Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026

    আফ্রিকার লোকগল্প – অশোককুমার মিত্র

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হাউ টু টক টু এ্যানিওয়ান – লেইল লোনডেস

    লেইল লোনডেস এক পাতা গল্প328 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হাউ টু টক টু এ্যানিওয়ান – ৬

    অধ্যায় ছয়

    অত্যধিক প্রশংসা করার কার্যকারিতা

    প্রশংসার প্রতিষ্ঠনি

    বাচ্চারা নিজেদের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য সব রকমের প্রচেষ্টা চলিয়ে যায়। মা বাবার নামে ভালো কিছু বলে মন গলানোরও চেষ্টাটাও ওরা বাদ দেয় না।

    যেমন একটা বাচ্চা তার বাবার পায়ের কাছে বসে পড়ল, মুখ কালো করে বলল, ‘বাবা তুমি অনেক ভালো। আমি জানি ওই যে নতুন সেন্ডেলটা, ওটা তুমি আমায় কিনে দেবে।’

    অখবা মায়ের কাছেও একই ধরনের আবদার করে বসে, ‘আমু, তুমি পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো আমু। আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি। প্রিজ আমাকে একটা বার্গার কিনে দাও না। প্রিজ আমু।’

    বাচ্চারা এসব ক্ষেত্রে বিজয়ীর বেশে তাদের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। কে বা চায় তার বাচ্চা কাঁদুক?

    তুমি যখন কোনো একটা জিনিস কিনতে যাবে, বিক্রয়কর্মী তোমাকে সেই পণ্যের প্রশংসা করবে, তোমার রুচি নিয়েও সে খুব ভালো কিছু বলবে। এক্ষেত্রে বাচ্চা ছেলেদের মতো বিক্রয়কর্মীর সফলতা অতটা নেই।

    ক্রেতারা এখন ভালোই বোঝে, কে তার সুনাম করছে আর কে তার নামে চাটুকারিতা করছে। লেখক ডেল কার্নেগি তার নইতে উল্লেখ করেছেন, কারো কাছ থেকে কিছু আদায় করতে চাইলে শুরুতেই তার প্রশংসা করো।

    এই কথাটা গত শতক পর্যন্ত কাজে নাগলেও এই শতকে অকেজো হয়ে গেছে। লক্ষ লক্ষ মানুষ আজও এই আশায় বসে আছে যে, একটু মিথ্যা চাটুকারিতা দিয়ে তার ৰার্থ হাসিল করে নেবে। সময় বদলেছে, মানুষও বদলেছে। যুগ এগিয়েছে অনেক দূর। মিথ্যা প্রশংসা করে ৰার্থ হাসিল করতে গিয়ে তোমাকে আজকাল উন্টো ফলও ভোগ করতে হতে পারে। কেন না, মানুষ এখন অনেক সচেতন। তুমি মিথ্যা প্রশংসা করলে চট করে ধরে ফেলবে। তার মন গলে যাবার পরিবর্তে তোমার প্রতি খারাপ একটা মনোভাব জন্ম দেবে, যা তোমায় ছিটকে ফেলবে পরাজয়ের কুঠুরিতে। এজন্য তুমি মানুয়ের প্রশংসা করা বন্ধ করে দেবে? ভুল সিদ্ধান্ত। তোমার যা করতে হবে, তা হলো আরেকটু কৌশলী হতে হবে।

    ## অপটু প্রশংসার বাজে দিক

    তুমি হেসে যথেষ্ট ভদ্রভাবে কারো প্রশংসা করলে, অথচ তোমার প্রতি তার বিরূপ ধারণা তৈরি হলো! এজন্য বলা হয় যা কিছু করো নিখুঁত করো। আর মানুষের ৰারা নিখুঁত করাটাও ছাগল দিয়ে হাল চাষের থেকে কম নয়। তুমি প্রশংসা করছ, তোমার প্রশংসা করার ভেতরে দক্ষতা থাকতে হবে। শুনে যাতে কখনোই মনে না হয়, তুমি মিথ্যা চিড়া ভেজানো প্রশংসা করছ! আর তোমার প্রশংসা যদি কাজে লাগে, ধরে নাও তুমি ওই ব্যক্তির মন জয় করে ফেলেছ। যার মন জয় করেছে, সে তোমার পণ্যটা কিনবে না, এমনটা হতে পারে?

    ### সমাজবিজ্ঞানীরা গবেষণা করে ৩টা জিনিস পেয়েছেন।

    ১. একজন ‘নতুন ব্যক্তি’ যখন তোমার প্রশংসা করে, তুমি অন্য সময়ের চেয়ে বেশি খুশি হও।

    ২. সুন্দর মানুষরা এমনিতেই প্রশংসা বেশি পেয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে যেকোনো একজন ব্যক্তি যার চেহারা অতটা সুন্দর নয়, তাকে প্রশংসা করলে বুঝতে পারবে, সে খুশিতে আত্মহারা হয়ে গেছে। এক্ষেত্রে একটা সতর্কতা রয়েছে। সেই ভদ্রলোক তোমার পরিচিত হওয়া চলবে না।

    ৩. এমন প্রশংসা করলে যে শ্রোতা সন্দেহ করছে সেক্ষেত্রে তোমার জন্য শূন্য ফল ছাড়া কিছুই থাকবে না। বিপরীতে শ্রোতাকে যদি বিশ্বাস করাতে পারো, যা বলেছ সত্য বলেছ, তবে ওটা শ্রোতার মনে দাগ কাটবে। সে তোমাকে আরো বেশি পছন্দ করবে।

    এই অধ্যায়ে আমরা জানবো কীভাবে এবং কোন কোন কৌশল ব্যবহার করে আমরা অন্যের মন জয় করতে পারি।

    পর্ব ৫১

    বার্তাবাহকের মর্যাদা

    তাদের আন্দাজ শক্তি বুঝে প্রশংসা করো

    সামনাসামনি দাঁড়িয়ে কারো অত্যধিক সুনাম করলে চাটুকার খ্যাতি জুটতে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তা অতিশয় বিপজ্জনক হয়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকে। যে সময়টা তুমি কারো প্রশংসায় মন্ত হয়ে ওঠো, সে ভেবে নেয়, তুমি তার কাছ থেকে কোনো কায়দা নেওয়ার চেষ্টা করছ। নয়ত এত মধুর আলাপ কেন?

    আগেই বলেছি, বর্তমান যুগে এমন অনেক কিছুই জটিল আকার ধারণ করেছে।

    একটা কথা প্রচলিত আছে, তুমি কোনো কথা ছড়িয়ে দিতে চাইলে একজন নারীর কানে কানে কথাটা বলো। দেখবে খুব শীঘ্রই চারদিকে কথাটা শুনতে পাবে।

    আমাদের বর্তমান কৌশলটা কিছুটা ওরকমই। এক্ষেত্রে থমাস ফুলার ১৭৩২ সালে একটা কথা লিখে গেছেন, ‘যে আমার সামনে আমার প্রশংসা করে সে আমার বন্ধু নয়। আমি শুনছি না জেনেও যে আমার পেছনে অন্যের কাছে আমার প্রশংসা করে, সেই আমার প্রকৃত বন্ধু।’

    কথাটা খুবই বাস্তব। আমরা অবশ্যই ওই সব মানুষদের বেশি বিশ্বাস করি যারা আমাদের অনুপস্থিতিতেও আমাদের প্রশংসা করে।

    ### নির্ভয়ে প্রশংসা করো (তাদের পেছনে অন্যের কাছে তার প্রশংসা করো)

    কারো মুখোমুখি তার সুনাম করার চেয়ে তার পেছনে সুনাম করা অনেক বেশি কার্যকরী। মনে করো তুমি একজন ব্যক্তির কাছে ভালো সাজতে চাও, তার নাম জন। এই কৌশল মতে, তুমি জনকে সরাসরি তার প্রশংসা করবে না। তুমি প্রশংসা করো জনের অন্তর্গ বন্ধু উয়িলিয়ামের কাছে, যে জনের এই এই দিকগুলো তোমার খুব ভালো লাগে। জন সত্যিই একজন অসাধারণ মানুষ। যেহেতু উয়িলাম জনের কাছের বন্ধু। কোনো একদিন সে জনকে অবশ্যই বলবে, ‘একটা মজার ব্যাপার ঘটেছে জন। সেদিন অমুকের (তুমি) সাথে হঠাৎ দেখা। সে তোমার ব্যাপারে কী কী বলেছে জানো?’

    ব্যাস তুমি জনের চোখে অন্যরকম একজন হয়ে গেছ।

    কৌশল ৫১

    বার্তাবাহকের মর্যাদা

    কেউ একজন তোমায় সরাসরি প্রশংসা করলে তুমি যতটা পুশি হও, সেই একই ব্যক্তি অন্য একজনকে তোমার ব্যাপারে প্রশংসা করল; সেটা আবার তোমার কানে এলো। এই প্রশংসাটা আরো বেশি ভালো লাগবে তোমার কাছে। উক্ত ব্যক্তির প্রতি তোমার বিশ্বাস আরো অনেক শুণ বেড়ে যাবে। তোমার মনে হতে পাকবে এই ভ্রদলোক বুঝি সারা দুনিয়ার কাছেই এভাবে তোমার প্রশংসা করে বেড়াচ্ছে! এমন ব্যক্তিকে ভালো না বেসে পারা যায়?

    পর্ব ৫২

    বার্তাবাহক কবুতরের মর্যাদা

    *পৃথিবীকে শাস্ত্রির বার্তা দাও ঠিক সেই ছোট সাহসী কবুতরটির মতো

    বার্তাবাহক কবুতরের যুগ পার হয়েছে বহুদিন আগেই। এখনকার অবস্থায় এটা অবাস্তব মনে হলেও এক সময় মানুষ এই কবুতরের উপরেই নির্ভরশীল ছিল। সবচেয়ে দ্রুত ও বিশ্বস্ত ছিল এই বোবা পাখিটি, মাঝেমধ্যে বিশ্বাস রক্ষায় মূল্যও চুকাতো। কখনো অঙ্গহানি কিংবা নিষ্ঠুর হত্যার মধ্য দিয়ে এই নিষ্পাপ পাখিদের অনেকেই প্রাণ দিয়েছে শত্রুপক্ষের হাতে। তাতেও এর মহত্ত্ব কমে যায়নি। গৌরবের সাথে তারা তাদের দায়িত্ব পালন করে গেছে।

    প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কার ঘটনা। তেমনই এক বার্তাবাহক কবুতর যার নাম ‘চ্যোর এমি’, ওটাকে চিঠি সমেত আকাশে উড়িয়ে দেওয়া হলো, এই খবর দিতে যে জার্মান সৈন্যরা অল্প কিছুক্ষণের ভেতরেই শহরকে ধূলোয় মিশিয়ে দেবে। বোমারু বিমান এই আসছে বলে!

    পথে বেচারা কবুতর জার্মান সৈন্যদের গুলির নিশানায় পড়ে এক পাখা অকেজো হয়ে মাটিতে গড়িয়ে পড়ে। দায়িত্বের শেষটুকু পালন করতে ভুলেনি এই অবুঝ পক্ষী। ক্ষত বিক্ষত এক ডানা নিয়েই লাফিয়ে লাফিয়ে তার সর্বশেষ বার্তা দায়িত্ব নিয়ে পৌছে দিয়েছিল। ফলস্বরূপ বেঁচে গেছে ২০০ মানুষের প্রাণ। আরো কত কত প্রাণ যে বাঁচিয়েছে এই শাস্তির দৃত! তেমনই আরেক কবুতরের নাম স্টম্পি জই। এই কবুতরের স্বীকৃতি দিতে ভুলেনি দেশের মানুষ। ওহিওর ন্যাশনাল এয়ার ফোর্স মিউজিয়ামে তার একটা মূর্তি এখনো রয়েছে।

    আমাদের বর্তমান কৌশলের সাথে এই কবুতরের বড় মিল রয়েছে। যখনই তুমি অন্যের প্রশংসা শুনবে, যেখানে সে উপছিত নেই, তোমার কাজ হলো তার কাছে উক্ত প্রশংসাকৃত সংবাদটা পৌছে দেওয়া। ধরো তোমার পরিচিত ব্যক্তি টিনা ও মন্টি।

    মন্টি বলল, ‘টিনা মেয়েটা বেশ শুছিয়ে কাজ করে।’

    কথাটা তুমি শুনেছ। তোমার আসল কাজ হলো টিনাকে সংবাদটা শোনানো যে, মন্টি তার কী প্রশংসা করেছে।

    অথবা তোমার আম্মু তোমার প্রতিবেশী সম্পর্কে জানাল, ‘ন্যাসি বেশ ভালো কবিতা লেখে। আমি একটা ম্যাগাজিনে পড়েছি।’

    ন্যাসির সাথে দেখা হলে তোমার কাজ হবে, তোমার মায়ের প্রশংসাটা তুলে ধরা। এখন নিশ্চয়ই তোমরা বুঝে গেছ, কেন আমি বার্তাবাহী কবুতরের গল্প শুনিয়েছি? হ্যা, তোমার কাজটাও ঠিক ওটার মতোই হবে। তবে পুরক্ষার হিসেবে তোমার নাম জাদুঘরে লেখা না থাকলেও উক্ত প্রাপকের মনে স্থান পাবে নিশ্চিত। মানুষ ভালো সংবাদ যেমন পছন্দ করে, উক্ত সংবাদ বাহককেও পছন্দ করে।

    ## কৌশল ৫২

    ### বার্তাবাহক কবুতরের মর্যাদা

    মানুষের চিরাচরিত স্বভাব হচ্ছে খারাপ সংবাদ বহন করা। খারাপ সংবাদ কেউই পছন্দ করে না, কিন্তু তাও মানুষ ওটাই অন্যকে বলে খুশি হয়। তোমার নিজেকে পরিবর্তন করো। যেকোনো ভালো সংবাদ বহনযোগ্য। যখনই কারো প্রশংসা শুনবে, সুযোগ পেলে তার কাছে ওই প্রশংসাটা পৌছে দেবে। মানুষ ভালো সংবাদ এবং ওটার বাহক দুজনকেই ভালো চোখে দেখে।

    ### আরো আরো সংবাদও তাদের কাছে পৌছে দাও

    তোমার বন্ধুর কাছে তুমি আরো অনেক তথ্যই পাঠাতে পারো। কোনো একটা ভালো সংবাদ যেটা তোমার বন্ধুর কাজে দেবে; তাকে পাঠিয়ে দাও। আজকাল ইন্টারনেট, মেইল, মোবাইল ফোন কত কিছুই রয়েছে। ফলে সশরীরে উপস্থিত থাকার বালাই নেই।

    তোমার বন্ধু সিভ্ল ইঞ্জিনিয়ার। তুমি পত্রিকায় সিভ্ল ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়ে একটা ভালো রিপোর্ট দেখলে, ওটা পাঠিয়ে দাও তার কাছে। অথবা তোমার অন্য কোনো পরিচিতের কাজের সাথে সম্পর্কিত কোনো তথ্য তুমি শুনেছ, তাকে ওটা বলো। তুমি মানুষের মন জয় করতে পারবে খুব সহজে।

    আমার এক বন্ধু প্রায়শই আমাকে নানা ধরনের সংবাদ পৌছে দিত, যেগুলোর প্রতি আমার প্রচুর অগ্রহ। আমি একদিন অনুভব করলাম, অন্যদের থেকে তাকে আমার বেশি পছন্দ।

    পর্ব ৫৩

    পরোক্ষ প্রশাসা

    সুনাম করতে গিয়ে মুখ ফসকে বদনাম করে দিলে

    কোথায়, কাকে কী বলে সম্বোধন করছি, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তুমি কারো সুনাম করতে গিয়ে পরোক্ষভাবে তার অপমানও করে বসতে পারো, যদি না তোমার কথায় একটু ভুল হয়ে যায়। আমার সাথে ঘটা মজার কিন্তু তিক্ত এক ঘটনা শেয়ার করছি-

    ডেনভার আমার বেশ পুরনো বন্ধু যার সাথে দীর্ঘদিন কোনো যোগাযোগ হয়নি।

    দুজনেরই সৌভাগ্য যে আমাদের সবকিছু ঘুচিয়ে ভাগ্যক্রমে দেখা হওয়ার পথ তৈরি

    হলো। সকালের দিকে নির্ঘারিত জায়গায় নামতেই ওর সাথে দেখা। সে আমায়

    দেখে খুব খুশি হলো। সে জানতে চাইল, ‘কেমন আছ লেইল?’ তারপর কিছুক্ষণ

    চুপ থেকে মুচকি হাসল, ‘দেখে তো মনে হচ্ছে তুমি বেশ ভালোই আছ।’

    তার কথাটা আমাকে খুবই খুশি করে দিল। তারপর মনে মনে ভাবলাম, ‘যাক ততটাও মোটা হয়ে যাইনি তবে!’

    বিকেলে সে আমায় হোটেলে ড্রপ করে দিল। বেশ খুশি খুশি মেজাজ নিয়ে যাচ্ছি।

    লিফটের সামনে দাঁড়াতেই চোখে পড়ল লিফটের কাজ করার জন্য টেকনিশিয়ান

    দাঁড়িয়ে আছে। সে আমাকে দেখে একটা হাসি দিল। আমিও বিপরীতে হাসলাম।

    এরপর সে অবাক হয়ে বলল, ‘ম্যাডাম, আপনি বুঝি আগে মডেলিং করতেন?’

    তার কথাটা শুনে আমার ভেতরটা খুশি হয়ে উঠল। এমন পরোক্ষ প্রশংসা কার না ভালো লাগবে?

    এরপর সে আবার বলল, ‘আপনাকে দেখে বোঝাই যায়, আপনি যুবতী থাকতে আরো বেশি সুন্দরী ছিলেন।’

    আমার ভেতরটা ছ্যাত করে উঠল! ব্যাটা বলে কী? নিজের কাছে আমার প্রচণ্ড অপমান বোধ হতে থাকল। সে কি আমাকে পরোক্ষভাবে বুড়ি বলতে চাইছে? যে এখন আমি বুড়ি, আগে যুবতী ছিলাম?

    রাতে আমার ভালো করে ঘুমই হয়নি। পরের সপ্তাহ পর্যন্ত আমার সময় খুবই বাজে কেটেছে। এমনকি, এখনো ওটা ভাবলে গা ঘিনঘিন করে!

    কথা বলার সময় আমাদের খেয়াল করা উচিত যে, মাঝেমাঝে প্রশংসাও কাল হয়ে দাঁড়াতে পারে। হয়ত তুমি সঠিক বলছ, কিন্তু সেটা তোমার বলা উচিত নয়।

    মনে করো তুমি একটা নতুন শহরে আছ। আশপাশে ভালো কোনো রেস্টুরেন্ট আছে কি না খোঁজ করছ। একজন পথচারীকে বললে, ‘ভাই সাহেব, আশপাশে কি কোনো ভালো রেস্টুরেন্ট আছে?’

    সেই পথচারী জেনে থাকলে তোমাকে সঠিক ঠিকানা বলবে। এখন ধরে নাও তুমি এভাবে বললে, ‘ভাই সাহেব, আশপাশে কোনো নোংরা রেস্টুরেন্ট আছে কি?’

    ব্যাপারটা ভেবে দেখো একবার। কোন পরিচ্ছিতিতে কীভাবে কথা বলতে হবে, এই বোধ শক্তি যেন তোমার থাকে।

    ## কৌশল ৫৩

    পরোক্ষ প্রশাসা

    কাউকে প্রশাসা করে কথা বলার ক্ষেত্রে একটু জেনেন্দ্রনে বলাটা বুঝ্জিমানের কাজ। জেনেন্দ্রনে কারো খারাপ দিক উল্লেখ করাটা এক ধরনের অনুদ্রতা। মনে রেখো, যখনই তুমি কাজটা করবে সে তোমাকে খারাপ চোপেই দেখবে, আগামী সবকটা দিন।

    এক প্রেমিকের গল্প দিয়ে এই অংশটা শেষ করছি। প্রেমিকার নাচ দেখে প্রেমিক অত্যন্ত হাসি হাসি মুখে বলল, ‘হায় ঈশ্বর, তুমি এত মোটা একটা মেয়ে! তারপরও কত ভালোই নেচেছো!’

    এর কিছুক্ষণের ভেতর বেচারার সম্পর্ক বিচ্ছেদ হয়ে গেল!

    # পর্ব ৫৪

    দুর্ঘটনাক্রমে প্রশংসিত!

    একজন শুপ্ত প্রশংসাকারী হও

    ভ্রদ্রলোকের সাথে আমার পরিচয় একটি ভোজসভায়। তিনি আমার পাশের সিটে বসে ছিলেন। অন্য অনেকের মতো তাকেও আমার ভুলে যাবার কথা! কিন্তু ভ্রদ্রলোক আমার উপরে এমন একটা কৌশল খাটালেন যে তাকে ভোলার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।

    তিনি আমার সাথে স্বাভাবিক পরিচিত হলেন। অল্প একটু পরিচয়ে যতটুকু গল্প করা যায়, এই আরকি! কথায় কথায় কীভাবে জানি আমাদের আলোচনা চন্দ্র অভিযানের দিকে চলে গেল।

    ভ্রদ্রলোক আমাকে বললেন, ‘লেইল তোমার মতো একজন তরুণীর চন্দ্র অভিযানের কথা মনে থাকার কথা নয়। সেসময়ে, অ্যাপোলো ২ চাঁদের বুকে নেমে…’

    আমি কিছুক্ষণের জন্য ভাবতে লাগলাম, উনি কি আমাকে তরুণী বলে সম্বোধন করেছেন?

    মেয়েদের বয়স যতই হোক মানুষ তাদের তরুণী ভাবুক, তারা পছন্দ করে। আমার বেলায়ও তাই হলো। আমার চিন্তার টপিক নীল আর্মস্ট্রিংয়ের চন্দ্র অভিযান পেকে সরে গিয়ে নিজের তারুণ্যের দিকে পড়ল। আমি কল্পনার আয়নায় স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি, তরুণী আমি দাঁড়িয়ে আছি। জন্মলোক তখনও চল্ল অভিযানের ব্যাপারে বলে চলেছেন।

    ১৯৬৯-এর চন্দ্র অভিযান অন্য সবার মতো আমিও টেলিভিশনে দেখেছি। নীল আর্মস্ট্রিং চাঁদের বুকে প্রথম নিজের চরণ প্রশ্ন করালেন। একেনারে ইতিহাস। আমার সবই স্পষ্ট খরণে আছে।

    ভদ্রলোক কি ইচ্ছে করেই আমায় তরুণী বলে সম্বোধন করলেন? যাতে আমি খুশি হই? যদিও তার মূল বক্তব্য ছিল অভিযানটা নিয়েই। এত বড় আলোচনায় টুপ করে এমন একটা শব্দ জুড়ে দিয়েছেন, যেটা আমার ভেতরে খুশির প্রকম্পন সৃষ্টি করল।

    এখন আমি বাজি ধরে বলতে পারি, তিনি জেনে বুঝে আমায় তরুণী বলেছেন। যাই হোক, এর ফলাফল ছিল অভূতপূর্ব। আমি যথেষ্ট খুশি হয়েছি। সারাটা সময় আমার নিজেকে তরুণী তরুণী মনে হচ্ছিল! তার এই কৌশলকে আমি নাম দিয়েছি দুর্ঘটনাক্রমে প্রশংসা করা। তার প্রশংসাটা এখনো আমার কানে বাজে।

    কৌশলটি অনুশীলন করো। তুমি যেমন এটাকে পছন্দ করবে, অন্যরাও এর কার্যকারিতা উপভোগ করবে।

    তোমার পরিচিত পঞ্চাশোর্ধ একজন ব্যক্তিকে বলো, ‘আপনি কীভাবে যে এত কাজ করেন! অথচ এই দেখেন আমি একটুতেই হাঁফিয়ে গেছি!’

    চেয়ে দেখো, তোমার ওই দাদুটি খুশিতে বগল দাবাচ্ছে। অথবা তোমার আইনজীবী বন্ধুকে বলো, ‘তুমি হলে আইনগুলো পড়েই সাইন করতে। অথচ আমি বোকার মতো না পড়েই সাইন করে বসলাম।’

    তুমি এখানে নিজেকে বোকা বলে বিপরীতে তাকে চালাক হিসেবেই সম্বোধন করেছ। তোমার কথার বিষয় ভিন্ন হলেও সে ঠিকই গুণ্ড প্রশংসাটা লুফে নেবে এবং খুশি হবে। তোমার আসল কথাটার দাম তার কাছে দু’পয়সার না-ও হতে পারে, কিন্তু গুণ্ড প্রশংসাটা তাকে আন্দোলিত করবে। নিশ্চিত থাকো।

    কৌশল ৫৪

    দুর্ঘটনাক্রমে প্রশংসিত!

    একজন গোপন প্রশংসাকারী বনে যাও। কাউকে সরাসরি প্রশংসা না করে কথা প্রসঙ্গে প্রশংসা করো, হতে পারে কথার এক ফাঁকে রূপক কোনো শব্দ দিয়ে তার প্রশংসা করে দিলে। ব্যাপারটা যখন সে বুঝতে পারবে, ভেতরে ভেতরে খুশিতে ফেটে পড়বে। তাকে অনুস্বর করতে দেবে দুর্ঘটনাক্রমে তুমি প্রশংসাটুকু করেছ।

    পর্ব ৫৫

    বিধ্বংসী প্রশংসা

    ওদেরকে শুরুতেই কাবু করে নাও

    আমার বাঙ্গবী এবং তৎকালীন রুমমেট ক্রিসটিনার কথা বলছি। এক বিকেলে আমরা মাত্র বাইরে থেকে বাসায় ফিরলাম, খেয়াল করে দেখলাম, সে মিঠিমিটি হাসছে। তার দৃষ্টি বাইরের দিকে।

    জানালা দিয়ে বাইরে তাকালাম, তিনজন ভদ্রলোক হেঁটে যাচ্ছে। আমি অবাক হয় বললাম, ‘তোমার মিটিমিটি হাসার কারণ কী? আমাকে জানানো যায়?’

    সে আমার দিকে তাকাল। তার চোখেমুখে যেন ঝিলিক দিয়ে উঠল। সে বলল, ‘তোমাকে জানাতে আমার অসুবিধে নেই। ওই যে মধ্যখানের মানুষটা দেখেছ, কাল তার সাথে আমি ঘুরতে যাব।’

    মেরেটার মাথা টাথা খারাপ হয়ে যায়নি তো?

    আমি নিজের বিশ্বয় প্রকাশ করলাম, ‘আমার জানামতে এই ভদ্রলোককে আমি আগে দেখিনি। তা কী মনে করে তার সাথে ঘুরতে যাবে?’

    ক্রিসটিনা মাথা নাড়িয়ে বলল, ‘আমার দাঁতগুলো অসম্ভব সুন্দর, সে বলেছে।’

    ঘুমানোর পূর্বে দেখলাম সে ভালো করে দাঁত মাজছে। প্রতিটি দাঁত আলাদা করে মেজে আরুনায় তার সফল পরীক্ষা চালিয়ে সে ঘুমাতে গেল। তার দাঁতের প্রশংসা থেকে সে এতটা গলে গেল! দাঁতের প্রশংসা সত্যিই কেউ এতটা পছন্দ করতে পারে? তখনই মাথায় হুট করে চিন্তাটা এলো, অন্যরাও কি তাদের বিশেষ কোনো শুণ নিয়ে এতটা উচ্ছ্বাসিত হবে?

    ভাবলাম এই কৌশলটা বাস্তবে কাজে লাগালে কেমন হয়?

    আমার এক সেমিনারে দুই ক্রোপে ভাগ করে তাদের নিজেদের মাঝে কথা বলতে দিলাম। প্রতি অংশে দুজন করে। কিছুক্ষণ পর আমি তাদের বললাম, অন্যদের কোন বিশেষ শুণটা তাকে আকৃষ্ট করেছে, সেটা চিন্তা করতে। তারপর সবাইকে বললাম নিজেদের সঙ্গীকে সেই শুণ উল্লেখ করে প্রশংসাটা শোনাতে।

    অন্তর সময়ের মধ্যে পুরো হলরুম কল্যায় পদগম করতে থাকল। সবাই নিজেদের বিশেষ প্রশংসা শুনতে পেয়ে খুশি হলো।

    সতকর্তা,

    এই বিশেষ প্রশংসা যেন, ‘তুমি দেখতে অনেক সুন্দর।’ কিংবা, ‘তোমার শার্টটাতো অনেক সুন্দর!

    এমন না হয়।

    প্রশংসাটি হবে বিধ্বংসী, যেটা তাকে খুশিতে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।

    তুমি একজনকে বললে, ‘আপনার সহ্য ক্ষমতা দেখে আমার হিসে হয়।’

    এই প্রশংসা শুনে সে গলে যেতে বাধ্য।

    কৌশল ৫৫

    বিধ্বংসী প্রশংসা

    সদ্য পরিচিত কোনো ব্যক্তিকে কাবু করার সবচেয়ে মোক্ষম অন্ত্র হচ্ছে তার এমন বিশেষ কোনো প্রশংসা করা যেটা বিধ্বংসী ক্ষমতা রাখে। যা শুনে অতিরঞ্জিত মনে হবে না, বরং সে ভেতর থেকে আনন্দে ফেটে পড়বে।

    ### বিধ্বংসী প্রশংসার ব্যবহার বিধি

    কারো প্রশংসা করতে গেলে যদি হুঁশ হারিয়ে ফেলো তবে এমন কৌশল তোমার মান ইজ্জত ডোবাতে পারে। কখন বিধ্বংসী প্রশংসা তোমার নিজের জন্যই বিধ্বংসী, জেনে নাও-

    ১. কাউকে এই কৌশলে ফেলতে হলে অবশ্যই তাকে ব্যক্তিগতভাবে বলবে। সে কোথাও আভ্যা দিচ্ছে। তুমি কিছুক্ষণ শুনেই বললে, ‘আপনি তো দেখছি চমৎকার করে উদাহরণ দিতে পারেন।’

    সে খুশি হবে ঠিক। কিন্তু তোমার কথার আরেকটা অর্থ দাঁড়ায় ওই আড্ডায় অন্য যারা রয়েছে ‘তারা চমৎকার করে উদাহরণ দিতে পারে না।’

    ২. ‘একটা হাতি কী সুন্দর করেই না আকাশে উড়ছে!’ এমন মন্তব্য করলে যেমন মানুষ তোমার পাগল বলবে, তেমনই তোমার সাথীর যে শুণ নেই, তা নিয়ে বললে সে চট করে বুঝে যাবে। একজনের গলার সুর বিচ্ছিরি। তুমি তাকে বললে, ‘আপনার গানের গলা নিশ্চিত চমৎকার, কেননা আপনার কণ্ঠীয় মধুর!’

    সে তোমার সম্পর্কে কী ধারণা করবে বুঝতে পারছো?

    ৩. একই প্রশংসা তাকে ছয় মাসের ভেতরে দ্বিতীয়ত করবে না। ওটা করলে সে ধারণা করবে, তুমি মন গলাতে ওটা বলছ।

    পর্ব ৫৬

    মৃদু আঘাত

    ছোট্ট ছোট্ট প্রশংসা বাক্য

    গত পর্বে আমরা জেনেছি কীভাবে বিধ্বংসী প্রশংসা করে অন্যের মন জয় করে

    নিতে হয়। এখন আমরা জানব কীভাবে স্বল্পপাল্লার প্রশংসা করতে হয়। এ ধরনের

    প্রশংসা শুনতে ততটা ভারী নয়, তবে কাজের।

    যেমন, তোমার কলিগকে বললে-

    ‘দারুণ কাজ করেছ জন।’

    ‘ততটাও মন্দ নয়। ভালো হয়েছে।’

    ‘বাহ! চমৎকার।’

    আমার এক বন্ধু আছে যে এই কৌশল ব্যবহার করত, আমার যেকোনো কাজেই সে বলত, ‘মন্দ হয়নি, লেইল।’

    তুমি এই কৌশলটা তোমার সহপাঠী, বন্ধু এমনকি জীবন সঙ্গীর সাথেও খাটাতে পারো।

    রাতের খাবার শেষ বললে, ‘অমৃত রেঁধেছ, তোমার চেয়ে ভালো রাঁধুনি আজতক দেখিনি।’

    কোনো অনুষ্ঠানে যাবার পূর্বে বললে, ‘অপূর্ব লাগছে আজ। শাড়িটা খুব মানিয়েছে।’

    এক বাচ্চা খুব দুষ্টমি করে। প্রতিদিন তার মায়েক বকুনি খেতে খেতে সে বিরক্ত হয়ে গেছে। একদিন পিচ্চি ভাবল, আজ কোনো দুষ্টমি করব না। দেখি, মা কী

    বলে?

    সারাদিনেও সে কোনো দুষ্টমি করেনি। রাতে বিছানায় শুয়ে পড়েছে। এমন সময়ে তার মা এলো। দেখল সে শুয়ে পড়েছে। তখনও ঘুমোয়নি। মা আবার নিচে চলে এলো। কিছুক্ষণ পর রুমে গিয়ে দেখল তার মেয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে! মাকে দেখে মেয়ে হ্যুউমাউ করে কান্না জুড়ে দিল, ‘আজ সারাদিন কি আমি ভালো মেয়ের মতো থাকিনি?

    দুষ্টমি করার জন্য যদি সারাদিন বকুনি শোনা লাগে, তবে ভালো কাজে কেন প্রশংসা নয়?

    আমিও ওই ছোট্ট বাচ্চাটার সাথে একমত। মানুষের ভালো কাজে প্রশংসা করা যেতেই পারে, যদি সেটা সম্পর্ক মধুর করে!

    কৌশল ৫৬

    মৃদু আঘাত

    নিজে কী কী করেছ তার ফিরিন্তি বলে তোমার বদ্ধ-বাঙ্গন বা সহকর্মীর মাথা না খেয়ে বরং তাদের কাজের প্রশংসা করো। এই যেমন, ‘তোমার কাজটা দারুণ হয়েছে।’

    অথবা তাকে বলো, ‘একটা ভালো হবে, আশা করিনি।’

    পর্ব ৫৭

    হাঁটুর ঝাঁকুনিতে উচ্চারিত ‘উহ’

    দেরি করে ফেলেছ তো পস্তাতে হবে

    আমার এখনো স্পষ্ট মনে আছে, আমাকে একটা ভোজসভায় বক্তৃতা দিতে হয়েছিল। আমার শ্রোতাদের সবাই আমার কাছে অপরিচিত, নতুন। আমি আমার রূমমেট ক্রিস্টিনার সাথে যেভাবে কথা বলি, যতটা সহজ ভাবে আয়নার সামনে নিজেকে উপস্থাপন করি, ব্যাপারটা ঠিক তার বিপরীত। আমাকে এমন অনেকগুলো নতুন চোখের সামনে দাঁড়াতে হয়েছে, যারা আমার প্রতিটি পদক্ষেপ পর্যবেক্ষণ করছে, আমার প্রতিটি কথার বিশ্লেষণ করছে। এমনকি আমার ব্যক্তিত্ব, আমার কথার মাধ্যমে বিচার করছে।

    বক্তৃতা দিতে গিয়ে দেখলাম, আমার পা কাঁপছে। নিশ্বাস ছোটো হয়ে আসছে। বক্তৃতা শুরু করার পূর্বে একবার ক্রিস্টিনার দিকে তাকালাম। তারপর এভাবে শুরু করলাম, ‘শুভ সন্ধ্যা। আমি একজন ভাগ্যবতী এই জন্য যে, এতগুলো গুরুত্বপূর্ণ মানুষদের সাথে পরিচিত হতে পেরেছি…

    বক্তৃতা শেষ করেই ধপ করে ক্রিস্টিনার পাশের চেয়ারে বসে পড়লাম। মানুষজন হ্যাত তালি দিল। আমি চোখেমুখে তখন অন্য শঙ্কা। কেমন হয়েছে আমার বক্তৃতা? আমি শঙ্কিত চোখে ক্রিস্টিনার দিকে তাকিয়ে রইলাম। ওর সাথে চোখাচোখি হতেই সে খাবারের প্রেটটা এগিয়ে দিল, ‘রান্নাটা দারুণ হয়েছে লেইল। একটু টেস্ট করে দেখো।’

    আমি তখনও ওর কাছ থেকে বক্তৃতা সম্পর্কে তার মতামত আশা করছিলাম। সে যেহেতু কিছুই বলল না, নিজেই জিজ্ঞেস করে নিলাম, ‘আমার বক্তৃতা কেমন ছিল?’ কয়েক মিনিট বাদে সে ঠোঁট প্রসারিত করল, তারপর জবাব দিল, ‘বেশ। সবাই উপভোগ করেছে। সবার চোখেমুখে তৃণ্ডি ছিল।’

    তার প্রশংসাটা পরিপূর্ণ ছিল এটা নিয়ে সন্দেহ নেই, কিন্তু সে প্রশংসাটা করতে বেশ দেরি করে ফেলেছে। ক্রিস্টিনার উপরে আমার রাগ হলো।

    ‘উহ’ বলতে যত সময় নাও, ঠিক প্রশংসাও তত দ্রুত হওয়া চাই ডাক্তারকে রাবারের হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করতে দেখেছ? নিশেষ করে হাঁটুতে? এরপর রোপীর প্রতিক্রিয়া কী ছিল? অবশাই হাতুড়ির আঘাতের সাথে সাথেই রোগী তার পা ঝুকড়া দিয়ে উঠেছে। মুখ থেকে ‘উহ!’ বলে একটা শব্দ বের হয়েছে। প্রতিবার আঘাতের সাথেই সে ওটা করেছে। তোমাকেও ঠিক তার মতো হতে হবে। কারো প্রশংসা করতে দুই মিনিটও সময় নেওয়া উচিত নয়। সাখে সাখে বলে দাও, ‘তুমি দারুণ খেলেছ।’ কিংবা ‘তোমার কাজটা অসাধারণ হয়েছে।’ হতে পারে সে পুরোপুরি সফল হয়নি, অথবা বিজয়ীর বেশে ফিরে এলো। তার সামনে যাও, তার কাজের প্রশংসা করো। মনে রেখো, ‘সব কিছুরই একটা সময় থাকে। সময় পার হয়ে গেলে সেই প্রশংসা আর কোনো কাজে দেয় না। প্রতিটি মানুষই আশা করে, অস্তত এটা বিশ্বাস করে তার কাজকে কেউ মূল্যায়ন করছে। কাজ সম্পাদনের পরপর যদি কোনো প্রতিক্রিয়া না পাওয়া যায়, ওটা যে কারো মনোবল ভেঙে দিতে যথেষ্ট।

    কৌশল ৫৭

    হাঁটির ঝাঁকনিতে উচ্চারিত ‘উহ’

    অন্যের সফলতা প্রাপ্তি দেখে সময় ক্ষেপণ করার কোনো অর্থ নেই। তুমি তার দিকে এগিয়ে গিয়ে, সাথে সাথেই বলে দাও, ‘দারুণ করেছ।’

    তুমি হয়ত ভাবছ, বিজয়ীর বেশে আসা লোকটা তোমার প্রশংসাটা নেহাতই তৈল মর্দন’ হিসেবে নেবে, এটা ভুল ধারণা। তখন সেই মানুষটি সফলতার দরুণ এতটাই যোর আর উত্তেজনার ভেতরে থাকবে যে, তোমার প্রশংসাকে অন্য কোনোদিকে নেওয়ার সুযোগই নেই।

    পর্ব ৫৮

    আত্মাঘাতী সিদ্ধান্ত

    একটি জাতীয় দুর্বলতা

    এই অংশটা আমার ফ্রান্সের বন্ধুদের জন্য উৎসর্গ করা, যারা সবসময় নিজেদের,

    সর্বক্ষেত্রে ‘বেস্ট’ মনে করে। আমি খুঁজে দেখলাম, ফ্রান্সের মানুষ একটা জায়গায়

    সত্যিই শিখরে অবছান করে সেটা হচ্ছে প্রশংসা নেওয়া। ওরা প্রশংসা এতটাই

    নিতে পারে যে, কখনোই ভিন্ন কিছু ভাবে না।

    অথচ এই দিক থেকে আমেরিকানরা বেশ খুঁতখুঁতে। তোমাকে কেউ প্রশংসা করল, অথচ তুমি প্রশংসাকারীকে গুরুত্বই দিলে না, তবে বাছা তোমার আর আন্ত থাকবে না।

    তোমার প্রিয় বাদ্দবী রোজিকে তুমি বললে, ‘তোমার শাড়িটা বেশ দেখতে। কোথা থেকে কিনলে?’

    রোজি চোখ কপালে তুলে একবার নিজের শাড়ির দিকে তাকাল। তারপর তোমার রুচি তুলে প্রশ্ন তুলল, ‘এই পুরনো শাড়িটা তোমার কাছে ভালো লাগছে? ওহ জন!’ তুমি মশাই ফাটা বাঁশে আটকে গেছ। না পারছো কিছু বলতে, না পারছো গিলতে। সুন্দর করে অজুহাত দিয়ে ওখান থেকে কেটে পড়লে।

    পরের সপ্তাহে রোজির সাথে আবার দেখা। নতুন সাজে রোজিকে অপূর্ব লাগছে। একবার ভাবলে ওকে জানাবে, ‘তোমাকে এই সাজে অপূর্ব লাগছে রোজি।’ পরে ভাবলে এই কথা বলে আবার কোন বিপদে পড়ে যাও!

    আগের ঘটনাটা নিশ্চয়ই ভুলে যাওনি?

    রোজির সাথে দেখা হলো। তুমি স্বভাবসুলভ প্রশংসা করলে না। কোনোরকমে হাই হ্যালো করেই কেটে পড়লে। মনেমনে ভাবলে, ছাইড়া দে মা কাইন্দা বাঁচি!

    রোজিও মনে মনে ভাবছে, ‘ব্যাপার কী? সবাই আমার প্রশংসা করছে, জন কেন কিছু বলছে না?’

    ## মেয়েরা যেটা পছন্দ করে না

    এক সেমিনারে এই ঘটনাটা ঘটে, এক ভদ্রলোক জানালেন, মেয়েরা প্রশংসা নিতে পারে না। এমনকি প্রশংসা শুনলেও গালাগাল দেয়।

    ভদ্রলোকের এমন বক্তব্য শুনে আমার মাথা নড়েচড়ে উঠল। বলে কী! মেয়েরা প্রশংসা নিতে পারে না মানে?

    একজন নারী হিসেবে এই কথার বিরোধিতা করা আমার জন্য ফরজ হয়ে গেছে। আমার এই ছোট জীবনে আমি দেখেছি, নারীরা পুরুষের তুলনায় বেশি পরিমাণে প্রশংসা পেতে চায়, প্রশংসা না পেলেই বরং অনেক নারী চটে যান।

    ভদ্রলোক তার কথার স্বপক্ষে নিজের একটা অভিজ্ঞতা শোনালেন। তিনি এক নারীকে জানিয়েছিলেন, ‘আপনার চোখ দুটো অনেক সুন্দর।’

    ওই নারী চটে গিয়ে তেড়ে এলেন, ‘আপনার চোখের রুচি খারাপ, তাই আমার চোখ আপনার কাছে সুন্দর লাগছে।’

    ভদ্রলোকের উক্ত বক্তব্যের জন্য তাকে দোষ দেয়াটা শতভাগ অন্যায়। তিনি ওরকম পরিস্থিতিতে না পড়লে এমনটা বলার আর প্রশ্নই আসত না। সেই থেকে তিনি আর কোনো নারীকে প্রশংসা করেন না। হায় অচেনা নারী! তুমি নারী জাতির এ কী সর্বনাশ করলে!

    এরকম কাজ আমরা অনেকেও করি। কেউ যখন প্রশংসা করেন, সেটার সঠিকভাবে জবাব আমাদের দেওয়া হয় না। ছোট্ট করে ‘ধন্যবাদ’ বলে কেটে পড়ি। অথনা ‘যা বলছেন তেমন নয়, তবুও ধন্যবাদ।’ বলেও অনেকে জবাব দেই। জবাবটা শুনতে সুন্দর লাগলেও প্রশংসাকারীর কাছে সেটা নেহায়েতই অপমানকর। তুমি তার মনের ধারণাটাকে অপমানিত করেছ!

    তুমি অনেক সুন্দর

    ফ্রান্সের বন্দুদের কাছে আবার ফিরে যাচ্ছি, ফ্রান্সে কেউ প্রশংসা করলে এর উত্তরটা দেওয়া হয় চমৎকার করে, ‘আপনার অমায়িক ব্যবহারে আমি মুগ্ধ।’

    এই একই বাক্যটাকে আমি সবার উপযোগী করেছি। যে কেউ এই বাক্যটাকে নিজের নিত্য কথোপকথনে ব্যবহার করতে পারে।

    কেউ যখন প্রশংসা করে, ‘বাহ! তোমার শার্ট/শাড়িটা অনেক সুন্দর। তোমার পছন্দ ভালো।’

    ‘ধন্যবাদ।’

    অথবা, ‘আরেহ, ওরকম কিছুই না।’ বলে তার মন ভেঙে দেওয়াটা অনুচিত। তোমাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে এটা অনেক প্রভাব ফেলবে। তার চেয়ে তুমি এই সুন্দর জবাবটা দিতে পারো, ‘তোমার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। শপিং মলে দেখতেই পছন্দ হয়ে গেল। তখনই কিনে ফেলেছি। চাইলে ঠিকানা দিতে পারি। আরো দারুণ দারুণ কাপড় ওদের কালেকশনে আছে।’

    ‘এই প্রজেক্টে তুমি দারুণ কাজ করেছ। সত্যিই তারিফ করতে হয়। কিপ ইট।’

    যখন এমন সুন্দর মন্তব্য পাচ্ছ, তখন কী জবাব দেবে ভেবেছ?

    তাকে অন্তত অনুভব করতে দাও, তার মন্তব্য পেয়ে তুমি কতটা খুশি হয়েছ। তোমার জবাবটা এমন হতে পারে, ‘আপনার মন্তব্য পেয়ে ভালো লাগল। আপনার পজেটিভ চিন্তা ভাবনার জন্য ধন্যবাদ।’

    অফিস আদালত, কর্পোরেট দুনিয়া এমনকি প্রাত্যহিক জীবনেও এই কৌশল সমান কার্যকরী।

    অফিসে যেতেই তোমার কলিগের সাথে দেখা। সে জিজ্ঞেস করল, ‘তোমার বিদেশ ভ্রমণ কেমন কাটল?’

    তুমি জবাবটা এভাবে দিলে, ‘ওহ ভাই! তুমি ওটার কথা মনে রেখেছে? ভ্রমণটা আসলেই চমৎকার ছিল। কত কত দারুণ ব্যাপার ঘটেছে। সময় করে বলব সব।’ জীবনের ছোটোখাটো মুহূর্তগুলোকে এভাবেই রাঙিয়ে নিতে পার। কেউ তোমাকে যতটা গুরুত্ব দিচ্ছে, তুমি তাকেও সেই পরিমাণে গুরুত্ব দিচ্ছ। ব্যাপারটা দুজনের জন্যই আশাবাদী।

    কৌশল ৫৮

    আত্মবাতী সিদ্ধান্ত

    অন্যরা যেমন করে তোমার সাথে কথা বলে, তাদের সাথেও তোমার সমান গুরুত্ব দিয়ে কথা বলা উচিত। ব্যাপারটা ‘গিজ আন্ড টেক’ পিউরির মতো। একজন তোমায় শুধু দিয়েই যাবে, এমনটা আশা করা ছোটোলোকি মনোনাব ছাড়া আর কিছুই নয়।

    পর্ব ৫৯

    তোমার কবরের দেয়ালে কী লেখা দেখতে চাও?

    কাছের মানুষদের অত্যধিক খুশি করার পদ্ধতি

    ছোটোবেলার কথা মনে পড়ে? অনেকেই তোমাকে আমাকে জিজ্ঞেস করত, বড় হয়ে কী হতে চাও?

    আমাদের অঙ্কুত সব জবাব ছিল। কেউ হতে চেয়েছিলো নর্তকী, কেউ বা রূটিওয়ালা কেউ বা সিনেমার হিরো। এমনও অনেককে পাওয়া যাবে যাদের জীবনের লক্ষ্য ছিলো গাড়ি চালানো, টাকা কামানো। কত কত মানুষের সমাজসেবা করতে ডাক্তার হবার বাসনা ছিল।

    কত কত সময় পার হয়ে গেছে। অনেকেই নিজেদের স্বপ্নের আশপাশেও যেতে পারেনি। চিন্তাধারা বদলে গেছে অনেকখানি। এত কিছুর পরেও একটা জায়গায় আমরা ঠিক কেউই বদলাইনি।

    আমরা নিজেদের চোখে সেই হিরোটিই রয়ে গেছি এখনো। নিজেদের কাছে নিজেরা খুব খুব খুব স্পেশাল বনে আছি। আমাদের যারা ভালোবাসে তারা আমাদের এমন অনেক গুণ মনে রেখেছে, যেগুলো এখনো আমাদের মাঝে বিদ্যমান।

    সফল ব্যক্তিদের এত এত খ্যাতি দেখে আমাদেরও ঠিক কখনো কখনো মনে হয়, ওখানটার আমিও থাকতে পারতাম।

    পরিচিত কাউকে প্রশংসা করা খুব একটা কঠিন ব্যাপার নয়। তাই বলে একজন অপরিচিত ব্যক্তিকে প্রশংসা করা এতটাই সোজা? অবশ্যই নয়। একজন অপরিচিত ব্যক্তির মন গলিয়ে দেওয়া ততটা সহজ নয় যতটা আমার তোমার মনে হচ্ছে।

    তোমার বাল্যবন্ধু যার সাথে তোমার রসায়ন খুব ভালো জমে, তার ভালো দিকগুলো তুমি জানো। কিন্তু তোমার অফিসের বস, তোমার ব্যবসায়িক পার্টনার যাদের সাথে তোমার পরিচয়টা সময়ের প্রয়োজনে ‘হয়ে গেছে’। ওদের ভালো দিকগুলো সম্পর্কে তুমি কতটা জানো? তাদের একটা স্পেশাল গুণ বের করে নিতে পারবে, যা তারা নিজেরাই নিজেদের প্রতি অনুভব করে?

    এবারের টেকনিকটা তোমাকে শেখাবে কীভাবে অন্যের নিশেষ শুণ জেনে নিতে হয়। আমেরিকায় মৃত মানুষের কবরের পাশে জার একটা নিশেষ শুণ লিখা পাকে।

    মেমন-

    ‘জন হাফিন্স। একজন সমাজসেবক ও বিশিষ্ট বিজ্ঞানী।’

    ‘নিকোলাস হ্যান্স। যিনি মানুষের সাথে খুব সহজেই মিশে যেতেন।’

    নিজের কবরের পাশে এমন দু-একটা বাক্য লেখা থাক, কে না চায়? আমরা প্রজেকেই কোনো না কোনোভাবে নিজের সম্পর্কে একটা স্লাচ্ছ ধারণা পুষে রাপি। ঘরো, জন তোমার সহকথী। তুমি চাচ্ছ, যেকোনোভাবে হোক সে তার নিশেষ শুণটা তোমাকে জানাক। জনকে একদিন বললে, ‘জন, ভেবে দেখলাম, আমার মুহাম্মর পর আমার কবরের পাশে লিখা থাকবে, এই লোকটি ঘুরতে ভালোবাসতো (তোমরা তোমাদের মতো করে বলবে)। জন তোমার কবরের পাশে তোমাকে নিয়ে কী লেখা থাকুক বলে তুমি চাও? অধবা এমন কোনো একটা শুণের কথা বলো, যেটার জন্য মানুষ তোমায় মনে রাখবে?’

    জন ভাববে। অবশ্যই সে কিছু একটা জবাব দেবে। ধরে নিলাম সে জবাবে বলল, ‘আমি চাই ওখানে লেখা থাকুক, ‘এই লোকটি প্রতিশ্রুতি কখনো ভঙ্গ করেননি।’ খুব সহজেই তুমি জনের ভেতরের শুণ্ড কথাটা বের করে নিলে, অন্যরা ওই পর্যন্ত পৌছাতে পারেনি কখনো। কমপক্ষে তিন সপ্তাহ এই বিশেষ শুণটি নিয়ে কোনো কথা বলো না। অন্য যেকোনো বিষয়ে কথা হতে পারে।

    তিন সপ্তাহ পর সময় বুঝে, কথা প্রসঙ্গে একদিন বলে দাও, ‘জন, তোমার এই শুণ্টাকে আমি সম্মান করি। তুমি কখনো প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা ভঙ্গ করোনি।’

    জন ভেতর থেকে কতটা খুশি হবে নিজেই উপলব্দি করতে পারবে। জনের মাথায় তখন এটাই ঘুরবে, এতদিন পর কেউ আমার আসল শুণ্টা ধরে আমায় প্রশংসা করতে।

    তোমার বন্ধু প্রিন্দের উপরেও খাটাও, ‘প্রিস, তুমি খুব সহজেই মানুষকে হাসাতে পারো, এজন্য তোমায় এত পছন্দ করি।’

    কৌশল ৫৯

    তোমার কবরের দেয়ালে কী লেখা দেখতে চাও?

    মানুষকে প্রশ্ন করো, তাদের কবরের পাশে নিজের সম্পর্কে কী লেখা দেখতে চায়।

    তাদের উত্তরটা শুনে নাও, ওটা নিয়ে তৎক্ষণাত কথা না বলে অন্য বিষয়ে কথা বলো।

    অনেকদিন পর একদিন সময় বুঝে বলে দাও, ‘হাই, মিনি, আমি তোমায় এতটা পছন্দ করি কারণ তুমি…’ শুন্যছানটা তুমিই পূরণ করে নাও।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স
    Next Article ভৌতিক অলৌকিক – অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026
    Our Picks

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026

    আফ্রিকার লোকগল্প – অশোককুমার মিত্র

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }