Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    কৌশিক সামন্ত এক পাতা গল্প135 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মাসিন্দা – কৌশিক সামন্ত

    ‘If you missed the train I’m on,
    You will know that I am gone,
    You can hear the whistle blow,
    A Hundred miles!’

    দিল্লি রোড ধরে হু হু করে ছুটে চলেছে আমাদের গাড়িটা।

    “এই গানটার একটা স্বদেশি ভার্সান আছে, জানা আছে?” গাড়ির সামনের সিট থেকে প্রশ্ন ভেসে এল সৌরভের।

    “সুরটা কানে এলেই মালুম পড়ে, এ আর এমন শক্ত কী?” আমি জবাব দিলাম।

    “না কোই হ্যায়, না কোই থা, জিন্দেগি মে তুমহারে সিবা, তুম দেনা সাথ মেরা, ও হাম নবা… দে আর একটা পেগ বানা দেখি!”

    “ভাই এই তো সবে ট্রিপ শুরু হল, এখনই সব শেষ করে ফেলবি নাকি?”

    “শেষ হলে হবে, আসানসোল থেকে আবার তুলব। হিসেব করে খাব বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছি নাকি শালা?”

    “নাহ্ সেটা না, তা বলে সকাল সকাল এত খাবি?”

    “সমন্তকের না হয় বিয়ে হয়ে সতী হয়ে গেছে, তুমি বাওয়া এত সাধুগিরি করছ কেন? নিজের ব্যাচেলার পার্টির ট্রিপটাতো শেষবারের মতো এনজয় করে নে হতভাগা আর তো সুযোগ পাবি না!” ফোঁস করে উঠল সৌরভ!

    সমন্তক পাশ থেকে আমার হাতে চিমটি কেটে ইশারা করল, আমিও ছেড়ে দিলাম! সৌরভের বেগ যখন একবার উঠে গেছে, ওকে আটকালেও আর শুনবে না, বেফালতু মুখ খারাপ করবে! কে জানে শিল্পী মানুষগুলো বুঝি এরকমই অবুঝ হয়।

    .

    ওই দেখুন, আমাদের পরিচয়টাই দিতে ভুলে গেছি, আমি সাম্য, ব্যাংকে কর্মরত। পাশে আছে সমন্তক, বিদ্যুৎবিভাগে কর্মরত। আর সামনের সিটে আছে সৌরভ, সৌরভ নন্দী, বর্তমান সময়ের একজন প্রখ্যাত বেস্টসেলার লেখক।

    উইক এন্ডে পুরুলিয়ার বরন্তীর দিকে চলেছি আমরা। এরকম উইক এন্ড ট্যুর প্রায়ই করে থাকি আমরা, আসলে দৈনন্দিন চলার পথগুলো এতটাই একঘেয়ে আর ক্লান্তিকর, যে মাঝেমধ্যে স্কুলের বন্ধুদের সাথে সেই সবুজ দিনগুলোয় ফিরে যাওয়াটা একান্ত বাধ্যতামূলক। এবারে অবশ্য অন্য একটা কারণও আছে, আমার বিয়ে সামনেই। পরশু সকালে, হঠাৎ এসে হাজির সৌরভ, আমি তখন সবে ব্যাংকের জন্য বাড়ি থেকে বেরোচ্ছি।

    “আর সুযোগ হবে না, বেশি কথা বলবি না, এই উইক এন্ড বরন্তী, তোর ব্যাচেলার পার্টি দেব, আমি সমন্তককে জানিয়ে দিয়েছি।”

    “মানে? আরে আগের থেকে তো বলতে হয়, আমি এখন কীভাবে কী ম্যানেজ করব?

    “ওসব আমি জানি না, আমরা যাচ্ছি, ব্যস!” বেরিয়ে গেছিল সৌরভ!

    ও চিরকালই এরকম, বড্ডো খামখেয়ালি, সেই স্কুলজীবন থেকেই! সেই ট্যুরেই বেরিয়ে পড়েছি আজ, দিল্লি রোড ধরে সোজা আসানসোল, সেখান থেকে পুরুলিয়ার দিকে বেঁকে, মুরাডি হয়ে বরন্তী, সেখানে দুদিন টানা খানাপিনা, এই হচ্ছে প্ল্যান!

    “ভাই নতুন কিছু লিখছিস না? সমস্তক প্রশ্ন করল।”

    “লিখছি তো!” সৌরভ বলল!

    “বল না ভাই, হেব্বি বোরিং লাগছে রাস্তাটা!”

    “বই বেরোবে, পয়সা দিয়ে কিনে পড়বি, ঠিক আছে?”

    “আরে বেস্টসেলার হয়ে তো চামড়া খুব মোটা হয়ে গেছে রে তোর।”

    “আসানসোল এলে ভালো করে কচুরি-টচুরি খাওয়া, তারপর ভেবে দেখছি!”

    খ্যাঁক খ্যাঁক করে হেসে ওঠে সৌরভ!

    .

    ।। দুই।।

    আসানসোল ছেড়ে বেশ কিছুদূর এগিয়ে গেছে আমাদের গাড়িটা।

    “কী রে ভাই বল এবার, একটা জমিয়ে প্রেমের গল্প, বের কর দেখি তোর ব্রহ্মাস্ত্র।” সমন্তক আবার খোঁচায়।

    “নাহ্, আজ প্রেম-ট্রেম না, একটা অন্যধরনের গল্প বলব, আর সেটা এই বরন্তী নিয়েই।”

    “বেশ বল বল।” আমিও উৎসাহী হয়ে পড়ি!

    “বরন্তীতে আমরা যে রিসোর্টে থাকব, সেটা একটা বিশাল লেকের ধারে। অ্যাকচুয়ালি এখানকার গোটা ট্যুরিজমটাই গড়ে উঠেছে এই লেকটাকে কেন্দ্র করে। বিকেলের সূর্যাস্ত, আর পূর্ণিমার রাতের চাঁদনি জোছনা, হ্রদের জলে পড়ে একদম ডিলা-গ্র্যান্ডি-মেফিস্টোফেলিস মার্কা দৃশ্য তুলে ধরে, আর সেটা দেখার জন্যই লোকে দূর দূরান্ত থেকে গাঁটের কড়ি খরচ করে আসে এখানে, আর লেকের জলটাও অদ্ভুত স্বচ্ছ!”

    “বেশ, এ তো গেল আমাদের ডেস্টিনেশানের বর্ণনা, গল্প কই?” সমন্তক আবার খোঁচায়।

    “দেখ গল্প বলার মাঝে ফের ডিস্টার্ব করবি তো আর কিছু বলবই না।”

    “তুই থাম না শালা, খালি ফোড়ন, তুই ভাই বলতো ইগনোর হিম।” আমি বললাম!

    “আর একবার ফোড়ন কাটবি তো, গল্প বন্ধ করে দিয়ে মাঝরাস্তায় নামিয়ে দিয়ে চলে যাব।”

    “নাহ, ভাই আর কেউ ডিস্টার্ব করবে না, তুই শুরু কর।”

    “হ্যাঁ যেটা বলছিলাম, তো হয়েছে কী, আগে বরন্তী লেকের চারপাশটা ঘন জঙ্গল ছিল, এখন এই ট্যুরিজমের জন্য হোটেল-টোটেল হয়ে কিঞ্চিৎ পরিষ্কার হয়েছে। আমি যে-সময়ের কথা বলছি, তখন এসব কিছুই ছিল না, লেকের চারিদিকে তখন ঘন জঙ্গল। লেকের পশ্চিমদিক বরাবর জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে অনেকটা গেলে একটা ট্রাইবাল ভিলেজ পড়ত! টুলপা, ছবির মতো সাজানো-গোছানো ছোট্ট একটা গ্রাম, ট্রাইবাল ভিলেজ যেরকম হয় আর কী! তা গ্রামে সব কিছু ঠিকঠাক চলছিল, মেয়েরা ঘর-দোর সামলাচ্ছিল, আর পুরুষরা শিকার-চাষ ইত্যাদি! একদিন গ্রামে হঠাৎ একটা অদ্ভুত সমস্যা শুরু হল!”

    “সমস্যা?”

    “হুম! সমস্যা বলে সমস্যা! অনেকদিন ধরেই শুরু হয়েছিল গুঞ্জনটা! কিন্তু লজ্জার কারণে কেউ কাউকে বলতে পারেনি! কিন্তু আস্তে আস্তে এক কান, দু-কান হতে হতে সবাই দেখল সমস্যাটা বেশ কমন!”

    “কীরকম সমস্যা ভাই? মহিলাঘটিত নাকি?” সমস্তক প্রশ্ন করল।

    “হ্যাঁ মহিলাঘটিত তো বটেই, তবে কাইন্ড অফ এমবারেসিং, প্রতিটা মহিলার ক্ষেত্রেই!” মুচকি হেসে জানাল সৌরভ!

    “কী কেস? আমি প্রশ্ন করলাম!”

    “স্বামীদের সঙ্গে সংগমকালে মহিলারা খেয়াল করেছেন, ওদের স্বামীরা মাঝে মাঝেই নাকি অন্য কারও নামে শীৎকার দিচ্ছে!”

    “মানে? এ তো ইন্ডিস্টিক ফট কেস পুরো!”

    “ওয়েট বেরাদর ওয়েট! আসল শক তো এখনও বাকি!

    এই অন্য কারও নামটা ছিল কমন একটা নাম!”

    “বলিস কী?”

    “ইয়েস, লজ্জার বাধা কাটিয়ে নিজেদের মধ্যে পুরো ব্যাপারটা আলোচনা করতে গিয়ে মহিলারা দেখেছিল, সবার স্বামীই একই নাম নিচ্ছে!”

    “কী নাম?”

    “মাসিন্দা!”

    “সেটা আবার কে?”

    “মাসিন্দা, ওই গ্রামেরই একটা মেয়ে, খুব ছোটো বয়সে বিধবা হয়ে গেছিল, দেখতে নাকি অপরূপ সুন্দরী ছিল! ব্যস আর কী, এই মহান ভারতবর্ষের গ্রাম বাংলায় বহু যুগ ধরে যা চলে এসেছে, তাই হয়েছিল! গুজব দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছিল। ডাইনি সন্দেহে পুরো গ্রামের মেয়ে-ছেলে-বুড়ো মিলে মাসিন্দাকে পুড়িয়ে মারবে বলে তাড়া করেছিল! সে বেচারি জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে প্রাণের ভয়ে দৌড়াতে দৌড়াতে ওই লেকের মধ্যে এসে পড়ে, ব্যস আর ওঠেনি!”

    “তারপর?”

    “তারপরই তো আসল ঘটনা শুরু, মাসিন্দা নিধনের পর সবাই যখন ভেবেছিল সব বোধহয় ঠিক হয়ে যাবে, তখনই শুরু হল অদ্ভুত এক মৃত্যুলীলা! মাঝেমধ্যেই গ্রাম থেকে পুরুষ আচমকা গায়েব হয়ে যেত!”

    “ফুল ভ্যানিশ?”

    “রাতের বিছানা থেকে আচমকা উধাও হয়ে যেত, পরের দিন খোঁজ খোঁজ! খোঁজ মিলত লেকের জলে, ফুলে থাকা মৃতদেহের আকারে!”

    “কী সাংঘাতিক!”

    “গ্রামের ওঝারা বিধান দিল, এসব মাসিন্দাদেবীর কাজ, মন্দির গড়ে পুজো দেওয়া হোক, তবে যদি শান্তি পেয়ে রেহাই দেয়!”

    “ডাইনি থেকে থেকে ডাইরেক্ট দেবী?”

    “ইয়েস বেরাদর, অচেনা অজানার প্রতি ভয় আর নিজেদের কৃতকর্মের প্রতি অপরাধবোধ থেকে মানুষ অনেক কিছুই করে থাকে।”

    “পুজো দেওয়াতে মাসিন্দা দেবীর রোষ কমল?”

    “রোষ কমল তো বটেই, শুধু তাই-ই নয়, মাসিন্দা দেবী উলটে বেশ পপুলার হয়ে উঠল গ্রামের ছেলেপুলের কাছে!”

    “কীরকম?” সমস্তক প্রশ্ন করল।

    “গ্রামে রটে গেছিল, মাসিন্দাদেবীকে তুষ্ট করতে পারলেই নাকি তিনি দর্শন দিচ্ছেন, শুধু তাই নয়, দর্শন দিচ্ছেন একদম পুজো নিবেদনকারীর আকাঙ্ক্ষিত প্রেয়সী রূপে!”

    “মানে?”

    “মানে আর কী, ছেলেপুলে হুলিয়ে মাসিন্দাদেবীর সাধনায় মেতে উঠেছিল কামের ফাঁদে পড়ে!”

    “তাহলে তো ভালোই হয়েছিল, দেবীকে তুষ্ট করতে পারলেই তো কেল্লা ফতে!” অসভ্যের মতো খ্যাঁক খ্যাঁক করে হেসে উঠল সমন্তক!

    “অত সোজা নয় চাঁদু, এখানেই ছিল এই গল্পের ফাইনাল টুইস্টটা!”

    “কী সেটা? আমি প্রশ্ন করলাম!”

    “বাকিটা বরন্তীতে গিয়ে, আর কিচ্ছু আমি বলব না এখন, গলা শুকিয়ে কাঠ, আর আমাকে বকাস না!”

    “আশ্চর্য ধরনের ছোটোলোক তো তুই!”

    “দেখ কেমন লাগে!” এবারে, সমন্তকের কথায় অসভ্যের মতো খ্যাঁকখ্যাঁকিয়ে হেসে উঠল সৌরভ নিজে!

    আমাদের গাড়িটা তখন মুরাডি হয়ে বরন্তীর দিকে টার্ন নিয়েছে!

    .

    ।। তিন।।

    যতই বারণ করা হোক, এই উইক এন্ড ট্যুরে এসে সমন্তক বড্ড বেসামাল হয় পড়ে। সহ্যের অতিরিক্ত পান করে, খানিকটা বাথরুমে উলটে, এখন বেহুঁশ হয়ে নাক ডাকাচ্ছে। ওকে বিছানায় ভালো করে শুইয়ে দিয়ে বেরিয়ে এলাম। দেখলাম সৌরভ বারান্দায় বসে আছে! রিসর্টের বারান্দাটা দারুণ, ছোটো টেবিল-চেয়ার রাখা আছে, সামনেই অল্প গাছ-গাছালির সীমানা পেরিয়ে দিগন্ত বিস্তৃত বরন্তী লেক! পূর্ণিমার চাঁদের প্রতিফলনে লেকের জলে অদ্ভুত একটা নৈসর্গিক দৃশ্যপট রচনা করেছে, নাহ্, সত্যিই সৌরভের টেস্ট আছে বলতে হবে, বেড়ে একখানা জায়গা চয়েস করেছে বটে! আমি এগিয়ে যেতেই সৌরভ একটা পাত্র আমার দিকে এগিয়ে দিল!

    “তোর কী কেসটা বলতো?”

    “কীসের কী কেস?” জড়ানো গলায় সৌরভ প্রশ্ন করল! “সবাই তো এবার সেটেল্ড হয়ে গেল, তোর খবর কী?”

    “তুই হচ্ছিস হ না, আমাকে আবার জবাই হতে ডাকছিস কেন?”

    “দেখ তোকে আমি সেই ছোটোবেলা থেকে চিনি, তুই না চাইলেও তোর ভালো-মন্দটা আমি দেখব।”

    “বেশ তো দেখ না, বেফালতু ব্যাজর-ব্যাজর করে মৌতাতের বারোটা বাজাচ্ছিস কেন?”

    “তুই কী ভাবিস আমি কিছু বুঝি না? বাড়ির থেকে আলাদা থাকিস! অফিসে যাস না, দিনরাত মদে ডুবে থাকিস! প্রতিটা গল্পের একই বিয়োগান্তক সমাপ্তি! তোর হাজার হাজার ফ্যান না বুঝলেও, আমি কিন্তু ঠিক বুঝতে পারি…”

    “কী বুঝতে পারিস?” মুচকি হেসে বলে ওঠে সৌরভ!

    “তুই এখনও দেবলীনাকে ভুলতে পারিসনি, সেই স্মৃতি আঁকড়েই বেঁচে আছিস! দেখ মিসহ্যাপ সবার জীবনেই ঘটে…”

    “দুম করে একটা লাথি মেরে বারান্দা থেকে নীচে ফেলে দেব, আর সব উত্তর পেয়ে যাবি!” চিৎকার করে ওঠে সৌরভ!

    “ভাই তুই ঠান্ডা মাথায় আমার কথাটা শোন, জীবনটাকে এইভাবে নষ্ট করিস না, এগিয়ে নিয়ে যা প্লিজ!”

    “তুই তাহলে নষ্ট করছিস কেন?”

    “আমি কী করলাম?”

    “নাটক করো শালা আমার সাথে? আজ বাদে কাল বিয়ে করতে চলেছ একজনকে, আর এখনও মোবাইল খুললেই ফেসবুক-ইন্সটাগ্রামের সার্চ লিস্টে কার নাম আসে? খুলে দেখাব?”

    “ওটা আলাদা ব্যাপার ভাই, কলেজের একতরফা প্রথম প্রেম, ও কি ভোলা যায়?” মৃদু হেসে আমি পরিস্থিত হালকা করতে চাইলাম!

    “কোনোটাই আলাদা ব্যাপার নয় চাঁদু, আসলে কেউই আমরা ভুলতে পারি না, এক-একজন এক-একভাবে মনে রেখে দিই!”

    “তাই হবে হয়তো!”

    “তবে তোর তো সামনেই বিয়ে, কমপ্লিট দি এন্ড! তোকে একটা গিফট দেব ভাবছি।”

    “কী গিফট্?”

    “যদি তোর সর্বাণী আজ আসে তোর কাছে! একটা শেষ চাঁদনি রাতের জন্য!”

    “নেশা হয়ে গেল নাকি? কী ভুলভাল বলছিস?” আমি ঝাঁজিয়ে উঠি!

    “মাসিন্দা! দেবী মাসিন্দা!” চাঁদের আলো আঁধারিতে, পেয়ালা হাতে সৌরভের ওই অট্টহাসি, আমার বুকে অদ্ভুত একটা কাঁপুনি ধরাল!

    .

    ।। চার।।

    রুমের দরজাটা লাগিয়ে বিছানায় গিয়ে বসলাম। জানলা খোলা, হু-হু করে লেকের হাওয়া আসছে, ফুল স্পিডে ফ্যান চলছে, তবুও দরদর করে ঘামছি আমি। বিগত এক ঘন্টায় যে অদ্ভুতুড়ে কান্ডগুলো ঘটতে দেখলাম, সেগুলো একবার স্মৃতিচারণ করার চেষ্টা করলাম! নেশার ঘোরে, ঝোঁকের মাথায় মানুষ কীই না করে বসে, নিজেকে দিয়েই আজ প্রমাণ পেলাম। সৌরভের কথায় নেচে গিয়ে আজ যা একটা কাণ্ড করে বসেছি, লোকে শুনলে সোজা পাগলাগারদে পুরে দেবে।

    আমাকে নিয়ে এই মাঝরাতে সৌরভ বেরিয়ে পড়েছিল রিসোর্ট ছেড়ে! অচেনা অজানা অন্ধকার পথে, জঙ্গল ভেদ করে, বুনো রাস্তা ধরে আমরা পৌঁছে গেছিলাম সেই জায়গায়, মাসিন্দাদেবীর মন্দিরে! প্রতি মুহূর্তে মনে হচ্ছিল, এই বুঝি অন্ধকার বনের ভেতর থেকে কিছু একটা বেরিয়ে এসে ঘাড়ে ওপর লাফিয়ে না পড়ে! লতাপাতায় পা জড়িয়ে মনে হচ্ছিল, বিষধর সাপ, মুহূর্তের ভুল আর বোধহয় প্ৰাণটা গেল!

    সেই মুহূর্তে মুখ দিয়ে গালাগাল ছাড়া আর কিছুই বেরচ্ছিল না, নেশা-টেশা সব উড়ে গেছিল, কী কুক্ষণে যে শালা সৌরভের কথায় নেচে উঠেছিলাম, নিজের গালে চড় মারতে ইচ্ছে করছিল! তবে সব থেকে অদ্ভুত ব্যাপার ঘটাচ্ছিল কিন্তু সৌরভ! যেন সে আগে বহুবার এসেছে, হাতের তালুর মতো চেনা, এমনভাবে হনহন করে সেই দুর্গম বুনো পথে হেঁটে চলছিল! অনেকটা পথে যাওয়ার পর, একটা বটগাছের তলায় পোড়ামাটির গুমটি মতো পড়ল!

    “এইটা মন্দির? কিন্তু এর গায়ে যে গাছ-গাছালি গজিয়েছে, বহু বছর যে এদিকে কেউ পা-ও মাড়ায়নি বোঝাই যায়! তুই যে বললি ট্রাইবালদের মধ্যে বেশ পপুলার ছিল এই মন্দির?” আমি প্রশ্ন করেছিলাম!

    ঠোঁটে আঙুল দিয়ে আমাকে চুপ করতে ইশারা করে, মন্দিরের সামনে বসতে বলেছিল সৌরভ! আমিও বসে পড়েছিলাম বিনা বাক্যব্যায়ে! আমাকে বসিয়ে রেখে মন্দিরের পেছনে উধাও হয়ে গেছিল সৌরভ!

    ফিরে এসেছিল, হাতে চার-পাঁচটা অদ্ভুতদর্শন বুনো ফুল নিয়ে! আমি টর্চের আলোয় একদৃষ্টিতে দেখে চলছিলাম তার সেই অদ্ভুত কাণ্ডকারখানা, মাসিন্দাদেবীর পুজোতে সৌরভ যে সিদ্ধহস্ত, এ-কথা বুঝতে আমার আর বাকি রইল না।

    হাতব্যাগ থেকে একটা পাথরবাটি বের করে, তাতে ঢকঢক করে কিছু একটা তরল পদার্থ ঢালল, গন্ধের দাপটে বুঝতে পারলাম সেটা যে আমাদের আনা মদই! দুটো সিঁদুর মাখানো পাতিলেবু বের করে মন্দিরের চাতালে রাখল।

    “দে আমাকে টর্চটা দে, আর তুই এখানে এসে বস, কিছু দেখতে পাচ্ছিস?”

    সৌরভের টর্চের আলো মন্দিরের ভেতর গিয়ে পড়েছে, বহুবছরের ধুলো-ঝুল, গাছ-পাতার আড়ালে মন্দিরের মাঝে একটা সিঁদুর লেপা পাথর দেখতে পেলাম!

    “ওই পাথরটাই কী?”

    “হ্যাঁ, ওটাই মাসিন্দা! এবারে যেটা বলছি মন দিয়ে শোন, চোখ বন্ধ করে ফুল কনসেনট্রেশানে সর্বাণীর কথা ভাব, ঠিক যেমনটা করে তুই তাকে কাছে পেতে চাস। মনে রাখিস ভাবনায় ফাঁকি থাকলে কিন্তু এ পুজো কাজ করবে না! এর পরে পুজো সেরে আমরা যাবো বরন্তি লেকে, সেখানে চাঁদের আলো যেখানে পড়েছে, সেই জলে স্নান করতে হবে, তারপর বাড়ি ফিরে চুপটি করে শুয়ে পড়বি, মনে রাখিস দুনিয়া উলটে গেলেও তুই কিন্তু দরজা খুলে বেরোবি না!”

    আমি বাধ্য ছাত্রের মতো মাথা নাড়ালাম!

    সত্যি বলতে, ওই ঘন জঙ্গলের মাঝে, আলো-আঁধারিতে, গমগমে গলায় দুর্বোধ্য ভাষার মন্ত্র পড়ে চলা সৌরভকে যেন ঠিক মেলাতে পারছিলাম না আগের মতো!

    .

    ।। পাঁচ।।

    এসব ভাবতে ভাবতে কখন যে চোখ লেগে গেছিল কে জানে! ঘুম ভাঙল একটা দমকা বাতাসে। জানলার পাল্লাটা খুলে গেছে, হু হু করে হাওয়া ঢুকছে! বন্ধ করে ফিরে এসে শুতে যাব, হঠাৎ একটা তীব্র গন্ধ আমার নাকে এল! এ গন্ধ আমার অচেনা নয়, সেন্ট আর ঘামের গন্ধ মেশা একটা শরীরের গন্ধ এটা, ইঞ্জিনিয়ারিং-এর চার বছর ধরে এই গন্ধের আবেশে আবিষ্ট ছিলাম আমি! সামনের দিকে চোখ গেল, আর দেখতে পেলাম এক মুহূর্ত আগেও ফাঁকা পড়ে থাকা বিছানায় বসে আছে সর্বাণী!

    হ্যাঁ আমার সর্বাণী!

    স্লিভলেশ কালো টপ, জিন্‌স, চোখে মুখে দুষ্টু হাসি, ফর্সা চিবুকের বাম কোনায় ছোট্ট তিলটা, ঠিক কলেজের প্রথম দিনটা যেমন দেখেছিলাম! আমি বুঝতে পারছিলাম না কী করব!

    এ কী সত্যিই সর্বাণী, নাকি মাসিন্দা, নাকি অতিরিক্ত নেশার কারণে হ্যালুসিনেশান?

    সর্বাণী বিছানা থেকে উঠে একটু একটু করে আমার দিকে এগিয়ে আসতে লাগল! আবার সেই নস্টালজিক প্রিয় গন্ধটা, হায় ঈশ্বর! আমি না চাইতেও নিজেকে সঁপে দিলাম সর্বাণীর হাতে। এই দিনটার জন্য কত বছর ধরে যে আমি অপেক্ষা করে আছি! আমার একটা হাত ধরে সর্বাণী টেনে নিয়ে চলল দরজার দিকে, এ যেন নিশির ডাক, অমোঘ মায়ার টান, আমি এড়াতে পারলাম না! দরজা খুলে একটা একটা করে সিঁড়ি দিয়ে নেমে যেতে থাকলাম আমরা।

    “সাম্য।”

    হঠাৎ একটা প্রচণ্ড চিৎকারে আমার সম্বিৎ ফিরল। দেখলাম সৌরভ দৌড়ে দৌড়ে আসছে! “তোকে পই পই করে বলেছিলাম না শালা কোনোভাবেই দরজা খুলে বেরোবি না!”

    আমার হুঁশ ফিরে এল। এক ঝটকায় হাতটা ছাড়িয়ে নিতে চাইলাম সর্বাণীর হাত থেকে। কিন্তু নাহ্, কী ভয়ংকর শক্তভাবে সে ধরে রেখেছে আমার হাতটা। আমি দাঁতে দাঁত চেপে আরও জোর লাগাতে গিয়ে দেখি, হা ঈশ্বর, সর্বাণী ভেবে এ কোন বিভীষিকার হাত আমি ধরে রেখেছিলাম! মানুষের শরীর অনেকদিন ধরে জলের তলায় চাপা পড়ে থাকলে যেমন হয়, ঠিক তেমনই একটা শ্যাওলা ধরা শরীর, কত নাম না-জানা জলজ উদ্ভিদ আর পোকামাকড় তার গায়ে কিলবিল করছে। আর কী প্রচণ্ড ঘৃণা সেই বিভীষিকার চোখদুটো জুড়ে। সৌরভ চিৎকার করতে করতে আমার দিকে দৌড়ে এল, তার হাতে ধরা একটা আয়না গোছের কিছু। এইবার দেখলাম সেই বিভীষিকার হাতের আগল একটু আলগা হল। সৌরভের হাতের আয়নাটার দিকে তাকাতে তাকাতে আমাদের দিকে ক্রুদ্ধ দৃষ্টি হেনে অন্ধকারে একটু একটু করে মিলিয়ে গেল মাসিন্দা।

    আমার আর দাঁড়িয়ে থাকার ক্ষমতা ছিল না। সৌরভ এসে জড়িয়ে না ধরলে আমি কাটা কলাগাছের মতো আছড়ে পড়তাম মাটিতে।

    “চল তোকে শুইয়ে দিয়ে আসি সমন্তকের পাশে, আজ আর একা শুতে হবে না! আমি বাইরে বসে পাহারা দিচ্ছি, আমাকে নিয়ে ভয় পাস না, মাসিন্দাদেবীর গলি আমার কাছে নতুন নয়!”

    “তুই বসে থাকবি?” আমি মৃদু স্বরে প্রশ্ন করলাম!

    “সেদিনের সেই গল্পটার আসল টুইস্ট ছিল এটাই রে, আমি ইচ্ছে করেই বলিনি, যাতে ভয় না পাস! ভক্তের পুজোয় সন্তুষ্ট হলে মাসিন্দা ভক্তকে দর্শন দিয়ে তুষ্ট করত বটেই, কিন্তু বিনিময়ে পুজোর নৈবেদ্য হিসেবে ভক্তের প্রাণ কেড়ে নিত ছলনায়। খুব কম জনই পেরেছে মাসিন্দার ছলনা থেকে বেরিয়ে আসতে!”

    “আর তুই তাদের মধ্যে একজন তাই তো?”

    “আজ আর কথা নয়, তোর ওপর অনেক ধকল গেছে, শুয়ে পড়, কাল কথা হবে এ নিয়ে কেমন!”

    আমিও আর কথা বাড়ালাম না, শরীর দিচ্ছিল না, কিন্তু কাল ঠিক এর সব হিসেব তুলব সৌরভের কাছ থেকে।

    .

    ।। ছয় ।।

    মুখে সূর্যের আলোটা এসে পড়তেই ঘুমটা ভেঙে গেল, ধড়ফড় করে উঠে বসলাম। উফ, মাথাটা অসম্ভব ভারী হয়ে আছে, নাহ্ আর এত মদ খাচ্ছি না, ঢের শিক্ষা হয়েছে। পাশে দেখলাম সমন্তক তখনও বেহুঁশে ঘুমোচ্ছে। ধীরে ধীরে রাতের সব ঘটনাগুলো একটু একটু করে মনে পড়তে লাগল।

    চোখে-মুখে ভালো করে জল দিয়ে, বাথরুমের বড়ো আয়নাটার সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। আচ্ছা আগের রাতের ঘটনাগুলো সব স্বপ্ন নয়তো? কিন্তু তাহলে বুকের ওপর এই সদ্য কাটা আঁচড়ের দাগগুলো কীসের? হালকা একটা জামা গলিয়ে নিলাম, সৌরভকে দরকার ইমিডিয়েটলি।

    “সৌরভ, সৌরভ!” চিৎকার করতে করতে আমি পাশের রুমে গিয়ে ঢুকলাম। কী আশ্চর্য, দরজা তো এমনিই খোলা, সৌরভ নেই! কীরকম ইরেসপন্সিবল ছেলে ভাবো, এরকম একটা ট্যুরিস্ট-প্লেসে ঘর খুলে রেখে কোথায় চলে গেছে!

    আমি ফোন লাগালাম, ফোনটা বাজছে, কিন্তু সেটা ঘরের মধ্যেই। ড্রেসিং টেবিলের ওপর পড়ে আছে সৌরভের ফোনটা। আমি গিয়ে ধরলাম ফোনটা। তার তলায় একটা কাগজের চিরকুট চাপা পড়ে আছে।

    ভাই সাম্য,

    ছোটো থেকে অনেক আমার অনেক অন্যায় আবদার মেনেছিস, এই শেষ একটা অন্যায় মেনে নিস। কাল তুই ঘুমিয়ে পড়ার পর মাসিন্দা আবার এসেছিল জানিস। নাহ্ প্রতিবারের মতো দেবলীনার রূপে নয়, বরং তার নিজের আসল রূপে, এক স্বজন হারানো যন্ত্রণাক্লিষ্ট কিশোরীর। আসলে কাল প্রথমবার তার চোখ দুটো ভালো করে দেখেছিলাম, দেখলাম আমার মতোই উদ্দেশ্য খোঁজা একটা নিঃসঙ্গতা সে চোখদুটো জুড়ে। তাই তোকে বারণ করলেও আমি নিজেই চললাম ভাই, মাসিন্দার সাথে। দুঃখ করিস না, জানবি আমার ফেরার জন্য কোনো কারণই আর অবশিষ্ট ছিল না, আই অ্যাম ফাইনালি ডান হিয়ার ব্রাদার।

    ভালো থাকিস।

    ইতি, সৌরভ।

    কাগজের টুকরোটা হাতের মুঠোয় ধরে আমি পাগলের মতো দৌড় লাগালাম, রিসর্টের মেইন গেটের দিকে! আমার চোখে তখন লেকের জলে ফুলে থাকা একটা লাশের ছবি ভেসে উঠেছে….

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত
    Next Article প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    Related Articles

    কৌশিক সামন্ত

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    কৌশিক সামন্ত

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Our Picks

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }