Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    সায়ক আমান এক পাতা গল্প265 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুয়াশার ফুল – ৩

    তৃতীয় অধ্যায়

    গভীর রাতে গ্রামের রাস্তা দিয়ে হাঁটছিল গুপি। আজ সন্ধে থেকে ওর মনটা ভালো নেই।

    গ্রামের মন্দিরের পুরোহিত মাধববাবুর চ্যালা গুপি। ছোট থেকে গুপির চেহারাটা দশাশই, আর মাথাটা ঠিক ততটাই ভোঁতা। খানিকটা সেই কারণে কোনও কাজটাজ বিশেষ জোটেনি ওর। শেষে দিলুবাবু ওকে মাধব ভট্টাচার্যের সঙ্গে কাজে লাগিয়ে দেয়। তাও নয় নয় করে আজ বছর পাঁচেক হতে চলল।

    মাধব ভট্টাচার্য একা মানুষ, বিয়ে-থা করেননি। গুপি সর্বক্ষণ তার সঙ্গে সঙ্গেই থাকে। খাওয়াদাওয়া আর মাস গেলে কিছু টাকা পায়, তাতে কোনওরকমে চলে যায়। তাছাড়া পুরোহিতমশাইয়ের আশেপাশে থাকলে গাঁয়ের লোক বাড়তি সম্মান করে। সম্মান জিনিসটার প্রতি খানিক লোভ আছে ওর।

    মন্দিরের পুজোআচ্চার জোগাড়-যন্ত্র করা হাট্টা-কাট্টা জোয়ানের কাজ। এতদিন সব কাজ মুখ বুজে করে আসছিল সে। কিন্তু ইদানীং মাধব পুরোহিতকে কেমন যেন পছন্দ হয় না গুপির। কথায় কথায় তেড়ে ফুঁড়ে ওঠেন, অবজ্ঞা করেন, গালমন্দও করেন। আজ মনের ভুলে ওর হাত থেকে কাঁসার থালা পড়ে গেছিল, বেশি কিছু ছিলও না তাতে। কয়েকটা পুজোর ফুল আর সামান্য কিছু দুব্ব ঘাস, তাতেই ওর বাপ-বাপান্ত করলেন।

    গুপির আজ কিছুটা রাগই হয়েছিল। একে গুরুজন তার উপর পুরোহিত বলে কিছু বলতে পারেনি। দশটা নাগাদ ছুটি হয় গুপির। পুরোহিতমশাই তার ঘণ্টাখানেক পর বাড়ি ফেরেন।

    ভারাক্রান্ত মন নিয়ে রাস্তা দিয়ে হাঁটছিল গুপি। ওর ঠিক বাঁদিকে শুঁড়ের বন। বাঁশ আর বুনো লতাপাতার জঙ্গল। খুব একটা বড় নয়, কিন্তু বেশ ঘন। বাচ্চাকাচ্চারা যাতে এদিকটায় না আসে সেজন্য এলাকায় কিছু গল্পগাছা চালু আছে এই জঙ্গলটাকে নিয়ে। গুপি অবশ্য তেমন একটা ভয় পায় না। রোজ এ জঙ্গলের পাশ দিয়েই ফেরে সে।

    একবার সেই জঙ্গলের দিকে ফিরে তাকিয়ে আবার মাটির উপর খসখস আওয়াজ তুলে হাঁটতে থাকে গুপি। গায়ের চাদরটা ভালো করে জড়িয়ে নেয়। শীত পড়েছে জাঁকিয়ে। জঙ্গলের দিক থেকে যে মৃদু বাতাস ভেসে আসছে সেটা আজ যেন একটু বেশি শীতল। ভিতর অবধি কাঁপিয়ে দিচ্ছে।

    গুনগুন করে একটা গান ধরে গুপি। হিন্দি ফিল্মের গান। গুপি হিন্দি গান শুনতে ভালোবাসে। আর সেসব শুনলে মাধব পুরোহিত খচে যায়। আচ্ছা টেটিয়া লোক বটে! পুরোহিতমশাইকে অস্ফুটে একটা গালি দেয় গুপি। তারপরেই সতর্ক হয়ে যায়। কে জানে আশপাশ থেকে কেউ শুনছে কিনা। অবশ্য এত রাতে এদিকে…।

    হঠাৎ জঙ্গলের ভেতর থেকে একটা পায়ের শব্দ ভেসে আসে। শুকনো পাতার উপর পায়ের অল্প নড়াচড়ার শব্দ। গুপি স্পষ্ট বুঝতে পারে আওয়াজটা এসেছে কোনও দুপেয়ে প্রাণীর নড়াচড়ায়।

    গুপির কাছে ঘড়ি নেই কিন্তু ও জানে এখন অন্তত রাত সাড়ে দশটা হবে। এই সময়ে এখানে লোক ঘুমিয়ে কাদা হয়ে যায়। জঙ্গলের দিকে কারোর আসার কথা নয়। তবে কে দাঁড়িয়ে আছে শুঁড়ের বনের ভিতরে? নাকি ভুল শুনল ও?

    গুপি এ নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে আবার ফিরতি পথ ধরতে যাচ্ছিল। কিন্তু তার আগেই আবার আসে শব্দটা। এবার ওর মনে হয়, যেন ওকে শোনাবার জন্যই আওয়াজটা করেছে কেউ। মুহূর্তে ঘুরে তাকায় ও। হাতের টর্চটা জঙ্গলের দিকে ফেলে উঁচু গলায় হাঁক দেয়, ‘কে? কে ওখানে?’

    গুপি লম্বায় ছ’ফিটের বেশি। চওড়া কাঁধ। একসময় বালির বস্তা বইত দু’কাধে দুটো। কাঠের বাক্সের মতো নিরেট আর ধারাল মুখ। তবে চোখের মধ্যে একটা নরম ছায়া আছে। গায়ের জোরে সে মানুষ থেকে বুনো প্রাণী কাউকেই ভয় পায় না।

    একটা ছায়ামূর্তি ইতস্তত পায়ে জঙ্গলের অন্ধকার ভেদ করে একটু এগিয়ে আসে। ধীরে ধীরে টর্চের আলোয় শরীরটা স্পষ্ট হয়। মণি! নিশিখুড়োর নাতি। সদ্য মাধ্যমিক দিয়েছে। গুপির সঙ্গে ভালোই আলাপ আছে ওর। মাঝে মাঝে মন্দিরে আসে। গুপি ওকে প্যাঁড়া খেতে দেয়, গল্প করে। কিন্তু সে এত রাতে এখানে কী করছে? অবশ্য আগেও এদিক-ওদিক ঘোরাঘুরি করতে দেখেছে ওকে। বাপ-মা কেউ বেঁচে নেই। দাদু শয্যাশায়ী, ফলে ওকে দেখার কেউ নেই। সুযোগ পেলেই যখন তখন বাড়ি থেকে বেরিয়ে গ্রামের আনাচে-কানাচে ঘুরে বেড়ায়। কিন্তু তাই বলে এত রাতে!

    গুপি দু-পা এগিয়ে গিয়ে হাত রাখে ওর কাঁধে, ‘এত রাতে তুই জঙ্গলে কেন?’

    ‘চলে এসেছি…’ মাথা নিচু করে অপরাধী গলায় বলে মণি।

    ‘চলে এসেছিস মানে? কেউ ডেকেছে?’

    দু’দিকে মাথা দোলায় মণি, ‘বাড়িতে আমার ভাল্লাগে না। দাদু বকা দেয়, দূর ছাই করে। তাই চলে এসেছি…’

    গুপির মনের মধ্যে জমা হওয়া আশঙ্কার মেঘটা ধীরে ধীরে মিলিয়ে আসে। মণির কাঁধ থেকে পিঠে নেমে আসে ওর হাত। তারপর বলে, ‘চল, বাড়ি চল, রাতবিরেতে এখানে থাকলে বিপদ আছে।’

    মণি আর কথা না বাড়িয়ে হাঁটতে শুরু করে। তার হাবভাব দেখে মনে হয় সেও বাড়ি ফিরেতেই চাইছিল।

    ‘কীসের বিপদ?’ মণি হাঁটতে হাঁটতেই আনমনে জিগ্যেস করে।

    কথাটা অতশত ভেবে বলেনি গুপি, কিন্তু উত্তরটা দিতে গিয়ে একটা কথা মাথায় আসল। একটু গলা খাঁকারি দিয়ে সেটাই উত্তর বলে চালিয়ে দিল সে, ‘দিলুবাবু বলছিল এই গ্রামে নাকি মাঝে মাঝে বাচ্চাদের কেউ তুলে নিয়ে যায়…’

    গুপি আড় চোখে লক্ষ করে এ কথাটায় মণির মধ্যে কোনও পরিবর্তন আসে না। সে একইভাবে হাঁটতে হাঁটতে বলে, ‘তোমারও যেমন বুদ্ধি! আমি তাতে ভয় পাব কেন? যাদের তুলে নিয়ে যায় তারা সব শিশু…আমি তো আর ছোট নেই…’

    ‘বলিস কী! তুই জানিস কাদের তুলে নিয়ে যায়?’

    ‘না জানার কী আছে? কাদের তুলে নিয়ে যায় জানি, কে তুলে নিয়ে যায় তাও জানি…’

    গুপি দাঁড়িয়ে পড়ে ওর দিকে তাকায়। ছেলেটা যেরকম কল্পনাপ্রবণ তাতে বানিয়ে বানিয়ে মিথ্যে কথা বলা আশ্চর্যের নয়। আবার রাতবিরেতে যেমন বনে-বাদাড়ে ঘুরে বেড়ায়, তাতে নিজের চোখে কিছু দেখেও থাকতে পারে।

    ‘কে নিয়ে যায়?’

    ‘গঙ্গা…’ নিঃস্পৃহ গলায় বলে মণি।

    ‘কিন্তু, তুই কী করে জানলি?’

    ‘উফ!’ মণি বিরক্ত হয় এবার, ‘জানব কী করে আবার? বললাম না, আমি দেখেছি—নিজের চোখে দেখেছি…’

    ‘কী দেখেছিস?’

    ‘গঙ্গা বাচ্চা চুরি করল, তারপর একটু হাসল, একটু কাঁদল, তারপর ঝাঁটায় উঠে আকাশে ভাসতে ভাসতে কোথায় যেন চলে গেল। আর দেখতে পেলাম না…’

    এইবার হাসি পায় গুপির। এতক্ষণে ব্যাপারটা কল্পনা করে নেওয়া উচিত ছিল। গ্রামের কারুর মুখে হয়তো গঙ্গার ব্যাপারে কিছু শুনেছে। আর বাকিটা ওর কল্পনা। গঙ্গা ছেলে চুরি করে সেটা যদিও বা মেনে নেওয়া যায়, সে ঝাঁটায় করে রাতবিরেতে উড়ে যায়—একথা একদমই হাস্যকর।

    ‘তোর যত বানানো গালগপ্পো, ধুর!’

    মণি রাগী গলায় বলে, ‘আমি দেখেছি, তুমি বিশ্বাস করছ না? আরও দেখেছি জানো? একটা নীল আলো…’

    গুপি আর ওর কথায় পাত্তা দেয় না। আবার হাঁটতে শুরু করে দুজনে। ওর পিঠে একটা চাপড় মারে গুপি, ‘ছোট ছেলেদের খায় বলে তোকেও যে খাবে না তার কী মানে? ধর, একদিন এমন হল ছোট বাচ্চাদের খেয়ে খেয়ে ডাইনির মন ভরল না—তখন তো একটু বড়দের উপরেই ঝাঁপাবে? কী বল?’

    এই প্রথম মণির ভুরু কুঁচকে যায়। সে বলে, ‘তুমি গঙ্গাকে ডাইনি বললে কেন? ও তো ডাইনি নয়…’

    ‘সেকি! তুই তো নিজেই বললি ওকে বাচ্চা খেতে দেখেছিস!’

    মণি কাঁধ ঝাঁকায়, ‘তুমি কিছু জানো না। ডাইনিরা বাচ্চা খায় না। ডাইনিরা…’ একটু ভেবেচিন্তে মণি বলে, ‘অনেক মন্ত্রতন্ত্র জানে। ওদের হাতে একটা গাছের ডাল থাকে, সেটা দিয়ে মানুষকে কুকুর, ছাগল, ভেড়া বানিয়ে দিতে পারে। তাছাড়া…’

    ‘বাবা! ডাইনিদের নিয়ে অনেক পড়াশোনা করেছিস দেখছি!’

    ‘করব না কেন? আমার এইসব পড়তে ভালো লাগে, জানো? আচ্ছা গুপিদা, তুমি আমাকে একটা কথা বলো তো—।’

    ‘কী কথা?’

    ‘ডাইনিরা সবসময় বুড়ি হয় কেন? অল্পবয়সি ডাইনিদের ছবি তুমি কখনও দেখেছ?’

    গুপির বিশেষ পড়াশোনা নেই, তার ওপরে ডাইনির ব্যাপারে তো একেবারেই নয়। সে কিছুক্ষণ মনে করার ভান করে। ও আগে যে গ্রামে থাকত সেখানেও ডাইনি সন্দেহে এক বুড়িকে একঘরে করে দেওয়া হয়। তার মুখটা মনে পড়ে ওর। আজ অবধি ও যে ক’টা ঘটনা শুনেছে তারা সবাই বয়স্ক মহিলা। অল্পবয়সি কিংবা কুড়ি পঁচিশ বছরের মেয়েরা ডাইনি হয়েছে বলে ও কখনও শোনেনি। গুপি মাথা নাড়ে।

    ‘তাহলে একটা জিনিস তুমি ভেবে দেখেছ?’

    ‘কী?’

    ‘ডাইনি কেউ জন্ম থেকে হয়ে যায় না। কিছু একটা করে মানুষ ডাইনি হয়। মানে যেমন স্পাইডারম্যান হয় না…আচ্ছা, ডাইনি কী করে হয় বলো তো?’

    গুপি ধন্ধে পড়ে যায়। এমন সব জটিল প্রশ্ন ধেয়ে আসবে জানলে আগে মণিকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করত না সে। প্রসঙ্গটা এড়িয়ে গিয়ে নিজের অজ্ঞতা ঢাকার চেষ্টা করে গুপি, ‘ডাইনি…ডাইনি যেভাবেই হোক। মোটকথা রাতবিরেতে এভাবে বাড়ি থেকে চলে আসবি না। সে বাড়ির উপর যত রাগই হোক না কেন।’

    কথাটা শেষ করতে পারে না গুপি। তার আগেই মণি একটা ভঙ্গিমা করে আকাশের দিকে আঙুল তুলে দেখায়, ‘গুপিদা! ওই দেখো!’

    গুপির বুক কেঁপে ওঠে। চকিতে মুখ তুলে আকাশের দিকে তাকায় ও। কিন্তু তেমন কিছু দেখতে পায় না।

    ‘দেখলে? কী যেন একটা উড়ে গেল?’ মণি ফিসফিসিয়ে বলল।

    গুপি কথাটা খেলাচ্ছলে উড়িয়েই দিতে যাচ্ছিল, কিন্তু ওর মনের ভিতরেও কে যেন বলে ওঠে—এইমাত্র বিকট হাওয়ার শব্দ করে ওর মাথার ঠিক উপর দিয়ে কিছু একটা জঙ্গলের এদিক থেকে আরেকদিকে পার হয়ে গেছে। তবে কি কোনও পাখি? কিন্তু কোনও পাখির পক্ষেও কি এত তাড়াতাড়ি ওড়া সম্ভব?

    একটু থতমত খায় গুপি। তারপর চতুর্দিকটা ভালো করে একবার দেখে নিয়ে আবার মণির মুখের দিকে তাকায়। ওর মুখে কিন্তু কোনও বিকার নেই। গা’টা একটু ছমছম করে ওঠে ওর। রাস্তার এক পাশে পড়ে থাকা একটা লাঠি কুড়িয়ে নেয়। মণি হাসে, ‘ডাইনিদের হাতে ওরকম একটা লাঠি থাকে, জানো?’

    ‘ধর, এটা যদি কোনও ডাইনির লাঠি হয়? তাহলে আমি তোকে পাথর করে দেব…’

    মণি অবজ্ঞার হাসি হাসে, ‘হুশ! অত সহজ নয়। ডাইনিদের হাতে লাঠি থাকলেই পাথর করে দেওয়া যায় না। কার হাতে আছে সেটাই বড় কথা। তুমি ক্লডিয়ার গল্প শোনোনি?’

    ‘সেইটা আবার কেমন গল্প?’

    ‘সেই যে একটা ডাইনি ছিল যে…’

    মণির কথা মাঝপথেই থেমে যায়। তার কারণটা স্পষ্ট। বহু দূর থেকে ক্ষীণ একটা শব্দ ভেসে আসছে। একটা বাচ্চার কান্নার শব্দ। আশেপাশের কোনও বাড়ির ভেতর থেকেই আসছে শব্দটা। সন্দেহ নেই। ব্যাপারটা অস্বাভাবিক কিছু নয়, কিন্তু তাও একটা অদ্ভুত আশঙ্কার মেঘ ঘনিয়ে এল গুপির মনের ভেতর। ও কান খাড়া করে শোনার চেষ্টা করল, কান্নার সঙ্গে আর কিছু শোনা যায় কিনা। নাঃ শোনা যাচ্ছে না।

    মণির হাত ধরে একবার টান দিল গুপি, ‘চলে আয়, পা চালা তাড়াতাড়ি। আমি এখনও বাড়ি যাইনি দেখলে পুরুতমশাই আবার…’ মনটা কেমন যেন কু ডাকতে শুরু করেছে গুপির। বাচ্চাটার কান্নার মধ্যে কী যেন আছে। এমন করে কোনও বাচ্চাকে আগে কাঁদতে শোনেনি গুপি।

    দ্রুত পা চালাতে চালাতে গুপি ঠিক করে নেয় কোন বাড়ির বাচ্চা কাঁদছে সেটা একবার দেখে যাবে। মণিকে নিয়ে যাওয়া কি ঠিক হবে? এত রাতে ওকে একা বাড়ি যেতে দিতে ইচ্ছা করছে না। শেষে সাতপাঁচ ভেবে ঠিক করে ওকে নিয়েই একটি বার দেখে এসে আবার বাড়ির পথ ধরবে।

    ‘একবার আয় তো আমার সঙ্গে। কোন বাড়িতে বাচ্চা কাঁদছে দেখি—।’ গুপি শক্ত গলায় বলে। মণিও আপত্তি করে না।

    কান্নাটা একটানা হয়েই চলেছে। রাতের খোলা হাওয়ায় ছড়িয়ে পড়ে দিগ্বিদিকে ভেসে যাচ্ছে আওয়াজটা। গুপির বুকের ভিতর আশঙ্কার মেঘ ঘনীভূত হয়। এবার মণির হাত ধরে দৌড় লাগায় সে।

    এই এলাকার সব বাড়ি গুপির চেনা, মানুষগুলোকেও। ফলে গলি খুঁজে খুঁজে কান্নার উৎস বরাবর এগোতে বিশেষ অসুবিধা হল না ওর। ওর মন বলছে, কান্নাটা খুব একটা স্বাভাবিক নয়। বাচ্চাটা ভীষণ ভয় পেয়েছে।

    ‘ওই…ওই শুনতে পেলে?’ হঠাৎ আকাশের দিকে আঙুল নির্দেশ করে বলে উঠল মণি।

    ‘কী শুনব?’

    ‘ওই যে…উড়ে গেল আকাশ দিয়ে!’

    গুপি খেয়াল করে না। ওর কানের পাশের শিরা দপদপ করছে। নিজের রক্তের দপদপানিতে অন্য কোনও শব্দ খেয়াল হয়নি ওর। একবার আকাশের দিকে তাকিয়ে আবার মণির হাতে টান মারে। সে কিন্তু সহজে নড়তে চায় না, ‘ওদিকে যেও না গুপিদা, তুমি পারবে না!’ মণির মুখ থমথমে হয়ে গেছে।

    ‘কী পারব না?’

    ‘বাঁচাতে…’

    ‘তোকে কে বলছে এসব?’ গুপি প্রায় চিৎকার করে ওঠে।

    ‘যেও না, গুপিদা…’ মণি এবার কাঠ হয়ে দাঁড়িয়ে পড়েছে। আজ সন্ধ্যায় এই প্রথমবারের মতো তাকে ভীষণ আতঙ্কিত দেখাচ্ছে।

    ‘আমার কাছে কাছে থাক। খবরদার হাত ছাড়বি না!’

    মিত্রদের বাড়ির দিক থেকে আসছে আওয়াজটা। ওদের পাড়ায় ঢুকেই বাড়িটার দিকে ছুটে যায় দুজনে। মিত্রদেরকে ভালো করেই চেনে গুপি। ছোট দোতলা বাড়ি ওদের। আপাতত ওরা যেদিকে এসে দাঁড়িয়েছে সেদিকের সমস্ত জানলা-দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। কোনও জানলায় আলো জ্বলছে না।

    গুপি খেয়াল করে, এতক্ষণে বাচ্চার কান্নার শব্দ অনেকটা কমে এসেছে। আশপাশে অন্য কোনও আওয়াজ নেই। আকাশের দিকে চেয়েও কিছু দেখা গেল না। শুধু মেঘের আড়ালে ঢাকা চাঁদ ভয়ার্ত বিড়ালের মতো উঁকি মারছে।

    গুপি আর মণি কিছুক্ষণ স্থির হয়ে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকে। এতক্ষণ ধরে বাচ্চা কাঁদছিল যখন বাড়ির সবার নিশ্চয়ই উঠে যাওয়ার কথা। তাও অন্য কোনও শব্দ আসছে না মানে, আপাতত বিপদের কোনও আশঙ্কা নেই। মনে মনে গুপি নিজেকে একটু ভর্ৎসনা করে। রাত হয়েছে। এভাবে সামান্য একটা কান্না শুনে এতদূর দৌড়ে দৌড়ে আসার কোনও মানেই হয় না। আসলে ছোট থেকেই আগ বাড়িয়ে বিপদ-আপদে ঝাঁপিয়ে পড়া ওর স্বভাব। তাতে খানিক সম্মান পাওয়া যায়। তার উপরে মণির বানিয়ে বানিয়ে বলা গল্পগুলোই ওর মাথাটা খেয়েছে। সাধে কি আর লোকে ওকে বোকা বলে?

    ক্যামেরায় তোলা ছবির মতো নিস্পন্দ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাড়িটা। কোথাও কোনও শব্দ নেই।

    খানিকটা তিরস্কারের ভঙ্গিতেই মণির পিঠে চাপড় মারে ও, বলে, ‘চ’ মণি, বাড়ি ফিরে যাই। আর ফের যদি তোর ওইসব গালগল্প আমাকে শুনিয়ে মাথা খারাপ করেছিস তাহলে…’

    কথাটা শেষ না করেই দুজনে ফিরতি পথে পা বাড়ায়। আর ঠিক সেই সময় মিত্রদের বাড়ির দিক থেকে একটা অদ্ভুত জোরালো শব্দ ভেসে আসে। মনে হয় শক্ত লোহা বা ধাতুর কোনও দরজাকে যেন মাটির উপর আছড়ে ভেঙে ফেলছে কেউ। পরমুহূর্তে সেটা মাটিতে এসে পড়ার একটা তীব্র আওয়াজ। কেউ জানলা ভাঙছে—।

    গুপি আর দাঁড়ায় না। শব্দটা এসেছে বাড়ির ডানপাশ থেকে। সেদিকটা ঝোপঝাড় হয়ে আছে। ঊর্ধ্বশ্বাসে সেদিক লক্ষ্য করে দৌড় দেয় গুপি। কিন্তু কয়েক পা এগোতেই তার বুকের ভিতরের রক্ত ঠান্ডা হয়ে যায়।

    একটা হাড় হিম করা গগনভেদী আর্তনাদ ভেসে এল বাড়ির ভিতর থেকে। কিন্তু একটু আগের মতো এ আর্তনাদ শিশুর নয়, কোনও পরিণত মানুষের। মরণ আর্তনাদ!

    যে ঘরটা থেকে এসেছে সেখানে মিত্রদের বড় ছেলে সমীরণ তার স্ত্রী আর তাদের সদ্যোজাত থাকে। আওয়াজটা সম্ভবত এসেছে সমীরণের গলা থেকে। যেন ভয়ানক কোনও আতঙ্ক টুঁটি টিপে ধরেছে তার। আর্তনাদটা কাঁপছে। অর্থাৎ এ অবস্থাতেই কেউ ক্রমগত কিছু দিয়ে আঘাত করে চলেছে তাকে।

    মণির কথা ভুলে যায় গুপি। সে দৌড় লাগায় জানলাটা লক্ষ্য করে। ডাইনি হোক আর যাই হোক, তার নিজের গায়ের জোরও কম নয়। পেছন থেকে মণি তখনও বলে চলেছে, ‘তুমি পারবে না গুপিদা, পারবে না…’

    ছুটে জানলাটার দশেকের মধ্যে এসে থমকে দাঁড়ায় গুপি। একদিকে তাকিয়ে খেয়াল করে জানলার ঠিক নিচেই কাঠের পাল্লাটা টুকরো টুকরো হয়ে পড়ে আছে। মাটির উপর ফেলে যেন রোলার দিয়ে সেটা গুঁড়িয়ে দিয়েছে কেউ। একটা খুব হালকা নীলচে আভা জ্বলছে জানলার ভিতরে। সেখান থেকে এখনও আর্তনাদ ভেসে আসছে।

    মুখ তুলে সেই জানলার দিকে তাকাতে গুপির ভয়টা কয়েক গুণ বেড়ে যায়! জানলায় মোটা লোহার গরাদ দেওয়া ছিল। সেই গরাদগুলো আপাতত ভাঙা পাঁজরের মতো এঁকেবেঁকে গেছে। যেন কোনও আদিম শক্তিশালী দৈত্য অমানুষিক হাতের জোরে সেগুলো মুচড়ে ভেতরে প্রবেশ করেছে।

    সেই অদ্ভুত নীলচে আভাটা বেড়ে উঠছে থেকে থেকে। কম্পিত হচ্ছে সেটা। সেইসঙ্গে তীব্র আর্তনাদ। যেন কোনও ধারালো ছুরি বারবার সজোরে সমীরণের শরীরে প্রবেশ করানো হচ্ছে।

    গুপি সাহস হাতড়ে জানলার কাছে কয়েক পা এগিয়ে যেতেই হঠাৎ একটা অদ্ভুত কাণ্ড ঘটে। ও খেয়াল করে ও শত চেষ্টা করেও নিজের পা দুটোকে নাড়াতে পারছে না যেন। কোনও জাদুমন্ত্র বলে পাথরে পরিণত হয়েছে ওর পা দুটো। ঘাড় ঘুরিয়ে মণির দিকে তাকানোর চেষ্টা করে। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয় না। ওর সমস্ত শরীরে কোথাও কোনও সাড় নেই।

    নীল আলোর ভয়াবহতা যেন আরও বেড়ে ওঠে। সমীরণ মিত্রের আর্তচিৎকারের সঙ্গে এবার ধীরে ধীরে একটা মেয়েলি হাসির শব্দ ভেসে আসে। রক্তের গন্ধ লেগে আছে সে হাসিতে। এক আদিম হিংস্রতায় অনুরণিত হয়ে ছড়িয়ে পড়ছে রাতের খোলা বাতাসে।

    কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে সমীরণ মিত্রের গলার আওয়াজ ফিকে হয়ে আসে। আর সেইসঙ্গে নীল আলোটাও। জানালার সামনের অন্ধকারটা বেড়ে ওঠে। গুপি লক্ষ করে সেই অন্ধকার একটু যেন কম্পিত হয়। মনে হয় অন্ধকারের ভেতর গা বাঁচিয়ে কে যেন জানলা দিয়ে অন্ধকারের মধ্যেই মিলিয়ে গেল। একটা মেয়েলি শরীর না? গুপি তাকে অনুসরণ করতে চায়, কিন্তু সাহসে কুলায় না।

    ‘ডাইনি…’ বিড়বিড় করে কথাটা উচ্চারণ করে গুপি। চকিতে আবার সাড় ফিরে আসে দেহে। বাড়ির ভেতরেও হইহাল্লা শুরু হয়।

    মিত্রদের জয়েন্ট ফ্যামিলি। কাকা, জ্যাঠা তাদের পরিবার মিলে পরিবার অন্তত জনা দশেক সদস্য। সবাই এতক্ষণে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেছে। কান্নার শব্দও মিশে আসে সেই চিৎকারের মধ্যে।

    গুপির শরীরে প্রাণ ফিরে আসতেই ও দেখে মণি এসে দাঁড়িয়েছে ওর পিছনে। ওর মুখে কৌতূহল।

    ‘ভিতরে যেও না গুপিদাদা। আমার ভয় করছে খুব…’ মণি অস্ফুটে বলে।

    ‘ডাইনি পালিয়েছে…’ ফিসফিসে গলায় বলে গুপি, ‘তুই দাঁড়া এখানে, আমি একটু দেখে আসি কী হয়েছে ভিতরে…’

    এতক্ষণে ভিতর থেকে বাচ্চার চাপা কান্নার শব্দ আসছে। অর্থাৎ বেঁচে আছে বাচ্চাটা!

    খোলা জানলার দিকে দৌড় দেয় গুপি। গ্রিলটা এখনও আগের মতোই ভেঙে পড়ে আছে বাইরে। সেটা দিয়ে ঝাঁপ মেরে ও ভিতরে ঢুকে আসে।

    মরাকান্নার রোল ওঠার কথা এতক্ষণে। কিন্তু অবাক হয়ে গুপি দেখে, ঘরের দরজা খুলে যারা ভিতরে এসেছে তারা স্থবির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। হাতের টর্চগুলোও নিভিয়ে ফেলেছে। তাই আবার অন্ধকারে ভরে গেছে ঘরটা। কেবল কীসের একটা গন্ধ বুঝি ছড়িয়ে রয়েছে চারিদিকে— হ্যাঁ, কাঁচা রক্তের গন্ধ! তাজা উষ্ণ রক্তের গন্ধ!

    ‘কী…কী হয়েছে?’ গুপি ঘরের ভিতর ঢুকেই চিৎকার করে ওঠে। খেয়াল করে, একটা নয়, দু-দুটো বাচ্চার কান্না শোনা যাচ্ছে ঘরের ভিতর। অর্থাৎ মিত্রদের দুই ভাইয়ের ছেলেমেয়ে আছে এ ঘরে।

    অর্থাৎ ডাইনি ব্যর্থ হয়েছে এবার। সমীরণ আর তার বউ জেগে উঠতেই ডাইনি পালিয়েছে। কিন্তু তাহলে রক্তের গন্ধটা আসছে কোথা থেকে?

    গুপির বুকের মধ্যে ঢিপঢিপানিটা আগের চেয়ে একটু কমে এসেছে। ছুটে গিয়ে স্থবির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষগুলোর হাত থেকে একটা টর্চ কেড়ে নেয় সে। তারপর সেটা জ্বেলে ঘরের ভিতরটা আলোকিত করে। আর পরমুহূর্তেই আগের থেকেও দ্বিগুণ মাত্রার চিৎকারে সমস্ত ঘর ভেসে যায়।

    টর্চের আলো এতক্ষণ গিয়ে পড়েছে ঘরের অন্যদিকের প্রান্তে। সেখানে মেঝের ওপর পড়ে আছে সমীরণ! তার শরীরটা অসংখ্য ছুরির ফলায় ক্ষতবিক্ষত করেছে কেউ। রক্তে ভেসে যাচ্ছে সমস্ত মেঝে। চোখদুটো উপড়ে পড়ে আছে মেঝেতে। গলার চামড়া জুতোর সুকতলার মতো উপড়ে এসেছে। মানুষের দেহ বলে আর চেনা যায় না প্রায়।

    পাশেই তার স্ত্রীর নিথর দেহ। তারও সমস্ত শরীরময় অসংখ্য কাটাকুটি খেলা। যেন একপাল নেকড়ে কয়েক মিনিটের মধ্যে ছিঁড়েখুঁড়ে খেয়েছে তাদের।

    দরজায় এসে দাঁড়ানো আগন্তুকদের কেউ কেউ ছিটকে পিছিয়ে যায়। একদল মানুষের আতঙ্ক আর যন্ত্রণা মেশানো চিৎকারে কানে তালা লেগে যাওয়ার জোগাড়। এই বীভৎসতা এই গ্রামের কেউ আগে দেখেনি। বাকিরা ধপ করে বসে পড়ে মেঝেতে। রক্তের স্রোত গড়িয়ে গড়িয়ে এসে পৌঁছায় ওদের পায়ের কাছে।

    ‘ডাইনি, ওই শয়তান ডাইনি! বাচ্চা নিতে না পেরে শেষে…’ দরজার দিক থেকে কে যেন চিৎকার করে উঠল!

    ‘আমি নিজে দেখেছি, কুপিয়ে কুপিয়ে শেষ করে দিল গো আমাদের ছেলেটাকে…’ অন্য কেউ কান্নামাখা গলায় বলল।

    ‘জানলা দিয়ে ঢুকে আবার জানলা দিয়েই বেরিয়ে গেছে…’

    কিছুক্ষণের জন্য আবার নিথর হয়ে গেছিল গুপি। তবে এবার কেবল আতঙ্কে। সে পেছন ফিরে তাকায়। ভাঙা জানলার গরাদ দিয়ে বাইরেটা এখনও দেখা যাচ্ছে। একটু আগের সেই ফিনফিনে মেয়েলি গলার আকাশ কাঁপানো হাসিটার কথা মনে করলেই বুকটা কেঁপে উঠছে ওর। আগের মতোই জানলা গলে বাইরে বেরিয়ে আসে গুপি। তার পুরুষালী হাত-পা এখন থর থর করে কাঁপছে।

    জানালার বাইরে একটু দূরে দাঁড়িয়ে আছে মণি। এখন ভেতরে কী চলছে, সে আন্দাজ করতে পারেনি। তবে ভয়ঙ্কর কিছু যে একটা ঘটেছে তা গুপির মুখ দেখে আর চিৎকার শুনে বুঝতে পেরেছে সে।

    ‘কী হয়েছে গুপিদা? সবাই এমন চিৎকার করছে কেন?’ সে জোর গলাতেই জিগ্যেস করে।

    ‘ভিতরে খুন হয়ে গেছে মণি…’ গুপি থমথমে গলায় উত্তর দেয়।

    ‘বলেছিলাম না, তুমি বাঁচাতে পারবে না।’

    মণির মুখের দিকে একবার তাকায় গুপি। একটু আগে ওর নিজের বলা কথাগুলো মাথায় আসে আর একবার—

    ‘ধর, একদিন এমন হল ছোট বাচ্চাদের খেয়ে খেয়ে ডাইনির মন ভরল না, তখন তো একটু বড়দের উপরেই ঝাঁপাবে— কী বল?’

    বিড়বিড় করে গুপি বলে, ‘আমার আশঙ্কাই সত্যি হল রে মণি। ও ডাইনির মন আর শিশুতে ভরছে না…’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকলব্য – হরিশংকর জলদাস
    Next Article মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    Related Articles

    সায়ক আমান

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Our Picks

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }