Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    সায়ক আমান এক পাতা গল্প265 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুয়াশার ফুল – ৬

    ষষ্ঠ অধ্যায়

    ‘কী ব্যাপার? কার জন্য অপেক্ষা করছেন?’

    পিছন ঘুরে মৌলিকে দেখতে পায় সায়ন। আজ বেশ কিছুক্ষণ হল বাসুদেবের মাঠে এসে দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু ওর দেখা পায় পায়নি। বিরক্ত হয়ে কিছুক্ষণ মাঠের উপরেই হাঁটাহাঁটি করছিল। ঘড়ির দিকে দেখে কয়েকবার। এতক্ষণে সূর্য উঠে যাওয়ার কথা, অথচ তাও এসে পৌঁছায়নি মেয়েটা। সূর্য উঠে গেলে কি করে সানরাইজ…

    ভাবতে ভাবতে একটা সিগারেট ধরাতে যাচ্ছে ঠিক সেই সময় পেছন থেকে এসে টোকা দিয়েছে মেয়েটা। ও পেছন ঘুরে একটু মিষ্টি করে হাসে, বলে, ‘এ গ্রামে দিলুজেঠু আর তুমি ছাড়া তেমন কাউকে চিনি না—।’

    ‘ওহ! তার মানে দিলুবাবুর জন্য অপেক্ষা করছিলেন?’ মৌলির কথায় সায়নের হাসি পেয়ে যায়। তাও মুখ গম্ভীর রেখেই বলে, ‘হ্যাঁ, ভাবছি কাল দিলুজেঠু আমায় নীল ফুলটা দিয়ে গেলেন, তার বদলে আমার কিছু দেওয়া হল না…’

    ‘তাই নাকি? আপনি চাইলে কিন্তু আমি দিলুবাবু হতে পারি।’ দিলুবাবুর গলা নকল করে মেয়েটা, ‘সায়ন, দেখো তো গঙ্গা ডাইনি কিনা…’

    দুজনেই একসঙ্গে হেসে ওঠে। হাসতে হাসতে সায়ন জিগ্যেস করে, ‘আপনি তার মানে জানেন ব্যাপারটা?’

    ‘এই গ্রামের অনেক লোক আমার মাকে ডাইনি মনে করে তা না জানার কী আছে। দিলুবাবুই বা ব্যতিক্রম হবেন কেন? সবার চোখে মুখে ওই একটাই প্রশ্ন, আমার মা কি ডাইনি?’

    ‘ডাইনি নয়?’ সায়ন কৌতুকের স্বরেই জিগ্যেস করে।

    ‘আপনার কী মনে হয়?’

    ‘আমি? আমি তো আপনার মাকে দেখিনি, তবে আপনি ভ্যাম্পায়ার হলেও হতে পারেন।’

    ‘ভ্যাম্পায়ার!’ অবাক হয়ে যায় মৌলি, ‘ভ্যাম্পায়ার কেন?’

    সায়ন হিসেব করার ভঙ্গিতে বলে, ‘একজন আদর্শ ভ্যাম্পায়ারের সমস্ত লক্ষণ আপনার মধ্যে বর্তমান। এরকম টকটকে গায়ের রং, টুকটুকে লাল ঠোঁট…’

    সায়নের পিঠে হালকা ধাক্কা দেয় মৌলি, ‘যদি ভ্যাম্পায়ার হতাম তাহলে খাদের ধার দিয়ে পড়ে যেতাম?’

    ‘হতে পারে ওটা ইচ্ছা করেই পড়ছিলেন আপনি। যাতে আমি গিয়ে আপনাকে বাঁচাই।’

    ‘বটে! তাতে আমার লাভ?’

    ঠোঁটে আঙুল দিয়ে কী যেন ভাবে সায়ন। তারপর বলে, ‘ধরে নিন আজ থেকে বহু বছর আগে কোনও এক ভ্যাম্পায়ার হান্টার আপনার প্রেমিককে হত্যা করে। তারপর থেকেই তার বংশের উপর প্রতিশোধ নেবার ইচ্ছা আপনার। আর আমি হলাম সেই ভ্যাম্পায়ার হান্টারের বংশধর!’

    মৌলি এই বিশ্লেষণে ভয়ঙ্কর অবাক হয়ে যায়, গালে হাত রেখে বলে, ‘আচ্ছা তা আপনার উপর কীভাবে প্রতিশোধ নেব? রক্ত খেয়ে? সে তো কালকেই নিতে পারতাম!’

    সায়নে সজোরে মাথা নাড়ে, ‘উঁহু, উঁহু, রক্ত খাওয়া আপনার উদ্দেশ্য নয়। ওসব ব্যাকডেটেড ভ্যাম্পায়াররা করে। আপনি একটু একটু করে আমার ভেতর থেকে সুখস্বাচ্ছন্দ্য কেড়ে নেবেন, আমার তারুণ্যকে কব্জা করে শরীরকে বশে এনে বিষণ্ণতায় মনকে ভরে দেবেন। বিষণ্ণতার প্রথম ধাপ কী জানেন?’

    ‘কী?’

    ‘মুগ্ধতা…’

    দুজনে কখন হাঁটতে শুরু করেছে দুজনেই জানে না। ভোরের নতুন আলোর ফিকে ছটায় ভরে যেতে শুরু করেছে মাঠটা। দূরের বাঁশবন আর জঙ্গল স্পষ্ট হয়ে উঠছে তাতে। সেই আলো এসে লাগছে মৌলির চোখেমুখে।

    সায়ন মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকে সেদিকে। ভ্যাম্পায়াররা দিনের আলোয় থাকতে পারে না, দিনের আলো এলে ওরা ছাই হয়ে যায়। কিন্তু মৌলির মুখে পড়ে নতুন সূর্যের আলো ওর ভেতরের কিশোরটাকে পুড়িয়ে ছাই করে দিচ্ছে।

    ‘ডাইনিতে আমিও বিশ্বাস করি না। কিন্তু আপনার মা যে বেশ রহস্যময় তা নিয়ে সন্দেহ নেই।’ সায়ন আনমনেই বলে।

    ‘এই পৃথিবীর কোন মা রহস্যময় নয় বলুন তো? পৃথিবীর একমাত্র প্রাণী যে নিজের থেকে অন্য একজনকে বেশি ভালোবাসে। নিজের জীবনের ঝুঁকি থাকলেও তার সন্তানকে বাঁচায়। বলুন, এটা রহস্য নয়?’

    কাঁধ ঝাঁকায় সায়ন, ‘আমি কী করে বলি বলুন?’

    মৌলির চোখে মুখে তেমন বিকার লক্ষ করা যায় না, ও হাঁটতে হাঁটতেই বলে, ‘আমার কী মনে হয় জানেন? মা ব্যাপারটা না, অনেকটা সূর্যের মতো। আপনাকে সৃষ্টি করে, সারাদিন আলো দেয়। কিন্তু সারাজীবন তাকে দেখতে পাবেন না আপনি। চাইলেও তার কাছ থেকে সাহায্য পাবেন না। শক্তি আপনাকে নিজের ভিতর থেকেই সংগ্রহ করতে হবে। কিন্তু সবসময় জানবেন আপনার ভিতরে যে শক্তি সেটাও তারই দেওয়া।’

    মিষ্টি করে হেসে ওর দিকে তাকায় মৌলি, ‘কোথাও না কোথাও আছে, যত অন্ধকারই হয়ে যাক না কেন সূর্য ঠিক উঠবেই…’

    ‘আর যদি চিরকালের মতো অন্ধকার হয়ে যায়?’

    ওর মুখ থেকে চোখ সরিয়ে নেয় মৌলি। ধীরে ধীরে উচ্চারণ করে, ‘তাহলে এই অন্ধকারেই দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করবেন। অপেক্ষা করলে, ওই দেখুন…’ আঙুল দিয়ে দূরের দিগন্তের দিকে দেখিয়ে দেয় মৌলি। বিস্তীর্ণ বাঁশঝাড়ের উপর দিয়ে একটু একটু করে সোনালি আলোর রেখা ফুটছে। একটা লাল থালার কানা উঁকি দিচ্ছে সেখান থেকে।

    মুগ্ধ হয়ে সেদিকে চেয়ে থাকে সায়ন। রাতের অন্ধকার কেটে যাচ্ছে একটু একটু করে। জঙ্গলের ভিতর বিরাট দুলন্ত গাছগুলো স্নিগ্ধ হাওয়া ছড়াচ্ছে উন্মুক্ত প্রান্তরে। শীতের আমেজ মেখে কয়েকটা পাখি উড়ে গেল সেই দিকে। এক ঝাঁক বক ডানা মেলে দিল পুকুরের উপর দিয়ে। তাদের সম্মিলিত কলতানে ভরে উঠল জায়গাটা।

    হঠাৎ কোথা থেকে একটা নীল ফুল বার করে সায়নের দিকে এগিয়ে দেয় মৌলি। সায়ন অবাক হয়ে যায়, ‘একী! আজকেও ওখানে গিয়েছিলেন নাকি? এটা পেলেন কোত্থেকে?’

    মৌলি আবার সেই মিষ্টি হাসিটা হাসে, ‘এই ফুলটা আমি কোথা থেকে পাই জিগ্যেস করবেন না। তবে আপনার সঙ্গে যতদিন দেখা হবে, আপনাকে একটা করে এই ফুল দেব এনে দেব, কেমন?’

    ভোরের আলোয় আশ্চর্য কোমল দেখায় ফুলটা। কয়েক ফোঁটা শিশিরবিন্দু জমে আছে ফুলের ওপর। সেটা নিতে গিয়ে মৌলির আঙুলে নরম স্পর্শ লাগে সায়নের। ওর শরীরটা শিউরে ওঠে। সেইসঙ্গে ভেতরে একটা অদ্ভুত বিষাদ ছড়িয়ে পড়ে। একটু একটু করে বাঁশবনের রেখা ছাড়িয়ে উপর দিকে উঠছে সূর্যটা। সোনালি আলো বদলে যাচ্ছে কমলা আভায়।

    ঘাসের উপরেই বসে পড়তে যাচ্ছিল সায়ন। মৌলি ওর জামা চেপে ধরে ভয়ানক আপত্তি করে, ‘একী! বসে পড়ছেন কেন?’

    ‘ওমা বসব না কেন?’ সায়ন অবাক হয়।

    ‘বলেছিলেন যে সূর্যোদয় দেখবেন?’

    ‘এই তো দেখছি…’

    ‘ধুর, এটাকে দেখা বলে নাকি? বলেছিলাম রকেটে উঠে দেখতে হবে।’

    ‘রকেট!’

    সায়ন কিছু বলার আগেই ওর হাত ধরে টানতে শুরু করেছে মৌলি। কোথায় নিয়ে যেতে চাইছে কে জানে। সায়ন আর খুব একটা আপত্তি করে না। ভোরের ঘাস নরম হয়ে ছুঁয়ে যাচ্ছে ওদের পা। নতুন ফোটা ভিজে ফুলের গন্ধ আসছে কোথা থেকে। সায়নের মনে হয় ও আবার যেন শৈশবে ফিরে গেছে। কোথাও কোনওকিছুর তাড়া নেই। ট্রেন, বাস, ওয়াটসঅ্যাপ মেসেজ মিস করার ভয় নেই, মানুষের আসা যাওয়া নেই। শুধু একটা অচেনা হাত যেন কোথায় টেনে নিয়ে যেতে চাইছে। কোথায় যাচ্ছে ও নিজেও জানে না।

    ছুটতে ছুটতে একসময়ে হাঁপিয়ে যায় দুজনে। দাঁড়িয়ে পড়ে হাঁটুতে হাত রেখে হাঁপাতে হাঁপাতে সায়ন জিগ্যেস করে, ‘কই, কোথায় আপনার রকেট?’

    ‘ওমা! এই তো রকেট! সামনে তাকিয়ে দেখুন।’

    সায়ন সামনে তাকিয়ে একটুক্ষণ ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করে। তারপর হোহো করে পেট চেপে ধরে হসে ফেলে। ওর ঠিক সামনেই একটা পাঁচতলা বাড়ির সমান ইলেকট্রিকের ইউটিলিটি পোল। তার গঠনটা একদম মাটিতে দাঁড়িয়ে থাকা রকেটের কঙ্কালের মতো। গ্রামেগঞ্জে ফাঁকা মাঠের মাঝে এমন বিশালাকায় ইলেক্ট্রিকের খুঁটি মাঝে মধ্যেই ট্রেনের জানলা থেকে দেখা যায়।

    ‘একী! আপনি রকেট দেখে হাসছেন কেন?’ মৌলি প্রতিবাদ করে।

    সায়ন কোনওরকমে হাসি থামিয়ে বলে, ‘আপনি সত্যি পারেন বটে! জানেন, আমি ছোটবেলায় ট্রেনের জানলা থেকে এগুলো দেখে সত্যি রকেট ভাবতাম। মাঠজুড়ে অনেকগুলো রকেট দাঁড়িয়ে আছে, যেদিন এলিয়েনরা আক্রমণ করবে সেদিনই উড়ে গিয়ে ওদের সঙ্গে যুদ্ধ করবে।’

    ‘আসুন উপরে উঠি—।’ মৌলিই এগিয়ে গিয়ে খপ করে ইলেকট্রিক পোলের রেলিং চেপে ধরে।

    ‘খেপেছেন নাকি?’ সায়ন আঁতকে ওঠে, ‘ওটা দিয়ে ইলেক্ট্রিকের তার যায়।’

    ‘সে তার অনেক উপরে, আপনি আসুন তো…’

    সায়ন আর উপায়ন্তর দেখে না। গোটা কাঠামোটা শক্ত স্টিলের রেলিং দিয়ে তৈরি। শীতের ভোরে সেই রেলিং ঠান্ডা হয়ে আছে। মৌলি তাতে উঠে ওর দিকে হাত বাড়িয়ে দেয়। তারপর তরতরিয়ে উঠতে থাকে উপরের দিকে। বোঝা যায় এ জায়গাটায় মাঝে মধ্যেই এসে বসে থাকে সে।

    সায়ন কসরত করে মোটামুটি মিটারদশেক উঁচু একটা আড়াআড়ি রেলিংয়ের উপরে উঠে বসে। মৌলি আরও উপরে উঠছিল, কিন্তু ওকে বসতে দেখে ওর পাশে এসেই বসে পড়ে।

    সামনে তাকিয়ে সায়নের চোখ ভোরে যায়। ওদের ঠিক সামনেই একটা গাছপালায় ঢাকা পড়া ঝিল। তার উপর নতুন সূর্যের কমলা আলো এসে কমলালেবুর শরবতের রঙ লাগিয়েছে তাতে। চতুর্দিকে যতদূর দেখা যায় কোথাও কোনও বাড়িঘর নেই। দূরদূরান্তের গাছপালাগুলোকে কোনও প্রাগৈতিহাসিক জঙ্গল মনে হচ্ছে।

    ওর হতবাক মুখের দিকে চেয়ে মৌলি বলে, ‘বলেছিলাম না, সব ভালো ভালো জিনিসের খোঁজ কুসুমের কাছে পাবেন না।’

    সায়ন মৌলির দিকে তাকায়। খোলা চুলের কয়েকটা রেখা ওর কপাল বেয়ে গাল আর নাকের উপরে নেমেছে। হাওয়ায় অল্প অল্প দুলছে সেগুলো। মুখে কমলা রঙের সঙ্গে লালচে আভা খেলছে। হঠাৎ নামানো চোখ তুলে ওর দিকে তাকায় মৌলি। সায়নের ভিতরে একঝাঁক সমুদ্রের ঢেউ যেন এক মুহূর্তে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ওর গোছানো বালুতট তছনছ করে দেয়। সেকেন্ডের মধ্যে ও মুখ সরিয়ে নেয়। মৌলির দৃষ্টি যেন ওর বিধ্বস্ত বালুচরের দিকে তাকিয়ে হাসছে।

    সায়নের ঠোঁট নড়ে ওঠে। সমস্ত প্রান্তরে কোথাও কেউ নেই, তাও ও কাকে যেন লুকিয়ে ফিসফিসিয়ে বলে, ‘আমি কখনও ভাবিনি আপনার মতো কারো সঙ্গে পরিচয় হবে।’

    ‘আমার মতো বলতে? ভ্যাম্পায়ার গোছের?’

    ‘উঁহু…’ সায়ন কিছু বলতে গিয়েও আটকে যায়, বলে, ‘আমি জানি না আপনি কী…’

    মৌলি সামনে তাকিয়ে ওর একটা হাত ধরে কোলের উপরে টেনে নেয়, ‘এই একটা ব্যাপারে মিল আছে। আমিও জানি না আমি ঠিক কী।’

    মৌলিকে সায়ন অনেকক্ষণ থেকেই একটা প্রশ্ন করতে চাইছিল। সুযোগ ছিল না। এবার সেই সুযোগ পেতে একবার ঢোঁক গিলে বলল, ‘গঙ্গা তো আপনার নিজের মা নয়, তাই না?’

    মৌলি শীতল স্টিলের উপর আলতো আঙুল বোলাতে বোলাতে বলে, ‘নিজের মা কে নিজেই জানি না। ছোটবেলার কথা কিছুই মনে নেই আমার। কেবল ছেঁড়াছেঁড়া কিছু দৃশ্য মনে আসে মাঝে মাঝে।’

    ‘কীরকম দৃশ্য?’

    ‘একজন মহিলা। বয়স ধরুন চল্লিশ। মনে হয় উনিই আমার মা। একটা কালো রঙের পাথরে বাঁধা। জামা কাপড় সব ছেঁড়া। কয়েকটা লোক মিলে ছিঁড়ে খাচ্ছে তাকে…তারপর সেই ছবিটা ওখানেই শেষ। তারপর আরেকটা ছবি। আমি কোলের মধ্যে কিছু একটা নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছি। কোথায় দৌড়াচ্ছি জানি না। তবে কোলের প্রাণীটা একটা বিড়াল…এই জানেন, আমার বাড়িতে একটা কালো বিড়াল আছে। ওর নাম কুচিলা!’

    ‘কুচিলা! এ কেমন নাম!’

    ‘ভালো না? একদম কুচকুচে কালো। ভীষণ বদমাশ। আমার বুকের উপর ছাড়া বসবেই না। রোজ সকালে ম্যাও ম্যাও করে ডেকে তুলে দেয় আমাকে। আপনি আমাদের বাড়ি গেলে দেখাব কুচিলাকে…’

    সায়ন খেয়াল করে, মেয়েটা হঠাৎ করেই প্রচুর কথা বলতে শুরু করেছে। সম্ভবত এ গ্রামে অন্য তেমন কোনও বন্ধু নেই তার। তাই সায়নকে পেয়েই সমস্তটা উজাড় করে দিচ্ছে।

    ‘এ ছাড়া আর কী দেখেন?’

    মৌলি মনে করে বলে, ‘একটা ঘন নীল রঙের আলো। আমি জঙ্গলের ভিতরে দাঁড়িয়ে আছি। জঙ্গলটা ভরে গেছে সেই নীল আলোয়, আমার সব কিছু অচেনা লাগছে। অনেকদিন ধরে দেখছি তাও অচেনা লাগছে সমস্ত কিছু। নীল আলোটা আমার শরীরেও জ্বলছে! আশ্চর্য! না?’

    সায়ন মন দিয়ে একটু ভাবে। তারপর বলে, ‘কী জানি। এটুকু থেকে বোঝা অসম্ভব। তবে এটা হতে পারে যে আপনি কোনও জায়গা থেকে পালিয়ে এসেছেন। আসার সময়ই আপনার স্মৃতি নষ্ট হয়ে যায়।’

    মৌলির মুখে একটা বিষণ্ণতার ছায়া নামে, ‘আমারও তাই মনে হয়। আমার মাকে কেউ ধর্ষণ করে খুন করেছিল বোধহয়। আর পোষা বিড়াল নিয়ে আমি পালিয়ে গেছিলাম। অন্তত এই দুটো ছবি থেকে তো তাই মনে হয়…জানেন, তারপর থেকে একটা ভয় হয়েছে আমার…’

    ‘কীসের ভয়?’

    মৌলি মুখের উপর থেকে চুল সরিয়ে বলে, ‘দড়ির বাঁধন জিনিসটা আমি খুব ভয় পাই। মাঝে মাঝে দুঃস্বপ্ন দেখি আমাকে দড়ি দিয়ে কেউ বেঁধে রেখেছে। ভীষণ ভয় লাগে, ওর থেকে মরে যাওয়া ভালো!’

    ‘আপনার নিজের মাকে দেখতে ইচ্ছা করে না? যে আপনাকে জন্ম দিয়েছে…’ জিগ্যেস করে সায়ন। হাত দিয়ে মুখের সামনে এসে পড়া চুল সরায় মৌলি, বলে, ‘আপনারও তো মাকে দেখতে ইচ্ছা করে। কী করেন তখন?’

    একদিকের রেলিঙে পিঠ রাখে সায়ন, ‘মাঝে মাঝে মনে হয় এই পৃথিবীর সব ক’টা মানুষ জন্মের পর থেকে শুধু অসহায় হয়ে মাকেই খুঁজে চলেছে। কখনও ঈশ্বর বলে জড়িয়ে ধরছে তাকে, পুজো আচ্চা করছে, কখনও প্রেমিকা হিসেবে, বেশ্যা হিসেবে, কখনও…শুধু এক অন্তহীন নিরাপত্তার খোঁজ। আমাদের সৃষ্টি থেকেই এক দীর্ঘ যন্ত্রণার শুরু, তার মুখে দাঁড়িয়ে এক চিরস্থায়ী নিরাপত্তার খোঁজ…জননীর গর্ভের মতো…’ কথাটা বলে মৌলির দিকে চায় সায়ন, ‘নাহ, আমরা সবাই অনাথ, বুঝলেন?

    ঝিল থেকে বয়ে আসা মৃদুমন্দ হাওয়া বইতে থাকে ওদের ঘিরে। কানের পাশ দিয়ে বয়ে যায় ওপাশে। উপরে তাকাতে অনন্ত মহাকাশ চোখে পড়ে। তার বুকে গিয়ে যেন বিঁধেছে ইউটিলিটি পোলের খাড়াই দিকটা। এই পোল বেয়ে উঠতে থাকলেই আকাশে পৌঁছে যাবে ওরা। একটা চাপা অস্বস্তি এসে গ্রাস করে সায়নকে। সেটা কাটাতেই ও বলে, ‘গঙ্গা আপনাকে পেলেন কোথায়?’

    ‘তা তো বলতে পারব না। মা এসব নিয়ে বড় একটা কথা বলতে চায় না। তবে শুনেছি আমার যখন দশ বছর বয়স তখন নাকি জঙ্গলের রাস্তা থেকে কুড়িয়ে পেয়েছিল। কেউ ফেলে দিয়ে গেছিল আমাকে। অনেক খোঁজখবর করেও আমার মা-বাবা কাউকে পাওয়া যায়নি। মা আমাকে নিজের মেয়ের মতো মানুষ করেছে। স্কুলে পড়ায়নি কোনওদিন। বিশেষ মানুষজনের সঙ্গে মিশতে দিত না আগে…’

    ‘কেন?’

    ‘তা বলতে পারব না। মা খুব ভয় পায় আমাকে নিয়ে। বলে আমার কিছু হলে নাকি সবার ভীষণ ক্ষতি হয়ে যাবে!’

    সায়ন হিসেব করে মেয়েটা যদি দশ বছর বয়সে এসে থাকে আর ওর বয়স যদি এখন বাইশ হয়ে তাহলে গত বারো বছর ধরে এখানে আছে ও।

    ‘সবার ক্ষতি হয়ে যাবে! অদ্ভুত তো!’

    ওর হাতের উপরে একটা চাপড় মারে মৌলি, ‘ধুর, এসব বাদ দিন তো। আচ্ছা, আপনি ক’দিন আছেন এখানে?’

    ‘ভেবেছি তো দিনসাতেক! সাতদিনে সাতটা নীল ফুল নিয়ে তবে বাড়ি ফিরব।’

    ‘মানে আপনার আর আমার রোজ দেখা হবে? কেন?’

    ‘ওই যে, এ গ্রামে আর কাউকে চিনি না বলে।’

    দুজনের মুখেই হাসির রেখা খেলে যায়। হঠাৎ দূরে আকাশের গায়ে চড়ে বসতে থাকা সূর্যটার দিকে চেয়ে মৌলি বলে, ‘এই, আমি শুনেছি ভোরের নতুন সূর্যের কাছে কিছু চাইলে সূর্য সেটা দিয়ে দেয়!’

    ‘কোথায় শুনেছেন এসব?’

    ‘ওই যে বললাম না সূর্য মায়ের মতো, সব শক্তির উৎস…আরে, আপনি চেয়েই দেখুন না, বলুন কী চান!’

    ‘মানে, আপনি নিজেই বানালেন এটা! যাক গে…’ একটুক্ষণ ভেবে নেয় সায়ন, তারপ হুট করে চোখ খুলে বলে, ‘একটা ঘর…একটা ঠিকানাবিহীন ঘর…’

    ‘মানে?’

    ‘যেখানে আমি লুকিয়ে পড়লে কেউ কোনওদিন খুঁজে পাবে না। আমার সমস্তটা রাখা থাকবে যেখানে।’

    ঠোঁটে আঙুল রেখে মাত্র কয়েক সেকেন্ড কী যেন ভাবে মৌলি। তারপর মুখে হাসি নিয়ে ওর হাত ধরে টান দেয়, ‘নেমে আসুন, আপনার আশা পূরণ হয়ে গেছে।’

    ‘হয়ে গেছে মানে? ঘর পেয়ে গেছেন?’

    মৌলি এতক্ষণে রেলিং বেয়ে নামতে শুরু করেছে। সায়নও ওর সঙ্গে ধীরে ধীরে নেমে আসে। মৌলির মাথায় কিছু একটা ঢুকলে সেটা যে আর সহজে বেরতে চায় না তা এতক্ষণে বুঝে গেছে।

    শেষের রেলিংটায় পৌঁছে ছোট একটা লাফ দেয় মেয়েটা। ধুপ করে ওর শরীরটা নেমে আসে মাটির উপরে। পায়ে হালকা ব্যথা পায় হয়ত। কিন্তু গুরুত্ব দেয় না তাতে। ওকে হাতের ইশারা করে বলে, ‘কই, আসুন তাড়াতাড়ি!’

    সায়ন রেলিং বেয়ে নিচে নেমে আসতেই আবার ওর হাতটা ধরে মৌলি টান দেয়, ‘তাড়াতাড়ি পা চালান।’

    ভাব এমন যেন এক্ষুনি গিয়ে না পৌঁছালে ঘর নিজে পায়ে হেঁটে চলে যাবে কোথাও। মাঠের উপর দিয়ে ওরা আবার দৌড়াতে থাকে জঙ্গলের দিকে। এতক্ষণে ভালো রোদ উঠে গেছে। সেই রোদের তাপে শরীরের শীতলতা জুড়িয়ে আসছে একটু একটু করে।

    দৌড়াতে দৌড়াতে মৌলি মাঠের একেবারে শেষ প্রান্তে চলে আসে। হাত ধরে টেনে একেবারে কোণের দিকে নিয়ে আসে সায়নকে। এদিকটা লোকজন একেবারেই আসে না। তার উপরে গজিয়ে ওঠা গাছাপালা আর লতাপাতায় সমস্ত জায়গাটাই ঢাকা পড়ে গেছে। তবে ভালো করে তাকালে বোঝা যায়, ঝোপঝাড়গুলো গজিয়েছে সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত একটা জিনিসকে ঘিরে।

    সায়ন হতভম্ব হয়ে যায়। বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই যে মাঠ আর জঙ্গলের প্রান্তরেখায় দাঁড়িয়ে আছে একটা পুরনো ভাঙাচোরা লরি! সে লরিটাকে ঘিরে লতাপাতা জন্মে পেছনের দিকের প্রায় সমস্তটাই গ্রাস করে নিয়েছে।

    চাকাগুলো ভেঙে যাওয়ায় একদিকে বেঁকে আছে লরিটা। বোঝা যায় অন্তত বছরখানেক আগে কোনোভাবে লরিটা এখানে এসে উপস্থিত হয়েছে। তারপর থেকে আর কেউ খোঁজ রাখেনি।

    ‘এটা কী করে এল এখানে?’ সায়ন অবাক হয়ে জিগ্যেস করে।

    ‘এখান থেকে একটু দূরে হেঁটে গেলে মেন রোড পড়ে। সেখানেই হয়ত অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছিল কোনওভাবে। একেবারে উঁচু রাস্তা থেকে মাঠে এসে পড়ে বেচারা। এমন ভাবে ভেঙেচুরে যায় যে আর রাস্তায় তোলা যায়নি। মালিক ওকে এখানেই ফেলে দিয়ে চলে গেছিল। সেই থেকে এখানেই পড়ে আছে। লোকে ভুলেই গেছে ওর কথা।’

    লরিটার দিকে এগিয়ে যায় দুজনে। পেছনের অংশটা প্রায় নেই বললেই চলে। জিনিসটা যে একটা লরি সেটা বোঝা যায় সামনের দিকে ড্রাইভারের সিটটা দেখলে। গায়ে লালচে রঙ, জরির সাজগোজ এখনও লেগে রয়েছে কোনওমতে।

    ড্রাইভারের সিটের পাশের দরজাটা টেনে খুলে ফেলে মৌলি। বিশ্রী একটা ঘসঘসে শব্দ তুলে খুলে যায় সেটা। মৌলি বলে, ‘চলুন, আপনার নতুন ঘরে আপনার গৃহপ্রবেশ করিয়ে দিই।’

    ‘ওর ভিতরে ঢুকতে হবে এখন?’ সায়নের কাঁধ ঝুলে যায়। ঘর চেয়ে আচ্ছা বিপদে পড়েছে!

    ‘আসুন, উঠে আসুন, লজ্জা পাচ্ছেন কেন? আপনি নতুন বিয়ে করা বউ নাকি, গৃহপ্রবেশ করতে লজ্জা পাচ্ছেন?’

    ‘আরে, ভেতরে তো সাপখোপ থাকতে পারে, কবে থেকে পড়ে আছে!’

    ‘সে থাকতে পারে। তা বলে গৃহপ্রবেশ করবেন না নাকি?’

    সায়ন বোঝে এ মেয়ের সঙ্গে যুক্তি দিয়ে তর্ক করে লাভ নেই। ক্লান্ত পায়ে হেঁটে লরির অন্য দিকের দরজাটা খুলে সিটের উপর উঠে বসে।

    সামনের উইন্ডস্ক্রিনটার বেশিরভাগটাই ভাঙা। মাত্র দু-জায়গায় ছোট ছোট করে ভাঙা কাচ লেগে আছে। ভিতরে একটা বুনো গন্ধ। সেটা অবশ্য মন্দ লাগে না সায়নের। ও অনুভব করে সিটটা ছেঁড়াখোঁড়া হলেও স্পঞ্জের অনেকটা অংশ এখনও রয়ে গেছে। সব মিলিয়ে একটা মোটামুটি আরামই লাগে ওর।

    মৌলি নিজের দিকের দরজাটা বন্ধ করে দেয়, তারপর বলে, ‘নিন, এই হল আপনার ঘর। এর কোনও ঠিকানা নেই, আপনার কোনও চিঠিচাপাটি আসবে না। কেউ বিরক্ত করতে আসবে না—কেমন?’

    ‘সত্যি মাথায় গন্ডগোল আছে আপনার, জানেন তো?’

    মৌলি চোখ বড়বড় করে, ‘একটু আগে তো ভ্যাম্পায়ার বলছিলেন। এখন পাগল বলছেন? আচ্ছা বেশ, আপনার যা মনে হবে, আমি তাই…’

    সায়ন হঠাৎ করেই মৌলির হাতটা চেপে ধরে। মৌলি খুশিই হয় তাতে। ওর চোখের দিকে তাকিয়ে বলে, ‘এই, আপনি ফাইনালি বলুন—আমি কী?’

    সায়নের মুখে একটা নরম হাসি খেলে যায়, ছোট করে সে উচ্চারণ করে, ‘ঘর…’

    ‘সেকী! আমি ঘর হব কী করে? ঘরের মধ্যেই তো আপনি আছেন!’

    সায়ন ওর দিক থেকে চোখ ফেরায় না। তেমনি চাপা গলায় বলে, ‘ঘর বলতে আসলে মানুষ বোঝায়, জানেন না আপনি?’

    বড় করে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে মৌলি, ‘যাক বাঁচালেন। ডাইনি, ভ্যাম্পার, পাগল থেকে শুরু করে শেষে মানুষ অবধি এল তাহলে!’

    মৌলির বলা কথাটার মধ্যে কৌতুক লুকিয়ে ছিল। ওরা দুজনেই খিলখিল করে হেসে ফেলে। হঠাৎই হাসতে হাসতে সায়নের গালে একটা হাত রাখে মৌলি। তারপর খুব নিচু ধরা গলায় বলে, ‘সায়নবাবু আমাকে ছেড়ে চলে যাবেন না তো?’

    কিছুক্ষণ ওর দিকে চেয়ে থাকে সায়ন। ওদের মুখের হাসি মিলিয়ে এসেছে। হঠাৎ যেন ওদের কান খেয়াল করতে পেরেছে এই মুহূর্তে চারপাশে কোনও আওয়াজ নেই। সব কিছু নিথর নিঃস্পন্দ হয়ে আছে। এই লরির ভিতর অন্য একটা জগতের দরজা খুলে গেছে। সেখান দিয়ে অনেক দূর হেঁটে গেছে ওরা।

    ‘যত খারাপ সময়ই আসুক, আপনি যাই হোন না কেন…আমি কোথাও যাচ্ছি না…’

    মৌলির চোখেমুখে একটা আশঙ্কার মেঘ দেখা যায়, ‘আমার মন বলছে— খুব খারাপ সময় আসছে সামনে। হয়ত আপনি আমি ভাবতেও পারছি না কী হতে চলেছে…’

    অদ্ভুত একটা অনুভূতি হয় সায়নের। ওর মনে হয় মৌলি যা ভাব করছে তার থেকে অনেক বেশি কিছু জানে ও। কিন্তু এই মুহূর্তে সেগুলো সায়নকে বলতে চাইছে না। তবে সায়নের তাতে কিছু যায় আসে না।

    ‘এই দুদিনে এত কিছু হয়ে যাবে আমি ভাবতে পারিনি। আপনি এখান থেকে চলে গেলে মন খারাপ করবে আমার।’ মৌলি আঙুল দিয়ে চোখের জল সরাতে সরাতে বলে।

    ‘আমার ঘর ছেড়ে কোথায় যাব আমি? বলুন?’

    আরও কিছু জিগ্যেস করতে যাচ্ছিল মৌলি। কিন্তু পারে না। ওর ঠোঁটটা তির তির করে কাঁপছে। সায়ন হঠাৎ করে এগিয়ে আসে ওর দিকে। তারপর খুব আলতো করে ওর ঠোঁটে ঠোঁট রাখে। মুহূর্তে সব সংকোচ ধুয়ে মুছে যায়। মৌলি দু’হাতে ওকে টেনে নেয় নিজের ঠোঁটে।

    ঠিক এই সময়ে একটা অদ্ভুত ব্যাপার খেয়াল করে সায়ন। এই মুহূর্তে মৌলি নিয়ন্ত্রণ করছে ওকে। কেবল ঠোঁট দিয়ে নয়, কেবল নিরাপত্তার বেড়াজালে নয়, কেবল ভালোবাসার উষ্ণতা দিয়ে নয়, আরও কিছু…আরও কিছু আছে মৌলির মধ্যে…।

    হ্যাঁ, কোনও ভুল নেই। সায়ন স্বেচ্ছায় কাছে টেনে নিয়েছে মৌলিকে। কিন্তু ওকে চিনতে পারেনি এখনও। ওর মনে হয়, এই মুহূর্তে মৌলি ওকে ছেড়ে না দিলে ওর নিজেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার কোনও উপায় নেই। ও এই মানুষের মন থেকে মুছে যাওয়া লরিটার মতোই এখানে পড়ে থাকবে অনন্তকাল। ক্ষয় হতে হতে মিলিয়ে যাবে মহাকালের বুকে…।

    এটা কি স্বাভাবিক? নাঃ, স্বাভাবিক না। মৌলির মধ্যে কিছু একটা আছে। নিশ্চয়ই আছে…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকলব্য – হরিশংকর জলদাস
    Next Article মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    Related Articles

    সায়ক আমান

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Our Picks

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }