Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    সায়ক আমান এক পাতা গল্প265 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুয়াশার ফুল – ১০

    দশম অধ্যায়

    ‘আই ফাকিং গট ইট…’

    কথাটা বলেই মদের গ্লাসটাকে ঠকাস করে টেবিলের উপর রাখল তনুজা। প্রত্যয় একটু দূরে ছাদের মেঝেতেই বসেছিল। ওর সামনে হুইস্কির বোতল আর গ্লাস। রাতের মৃদুমন্দ হাওয়ায় দু-তিন পেগ পেটে যাওয়ার পর মন্দ লাগছিল না। জমাটি শীতটাও কমে এসেছে। সোয়েটারটা খুলে রেখেছে মাটিতে। গা গরম হচ্ছে ক্রমশ। ব্যাকগ্রাউন্ডে হালকা জ্যাজ চালিয়ে দিয়েছে কিছুক্ষণ আগে। মৌতাতী আমেজের মাঝখানে তনুজার আচমকা চিৎকারে একটু কেঁপে যায় প্রত্যয়।

    ঠোঁটের সামনে আনা মদের গ্লাসটা মাটিতে নামিয়ে রেখে বলে, ‘ধুর বাঁড়া, রাতবিরেতে চিৎকার করিস না তো!’

    তনুজার চোখ মুখ হ্যালোজেনের মতো উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছে। হাতের সিগারেটটায় লম্বা করে টান মেরে ছাদের বাইরে ছুড়ে ফেলে দেয় সে। চোখ এখনও স্ক্রিনের দিকে নিবদ্ধ। সে দিক থেকে চোখ না সরিয়েই বলে, ‘তুই বিশ্বাস করবি না আমি কী আবিষ্কার করেছি!’

    ‘আর তুই বিশ্বাস করবি না আমার মেজাজটা কী লেভেলের খিঁচে যাচ্ছে…’

    ল্যাপটপটা টেবিল থেকে তুলে নিয়ে প্রত্যয়ের পাশে এসে বসে তনুজা। তারপর স্ক্রিনটা ওর দিকে কিছুটা ঘুরিয়ে বলে, ‘জাস্ট টেক আ লুক, এতদিন এটাই পাগলের মতো খুঁজে বেড়াচ্ছিলাম!’

    তনুজা আগে একটা খবরের কাগজের অফিসে চাকরি করত। মুচমুচে আর মশালাদার খবর করার জন্য খানিক নামডাকও হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই খবরের দপ্তরে চিঠি আসে—সাংবাদিক তনুজা দাস জনৈক মন্ত্রীর মদ্যপ অবস্থায় কোলে বসা যে ‘রাখেল’-এর ছবি তুলেছে সে নাকি মন্ত্রীর বোন ও ‘নিছক বন্ধু’। মন্ত্রী ও মন্ত্রীর সেই বন্ধু দুম করে মামলা করে দেয় খবরের কাগজের নামে।

    বলা বাহুল্য, এর পরেই তনুজাকে পিঙ্ক স্লিপ ধরানো হয়। অন্য কোনও কাগজের অফিসে চাকরি জোটে না। হঠাৎ একদিন শিকে ছেঁড়ে। হঠাৎ করে ফেসবুকে একটা অফার পায়। একজন নাম করা বাংলা থ্রিলার লেখকের হয়ে রিসার্চ অ্যান্ড ডেটা কালেক্টারের কাজ। ব্যাপার কিছুই না, সেই লেখক রিসেন্টলি ‘উইচেস অফ বেঙ্গল’ বলে একটা বই লিখতে শুরু করেছেন। তো বাংলার ইতিহাসে যত উইচ ব্র্যান্ডিং হয়েছে তাদের ব্যাপারে কিছু চমকপ্রদ তথ্য খুঁজে আনাই তার কাজ।

    কিছুটা অভিজ্ঞতা এবং কিছুটা মুচমুচে খবর তৈরি করতে পারার ক্ষমতার জন্যই ওকে মোটা মাইনে দিয়ে মাসখানেকের জন্য নিয়োগ করেছেন তিনি। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের নানা জায়গায় গেছে তনুজা, বিস্তর পুরনো খবরের কাগজ নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করেছে, বইপত্র উল্টেপাল্টে দেখেছে।

    আগের অফিসে থাকাকালীন কাজের সূত্রে দিলুবাবুর সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল তার। দিলুবাবু ধুরন্ধর লোক। পলিটিক্যাল কেরিয়ারকে আরও বেশি স্ট্রং করতে বিভিন্ন সময়ে খুঁটিনাটি টিপস নেন তিনি। এই দিলীপ দস্তিদারের মুখ থেকেই কথায় কথায় তনুজা জানতে পারে, এ অঞ্চলে ডাইনিদের নিয়ে নাকি কিছু ইতিহাস আছে। শুধু তাই নয়, এত বছর পরে নাকি এক আধুনিক ডাইনির উৎপাত হয়েছে এখানে।

    তনুজা আর অপেক্ষা করে না। প্রত্যয়কে নিয়ে বেরিয়ে পড়ে।

    প্রত্যয় আগে ফিল্মে সাউন্ড ডিপার্টমেন্টে কাজ করত। ইদানীং ক্যামেরা ধরেছে। তনুজার সঙ্গে এসেছে একরকম বান্ধবীর অনুরোধ ফেলতে না পেরে। ওকে ছাড়া নাকি এ কাজ একেবারে হবেই না।

    আজ সারাদিন কাজকর্মের পর বাড়ি ফিরে ছাদে বসে গঙ্গার পারিবারিক ইতিহাস নিয়ে একটু ঘাঁটাঘাঁটি করছিল তনুজা। এমন সময় একটা আশ্চর্য জিনিস চোখে পড়ে।

    প্রত্যয়ের এসবে কোনও আগ্রহ নেই। সে মদের গ্লাসে আরেকটা চুমুক দিয়ে ছাদের দেওয়ালে হেলান দিয়ে বসে। তনুজা ওর থাই-এর উপর একটা চাপড় মেরে বলে, ‘দেখ, ডাইনিদের নিয়ে গবেষণা শুধু গালগল্প ফাঁদার জন্য নয়।’

    ‘তো আর কী? শালা, কে কবে কাকে পুড়িয়ে মেরেছে এসব জেনে আমাদের কী লাভ হবে বল তো?’

    তনুজা ফিসফিসে গলায় বলে, ‘গুপ্তধনের সংকেত পাব!’

    ‘গুপ্তধন? বালের গুপ্তধন!’ প্রত্যয়ের মুখটা আরও ব্যাজার হয়ে যায়, ‘শালা, এরপর থেকে তোর সঙ্গে মাল খেলে শুধু বাংলা খাব। ফরেনের মজাটাই নষ্ট করে দিস বাঁড়া…’

    তনুজা নিজেও ওর মদের গ্লাসে একটা চুমুক মারে, বলে, ‘দেখ, এত বছর ধরে, বিশেষ করে আমাদের দেশে, সেই সব মহিলাদেরকেই ডাইনি সন্দেহে পুড়িয়ে মারা হত যাদের জ্ঞানগম্মি একটু বেশি হত। যারা একটু চিকিৎসা করতে জানত, একটু কাউন্সেলিং জানত, কিংবা ধর কেমিস্ট্রির নলেজ…শিক্ষাগুলোর প্রথাগত নাম হয়ত ছিল না, কিন্তু অ্যাপ্লিকেশন ছিল। ডাইনিরা ম্যাজিক জানত বলে একটা কথা আছে না, ম্যাজিক মানে তো অ্যাডভান্স সায়েন্স ছাড়া অন্য কিছু নয়, তাই না?’

    ‘তো?’

    ‘তো এখন কথা হল তখনকার ডাইনিরা এইসব ম্যাজিক জানবে কোথা থেকে? এই বাঞ্চোত…তুই শুনছিস আমার কথা?’ প্রত্যয়ের থাইতে আবার ঠেলা দেয় তনুজা।

    নিরুৎসাহে একটা কিম্ভূত আওয়াজ করে সে, ‘হ্যাঁ, বল বল, কোথা থেকে?’

    ‘যেমন করে আমাদের মা-কাকিমারা জানত কেটে গেলে কোন গাছের পাতার রস দিতে হবে, কী খেলে চুল পড়া কমবে, কেমন করে সংসার খরচ করলে সারামাস চলে যাবে। তারা জানত তাদের মায়ের থেকে, কিংবা ধর নিজেদের মধ্যে গল্প করতে করতে, ছোট ছোট টোটকা নিজেদের মধ্যে চালাচালি করতে করতে! সেকালের তথাকথিত ডাইনিরাও সেই ভাবেই জানত। যাদের আগ্রহ বেশি ছিল তারা আর একটু পড়াশোনা করত। তুই ভাবতে পারছিস?’ ওর জামা ধরে নাড়া দেয় তনুজা।

    ‘ষাট এম.এল. চার পেগের পরে শুধু ভাবছি কেন, দেখতেও পাচ্ছি চোখের সামনে…ওই যে একটা ডাইনি এসএন দে খুলে ইন্টিগ্রেশন নামাচ্ছে, তুই বলে যা…’

    ‘এদের এই যে এত জ্ঞান, এত ছোট ছোট নলেজ—তার কোনও প্রপার ডকুমেন্ট নেই। জানিস, বিদেশে উইচ হান্টের সময় ডাইনিদের তৈরি করা কিছু ওষুধ ক্যাথলিক চার্চ সংগ্রহ করে নিজেরা বিলি করত আর যার থেকে সেগুলো কালেক্ট করত সেই ডাইনিকে পুড়িয়ে মারত! আমাদের দেশেও নিশ্চয়ই ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, বায়োলজির এমন অনেক জ্ঞান সেইসব ডাইনিদের সঙ্গেই হারিয়ে গেছে…’

    ‘খুব খারাপ হয়েছে।’ প্রত্যয় যেন গর্জে ওঠে, ‘দে, এই দুঃখে আর এক পেগ দে!’

    ‘এখন যদি সেগুলোকে উদ্ধার করা হয় কোনওভাবে, আমাদের জীবনযাত্রা কত সহজ হয়ে যাবে তুই ভাবতে পারছিস!’

    ‘হ্যাঁ, বিলক্ষণ। আচ্ছা, বলছি মদ খাওয়ার সময় ফালতু ঘ্যানঘ্যান করার অপরাধে কাউকে ডাইনি বলে পোড়ানো হত না?’

    ‘ধুর, তোকে কিছু বলাই বেকার!’ তনুজা রেগেমেগে উঠে যাওয়ার তোড়জোড় করে। প্রত্যয় হাত ধরে থামিয়ে দেয় তাকে, গলা নরম করে বলে, ‘আচ্ছা বল, বল।’

    নিজের ল্যাপটপের স্ক্রিনের উপর ঝুঁকে পড়ে তনুজা। স্ক্রল করে একটা আর্টিকেলের এক জায়গায় থেমে যায়, বলে, ‘গঙ্গার ফ্যামিলি হিস্ট্রি তো তুই আগেই শুনেছিস। ওর পূর্বপুরুষরা গ্রামে এসেছিল জমিদারের ছেলের অসুখ সারাতে। এখন প্রশ্ন হল জমিদারের ছেলের রোগটা ঠিক কী ছিল? কালিপদর বউয়ের হাতে সে দাওয়াই এল কী করে?’

    ‘কী করে?’

    ‘দেখ, জমিদারের ছেলের রোগের ধরনগুলো শুনে মনে হচ্ছে এটা যক্ষ্মা বা অ্যানিমিয়া গোছের কিছু। যাতে প্রতিনিয়ত শরীরে রক্ত ঢোকাতে হত। কালিপদর বউ দুদিন অন্তর একবার করে জমিদারের ছেলেকে দেখতে আসত। হাতে থাকত একটা থলে। এখন রোগ আর চিকিৎসার ধরনটা দেখে কী মনে হচ্ছে? ওই থলিতে কী থাকত?’

    ‘রক্ত?’

    ‘পারফেক্ট! রক্ত। এখন প্রশ্ন হচ্ছে ডাইনি সেই রক্ত জোগাড় করত কোথা থেকে? কোনও কারখানায় তো সে জিনিস তৈরি করা যায় না। একমাত্র মানুষের শরীর ছাড়া অন্য কোথাও রক্ত তৈরি হয় না।’

    আজকে তুই আমি বিজ্ঞানের বই পড়ে বলতে পারি যে রোগটা ছিল টিবি বা অ্যানিমিয়া। কিন্তু আজ থেকে দেড়শো বছর আগে ভারতের এক গ্রাম্য মহিলার কাছে সেই রোগের খবর এবং তার ওষুধ এল কী করে?

    ‘কী করে?’

    ঠোঁটে আঙুল রাখে তনুজা, ‘সেটা জানতে গেলে জানতে হবে কালিপদর বউ এল কোথা থেকে?’

    ‘মানে! তা কী করে সম্ভব?’

    ছাদের মেঝের উপর চাপড় মারে তনুজা, ‘সেটাই আমার আবিষ্কার। সেই জন্যেই এত গৌরচন্দ্রিকা।’

    ‘কী বলছিস তুই?’

    ল্যাপটপটা আবার প্রত্যয়ের দিকে ঘুরিয়ে দেয় তনুজা, ‘দেখ ভাই। আজ থেকে আড়াইশো বছর আগের একটা ঘটনা—’

    প্রত্যয় দেখে ল্যাপটপের স্ক্রিনে একটা আর্টিক্যাল ফুটে আছে, ‘এখান থেকে ষাট কিলোমিটার দূরে একটা গ্রাম বেলতলা। কথিত আছে, সেখানে ঠিক ওই একই সময় এক দম্পতিকে ডাইনি সন্দেহে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।’

    ‘কেন? মানে ডাইনি সন্দেহের কারণ কী?’

    ‘এখানেই আসছে মজার ব্যাপার! মহিলা নাকি নানান রকমের চিকিৎসা জানতেন। গ্রামের মহিলারা তার কাছে নিজেদের নানান সমস্যা নিয়ে হাজির হত। যমে একেবারে চৌকাঠ অবধি এনে ফেলেছে এমন রোগীকেও নাকি সারিয়ে ফেলতে পারতেন তিনি। এলাকার একদল লোক তাকে ভগবান মনে করত। বিশেষ করে মেয়েরা। ক্রমশ তাদের মেসিহা হয়ে ওঠেন তিনি। তার অবশ্য একটা কারণ ছিল এবং সেটাই হয় তার কাল।’

    ‘কী কারণ?’

    ‘সেকালের পুরুষরা বছর বছর স্ত্রীদের পোয়াতি করত। বলা বাহুল্য, প্রতি বছর এই ঝক্কি পোহানো তাদের স্ত্রীদের পছন্দ ছিল না। এদিকে স্বামীর ভয়ে, সমাজের ভয়ে কিছু বলাও যায় না। তাই তারা দল বেঁধে গোপনে তার কাছে সেই সমস্যার কথা জানালে তিনি সবাইকে একটা বিশেষ ওষুধ দেন। বলেন, খাবারের সঙ্গে তিনদিন স্বামীকে খাওয়ালেই নাকি সমাধান পাওয়া যাবে। তার কথামতো কাজ করায় তাদের স্বামীরা নির্বীজ হয়ে পড়ে।

    প্রথম প্রথম কারো সন্দেহ হয়নি। কিন্তু এলাকার এতগুলো পুরুষমানুষ একসঙ্গে খোজা হয়ে যাওয়ায় শোরগোল পড়ে যায়। জেরার মুখে কোনও এক মহিলা কথাটা ফাঁস করে ফেলে। ব্যাস, ক্যাঙ্গারু কোর্ট বসে। মহিলার স্বামী তাকে সমর্থন করে। ফলে দুজনকেই ডাইনি অপবাদ দেওয়া হয় এবং পুড়িয়ে মেরে ফেলা হয়।’

    ‘টিল ডেথ ডু আস পার্ট! তারপর?’

    ‘উঁহু, নট এক্স্যাক্টলি। দুজনকে একটা ছাগলঘরে পোড়ানোর ব্যবস্থা করা হয়।’

    ‘এত পোড়ানোর জায়গা থাকে ছাগলঘরে? ওয়াট দা ফাক!’

    ‘গ্রামের ওইটাই ছিল নিয়ম। এখন ক্যাচটা হচ্ছে, যে ছাগলঘরে দুজনকে পোড়ানো হয় সেখানে আগুন নিভতে লোকজন ঢুকে দেখে—সেখানে মাত্র একটা মৃতদেহ পড়ে আছে। সেটা মহিলার স্বামীর। কিন্তু মহিলা কোথায় পালান তা কেউ জানে না।’

    ‘গাঁড় মেরেছে! ঢুকল দুপিস কিন্তু রোস্ট হল একপিস!’

    ‘আমার মনে হচ্ছে, এই আনবার্ন্ট মহিলাই গঙ্গার পূর্বপুরুষ। স্থান কাল এবং পাত্র দেখে সেটাই গেস করতে হচ্ছে।’

    প্রত্যয় কিছুক্ষণ গুম হয়ে বসেছিল, এবার সে বলল, ‘আচ্ছা, একটা ব্যাপার বল, মহিলার স্বামী যদি সেই ঘরেই পুড়ে মরে গিয়ে থাকে, এবং সেই মহিলাই যদি জমিদারের বাড়িতে ছেলের রোগ সারাতে আসে, তাহলে হু ইজ দিস কালিপদ? সেও তো দাবি করেছিল মহিলা ওর বউ…রোস্ট হওয়া স্বামীকে ভুলে কি নতুন দোস্ত পাতিয়েছিল?’

    ‘দেয়ার আর সো মেনি আনসল্ভড কোয়েশ্চেন্স!’ মদের গ্লাসে আবার চুমুক দেয় তনুজা।

    ‘বেশ তো, তুই সব ফলাও করে লিখে ফেল—।’

    দুদিকে মাথা নাড়ে তনুজা, ‘না, শুধু লিখলে চলবে না। কাল এখান থেকে একটা গাড়ির ব্যবস্থা করতে হবে।’

    ‘করে?’

    ‘ওই গ্রামে শুনেছি ওদের পুরনো জায়গাজমি এখনও আছে। স্থানীয় একটা জমিদারবাড়ি আছে। সেখান পুরনো লোকজনকে জিগ্যেস করে কিছু জানা যেতে পারে।’

    কথাগুলো বলতে বলতে উঠে পাঁচিলের ধারে দাঁড়ায় তনুজা। প্রত্যয়ও ওর পাশে এসে দাঁড়ায়। তারপর নরম গলায় বলে, ‘আমার মনে হয়, জিনিসটাকে তুই যতটা কল্পনা করছিস ততটা গভীর কিছু নয়।’

    ‘মানে?’

    ‘মানে তুই তো জানিস তোর কল্পনাটা একটু বেশি উড়তে থাকে…’

    ‘আর সেই জন্যই আমার চাকরিটা চলে গেছে, তাই না?’ আর একটা সিগারেট জ্বালিয়ে বলে তনুজা, ‘খবরের কাগজে চাকরি ছেড়ে কোথায় এঁদো গ্রামে ডাইনির ঝাঁটা খুঁজে বেড়াচ্ছি…’

    ‘ঝাঁটার ব্যাপার জানি না, কিন্তু আমার শালা ঝাঁট জ্বলে যাচ্ছে…’

    সিগারেটটা প্রত্যয়ের দিকে এগোতে যাচ্ছিল তনুজা। তাকিয়ে দেখে তার ভুরু কুঁচকে গেছে। খুব মন দিয়ে দূরের মাঠে কী যেন দেখার চেষ্টা করছে।

    ‘কী হল তোর?’

    প্রত্যয় বিড়বিড় করে, ‘মাঠের মধ্যে একটা আলো জ্বলছে না?’

    ‘আলো!’ তনুজা সামনের দিকে তাকায়। হ্যাঁ, ওদের থেকে অন্তত দুশো মিটার দূরে খোলা মাঠের উপরে একটা আলো জ্বলছে। শুধু জ্বলছে না, ক্রমশ এগিয়ে যাচ্ছে সেটা।

    ভালো করে তাকিয়ে তনুজা বুঝতে পারে আলোটা একটা টর্চ। সেটা হাতে ধরে কেউ মাঠ পার হচ্ছে। ঘড়ির দিকে তাকায় সে।

    ‘এত রাতে টর্চ নিয়ে কে মাঠে এসেছে বল তো? তার উপর চারপাশে যা হচ্ছে!’ ঝুঁকে পড়ে চেহারাটা ভালো করে দেখার চেষ্টা করে প্রত্যয়। ওর মুখটা হঠাৎ অন্ধকার হয়ে যায়, ‘একটা বাচ্চা ছেলে মনে হচ্ছে…’

    ‘বাচ্চা! এত রাতে! সঙ্গে কেউ নেই?’

    ‘নাঃ, একাই তো হাঁটছে!’

    ‘যাঃ শালা! মনে ভয় ডর নেই নাকি? বাবা-মায়েরই বা কী আক্কেল? চল তো একবার এগিয়ে দেখি—।’

    প্রত্যয়ের নেশাটা এতক্ষণে বোধহয় চড়েছে। নইলে রাতবিরেতে তেমন কর্মবীর হওয়া তার স্বভাবে নেই। তনুজার কথায় আপত্তি করে না।

    দুজনে লজের এক তলায় নেমে আসে। এখনও বাইরের দরজায় তালা পড়েনি। তবে রিসেপশন ফাঁকা। ওদের কেউ দেখতে পায় না। দ্রুত পায়ে চটি গলিয়ে বেরিয়ে পড়ে দুজনে।

    লজের পেছনের দিকের খোলা মাঠটা থমথম করছে। বিস্তীর্ণ প্রান্তর জুড়ে ইতস্তত জোনাকি জ্বলছে। হাওয়ায় শীতের গন্ধ।

    একটানা ঝিঁঝির ডাক কানে তালা ধরিয়ে দেয় যেন। দুজনে বেশ জোরে পা চালায়। মাঠটা পার হওয়ার আগেই ধরতে হবে ছেলেটাকে। নিশ্চয়ই বাড়িতে কাউকে না জানিয়ে বেরিয়ে এসেছে।

    খানিক হেঁটে, কিছুটা দৌড়ে দুজনে ছেলেটার কাছে চলে আসে। ছেলেটা কিন্তু ওদের দেখতে পায় না। ওদের পাত্তা না দিয়ে নিজের মনেই সে হেঁটে চলেছে। চোখে কেমন স্থির দৃষ্টি। মনে হয় যেন অন্য কোনও দিকে নজর নেই তার।

    ‘এই ছেলে, এত রাতে কী করছিস এখানে?’ চেঁচিয়ে ওঠে প্রত্যয়।

    তনুজা এগিয়ে এসে হাত রাখে ওর মাথায়। ছেলেটা এবার দাঁড়িয়ে পড়ে। ওদের দিকে ঘুরে তাকায়। কিন্তু কোনও কথা বলে না। যেন মুখ দেখে ওদের পরিচয় বোঝার চেষ্টা করে।

    ‘নাম কী রে বাবা তোর?’ তনুজা জিগ্যেস করে।

    ‘মণি।’

    ‘এই গ্রামেই থাকিস?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘একা একা এত রাতে কোথায় যাচ্ছিস? জানিস না, এভাবে রাতের বেলায় বাড়ি থেকে বেরোতে সবাই নিষেধ করছে?’

    ‘আমাকে ডেকেছিল তো তাই যাচ্ছি, রোজই তো আসি। আজ নতুন নাকি?’

    ‘ডেকেছিল? কে?’

    ‘ওই যে, যাকে তোমরা ভয় পাও—।’

    প্রত্যয় একটু পিছিয়ে আসে, উঁচু গলাতেই বলে, ‘আলবাল বকছে। এই খোকা তোমার বাবার নম্বর দাও তো!’

    ‘বাবা নেই।’ মণি নিঃস্পৃহ গলায় বলে।

    ‘কে ডাকছিল তোকে?’ তনুজা ওর সামনে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করে।

    ‘নাম তো জানি না। ওই জঙ্গল থেকে ডাকছিল।’ আঙুল তুলে জঙ্গলের অন্ধকার দিকটা দেখায় মণি।

    প্রত্যয়ের বিরক্ত লাগে, ধমকের সুরে বলে, ‘ডাহা মিথ্যা কথা, নিশ্চয়ই বিড়ি খেতে যাচ্ছিল। এখন ধরা পড়ে বাওয়াল দিচ্ছে!’

    তনুজা ভালো করে ছেলেটার চোখের দিকে তাকায়। ওর মুখ দেখে মনে হচ্ছে না মিথ্যে বলছে। কিন্তু এত রাতে জঙ্গল থেকে কে ডাকবে ওকে?

    প্রত্যয়ের দিকে ঘুরে তাকায় তনুজা, ‘না ভাই, ও মিথ্যে বলছে না। আমি মানুষের চোখ দেখে বুঝতে পারি।’

    প্রত্যয় অবাক হয়ে এক পা এগিয়ে আসে ওর দিকে, ‘ওর সঙ্গে সঙ্গে কি তোরও মাথা খারাপ হল? স্পষ্ট বানিয়ে বানিয়ে গুল মারছে আর তুই…’

    মণির দিকে ফিরে তনুজা বলে, ‘কই, চল আমার সঙ্গে, দেখি কে ডাকছে—।’

    প্রত্যয় এবার খিঁচিয়ে ওঠে, ‘এ ভাই তোর মাথা ফাথা খারাপ হয়েছে নাকি? ওর সঙ্গে এখন জঙ্গলে যাব আমরা?’

    মণি আবার হাঁটতে থাকে টর্চটা সামনে নিয়ে। তনুজা ওকে অনুসরণ করে, ‘তোকে কে আসতে বলেছে, তুই হোটেলে বসে মদ গেল।’

    ‘শালা, আমি মাতাল হয়ে বুঝতে পারছি ছেলেটা আলবাল বকছে। এতগুলো খুন হয়ে গেল এই গ্রামে আর তুই রাতবিরেতে কার না কার কথা শুনে ভূতের পিছু ধাওয়া করে…’

    তনুজা আর কিছু বলে না। মণির কাঁধে একটা হাত রেখে হাঁটতে থাকে ওর সঙ্গে।

    ‘এটা তোর জব ডেসক্রিপশনে ছিল না তনু, তোর সঙ্গে ওই আকাট বাচ্চাটার কোনও পার্থক্য নেই!’

    তনুজা থেমে পেছনে ফিরে তাকায়, ‘তুই এতটা স্বার্থপর কী করে হতে পারিস প্রত্যয়?’

    ‘আমি স্বার্থপর হচ্ছি না। নিজের ভালোটা বুঝছি। একটা বাচ্চা ছেলে কোথায় না কোথায় যাচ্ছে আমরাও তার পেছন পেছন যাব! আর ইউ ফাকিং নাটস?’

    ‘তুই কি ভয় পাচ্ছিস?’

    ‘হ্যাঁ, পাচ্ছি। চারপাশে যা হচ্ছে তাতে আমার ভয় লাগছে!’

    মাথা নাড়ায় তনুজা, ‘আমার আগেই ভাবা উচিত ছিল। তুই একটা কাপুরুষ জানলে তোকে নিয়ে এখানে আসতামই না শালা…’

    মদের নেশাটা ক্রমশ চড়ে গেছিল প্রত্যয়ের। এই মুহূর্তে রাগটা মাথায় উঠে যায় ওর। চিৎকার করে এক দলা থুতু ফেলার ভঙ্গিতে বলে, ‘আর আমারও জানা উচিত ছিল তুই একটা চিটিংবাজ। নিজের ইচ্ছেমতো গল্প বানিয়ে ক্রেডিট নিস। যা, যেখানে খুশি যা, আর যা খুশি গল্প বানা। আমি তোর সঙ্গে যাব না।’

    কয়েক সেকেন্ড স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে তনুজা। চোখদুটো জ্বলে ওঠে ওর। ছেলেটার জামার কাঁধের কাছটা শক্ত করে ধরে। তারপর পেছন ফিরে আবার হাঁটতে থাকে জঙ্গলের দিকে।

    প্রত্যয় কথাটা বলেই বুঝতে পারে উত্তেজনায় আর মদের নেশায় কথাটা বেরিয়ে গেছে। ওর অসহায় লাগে। কয়েক সেকেন্ড সেখানেই দাঁড়িয়ে ইতস্তত করে। আবার তনুজার পিছু নেয়, ‘দেখ ভাই, আই অ্যাম সরি। বুঝতেই তো পারছিস। একগাদা মালফাল খেয়ে ফেলেছি, কী না কী বলে ফেলছি…মাল খেয়ে বলা কথা মনে নিতে নেই…’

    কথাগুলো বলতে বলতে তনুজার পেছনে হাঁটতে থাকে প্রত্যয়। ছেলেটা ওদের থেকে বেশ কিছুটা এগিয়ে গেছে। জঙ্গলের ভিতরে প্রবেশ করেছে তার টর্চের আলো।

    একটু জোরে পা চালায় তনুজা। ছেলেটা গুনগুন করে একটা গান গাইছে মনে হয়। হাঁটাচলা দেখে বোঝা যায় সে মাঝেমধ্যেই এ পথে যাতায়াত করে। গাছ-গাছড়ার ভিড় দিয়ে নির্দ্বিধায় জায়গা খুঁজে নিচ্ছে।

    তনুজা ওর আরেকটু কাছে সরে আসে, তারপর জিগ্যেস করে, ‘মণি, এই রাত্রিবেলা জঙ্গলের ভেতর ঢুকতে তোর ভয় করে না?’

    ‘আগে করত, এখন আর করে না। এখন তোমরা ভয় পাও…’

    ‘তাই বুঝি? কিন্তু ভয় করে না কেন?’

    ‘কীসে ভয় পাব?’

    ‘কেন, ডাইনির কথা শুনিসনি?’

    ‘ডাইনি?’ ছেলেটার মুখে যেন একটা আলগা হাসি ফোটে, ‘ডাইনি বলে কিছু হয় না…’

    ‘তাই নাকি?’

    ‘তনু, আর ভিতরে যাস না, মা আমার…’ প্রত্যয়ের ডাক শোনা যায় পেছন থেকে, ‘আমার কেমন জানি ভালো লাগছে না। এখানে কিছু একটা আছে…’

    ‘তোকে আমি আসতে বারণ করেছিলাম!’

    ‘তুই চটছিস কেন বল তো? অন্য কিছু না হোক, জঙ্গলের মধ্যে কোথায় সাপখোপ থাকে…বিপদ একটা হতে কতক্ষণ?’

    ওর দিকে ফিরেও তাকায় না তনুজা। ওর বুকের ভেতরটাও চিন চিন করছে। এত রাতে জঙ্গলের ভেতরে আগে কখনও ঢোকেনি ও। ফেরার পথ চিনতে অবশ্য অসুবিধা হবে না। এতক্ষণ তো সোজা পথেই হাঁটছে।

    হঠাৎ করেই ওর সামনে পায়ের আওয়াজটা থেমে যায়। অর্থাৎ হাঁটা থামিয়ে মণি দাঁড়িয়ে পড়েছে।

    ‘কীরে কে ডাকছিল তোকে? এখানে তো কেউ নেই!’

    মণি ওর দিকে না ফিরেই বলে, ‘আছে, দেখতে পাচ্ছ না।’

    ‘তাহলে তুই দেখছিস কী করে?’

    ওর কথার উত্তর না দিয়ে হঠাৎ করেই গলা তুলে চিৎকার করে ওঠে মণি, ‘মা? মা…’

    তনুজা অবাক হয়ে যায়। পেছন থেকে ওর মাথায় একটা ঠেলা দিয়ে বলে, ‘এই তোর মা এখানে আসবে কী করে?’

    প্রত্যয়ের গলায় আবার আগের ঝাঁজটা ফিরে আসে, ‘শালার রামকৃষ্ণদেব হওয়ার শখ হয়েছে! আমি আগেই বলেছিলাম এর মাথার তার কাটা। নাও, রাতবিরেতে পিছু নাও, হয়েছে শিক্ষা?’

    ছেলেটা ফিরেও তাকায় না। আগের মতোই আবার চিৎকার করে ওঠে। এবার চিৎকারের সঙ্গে কয়েকটা কথা মিশে যায়, ‘মা, ওদের নিয়ে এসেছি এখানে। তুমি যেমন বলেছিলে। এবার নিচে নেমে এসো—।’

    দুটো মানুষ স্তব্ধ হয়ে যায়। হঠাৎ করেই আশেপাশের পরিবেশ স্বাভাবিকের থেকে বেশি শীতল হয়ে ওঠে। মদের নেশা মুহূর্তে কেটে যায়। মনে হয় ওদের ঠিক পিছনে একটা ফিসফিসে নিঃশ্বাস পড়ছে। গাছের পাতার ফাঁকে ফাঁকে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে সেই নিঃশ্বাসের শব্দ। সঙ্গে রাতের জঙ্গলে বেড়ে উঠছে একটা খিলখিলে চাপা মেয়েলি হাসি।

    ওদের ঘাড়ের ওপর থেকে কিছু যেন নেমে এসেছে। সেইসঙ্গে বেড়ে উঠছে একটা ফিকে নীলচে আলো। মণির দিকে চায় তনুজা। ছেলেটা ওদের দিকে তাকিয়ে হাসছে। ঠিক ওদের দিকে নয়, ওদের ঘাড়ের পাশ দিয়ে একটু পেছনে। অস্ফুটে তার মুখ দিয়ে একটা শব্দ বেরিয়ে আসে, ‘মা…’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকলব্য – হরিশংকর জলদাস
    Next Article মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    Related Articles

    সায়ক আমান

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Our Picks

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }