Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    সায়ক আমান এক পাতা গল্প265 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুয়াশার ফুল – ২

    দ্বিতীয় অধ্যায়

    ‘আচ্ছা বল, কীসের গল্প শুনবি?’

    ‘ডাইনির গল্প। সেই যে সেই বইটা থেকে…’

    সুপর্ণা হেসে ফেলেন। আট বছরের ছেলের মাথায় আদর করে হাত বুলিয়ে দেন, ‘তুই শুধু ওই একটাই বই চিনিস। আর যে এত বই কিনে দিলাম, সেগুলো পড়তে ইচ্ছা করে না?’

    সায়ন অন্যমনস্কভাবেই মাথা নাড়ে, ‘আমার তো পড়তে ইচ্ছা করে না। শুধু শুনতে ইচ্ছা করে।’

    ‘তা বললে কী করে চলবে বাবা? নিজেকে তো পড়তে হবে। মা কি চিরকাল পড়ে দিতে পারে?’ ছেলের মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে বলেন সুপর্ণা। তারপর হাত বাড়িয়ে টেবিলের ড্রয়ার খুলে ভিতর থেকে পুরনো ছেড়াখোঁড়া বইটা বের করে আনেন।

    সায়নের কৌতূহলী চোখ ঘরের এদিক-ওদিক ছুটে বেড়াচ্ছিল। একদিকে চোখ পড়তে অবাক হয়ে জিগ্যেস করে, ‘তুমি ব্যাগ গুছিয়েছ কেন মা? আমরা ঘুরতে যাব?’

    ‘হ্যাঁ, যাব তো।’

    ‘কোথায় যাব?’

    ‘সেটা তো এখন বলব না তোকে। তোর বাবা বাড়ি আসুক, তারপর সবাই মিলে ভেবে দেখব কোথায় যাওয়া যায়…তোর কোথায় যেতে ইচ্ছা করে?’

    ‘জঙ্গলে।’

    সুপর্ণা মুখ তুলে তাকান, ‘জঙ্গলে কেন?’

    আঙুল দিয়ে বইটা দেখিয়ে দেয় সায়ন, ‘জঙ্গলে ডাইনি থাকে।’

    মায়ের হাত থেকে বইটা নেয় সায়ন—মরা ডাইনির অভিশাপ। ছোট থেকে এটাই সায়নের প্রিয় বই। পড়ার আগে কিছুক্ষণ উল্টে-পাল্টে বইয়ের ছবি দেখে ও। শেষে প্রচ্ছদে এসে একমনে তাকিয়ে থাকে উপরের রঙিন ছবিটার দিকে। কয়েকটা মরার খুলি, একটা ঝুরঝুরে হয়ে যাওয়া নেড়া গাছ দেখা যাচ্ছে সেখানে। পেছনে কয়েকটা বাদুড় উড়ছে। তবে সব থেকে বেশি যেটা দেখা যাচ্ছে সেটা হল সেই গাছের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটা বছর তিরিশের ডাইনি। তার নাকটা খাড়া, চোখদুটো গাঢ় হলুদ। হাত দুটো সামনের দিকে তুলে লিকলিকে আঙুল বাড়িয়ে সে যেন এক্ষুনি সায়নকে ধরতে আসবে!

    সায়ন এই ছবিটা বারবার দেখে। এইরকম ডাইনি কি সত্যিই কোথাও আছে? ও মনে মনে ভাবে। ছবির উপর আঙুল বোলাতে বোলাতে প্রশ্ন করে, ‘আচ্ছা মা, ডাইনি বলে কি সত্যিই কিছু হয়?’

    সুপর্ণা একটু ভেবে বলেন, ‘উঁহু, যারা বিশ্বাস করে ডাইনি বলে কিছু আছে তারা খারাপ লোক।’

    ‘তাহলে এই বইটা যে লিখেছে সে খারাপ লোক?’

    ‘না বাবা, বইতে কিছু লেখা মানে সেটা সত্যি কথা লেখা, তার তো মানে নেই? আমরা এমনি এমনি অনেক কিছু লিখি। যেমন তুমি স্কুলের রাফখাতার পেছনে লিখেছিলে না—তোমার আমাকে স্কেল দিয়ে মারতে ইচ্ছা করে?’

    সায়ন শুয়েছিল। এবার উঠে বসে পড়ে। তারপর লজ্জিত মুখে মায়ের দিকে তাকিয়ে বলে, ‘তুমি এটা পড়ে ফেলেছ মা?’

    ওর থুতনিতে হাত রাখেন সুপর্ণা, ‘ওমা, এতে এত লজ্জার কী আছে? আমাদের কারো উপর রাগ হতেই পারে। এমনকী মায়ের উপরেও। কিন্তু যাদের আমরা ভালোবাসি তাদের উপর হওয়া রাগটা ভালো করে লুকিয়ে ফেলতে হয়। খোলা রেখে দিলে যদি তারা দেখে ফেলে, তাহলে তাদের মন খারাপ হয়।’

    সায়নের বুকের ভেতর কেমন একটা কষ্ট হয়। ও মাকে ভীষণ ভালোবাসে। ছোট থেকেই মায়ের খুব ন্যাওটা। বাবা-মা দুজনেই চাকরি করে। তবে বাবা মনে হয় বেশি চাকরি করে। বাড়িতে ফিরতে ফিরতে মেলা রাত হয়ে যায়। মা অফিস থেকে চলে আসে তাড়াতাড়ি। সেদিন ওর স্কুল না থাকলে ওকে ভাত খাইয়ে দেয়, চুল আঁচড়ে দেয়, দুপুরে ঘুম পাড়িয়ে দেয়। আর সবথেকে ভালো কাজ যেটা করে, সেটা হল গল্প বলা। সায়ন ঘুরতে-ফিরতে মন খারাপ হলে মাঝেমধ্যেই জড়িয়ে ধরে মাকে। বুকের উপর মাথা রেখে চুপ করে থাকে কিছুক্ষণ। তারপর আবার কোথায় যেন চলে যায়। বেশিক্ষণ মাকে ছাড়া থাকলেই মনটা কেমন যেন ভারী ভারী লাগে।

    ওর ছবি দেখা হয়ে যেতে মা গল্প পড়া শুরু করেন, ‘এক দূর গ্রামে এক সুন্দরী ডাইনি ছিল!’

    ‘ডাইনি কি সুন্দরী হয় মা?’

    ‘ডাইনি তো কল্পনা, তুমি যে রকম ভাববে, সে রকমই হতে পারে। তুমি নিজের মতো ভেবে নাও, কেমন?’

    ‘তারপর?’

    ‘কিন্তু সেই ডাইনিটা আসলে ডাইনি ছিল না…’

    ‘তাহলে কী ছিল?’

    সুপর্ণা বইতে লেখা গল্প না বলে খানিক ভেবেচিন্তে বলেন, ‘সে ছিল এক রাজার মেয়ে। ভারী চঞ্চল, একদম হরিণের মতো। আর সব কিছু নিয়ে ভীষণ কৌতূহল। অনেকগুলো পোষা বিড়াল ছিল তার। সেগুলো ঘুরঘুর করত তার পায়ের কাছে। তাদের নিয়ে এক গ্রাম থেকে আর এক গ্রামে ঘুরে বেড়াত সে। একদিন তার দেখা হল এক রাজকুমারের সঙ্গে…’

    ‘রাজকুমার কি সত্যি হয় মা?’

    ‘সত্যি না হলে আমার সামনে কে শুয়ে আছে?’ কথাটা বলে ছেলের নাক টিপে দেন সুপর্ণা। তারপর নিচু হয়ে একটা চুমু খান কপালে। আবার গল্প পড়ায় মন দেন।

    গল্প শুনতে শুনতে কোথায় যেন হারিয়ে যায় ছেলেটা। ওর চোখের সামনে ভেসে ওঠে ধু-ধু মাঠ। তার উপর একটা ছোট্ট কুটির। একলা থাকে একটা বাচ্চা মেয়ে। সারাদিন বিড়ালের মিউমিউ শুনতে পায়। আর কাউকে চেনে না। তার কথা ভাবতে ভাবতে কখন যেন ঘুমিয়ে পড়ে সায়ন।

    ঘুম ভাঙতেই দেখে পাশে মা নেই। নিশ্চয়ই কোথাও একটা গেছে মা। বইটা তখনও পড়ে আছে বিছানায়। ডাইনিটা সেভাবেই তাকিয়ে আছে ওর দিকে। ও আবার একবার হাত রাখে ডাইনিটার মুখে। যেন ওর সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়ে গেছে ডাইনিটার।

    বাইরে তাকিয়ে সায়ন দেখে বিকেল হয়ে এসেছে। এই সময় অন্যদিন খেলতে যায় সায়ন, কিন্তু আজ টিপটিপিয়ে বৃষ্টি নেমেছে। সেই বৃষ্টির মধ্যে ওদের অ্যাপার্টমেন্টের ভিতর দাঁড়িয়ে থাকা গাছগুলো ভিজছে। ঝমঝম শব্দ আসছে কাচের জানলার পাত্তা থেকে। সায়নের শিশু মনটা কোন অজানা কারণে বিষণ্ণ হয়ে যায়। রাত্রিবেলা যখন সবাই বাড়ি থাকে তখন বৃষ্টি এলে ভারি ভালো লাগে ওর। কিন্তু এখন তো মা বাড়িতে নেই। বৃষ্টি হলে মা যদি বাইরে কোথাও দাঁড়িয়ে ভেজে? বাড়ির লোকেরা বাড়িতে থাকলে মন খুশি খুশি থাকে ওর।

    বাবা এখনও ফেরেনি। গোটা ফ্ল্যাটটা ঘুরে দেখে ও। অন্যদিন এই সময়টায় খেলতে না গেলে ও কার্টুন দেখে কিংবা বারান্দায় গিয়ে চুপ করে বসে থাকে। আজ ওয়াকম্যানে গান চালিয়ে শুনতে চেষ্টা করল। সেটাও ভালো লাগল না। বাইরে কেমন ঘ্যানঘ্যানিয়ে বৃষ্টি পড়ছে। একদম ভালো লাগছে না মনটা। বাবা কখন আসবে কে জানে?

    খানিক পরে ল্যান্ডলাইনের ফোনটা বেজে উঠতে ছুটে গিয়ে সেটা রিসিভ করতে ওপাশ থেকে দাদুর গলা ভেসে এল, ‘কী করছিলে তুমি দাদুভাই?’

    সায়ন ব্যস্ত গলায় বলে, ‘গান শুনছিলাম, এখন জামাকাপড় পরা শুরু করব।’

    ‘জামাকাপড় পরবে! কোথায় যাবে তুমি?’

    ‘মা বলেছে আমরা সবাই মিলে আজ বেড়াতে যাব। দাদু, কোথায় ভালো জঙ্গল আছে জানো তুমি?’

    ‘তোর মা একটা ডাইনি!’ হঠাৎ দাদু মায়ের উপরে রেগে গেল কেন সায়ন বুঝতে পারে না। দাদু কি খারাপ লোক? ওর আর কথা বলতে ইচ্ছা করে না। দু-একটা হু-হাঁ করে রেখে দেয় ফোন।

    মোজাটা পরে আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়ায় সায়ন। নিজের মুখের দিকে ভালো করে তাকায়। মনে মনে ভাবে ও যখন বড় হবে তখন কেমন দেখতে হবে ওকে?

    সায়নের খুব ইচ্ছে ওকে হৃত্বিক রোশনের মতো দেখতে হোক। কিন্তু ওর নাকটা অতটা চোখা নয়। আর চোখের মণিটাও কটা নয়। মনে পড়ল মরা ডাইনির অভিশাপের প্রচ্ছদে ওই ডাইনিটার চোখ কটা। নাকটাও চোখা।

    আচ্ছা, ওই ডাইনিটাকে তাহলে হৃত্বিক রোশনের মতো দেখতে নয় কেন? সায়ন অনেকক্ষণ ধরে ভেবেচিন্তে বুঝতে পারে ডাইনিটার সঙ্গে সত্যিই হৃত্বিক রোশনের অনেক মিল আছে। পরক্ষণেই একটা খেয়াল আসে ওর মনে। মনে হয় ডাইনিটাকে ও আগে কোথাও দেখেছে। ওর মাথাটা গুলিয়ে যায়। আস্তে আস্তে ঘড়ির কাঁটা এগোতে থাকে।

    বাবা যখন রাতে বাড়ি ফেরে তখন মুষলধারায় বৃষ্টি পড়ছে। আজ বৃষ্টি থামার কোনও লক্ষণ নেই। কলিংবেল বাজতে ও দরজাটা খুলে দেয়। কাকভেজা হয়ে ঘরে ঢোকে বাবা।

    বাবার দিকে ও তোয়ালেটা এগিয়ে দিয়ে বলে, ‘মা কোথায় গেছে গো? বেড়াতে যাব না আমরা?’

    ‘বেড়াতে!’ বাবার মুখটা থমথমে দেখায়। বৃষ্টির জলে ভিজেছে বলেই বোধহয় মুখটা কেমন যেন চুপসে শুকিয়ে আছে, ‘কে বেড়াতে যাবে?’

    ‘মা বলছিল তো কোথায় বেড়াতে যাবে…ব্যাগ গোছাচ্ছিল…’

    বাবা আর কিছু বলে না। গা হাত পা মুছতে মুছতে সোজা বাথরুমে ঢুকে যায়। সায়ন বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে। তারপর আবার একবার আয়নার সামনে গিয়ে নিজেকে দেখে। চুলটা আঁচড়ে নেয়। মুখের উপর একটু পাউডার লেপে নেয়। তার মধ্যে বাথরুম থেকে বেরিয়ে আসে বাবা।

    সায়ন তার দিকে তাকিয়ে জিগ্যেস করে, ‘কী গো? তুমি জামাকাপড় পরবে না? ট্রেনের দেরি হয়ে যাবে তো!’

    ‘আমরা কোথাও যাচ্ছি না সায়ন…’ এগিয়ে এসে ছেলের সামনে হাঁটু মুড়ে বসে পড়েন বিপ্লব মজুমদার। তারপর বিমর্ষ গলায় বলেন, ‘তোর মা একাই যাচ্ছে। আর ফিরবে না।’

    ‘আর ফিরবে না কেন? কোথায় যাচ্ছে?’

    ‘তোর মা আর আমাদের সঙ্গে থাকতে চায় না। এটাকে ডিভোর্স বলে—।’

    ব্যাপারটা মাথায় ঢোকে না সায়নের, ‘আমাদের সঙ্গে থাকবে না তো কার সঙ্গে থাকবে?’

    ‘অন্য একজনের সঙ্গে।’

    সায়ন অবোধ গলায় প্রশ্ন করে, ‘তোমার মতো একজন? না আমার মতো একজন?’

    বিপ্লব মজুমদারের বিষণ্ণ মুখেও হাসি খেলে যায়, ‘আমার মতো একজন। একদিন হয়ত তোর মতো একজনও আসবে…’

    সায়ন বোঝে না ওর কোথায় কষ্ট হচ্ছে। অভিমানের গলায় বলে, ‘আমার মতো একজনের সঙ্গে থাকবে যখন, তখন আমার সঙ্গে থাকবে না কেন?’

    কথাটা বলেই গটগট করে হেঁটে নিজের ঘরে ঢুকে যায়। তারপর সোজা এসে শুয়ে পড়ে ওর বিছানায়। বিছানায় তখনও পড়ে আছে সেই গল্পের বইটা—মরা ডাইনির অভিশাপ।

    ছবিটার দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকে ও। কোন অজানা কারণে ওর চোখ দিয়ে জল নামে আজ। সেই ঝাপসা চোখের মধ্যেই কোথায় যেন হারিয়ে যায় ডাইনিটা…!

    দরমার ঘরে শুয়ে ঘুমোচ্ছিল জগন্নাথ। রাত হয়েছে। এতক্ষণে মদের নেশাটা ছুটে গেছে ওর। কোনওরকমে ধড়ফড়িয়ে উঠে দেখতে পায় ওর বউটা মেঝের উপর পড়ে আছে। একটু আগেই জগন্নাথ রাগের মাথায় সাঁড়াশির বাড়ি মেরেছে ওর মাথায়। তখন থেকে সেই যে পড়েছে তারপর আর ওঠেনি। যাঃ শালা, মরে ফরে গেল নাকি?

    ও খাট থেকে পা বাড়িয়ে একবার ঠেলা দেয় বউকে, ‘এই মাগি, বেঁচে আছিস?’

    একটা চাপা যন্ত্রণা মাখা গোঙানির শব্দ বেরিয়ে আসে মেয়েটির মুখ থেকে। ইটভাটায় কাজ করে জগন্নাথ। মোটামুটি মাইনে পায়। তবে টাকাপয়সা যা পায় তার বেশিরভাগই ঢেলে দেয় মদ আর মেয়েছেলের পেছনে। বউ আগে বারণ করত, অভিমান করত, তখন ওর শরীরে মজা ছিল। তাই সে বারণ শুনত জগন্নাথ। মদের গ্লাস আর মেয়েমানুষের একটাই পার্থক্য। মদ খেতে খেতে নেশা বাড়ে, আর মেয়েমানুষ খেতে খেতে নেশা কমে যায়। জগন্নাথও প্রথম প্রথম বউয়ের কথা শুনত। তারপর কিছুদিন যেতে না যেতেই হাত বাড়ায় অন্য গ্লাসের দিকে।

    এইসবের মাঝে ফেঁসে গেছে বাচ্চাটা। তাকেও কোথায় যেন ভালোবেসে ফেলেছে জগন্নাথ। ওইটুকুনি বাচ্চা, একটা সময় বড় হবে, হাত পা ছুড়বে। ওকে বাবা বলে ডাকবে।

    কোমরে ভর দিয়ে উঠে বসে চারদিকটা খেয়াল করে ও। বউটা বেঁচে আছে। ওকে নিয়ে আর মাথা ঘামানোর দরকার নেই। আজ সকালেই বাচ্চাটার ঝোলার জন্য বস্তা দিয়ে একটা ঝুলনা করে দিয়ে গেছে নিজের হাতে। তাতেই দুলছে বাচ্চাটা। ও একরকম বউয়ের হাত মাড়িয়েই সেদিকে এগিয়ে যায়।

    বাচ্চাটা জেগে আছে অথচ কেমন স্থির হয়ে আছে। তার দৃষ্টি জানলার দিকে। যেন জানলার বাইরে কিছু একটা আগ্রহ টেনে ধরেছে ওকে। বাচ্চার পেটে হাত দিয়ে একটা খোঁচা মারে জগন্নাথ, ‘কীরে? ঘুম ভেঙে গেছে?’

    ও মুখ নামিয়ে বাচ্চার পায়ের পাতায় একটা চুমু খায়। তারপর দুহাতে ঝুলন্ত দোলনা থেকে তাকে কোলে তুলে নেয়। গুনগুন করে একটা গান গাইতে গাইতে দোলাতে থাকে বাচ্চাটাকে। এবং অবাক হয়ে লক্ষ করে এখনও সে জানালার বাইরেই তাকিয়ে আছে। সেদিক থেকে এতক্ষণে একবারের জন্য চোখ ফেরায়নি।

    ‘কী দেখছিস বল তো ওদিকে?’

    ঝট করে সেদিকে তাকাতেই জগন্নাথের মনে হয় জানলার দিক থেকে একটা ছায়া যেন হুট করে সরে গেল। এতক্ষণ জানলার বাইরে থেকে কেউ বাচ্চাটাকেই দেখছিল। হঠাৎ করে ও তাকানোয় লুকিয়ে পড়ল।

    মনে সন্দেহ জাগে জগন্নাথের। সে পায়ে পায়ে জানলার কাছে এগিয়ে যায়। বাচ্চাটা এখনও জানলার দিকে দেখছে। জানলার গ্রিল নেই। কোনওরকমে দরমার ফাঁক দিয়ে একটা কাপড় ঝুলানো আছে। সেটা ডানদিকে সরানো।

    ভালো করে সেখানে দাঁড়িয়ে বাইরেটা দেখে জগন্নাথ। চাঁদের আলো আসছে বাইরে থেকে। ওদের বস্তিটা ঝকঝক করছে সেই চাঁদের আলোয়। গভীর রাত হয়েছে মনে হয়। কোথাও কোনও লোকজন চোখে পড়ছে না।

    কই, কেউ তো নেই! অবশ্য যে দাঁড়িয়ে ছিল সে ঘরের অন্যদিকে লুকিয়ে পড়ে থাকতে পারে।

    ‘কে বে এখানে?’ খিস্তি দিয়ে ওঠে জগন্নাথ। নিচের দিকে চেয়ে ও খেয়াল করে বাচ্চাটা একটা নির্দিষ্ট দিকে আঙুল তুলে ধরেছে। বাচ্চাটা কি নির্দেশ করে কিছু দেখাতে চাইছে ওকে? ঘরের সেদিকে কোনও জানলা নেই। দরমার দেওয়াল। তাও চাঁদের আলোয় জগন্নাথ বুঝতে পারে সেখানে দাঁড়িয়ে রয়েছে কেউ। দরমার ফাঁক দিয়ে আসা চাঁদের আলো আটকে রেখেছে একটা মানুষের অবয়ব।

    দ্রুত পায়ে দরজা খুলে বাইরে বেরিয়ে আসে জগন্নাথ। ওর বাড়িতে চুরি করার মতো কিছু নেই। তাও এত রাতে কীসের লোভে এসেছে?

    বাইরে এসে ঘরের চারদিকটা প্রদক্ষিণ করেও কাউকে দেখতে পায় না জগন্নাথ। ‘মারা ভুল দেখলাম নাকি?’ বিড়বিড় করে কথাটা বলে আবার ঘরে ঢুকে পড়ে ও।

    দরজা দিয়ে বিছানায় শুয়ে পড়তে যাচ্ছিল হঠাৎ একটা অদ্ভুত ব্যাপার খেয়াল করে জগন্নাথ। বাচ্চার ঝুলনাটা এখনও দুলছে। অথচ অন্তত মিনিট তিনেক আগে ধীরে ধীরে বাচ্চাটাকে তুলে নিয়েছে জগন্নাথ। এখন তো আর সেটা দোলার কথা নয়। তাহলে কি ও যখন বেরিয়েছিল তখন ওর বউ দুলিয়েছে ওটা? কিন্তু কেন?

    ও আবার পা দিয়ে বউয়ের কাঁধে একটা ধাক্কা দেয়, ‘এই মাগি, তুই জেগে আছিস নাকি?’

    ‘না…’ মেঝে থেকে কঠিন গলার স্বর ভেসে আসে। কিন্তু এই গলাটা তো ওর বউয়ের না! শব্দটা এসেছে খাটের তলা থেকে। তাকিয়ে দেখে বউ এখনও আগের মতোই মেঝেতে উল্টে পড়ে আছে। তাহলে খাটের তলা থেকে কে উত্তর দিল?

    ও বাচ্চাটাকে বিছানার উপর রেখে উঁকি দেয়। অন্ধকারে ভরে আছে খাটের তলাটা। তার ভেতরে কেউ বসে বা শুয়ে থাকলে বাইরে থেকে দেখতে পাওয়ার কথা নয়। মাথা নিচু করে ও পকেট থেকে ওর ফোনটা বের করে। তারপর কোনওরকমে টর্চটা জেলে খাটের নিচে ফেলে। চারপাশটা ঘুরিয়ে দেখে কেউ নেই সেখানে।

    একটা ঠান্ডা শীর্ণ হাত ওঁর গোড়ালি চেপে ধরে। মুখ ফিরিয়ে দেখে ওঁর বউ পা চেপে ধরেছে। লাথি মারার ভঙ্গিতে সেটা সরিয়ে দেয় জগন্নাথ, ‘শালি আবার আমার পা ধরে…’

    হঠাৎ বউয়ের চোখের দিকে চোখ পড়তেই ও থমকে যায়। একদৃষ্টে খাটের দিকে তাকিয়ে আছে ওর বউ। কাউকে দেখতে পেয়েছে সেখানে। সেই দৃষ্টি লক্ষ্য করে মুখ ফেরায় জগন্নাথ।

    মাথা ঘুরিয়ে বিছানার উপরে তাকাতেই ও যা দেখতে পায় তাতে ওর রক্ত হিম হয়ে যায়…

    বিছানার উপর ওর দিকে মুখ ফিরিয়ে বসে আছে এক অদ্ভুত নারীমূর্তি। সমস্ত গায়ে একটা নীলচে আভা। মুখের বেশিটা মাথা থেকে নেমে আসা কোঁকড়া খয়েরি চুলে ঢাকা। তার ফাঁক দিয়ে যেটুকু মুখ দেখা যায় তাতে লোমের কোনও চিহ্ন নেই। আশ্চর্য মসৃণ মুখ। চোখের ভিতর একটা ব্লেড দিয়ে চেরা ক্ষতর মতো চোখের মণি। মুখের নিচের দিকটা ছোপ ছোপ রক্তের দাগ…!

    অন্ধকারে বাকি শরীরটা ও দেখতে পায় না। চিৎকার করে ওঠার আগেই নারীমূর্তি বাচ্চাটার পা ধরে তুলে নেয়। সজোরে কেঁদে ওঠে বাচ্চাটা। ওদের দরমার ঘর ছেড়ে গোল চাঁদের গায়ে গিয়ে যেন ধাক্কা খায় সেই চিৎকার।

    জগন্নাথ ভয়ে পিছিয়ে গেছিল। বউকে ঠেলা মারে। সেও নিথর পাথরের মূর্তিতে পরিণত হয়েছে। কান্না ছাপিয়ে একটা চাপা হাসির শব্দে ঘর ভরে ওঠে। হাসছে ডাইনিটা। বাচ্চাটাকে কোলে তুলে নিয়ে বিছানা থেকে এক লাফে নেমে আসে সে। আবার একটা লাফ মেরে উঠে পড়ে জানলার উপর। পরমুহূর্তে বাইরের জ্যোৎস্নামাখা রাতে হারিয়ে যায় সে।

    ‘ওকে…ওকে নিয়ে পালালো…’ বউয়ের আর্ত চিৎকারে যেন হুঁশ ফেরে জগন্নাথের। চকিতে শরীরে প্রাণ আসে তার।

    দ্রুত জানলা দিয়ে লাফিয়ে বাইরে নেমে পড়ে জগন্নাথ। তারপর দৌড়াতে থাকে ডাইনিটার পেছন পেছন। যেন হাওয়ার উপর দিয়ে উড়ে চলেছে সে। হাওয়ার ঝাপটায় তার চাদর ওড়ে, আরও অলৌকিক দেখায় ডাইনিটাকে।

    কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে বাড়ি ঘরের মাঝখান দিয়ে দৌড়াতে দৌড়াতে কোথায় যেন উধাও হয়ে যায় নীলচে নারীমূর্তি। চারিদিকে তাকিয়ে চিৎকার ছেড়ে কেঁদে ওঠে জগন্নাথ। ওর চিৎকারে আশপাশের বাড়ি থেকে লোক বেরিয়ে এসেছে এতক্ষণে। তারা হম্বিতম্বি করে ছুটে আসে এদিকে। জগন্নাথকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে কাঁদতে দেখে তাদের মধ্যে একজন চিৎকার করে ওঠে, ‘কী হয়েছে রে জগা?’

    ‘আ…আমার বাচ্চা নিয়ে পালাইচে…’ ভয়, আশঙ্কা আর যন্ত্রণায় ডুকরে ওঠে সে।

    ‘কে? কে পালাইচে?’

    একটা শব্দ বেরিয়ে আসে জগন্নাথের মুখ থেকে, ‘ডাইনি…’

    ডাইনি যেদিকে মিলিয়ে গেছে গ্রামের লোক লাঠিসোটা যা পায় সম্বল করে দৌড়ে যায় সেদিকে। সবার বাড়ির আনাচ-কানাচ খুঁজে ফেলা হয়। কেউ কোত্থাও কেউ নেই। এমনকী কোথাও বাচ্চার কান্নার আওয়াজও নেই। গেল কোথায় ডাইনিটা?

    কেউ কেউ পুলিশে খবর দিতে যায়। একসময় সবকিছুই আস্তে আস্তে শান্ত হয়ে যায়। এলাকার বোদ্ধারা জগন্নাথকে আশ্বাস দিয়ে আবার নিজের ঘরে ফিরে যায়।

    ঘরে ফিরে এসে জগন্নাথ দেখে ওর বউ বসে আছে বিছানার উপরে। গায়ের কাপড় এলোমেলো। চোখে কান্নার জল শুকিয়ে আছে। শরীরটা আতঙ্কে মাঝে মাঝে শিউরে উঠছে।

    ‘ডাইনিতে নে গেছে আমার ছেলেরে…’ থমথমে গলায় বলে জগন্নাথ। খোলা জানলাটা এখনও আগের মতোই পড়ে আছে। চাঁদের আলো সেই জানলা দিয়ে এসে পড়েছে ঘরের মেঝেতে।

    ‘আগের বছর মিশু পণ্ডিতের ছেলেটারে তুলছিল। রাতে এমন করেই নিয়ে গেছেল। আর পায়নি কোথাও…’ কথাটা বলে আবার বউয়ের দিকে চায়। তার দৃষ্টি এখনও স্থির। ঝুলন্ত ঝুলনাটা দেখে চলেছে সে। একটু আগেও ওখানে শুয়ে ছিল ছেলেটা।

    ‘পত্তিবচ্ছর একটা একটা করে বাচ্চা তুলচে…’ হাতের আঙুলে মাথা চেপে ধরে জগন্নাথ।

    ‘তুই মুখে কুলুপ দিলি কেনে?’ রাগের মাথায় ঝাঁঝিয়ে ওঠে জগন্নাথ।

    ওর বউ উঠে দাঁড়ায়। তারপর ধীরে ধীরে এগিয়ে যায় কুলুঙ্গির দিকে। ঠিক নীচ থেকে সড়াত শব্দ করে কিছু একটা টেনে বার করে। জগন্নাথ তাকিয়ে দেখে ওর হাতে একটা বড় কাটারি। কবে থেকে এটা লুকিয়ে রেখেছিল জগন্নাথ জানে না। ও চিৎকার করে ওঠে, ‘ও কাটারি তুই কই পেলি?’

    চাঁদের আলো লেগে ঝিকমিক করছে জিনিসটা। বোঝা যায় মুহূর্তে একটা জ্যান্ত মানুষের মাথা ধড় থেকে আলাদা করে দিতে পারে ও জিনিস।

    জগন্নাথের বউয়ের গলার আওয়াজ ওদের দরমার ঘর কাঁপিয়ে দেয়, ‘তোর জন্য রেখেছিলাম রে মাগির পো। যেদিন আর সহ্য হবেনি সেদিন…’ কথাটা বলতে বলতে থেমে যায় মেয়েটি, ‘এই দিয়ে আজ ওই ডাইনিমাগিরে শেষ করব আমি…’

    কাটারিটা নিয়ে জানলার দিকে ছুটে যায় সে। জগন্নাথ দ্রুত উঠে তাকে থামায়। কাটারিটা হাত থেকে কেড়ে নিয়ে নিরস্ত করে। তারপর সপাটে গালে একটা চড় মেরে বলে, ‘ডাইনিকে খুঁজে পাবি কই তুই? কার গলা কাটবি?’

    ‘খুঁজে পাব!’ মেয়েটি আবার ঝাঁঝিয়ে ওঠে, ‘কেন তুই দ্যাখতে পাস নাই ওকে? ওই মুখ ওই শরিল তুই চিনিস না?’

    জগন্নাথের ভুরু কুঁচকে যায়, ‘কে?’

    ‘গঙ্গা! তোর আগে আমি দেখচি ওকে। তখন আলো পড়ে দেখতে পেয়েচি ও মুখ— ও গঙ্গা!’

    জগন্নাথ দু’পা পিছিয়ে আসে। এ গ্রামে গঙ্গাকে মানুষ ভগবানের মতো ভক্তি করে। হেন লোক নেই যে সাহায্যের জন্য তার কাছে হাত পাতে না। তাকে হুট করে ডাইনি বলাটা খুব বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। কিন্তু এই মুহূর্তে ওদের ছেলে হারিয়েছে। অন্তত একবার গঙ্গাকে এনে জিগ্যেস করলে…

    দ্রুত দরজার দিকে পা বাড়ায় জগন্নাথ। মুখে বলে, ‘তুই এট্টু ইসথির হয়ে বস। আমি মোড়লমশাইকে বলে দেখচি…’

    জগন্নাথের বউ আর কিছু কথা বলে না। প্রতিহিংসার আগুনে পুড়তে পুড়তে সে সেই ঝুলনাটা একটানে ছিঁড়ে ফেলে মাটিতে। তারপর সেই কাপড়টা জড়িয়েই হাউহাউ করে কান্নায় ভেঙে পড়ে। কান্নার তোড়ের সঙ্গে তার মুখ থেকে অভিসম্পাত বেরিয়ে আসে, ‘আমার কোল থিকে ছেলে কেড়ে নিলি গঙ্গা! আমি অভিশাপ দিলাম তুকে, পুড়ে মরবি তুই…দাউ দাউ করে জ্বলবি আগুনে। এ গ্রামের কচিবুড়ো সবাই মিলে পুড়িয়ে খাক করে দেবে তোকে মাগি…’

    বাইরে চাঁদ জেগেছিল সেদিন। এমন অদ্ভুত রাতে কেউ না কেউ জেগে থাকে জানলায়। জগন্নাথের বউ সেদিন জানত না ওর জানলার ঠিক বাইরে চাঁদ ছাড়াও কেউ জেগেছিল সেদিন। সে মন দিয়ে শুনছিল ওর অভিসম্পাত!

    ‘পুড়ে মরবি তুই গঙ্গা! একদিন পুড়ে খাক হয়ে যাবি…দেখিস, একদিন এই গ্রামের সবাই মিলে তোকে…’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকলব্য – হরিশংকর জলদাস
    Next Article মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    Related Articles

    সায়ক আমান

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Our Picks

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }