Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শ্রেষ্ঠ উর্দু গল্প – সম্পাদনা : শহিদুল আলম

    লেখক এক পাতা গল্প766 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪.০২ মেয়েলি হিসাব – হাজেরা মস্‌রূর

    মেয়েলি হিসাব – হাজেরা মস্‌রূর

    গুড্‌ডু সাহেব এইমাত্র ঘরে ফিরলেন! ভালো চাকরি করেন। কিন্তু পুরনো অভ্যাস সাইকেল চালানোর –সেটা এখনও ছাড়তে পারেননি।

    চাকর এসে সাইকেলটা ধরে নিল।

    অফিস থেকে বাসা কম হলেও দু মাইলের পথ। তার ওপর যা গরম পড়েছে। এই গরমে এই দু মাইল পথ সাইকেল চালিয়ে আসা মানে রীতিমতো ব্যায়াম করা। ঘন ঘন নিঃশ্বাস পড়ে। সারা গায়ে ঘাম ছুটে যায়। সে-সময় গুড্‌ডু সাহেব বিয়ে করার জন্য পাগল হয়ে উঠেছিলেন, তখন এক বন্ধু পরামর্শ দিয়েছিল, ‘বিয়ে না করে, বলছি একটা কার কিনে ফ্যালো। আর, যদি কার না-কিনতে চাও, তা হলে মেষ পোষো। এইভাবে সাইকেল চালালে খাঁটি মোষের দুধ খাওয়া দরকার, বুঝেছ?’

    কিন্তু গুড্‌ডু কারও কেনেনি, মোষও পোষেনি। অবশ্য বউ একটা ঘরে তুলেছে। ঘরে ফিরেই তার প্রথম কাজ বউকে খোঁজা

    চাকরকে জিগ্যেস করল, ‘ও কোথায়?’

    ‘ডাক্তারের কাছে গিয়েছে। বলেছেন, আপনি আসার আগেই ফিরবেন।’

    ‘তা ফিরলেন কই, আমি তো এসেছি।’

    ‘তাই তো বলে গিয়েছিলেন।’

    ক্লান্ত শরীরটাকে সোফার উপর বিছিয়ে দিল গুড্‌ডু। এই সময় এক কাপ চা খেতে ইচ্ছে করছে। বউয়ের হাতের চা। চাকরের হাতের চা খেয়ে গুড্‌ডু সাহেব আরাম পান না। ভাবল, হয়তো এখনই এসেই পড়বে।

    গুড্‌ডু ভাবল, এই সুযোগে গোসলটা সেরে নেওয়া যাক। নলের পানির শব্দের সঙ্গে মিশে গেল যেন কারও গলার আওয়াজ। এসেছে বোধহয়। নল বন্ধ করে শুনবার চেষ্টা করল গুড্‌ডু। না, মনের ভুল। কেউ আসেনি তো।

    গোসল সেরে বেরুল। চা রাখা ছিল তেপায়ার উপর। ইভনিং-ইন-প্যারিসের গন্ধ মেখে নিয়ে চায়ের দিকে তাকাল। চা এখনও যথেষ্ট গরম। আরও কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলে কিছু ক্ষতি নেই। হয়তো ততক্ষণে এসে যাবে। সকালের খবরের কাগজটা টেনে নিয়ে বিছানায় সটান শুয়ে পড়ল।

    পড়তে পড়তে একটা অদ্ভুতদর্শী শিশুর খবরের দিকে নজর গেল তার। কিন্তু বেশিক্ষণ সে-খবর মনটাকে আটকে রাখতে পারল না। এ-পর্যন্ত একটিই ছেলে পেয়েছে সে। তাতেই বউয়ের স্বাস্থ্যটা কেমন খারাপ হয়ে গেল। অপারেশন করতে হল বলে। নইলে হয়তো এমন হত না।

    কে বলেছে সন্তান উৎপন্ন করতে। না হলেই-বা কী ক্ষতি ছিল! স্বাস্থ্যটা তো তা হলে এইভাবে জাহান্নামে যেত না। আর, খবরের কাগজে রোজ রোজ এইরকম খবর। বানরের মতো দেখতে। মাথায় শিং রয়েছে। নাহয়, চারটা হাত, দুটো মাথা নাহয়, পিঠে পিঠে জোড়া লেগে রয়েছে। দুটো বাচ্চা। চারটা হাত, দুটো পা। বিয়ে করলেই এইসব ঝঞ্ঝাট।

    আহা, বেগমের কী অবস্থা! হাসপাতালের সেই দৃশ্য চোখের সামনে ভেসে উঠল গুড্‌ডুর। তিন দিন যাবৎ কেবল চিৎকার করল। শেষে অপারেশন করতে হল। কীরকম আতঙ্কজনক হয়ে উঠেছিল ওর চেহারাটা। হাসপাতাল থেকে যে ফিরল, সে যেন বেগম নয়, বেগমের প্রেতাত্মা। তৌবা। সন্তান জন্ম দেওয়া যেন একটা প্রাকৃতিক ব্যাপার নয়। যদি মরে যেত, তা হলে! গুড্‌ডুর দুচোখ আপনা-আপনি ভিজে এল।

    কী করছে এতক্ষণ ধরে ডাক্তারের কাছে। নাকি সেখান থেকে আবার অন্য কোথাও গেছে। টাঙায় চাপতে কতদিন নিষেধ করেছে। তাতে শরীর আরও খারাপ হয়ে যায়। ট্যাক্সিতে গেলে শরীরটা আরাম পায়। না, ওই এক বাতিক। পয়সা বাঁচানোর এত ঝোঁক। কী হবে এত টাকা-পয়সা জমিয়ে। জান্ আগে, না পয়সা আগে। আসুক, আজকে ভালোভাবে শুনিয়ে দেবে চাট্টি কথা।

    কিন্তু আরও অনেক দেরি করে বেগম যখন ঘরে ফিরল, ওর বিবর্ণ, মলিন মুখ দেখে গুড্‌ডুর মুখে রা সরল না। বকার কথা একদম ভুলে গেল সে। বাইরে আয়ার কোলে বেবি কাঁদছিল ট্যা-ট্যা করে।

    গুড্‌ডু আদর করে বেগমকে বিছানায় শোয়াতে গেল। কিন্তু বেগম মুখে কোনও কথা না বলে নাক ঝাপ্‌টা দিয়ে সে আদর প্রত্যাখ্যান করল। সরে বসল গিয়ে সোফার উপর। তার কপালে, নাকের নিচে ফোঁটা ফোঁটা ঘাম। নিঃশ্বাস বয়ে যাচ্ছে জোরে জোরে।

    বেগমকে সুন্দরী বলা যায় না। আদৌ না। কিন্তু গুড্‌ডুর চোখে সে অপরূপা। এতদিন হয়ে গেল, তবু চেয়ে চেয়ে চোখের পিয়াস মেটে না তার। এত যে ভেঙে পড়েছে, যাকে দেখলে এখন তালপাতার সেপাই বলেই মনে হয়, তবু গুড্‌ডুর কাছে সে স্বর্গের অপ্সরা। গুড্‌ডু কাছে বসে, মোলায়েম করে হাত ধরে, বেগমের শাড়ির আঁচল দিয়ে তার মুখের ঘাম মুছে দিতে চাইল, কিন্তু বেগম ঝট্‌কা দিয়ে হাত ছাড়িয়ে নিল তার। ঝাপ্‌টা মেরে হাত সরিয়ে দিল গুড্‌ডুর।

    গুড্‌ডুর খারাপ লাগল না। এইরকম দেখে দেখে তার সয়ে গেছে। এখন কিছু মনে করে না সে এই ব্যবহারকে।

    গুড্‌ডু চা তৈরি করতে শুরু করে দিল। ‘নাও খাও, ঠাণ্ডা হয়ে যাচ্ছে।’

    ‘না।’

    ‘কেন?’ গুড্‌ডু নিজের কাপটাও নামিয়ে রাখল।

    ‘ভালো লাগছে না।’

    ‘বেশ, অল্প-একটু খেয়ে নাও, দু চুমুক।’

    কয়েক চুমুক খেল বেগম।

    ‘ডাক্তার কী বললেন?’

    ‘রক্ত হচ্ছে না।’

    গুড্‌ডুর খুব রাগ হল। ‘রক্ত হবে কোত্থেকে। টনিক-ওষুধ সব ড্রেনে ফেলেছে। দুধ খাবে না, ডিম খাবে না। গোত দেখলে বমি আসে। শাক-শবজির গন্ধ পর্যন্ত সহ্য করতে পারো না। তা আর খাবে কী। একটুখানি চলাফেরা করতে বলব, তা-ও করবে না। তুমি নিজেই মরতে চাও, তা কে কী করবে, বলো রাগ করলে কী হবে, আমার কথার উত্তর দাও। ওষুধ যদি না-খাবে তো ডাক্তারের কাছে রোজ রোজ কীজন্যে যাচ্ছ? সেই-যে বেবি পেটে থাকার সময় ডিম-দুধ-গোশ্ত খাওয়া ছেড়েছ তো ছেড়েছই– এখনও গন্ধ লাগে। মা কি সাধে বলেন, নখ়া কোরো না। আমার কথা নাহয় না-ই শুনলে, কিন্তু মুরুব্বি মানুষের কথা তো শুনতে হয়। বেশি বললে তো আবার কাঁদতে শুরু করে দেবে।

    ঘুরে দেখে, বেগম তার বলবার আগেই কাঁদতে শুরু করে দিয়েছে।

    ঠোঁট ঝুলিয়ে বাচ্চাছেলের মতো সে কাঁদছে।

    ‘ব্যস্, খারাপ লেগে গেল আমার কথা। শহরে আরও তো পাঁচটা মেয়েমানুষ আছে। পাড়া-প্রতিবেশীদের দেখেও তো লোকে শেখে।’

    ‘হুঁ, আমি বুঝি আর পাঁচটা মেয়েলোকের সমান হলাম। তার চাইতে গরু-মোষের সঙ্গে তুলনা দিলেও তো পারতে। গরু-মোষও মার খেলে শিং দিয়ে গুঁতো মারে।’

    ‘ও, আমি বুঝি তোমাকে মেরেছি, তাই না? অবাক করলে।’

    ‘তোমার মুখের কথাই মারের চাইতে কি কম? পুরুষ হয়েও শাশুড়ি-ননদের মতো গালাগালি করতে তোমার মুখে বাধে না! আশ্চর্য।’

    ‘আশ্চর্য? বেশ, আমার অন্যায় হয়েছে, মাফ করে দাও। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, একটু কথাতেই অমনি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠো কেন, বলো তো?’

    ‘উঁ– বড় এসেছেন মনস্তত্ত্ববিদ্–। শরীরের চিকিৎসা শেষ হয়েছে, এখন মনের চিকিৎসা করবেন।’

    ‘লক্ষ্মী বেগম, তুমি আমাকে মাফই করে দাও। ঘাট হয়েছে, স্বীকার করছি।’ বকলেও যা, সহানুভূতি জানালেও তাই। ভাবল গুড্‌ডু।

    বেগমের কান্না তবু থামল না। ‘সত্যি বলছি, তোমাকে এখন আমার ঘেন্না করতে ইচ্ছে করছে। আমার কষ্টের কথা তুমি ভাবো না। আমার মনের ভেতরে যে কী হচ্ছে, তা তুমি বোঝো না। আত্মহত্যা করতে মন চাইছে।’

    ‘শোনো লক্ষ্মীটি, তাই জন্যেই তো বলছি, শরীরটাকে সারিয়ে তোলো। স্বাস্থ্য ঠিক থাকলে মনও ঠিক থাকবে। কথায় বলে না, স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল।’

    ‘না, আমি কিছু শুনতে চাই না। তুমি আমার দু চোখের বিষ। তুমি আমার শত্রু। জীবনে আমার ঘেন্না ধরে গেছে। আমি মরব। আমার আর সহ্য হচ্ছে না। ওয়াক্। আমার বমি আসছে।’

    বউকে জোর করে টেনে এনে নিজের কাছে বসাতে চাইল গুড্‌ডু।

    ‘উফ্, আমাকে তুমি টেনে-হেঁচড়ে শেষ করে ফেললে। ব্যথা, ব্যথা। উফ্‌। মলাম, নিষ্ঠুর।’

    ‘মাফ করে দাও, মাফ করে দাও। অন্যায় হয়েছে। আচ্ছা, এসো। তুমি নিজেই এসো। এসে বোসো। আমার কাছে এসে বোসো। এসো, আমি তোমার মাথা টিপে দিই।’

    ‘না, না, তুমি আমাকে ছুঁয়ো না। ছুঁলে আমি পাগল হয়ে যাব। স্বার্থপর। নিষ্ঠুর। তোমার কী! আবার মরতে হলে মরব তো আমিই।’

    ‘দ্যাখো বেগম, তুমি কিন্তু বাড়াবাড়ি করছ। এত তাড়াতাড়ি ছেলে পেতে কি আমিই চেয়েছিলাম নাকি? তুমিই তো মা হওয়ার জন্যে আল্লার কাছে দোয়া চেয়েছিলে, মনে নেই? তবে যে আমার দোষ দিচ্ছ।’

    ‘বেশ, বেশ, তোমার কথাই সত্য হল। আমিই চেয়েছিলাম। সব বউই বাচ্চা চায়, তাতে মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যায় না। আমার ঘাট হয়েছে, স্বীকার করছি। আর আমি চাইনে। এই যে কান ধরছি। তৌবা করছি। অনেক শাস্তি হয়েছে। আর না। ‘

    ‘আমিই-বা কবে চেয়েছি, না ভবিষ্যতের জন্যে চাচ্ছি। আমিও তৌবা করছি। তৌবা তৌবা। তোমার চাইতে বেশি তৌবা। ডবল তৌবা।’ গুড্‌ডু ক্লাউনের মতো কান ধরে কয়েকবার ওঠবোস্ করল।

    ‘বাহ্, কারও জান যাচ্ছে, আর তুমি তাই নিয়ে করছ আমার সঙ্গে ফাজলামি। সারারাত ঘুম আসে না ভয়ে, তা তুমি জানো?’ বেগম একেবারে বাচ্চাছেলের মতো জোরে জোরে কাঁদতে আরম্ভ করে দিল।

    ‘এই নাও, এখন আবার কী হল? তুমি আমাকে পাগল করে ছাড়বে দেখছি।’ কান্না থামানোর চেষ্টাস্বরূপ গুড্‌ডু তাকে বুকের কাছে টেনে আনতে গেল।

    উফ্, মেরে ফেলল রে, মেরে ফেলল। তোমাকে-না বললাম, আমাকে ছুঁয়ো না। তোমার হাতের ছোঁয়া আমার গায়ে কাঁটার মতো বিঁধছে। তুমি যদি আমার মনে শান্তি দিতে চাও, তা হলে দোহাই তোমার, তুমি আমাকে ছুঁয়ো না।’

    ‘আশ্চর্য, তুমি আমাকে শুধু শুধু লজ্জা দিচ্ছ। যাই বলো, আমি যে জানোয়ার নই, এতদিনে অন্তত তোমার তা বোঝা উচিত ছিল। আমি তোমার মনে শান্তিই দিতে চাই। আমি চাই, তুমি সেরে ওঠো, সুস্থ হয়ে ওঠো।’

    ‘ছাই। তোমাকে আমি চিনি না মনে করেছ! একটুখানি ঢিলা দিলেই হল। তোমার কী। মরব তো আমি। আমার শরীরে একফোঁটা রক্ত নেই। কেমন করে যে বেঁচে রয়েছি, ভাবতেও অবাক লাগে। সারাক্ষণ মাথা ভোঁ ভোঁ করে। উঠতে গেলে ঘুরুনি, বসতে গেলে ঘুরুনি। এখন পর্যন্ত সোজা হয়ে হাঁটতে পারি না। পেটে ছুরির দাগ কোনওদিনও মিটবে না।’ আবার কাঁদতে শুরু করে দিল বেগম।

    এমনি সময়ে পাশের ঘরে বেবিরও কান্নার রব শোনা গেল।

    বেগম হাঁক ছাড়ল, ‘আয়া, বেবিকে নিয়ে এসো!’

    ‘আয়া, বেবিকে এনো না।’ তারও চাইতে জোরে বলল গুড্‌ডু।

    ‘কেন অত দেমাক দেখাচ্ছ? দুধ দেব না বাচ্চাকে? না-খেয়ে মরবে নাকি? দুধ তো ছাই পায়!’ বিড়বিড় করে চোখ মুছল বেগম।

    ‘মরুক। মরলেই বাঁচি। বুকের দুধ কেন দেবে। ডাক্তারে বলেনি টিনের দুধ খাওয়াতে?’

    ‘মুখ সামলে কথা বলো, নইলে ভালো হবে না কিন্তু। আমার বাচ্চা কেন মরবে। যে ওর মৃত্যু চায়, সেই মরুক। অতটুকু বাচ্চার সঙ্গে তোমার এত হিংসামি কেন, শুনি?’

    ‘অমন বেহুদা ছেলে তো আমি কোথাও দেখিনি। সারারাত কাঁদবে, আর তোমাকে ঘুমোতে দেবে না। সেইজন্যেই তো তোমার মেজাজটা আরও তিরিক্ষি হয়েছে। শুকিয়ে শুকিয়ে কাঠ হচ্ছ।’

    ‘থাক, অত দরদ দেখাতে হবে না। শত্রু, হাড়-শত্রু, আবার দরদ দেখাচ্ছেন। আমি ওকে ন-মাস পেটে ধরেছি। তুমি কী বুঝবে তার জ্বালা। আর, থাকতে হত যদি হাসপাতালে, পেট কেটে বাচ্চা বের করতে হত যদি, তা হলে বুঝতে।’

    ‘এইজন্যেই তো বাঁদরটার ওপর আমার এত রাগ। বেটা নচ্ছার, মায়ের পেটে ছিলি কেন– বাপের পেটে থাকতে পারিসনি?’ গুড্‌ডু হাসি সংবরণ করতে পারছিল না।

    ‘দেখাও-না রাগ, যত পারো দেখাও। কিন্তু আমার তো ওই একটাই বাচ্চা, একটাই মানিক। এই মানিকটাই আমার জীবনের আশা-ভরসা। আমার চোখের মণি। কিন্তু আর আমি ছেলেমেয়ে চাই না। আবার আমাকে হাসপাতালে পাঠিয়ে মেরে ফেলতে চাও নাকি? আমি মরলে তোমার আর কী ক্ষতি। আর একটাকে ঘরে তুলবে। তাকে দিয়ে সেপাই-বাহিনী তৈরি করে নিও। যত খুশি।’ আবার ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে শুরু করল বেগম।

    গুড্‌ডু কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছে না, কী ভাষায় সে সমবেদনা জানাবে। সমস্যা হয়তোবা জটিল, কিন্তু তার সমাধান কঠিন নয়। নিজেই সে বিজ্ঞের মতো সমাধানের চেষ্টা করে যাচ্ছে নানাভাবে। কিন্তু তার প্রত্যেকটি কথারই উল্টো অর্থ করছে বেগম।

    ততক্ষণে চা ঠাণ্ডা পানি হয়ে গেছে। চা আর খাওয়া হল না। কাজেই গুড্‌ডু একটা সিগারেট ধরাল। সিগারেটে দ্রুত কয়েকটা টান দিয়ে ভাবতে লাগল। কত সাধ বুকে পুষে অফিস থেকে সে বাসায় ফিরেছিল। কিন্তু বিকেলটা একদম মাটি হয়ে গেল। এইসব কথা ভাবতে ভাবতে সে নিজের চুলে আঙুল বুলোতে লাগল।

    ‘ব্যস্, এখন মুখ ভার করে বসে পড়লেন।’ বেগম আবার বাণী বর্ষণ আরম্ভ করে দিল। ‘আমার কথা বুঝবে কেমন করে তুমি। যাক। আমি তোমাকে ঠেকিয়ে রাখতে চাই না। আমি জানি, এই অবস্থায় তুমি আমার ওপর খুশি হতে পারো না। তুমি কেন, কোনও পুরুষই পারবে না। আমার কপাল মন্দ। আমি হতভাগী। তুমি আর একটা বিয়ে করে নাও। আমি তোমার বাড়ির এককোনায় আমার ছেলেকে নিয়ে পড়ে থাকব। তুমি খুশি থাকলেই আমিও খুশি।’ বেগমের রুগ্ণ চেহারায় যেন রাশি রাশি অভিমানের আলো ঝিলিক দিয়ে গেল।

    ‘শোনো কথা! আশ্চর্য মেয়ে তুমি। তুমি নিজেই নিজেকে কষ্ট দিয়ে কী মজাটা পাচ্ছ! এই সময় আমার আবার বিয়ে করার প্রশ্ন উঠল কেমন করে!’

    উঠতে আর বাকিই-বা থাকল কোথায়। ন্যাকা সাজবার চেষ্টা কোরো না। অকেজো একটা বউ নিয়ে তুমি কদিনই-বা ঘর করবে। এ প্রশ্ন আজ না-উঠলেও একদিন উঠবে। তুমি হলে পুরুষজাত। দয়ামায়া বলে কি কোনও জিনিস আছে তোমাদের মধ্যে!’

    ‘আশ্চর্য, দু বছর আগে যখন বিয়ে করিনি, তখন বুঝি আমি মরে যাচ্ছিলাম।’

    ‘হুঁহু, তখনকার কথা আর এখনকার কথা এক নাকি?’

    ‘কেমন করে বোঝাই বলো তোমাকে। বলছি, এসব কথা ভেবো না। রাত-দিন এই চিন্তা করো বলেই তো তোমার রক্ত শুকিয়ে যাচ্ছে।’

    ‘করব-না চিন্তা! আমার কী অবস্থা, তা আমিই জানি। একদিকে বছর বছর- ইয়ে, আর অন্যদিকে

    ‘বছর বছর ছেলেমেয়ে কে চেয়েছে। আমি কি চেয়েছি নাকি যে, বারে বারে এককথা শুনিয়ে যাচ্ছ? আমি বলছি, আমি আর ছেলেমেয়ে চাই না, চাই না, চাই না– এখন হয়েছে তো।’

    ‘তুমি না-চাইলেও ছেলেমেয়ে হতে পারে। আর, আমার তাতেই মৃত্যু। হবে না বললেই হয় না। কোনও গ্যারান্টি নেই। ‘

    ‘গ্যারান্টি নেই? তা হলে সায়িন্স কীজন্যে এসেছে?’

    ‘অসম্ভব। তুমি আমাকে বোকা বানানোর চেষ্টা কোরো না।’

    ‘আচ্ছা, বেশ। এসো, আমরা তা হলে প্রতিজ্ঞা করি। আমরা দু জন বন্ধুর মতো জীবন-যাপন করব। এখন হয়েছে তো?’ যেন স্বর্গীয় প্রকৃতির বাণী ছাড়ল সে, যার ওপর আর কোনও কথা চলতে পারে না। বলেই সে খুব জোরে হাত চেপে ধরল বেগমের

    ‘আবার! আবার আমাকে ছুঁলে! একটু আগে কী বলেছ?’

    ‘কেন, বন্ধু বন্ধুকে ছুঁতে পারে না নাকি?’

    ‘তা হলে থাক, অমন বন্ধুত্বে আমার কাজ নেই। ছোঁয়াছুঁয়ির বন্ধুত্বকে আমার ভয় লাগছে।’

    ‘নিশ্চিন্ত থাকো বন্ধু, কোনও ভয় নেই। আমরা প্রাগৈতিহাসিক যুগের মানুষ নই। আজকে ছোঁয়া মানা। কালকে এক ঘরে থাকা মানা। পরশু বলবে, আমি তোমাকে পর্দা করে চলব। আমাকে বিশ্বাস করো, অত সন্দেহপ্রবণ হয়ো না।‘

    ‘বেশ, তা হলে প্রতিজ্ঞা করো।‘

    ‘প্রতিজ্ঞা করলাম। তোমাকেও একটা প্রতিজ্ঞা করতে হবে।’

    ‘কী?’

    ‘যে, সময়মতো ওষুধ খাব। ভালোভাবে খাওয়াদাওয়া করব। প্রত্যেক দিন তোমার সঙ্গে বেড়াতে বেরুব। কোনও দুশ্চিন্তা করব না। ইত্যাদি ইত্যাদি।’

    ‘অর্থাৎ, আমি আজকাল পাগল আছি, যেন তাড়াতাড়ি মাথাটা ঠিক হয়ে যায়, তাই না? তার পর যেন বেশ ভালোভাবেই আমাকে নিয়ে

    ‘না, কক্ষনো না। আর একটা কথা। বেবিকে নিয়ে বেশি মাথা ঘামিও না। এখন থেকে অত আদর করলে একদম বিগড়ে যাবে। বড় হলে কোনও কাজের ছেলে হবে না।

    ‘বা বা, এখন তুমি মা-ছেলের ব্যক্তিগত ব্যাপারে অনাবশ্যক অনধিকার চর্চা করছ। আমার ওই একটাই ছেলে। ওর কোন্‌টা ভালো, কোন্‌টা মন্দ, তা আমি ভালো করেই জানি।’

    ‘তা হলে বাপ বুঝি ছেলেকে ভালোবাসে না?’

    ‘বাসে কি না-বাসে, কে জানে। তবে মায়ের মতো নয় নিশ্চয়। ন’মাস পেটে ধরে যদি ভালোবাসতে পারতে, তবেই হত ভালোবাসা। তোমার কথায় আমার কলজেটা ফেটে যাচ্ছে।’ বেগম আবার ফোঁপাতে আরম্ভ করল।

    ‘এই নাও, আবার শুরু হয়ে গেল। আমি মাফ চাচ্ছি। যত খুশি আদর করো, ওর বারোটা বাজাও, আমি আর কিছুই বলব না। সত্যিই তো, আমি যখন ন’মাস পেটে ধরিনি, তখন ওকে ভালোবাসার আমার কী অধিকার।’

    ‘এ-পর্যন্ত ভালোবাসার কী পরিচয় দিয়েছ শুনি। বলেছিলাম, একটা প্যারামবুলেটার কিনে দাও, বেবিকে বেড়াতে নিয়ে যাব। সবসময় কোলে করে নিয়ে বেড়ালে ছেলের অভ্যাস খারাপ হয়ে যাবে। কিন্তু দিয়েছ কিনে আজ পর্যন্ত? আজকে নাহয় আয়া আছে। ওর কী ভরসা। কালকে যদি চলে যায়, তখন আমাকেই তো নিয়ে টেনে টেনে বেড়াতে হবে। হবে কি না, বলো?’

    ‘আমি কি আর দেব না বলেছি, না দিতে চাইনি? এ মাসের বাজেট টাইট। তাছাড়া, সময় পাচ্ছি কোথায়। দশটা-পাঁচটা অফিস করি, তার পর ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফিরি। কখন কিনব বলো। তা তুমিও তো পারতে একটা প্যারামবুলেটার কিনে আনতে। আনোনি কেন?’

    ‘হ্যাঁ, একেই বলে ভালোবাসা। সত্যিকারের ভালোবাসা হলে সময়ের অভাব হত না। আমি রুগী মানুষ, আর আমাকেই ঠেলতে চাও বাজারে। হ্যাঁ, শেষপর্যন্ত আমাকেই আজকে যেতে হল বাজারে প্যারামবুলেটার খুঁজতে।’ বেগমের চোখ আবার ভিজে এল।

    ‘ও, তাই বলো। বাজার গিয়েছিলে, সেইজন্যে ফিরতে এত দেরি। তা প্যারামবুলেটার আনলে না কেন? দেখে রেখে এসেছ বুঝি পছন্দ করে! ঠিক আছে, পয়লা তারিখে গিয়ে নিয়ে আসব, কেমন?’

    ‘তোমার সব কাজ পয়লা তারিখে।’

    বেগমের কথায় আর কান না দিয়ে গুড্‌ডু হাঁক ছাড়ল, ‘আয়া, বেবিকে নিয়ে এসো, আমি ওকে ভালোবাসব।’ ভালোবাসার যেন অনেক স্টক জমা হয়ে গেছে, তাড়াতাড়ি খালাস করতে চায় সে।

    খুশিতে বত্রিশ পাটি দাঁত বের করে আয়া এল একটা প্যারামবুলেটার ঠেলতে ঠেলতে, তার মধ্যে বাচ্চা।

    ‘আচ্ছা, তাই বলো, কিনে ফেলেছ!’ বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গুড্‌ডু একেবারে দাঁড়িয়েই পড়ল। ‘আহা, এরকম বউ ক-জনের ভাগ্যে জোটে। যার জোটে, তার ঘর স্বর্গতুল্য।’ ছেলেকে কোলে নেওয়ার জন্য সে হাত বাড়াল। কিন্তু বাপের কোলে গিয়ে সে বেজায় চিৎকার করে কাঁদতে লাগল। তার পর মায়ের কোলে মায়ের গায়ের গন্ধ শুঁকে সে চুপ করল কোঁ-কোঁ করে।

    চতুর্দিকে ঘুরে ঘুরে প্যারামবুলেটার দেখতে লাগল গুড্‌ডু। আঙুল দিয়ে ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখল। হাতল ধরে ঠেলা মেরে দেখল। স্প্রিঙের গতিতে চাপ দিয়ে দেখল।

    ‘ভারি সুন্দর তো। কত পড়ল?’

    যার কাছে জানতে চাওয়া, সে ছেলেকে দুধ খাওয়াচ্ছে তন্ময় হয়ে। কাজেই উত্তর এল আয়ার কাছ থেকে। ‘একশো চল্লিশ টাকার গাড়ি কিনলেন বেগম সায়েব। আমি বললাম, পঞ্চাশ টাকা দিয়ে এই ছোট গাড়িটা নাও। তা উনি বললেন, একদম ছোট্ট চেয়ার বলে মনে হচ্ছে। তখন আমি বললাম, মাঝারি নাও চার কুড়ি টাকা দিয়ে। তা-ও উনার পছন্দ হল না। উনি বললেন, এতেও তো একটামাত্র বাচ্চা বসতে পারবে। দুটো হলে তখন তো দুজনে ঝগড়া বাধবে কি না, বলো। বড়টা জেদ করবে, ছোটটাকে মারতে যাবে, তখন? আমি বললাম, তা ঠিক বলেছ বেগম সায়েব। তার পর, উনি বললেন, বড় দেখে নাও, যেন একসঙ্গে দু-তিনটে বেবি বসতে পারে।’

    গুড্‌ডু প্রথমে অবাক হল। তার পর, সামলে নিয়ে হাসবার চেষ্টা করল। তার পর, ফিফিক্ করে হেসে ফেলল। তার পর, হঠাৎ বিকট জোরে অট্টহাসি জুড়ে দিল ছাদ ফাটিয়ে।

    সংযুক্ত কায়দায় বেবিকে দুধ খাওয়াচ্ছিল বেগম। গুড্‌ডুকে এই প্রথম তার এত অনবদ্য, এত প্রিয়, এত খাঁটি বলে মনে হল –নীল সমুদ্রের কিনারায় একঝাঁক সাদা ফেনার মতো শুভ্র, পবিত্র।

    অনুবাদ : নেওয়ামাল বাসির

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমার বোকা শৈশব – আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
    Next Article এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে – আবদুল্লাহ আল-মুতী

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }