Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    কৌশিক সামন্ত এক পাতা গল্প135 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নোটিফিকেশান – কৌশিক সামন্ত

    “প্রেমিকার উষ্ণ বুকে, হাত আমার সেঁকব সুখে।”

    “আবার অসভ্যতামি শুরু করলি, তুই না একটা যাচ্ছেতাই।”

    হোটেলের রুমে ঢুকে সবে ড্রেসটা চেঞ্জ করতে শুরু করেছিল সর্বাণী, আর তখনই আচমকা শোভনের পেছন থেকে জড়িয়ে ধরা।

    “ওহ্ আমি অসভ্য হয়ে গেলুম, আর শালা এই শীতকালে মন্দারমণি আসতে কে বলেছিল? এইবারে ঠ্যালা বোঝ।”

    “শীতে কি বেড়াতে নেই?”

    “নাহ্, এই সময়ে লেপের তলায় ঢুকে জমিয়ে প্ৰেম করার দিন।”

    “এই এগোবি না একদম বলছি, সমুদ্রে ডুবকি মারার আগে কিচ্ছু নয় কিন্তু।”

    “তবে রে, দাঁড়া মজা দেখাচ্ছি…!”

    “শোভন, শোভন, দরজাটা খোল বাবা, আর কতদিন এভাবে নিজেকে বন্ধ করে রাখবি, যে যাওয়ার সে তো চলেই গেছে।” দরজার ওপর একপ্রস্থ ব্যস্ত হাতের আওয়াজে চিন্তার জালটা ছিঁড়ে যায় শোভনের।

    “আজ চার দিন হয়ে গেল, এই এভাবে নিজেকে ঘরবন্দি করে রেখেছিস, তুই এভাবে সমাজ-সংসার-জীবন থেকে পালিয়ে বেড়ালে কি সর্বাণী ফিরে আসবে তোর কাছে?”

    “আহ্, তোমরা আমাকে একটু একা ছাড়বে! কতবার বলেছি আমি একটু একা থাকতে চাই।”

    “আজকের দিনটায় অন্তত একটু বেরিয়ে আয় বাবা, এতটা অবুঝ হোস না।”

    “আহ্! আমাকে একটু মুক্তি দেবে তোমরা?”

    পাশে রাখা শুকিয়ে যাওয়া রজনিগন্ধার ফুলদানিটা সজোরে ছুড়ে মারে শোভন দরজার দিকে, ঝনঝন শব্দে চারদিকে ভাঙা কাচ ছড়িয়ে পড়ে। বাইরের চিৎকারগুলো আস্তে আস্তে থেমে যায়, ওরা নিরাশ হয়ে পড়ে বোধহয়।

    সেবার মন্দারমণিতেই মাথাব্যথাটা শুরু হয়েছিল সর্বাণীর, ফিরে এসে একগাদা টেস্ট, একগাদা ওষুধ ডাক্তার, আশীর্বাদ প্রার্থনা মন্দির মসজিদ, কিন্তু নাহ্ কিছুতেই কিছু লাভ হয়নি, ধরা পড়েছিল ব্রেন টিউমার, লাস্ট স্টেজ। অথচ আগে কিছু বোঝাই যায়নি কিন্তু, যখন বোঝা গেল, তখন বড্ড দেরি হয়ে গেছে, ছমাসের সংগ্রাম শেষ হয়ে গেছে চার দিন আগেই, এই নিজের হাতেই শর্বানীকে বিদায় জানিয়ে এসেছে সে…।

    নাহ্, আর সে পারছে না, মাথাটা ছিঁড়ে যাচ্ছে যন্ত্রণায়, তার শরীর আর দিচ্ছে না, থরথর করে কাঁপছে, মনে হচ্ছে এক্ষুনি সে মুখ থুবড়ে পড়ে যাবে, কিন্তু তাকে তো জেগে থাকতেই হবে, আজ যে সেই দিন।

    “ধুর বোকা, তুই কাঁদছিস কেন, আমি কি তোকে চিরদিনের জন্য ছেড়ে যাচ্ছি নাকি? আমার হাত থেকে তোর এত সহজে মুক্তি নেই, এই পাগল ছেলে চোখ মোছ আর আমার দিকে তাকা, তোকে শক্ত থাকতেই হবে, আমার জন্য বাঁচতে হবে তোকে, বল পারবি না?”

    “পারব।”

    “ঠিক তো? কথা দিচ্ছিস তো আমাকে? তুই কথা রাখলেই কিন্তু আমি ঠিক ফিরে আসব তোর কাছে।”

    সর্বাণীর সাথে বলা শেষ কথাগুলো ছিল এটাই, কিন্তু নাহ্ সে নিজেকে শক্ত রাখতে পারেনি, আসলে সম্ভবও ছিল না, সেই স্কুলজীবন থেকে যে সম্পর্কের সূত্রপাত, তারপর কলেজের সিঁড়ি বেয়ে বিয়ের পিঁড়িতে যে স্বপ্নগুলো একটু একটু করে সেজে উঠছিল, সেটা আচমকা এভাবে শেষ হয়ে যাবে কেন?

    যে সর্বাণীকে ছেড়ে এক মুহূর্তও কাটানো তার পক্ষে সম্ভব ছিল না, আজ তাকে ছেড়েই গোটা জীবন কাটাতে হবে শোভনকে?

    এই প্রশ্নগুলো বারবার সে নিজেকে করেছে, কিন্তু উত্তর দেবে কে? সে জানে না। সে শুধু জানে তার সর্বাণী তাকে কথা দিয়েছে মৃত্যুশয্যায়, সে ফিরে আসবে।

    দেয়াল ঘড়িটার দিকে বারবার তাকাচ্ছে শোভন, আর একটু পরে বারোটার কাঁটা ছোঁবে ঘড়িটা। আর তারপরেই…।

    তারপরেই? তারপরেই কী হবে? সে যা আশা করছে সেটা কি কোনোদিনও সম্ভব? আচ্ছা সে পাগল হয়ে যাচ্ছে না তো? কিন্তু সর্বাণী যে কথা দিয়েছে সে আসবে ফিরে, দীর্ঘ ৭ বছরের অভ্যাসটা কি সে ভুলে থাকতে পারবে?

    হা ঈশ্বর, মাথার চুলগুলোকে সজোরে টেনে ধরে শোভন, মনে হয় উপড়ে নিলে বোধহয় শান্তি মিলবে।

    কুক কুক কুক কুক, টেবিলের ওপরে থাকা শোভনের মোবাইলটা বাজতে শুরু করে, এই রিংটোন শোভন চেনে, এক ঝটকায় সে উঠে বসে বিছানার ওপর, ঘড়ির দিকে তাকায়, ঠিক ১২টা।

    তবে কী? তবে কী? তার স্বপ্নটাই সত্যি হতে চলেছে? এক লাফে সে বিছানা থেকে টেবিলের ওপর হুমড়ি খেয়ে পড়ে।

    কাঁপা কাঁপা হাতে ফোনটাকে তুলে নেয়, স্ক্রিনে দেখতে পায় ‘সর্বাণী কলিং’, কিন্তু এ কী করে সম্ভব, সে নিজের হাতে যে তাকে… তবে কি তার সর্বাণী সত্যিই লাস্ট সাত বছরের মতো তাকে ঠিক ১২টায় বার্থডে উইশ জানাচ্ছে? নাকি কেউ তার সাথে নিছক মজা করছে। টেবিলের ড্রয়ারটা এক ঝটকায় সে টেনে মাটিতে ফেলে, বিকট আওয়াজ করে সেটা মেঝেতে এসে পড়ে। এলোমেলো ভাবে চারিদিকে ছিটকে পড়া ড্রয়ারের জিনিসগুলোর মাঝে পাগলের মতো হাতড়ে চলে শোভন।

    ওই, ওই তো সর্বাণীর মোবাইলটা, কিন্তু এটা তো সুইচ অফ। তবে কি সিমটা কেউ নিয়ে… নাহ্ সিমও তো জায়গায় লাগানোই আছে, শোভনের চোখ দিয়ে টুপ করে এক ফোটা জল বেরিয়ে পড়ে মোবইলের ওপর, ‘সর্বাণী কলিং” লেখাটা কেমন যেন অস্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে, গত চারদিন ধরে সে যে মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করে আছে, আজ সেই সময় এসে উপস্থিত। কিন্তু সে ফোনটা রিসিভ করতে পারছে না কেন, সে কি ভয় পাচ্ছে? তবে ভয় কি ভালোবাসাকে হারিয়ে দিচ্ছে? নাহ্, বিকট একটা একটা আর্তচিৎকার করে ওঠে শোভন।

    ***

    “স্যার, প্লিজ একবার রুম নাম্বার ৪৯৯-তে আসুন, পেশেন্টের জ্ঞান ফিরছে।”

    প্রচুর আলো, চোখ ধাঁধিয়ে যায় শোভনের, সাদা পোশাক পরা ওরা কারা দাঁড়িয়ে আছে? এটা কি হাসপাতাল নাকি, সে এখানে কী করে এল? সর্বাণী কোথায়? ওই তো মা- বাবা, কিন্তু ওরা কাঁদছে কেন? তার কী হয়েছে? সে হাসপাতালের বেডেই বা কেন? তার মাথায় এই বড়ো হেলমেট কে লাগাল? উফ কী ভারী সেটা, চারদিকে কত তার লেগে আছে সেই হেলমেটে, আর কত মনিটর, কত মেশিনারি, কিন্তু কেন? কে দেবে তার এসব প্রশ্নের উত্তর?

    “আর কাঁদবেন না মিস্টার অ্যান্ড মিসেস রায়, আপনাদের ছেলে সম্পূর্ণ সুস্থ এখন, ওকে কদিনের মধ্যেই বাড়ি নিয়ে যেতে পারেন। তবে ওকে মাঝে মাঝে কিন্তু কাউন্সিলিং-এ নিয়ে আসতে হবে আমার কাছে।

    এক কাঁচাপাকা চুলের মধ্যবয়সি ডাক্তারকে এগিয়ে আসতে দেখতে পায় শোভন। সবাই কেমন একটা শ্রদ্ধার দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে আছে, ভদ্রলোকের মুখে একটা হালকা হাসি, সবাই রাস্তা ছেড়ে দিচ্ছে কেমন

    “কাউন্সেলিং? কী হয়েছে আমার কেউ আমাকে বলবে? মা-বাবা, কী হচ্ছে এগুলো?”

    “ধীরে ধীরে ইয়ং ম্যান। উত্তেজিত হয়ো না। তোমার মা সব বলবেন তোমাকে, তুমি ভালো হয়ে গেছ। শোভনের মাথার চুলের হাত বুলিয়ে দেন সেই মানুষটা।”

    “আমরা যে কী বলে আপনাকে ধন্যবাদ জানাব স্যার, আজ কতদিন পর যে ও আমাদের মা-বাবা বলে ডাকল।”

    “উঁহু আমাকে, নয় সব অলমাইটির আশীর্বাদ, নাউ এক্সিউজ মি আমাকে একটু আসতে হবে, আপনারা থাকুন, চললাম ইয়ং ম্যান, আবার পরে দেখা হবে।”

    শোভনের মা-বাবা অবাক চোখে দেখতে থাকেন ডাক্তার ফ্রান্সিসের আকস্মিক চলে যাওয়াটা, যেন ঝড়ের গতিতে বেরিয়ে যান ভদ্রলোক। অবাক হয় না নার্স শেলি, সে জানে প্রতিটা পেশেন্টের রিকভারির পর ডাক্তারবাবু কোথায় যেন বেরিয়ে যান দুম করে, সেদিন আর ফেরেন না।

    .

    সেটা শুধু জানে ডিসুজা, ডাক্তার ফ্রান্সিসের ড্রাইভারটা। তাই সে রেডি হয়েই ছিল, ডাক্তারবাবু এসে বসতেই কালো রঙা মার্সিডিজটা এক গলা ধোঁয়া ছেড়ে বেরিয়ে যায়। সামনের আয়নায় ডিসুজা আড়চোখে ডাক্তারবাবুকে দেখতে থাকে, কী নিরুত্তাপ এই মানুষটা, কী বিশাল খ্যাতি, সবাই ভগবান বলে জ্ঞান করে থাকে, অথচ এই মানুষটার কাজকে সরকার এখনও সরাসরি সম্মতি দেয় না। কী নাকি তিনি অলটারনেটিভ ওয়েতে কাজ করেন, এক্সপেরিমেন্টাল ফেজ। আরে বাপু তোদের ডাক্তারদের মতো পাগলদের গারদে ল্যাংটো করে রাখলেই কি তারা সেরে উঠত, কে জানে বাপু সরকারের মতিগতি মাঝে- সাঝে বোঝা দায়।

    .

    ‘জানো জেসমিন, শোভনকে নিয়ে যখন ওর বাবা- মা প্রথমবার আমার কাছে এসেছিল, একটা জড়ানো মাংসপিণ্ড। কোনো সাড় ছিল না। আই আই টি খড়গপুর পাশ, কী ব্রিলিয়ান্ট ছেলে, কিন্তু স্বপ্নের স্টার্টআপের সাডেন কোলাপশন, ড্রাগস, পরপর সুইসাইডস অ্যাটেম্পটস, বড্ড ক্রিটিকাল ছিল এবারের কেসটা জানো। বাঁচার ইচ্ছেটাই হারিয়ে ফেলেছিল ছেলেটা। কিন্তু আমি পেরেছি জেসমিন, পেরেছি আবার ওকে স্বপ্নের মোহভঙ্গ দিয়েই ওর মৃত স্বপ্নের চারটে মুখস্থ দেয়াল ভেঙে আবার বাস্তবের মাটিতে এনে দাঁড় করাতে। রক্তমাংসের একটা পিণ্ড থেকে আবার একটা সংবেদনশীল মানুষে ফিরিয়ে দিতে। আমি পেরেছি কেন জানো, শুধু তোমার জন্য।’ মেসেজটা বড্ড বড়ো হয়ে গেল, জেসমিন আবার বড়ো মেসেজ পছন্দ করে না। আচ্ছা পড়বে তো সে? মুখে একটা হাসি খেলে যায় ডাক্তার ফ্রান্সিসের। ধুস, বাচ্চাদের মতো তিনি কী ভাবছেন, হোয়াটস্অ্যাপের সেন্ড বোতামটা টিপে দেন তিনি। ডিসুজা অবাক হয়ে দেখতে থাকে, এত বড়ো মানুষটা কিন্তু কীরকম একা একা হাসছে দ্যাখো, কে জানে বাপু বড়ো মানুষদের মতিগতি সে ঠিক ধরতে পারে না যেন।

    গাড়িটা এসে দাঁড়ায় একটা পরিত্যক্ত কবরখানার সামনে। দরজা খুলে নেমে আসেন ডাক্তার ফ্রান্সিস, ধীর পায়ে এগিয়ে যান গেটের দিকে।

    ক্যাঁচ করে শব্দ করে কবরখানার গেটটা খুলে যায়, এগিয়ে যান ডাক্তারসাহেব। একটার পর একটা জীর্ণ কবর সাবধানে এড়িয়ে একটার সামনে স্থির হয়ে দাঁড়ান তিনি। হাঁটু মুড়ে বসে পড়েন। হাতের কালো গোলাপগুলো নামিয়ে রাখেন, দু হাত দিয়ে কবরের ওপর জমে থাকা পাতাগুলো সরাতে থাকেন তিনি। এমন সময় গোঁ-গোঁ করে পকেটের মোবাইলটা বেজে ওঠে, পকেট থেকে বের করে আনেন মোবাইলটা তিনি, হোয়াটস্অ্যাপের নোটিফিকেশান, মেসেজ এসেছে জেসমিনের, ‘আই নো মাই ডিয়ার, ইউ ক্যান ডু ইট, এন্ড ইউ হ্যাভ টু ডু ইট এগেইন এন্ড এগেইন ফর মি. আই উইল অলওয়েজ বি উইথ ইউ. আর একটা লাভ স্মাইলি।’

    উঠে পড়েন ডাক্তার ফ্রান্সিস, এবারে ফিরতে হবে, ধীর পায়ে পেছনে ফিরতে থাকেন তিনি, হঠাৎ এক দমকা হাওয়া ভেসে আসে, যেন সজোরে আলিঙ্গন করতে চায় তাকে। দাঁড়িয়ে পড়েন তিনি, দু হাত বাড়িয়ে কাকে যেন প্রতিআলিঙ্গন করেন। মৃদু হেসে পেছনে ফিরে তাকান একবার সেই কবরটার দিকে। হাওয়ার তোড়ে একটু একটু করে সব ঝরা পাতা সরে যাচ্ছে কবরের ওপর থেকে, সেমেট্রি মেমোরিয়াল প্লেটটা এবারে স্পষ্টভাবে দেখা যায়।

    .

    ‘ইন লাভিং মেমরি অফ, ওয়াইফ, ফ্রেন্ড, গাইড জেসমিন ফ্রান্সিস

    ডিসেম্বর ১৪, ১৯৮০ – জানুয়ারি ৩০, ২০০৯’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত
    Next Article প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    Related Articles

    কৌশিক সামন্ত

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    কৌশিক সামন্ত

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Our Picks

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }