে, কোথায়…

    : যাও, সরো… মুক্তি… বেরিয়ে যাও…

    দুর্গার পেট ভীষণ খালি বোধহয়। হাত নাড়বার চেষ্টা করে দেখে, যেন সমস্ত কাপড় জলে না, রক্তে ভিজে সপসপ করছে। হঠাৎ তার মনের মধ্যে একটি ভয়ঙ্কর কথা বিদ্যুতের মতো ঝিলিক দিয়ে ওঠে– আমি এখানে– সারা দুনিয়ার সামনে ছেলের জন্ম দিলাম? হায় ভগবান, এই বেশরমের কাণ্ডটা কি আমারই কপালে লিখে রেখেছিলে? সাধ্যে কুলোলে সে এখানেই মাটিতে মিশে যেত। এমন অপমানের চেয়ে যে মরণই ভালো ছিল। দুর্বলতার একটি ধাক্কায় চোখ দুটি বন্ধ করে ফেলে সে। মনে মনে বলে, এখান থেকে যাব কী করে এখন? লোকের কাছে মুখ দেখাব কেমন করে? সারা দুনিয়া যে আমার দিকে ইশারা করতে থাকবে!…

    কয়েক মিনিট এমনি লজ্জার সমুদ্রে ডুবে থাকে দুর্গা। আবার দুর্বলতা আর সংজ্ঞাহীনতার ধাক্কা আসছিল। ইতোমধ্যে শোনা যায়, ট্যা-অ্যা-অ্যা-

    একটি শিশুর কান্নার আওয়াজ শোনা যাচ্ছে। একটি শিশু। দুর্গার– নন্দ’র। ছোট্ট আওয়াজটি সমাজের বানানো লজ্জার মধ্যে পবিত্রতার দোলা জাগিয়ে দেয়। দুর্গার মন থেকে দুর্বলতা আর চেতনাহীনতার মেঘ কেটে যায়। কষ্টের ভয় না-করে সে ঘাড় ফিরিয়ে দেখে, খানকয়েক ময়লা ন্যাকড়ার মধ্যে লাল চাদরের মতো একটি শিশু ছোট্ট মুখটি হাঁ করে কাঁদছে। শিশুটির ক্ষিধে পেয়েছে ভেবে, তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে বডিসের ফিতে খুলতে থাকে দুর্গা।

    মমতার মান মানুষের কৌতূহলকে ছাপিয়ে ওঠে। সমস্ত লোক মুচকি হাসি হেসে দোকান থেকে বেরিয়ে আসে।

    কিছুক্ষণ পর দুর্গা দেওয়াল ধরে ওঠে দাঁড়ায়। তারপর টলতে টলতে কিন্তু বিজয়িনীর ভঙ্গিতে বাইরে চলে আসে। এক হাতে সে নিজের ছেলেকে কোলে করেছে। আর এক হাতে থলে। থলের মধ্যে এক মগ চাল।

    অনুবাদ : মিলি হোসেন

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমার বোকা শৈশব – আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
    Next Article এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে – আবদুল্লাহ আল-মুতী

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }