Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শ্রেষ্ঠ উর্দু গল্প – সম্পাদনা : শহিদুল আলম

    লেখক এক পাতা গল্প766 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩.০৬ কপোতের প্রাণ – আলি আব্বাস হোসাইনি

    কপোতের প্রাণ – আলি আব্বাস হোসাইনি

    স্বপ্নও কত বিচিত্র, অদ্ভুত ধরনেরই-না হয়ে থাকে। দেহ পড়ে থাকে বিছানায়, কিন্তু মন চলে যায় অন্য কোথাও। কত জায়গায়-না উড়ে বেড়ায় মন পাখির মতো ডানা মেলে দিয়ে। কত ভীষণদর্শী লোকের সঙ্গে সাক্ষাৎ ঘটে। কত পরী এসে শুনিয়ে যায় মনের কথা। কখনো প্রেম হয় স্বপ্নে। কখনো মনের মিল না হলে ঝগড়া বাধে। রাজনীতি, ধর্ম, দর্শন, সাহিত্য– কোনোকিছু বাদ যায় না।

    আমিও একদিন এইভাবে মসজিদের মোল্লার সঙ্গে আলাপ করছিলাম। আমি নিজে সবসময় ধর্মকর্ম নিয়ে থাকি, কাজেই আমার স্বপ্নও সেইরকম। কোনো এক কবির কোনো এক কবিতার একটি চরণ আমার মনে পড়ে গেল। সেইটি আমি মোল্লাকে শোনালাম। চরণের মর্ম এইরকম : ‘প্রেমের তরেই সৃষ্টি মানুষের– সেই জিনিসেরই বড় অভাব; এবাদত সবাই করে, যে এবাদতে প্রেম নিরস্তিত্ব।’

    মোল্লা তো শুনেই চটে-মটে আগুন। কয়েকবার ‘লা-হওল’ পড়ে যখন তিনি বুকে ফুঁক দিচ্ছিলেন, তখন আমার ঘুম ভেঙে গেল।

    ঘুম ভাঙার পর টের পেলাম, মোরগে আজান দিচ্ছে বটে, কিন্তু তখনো ফজরের সময় হয়নি। তখনো কাক ডাকেনি। তখনো সুবহে সাদেকের আলো ছড়িয়ে পড়েনি আল্লার রাজত্বে।

    কিছুক্ষণ বিছানায় পড়ে পড়ে এপাশ-ওপাশ করলাম। তখন না ঘুমোনো যায়, না জেগে থেকে কোনো ফায়দা। সিগারেট ধরিয়ে স্বপ্নের সেই কবিতার সঠিক মর্ম উদ্ধারের চেষ্টা করতে লাগলাম। এই চেষ্টার ফলে চোখ জুড়িয়ে আসতে চাইল। ভাবলাম, শয়তান আমার চোখে সুড়সুড়ি দিচ্ছে। এখন যদি ঘুমিয়ে পড়ি, তাহলে ফজরের নামাজ শিকেয় উঠবে, আর ফজরের নামাজ শিকেয় উঠলে শয়তানেরই লাভ।

    সুতরাং, শয়তানকে নিরাশ করা উচিত বলে মনে হল। উঠলাম। উঠে, সময় না হওয়া সত্ত্বেও ওজু করে জায়নামাজে এসে বসলাম।

    বসে বসে ‘নিদ্রা অপেক্ষা নামাজ শ্রেয়’ ধ্বনি শোনার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি, এমন সময় বাইরের বারান্দার উপরের কার্নিশে ডানা-ঝাঁপটানোর শব্দ শুনলাম। অল্প পরেই একটা সাদা পায়রা বারান্দার খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উড়তে উড়তে, পড়তে পড়তে আমার কোলে এসে নামল। পাখিটি আমার জামার ভেতরে সেঁধতে চাইল। কাপড়ে তার সারা দেহ ঢেকে গেল, কেবল বেরিয়ে থাকল মাথাটুকু। ছোট্ট, গোল গোল চোখ দুটো দিয়ে পিট্ পিট্‌ করে তাকাতে লাগল। জামার ভেতরেও আমি টের পেলাম, তার সারা শরীর কাঁপছে। ছোট্ট, লাল জিবটা থেকে-থেকে বেরিয়ে পড়ছে। আস্তে করে পায়রাটার পিঠে হাত রাখলাম। এতে সে আরও সঙ্কুচিত হল। আস্তে আস্তে পিঠে হাত বুলিয়ে আদর করতে লাগলাম। এতে ক্রমে ক্রমে সে শান্ত হল আর ভয়ের ভাব কেটে যেতে লাগল।

    তারপর, আমি ভাবতে লাগলাম, এখন কী করি। পায়রাটা নিশ্চয় কোনো বিপদের মুখে পড়েছিল। সে আশ্রয়প্রার্থী। আশ্রয়প্রার্থীকে, বিপন্নকে আশ্রয় দেওয়া আমার ফরজ। কিন্তু আমার ঘরে পায়রা রাখার খুপরি নেই। কিংবা অন্য কোনো ব্যবস্থার কথাও আমার মনে পড়ল না। সুতরাং, আপাতত একটা ঝুড়ির মধ্যে রাখব সাব্যস্ত করলাম।

    জায়নামাজ থেকে নিজেকেই উঠতে হল। পাশের ঘরে আমার দুই দুটো জোয়ান ছেলে ঘুমুচ্ছে। তাদের জাগাতে মন সরল না। আমার ধর্মীয় নীতি-জ্ঞান আমাকে এই শিক্ষাই দিয়েছে যে, ঘরের জোয়ান ছেলেকে ফজরের সময় জাগাতে হলে জোরে জোরে আজান দাও বা একামত হাঁকো; তাতে জাগে জাগুক, না জাগে নাই জাগুক। কিন্তু গায়ে হাত দিয়ে ঘুম ভাঙিও না; কেননা তখন সে এমন অবস্থাতে থাকতে পারে, যা দেখলে তাকে লজ্জা পেতে হতে পারে।

    সুতরাং, বারান্দায় বেরুলাম ঝুড়ি খুঁজতে। কার্নিশ থেকে ধ্বনি উঠল, ‘ম্যাও ম্যাও।’ ভাবলাম, আলো জ্বেলে বিড়ালটা কোথায় রয়েছে, দেখি। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে মনে হল, বিড়ালের এই ডাকের মধ্যেও এক ধরনের কাকুতি রয়েছে, নালিশ রয়েছে। আমি তার শিকার ছিনিয়ে নিয়েছি মুখ থেকে। কারো মুখের আহার কেড়ে নেওয়ার কী অধিকার রয়েছে আমার! বিড়াল সেই নালিশই তো জানাচ্ছে আমার কাছে। দিন কয়েক আগে সে বাচ্চা দিয়েছে। বাচ্চাদের চোখ ফোঁটানোর জন্য সে রোজ কয়েকবার করে এক জায়গা থেকে আর এক জায়গা বয়ে নিয়ে বেড়ায়। নিজের এই ছোট সংসারের তত্ত্বাবধানে যথেষ্ট পরিশ্রম করতে হয় তাকে। তার ওপর, এতগুলো বাচ্চাকে নিজের শরীর থেকেই দুধ নিংড়ে বের করে দিতে হয়। সেই দুধ কোত্থেকে আসবে যদি সে দু-বেলা দু-মুঠো খেতে না পায়। আজকে ভারি চমৎকার একটা খাদ্য পেয়েছিল। পুরো একটা পায়রা সে পরম তৃপ্তিসহকারে পেট ভরে খেতে পারত।

    নতুন ভাবনার জট পাকিয়ে গেল মনের মধ্যে। আমার ধর্মীয় বিবেক কোনো সমাধান করতে পারল না এ সমস্যার। আল্লাহ্তালা এক জীবকে অন্য জীবের খাদ্য করে সৃষ্টি করেছেন। গরু, মোষ, ছাগল– এরা ঘাস, শাক-সবজি, গাছের নরম নরম, কচি কচি পাতা খেতে খুবই ভালোবাসে। এইসব খেয়ে তারা যে বিষ্ঠা ত্যাগ করে, খাদ্য হিসেবে তা পোকামাকড়ের প্রিয়। পাখিতে আবার পোকামাকড় খেয়ে তৃপ্তি পায়। এইসব চতুষ্পদ জন্তু আর পাখি চলে যায় মানুষের পেটে। যে-সব চতুষ্পদ মানুষে খায় না, তাদেরকে ভক্ষণ করার জন্য অন্য জীবের অভাব নেই। কাউকে খায় বাঘে, না হয় ভল্লুকে, কাউকে খায় চিলে, না হয় শকুনে। বনে-জঙ্গলে কোনো জন্তু মাংসাশী, আবার কেউ-বা নির্ভেজাল নিরামিষাশী। পুরুষ-নারী-নির্বিশেষে এই প্রক্রিয়া অনন্তকাল ধরে চলে আসছে।

    আমি এইসব কথা চিন্তা করছি, এদিকে বালবের আলো খুকুমণির ঘুমের ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে লাগল, ওদিকে বিড়াল আমার হাতে পায়রা দেখতে পেয়ে আরও জোরে নালিশ জানাতে লাগল। ‘মিয়াও মিয়াও।’ খুকুমণির ঘুম গেল ভেঙে। খুকুমণি উঠল। উঠে বসল। বসে, আমার হাতে পায়রা দেখে দু-হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলল, ‘আব্বু, আমাতে দাও!’ খুকুমণি এখনো ক বলতে পারে না, বলে ত। তেমনি র-কে বলে ল।

    আমি ওকে প্রবোধ দেওয়ার ভঙ্গিতে বললাম, ‘না, মা-মণি, একটা অন্য লোকের পায়রা– আমি তোমাকে কেমন করে দিই!’

    ‘তুমি যে বলেছ– এটা আমাল।’

    এখন কেমন করে ওকে বোঝাই, ধরলেই কিছু একজনের পায়রা অন্যের হয়ে যায় না। আমার সব সন্তানকেই আমি বরাবর এই শিক্ষা দিয়ে আসছি যে, রাস্তায় কোনো জিনিস কুড়িয়ে পেলেও সেটা তার হয়ে যায় না। তাছাড়া, পায়রাটাকে আমি কুড়িয়ে পাইনি। ধরিওনি। সে তো প্রাণরক্ষার জন্য নিজে থেকে আমার কোলে এসে পড়েছে। ধর্মে বলে, আশ্রয়প্রার্থীকে আশ্রয় দাও। নিজের প্রাণ বিপন্ন করে হলেও বিপন্নকে রক্ষা কর।

    এইসব কথা ভাবছি, এমন সময় খুকুমণির বড়টা অর্থাৎ খোকন জেগে উঠল। ঘুমের যখন পরিশিষ্ট দশা, তখন বোধহয় আমাদের কথা সে শুনেছিল। সুতরাং, বিনা ভূমিকায় সে রায় জারি করে দিল, ‘খুকুমণিকে এই পায়রা দিও না, আব্বু। ওর হাত থেকে পালিয়ে যাবে, ধরে রাখতে পারবে না।’

    খুকুমণি ঘাড় বাঁকিয়ে সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ করে উঠল, ‘তেন, পালিয়ে যাবে তেন? আমি যে খুব শক্ত কলে ধলে থাতব।’ এই বলে সে শক্ত করে ধরে থাকার ভঙ্গিটাও দু-হাত জোড়া লাগিয়ে দেখিয়ে দিল।

    এ কথায় ফারসি কবিতা আমার মনে পড়ে গেল। আহা কী কবিতা!

    ‘দিলম্ মানন্দ্‌ কুঞ্জশ্‌কে
    ব দস্‌ৎ-এ তিফ্‌ল্‌-এ নাদানে
    কে আজ্‌ জাঁ দোসৎ-তর্ দারদ্
    ওয়ালেকিন মি-কশদ্ জানে।’

    (আমি যেন মূর্খ শিশুর হাতে চড়ুইপাখির মতো। প্রাণের চাইতে প্রিয় ভাবছে বটে, কিন্তু আমার প্রাণটা বেরিয়ে যাচ্ছে।)

    খোকন বলল, ‘আব্বু, পায়রাটা আমাকে দাও– আমি মোল্লাজিকে দিয়ে আসব। তিনি পায়রা পোষেন। কতজনের পায়রা যে ধরে ধরে পুষেছেন তিনি।’

    ‘বলছ কী! আর, যার পায়রা, সে চাইতে আসে না?’

    ‘হুঁহ্, চাইতে আসবে? কার এত সাহস যে, মোল্লাজির সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলে! যদি কেউ চাইতে আসেও, মোল্লাজি এমন ধমকটাই দেবেন যে, পালাতে পথ পাবে না।’

    আমি জানি, খোকন বানিয়ে বানিয়ে কথা বলতে খুব ওস্তাদ। ওকে তাই সে সুযোগ দেওয়ার জন্য প্রশ্ন করলাম, ‘তখন কী বলেন মোল্লাজি, একটু শোনাও দেখি!’

    ‘বলেন, আমি এই পায়রা তোমার ঘর থেকে ধরে আনিনি। এ তোমার ঘরে থাকতে চায় না। তোমার কোনো পায়রার সঙ্গেই এর সম্পর্ক ভালো নয়। সেইজন্য এ আমার ঘরে নিজে থেকেই চলে এসেছে। আমার পায়রাদের সঙ্গে গটরগুঁ-গটরগুঁ করে সুখে-শান্তিতে আছে। এ পায়রা আমার দানা খেয়েছে, আমার পানি খেয়েছে। আমি কেমন করে একে আবার একটা জালেমের হাতে ছেড়ে দিতে পারি। ব্যস্, আপনি এখন আল্লার শুকর আদায় করতে করতে ঘরে ফিরে যান।’

    এই কৃত্রিম বক্তৃতা শুনে আমার খুব হাসি পেল। আমি খোকনের কাছে খোকনের বিছানায় গিয়ে বসলাম। এই সুযোগে খুকুমণি চট্ করে পায়রার মাথায় হাত বুলোতে শুরু করে দিল। পায়রা বোধহয় এতে আরাম পেল, তাই সে চোখ বুজল পরম তৃপ্তিতে।

    জীব-জন্তু, পশু-পক্ষীর বিষয় নিয়ে গল্প বলে আমি আমার ছেলেমেয়েকে জীবনের এই জটিল পরিস্থিতি সম্বন্ধে কিছু উপদেশ দেব, ভাবছিলাম, এমন সময় বেড়ালটা উপরের কার্নিশ থেকে নেমে নিচের বারান্দায় একেবারে দরজার সামনে এসে দাঁড়াল। তারপর, পায়রার দিকে ক্রুদ্ধ দৃষ্টি মেলে বলল, ‘ম্যাও ম্যাও।’

    খোকন বেটা-ছেলে বলেই বোধহয় নিষ্ঠুর। তাই সে পরামর্শ দিল, ‘আব্বু, পায়রাটাকে বারান্দায় ছেড়ে দাও। আমরা দেখব, বেড়ালটা ওকে ধরতে পারছে, না পায়রাটা উড়ে পালিয়ে যাচ্ছে।’

    কিন্তু খুকুমণি বলল, ‘না, আব্বু, বেলাল তাহলে ওতে খেয়েই ফেলবে।’

    শিশুদের নিষ্ঠুরতা আর কারুণ্যের মনস্তত্ত্ব নিয়ে মনের মধ্যে আলোড়ন চলছিল, এমন সময় পাশের বাড়িতে একসঙ্গে অনেক পায়রার ডাক শোনা গেল। আমার প্রতিবেশী একসঙ্গে সব পায়রা ছেড়ে দিয়েছেন। তাদের আকাশে ওড়া আর ছাদে নামা টের পেলাম। তাড়াতাড়ি সিঁড়ি বেয়ে ছাদে উঠলাম। বিড়ালটাও অনুসরণ করল আমাকে। বিড়ালটা সত্যি ক্ষুধার্ত। একবার মনে হল, সে বুঝি আমার হাত থেকে পায়রাটাকে ছিনিয়ে নেবে। আমি একটা ঢিল মেরে বিড়ালটাকে তাড়িয়ে দিলাম। তারপর, প্রতিবেশীর পায়রাগুলো যেই আর এক দফা আকাশে উড়ল, অমনি হাতের পায়রাটাকে জোরে ছুঁড়ে দিলাম বাতাসে। প্রতিবেশীর পায়রাদের সঙ্গে সে অনায়াসে মিশে গেল। কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আমি তাই দেখলাম, আর ভাবতে লাগলাম, না জানি কার পায়রা কার কাছে চলে গেল। তবু সান্ত্বনা, বিড়ালের হাত থেকে সে রক্ষা পেয়েছে।

    কিন্তু বিড়ালটাকে তো চুপ করানো গেল না। ‘ম্যাও ম্যাও’ রবে তার বিক্ষোভ আর আর্তনাদ চলতেই থাকল। বিক্ষোভ মুখের আহার কেড়ে নেওয়ার বিরুদ্ধে, আর্তনাদ ক্ষুধার্ত থাকার যন্ত্রণায়।

    সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামবার সময় মুখে ‘চু চু’ ধ্বনি করে আর ‘পুষি পুষি’ বলে ডেকে তাকে নিচে নামাবার চেষ্টা করলাম। আমার উদ্দেশ্য অসৎ ছিল না। কিন্তু বিড়াল আমাকে বিশ্বাস করতে পারল না। করবেই-বা কেন। একে তো সে আমার পোষা বিড়াল নয়, তার ওপর আমি তার মুখের আহার কেড়ে নিয়েছি। কাজেই আমার সঙ্গে সঙ্গে নিচে নামল না সে। না নেমে কার্নিশ থেকে নিচের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে বলতে লাগল, ‘ম্যাও ম্যাও।’ আমি এই বুলির পরিষ্কার অর্থ করলাম, আমি ক্ষুধার্ত, আমি খাদ্য চাই।

    খুকুমণি আমার এই অর্থের যেন প্রতিধ্বনি করেই বলল, ‘আব্বু, ওল ক্ষিধে পেয়েছে। কালকেল দুধ আছে, ওতে থেতে দাও।’

    খোকন এই প্রস্তাবের প্রতিবাদ করে উঠল। ‘বা বা, আর আমরা চা খাব কী দিয়ে?’

    ‘তেন, এথুনি দুধ আসবে না? সেই দুধ দিয়ে আমলা চা থাব।’

    আমাদের হৈহুল্লা আর বিড়ালের চিৎকারে খোকা-খুকুর মায়ের বুঝি ঘুম ভেঙে গেল। তিনি বিছানায় শুয়ে শুয়েই হাঁক ছাড়লেন, ‘সাত-সকালে কিসের এত গোলমাল, শুনি?’

    এ প্রশ্নের উত্তর দিল বিড়াল, ম্যাও ম্যাও।’

    ‘ও বুঝেছি, এই ভোরবেলায় আল্লা-রসুলের নাম না নিয়ে বাপ-বেটিতে বেড়ালকে নিয়ে মশকরা হচ্ছে বুঝি?’

    বললাম, ‘না, মশকরা নয়, ও বেচারা খেতে পায়নি কিনা, তাই ‘

    ‘তা বাসি কিছু থাকলে খেতে দিলেই তো হয়। একগাদা বাচ্চা দিয়েছে, ক্ষিদে তো পাবেই।’ এই বলে মনে হল যেন, তিনি আবার পাশ ফিরে শুলেন।

    খুকুমণির অনুরোধের সমর্থন পাওয়া গেল তার মায়ের কাছে। কাজে কাজেই একটা থালায় করে আধ পোয়াটেক দুধ আর তাতে পুরো একটা রুটি ছিঁড়ে ছিঁড়ে মেশালাম। মিশিয়ে বিড়ালকে দেখিয়ে দেখিয়ে সিঁড়ির কাছে রেখে এলাম। আর নিজে দাঁড়িয়ে থাকলাম বিড়ালের দৃষ্টির আড়ালে গিয়ে। বিড়াল দ্রুত পায়ে থালার কাছে গিয়ে কয়েক মুহূর্তে সাফ করে দিল থালাটা।

    এই দৃশ্য খুকুমণি দেখল খুঁটির আড়াল থেকে।

    কিন্তু খেয়ে-দেয়ে বিড়াল আবার শুরু করল, ‘মিয়াও মিয়াও।’

    খুকুমণি বলল, ‘ভাগ, ভাগ, দূল হ।’

    এমন সময় পেপারঅলা খবরের কাগজ দিয়ে গেল। খোকন দৌড়ে গিয়ে খবরের কাগজ এনে দিল আমার হাতে। প্রথম পৃষ্ঠায় ব্যানার হেডলাইন। তার মর্ম : ইস্রাইল আজরাইল। ইস্রাইলের আজরাইলরা পূর্ব-জর্ডান আর মিসরের ওপর আকস্মিক হামলা চালিয়েছে। হাওয়াই হামলায় শত শত মুসলমান নিহত, বহু গ্রাম ধ্বংসপ্রাপ্ত, হাজার হাজার পরিবার গৃহহারা।

    বিড়াল বলল, ‘ম্যাও ম্যাও।’

    আমি নিজেকে ডুবিয়ে ফেললাম চিন্তার মহাসমুদ্রে। এই কি সেই আরবজাতি, যাদের ডঙ্কাধ্বনি একদিন সারা দুনিয়ার বুক কাঁপিয়ে তুলেছিল। যারা কাইকাউস, কাইখর দেশ তুড়ি মেরে জিতে নিয়েছিল। যারা একদিন ত্রাসের কারণ ছিল গোটা ইউরোপের কাছে। যারা রোম সাম্রাজ্যের সমস্ত গর্ব ভূলুণ্ঠিত করে দিয়েছিল। যারা আলেকজান্ডারের দেশে পর্যন্ত গিয়ে রাজত্ব করেছিল। যাদের তারেক আর সালাহুদ্দিনের তরবারির কাছে তাবৎ ঈসাই আর ইহুদির মাথা নত হয়ে গিয়েছিল। সেই আরবজাতির বীরত্ব আজ কোথায় গেল?

    বিড়াল বলল, ‘ম্যাও ম্যাও।’

    মনে হল, দুনিয়াটাই পাল্টে যাচ্ছে। তলওয়ারের যুগ শেষ হয়েছে। এখন বোমার যুগ, রকেটের যুগ, ট্যাঙ্কের যুগ। ঢাল-তলোয়ার, তীর-ধনুক দিয়ে এখন আর যুদ্ধ করা যায় না। রেড-ইন্ডিয়ানরা পারেনি কেন রাইফেলের মুখে টিকে থাকতে। সাহসে কি তারা কম ছিল কোনো অংশে? দক্ষিণ আফ্রিকার জুলুরা বাঘের জাত। তাদের আজ কী অবস্থা? পেরেছে অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীরা টিকে থাকতে? রোডেশিয়ার কৃষ্ণকায়দের আজ কী অবস্থা? মুষ্টিমেয় সাদা চামড়ার প্রভুদের তারা আজ পারছে না কেন উচ্ছেদ করতে? ভিয়েতনামের আজ কী দশা? সর্বত্র সবল দুর্বলকে চিবিয়ে খাচ্ছে।

    বিড়াল বলল, ‘ম্যাও ম্যাও।’

    আমার ভারি রাগ হল। কমবক্ত চায় কী? এই বাড়িতে যত খাদ্য রয়েছে, সবই খাইয়ে দিতে হবে নাকি তাকে। সাম্রাজ্যলোভী দেশের মতোই বিড়ালটাও লোভী। ওর পেট কোনোদিনও ভরবে না।

    বিড়াল আবার বলল, ‘ম্যাও ম্যাও।’

    আমি বললাম, ‘চুপ, আজরাইলের বাচ্চা!’ বলেই মনে মনে চমকে উঠলাম। ঠিক হল কি এই গাল দেওয়াটা? বারবার ‘লা-হওল’ পড়তে লাগলাম। পড়তে পড়তে যেতে লাগলাম জায়নামাজের দিকে।

    কিন্তু ততক্ষণে সূর্য উঠে গেছে। ফজরের নামাজটা আমার কাজা হয়ে গেল। কাজা নামাজে দাঁড়ানোর পরও বারবার আমার মনোযোগ ছিঁড়েখুঁড়ে গেল এই ভাবনায় : একটা পায়রার প্রাণ রক্ষা করাটা কি আল্লার এবাদত নয়?

    অনুবাদ : নেয়ামাল বাসির

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমার বোকা শৈশব – আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
    Next Article এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে – আবদুল্লাহ আল-মুতী

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }