Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    কৌশিক সামন্ত এক পাতা গল্প135 Mins Read0
    ⤶

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    ‘কী অদ্ভুত এই রাতটা, তাই না?’

    নিজেকেই প্রশ্ন করে সিন্থিয়া! জানলার ঝাপসা কাচ দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকে সে। আদিগন্ত ধু-ধু বরফের স্তূপ ছাড়া আর কেউ কোথাও নেই এখানে। ঠিক যেন নির্জন নিঝুম এক মৃত্যুপুরী হয়ে তাকে গিলে ফেলার জন্য ওত পেতে আছে চরাচর।

    অথচ এমন তো হওয়ার কথা ছিল না! অন্তত আজকের রাতটা তো অন্যরকম হওয়ারই কথা ছিল।

    এক বছর আগেও এই বরফের স্তূপে লুকিয়ে ছিল এক অপার্থিব উষ্ণতা। বাড়ি ভরতি ব্যস্ত পায়ের শব্দ, কার্নিশে- কার্নিশে রঙিন স্বপ্নের মতো আলো-আঁধারি, ফায়ারপ্লেসের গনগনে আঁচ, পানপেয়ালার মৌতাত, গিফট র্যাপের আনকোরা গন্ধ, একঝাঁক হাসিমুখ। কিন্তু আজ আর কিচ্ছু নেই! সব হারিয়ে গেছে। নিয়তি সব কেড়ে নিয়েছে তার কাছ থেকে।

    সিন্থিয়া’র চোখের পাতা ভিজে যায়। গলার কাছে একটা অব্যক্ত কষ্ট দলা পাকিয়ে ওঠে।

    কপাল! কপালের দোষ না থাকলে কী ক্রিসমাসের এই মায়াবী রাতে তাকে শহরের আলো-ঝলমলে প্রাসাদ ছেড়ে, নিজের ঘর ছেড়ে, এই নির্জন প্রান্তরে এমন জীবন্ত তুষারসমাধি নিতে হয়? এই সামান্য কাঠের কেবিনে অন্য দিনগুলো তবু কাটানো যায়, কিন্তু বড়োদিন যে অসহনীয় হয়ে ওঠে।

    আসলে হ্যারিরও আর কিছু করার ছিল না। সে যে সিন্থিয়াকে বড্ড ভালোবাসে। ক্রিসমাসের হুল্লোড়ে একঘর লোকের সামনে সিন্থিয়াকে এই পাগল-পাগল অবস্থায় কীভাবে আনবে ও? তখনই যে শুরু হবে পাঁচজনের পাঁচকথা, যার শেষে থাকবে আরও কান্না আর হাহাকার। সেজন্যই তো ব্যাপারটা বেশিদূর গড়ানোর আগেই হ্যারি সিন্থিয়াকে নিয়ে এখানে চলে এসেছে। আসার পর থেকেই হ্যারি চেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখেনি। কিন্তু সিন্থিয়া যে হাজার চেষ্টা করেও রিচার্ডকে ভুলতে পারছে না! সেই ছোট্ট-ছোট্ট হাত-পা, নরম তুলতুলে গাল, নীলচে একজোড়া চোখ— আমৃত্যু ভুলতে পারবে না সিন্থিয়া।

    আজ রিচার্ড বেঁচে থাকলে তার একবছর পূর্ণ হত।

    “কোথায় গেলি আমার সোনা আমাকে ছেড়ে!” হাহাকার বেরিয়ে আসে সিন্থিয়ার বুক চিরে, “ফিরে আয় মায়ের কাছে। দেখছিস না, আমি কতটা কষ্ট পাচ্ছে!”

    কিন্তু সিন্থিয়া’র এই বুকফাটা আর্তনাদ শোনার জন্য কেউ ছিল না সেই কাঠের বাড়ি আর তুষারঢাকা প্রান্তরে। গুমরে-গুমরে সে বলেই চলে, “এই পবিত্রতম দিনে এমন কেউ কি নেই যে আমার সোনাকে আমার কাছে ফিরিয়ে দিতে পারে? এক হতভাগ্য মাকে তার কোলের সন্তান ফিরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা কী কারও নেই? হে সৰ্বশক্তিমান, তুমি যদি শুনতে পাও, আমার রিচার্ডকে প্লিজ ফিরিয়ে দাও আমার কাছে। এর জন্য আমি যেকোনো মূল্য দিতে পারব।”

    ধুপ করে তখনই দরজার কাছে একটা আওয়াজ হল। যেন ভারী কিছু একটা পড়েছে সেখানে। আওয়াজটা পেয়ে কান্না থামিয়ে সোজা হয়ে বসল সিন্থিয়া।

    তবে কী হ্যারি ফিরে এল? কিন্তু ও যে বলল, তুষারঝড়ে মাঝরাস্তায় আটকে পড়েছে। বরফ সরানো না হলে ও আসতে পারবে না।

    তাহলে কী হ্যারি’র কাছে খবর পেয়ে তার পরিচারিকা মার্থাই এল? সিন্থিয়া রাতে একা এই কেবিনে থাকলে আরো বড়ো বিপর্যয় হতে পারে— এমনটা মার্থা জানে। তাহলে কী সেজন্যই সে গ্রাম থেকে ফিরে এল এই রাতের জন্য? কিন্তু সেটাই বা কী করে সম্ভব? মার্থার গ্রাম এই কেবিন থেকে বহু দূরে। মাঝে একটা ভয়ংকর ঘন জঙ্গল পড়ে। সে জন্যই তো সন্ধে নামার আগেই সব কাজ মিটিয়ে ফিরে যায় মার্থা।

    তাহলে কে এল?

    জানলার কাঁচে আবার চোখ রাখে সিন্থিয়া। নাহ্! হ্যারি বা মার্থা নয়, অন্য একজন মানুষ এসেছে। লাল রঙের পোশাক পরা, বেশ মোটাসোটা চেহারার সেই মানুষটি। মুখে লম্বা সাদা দাড়ি, মাথায় একটা লাল টুপি। দেখলেই বিশেষ একজনের কথা মনে পড়ে। কিন্তু সে তো তার দরজার সামনে মুখ থুবড়ে পড়ে আছে!

    .

    ।। দুই।।

    “এই গরম দুধ আর ব্র্যান্ডির মিশ্রণটা চট করে খেয়ে নিলেই আপনি সুস্থ বোধ করবেন। এই ঠান্ডায় এভাবে কেউ আসে?”

    সান্টাক্লজের ড্রেস পরে থাকা আগুন্তকের মুখের সামনে পেয়ালাটা তুলে ধরল সিন্থিয়া। ফায়ারপ্লেসের মধ্যে আরো কিছু কাঠ গুঁজে দেয় সে। আগুনের শিখাটা দপ করে লাফিয়ে ওঠে। ঘরের মধ্যেও বাড়তি উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে।

    “এই তুষার ঝড় মাথায় করে এই বয়ষ্ক শরীরে কেন বেরিয়েছেন?” সস্নেহ বকুনির সুরে বুড়ো মানুষটাকে জিজ্ঞেস করল সিন্থিয়া।

    “কী করব মা? বহু বছরের অভ্যাস যে।” মুচকি হেসে উত্তর দেয় বুড়ো

    “আপনি এখন একটু সুস্থ বোধ করছেন তো?”

    “হ্যাঁ, আমি এখন একদম ঠিক আছি। আমাকে নিয়ে আর চিন্তা কোরো না মা। আসলে বয়স হয়ে গেছে তো। তার ওপর অনেকক্ষণ হল বেরিয়েছি। তুষারঝড়ের মধ্যে পড়ে শরীরটা বড্ড ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল। এখন আমি একদম ঠিক আছি।”

    “আজ রাতটা বরং এখানেই বিশ্রাম নিন। কাল সকালে যাবেন না হয়।”

    “তা হয় না মা। রাতের মধ্যেই বাকি সবার উপহার পৌঁছে দিতে হবে যে।”

    “কিন্তু আপনি এই তুষারঝড়ের মধ্যে যাবেন কীভাবে?”

    “ওই যে বললাম, আমার বহু বছরের অভ্যাস। আমি ওই কোণের পাহাড়ের ঢালের কলোনিতে থাকি। ছোট্ট একটা কিউরিও শপ আছে আমার। বাড়িতে বুড়ি মা ছাড়া আমার আর কেউ নেই! তাই সারাবছর বেচা-কেনার পর যা পড়ে থাকে, সেগুলোকেই গিফট প্যাক করে, ঝুলিতে পুরে, সান্টা সেজে আজকের দিনে বেরিয়ে পড়ি। ছেলেপুলেরা খুব খুশি হয় আজকের দিনে গিফট্ পেলে! তোমার ঘরে এত রাতেও আলো জ্বলছে দেখে আমি এসেছিলাম। তা মা, আজকের এমন আনন্দঘন দিনেও তোমার চোখের কোণে জল কেন?”

    “ও কিছু না। এমনিই!” একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল সিন্থিয়া’র অন্তর থেকে

    “আচ্ছা বেশ। তুমি কী গিফট নেবে মা? নির্দ্বিধায়

    বলো।”

    “আমার কিচ্ছু চাই না। আপনি সুস্থ থাকুন, তাহলেই হবে।”

    “তা বললে তো হবে না। আমি যখন এসেছি, কিছু না কিছু নিতেই হবে। আচ্ছা… এটা রেখে দাও।”

    নিজের ঝোলা থেকে একটা বড়ো কাঠের বাক্স বের করে আনল দাড়িবুড়ো। তারপর প্রায় জোর করেই সেটা সিন্থিয়ার হাতে তুলে দিল সে।

    “এতে কী আছে?” কৌতূহলী হয়ে বাক্সটা খুলতে গেল সিন্থিয়া।

    “উঁহু, এখন না। আজ রাত ঠিক ১২টার পর খুলবে। যাকগে, এবার আমাকে বিদায় দাও মা। অনেক দূর যেতে হবে যে।”

    দরজা খুলে দিল সিন্থিয়া। বাইরের তুষার ঝড় তখন শান্ত হয়ে গেছে। বেরোনোর মুখে দাঁড়িয়ে পড়ল সেই দাড়িবুড়ো। পরম স্নেহে সিন্থিয়া’র মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে সে বলে উঠল, “মনে রেখো মা, এই বাক্সের মধ্যে যা আছে তার কোনোটাই কিন্তু সত্যি নয়। সবটাই ম্যাজিক! এই পার্থক্যটা কিন্তু ভুলো না। ভুললে তোমারই ক্ষতি হবে। আর হ্যাঁ, এই ম্যাজিক ততক্ষণই কাজ করবে, যতক্ষণ এটা এই চার দেওয়ালের মধ্যে থাকবে। মনে থাকবে তো?”

    অদ্ভুতভাবে হেসে রাতের অন্ধকারে হারিয়ে গেল সেই দাড়িবুড়ো। কাঠের বাক্সটা হাতে নিয়ে বিহ্বলভাবে দাঁড়িয়ে রইল সিন্থিয়া। কে জানে কতক্ষণ পর তার হুঁশ ফিরল। তখন সে দরজা বন্ধ করে ঘরে ফিরে এল।

    কী আছে এই বাক্সে?

    অধীর হয়ে উঠল সিন্থিয়া। দাড়িবুড়ো’র সতর্কীকরণ ভুলে গেল ও। রাত ১২টা অবধি অপেক্ষা করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। ব্যস্ত হাতে গিফট্-প্যাক ছিঁড়ে ফেলল সিন্থিয়া। একঝটকায় খুলে ফেলল কাঠের বাক্সের ঢাকনা।

    রিচার্ড শুয়ে আছে বাক্সটায়! ঘুমোচ্ছে ওর সন্তান। দেবদুর্লভ শান্তি ছড়িয়ে আছে তার ছোট্ট মুখে।

    .

    ।। তিন।।

    “আমি একটু বেরোচ্ছি সিন্থিয়া।” দরজার সামনে দাঁড়িয়ে বলল হ্যারি, “ফিরতে রাত হতে পারে। পারলে মার্থাকে আজকের জন্য রেখে দিও।”

    ও-ঘর থেকে কোনো প্রত্যুত্তর এল না। হতাশ হল হ্যারি। এমন তো হওয়ার কথা ছিল না।

    সদ্য সন্তানহারা সিন্থিয়ার তখন পাগল-পাগল অবস্থা। এই চুপ করে বসে আছে, এই দেওয়ালে মাথা ঠুকছে! চেনা-অচেনা যাকে সামনে পাচ্ছে, তাকেই ধরে জিজ্ঞেস করছে, “আমার রিচার্ড কোথায়?”

    ভাবগতিক দেখে ডক্টর স্ট্যানলি তো বলেই দিলেন, “শুধু মেডিসিন আর কাউন্সেলিঙে কিছু হবে না। আপনি সিন্থিয়াকে নিয়ে বাইরে চলে যান। অন্তত এই ক্রিসমাসের সময়টা বাড়ি থেকে দূরে থাকুন। রিচার্ডের স্মৃতিবিজড়িত সবকিছু থেকে সিন্থিয়াকে দূরে রাখুন কয়েকটা দিন।”

    মেনে নিয়েছিল হ্যারি। না মেনে উপায়ও ছিল না তো। সিন্থিয়াকে সে বড়ো বেশি ভালোবাসে। তাই নিজের প্রাসাদোপম বাড়িঘর ছেড়ে থাকা। নিজের বাড়ি থেকে দূরে, আত্মীয়-পরিজন থেকে অনেক দূরে, জনহীন এই পাহাড়-জঙ্গলে ওর দূরসম্পর্কের এক কাকা’র এই ছোট্ট কাঠের কেবিনে সেজন্যই তো আসা।

    একদম শুরুর দিকে এই তুষারাবৃত নির্জন কেবিনে বেশ অস্বস্তি লাগত ওদের। পরে কিন্তু ওরা দু’জনেই অনেকটা মানিয়ে নিয়েছিল। এমনকি রিচার্ডের স্মৃতিকে আপাত বিরতি দিয়ে, সিন্থিয়াও অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে উঠছিল। ওষুধে সিন্থিয়া বেশ ভালো রেসপন্স করছিল। তার চেয়েও বড়ো কথা, এখানকার সুউচ্চ গাছের সারি, তাদের মাথায় জমে থাকা আলোছায়া, তাদের গোড়ায় জমে থাকা পুরু বরফের স্তর, নাম না জানা পাহাড়ি ফুল, জমে যাওয়া ঝর্না— প্রকৃতির এই উদার রূপের মধ্যে তারা হারিয়ে গেছিল। দু’জনে দু’জনকে নতুন করে চিনতে শুরু করেছিল। এমনকি সম্পর্কে এক নতুন উষ্ণতা আসায় তারা দু’জনেই শোকতাপ পেছনে ফেলে এগোনোর কথা ভাবছিল।

    কিন্তু বাদ সাধল ওই সর্বনেশে পুতুলটা!

    কে এক লোকাল সান্টাক্লজ নাকি বাড়ি বয়ে সিন্থিয়াকে ওটা দিয়ে গেছে। ব্যস, তারপরেই তার নাওয়া-খাওয়া মাথায় উঠেছে। সারাদিন ওই পুতুলকে বুকে করে নিয়ে আগলে বসে আছে। সেই নাকি রিচার্ড। হারিয়ে গিয়েছিল সে, এখন ফিরে এসেছে মা’র কোলে! সারাদিন সিন্থিয়া তারই যত্ন করছে। তাকেই খাওয়াচ্ছে, স্নান করাচ্ছে, ঘুম পাড়াচ্ছে, এমনকি বুকের দুধও খাওয়াতে চাইছে!

    প্রথম প্রথম ব্যাপারটা নিয়ে বেশি মাথা ঘামায়নি সে। কিন্তু এবার হ্যারি’র বেশ চিন্তা হচ্ছে। তার মনে হচ্ছে, এখানকার সব কিছু মিটিয়ে, জলদিই বেরিয়ে পড়তে হবে। এই পরিবেশ বেশিদিন থাকলে সুস্থ হওয়ার বদলে সিন্থিয়া আরো বেশি অসুস্থ হয়ে পড়বে।

    “সিন্থিয়া, আমি বেরোচ্ছি! অনেকটা রাস্তা যাব। কিছু খাবার বানিয়ে দিতে পারবে?” আরেকবার চেষ্টা করল হ্যারি। কিন্তু এবারও কোনো সাড়া এল না। শোয়ার ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে ভেতরে তাকাল ও।

    সিন্থিয়া একমনে পুতুলটাকে কোলে বসিয়ে খাওয়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছিল।

    চোখমুখ আঁকা একটা কাপড়ের পুঁটলির মুখে খাবারের ডেলা ফুঁসে দিয়ে “খাও সোনা! খাও।” বলার মধ্যে মা’র মমতা খুঁজে পাচ্ছিল না হ্যারি। ওর কাছে বরং পুরো জিনিসটা বীভৎস ঠেকছিল।

    “তুমি কী সত্যিই পাগল হয়ে গেলে সিন্থিয়া?” আর নিজেকে সামলাতে না পেরে চিৎকার করে উঠল হ্যারি, “ওটা একটা পুতুল। ও আমাদের রিচার্ড নয়! আমরা আজই শহরে ফিরে যাব। তুমি ব্যাগ গোছাও সিন্থিয়া।”

    সিন্থিয়া ভ্রূক্ষেপ করল না। গলায় সবটুকু জোর এনে চেঁচাল হ্যারি, “কী হল? আমার কথা কি কানে যাচ্ছে না তোমার? জিনিষপত্র গোছাও। যথেষ্ট হয়েছে।”

    সিন্থিয়ার হাত ধরে এক হ্যাঁচকা টান মারল হ্যারি। হাতে ধরা খাবারের বাটিটা ছিটকে পড়ল।

    “আমাকে ছেড়ে দাও! আমি কোথাও যাব না আমার রিচার্ডকে ছেড়ে।” চিৎকার করে উঠল সিন্থিয়া। আঁচড়ে-কামড়ে হ্যারি’র হাত থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিল সে।

    ঘটনার আকস্মিকতায় স্তব্ধ হয়ে গেল হ্যারি। সিন্থিয়ার এই ভয়ানক রূপ সে আগে দেখেনি। এ তার সিন্থিয়া হতেই পারে না। তার শরীরে যেন কোনো পিশাচিনী ভর করেছে! হ্যারী বুঝল, অনেক দেরি করে ফেলেছে সে। অবস্থা প্রায় হাতের বাইরে চলে গেছে। আর দেরি করা যাবে না। সিন্থিয়ার ‘রিচার্ডের’ দিকে ছুটে গেল সে। তারপর, সিন্থিয়া’র তাকে আটকানোর বিন্দুমাত্র সুযোগ না দিয়ে, এক ঝটকায় হ্যারি তুলে নিল সর্বনেশে পুতুলটাকে। সর্বশক্তি দিয়ে সেটাকে সে ছুঁড়ে মারল কাচের জানলার দিকে।

    কাচ ভেঙে পড়ল। পুতুলটা ছিটকে গিয়ে পড়ল বরফের স্তূপে।

    “রিচার্ড!” বুকফাটা চিৎকার করে বাইরে ছুটল সিন্থিয়া, “আমার রিচার্ড সোনা!”

    বরফের মধ্যে হাঁটু গেড়ে বসে তার রিচার্ডকে বুকে তুলে নিল সিন্থিয়া। সস্নেহে বলে উঠল, “তোর লাগেনি তো সোনা?”

    কিন্তু এ কী! এটা কে? এ তো তার রিচার্ড নয়। এ তো একটা পুতুল! এটা কী করে হল?

    স্তব্ধ হয়ে গেল সিন্থিয়া। কী করবে ভাবতে গিয়েই তার মনে পড়ে গেল সেই দাড়িবুড়োর কথাগুলো।

    “মনে রেখো মা, এই বাক্সের মধ্যে যা আছে তার কোনোটাই কিন্তু সত্যি নয়। সবটাই ম্যাজিক!”

    হতবাক হয়ে কিছুক্ষণ বসে রইল সিন্থিয়া। তারপর বিড়বিড় করে বলে উঠল, “এই চার দেওয়ালের মধ্যেই আমাকে থাকতে হবে। এখান থেকে আমাদের যাওয়া চলবে না।”

    ভাঙা কাচের একটা টুকরো হাতে নিয়ে, নিষ্প্রাণ রিচার্ডকে কাঁধে তুলে সিন্থিয়া একটু-একটু করে এগিয়ে গেল ঘরের দিকে

    .

    ।। চার ।।

    ‘আজকের রাতটাও কী অদ্ভুত, তাই না? ঠিক সেদিনের মতোই লাগছে এই ক্রিসমাসের রাতটাকেও। কিন্তু আজ কী সে আসবে?”

    ভ্রমরের মতো প্রশ্নগুলো গুঞ্জন তুলল সিন্থিয়া’র মনে। তারাই আবার উত্তর বয়ে আনল— ‘তাকে আসতেই হবে! আসতেই হবে তাকে। না হলে সিন্থিয়া বাঁচবে কী করে?’

    জানলার কাচের সীমানা পেরিয়ে তার নজর চলে গেল ধু-ধু বরফের বুকে। চাঁদ আর মেঘের খেলা তখন শ্বেতশুভ্ৰ পৃথিবীকে একটুকরো স্বপ্নের মতোই চেহারা দিয়েছে। তারই মাঝে, একবুক স্বপ্ন নিয়ে, অনন্ত অপেক্ষায় বসে রইল সিন্থিয়া।

    “আপনাকে আসতেই হবে প্রভু। এই শেষবার! দয়া করুন আমার ওপর, হে সর্বশক্তিমান।”

    সিন্থিয়া’র আকুল আর্তনাদে কেঁপে উঠছিল ঘরের চারটে দেওয়াল। কাঁদতে-কাঁদতে ক্লান্ত চোখদুটো কখন লেগে গেছিল ও টেরও পায়নি। দরজার কড়া নাড়ার শব্দে ঘুম ভাঙল সিন্থিয়া’র

    সে দৌড়ে ছুটে গেল দরজার দিকে। এক টানে খুলে ধরল দরজা।

    “কী ব্যাপার সিন্থিয়া? তুমি আবার কাঁদছিলে কেন?” সেই এক কণ্ঠস্বর, এক চেহারা, এক পোশাক! স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইল সিন্থিয়া। সে বুঝতে পারছিল না, এ প্রশ্নের কী উত্তর সে দেবে। ঘন দাড়িগোঁফের জঙ্গলের মধ্য থেকে মুচকি হাসি সঙ্গে নিয়ে প্রশ্ন ভেসে এল, “বল সিন্থিয়া, কী উপহার চাই তোমার? আমাকে আবার কেন ডাকলে?”

    “আমার আরো একটা ম্যাজিক পুতুল চাই।” কাঁপা- কাঁপা গলায় উত্তর দিল সিন্থিয়া।

    “ম্যাজিক পুতুল?” হাসল লালটুপি দাড়িবুড়ো, “এবার কাকে চাও সিন্থিয়া?”

    সিন্থিয়া আঙ্গুল তুলে শোয়ার ঘরের খোলা দরজাটা দেখায়। ভেতরে খাটটা দেখা যাচ্ছিল। সেখানে ছোট্ট পুতুলটার পাশেই শুয়ে ছিল হ্যারি’র নিথর দেহ। তার বুকে বিঁধে থাকা কাচের টুকরোর নীচ থেকে বেরিয়ে আসা রক্তের ধারা ভিজিয়ে দিয়েছিল বিছানাটা।

    ***

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত
    Next Article প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    Related Articles

    কৌশিক সামন্ত

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    কৌশিক সামন্ত

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Our Picks

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }