Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    সায়ক আমান এক পাতা গল্প265 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুয়াশার ফুল – ১১

    একাদশ অধ্যায়

    সিঁড়িতে পায়ের শব্দ হতেই ধড়মড়িয়ে উঠে বসে মৌলি। চাপা স্বরে ওকে শান্ত করে সায়ন, ‘কেউ না, কেউ আসবে না…তুমি ঘুমাও…’

    কাল নিচে গিয়ে কুসুমকে দোতলার অন্য একটা ঘরে আসতে বলেছে সায়ন। ওকে ভালো করে বুঝিয়ে বলেছে, ওর ঘরে যেন ভুলেও না ঢোকে। বেচারির একটু মন খারাপ হলেও মাথায় হাত বুলিয়ে আপেল আর ক্রিম বিস্কুটের লোভ দেখিয়ে কোনওরকমে ম্যানেজ করেছে ব্যাপারটা। তবে দিলুজেঠু এখনও বিষয়টা জানতে পারেননি, এই যা শান্তি।

    মৌলির বিশ্বাস হয় না কথাটায়। সে কয়েক সেকেন্ড চুপ করে শোনার চেষ্টা করে। তারপর একটু আশ্বস্ত হয়। কিন্তু বালিশে মাথা রাখতে সাহস হয় না। আরও কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর আওয়াজটা না হতে একটু নিশ্চিন্ত হয় সে। তারপর বিড়বিড় করে বলে, ‘আমার খুব ভয় করে সায়নবাবু, খুব ভয় করে!’

    সায়নের মুখে একটা নরম হাসি খেলে যায়, বলে, ‘আমি যতদূর জানি আপাতত আপনাকেই এ গ্রামের বেশিরভাগ লোক ভয় পাচ্ছে। যেভাবে লোকদুটোকে মেরেছেন!’

    ‘আমি! আমি কাউকে মারিনি—’

    ‘তাহলে কে মারল?’

    মৌলি মুখ নামিয়ে নেয়। ধীরে ধীরে বলে, ‘মা হতে পারে। আমি জানি না। আমার খুব ক্লান্ত লাগছিল। ওরা খুব মারছিল আমাকে। ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। হঠাৎ চিৎকার শুনতে পেলাম। দেখলাম ওই দুটো লোক গাছ থেকে ঝুলছে। আর আমি…আমার দড়িগুলো হালকা হয়ে আছে…সুযোগ পেয়ে পালিয়ে গেলাম।’

    মৌলির কথাগুলো কেমন মেকি লাগে সায়নের। ওর অবচেতন মন বলে মৌলি মিথ্যে কথা বলছে।

    কিছুক্ষণ চুপ করে থাকে মৌলি, সায়ন জিগ্যেস করে, ‘আপনার পেটে যে উল্কিগুলো আছে সেগুলোর মানে জানেন আপনি?’

    দু’পাশে মাথা নাড়ায় মৌলি। চাদরটা আরও বেশি করে গায়ে টেনে নেয়। সায়ন হাত তুলে আশ্বস্ত করে তাকে, ‘ঘাবড়াবেন না। আপনার জামাকাপড় খুলে দেখিনি আমি। ওরা আপনার কয়েকটা ছবি তুলেছিল। আমাকে দেখিয়ে জানতে চাইছিল ওগুলোর মানে কী…কবে থেকে আছে ওগুলো?’

    ‘ছোট থেকেই।’

    ‘কে করেছিল ট্যাটুগুলো?’

    ‘মনে নেই…’

    ‘ওয়াল্পারগা হাস্মানিন নামটা আগে শুনেছেন আপনি?’

    দুদিকে মাথা নাড়ে মৌলি। ওর মুখটা থমথমে দেখায়। সেদিকে তাকিয়ে মায়া হয় সায়নের। বিছানায় ওর পাশে উঠে বসে বলে, ‘আপনার চিন্তার কিছু নেই, আমি থাকতে আপনার ক্ষতি কেউ করতে পারবে না…’

    ‘পুলিশ আমাকে খুঁজছে সায়নবাবু, আর ওই লোকগুলো আমায় দেখতে পেলে…আপনি আমায় ছেড়ে যাবেন না তো?’

    সায়ন উঠে গিয়ে আলনা থেকে একটা জামা আর ট্রাউজার এনে ওর সামনে রাখে, ‘আপনি জামাকাপড় চেঞ্জ করে নিন, আমি একটু বাইরে যাচ্ছি।’

    ‘না, যাবেন না কোথাও। এখানে একটু থাকুন। আমার ভয়টা কমুক। তারপর অন্য কোথাও যাবেন!’

    সায়ন বিছানা থেকে নামার জন্য পা বাড়িয়েছিল, পা দুটোকে আবার বিছানার উপর তুলে নেয়। মৌলি একটু আশ্বস্ত হয়ে বলে, ‘চোখমুখ ফুলে আছে আপনার, রাতে ঘুমাননি?’

    ‘না, ওই চেয়ারে বসেছিলাম। মাঝেমধ্যে ঢুলুনি আসছিল।’

    ‘ঘুমাননি কেন? ভয় করছিল আমাকে?’

    ‘আপনাকে ভয় করবে কেন?’

    ‘এই যে জিগ্যেস করলেন—আমি ওই লোকদুটোকে খুন করেছি কিনা?’

    ‘করেছেন?’

    মৌলির মুখে হঠাৎ করেই একটা রহস্যময় হাসি খেলে যায়। আজ রাতে এই প্রথমবারের মতো হাসে ও। বলে, ‘সবার সব ভয় কাটিয়ে দেওয়া উচিত নয়, জানেন সায়নবাবু, বিশেষ করে মেয়েদের…’

    ‘আপনি অনেক কথা আমাকে বলেননি, তাই না?’

    ‘আপনি সব কথা আমায় বলেছেন?’

    ‘আমি আবার কী বললাম না?’

    বালিশে মাথা রেখে অন্য দিকে মুখ ফেরায় মৌলি, ‘মাঝরাতে চেয়ার থেকে উঠে আমার মাথায় হাত রাখছিলেন আপনি। রাখেননি?’

    সায়ন প্রথমে অপ্রস্তুত হয়, তারপর বলে, ‘হ্যাঁ রেখেছিলাম। দেখছিলাম আপনার জ্বর আছে কিনা। তাছাড়া, এখানে আমার খুব একটা ভালো ঘুম হয় না। অস্বস্তি হয়, মনে হয় বাইরে থেকে কেউ দেখছে আমাকে!’

    হঠাৎ করেই বালিশের আড়ালে মুখ লুকিয়ে নেয় মৌলি, ‘এখানে কেউ হয়ত ভালোবাসে আপনাকে, রাতবিরেতে বিপদ আপদের হাত থেকে রক্ষা করে…’

    এগিয়ে এসে ওর বালিশে হাত রাখে সায়ন, ‘আমার কেউ আছে কিনা জানি না, কিন্তু আপনাকে বিপদের হাত থেকে রক্ষা করার লোক আছে এখানে।’

    ‘কে বলুন তো?’ মৌলি অবোধ গলায় জিগ্যেস করে।

    ‘জানেন না?’

    মিষ্টি করে হেসে আবার মুখ লুকিয়ে ফেলে মৌলি, ‘বাইরের লোক যদি জানতে পারে আপনি আমাকে আশ্রয় দিয়েছেন, আমার সঙ্গে আপনাকেও কিন্তু ছেড়ে দেবে না!’

    ‘আমার বাবা পেশায় উকিল, আমারও ডিগ্রিটা আছে, ঠিক সামলে নেব। তাছাড়া…’

    ‘তাছাড়া কী?’

    ‘আপনি কাছে থাকলে জানি না কেন আমার খুব একটা ভয় লাগে না।’

    ‘এই যে বললেন, সবাই আমায় ভয় পাচ্ছে, তা আপনি পাচ্ছেন না? ডাইনিকে ভয় করে না আপনার?’

    হঠাৎ জোরে শব্দ করে হেসে ফেলে সায়ন, ‘এই জানেন, ছোটবেলায় আমার কাছে একটা বই ছিল—মরা ডাইনির অভিশাপ। মা রোজ ওটা থেকে গল্প পড়ে শোনাত আমাকে। তার কভারের ছবিতে যে ডাইনিটা ছিল তাকে একদম আপনার মতো দেখতে!’

    ওর পিঠের ওপর একটা ঘুষি মারে মৌলি, ‘তবে রে! আমাকে ডাইনির মতো দেখতে?’

    ‘আহা, চটছেন কেন? ডাইনিটাকে ভারি ভলোবাসতাম আমি। আমার ফার্স্ট গার্লফ্রেন্ড ছিল ডাইনিটা…’

    ‘তাই নাকি?’ মৌলি কথাটা বলে উঠে বসে, ‘এই, জানেন, ডাইনিরা কিন্তু পুরুষমানুষকে খুব ভালো বশ করতে জানে…’

    ‘আচ্ছা! কীভাবে?’

    ‘চোখের দিকে তাকিয়ে। বেশিক্ষণ চোখের দিকে তাকিয়ে থাকলেই আপনি পাথর হয়ে যাবে…’

    ‘তাই নাকি?’ সায়ন নিজের মুখটা মৌলির মুখের ভীষণ কাছে নিয়ে আসে। দুটো হাত রাখে ওর গালে। তারপর ওর চোখের দিকে চোখ তুলে তাকায়, ‘করুন বশ…আমি তো আপত্তি করিনি…’

    মৌলিরও দুটো হাত উঠে এসে ওর গাল স্পর্শ করে। কয়েক সেকেন্ড দুজন অপলক চোখে দুজনের দিকে তাকিয়ে থাকে। চোখের পাতা পড়ে না। কেবল চোখের ফাঁকে অনন্ত সময় ডুবে যায়। ঠিক যেন পাথরের মূর্তিতেই পরিণত হয় দুজনে।

    আস্তে আস্তে মৌলির মাথাটা সায়নের ঘাড়ে নেমে আসে, ‘আমার খুব ভয় করছে…আমার খুব ভয় করছে সায়নবাবু…’

    অজান্তেই সায়নের হাতটা মৌলির পিঠে নেমে আসে, শিশুর মতো ওকে শান্ত করতে থাকে সায়ন, ‘ভয় পাবেন না। আমি আছি আপনার কাছে, সব সময়…’

    সায়নের বুক থেকে মুখ সরায় না মৌলি। একটা মিহি সুরে গান গেয়ে ওঠে ও । ভীষণ চাপা স্বর। শুধু সায়নকে শোনানোর জন্যেই।

    ‘এটা কী গান বলুন তো?’ সায়ন জিগ্যেস করে।

    ‘যেটা আপনি শুনতে চেয়েছিলেন প্রথমদিন…’

    ‘আপনি শিখে নিয়েছেন?’

    মিহি সুরের সেই গান ওর চোখ বন্ধ করিয়ে দেয়। একটা আবেশ এসে মিশে যায় ওদের শরীরে। মনে হয় জানলা দিয়ে বেরিয়ে গ্রামের দূরতম প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছে সেই গানের রেশ। রক্তাক্ত প্রতিহিংসাপরায়ণ কিছু মানুষ, হিংস্র কিছু অন্ধকার আর অজানা কোনও ভয়কে যেন শান্ত করে দিচ্ছে সেই গান। ও মৌলিকে আরও বেশি করে আঁকড়ে ধরে।

    হঠাৎ সায়নের মনে হয় মেয়েটার অনাবৃত শরীর অনেকটা স্পর্শ করে রয়েছে ওর বুক-পিঠ। নরম পাখির মতো স্পর্শে ওর গা-টা শিরশির করে ওঠে। এবং সেইসঙ্গে একটা অদ্ভুত নিয়ন্ত্রণ। ও চাইলেও নিজের ইচ্ছায় কিছু করতে পারবে না।

    বুক থেকে মুখ তুলে ওর মাথাটা বালিশের উপর রেখে দেয় সায়ন। তারপর বলে, ‘একটু পরে ওরা হয়তো বেরোবে…’

    ‘কোথায়?’

    ‘আপনাদের বাড়ি সার্চ করতে।’

    ‘আপনিও যাবেন?’

    ‘যেতে তো বলেছে…’

    ‘বেশ, তবে যান, কিন্তু ওখানে কিছু খুঁজে পাবেন না। শুধু আমার একটা কথা রাখবেন?’

    ‘কী কথা?’

    ‘দোতলায় যে ভাঙা ঘরটা আছে তার ছাদের সঙ্গে লাগোয়া একটা খোপ আছে। নিচ থেকে বোঝা যায় না যে ওটা একটা খোপ। সেটা অন্য কেউ দেখার আগে আপনি দেখবেন। আর কেউ না। ঠিক আছে?’

    ‘কেন? কী আছে ওখানে?’

    মৌলি কথাটার উত্তর দেয় না। বালিশের উপর মুখ ফিরিয়ে শোয়। সায়ন ওর মাথায় একটা হাত রাখে, তারপর বলে, ‘আপনি ঘুমিয়ে নিন, আমি একটু পরে ব্রেকফাস্ট নিয়ে উপরে চলে আসব। বেরোনোর সময় বাইরে থেকে চাবি দিয়ে যাব। ভয় নেই, দরজা কেউ খুলবে না। শুধু আপনি কোনও আওয়াজ করবেন না।’

    বাচ্চা মেয়ের মতো উপরে নিচে মাথা নাড়ে মৌলি। তারপর চোখ বোজে।

    * * * *

    তালাটা খুলতেই একটা তীব্র শব্দ পাঁচিলের ভিতরের ফাঁকা জায়গাটায় ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের দলটা দরজা খুলে বাড়ির ভিতরে ঢুকে আসে। এই চত্বরেই কম্পাউন্ডার বসত। তার জন্য বরাদ্দ একটা গোল ভাঙা কাঠের টেবিল আর চেয়ার এখনও আগের মতোই একধারে পড়ে আছে।

    সদর দরজাতেও তালা। তালা ভাঙার ঝনঝন শব্দ উঠোনের ভেতর গমগমিয়ে ওঠে। ওরা জনাছয়েক লোক পিছিয়ে আসে সেই আওয়াজে।

    এতক্ষণে বেলা গড়িয়ে দুপুর হয়েছে। গ্রামের সাধারণ মানুষকে এদিকটায় আসতে দেওয়া হচ্ছে না। ইন্সপেক্টর গাঙ্গুলী, দিলীপ দস্তিদার, সায়ন আর দুজন কনস্টেবল একটু পিছিয়ে দাঁড়িয়েছিল। তারা এবার এগিয়ে এসে উঁকি মারে ঘরের দরজা দিয়ে।

    বাইরের জায়গাটা একবার ভালো করে দেখে নেয় ওরা। সামান্য কিছু কাগজপত্র আর ডাঁই করা কিছু প্লাস্টিকের প্যাকেট রাখা আছে। তাতেই সম্ভবত জড়িবুটি থাকত।

    ইন্সপেক্টর গাঙ্গুলী আগে ঘরে ঢোকেন। বাড়িটা বড় হলেও ঘরগুলো কেমন খুপরি মতো। মনে হয় বেশিক্ষণ থাকলে দম বন্ধ হয়ে আসবে। দরজাটা খুলেই একটা ছোট্ট দালান। তার দুদিকে দুটো ঘর। দালান দিয়ে একদম সোজা চলে গেলে একটা সিমেন্ট দিয়ে বাঁধানো কুয়ো। তার পাঁচিলে বালতি রাখা রয়েছে।

    নিচতলায় মোট চারটে ঘর। এই চারটে ঘরের মধ্যে দুটো ব্যবহার হয় না।

    দিলীপ দস্তিদার বললেন, ‘দুশো বছরের পুরনো বাড়ি। বেশি গুঁতোগুঁতি করতে গেলে মাথার উপর না ভেঙে পড়ে!’

    ইন্সপেক্টর গাঙ্গুলী তার কথায় কর্ণপাত না করে দুজন কনস্টেবলকে অন্য ঘরটা দেখিয়ে ইশারা করলেন। নিজে ঢুকে এলেন গঙ্গার ঘরে। ঘরের উপর একবার চোখ বুলিয়েই বললেন, ‘আমার যতদূর মনে হচ্ছে মহিলা হুট করে বেরিয়ে যাননি। বেশ আটঘাট বেঁধেই বেরিয়েছিলেন। রাত অবধি মেয়ে বাড়িতে না ফেরাতেই মনে হয় বুঝে গেছিলেন কিছু একটা হয়েছে। তখন থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন…’

    চারদিকের দেওয়াল থেকে ভাঙা ইট বেরিয়ে আছে। একটা বড় টেবিলের উপর ভাঙা গ্রামোফোন, কিছু ছেঁড়া কাপড়। জলের গ্লাস, দুটো কাচভাঙা চশমাও উল্টে পড়ে আছে। দেওয়ালের দিকে তাকাতে ওরা সবাই খানিক অবাক হয়ে যায়। গোটা ঘরের একদিকের দেওয়ালে কাঠের তাক করে অজস্র বই রাখা আছে। সব বই-ই পুরনো, হলদেটে ছাপ লাগা। হয়তো গঙ্গা নিজে হাতে মলাট দিয়েছিল কোনও এক সময়। সেই মলাটও ধুলোয় ধুলোয় কালচে হয়ে গেছে। কাছে গিয়ে বইগুলো খতিয়ে দেখতে থাকেন ইন্সপেক্টর, ‘এখানে ইতিহাসের বই তো বেশি দেখছি! আশ্চর্যের ব্যাপার, তাই না? একজন অশিক্ষিত গ্রাম্য মহিলা…ইতিহাস নিয়ে এত আগ্রহ এল কোথা থেকে?’

    ইন্সপেক্টর গাঙ্গুলী দিলুবাবুর দিকে চেয়ে বললেন, ‘বাচ্চা চুরি করার ব্যাপারটা যদি সত্যি হয় তাহলে সেসব জিনিস একতলায় থাকবে বলে মনে হয় না। এখানে লোকজনের যাতায়াত ছিল…’

    একটা বইতে নজর পড়তে ভুরু কুঁচকে যায় ইন্সপেক্টর গাঙ্গুলীর। বইটা ডাইনিদের নিয়ে। তবে মন্ত্র-তন্ত্র নয়। খানিক প্রবন্ধ সংকলন গোছের। সেটা তাক থেকে টেনে বের করেন তিনি। একটা বিশেষ পাতায় এসে থেমে যান। তারপর সায়নের দিকে চেয়ে বলেন, ‘মিস্টার মজুমদার, আপনি সেদিন এই মহিলার কথা বলছিলেন না?’

    সায়ন ঝুঁকে পড়ে দেখে বইয়ের খোলা পাতায় ওয়াল্পারগা হাস্মানিনের ব্যাপারে বিশদে লেখা আছে। সঙ্গে একটা হাতে আঁকা ছবিও দেওয়া আছে তার। ঘাড় নাড়ায় সায়ন, ‘হ্যাঁ, ইনি…’

    খোলা পাতাটার কয়েক জায়গায় লাল কালি দিয়ে কীসব দাগ দেওয়া আছে। পেন্সিলে একসময় কিছু লেখাও হয়েছিল কিন্তু সেসব আবছা হয়ে এখন উঠে গেছে। সায়ন আরও দু-একটা পাতা উলটে বলে, ‘অন্য ডাইনিদের ব্যাপারে কিন্তু এত দাগ বা হাইলাইট করা নেই। মানে এনাকে নিয়েই আসল আগ্রহের জায়গা…’

    একটা কথা মাথায় আসে সায়নের। মৌলি ওয়াল্পারগা হাস্মানিনের ব্যাপারে কিছু জানে না, এদিকে ওর মায়ের তাকে নিয়ে এত আগ্রহ। ওর শরীরের ট্যাটুটা নিশ্চয়ই গঙ্গাও দেখেছিল? তাহলে তো মৌলির না জানার কথা নয়! মৌলি কি মিথ্যে বলছে? অবশ্য মৌলি কিছু একটা গোপন করছে সেটা আগেই সন্দেহ করেছিল সায়ন।

    বইতে আর কিছু না পেয়ে সেটা আবার তাকে গুঁজে রাখতে যাচ্ছিলেন ইন্সপেক্টর গাঙ্গুলী। একটু অসুবিধা হয় তার। পাশের বইটা না সরালে কিছুতেই ঢুকিয়ে রাখা যাচ্ছে না এটা। সায়ন দ্রুত পাশের বইটা সরিয়ে নেয়। দুজনের একইসঙ্গে চোখ পড়ে সরিয়ে নেওয়া বইটার উপর।

    বই নয়, একটা ডায়েরি। একই মলাট দেওয়া আছে বলে আলাদা করে ডায়েরি বলে বোঝা যায়নি।

    সায়নের হাত থেকে ডায়েরিটা একরকম ছিনিয়ে নিয়ে আলোর মধ্যে ধরে সেটা খোলেন ইন্সপেক্টর গাঙ্গুলী। বাকি দুজন ওর কাঁধের পাশ দিয়ে উঁকি দেয় তার খোলা পাতায়।

    মলাটটা পুরনো হলেও ডায়েরিটা ততটা মলিন নয়। তবে কাগজগুলো হাতে তৈরি। নানারকম ছবি আর আঁকায় ভরে আছে ডায়েরিটা। বাংলা গোটা গোটা অক্ষরে কিছু জড়িবুটির নাম, তার থেকে তৈরি হওয়া ওষুধ, কিছু হিজিবিজি, কিছু অস্পষ্ট লাইনে ভর্তি।

    পাতা উল্টে একটা জায়গায় চোখ আটকে যায় ইন্সপেক্টরের, মুখ না ঘুরিয়েই ডাক দেন তিনি, ‘দিলুবাবু, দেখুন তো নামগুলো চিনতে পারছেন কিনা!’

    দিলুবাবু এগিয়ে এসে ডায়েরির উপরে ঝুঁকে পড়ে দেখেন একেবারে শেষের দিকের একটা পাতায় আঁকিবুকির মাঝে স্পষ্ট করে লিস্টের মতো বেশ কিছু নাম লেখা আছে। কালো কালি পরিষ্কার ফুটে রয়েছে, যেন নামগুলো লেখার সময় লেখক ভারি যত্ন নিয়ে ফুটিয়ে ফুটিয়ে লিখেছেন।

    ভালো করে লক্ষ করতেই কয়েকটা নাম চিনতে পারেন তিনি। উৎসাহে তার চোখ চকচক করে ওঠে, ‘স্যার, এরা সবাই…মানে এদের সবার বাড়ি থেকেই বাচ্চা চুরি হয়েছিল…হারু ঘোষ, গোবিন্দ মাইতি, জগন্নাথ, দেবলাল, প্রভাকর…’

    ‘আর বাকি নামগুলো?’

    কাঁধ ঝাঁকান দিলীপবাবু, ‘ওগুলো চিনি না স্যার। এ গ্রামে ওরকম নাম কারো আছে বলে তো মনে হয় না। পাশের গ্রামের হলেও হতে পারে…’

    ইন্সপেক্টরের আঙুল একটু সরে আসে, ‘নামের উপরে তারিখ লেখা আছে। অর্থাৎ যবে বাচ্চাগুলো চুরি হয়েছিল, তারিখগুলো মিলছে সম্ভবত, তাই না?’

    ‘আমি আপনাকে বলেছিলাম স্যার, এই সব কিছু ওই ডাইনির কারসাজি, ও-ই চুরি করেছে বাচ্চাগুলো। আপনি আমাকে বিশ্বাস করেননি, এবার বুঝতে পারছেন তো!’

    ডায়েরিটা একজন কন্সটেবলের হাতে দিয়ে উঠে পড়েন গাঙ্গুলী, ‘কিন্তু…একটা বাচ্চারও বডি পাওয়া গেল না! বডিগুলোকে রাখে কোথায়?’

    ‘স্যার আমার মনে হয় বাইরের উঠোনটা খুঁড়লেই পাওয়া যাবে। বিশেষ করে টেবিলের নিচটা…’

    নিজের কপালের দুপাশ চেপে ধরলেন ইন্সপেক্টর গাঙ্গুলী। শোকেসের উপর কয়েকবার আঙুল দিয়ে বললেন, ‘বেশ, আমি আজ রাতের মধ্যেই বডিগুলো উদ্ধারের চেষ্টা…’

    কথা শেষ করতে পারেন না গাঙ্গুলী। এমন সময় পেছনের ঘর থেকে একটা চিৎকার ভেসে আসে, ‘স্যার এখানে কিছু একটা আছে স্যার…এদিকে আসুন…’

    আওয়াজটা কানে যেতেই তিনজনে দ্রুত পা চালিয়ে পাশের ঘরে ঢুকে আসেন।

    এ ঘরটা আগেরটার চেয়ে একটু বেশি গোছানো। বইপত্রেরও তেমন আধিক্য নেই। সম্ভবত মৌলি থাকত এই ঘরে। ঘরের বেশিরভাগটা জুড়ে একটা দশাসই খাট। তার সামনে হুমড়ি খেয়েই হাঁক পেড়েছে একজন কনস্টেবল।

    গাঙ্গুলীকে দেখতে পেয়েই সে উত্তেজিত গলায় বলে ওঠে, ‘এখানে প্যাকেট করে কিছু রাখা আছে স্যার…মনে হচ্ছে বাচ্চাদের জামাকাপড়!’

    সায়ন আর ইন্সপেক্টর গাঙ্গুলী ছুটে গিয়ে ঝুঁকে পড়েন খাটের তলায়। হাতের লাঠি দিয়ে ধীরে ধীরে ঝুলে থাকা বিছানার চাদরটাকে উপরের দিকে তোলেন।

    বিছানার নিচে অনেকগুলো ছোটছোট কাচের শিশি উল্টে পড়ে আছে, কয়েকটা পুরনো ইঞ্জেকশনের সিরিঞ্জ। তার মাঝে সাদা প্ল্যাস্টিকের প্যাকেট করে দুটো পুঁটলি। একটা বড়, একটা ছোট।

    দুটো পুঁটলি টেনে এনে তার গিঁট খুলে ফেলেন গাঙ্গুলী। সায়ন স্তব্ধ হয়ে অপলকে চেয়ে দেখতে থাকে। গিঁট খুলতেই পুটলির ভিতর থেকে কিছু ছোটছোট কাপড়ের টুকরো বেরিয়ে আসে। তাতে চাপচাপ রক্ত লেগে আছে। দেখে মনে হয়, এক কি দুই বছরের শিশুদের পোশাক।

    দিলীপ দস্তিদার গড়গড়ে গলায় বলে ওঠেন, ‘ডাইনি, শয়তান ডাইনি! এবার ধরতে পারি তারপর…’

    এবার দ্বিতীয় পুঁটলিটা বের করেন ইন্সপেক্টর। এটা আগেরটার থেকে অপেক্ষাকৃত ভারী। গিঁট খুলতে তার ভিতর থেকে যা বেরিয়ে আসে সেটা দেখে এক-পা পিছিয়ে আসে সায়ন। ওর মেরুদণ্ড মুহূর্তে ঠান্ডা হয়ে যায়। দুটো প্রায় কাটারি সাইজের ধারালো ছুরি। সকালের রোদ লেগে চকচক করছে ছুরিদুটো।

    ‘এটা দিয়েই সম্ভবত খুন করা হয়েছিল মিস্টার মিত্রকে…’ কথাটা বলতে বলতেই কন্সটেবলের হাতে সেটা তুলে দেন ইন্সপেক্টর, ‘এটা ব্লাড স্যাম্পেলের জন্য পাঠাও…’

    পুঁটলির ভিতর থেকে বেরোয় একটা বীভৎস মুখোশ! হালকা নীলচে ভাব আছে সেটায়। সম্ভবত একটা ডাইনির মুখোশ। মাথার দুপাশ থেকে গোছা গোছা কোঁকড়া চুলের ঢল নেমেছে। রাতবিরেতে আধো অন্ধকারে এ মুখোশ মুখে পরলে ডাইনি বলে ভুল হওয়া বিচিত্র নয়।

    মুখোশটা কন্সটেবলের হাতে তুলে দিতে দিতে গাঙ্গুলী বলে, ‘জগন্নাথ বলে লোকটার বউ ডাইনিকে দেখেছিল না?’

    ‘সে তো মারা গেছে। তবে প্রভাকরের বউ আর জগন্নাথও দেখেছিল যদ্দুর জানি।’

    ‘বেশ, তাহলে ওদেরকে আইডেন্টিফাই করতে বলুন এই সেই মুখোশ কিনা…’

    নির্দেশটা দিয়ে পড়ে থাকা ওষুধের শিশিগুলোর মধ্যে থেকে একটা ভাঙা শিশি হাতের তালুতে নেন ইন্সপেক্টর। তারপর সতর্ক ভঙ্গিতে সেটা নাকের কাছে এনে ঘ্রাণ নেন। মাথাটা গুলিয়ে ওঠে তার। বুঝতে পারেন এটা বেশিক্ষণ নাকের কাছে ধরে রাখলে অজ্ঞান হয়ে যাবেন।

    ‘ক্লোরোফর্ম?’ জিগ্যেস করে সায়ন।

    দুদিকে মাথা নাড়েন ইন্সপেক্টর, ‘উঁহু, তবে কাজটা একই করে। সম্ভবত গাছপালার শিকড় দিয়ে ঘরোয়া পদ্ধতিতে তৈরি করা…’

    শিশিটা মাটিতে রেখে উঠে পড়েন ইন্সপেক্টর। কনস্টেবলদের দিকে তাকিয়ে নির্দেশ দেন, ‘আপাতত এগুলো এখানেই থাক। বাড়িটা কমপ্লিটলি সিল করে দাও। আর থানায় বলে দাও আশেপাশে যত গ্রাম আছে, গঙ্গাকে যেখানেই দেখা যাক, যেন পুলিশে খবর দেয়। বাট বি কেয়ারফুল, শি ক্যান বি এক্সট্রিমলি ডেঞ্জারাস…’

    কথাগুলো বলে বাকি ঘরগুলো দেখতে বেরিয়ে যান তিনি।

    মিনিটদশেক পরে কায়দা করে পুলিশের টিমটা থেকে সরে আসে সায়ন। একটা ছোট্ট লোহার গেট দেওয়া আছে দোতলার সিঁড়ির মুখে। তার ভেতর দিয়ে হাত গলিয়ে খোলা অবশ্য কঠিন নয়।

    সবার নজর বাঁচিয়ে গেটটা খুলে সিঁড়ির ওপর উঠে আসে সায়ন। লম্বাটে চেহারার জন্য সরু সিঁড়ি দিয়ে উঠতে খানিক অসুবিধা হয় ওর। সত্যিই দুশো বছর আগের বাড়ি আর বসবাসযোগ্য নেই। এখানে দুজন কী করে থাকত কে জানে! সায়ন ভাবে, গঙ্গার ছেলেপিলে নেই, ধরা পড়লে হয় এতগুলো বাচ্চা খুনের জন্য ফাঁসি হবে না হয় জেলে যাবে আজীবনের জন্য। সায়নের মনটা খারাপ হয়ে যায়। গঙ্গা সত্যি ডাইনি? কিন্তু মৌলির কথা শুনে তো একবারও মনে হয়নি…

    কোনওরকমে গা বাঁচিয়ে সে উঠে আসে দোতলায়। যে জায়গাটায় এসে ও দাঁড়ায় তার দুদিকে দুটো ঘর। তার মধ্যে বাঁদিকেরটা ভগ্নপ্রায়। উড়ন্ত বাদুড়দের একটানা কিচমিচ আওয়াজ আসছে চারদিক থেকে। সিঁড়ির দিকের দেওয়াল ভেঙে পড়ে উঠোনের কুয়োটা দেখা যাচ্ছে।

    ডান দিকের পাঁচিলটা তাও দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু ছাদের বেশ কিছু জায়গা গায়েব। সেখানে মাকড়সার জালের বুননে কী আছে কিছুর দেখার উপায় নেই।

    সায়ন ভালো করে চারপাশটা দেখতে থাকে। তারপর ডানদিকের ঘরটাতে ঢুকে পড়ে। ভেঙে পড়া জানলা দিয়ে একফালি আলো এসে পড়েছে ঘরটাতে। সমস্ত ঘরটা একবার ঘুরে দেখতে দেখতে একটা জিনিস চোখে পড়ে ওর। নেহাত মৌলি বলেছিল বলে খেয়াল করে, না হলে মাটিতে দাঁড়িয়ে আদৌ যে ব্যাপারটা আছে সেটা বোঝার কোনও উপায় নেই।

    ভেঙে পড়া ছাদের ধার ঘেঁষে বাড়ির বাইরের দিকে একটা লফট জাতীয় ইটের গাঁথনি। পলকা ইট দিয়ে সাজিয়ে এমনভাবে ঢাকা হয়েছে জায়গাটা যে, মাটিতে দাঁড়িয়ে বোঝা অসম্ভব ওখানে কিছু আছে।

    কিন্তু বাড়ির বাইরের দিকে কেউ লফট করবে কেন? কিছু লুকানোর জন্য? ওখানে কি কিছু লুকিয়ে রাখা আছে? ওকে কেন এটা দেখতে বলেছে মৌলি? প্রশ্নগুলো সায়নের মাথার মধ্যে ভেসে ওঠে।

    লফটটা মাটি থেকে অন্তত দশ ফুট উঁচুতে। তাছাড়া সেটার কাছাকাছি পৌঁছাতে হলে পাঁচিলের উপর দিয়ে একটা হালকা লাফ মারতে হয়। ব্যাপারটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ! একবার পা পিছলে গেলেই সটান নিচে এসে পড়বে।

     আরেকবার সিঁড়ির কাছে গিয়ে ভালো করে দেখে আসে সায়ন। সিঁড়ি দিয়ে কেউ ওপরে আসছে না। সে তারপর আবার ফিরে যায় ঘরের ভিতর।

    নিচে দাঁড়িয়ে অত উঁচুতে হাত যাওয়া সম্ভব নয়। মোবাইল ফোনটা বের করে লফটটার দিকে টর্চের আলো ফেলে সায়ন। ভেতরে সাদা কাপড়ের টুকরো মতো কিছু একটা ছাড়া প্রায় কিছুই দেখা যাচ্ছে না।

    বাঁদিকের ঘরটাতে ফেলে রাখা জিনিসপত্রের মধ্যে একটা মই দেখেছিল সায়ন। ওটা ছাড়া উপরে ওঠার আর অন্য কোনও উপায় নেই।

    কোনওরকমে দু’হাতে ধরে মইটা লফটটার নিচে নিয়ে আসে সায়ন। তারপর সাবধানে ওটা বেয়ে উঠতে থাকে। মচমচ করে ওঠে মইটা। রীতিমতো ঝুরঝুরে অবস্থা।

    সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে চোখ বুজে ছোট একটা লাফ দিয়ে লফটের একটা প্রান্ত ও ধরে ফেলে। ওর দেহটা ঝুলতে থাকে জরাজীর্ণ বাড়িটার বাইরে। বাড়ির পেছন দিক থেকে বাইরে থেকে কেউ দেখতে পাচ্ছে না ওকে। বুকটা শিরশির করে। এখানে যদি কিছু থেকেও থাকে, সেটা এখানে রাখল কে?

    ঝুলতে ঝুলতেই লফটের ভেতরে উঁকি মারে ও। হ্যাঁ সত্যিই বড়সড়ো কিছু একটা পড়ে আছে সেখানে। কাঁধের ওপরে চাপ দিয়ে মাথাটা আর একটু উপরে তোলে সায়ন। ভিতরে পড়ে থাকা জিনিসটার উপরে ওর মোবাইলের টর্চের আলো গিয়ে পড়ে।

    যে জিনিসটা চোখে পড়েছে তা ওর বুকের ভেতর থেকে সমস্ত রক্ত জমিয়ে ঠান্ডা করে দিয়েছে। এ কী করে সম্ভব?

    ওর মাথা থেকে পা পর্যন্ত সমস্ত অঙ্গ অসাড় হয়ে যায়। হাতদুটো ছেড়ে যায় লফট থেকে। শরীরটা আলগা হয়ে নেমে আসতে থাকে মাটির দিকে।

    তখনও লুকোনো লফটের ভিতর নিথর, নিঃস্পন্দ, মৃত অবস্থায় একটা দেহ পড়ে আছে। দেহটা আর কারো নয়, মৌলির।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকলব্য – হরিশংকর জলদাস
    Next Article মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    Related Articles

    সায়ক আমান

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Our Picks

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }