Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    কৌশিক সামন্ত এক পাতা গল্প135 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চিল্কিগড়ের জঙ্গলে – কৌশিক সামন্ত

    “মিস্টার মল্লিক, মিস্টার মল্লিক, শুনতে পাচ্ছেন?”

    “হ্যাঁ, ও সরি ডক্টর, আসলে চোখ দুটো লেগে গেছিল, হাউ ইজ শি?”

    “ডোন্ট ওরি, শি ইজ ফাইন নাও।”

    “আমি কি এখন ওর সাথে দেখা করতে পারি ডক্টর সেন?”

    “এখন না মিস্টার মল্লিক, এতবড়ো একটা সার্জারি, জ্ঞান আসতে সময় লাগবে, সিস্টার উইল লেট ইউ নো।”

    “থ্যাঙ্কস এ লট ডক্টর, আপনি না থাকলে এসব কিছুই পসিবল ছিল না, লুসিকে হয়তো আমি আর ফিরেই পেতাম না।”

    “এখন এসব কথার সময় নয় মিস্টার মল্লিক, রিজয়েস করুন, পুরোনো কথা ভুলে যান।”

    “সে তো করবই ডক্টর, ইট উইল বি এ গ্র্যান্ড সেলিব্রেশন, আপনি দেখে নেবেন। বাট ডক্টর, ইফ আই যে, ডোনারের ডিটেলস্‌টা যদি জানতে পারতাম, মল্লিক এম্পায়ারের একমাত্র উত্তরআধিকারিণীকে নতুন জীবন দানের মূল্যটা কিছুটা অন্তত চোকাতে পারতাম।”

    “দেখুন মিস্টার মল্লিক, আপনাকে আমি আগেও বলেছি আর আবারও বলছি, হয়তো শেষবারের জন্য বলছি, ডোনারের সম্বন্ধে কিছু ডিসক্লোজ করা আমাদের পলিসি নয়। আপনার কাছ থেকে ডোনেশান স্বরূপ যা নেওয়া হয়েছে, সবটাই যাবে ডোনারের কাছে, সে বিষয়ে নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন। আর এর বাইরেও যদি কিছু উপহার দিতে আপনার মন চায়, তাহলে আমাদের অ্যাসিড ভিক্টিম মহিলাদের জন্য একটা স্পেশাল ওয়ার্ড রয়েছে, যেটা আমরা নিজেরাই চালাই, ওখানে আপনি কন্ট্রিবিউট করতে পারেন, যেটা আপনার মন চায়।”

    “শিউর, শিউর ডক্টর সেন, আই উইল ডেফিনিটলি, আপনারা আমার মেয়েকে আমার কাছে ফিরিয়ে দিয়েছেন, এটুকু তো করতেই পারি আমি।”

    “তাহলে ওই কথাই রইল মিস্টার মল্লিক, বাকিটা সিস্টার এসে আপনাকে জানিয়ে দেবে, আপনি এখানে এসে আর না বসে, আমাদের গেস্টরুমে গিয়ে বিশ্রাম নিন, আমি সিস্টারকে সব বলে যাচ্ছি, আমাকে এবার যেতে হবে একটু।

    তিনি ঈশ্বর দেখেননি, কিন্তু ঈশ্বর বুঝি এরকমই হয়…. ডাক্তার সেনের চলে যাওয়ার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন মিস্টার মল্লিক, শ্যামসুন্দর মল্লিক, মল্লিক গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজের একমাত্র মালিক। কিন্তু কী অসহায় হয়ে পড়েছিলেন মাত্র কদিন আগে, যখন জানতে পেরেছিলেন তার জীবনের একমাত্র সম্বল, তার আদরের লুসির দুটো কিডনিই বিকল। নিমেষে পায়ের তলার মাটি নড়ে গেছিল তার, কারণ মা-মরা মেয়েটার জীবনে তিনিই যেমন একমাত্র সহায়, তেমনি মিস্টার মল্লিকের জীবনেও লুসিই ছিল একমাত্র সম্বল। কিন্তু সবটুকু উজাড় করে দিয়েও, না তার নিজের গ্রুপ মিলছিল লুসির সাথে, আর না ঠিকঠাক ডোনার। তারপর হঠাৎ একদিন ডাক্তার সেনের সাথে অদ্ভুতভাবে যোগাযোগ হয়, নাহ্ এসব কী ভেবে চলেছেন তিনি, আর এসব ভাববেন না তিনি, এবার লুসিকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পালা।

    চোখের জলটা মুছে ভিআইপি গেস্টরুমের দিকে এগিয়ে যেতে থাকেন মিস্টার মল্লিক।

    .

    ।। দুই।।

    “ইত্ত কী ভাবছিস রে বাবু?”

    “ওরা বোধহয় আমাদের আর একসাথে থাকতে দেবে না রে পারুল।”

    “ধুস কী যে বলিস লা তুই, আমি কিচ্ছু মাথামুণ্ডু বুঝিনে বাপু।”

    “তুই বুঝবিও না সাঁওতাল গবেট কোথাকার!”

    “হি আমি মুখ্যু সাঁওতাল আছি বটে, তুকে কে আসতে বলছিল আমার সাথে পিরিতটো মাড়াতে? যা দিকিনি আমার কাজ আছে অনেক।”

    “রাগ করিস না রে, আমার মাথার ঠিক নাই।”

    “জানি রে বাবু, তুই ভাবিসনি, উই সেদিন যেমন আমার এই হেঁসোটা দিয়ে গোখরোটাকে আধলা করে দিছলাম, তেমনই আমাদের যে আলাদা করতে আসবে তাদের সব শালার মাথা অমনি করে কেটে লিব।”

    খুব কষ্টে মুখের হাসি মুখে চেপে রেখে অবাক হয়ে পারুলের চোখ দুটো দেখতে থাকেন দর্পনারায়ণ, কী সরলতা মাখা সেখানে, পারুলের বিশ্বাসটা ভাঙতে তাঁর মন চায় না।

    কিন্তু তিনি নিজেও জানেন জামবনির রাঘুনাথগড়ের জমিদার বাড়ির কুলপ্রদীপ দর্পনারায়ণের সাথে তাঁদেরই প্রজা এক সামান্য সাঁওতাল কন্যার মিলনটা কতটা অবাস্তব। সব জানে সব বোঝে, কিন্তু তবুও তো মানুষ ভুল করে, যেমনটা তিনি করেছেন, ভালোবেসে ফেলেছেন। বিদেশ ফেরত সুপুরুষ দর্পনারায়ণ চাইলেই পারতেন কোনো সাহেব-মেম অথবা কোনো উচ্চবংশীয় জমিদারকন্যাকে ঘরে আনতে। কিন্তু নাহ্, তার ওই মেঘের মতো শ্যামলা মেয়েটাকেই পছন্দ হল। যার চুলে মহুয়ার আবেশ। যার গায়ে বৃষ্টি পড়া প্রথম মাটির গন্ধ।

    “তুই ফের আকাশটো-পাতালটো ভাবতে লেগেছিস?”

    “তোর এসব মাথায় ঢুকবে না রে পাগলি। তুই যেমন মাথায় সুড়সুড়ি দিচ্ছিস দে, ওটা তুই বড্ড ভালো পারিস।”

    “এই যা তো, আমাকে মানুষটো বলেই জ্ঞান করিস না তুই।” এক ঝটকায় নিজের কোল থেকে দর্পনারায়ণের মাথাটা মাটিতে ফেলে দেয় পারুল।

    “আহ্‌…….” করে হালকা আর্তনাদ করে ওঠেন দর্পনারায়ণ

    “লাগল বাবু? মুকে ক্ষমাটো করে দিস, আমি বুঝতে পারিনি অতটো জোরে লেগে যাবে।” রুক্ষ পাথুরে জমি, আঘাতটা বুঝি জোরেই গেছিল, দর্পনারায়ণের কপালের একপাশটা কেটে যায়, দরদর করে সেখান থেকে রক্ত ঝরতে থাকে। এক ঝটকায় নিজের পরনের কাপড়টা ছিঁড়ে ফেলে পারুল, তারপর শক্ত করে চেপে ধরে দর্পনারায়ণের কপালটা। তার মাথাটা নিজের বুকের মধ্যে চেপে ধরে পারুল।

    “তুই কিচ্ছু ভাবিসনি বাবু, তুকে লিয়ে যাব আমাদের কিঙ্কিনী দেবীর মন্দিরে, মা খুব জাগ্রত জানিস, উখানে যাদের বিয়ে হয় তাদের সাতজন্ম কেউ আলাদা করতে পারে না, তুর বাপ, বাপের লেঠেল সব ফেল মেরে যাবে দেবীর সামনে, আমরা সেখানেই বিয়ে করব দেখিস, আমাদেরও কেউ আলাদা করতে পারবেনি। মাথার ব্যাথাটা ক্রমশ কমে আসে দর্পনারায়ণের, পারুলের নরম মাংসল বুকের গরম ছোঁয়া, ওর চোখের জলের সরলতা, আর সেই মেটে গন্ধটা, কেমন যেন হারিয়ে যেতে থাকেন তিনি।

    .

    ।। তিন।।

    “নদীটার নাম কী রে?”

    “ডুলুং।”

    “ডুলুং! এটা আবার কীরকম নাম হল?

    “কেন খারাপ কী?”

    “কীরকম জংলি-জংলি, তাই না?”

    “হুম, উড বি বিদেশিনির তো সবই এখন জংলা- জংলাই লাগবে।”

    “দেখ তোকে আমিও আগেও বলেছি, এটা নিয়ে ইয়ার্কি আমার ভালো লাগছে না।”

    “ইয়ার্কি কই করলাম ম্যাডাম, এটা তো দিনের আলোর মতো উজ্জ্বল ফ্যাক্ট, যে যায় সে আর ফিরে আসে না।”

    “একজন আইটি ইন্ডাস্ট্রির ভেটেরান হয়েও তুই কীভাবে এত ব্যাকডেটেড চিন্তা-ভাবনা এখনও পুষে রাখিস বলতো?”

    “ভালোবেসেছিলাম কিনা তাই।”

    “ওহ্, আর আমি বুঝি ভালোবাসিনি? সেই কলেজের পর আজ সাত বছর হয়ে গেল কোনোদিন শুধু নিজেরটা করে ভেবেছি?”

    “তাহলে আজ ভাবছিস কেন সুপর্ণা?”

    “আজও নিজেদের জন্যই ভাবছি শুভ, ম্যাসাচুসেটস ইউনিভার্সিটির সুযোগটা আমার পক্ষে ছাড়া সম্ভব নয়, এমন তো নয় আমি ওখানেই সেটেল হয়ে যাব। কাজ শেষ হলেই আবার ফিরে আসব এখানে তোর কাছে।”

    “ওরকম সবাই বলে রে, বাট লং ডিসট্যান্স রিলেশানশিপের পরিণতি কারও অজানা নয়।”

    “দেখ নিজেই সব প্ল্যান করলি আর আমার যাওয়ার আগে শেষ উইক এণ্ডটাও কি আমরা ঝগড়া করেই কাটাব? আমাকে এভাবে কষ্ট দিয়েই কি তুই মজা পাস?”

    “শেষ উইক এন্ড, হুম সেটাই বটে।”

    “দেখ এবার কিন্তু সত্যিই চলন্ত গাড়ি থেকে নেমে যাব।”

    “সরি সরি, আর বলব না। এই কান ধরলাম ভুল হয়ে গেছে মাইরি।” শুভর ছেলেমানুষি দেখে হাসি পায় সুপর্ণার, এত বয়স হয়ে গেল তবু বড্ড অবুঝ মানুষটা।

    “হাসছিস কেন রে?”

    “কিচ্ছু না, তুই মন দিয়ে গাড়ি চালা, ভাবিস না অ্যাক্সিডেন্ট করিয়ে আমার বিদেশ যাওয়াটা আটকাটে পারবি।” মুচকি হাসে শ্রীপর্ণা।

    “যথা আজ্ঞা ম্যাডাম অ্যাজ ইউ উইশ।”

    তারা দুজনেই চুপ করে যায়, গাড়ির ইঞ্জিনের শব্দ আর তাদের বুকের চাপা দীর্ঘশ্বাস ছাড়া আর কিছুই শোনা যায় না। ডুলুং নদীর পাশ দিয়ে তাদের সবুজ অলটো-টা এগিয়ে যেতে থাকে।

    .

    ।। চার ।।

    “মিস্টার মল্লিক, লুসির জ্ঞান ফিরেছে, আপনি ওর সাথে দেখা করতে পারেন এখন।”

    চোখটা একটু লেগে গেছিল, সিস্টারের ডাকে হুঁশ ফেরে মিস্টার মল্লিকের, উফ কী ভয়ংকর একটা স্বপ্ন দেখছিলেন এতক্ষণ তিনি। একটা গভীর জঙ্গলে তিনি আর লুসি একা একা পথ হারিয়ে ফেলেছেন, সামনে দেখলেন একটা পোড়ো মন্দির, সাহায্য চাইতে যাবেন কিনা ভাবছেন, হঠাৎ কটা কাপালিকের মতো লোক বেরিয়ে এসে লুসিকে আচমকা জাপটে ধরল, তারা যেন লুসিকে ছিনিয়ে নিয়ে যাবে মিস্টার মল্লিকের হাত থেকে। আহ্, এখন এসব কী ভাবছেন তিনি, মন দুর্বল হলে এরকম ভুলভাল প্রেডিক্ট করে। কিন্তু আর ভয় নেই, ইটস টাইম ফর আ গ্র্যান্ড সেলিব্রেশান।

    “থ্যাঙ্কস সিস্টার, আমি এক্ষুনি যাচ্ছি।” আমি জানতাম আমার লুসিকে আমার থেকে কেউ কেড়ে নিতে পারবে না।

    হোটেলের করিডোর ধরে লুসির কেবিনের দিকে পাগলের মতো মিস্টার মল্লিকের দৌড়টা লক্ষ করতে থাকেন সিস্টার শোভনা।

    .

    “আর পারছি না রে পারুল, আমি আর পারছি না, আমি এই এখানেই বসলাম, তুই পালিয়ে যা, নয়তো ওরা তোকেও মেরে ফেলবে।”

    “হি, বললেই হল আর পারবি না, তুর ঘাড় পারবে, দরকার পড়লে তুকে কাঁধে তুলে লিয়ে যাব আমি আর লয়ত ইখানে একসাথে তুর বাপের লেঠেলদের হাতে জানটো দিব।” পারুলের ঘামে ভরতি মুখটার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন দর্পনারায়ণ, নাহ্ তিনি কোনো ভুল করেননি এই পাগলি মেয়েটাকে ভালোবেসে। কিন্তু এটা যদি সমাজ বুঝত কিংবা বুঝত তার জমিদার বাবা, তবে বুঝি উপসংহারটা অন্যরকম দাঁড়াত।

    “ওরে জংলি দৌড়ে আমি তোর সাথে কী আর পারব রে। তুই বরং পালিয়ে যা, আর তোদের গ্রামপ্রধানের ওই মোটু কালু ব্যাটাটাকেই বিয়ে করে নে।” হেসে ফেলেন দর্পনারায়ণ।

    “উফ বাবুর আবার মজাক বারায় দেখ এই সময়ে! তুই যাবি? না তুকে ঘাড়টো ধরে নিয়ে যাব কিঙ্কিনীদেবীর মন্দিরে?”

    “পারুল তুই সত্যিই বিশ্বাস করিস কিঙ্কিনীদেবীর সামনে বিয়ে করে নিলে, আমাদের আর কেউ আলাদা করতে পারবে না…?”

    .

    “ডু ইউ রিয়েলি বিলিভ ইন দিজ বুলশিট শুভ?”

    “না বিশ্বাসের কী আছে সুপর্ণা। বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদূর, তাই না?”

    “আই কান্ট বিলিভ ইট ম্যান, হ্যাভ ইউ গন ম্যাড? কবেকার একটা সেকেলে গ্রাম্য গল্প, আর তার ওপর ভরসা করে তুই আমাকে এখানে নিয়ে এলি?”

    “আহা তা কেন, তোর বিদেশ যাওয়ার আগে আমাদের শেষ উইক এণ্ড, আমি আমার মতো করে সেলিব্রেট করতে চেয়েছিলাম। বাট তোর যদি আপত্তি থাকে, দ্যান ইটস ওকে, ইউ ডোন্ট হ্যাভ টু বি এ পার্ট অফ অল দিস।”

    “ওলে বাবালে, অমনি বাবুর রাগ হয়ে গেল তাই না, তুই সেই বাচ্চাই রয়ে গেলি বল!” শুভর আদুল শরীরটাকে আরও তীব্রভাবে নিজের বুকে টেনে নেয় সুপর্ণা, শুভর অভিমান ভরা দীর্ঘশ্বাসগুলো তার বুকে আছড়ে এসে পড়ে।

    “আচ্ছা ঠিক আছে, তুই যদি মনে করিস ওই কিঙ্কিনী দেবীর মন্দিরে গিয়ে বিয়ে করলেই আমি আর বিদেশে গিয়ে তোকে ভুলে যাব না, তাহলে তাই হোক, আমি রেডি, কাল সকালেই হোক। তবে শুভ একটা কথা বলি, তোর কিঙ্কিণীদেবীর থেকে যদি তুই একটু বেশি বিশ্বাস আমাকে করতিস, তাহলে এই প্রশ্নগুলোই আর আসত না…।

    .

    ।। পাঁচ।।

    “ওকে বেব, এইবার নামতে হবে এখানে, আর গাড়ি যাবে না জঙ্গলের রাস্তায়।”

    “হোয়াট দা ফা… মানেটা কী শুভ? আমাকে এই জংলা রাস্তায় সাপ-ব্যাং পাড়িয়ে তোর কিঙ্কিণীদেবীর মন্দিরে যেতে হবে।”

    “সাপ-ব্যাং মানুষ কিচ্ছু নেই এই রাস্তায়, এই পথ দিয়ে কিছুটা গেলে তবেই মন্দিরটা।”

    “তুই যেন কতবার এসেছিস এমন একটা ভাব দেখাচ্ছিস।”

    “বহুবার নয়, জাস্ট একবার। তুই তো জানিসই প্যারানর্মাল স্টাফ নিয়ে আমার ভালোবাসাটা, রিসার্চ না করে আমি এক পা-ও এগোই না।”

    “হ্যাঁ, তোর মতো অ্যাবনর্মাল লোককে ভালোবাসাটাই মস্ত বড়ো ভুল হয়ে গেছে, হাড়ে হাড়ে বুঝছি এখন।”

    “টু লেট বেব, টু লেট।” গাড়ি থেকে নেমে তারা একটু একটু করে জঙ্গলের রাস্তা ধরে এগোতে থাকে।

    চারিদিকে জংলা গাছ, নাম না-জানা পাখি ডাকছে, লম্বা ঘাসের মাঝে শিরশিরে আওয়াজ তুলে কারা যেন ছুটে ছুটে যাচ্ছে, আর সুপর্ণা বারবার শুভকে ভয়ে জড়িয়ে ধরছে।

    “ওই দেখ মন্দিরটা, আমাদের গন্তব্য ওটাই।” সুপর্ণার কানে ফিশফিশিয়ে জানায় শুভ।

    দূরে একটা ভাঙাচোরা মন্দির দেখা যাচ্ছে, যার গায়ে শতাব্দী প্রাচীন জরা লেগে আছে, বট-অশ্বথের ডালপালা চারপাশে বয়সের ঝুরি নামিয়েছে। মন্দিরের প্রাঙ্গণে এক লাল কাপড় পরা অশীতিপর বৃদ্ধকে দেখা যাচ্ছে।

    “এই মন্দিরের একমাত্র পুজারি, রমাপতি নাথ, ওনাদের বংশ বহুকাল ধরে কিঙ্কিণীদেবীর পুজো করে এসেছে এবং উনিই ওনার বংশের লাস্ট পুরুষ।”

    “বাবাহ্, পুরো বায়োডেটা তো তোর নখদর্পণে, বিয়েটাও আমার সাথে করবি, নাকি তোর রমাপতিবাবুকেই?”

    “সব ব্যাপারে ইয়ার্কি মারিস না, একটাই অনুরোধ, মুখ বুজে বাকি কাজটা হতে দিস।” সুপর্ণার হাতটা চেপে ধরে শুভ এগিয়ে যেতে থাকে মন্দিরের দিকে।

    “এই জলটা খাও মা, ওটা না খেলে পুজো সম্পূর্ণ হবে না।” গমগমানো গলায়, আদেশ করলেন রমাপতি নাথ।

    স্যাঁতসেঁতে দেয়াল, বুনো ফুল, ধূপ-ধুনো মেশানো কেমন একটা অগুরু অগুরু-গন্ধ, আর সামনে ওই কদাকার মূর্তি, দেবী না প্রেতনী বোঝা ভার। শরবতের গ্লাসটা নিয়ে তাই কিন্তু-কিন্তু করছিল সুপর্ণা, এদিকে শুভ তো কখন নিজের গ্লাস শেষ করে ফেলেছে, আবার সুপর্ণার দিকে কটমট করে তাকাচ্ছে ওর হাতে ধরা গ্লাসটা শেষ করানোর জন্য।

    .

    ।। ছয়।।

    “স্পিরিটের বোতলটা দে তো সুবল, শালা জহর এমন আঠা মেরেছে দাড়িটা উঠছেই না। এত বছর ধরে আমার সাথে কাজ করছে, বাট প্রফেসনালিজমের অভাব ছেলেপুলের, যেটা এসব কাজে সবথেকে বেশি দরকার পড়ে।”

    “এই নিন গুরুদেব।”

    “মিহিরকে বলেছিলি তো গাড়িটার পাত্তা লাগিয়ে দিতে।”

    “আজ্ঞে গুরুদেব।”

    “সব কথায় গাধার মতো ঘাড় নাড়িস না, একটু বুদ্ধি খাটিয়ে কাজ করতে শেখ সুবল। মন্দিরের সামনে সেদিন রক্ত নেওয়ার কিটব্যাগটা ফেলে রেখেছিল কোন শালা?”

    “আজ্ঞে ভুল হয়ে গেছে গুরুদেব।”

    “ভুল হয়ে গেছে গুরুদেব! শালা একবার লোক জানাজানি হলে আর রেহাই পাবি? যদিও বড়বাবুকে মাল দেওয়াই আছে, বাট সাবধানের মার নেই, একটা যেন ট্রেসও না পড়ে থাকে, মিডিয়ার লোক কিন্তু খুব খারাপ, একটা তিল পেলে তাল বানিয়ে দেবে।”

    “না গুরুদেব আর ভুল হবে না।”

    “না হলেই ভালো।”

    “গুরুদেব, ওদের নাড়ি তো খুব চঞ্চল কিছু একটা হয়ে যাবে না তো?”

    “এতদিন আমার সাথে থেকেও তোদের শিক্ষা হল না রে সুবল, যেই গবেটের সেই গবেটই রয়ে গেলি।” ওরা ঘুমাচ্ছে, গভীর ঘুমে ওরা স্বপ্ন দেখছে সাতজন্মের জন্য এক হওয়ার, ঠিক যেমনটা দেখেছিল দর্পনারায়ণ আর পারুল, কিন্তু ওদের স্বপ্নটাও এই মন্দিরের চারটে দেওয়ালেই সীমাবদ্ধ থেকে গেছে, তেমনি শুভ আর সুপর্ণার স্বপ্নটাও…

    এক ঝটকায় নিজের সাদা দাড়িটা খুলে ফেলেন রমাপতি নাথ, মুখের বাকি মেকআপগুলো তুলতে তুলতে এগিয়ে যান শুভ আর সুপর্ণার সাড়বিহীন পড়ে থাকা শরীর দুটোর দিকে।

    “জয় মা কিঙ্কিনীর জয়, জয় দর্পনারায়ণ আর পারুলের জয়, এইভাবেই গল্পটা বাঁচিয়ে রাখিস মা, ছড়িয়ে দিস দিকে দিকে, আগামী অমাবস্যায় তোকে একটা হিরের নাকছাবি দেব মা!”

    “জয় মা কিঙ্কিণীর জয়।”

    “সুবল?”

    “আজ্ঞে গুরুদেব।”

    “ডাক্তার সেনকে ফোন লাগা, বল ওনার নতুন অ্যাসাইনমেন্টের জন্য নতুন ফ্রেশ মাল রেডি আছে, উনি টাকা নিয়ে রেডি থাকুন, মাল ঠিক পৌঁছে যাবে।”

    “যথা আজ্ঞা গুরুদেব।”

    কিঙ্কিনীদেবীর জয়ধ্বনিতে মুখরিত হতে

    মন্দিরের চারটে দেয়াল, জঙ্গলের প্রতিটা গাছ, প্রতিটা পাখি, প্রতিটা ঘাসের আগায় লেগে থাকা শিশিরবিন্দু, তার সাক্ষী থেকে গেল, জয়ধ্বনিটা শুধু শুনতে পেল না শু আর সুপর্ণার নিস্পন্দ শরীর দুটো…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত
    Next Article প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    Related Articles

    কৌশিক সামন্ত

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    কৌশিক সামন্ত

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Our Picks

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }