Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শ্রেষ্ঠ উর্দু গল্প – সম্পাদনা : শহিদুল আলম

    লেখক এক পাতা গল্প766 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৫.০৭ সুলতান – আহমদ নদিম কাস্‌মি

    সুলতান – আহমদ নদিম কাস্‌মি

    দাদার বাঁ হাতের পাঞ্জার নিচে সুলতানের মাথা, আর ডানহাতে লাঠি। এই লাঠি পাকা ফুটপাতের উপর ঠুকে ঠুকে সে এলোপাতাড়ি শব্দ সৃষ্টি করছিল।

    সুলতান যেই একটু থামল, দাদা অমনি বলতে লাগল, ‘বাবুজি, অন্ধ মিস্কিনকে দুটো পয়সা খয়রাত-‘

    ‘না, না, দাদা, বাবু নয়।’ সুলতান বলল, ‘ভেল্কির খেল হচ্ছে।’

    ‘হেঁহ, ভেল্কির খেল হচ্ছে। তোর– ‘ জিবের ডগায় একটা খারাপ কথা এসে গিয়েছিল, কিন্তু ঠিক সেই সময় ফুসফুস থেকে জোর একটা কাশির ধাক্কা ঠেলা দিয়ে উঠল। সুলতানের মাথা থেকে সরিয়ে নিয়ে হাতটাকে বুকে রেখে দীর্ঘ কাশির দমকে ডুবে গেল দাদা।

    দাদার শ্বাসনালী পরিষ্কার হতে হতে যে সময়টুকু চলে গেল, সেই সময়ের মধ্যে ভেলকির পুরো একটা খেল দেখে নিতে পারল সুলতান। ঝুড়ির মধ্যে ময়লা ন্যাকড়া রাখা ছিল- ভেল্কিঅলা সেই ন্যাকড়াকে যখন দুই-দুটো মোটা মোটা পায়রা বানিয়ে ফেলল, তখন উপস্থিত দর্শকমণ্ডলী হাততালি দিয়ে উঠল। আত্মহারা, তন্ময় সুলতানও যোগ দিল সেই হাততালিতে।

    দাদা আবার বাঁ হাতটা মাথার উপর রাখতে গিয়ে মাথা খুঁজে পেল না। ‘কোথা গেলি রে তুই?’

    সুলতান দৌড়ে এসে হাতের নিচে মাথা রাখল। তারপর, আবার চলতে লাগল দাদাকে নিয়ে।

    চলতে চলতে একসময় দাদার লাঠিতে বিদ্যুতের খুঁটি বেজে উঠল। সুলতান বলল, ‘শুনেছ, দাদা, থামটা কেমন বেজে উঠল?’

    ‘হুঁ।’ দাদা থামল। খুঁটির উপর দাদা আর একটা বাড়ি মারল লাঠির। কিন্তু বাড়িটা

    বেজায়গায় লেগে ফসকে গেল।

    সুলতান বলল, ‘আমাকে দাও।’ সুলতান দাদার হাত থেকে লাঠিটা নিয়ে জোরে জোরে বিদ্যুতের খুঁটির উপর বাড়ি মেরে বাজনা বাজাতে লাগল।

    ‘দেখেছিস, কেমন বাজনা!’ দাদা ছেলেমানুষি জুড়ে দিল সুলতানের সঙ্গে। ‘যখন আমি তোর মতো ছোট ছিলাম, থামে কান লাগিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতাম। তখন থামের ভেতর থেকে মেম সাহেব ইংরেজিতে কথা বলত। ইউ গুড, ইউ ব্যাড

    ‘থামের ভেতরে মেম সাহেব কথা বলত?’ সুলতান অবাক হয়ে গেল। ‘তখন না-হয় মেম বলত, আর এখন কে বলে, দাদা?’ তারপর, হঠাৎ সুর পালটে ফিসফিস করে বলল, ‘দাদা, দুজন বাবু আসছে।’

    দাদা তাড়াতাড়ি আওড়াতে শুরু করে দিল, ‘ও বাবু, অন্ধ মিস্কিনকে দুটো পয়সা খয়রাত দিয়ে যাও। আল্লা তোমার চাকরিতে তরক্কি দেবেন, বাবা। সকাল থেকে রুটি খাওয়া হয়নি, বাবা। আল্লা তোমাকে ছেলে দেবেন, পোতা দেবেন; তুমি সুখে থাকবে, বাবা। গরিব মিস্‌কিনকে–‘

    এক বাবু অট্টহাসি দিয়ে উঠলেন, ‘বুড়োটা দেখছি পরিবার পরিকল্পনার বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা চালাচ্ছে হে।’ তারপর হাসতে হাসতে চলে গেলেন তাঁরা দুজন।

    ‘চলে গেল।’ সুলতান আস্তে করে বলল কথাটা। কিছুক্ষণ থেমে সে জোরে একটা গাল দিয়ে দিল বাবু দুজনকে।

    দাদা সুলতানের মাথায় চাপ দিল বাঁ হাতের। ‘আবার মুখ খারাপ করলি তুই? কাল তোকে কী বলেছিলাম রে, শুয়োর। কেউ যদি শুনে ফেলে, কল্লাটা তোর ছিঁড়ে উল্টোদিকে বসিয়ে দেবে, বুঝেছিস?’

    সুলতান চুপচাপ চলতে লাগল। কিছুক্ষণ পর বলল, ‘আমার মাথায় তোমার বুড়ো আঙুলটা যেখানে আছে না, ঠিক ওইখানকায় একটু চুলকে দাও তো, দাদা।’

    দাদা কানের ওপাশ থেকে শুরু করে ওপাশ পর্যন্ত সারা মাথায় জোরে জোরে চুলকে দিল। ‘সুলতান, কী ব্যাপার, আজকে যে তুই থামতেই চাস না। বাবু-টাবু কেউ কি যাচ্ছে না রে?

    ‘না, দাদা।’

    ‘বাবুরা সব আজ গেল কোথায়, বলতে পারিস?’

    ‘মরেছে বোধহয়।’ তারপর, হঠাৎ থেমে পড়ে জিগ্যেস করল, ‘আজকে কী দাদা?’

    ‘তা আমি কেমন করে বলব রে! তুই মনে করে রাখতে পারিস না? আমার কাছে তো দিন-রাত সব সমান, তা জানিস না নাকি?’ কিছুক্ষণ চিন্তা করে দাদা আবার বলল, ‘পরশু তুই আমায় নীলা মসজিদ নিয়ে গিয়েছিলি না? পরশু জুম্মার দিন ছিল না? তাহলে তো আজকে রোববার রে। রোববারটা দেখছি এক্কেবারে সর্বনেশে দিন রে, সুলতান। বাবুরা আজকে বিবি-বাচ্চাদের নিয়ে বাড়িতে বসে খেলা করছে, বুঝেছিস?’

    সুলতান দাঁড়িয়ে থাকল। একটু পরে টিনের বাটিতে টুন করে একটা শব্দ হল।

    ‘কী পড়ল রে সুলতান? কত?’

    ‘এক পয়সা, দাদা। টেডি এক পয়সা।’

    সুলতানের মাথায় পাঞ্জাটা দাদা ঘোরাল। সুলতানকে নিজের দিকে করে নিয়ে বলল, ‘যা, ওইটা নিয়ে কিছু কিনে খাগে যা। আমি এখানেই দাঁড়িয়ে থাকছি।’

    ‘এক পয়সা দিয়ে কিছুই পাওয়া যায় না, দাদা। কিচ্ছু না। আরো তিন-চারটে হলে হয়তো আখের গোল্লা পাওয়া যেতে পারে।

    পকেটে হাত ঢুকিয়ে দাদা আরো কয়েকটা পয়সা বের করল। ‘এই নে। কিছু কিনে খেয়ে আয়। সকাল থেকে তো কিছুই খাসনি। বাচ্চাদের ক্ষিদে আবার বুড়োদের চাইতে বেশি! যা।’

    সুলতান পয়সা নিয়ে দৌড় মারল।

    দাদা আবার বলল, ‘তাড়াতাড়ি ফিরিস কিন্তু। আমি কোথায় দাঁড়িয়ে আছি রে সুলতান?’ সুলতান আবার ফিরে এল। ‘আর একটু বাঁ দিকে সরে দাঁড়াও দাদা।’ সুলতান হাত ধরে সরিয়ে দিল দাদাকে। ‘এই থামটার সঙ্গে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে থাক

    সুলতান চলে গেল। আর, দাদা থামের সঙ্গে কান লাগিয়ে কী যেন শোনার চেষ্টা করতে লাগল। শুনে শুনে মুচকে মুচকে হাসল সে। এইভাবে কেটে গেল অনেকক্ষণ। সুলতান আসছে না কেন? দাদা হাঁক ছাড়ল, ‘সুলতান ও সুলতান! ও হারামজাদা শুয়োরের বাচ্চা, মরলি নাকি?’ কোনো জবাব এল না। তারপর, এদিক-ওদিক ঘুরে ঘুরে রাস্তার লোকদের সম্বোধন করল, ‘ও ভাই, ও বাবু, আমার পোতাটা এইদিক দিয়ে গেল কিছু কিনতে। সুলতান নাম। টাঙার নিচে, মটরের নিচে গিয়ে পড়ল না তো হতচ্ছাড়াটা। ও সুলতান, সুলতান!

    ‘আসছি, দাদা।’ দূর থেকে সুলতানের গলা শোনা গেল।

    কিন্তু ঠিক তেমনি সময়ে আবার কাশি উঠল দাদার। কাশির দমক কমলে মুখ ফিরিয়ে যেন সে থামটাকেই জিগ্যেস করল, ‘কোথায় গিয়েছিলি রে মরতে?’

    সুলতান নিজে নিজেই দাদার বাঁ-হাতটা নিয়ে তার মাথায় চাপাল। ‘ভেল্কির খেল হচ্ছিল, দাদা?। পেটের ভেতর থেকে গুলি বের করছিল টেনে টেনে। আমার পেট থেকেও একটা বের করল।’

    পাঁচ আঙুলের ডগা দিয়ে দাদা সুলতানের মাথাটাকে এমনভাবে টিপে ধরল, যেন সে তাকে উপরে তুলে ফেলবে। ‘চল, ঘরে ফিরে চল। ওখানে গিয়ে তোকে আমি ভালো করে ভেল্কির খেল দেখাব। হারামজাদা, আমি যে দুচোখের কানা, রাস্তায় দাঁড়িয়ে থেকে থেকে পা দুটো যে পাথর হয়ে গেল, তা তোর একটুও মনে থাকল না রে, অ্যাঁ?’

    সুলতান কিছুই বলল না, হাঁটতে থাকল।

    কিছুক্ষণ পর শান্ত গলায় দাদা বলল, ‘কী খেলি রে, ছোঁড়া?’

    ‘আখের গোল্লা।’

    ‘আখের গোল্লা! আখ আবার একটা খাবার জিনিস হল রে, অ্যাঁ! ও তো একদম পানি। ছোলাভাজা কিনে খেতে পারলি না– সারাদিন পেটে থাকত।

    সুলতান কিছু বলল না, চুপচাপ হাঁটতে থাকল।

    দাদা আবার বলল, ‘বাটিটা হাতে ঝুলিয়ে রেখেছিস নাকি রে, সুলতান?’

    ‘না, দাদা।’

    ‘খবরদার, ঝুলিয়ে রাখবি না। উঁচু করে ধরে থাকবি, ঝুলিয়ে রাখলে লোকে ভাববে, ভিখিরি নয়, সওদা করতে যাচ্ছে।’

    এ-কথায় স্মৃতি কপচানোর ইচ্ছা হল সুলতানের। মনে আছে-না দাদা, একবার বাটিতে করে তেল আনতে যাচ্ছিলাম দোকানে। বাটিটা তোলা ছিল বলে এক বাবু বাটিতে একটা দুয়ানি ফেলে দিল, না দাদা?’

    ‘তা দুয়ানিটা কী করলি?’

    ‘কেন, তোমাকে দিয়ে দিলাম, মনে নাই বুঝি?’

    ‘হ্যাঁ, পয়সা পেলেই দিয়ে দিবি আমাকে, বুঝেছিস? পয়সা বাজে খরচ করা খুব খারাপ।’

    ‘দাদা!’

    ‘কী, বল?’

    ‘আমার মাথাটা একটু চুলকে দাও তো– ঠিক তোমার বুড়ো আঙুলটার কাছে।’

    দাদা থেমে গিয়ে জোরে জোরে সুলতানের মাথা চুলকে দিল। তারপর বলল, ‘ঘরে ফিরে জেবুকে বলব, তোর মাথার উকুন বেছে দেবে। তুইও ওর কোনো কাজ করে দিস, কেমন?’

    ‘আচ্ছা’।

    কিন্তু ঘরে ফিরলে আর উকুন বাছার কথা জেবুকে বলতে মনে থাকে না দাদার। এটা রোজকার ব্যাপার। ঘরে ফিরলে রোজই খাঁটিয়ার উপর বসে দাদা প্রথমে একটু হাঁপ ছাড়বে। লাঠিটাকে খাঁটিয়ার কোণায় পায়ার সঙ্গে ঠেকিয়ে রাখবে।

    আর, সুলতানের মাথা থেকে দাদার হাতটা যখন সেদিনের মতো নেমে আসবে, সুলতানের তখন মনে হবে, যেন তার মাথাটা একেবারেই হাল্কা হয়ে গেছে। চুপি চুপি পা টিপে টিপে সে বাইরে বেরিয়ে পড়বে। জেবু খালা যেন দেখতে না-পায়, সেদিকেও তার খেয়াল থাকা চাই। একবার বেরুতে পারলেই হাল্‌কা মাথা নিয়ে চোঁ চোঁ দৌড়। এক দৌড়েই বাংলো দিয়ে ঘেরা মাঠটায় গিয়ে পৌঁছাবে সে। সেখানে বড়লোকের বাচ্চারা ক্রিকেট খেলে, আর গরিবের বাচ্চারা দূরে চলে-যাওয়া বল কুড়িয়ে এনে দেয়। তারপর, বড়লোকের বাচ্চারা যখন খেলাশেষে মাঠ খালি করে দিয়ে চলে যায়, তখন বেয়ারা, চাপরাসি, খানসামা আর মেথরের বাচ্চারা কাঁচের গুলি খেলতে আরম্ভ করে দেয় সেই মাঠে

    সুলতানও একবার চেষ্টা করেছিল এই খেলায় যোগ দিতে। কিন্তু মেথরের বাচ্চা প্রকাশ করে দিয়েছিল, ওটা তো ভিখিরির বাচ্চা। কাজেই সুলতান আর খেলবার সুযোগ পায়নি। কিন্তু কাঁচের গুলি অনেক দূরে চলে গেলে দৌড়ে গিয়ে সে কুড়িয়ে আনে সেটা, আর যার জিনিস তাকে ফেরত দেওয়ার আগে গুলিটাকে সে আঙুলের ডগায় ভালো করে নেড়েচেড়ে দেখে নেয়।

    একদিন সে অনেক কান্নাকাটি করে দাদার কাছ থেকে কয়েকটা পয়সা নিয়ে কাঁচের গুলি কিনেছিল কয়েকটা। কিন্তু সেই গুলি নিয়ে যখন সে বড় সাধ করে মাঠে গেল খেলতে, তখন বেয়ারা, চাপারাসি, খানসামা আর মেথরের বাচ্চারা সুলতানের ওপর চিলের মতো ঝাঁপটা মারল, আর ভিখিরির বাচ্চারা সব গুলি কেড়ে নিয়ে গেল। সুলতান অনেক কাঁদল, কিন্তু গুলি সে ফেরত পেল না আর।

    সুলতান তবু ফাঁক ফেলেই ওই মাঠে যায়। মাঠে যাওয়া একটা নেশার মতো। মাঠটা যেন তাকে চুম্বকের মতো টানে।

    আর, মাঠে এলে ফিরতে ইচ্ছে করে না সুলতানের। দাদার হাতের পাঞ্জাটাকে সে একেবারেই সহ্য করতে পারে না। সেই হাতে রস নেই, কষ নেই। শক্ত। শুকনো কাঠের মতো। সেই কাঠে কী ধার। সুলতানের মগজের ভেতরে যেন সেটা কেটে বসে যেতে চায়। সুলতান জানে, সকাল হলেই তাকে উঠতে হবে। উঠে মাথার উপর চাপিয়ে নিতে হবে হাতের পাঁচটা আঙুল। আঙুল নয়, যেন লোহার পাঁচটা শলা।

    ঘুমিয়ে থাকলেও দাদার হাত মাথার উপর টের পায় সুলতান। হাতটা যেন একটা পিঞ্জর, আর সুলতানের উকুনে-ভরা-মাথাটা একটা পাখি। পিঞ্জর থেকে বেরিয়ে পালিয়ে যাওয়ার কোনো উপায় নেই তার।

    রাস্তা দিয়ে দাদাকে নিয়ে যখন চলে, তখন মনে হয়, কয়েদ খাটতে যাচ্ছে সে, সেপাই হাত-কড়া দিয়ে চোরকে বেঁধে নিয়ে গেলে চোরের না-গিয়ে যেমন কোনো উপায় থাকে না, সুলতানেরও না-গিয়ে তেমনি কোনো উপায় নেই।

    দাদা আখ খেতে নিষেধ করে, কিন্তু আখের দিকেই তার টান বেশি। আখঅলার ঠেলাগাড়ি থেকে দু-একটা গোল্লা গড়িয়ে নালায় পড়লে সে ছুটে গিয়ে কুড়িয়ে এনে মজা করে খায়। দাদাকে নিয়ে পথ চলতে চলতে পায়ের কাছে বাবুদের-ফেলে দেওয়া কলার খোসা চোখে পড়লে কুড়িয়ে নেয়। সেই খোসাতে ইঁদুরের মতো দাঁত বসিয়ে মজ্জা বের করে আনে। বাদামের খোসা পেলে তুলে নিয়ে দেখে, আস্ত, না, ছাড়ানো।

    রাস্তা দিয়ে চলতে চলতে নানাভাবে ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা কম করে না সুলতান। কিন্তু সুলতানের মাথায় রাখা আঙুলের ডগা দিয়েই দাদা অনেক আগে টের পেয়ে যায় সুলতানের ফন্দি। কখনো বকে, গাল দেয়। কখনো বোঝায়। বলে, ‘আমি মরলেই তোর ছুটি, তখন তুই যা-খুশি করে বেড়াবি। লোকের হাতে কত মার খাবি। তখন তুই নিজে নিজেই বুঝতে শিখবি, কোনটা ভালো, কোনটা খারাপ। কিন্তু যদ্দিন না-মরছি, তোকে ছাড়া আমি ভিখ করব কেমন করে, বল। দিন পোয়ালে চারটি গণ্ডা পয়সা জেবুর হাতে তুলে না-দিলে রুটি খাবি কী দিয়ে?’

    অনেকদিন আগের কথা, মেথরপট্টির পেছনে বেগু টাঙাঅলার গাড়ির নিচে দাদা-পোতায় জড়াজড়ি করে রাত কাটাত। একদিন সাহেবপাড়া থেকে ভিক্ষা করে ফিরছিল। বেগুর মা জেবু এসে সামনে দাঁড়াল। ‘ফকির বাবা, আল্লার কাছে একটু দোআ করে দাও, আমার বেগুর যেন অসুখ সেরে যায়। এক টাকা মানত করেছি ফকির বাবা, আমি তোমাকে দেব।’

    দাদা ওইখানেই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দু’হাত তুলে দোয়া করল।

    আবার ক’দিন পর দাদা সুলতানকে নিয়ে ভিক্ষা করে ফিরছিল। জেবু সামনে এসে দাঁড়াল। দাদার হাতে একটা টাকা দিয়ে বলল, ‘ফকির বাবা, তোমরা বাইরে পড়ে থাক আমার ছেলে বলছিল, ওতে আমাদের পাপ হয়। তোমরা আজ থেকে আমার এই কুঁড়েঘরেই থাকবে।’

    সেদিন থেকে ওরা জেবুদের কুঁড়েঘরে এক কোণায় জায়গা পেয়ে গেল। ওরা দিনমান ভিক্ষা করে যা পায়, জেবুর হাতে তুলে দেয়। বিনিময়ে জেবু ওদের রুটি খেতে দেয় দু’বেলা!

    সুলতান যে কেবল দাদাকে দেখতে পারে না, তাই নয়– জেবু খালাও দু’চাখের বিষ দাদাকে ঘরে তুলে খেলার মাঠে রওনা দেওয়ার সময় ধরা পড়লে পড়তে হয় এক জেবু খালারই হাতে। আর, ধরা পড়লে অমনি জেবু খালা বলবে, ‘দেখেছ, বাবু এখন খেলতে চললেন। বুড়ো, অন্ধ, দাদাটাকে একলা ফেলে রেখে খেলতে যাওয়া– এ কেমনধারা আক্কেল বল দেখিনি?’

    তাই শুনে দাদাও হয়তো অমনি বলে বসবে, ‘ওরে সুলতান, যাসনে ভাই। তার চাইতে চল, চৌরঙ্গিতে একটা চক্কর দিয়ে আসি। দুটো পয়সা বেশি পেলে কালকে তোর ছুটি।’

    কিন্তু সুলতান জানে, ছুটি সে কোনোদিনই পাবে না। দুটো পয়সা বেশি পাওয়াও হয় না, ছুটিও মেলে না।

    তবে ক’দিন থেকে দাদার হাঁপানিটা বেড়েছে। এই হাঁপানি যেদিন মাঝরাত্রে শুরু হয়, সেদিন বেলা উঠলেও শেষ হয় না। কাশতে কাশতে দম আটকে আসে। সেদিন আর ভিক্ষা করতে বের হয় না তারা।

    কিন্তু সুলতানের তবু ছুটি নেই। সারাদিন বসে বসে সে দাদার পিঠ আর বুকে মালিশ করে, পাছা আর মাজা টিপে দেয়। তাতে অল্প খানিক আরাম হয় দাদার। সুলতানের হাত থেমে গেলে দাদা কাশির দাপট আটকে রেখে বহু কষ্টে টেনে টেনে বলে, ‘কি সুলতান, মরলি নাকি?’

    সুলতান সঙ্গে সঙ্গে আবার টিপতে শুরু করে দিয়ে মনে মনে বলে, তুই মর, দাদা। কী মজাই-না হয় তুই মরলে— খোদার কসম। আল্লা আল্লা করে তুই মর, এখনই মর। তাহলে আমি সাহেবপাড়ায় গিয়ে সারাদিন মাথায় বাতাস লাগিয়ে কাটাতে পারি।

    তারপর, দাদা একদিন সত্যি সত্যি মরে গেল। সেদিন হাঁপানির টান খুব বেড়েছিল। সারারাত দুই হাঁটুতে মুখ গুঁজে সে টেনে টেনে কাশল। দাদার পিঠে মালিশ করতে করতে ঘুমিয়ে পড়েছিল সুলতান। আর দাদা কাশতে কাশতে দম আটকে মরে গেল।

    সকালবেলায় সুলতান যখন উঠল তখন জেবু কাঁদছিল। জেবু বলল, ‘তোর দাদা মরেছে রে।’

    ‘সত্যি?’ সুলতানের যেন বিশ্বাসই হতে চায় না। দাদারাও যে মরতে পারে, তা তো কোনোদিন সে শোনেনি। এখন সে শুনল। নিজের চোখে দেখল। দেখে যখন বিশ্বাস হল, দাদা মরেছে, তখন তার মনের বাগানে ফুলঝুরির ফুলকি ছুটল।

    বেগু টাঙাঅলা পাড়া-প্রতিবেশীদের ডেকে এনে জড়ো করল। দাদাকে নাইয়ে-ধুইয়ে কবর দিতে নিয়ে গেল তারা।

    সারাদিন জেবু খালা কাঁদল আর সুলতানকে কোলের কাছে টেনে নিয়ে মাথায় হাত বুলাল। বেগু টাঙাঅলা দাদাকে মাটি দিয়ে যখন ফিরল, সুলতানের হাতে তুলে দিল সে একমুঠো আখের গোল্লা। তাই সে সন্ধ্যা পর্যন্ত চিবোল আর চুষল। মনে মনে বলল, খোদার কসম, দাদা মরলে কত লাভ।

    রাত্রেও জেবু খালা সুলতানকে দাদার খাঁটিয়ায় শুতে দিল না। বাচ্চা ছেলে, রাত্রে ঘুম ভেঙে অন্ধকারে একলা ভয় পেতে পারে। সে নিজের কাছে বুকের সঙ্গে সুলতানকে জড়িয়ে ধরে ঘুম পাড়াল।

    সকাল হলে জেবু খালা জব্বর নাশতা খাওয়াল সুলতানকে। দইয়ের সঙ্গে গুড় মেশানো; তার সঙ্গে পুরো একটা বাসি রুটি। খেয়েদেয়ে সুলতান মনের ফুর্তিতে বাইরের দিকে পা বাড়াল।

    জেবু খালা জিগ্যেস করল, ‘কোথায় চললি, বাপ?’

    এই প্রশ্ন অদ্ভুত ঠেকল সুলতানের কানে। যেখানে খুশি যাচ্ছে সে। দাদা তো মরেই গেছে। তবে আবার কোথায় যাচ্ছে, তা জেনে কার কী লাভ?

    নীরব দেখে খালা বলল, ‘ছি বাবা, ভিখিরির বাচ্চার খেললে চলে!’ তারপর সে সুলতানের হাত ধরে ভেতরে নিয়ে এল। সেই হাতে তুলে দিল টিনের বাটি। ‘বাটিটাকে ঝুলিয়ে রাখিসনে যেন— উঁচু করে তুলে ধরবি। ঝুলিয়ে রাখলে লোকে ভাববে, ভিখিরি নয়, সওদা করতে যাচ্ছে।’

    সুলতান নীরবে তুলে নিল বাটিটা। বাইরে এসে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকল। তারপর, আবার ঘরে ফিরে এল এমনভাবে, যেন কোনো জিনিস নিতে ভুলে গিয়েছে। কিন্তু না। জেবু খালার সামনাসামনি হতেই খালাকে সে জড়িয়ে ধরল। খালার পেটের নিচে মুখ গুঁজে দিয়ে ডুকরে ডুকরে কাঁদতে লাগল সুলতান, আর ছটফট করতে থাকল তাকে জড়িয়ে ধরে।

    খালা বলল, ‘ভিখিরির বাচ্চা ভিখ না মাংলে খাবি কী? আজকে যদি তুই আট-দশ আনা আনতে পারিস, আমি তোকে খুশবু চালের ক্ষীর খাওয়াব দেখিস। আল্লার নাম নিয়ে বেরিয়ে পড়, বাছা– দেরি করিসনে।’

    কাঁদতে কাঁদতে চলে গেল সুলতান। কাঁদতে কাঁদতে গাড়ি-ঘোড়ার ভিড়ে বড় রাস্তার ধারে গিয়ে দাঁড়াল। কাঁদতে কাঁদতে টিনের বাটি মেলে সামনে। ‘বাবুজি, অন্ধ মিস্কিনকে দুটো পয়সা খয়রাত দিয়ে যাও। বাবুজি–‘ দাদার ভাষা তার মুখস্থ হয়ে গিয়েছিল। মুখস্থ বুলিই তার মুখ থেকে বেরিয়ে পড়ল আপনা-আপনি।

    ‘কী বললি? অন্ধ? তুই অন্ধ?’ পথচারী বাবুর কঠোর প্রশ্ন।

    সুলতান এই ভুল সঙ্গে সঙ্গে ধরে ফেলল। কেবল মাথা নাড়িয়ে জানাল, সে অন্ধ নয়। আর, ডুকরে ডুকরে কাঁদতে লাগল।

    ‘মিথ্যে বলছিস, আবার উল্টো কাঁদছিস?’

    এ যেন প্রশ্ন নয়– শাসন। এ শাসন বুঝি অনেক বেশি কড়া দাদার শাসনের চাইতে। সুলতান শাসনের কাছে মাথা নত করে দিল। কিছুই সে বলতে পারল না মুখ ফুটে।

    ‘চাকরি করবি? বাসার কাজ?’

    সুলতান কেবল কেঁদেই যাচ্ছে। এসব প্রশ্নের অর্থ জানা নেই তার।

    উত্তর না-পেয়ে বাবু চলে গেলেন।

    অমনি যেন সম্বিত ফিরে পেল সুলতান। ‘হেই বাবু, দুটো পয়সা দিয়ে যাও। আল্লার রাহে খয়রাত করে যাও, বাবু।’

    বাবু আবার ফিরে একবার তাকালেন। তারপর আবার হনহন করে চলে যেতে লাগলেন নিজের কাজে। সুলতান ভাবল, না-জানি আবার কী ভুল কথা বলে ফেলল সে।

    ‘হেই বাবু, হেই বাবুজি– ‘ সুলতান দৌড়াতে লাগল মরিয়া হয়ে তাঁর পিছু পিছু।

    বাবু থামলেন। ‘কি, চাকরি করবি নাকি, বল!’ আরো কিছু লোক জুটে গেল সেখানে।

    ‘বাবুজি… ‘হাঁপাতে হাঁপাতে সুলতান তাঁর সামনে গিয়ে দাঁড়াল। তার নিচের ঠোঁটটা ঝুলে পড়ল। ‘বাবুজি, ভিখ চাই না, চাকরি চাই না।’ টিনের বাটিটা সে পটকে দিল রাস্তায়।

    ‘তাহলে আমাকে ডাকলি কেন?’

    অপ্রতিরোধ্য, অজস্র বারিধারা সুলতানের দু’চোখের গহ্বরে ভিড় জমাল। তার ঠোঁট দুটো কাঁপতে লাগল থরথর করে। অনকে কষ্টে কেটে কেটে বলল, ‘বাবুজি, খোদায় আপনার ভালো করবে। আমার মাথায় হাত রেখে খানিকদূর আপনি আমার সঙ্গে চলতে পারবেন?’

    ‘শোনো কথা।’ চারপাশের ভিড় জমানো লোকদের পানে বোকার মতো চেয়ে

    থাকলেন ভদ্রলোক।

    অনুবাদ : নেয়ামাল বাসির

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমার বোকা শৈশব – আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
    Next Article এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে – আবদুল্লাহ আল-মুতী

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }