Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    সায়ক আমান এক পাতা গল্প265 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুয়াশার ফুল – ১৫

    পঞ্চদশ অধ্যায়

    ‘কিন্তু আপনি এভাবে কতদিন পালিয়ে পালিয়ে বেড়াবেন? ধরা তো আপনাকে দিতেই হবে, তাই না?’

    দলটা আপাতত ফিরে গেছে। মশালের আলোর তীব্রতা কমে এসেছে জঙ্গলের ভিতরে। তবে ওরা বুঝতে পেরেছে যে সায়ন আর গঙ্গা এদিকেই এসেছে। দূর থেকে ওদের হাঁকডাকের আওয়াজ শোনা যাচ্ছে।

    কোনওরকমে গাছের আড়ালে লুকিয়ে নিজেদের আড়াল করেছে ওরা। গঙ্গা কিছুক্ষণ স্থির চোখে তাকিয়ে থাকে ওপরের দিকে। ওদের গতিবিধি বোঝার চেষ্টা করে। তারপর শান্ত গলায় বলে, ‘আপাতত আর এদিকে আসবে না। দেখি তোমার পা-টা…’

    সায়নের মনে হয়েছিল ওর মালাইচাকি গুঁড়ো হয়ে গেছে। গঙ্গা সেই জায়গাটার ওপর হাত রেখে একটু চাপ দেয়। সায়ন ককিয়ে ওঠে। সঙ্গে সঙ্গে ওর মুখ চেপে ধরে গঙ্গা, ‘আঃ, চিৎকার কোরো না। ওরা শুনতে পেয়ে যাবে…’

    কোমরের কাছে বাঁধা চটের থলেটা খুলে তার ভেতর থেকে একটা শিশি বের করে গঙ্গা। কিছু একটা আঙুলে নিয়ে ওর হাঁটুতে লাগিয়ে দেয়। সোজা হয়ে দাঁড়াতে বলে, ‘আপাতত একটু শুয়ে থাকো। মিনিট পনেরো লাগবে। তারপর ঠিক হয়ে যাবে…’

    সায়ন ভালো করে দেখে গঙ্গাকে। ছবিতে যেমন দেখেছিল তার থেকে তেমন কিছু বদল আসেনি শরীরে। হাঁটাচলার মধ্যে একটা দৃঢ় ভাব আছে। চোখের মণি চঞ্চল। সায়নের বুকের ভিতর উত্তেজনাটা একটু একটু করে কমে আসে। গঙ্গার মুখে একটা নিরাপত্তার আশ্রয় আছে।

    হাত বাড়িয়ে জঙ্গলের একটা গাছ থেকে ফল ছিঁড়ে নেয় গঙ্গা। তারপর সেটার ওপর কামড় বসায়।

    ‘ফাঁসটা মৌলির জন্য ছিল, তাই না?’

    গঙ্গা উপরে নিচে মাথা নাড়ায়। একমনে চিবোতে থাকে ফলটা।

    সায়ন এতক্ষণে লক্ষ করে ও গঙ্গাকে যতটা শারীরিকভাবে অক্ষম মনে করেছিল আদৌ তেমনটা নয়। কেবল মুখে একরাশ ক্লান্তি আর অনাহারের ছাপ। শরীরে অসংখ্য কাটাছেঁড়া দাগ। কপালে তিনটে নখের আঁচড় জ্বলজ্বল করছে। মুখটা ভীষণ ফ্যাকাসে দেখাচ্ছে।

    ‘দেখুন, আমি জানি আপনাকে ফাঁসানো হয়েছে। আপনি আদৌ কাউকে খুন করেননি, বাচ্চাগুলোকেও চুরি করেননি…’

    ওর দিকে রাগত চোখে তাকায় গঙ্গা, ‘তুমি কিছুই জানো না।’

    ‘সত্যিই কি করেছেন আপনি? যদি কিছু করে না থাকেন তাহলে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন কেন?’

    হঠাৎ কী নজরে পড়তে মাটির ওপর থেকে উঠে পড়ে গঙ্গা। তারপর হাত বাড়িয়ে একটা ফল পেড়ে এনে ওর দিকে ছুড়ে দিয়ে বলে, ‘আগে খেয়ে নাও, তারপর প্রশ্নোত্তর, শিশু আগে খেতে শেখে তারপর প্রশ্ন করতে, তাই না?’

    কথা না বাড়িয়ে ফলটা খেয়ে নেয় সায়ন। এতক্ষণে ওর পায়ের ব্যথাটা সত্যিই কমতে শুরু করেছে। যেভাবে আঘাতটা লেগেছিল তাতে ঘণ্টাখানেকের মধ্যে উঠে দাঁড়াতে পারবে ভাবতেই পারেনি।

    ফলটা কিছুটা খেয়ে বাকিটা ছুড়ে ফেলে দেয় গঙ্গা। তারপর কোমরের থলে দুটো ভালো করে বাঁধতে বাঁধতে বলে, ‘তুমি বাড়ি যাও এখন। আমাকে অনেক দূর যেতে হবে।’

    ‘কোথায় যাবেন?’

    মুখে একটা অদ্ভুত ভঙ্গি করে গঙ্গা, ‘তুমি কী করবে জেনে?’

    ‘ওরা গোটা জঙ্গলের আশেপাশে ছড়িয়ে আছে। আপনি ধরা পড়লে আস্ত রাখবে না।’

    গঙ্গা দু-পা এগিয়ে আসে ওর দিকে, ‘তোমার চিন্তা হচ্ছে আমার জন্য?’

    সায়ন মুখ নামিয়ে নেয়, ‘আপনি আমার মায়ের বয়সি। আমি চাই না আপনার কোনও ক্ষতি হোক…’

    গঙ্গা উত্তর দেয় না। অদ্ভুত দৃষ্টিতে একমনে তাকিয়ে থাকে ওর দিকে। সায়ন নিজে থেকেই বলে, ‘মৌলি বলেছিল আপনার কাছে সব রোগের ওষুধ থাকে। এমনকী মন খারাপেরও। আপনি ম্যাজিক জানেন…’

    গঙ্গা ওর মাথা স্পর্শ করে, ‘এই যে বললে আমি ডাইনি নই? আচ্ছা বলো, কী কারণে মন খারাপ করে তোমার?’

    ‘মায়ের জন্যে…’

    ‘মা নেই বলে?’

    ‘না, মা আমাকে ছেড়ে চলে যেতে পারল বলে। ছোট থেকে এত বড় হয়েছি কখনও কারও মা কাউকে ছেড়ে চলে গেছে বলে শুনিনি…’ জঙ্গলের ঘন হয়ে থাকা হাওয়ায় সায়নের গলার স্বর গাছের পাতার সরসর শব্দের মতোই শোনায়।

    ‘কই…’ গঙ্গা ওর চোখে চোখ তুলে তাকায়, ‘আমি তো দেখতে পাচ্ছি তোমার মাকে। মায়ের রক্ত বইছে তোমার শরীরে…’ ওর গালে মাথায় একবার আলতো করে হাত বুলিয়ে দেয় গঙ্গা, ‘মা ভালো হোক বা খারাপ, বাড়িতে থাক বা ছেড়ে চলে যাক। তোমার শরীরে যতক্ষণ রক্ত আছে ততক্ষণ তার সব থেকে প্রিয় জিনিসটা তোমাকে দিয়ে গেছেন তিনি…’

    ‘কী জিনিস?’

    ‘তার অস্তিত্ব। আমরা চলে যাওয়ার পরেও শুধু যেটুকু থেকে যাবে। আর কিছু কি আমরা রেখে যেতে পারি—বলো?’

    কথাগুলো বলে উল্টোদিকে হাঁটতে যাচ্ছিল গঙ্গা। কিন্তু কেমন যেন একটু টলে গেল সে। সায়ন দ্রুত এগিয়ে গিয়ে ধরে নেয় গঙ্গাকে।

    নিজের কপালে হাত রাখে গঙ্গা, ‘আসলে ঘুম হয়নি ক’দিন। তাই মাথাটা…বয়স হচ্ছে তো!’

    গঙ্গা ওর দিকে তাকায়। ক্লান্ত, অবসন্ন দুটো চোখ। বোঝা যায় জঙ্গলের খোলা বাতাসে ঘুমানোর বিলাসিতা নেই। সতর্ক না থাকলে যে-কোনও সময়ে বন্য জন্তু আক্রমণ করতে পারে। পরপর ক’দিন অনাহার আর না ঘুমানোর ফলে শরীর চলতে চাইছে না আর।

    সায়ন ওকে থামিয়ে বলে, ‘আপাতত আপনি জঙ্গল থেকে বেরোবেন না। ওরা গোটা জঙ্গলটা ঘিরে ফেলেছে। আজকের রাতটা অন্তত লুকিয়ে থাকুন। আমি একটা জায়গা চিনি। এখান থেকে বেশি দূরে না…’

    গঙ্গা আর আপত্তি করে না। ওর শরীরটা সত্যি বিশ্রাম চাইছে। সায়ন ওর একটা হাত নিজের কাঁধে তুলে নেয়। ও নিজেও জোর পাচ্ছে না শরীরে। দুজনে কোনওরকমে শক্তি সঞ্চয় করে হাঁটতে শুরু করে জঙ্গলের রাস্তা দিয়ে।

    * * * *

    রাস্তা দিয়ে ধেয়ে আসা একটা গাড়িকে ধাক্কা দিতে দিতে সামলে নিল প্রত্যয়। গাড়ি চালাতে চালাতে হঠাৎ করেই ঘুরে গেছে মাথাটা। ঘুমিয়ে পড়েছিল কি কয়েক সেকেন্ডের জন্য?

    তনুজা ধমক দিল ওকে, ‘হয়েছেটা কী তোর? অ্যাক্সিডেন্ট করবি নাকি?’

    ‘মাথাটা…’ নিজের কপালে হাত দিয়ে রগদুটো টিপে ধরল প্রত্যয়, ‘মাথাটা ব্যথা করছে ভীষণ…’

    ‘আমারও, দাঁড়িয়ে একটু চা খেয়ে নিই তাহলে?’

    রাস্তার ধারে গাড়িটা দাঁড় করায় ওরা। সামনেই একটা গুমটি চায়ের দোকান। বেলতলা থেকে মাত্র আধঘণ্টা মতো গাড়ি চালিয়েছে ওরা। এইটুকুতেই মাথাব্যথা করছে কেন কে জানে! দোকানে চায়ের অর্ডার দিয়ে বসতে বসতে প্রত্যয় বলে, ‘আজকাল শরীরে কী হয়েছে কে জানে, কাল মাল খাওয়ার পর থেকেই মনে হয় হ্যাংওভারটা এখনও কাটেনি…’

    তনুজাকেও চিন্তিত দেখায়, ‘যা বলেছিস মাইরি, কখন ঘরে এলাম, কখন শুলাম, কী হল কিছু মনে পড়ছে না…’

    বিকেল নামতে শুরু করেছে এতক্ষণে। ওরা দুজনে পাশাপাশি বসে চায়ের কাপে চুমুক দেয়। বিস্কুট ডোবাতে গিয়ে একটা টুকরো চায়ের কাপের মধ্যেই পড়ে যায়, বিরক্ত হয় তনুজা, ‘ধুর শালা, কিছুই ঠিকঠাক হচ্ছে না…’

    প্রত্যয়ও ওর সুরে সুর মেলায়, ‘এদিকে শালা গিয়েও কোনও লাভ হল না। বুড়োর শুধু টাকা খেঁচার ধান্দা…কিছুই জানি না। যত্তসব!’

    তনুজা বড় করে একটা চুমুক দিয়ে বলল, ‘আমার না, কেমন মনে হচ্ছে বুড়ো আরও কিছু জানত। ঠিক করে মন দিয়ে শুনলে…বারবার মনে হচ্ছিল কিছু যেন বলছে আবার…’

    আবার মাথার রগ চেপে ধরে প্রত্যয়, ‘নাঃ মাথাটা কাজ করছে না। এতক্ষণ ধরে বকবক করল কিন্তু কিছুই মনে পড়ছে না…’

    ‘বাদ দে, কাটা…আমি মনগড়া কিছু একটা বানিয়ে নেব নাহয়…’ হাত দিয়ে একটা ইশারা করে তনুজা।

    প্রত্যয় পকেট থেকে ফোন বের করে মুখের সামনে ধরে, তারপর মুখ দিয়ে একটা শব্দ করে বলে, ‘যাঃ গাঁড় মারা গেছে!’

    ‘সে কী রে! কী হল?’

    ফোনটা তনুজার দিকে ঘুরিয়ে দেখায় প্রত্যয়, ‘ফোনটা এসেফেক্সের জন্য রেকর্ডিং মোডে রেখেছিলাম, বন্ধ করতে ভুলে গেছি—। এতক্ষণ ধরে রেকর্ডিং হয়েই গেছে…আমিও বাঁড়া…’

    বিশাল ঘণ্টাখানেকের ফাইলটাকে এক ঝটকায় ডিলিট করতে যাচ্ছিল প্রত্যয়। তনুজা ওর হাতে হাত রেখে বাঁধা দেয়, ‘ডিলিট করিস না, ভালো হয়েছে। হ্যাং ওভারটা কাটলে আর একবার শুনব নাহয়…’

    কী মনে করে ফাইলটা দেখতে গিয়ে একটু খটকা লাগে প্রত্যয়ের। ভুরু কুঁচকে বলে, ‘আচ্ছা বেলতলার জমিদারবাড়িতে আমরা কতক্ষণ ছিলাম তাও?’

    ‘কতক্ষণ হবে, মিনিট পনেরো হবে…’

    প্রত্যয় ঘড়ি দেখে। তারপর কী যেন হিসেব করে বলে, ‘স্পষ্ট মনে আছে সাড়ে এগারোটায় ও বাড়িতে ঢুকেছি। রেকর্ডিংটা যে সময়ে শুরু হচ্ছে সেটা হিসেব করলে অন্তত চল্লিশ মিনিট ও বাড়িতে ছিলাম আমরা…’

    ‘এতক্ষণ! হতেই পারে না…’ তনুজা অবিশ্বাসের গলায় বলে।

    এতক্ষণে চা খাওয়া হয়ে গেছে ওদের। মনটা খুচখুচ করে ওর। তাহলে কি হ্যাংওভারের জন্যই সময়ের হিসেব হারিয়ে যাচ্ছে? নাকি অন্য কিছু?

    চা শেষ করে দুজনে আবার গাড়িতে উঠে আসে। তনুজা সিটে বসতে বসতে বলে, ‘তোর ব্লুটুথ স্পিকারে একবার চালা তো অডিওটা…’

    প্রত্যয় দ্বিরুক্তি না করে গাড়ির স্পিকারে রেকর্ডিংটা একটা বিশেষ জায়গা থেকে চালিয়ে দেয়। ওপাশ থেকে এক এক করে ভুপেন আর রতনের গলা ভেসে আসতে থাকে।

    ‘প্রত্যয়!’ তনুজার কাঁপা কাঁপা গলা শোনা যায় কিছুক্ষণ পরে। অন্যজনের গাড়ি চালানোর গতি ততক্ষণে শ্লথ হয়ে এসেছে। তার ভুরুতেও ভাঁজ পড়েছে।

    ‘ওয়াট দ্যা ফাক ইজ হ্যাপেনিং!’ চিৎকার করে ওঠে প্রত্যয়। তনুজা ধীর গলায় বলে, ‘কাল রাতে একটা নীল আলোর কথা ঝাপসা মনে পড়ছে আমার…কেউ আমাদের ভুলিয়ে দিয়ে…’

    ‘কী বলতে চাইছিস তুই?’

    ‘কাল রাতে থেকে আমরা নিজেদের মধ্যে ছিলাম না…গাড়ি ঘোরা। কুইক…’

    ‘আবার ওখানে যাবি তুই?’ প্রত্যয় হতবাক গলায় বলে।

    ‘না, যে চিঠিগুলোর কথা বলছেন ভুপেনবাবু সেগুলো সম্ভবত আমরাই কোথাও নষ্ট করে দিয়েছি। তার মধ্যে কিছু উদ্ধার করা যায় কিনা দেখতে হবে…’

    ‘কিন্তু এখন কোথায় পাবি ওসব?’

    ‘জানি না। কিন্তু ওগুলো হারিয়ে যাওয়া আমরা অ্যাফোর্ড করতে পারব না…কুইক, স্টার্ট কর…’

    গাড়ি ঘুরিয়ে উল্টোদিকে ড্রাইভ করতে থাকে প্রত্যয়। এতক্ষণে ওর মাথার ব্যথাটা কমে এসেছে। তার বদলে আশ্চর্যরকম পরিষ্কার হয়ে উঠেছে সমস্ত কিছু। সজোরে গাড়ি হাকিয়ে দেয় সে।

    ফাঁকা শুনশান গ্রাম্য রাস্তা। দুপাশে খোলা মাঠ পড়ে আছে। শীতের বেলা, তাই দ্রুত সন্ধে নামতে শুরু করেছে। একটু পরে আর কিছুই দেখা যাবে না।

    হঠাৎ কী যেন দেখতে পেয়ে চেঁচিয়ে ওঠে তনুজা, ‘ওই যে, ওখানে কিছু একটা আছে…’

    প্রত্যয় তাকিয়ে দেখে সেদিকে মাঠের উপরে খুব অল্প ধোঁয়ার কালো শিখা সাপের মতো বেয়ে বেয়ে উপরের দিকে উঠছে। দুজনে দ্রুতপায়ে সেদিকে এগিয়ে যায়।

    ঘাসের উপরে পড়ে আছে কিছু আধপোড়া কাগজ, কয়েকটা হাতে লেখা চিঠি আর শতাব্দী প্রাচীন একটা খাতা। বেশিরভাগটাই পুড়ে গেছে।

    তনুজার মুখ দিয়ে একটা অস্ফুট শব্দ বেরিয়ে আসে, ‘গুপ্তধন!’

    * * * *

    পুরনো ভাঙা লরিটার কাছে এসে ওরা দাঁড়িয়ে পড়ে। সিঁড়ির দিকটা প্রায় ভেঙে পড়েছে। কোনওরকমে তার পাদানিতে পা রেখে দুজনে ভিতরে ঢুকে আসে। ভিতরটা বিশ্রী একটা গন্ধে ভরে আছে। সম্ভবত কিছু একটা মরে পচেছে ক’দিন আগে। ড্রাইভারের ছেঁড়া সিটের উপরে গঙ্গাকে বসিয়ে নিজে ওর পাশে গিয়ে বসে পড়ে সায়ন। স্টিয়ারিঙের বেশিটাই ভেঙে গেছে। তার উপরে ক্লান্ত মাথা এলিয়ে দেয় গঙ্গা।

    ‘আপনি এ গ্রাম ছেড়ে চলে যান। আমি কিছু লোকজনকে চিনি। একবার এখান থেকে চলে গেলে ওরা আপনার আর ক্ষতি করতে পারবে না।’

    ‘কোথায় যাব?’

    ‘জানি না…শহরে? ওখানে এরকম শেয়াল কুকুরের রাজত্ব চলে না, অন্তত ক্যাঙ্গারু কোর্ট বসিয়ে ডাইনি সন্দেহে কাউকে…’

    একটা নরম হাসি হাসে গঙ্গা, তার মুখটা করুণ দেখায়, ‘ক্যাঙ্গারু কোর্টের বদলে কী যেন বলে…হাই কোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট বসানো হয়। জলঘোলা হয়, ধর্ম আসে, রাজনীতি আসে, আলোচনা হয়, প্রতিবাদ হয়, তারপর সেই ডাইনি সন্দেহে পুড়িয়ে মারা হয়। যে মারে তার বিচার হয় না। না হে, কিছু খবর আমিও রাখি। পালিয়ে আর যাব কোথায়?’

    সায়ন আর কিছু বলতে পারে না। গঙ্গা মাথাটা পেছনে হেলিয়ে এলিয়ে পড়তে পড়তে বলে, ‘তার থেকে একটু ঘুমিয়ে নিই। পালাতে পালাতে ক্লান্ত হয়ে গেছি…’

    ভাঙা উইন্ডস্ক্রিন দিয়ে চাঁদের আলো এসে গঙ্গার মুখে পড়ে। সেই আলোয় অদ্ভুত মায়াবী নরম দেখায় তাকে। কপাল বেয়ে গড়িয়ে আসা জ্যোৎস্না তার খাড়া নাক ছুঁয়ে যায়। কপালের তিনটে চেরা দাগ যেন রাজটিকার মতো জ্বলজ্বল করে। আসন্ন পরাজয়কে বরণ করে নেওয়া এক ক্লান্ত হতোদ্যম সৈনিকের মতো দেখায় তাকে। ক্রমশ গভীর ঘুমে ঢলে পড়ে সে। ওর মাথাটা হেলে পড়ে, আশ্রয় নেয় সায়নের কাঁধে। বুকের ধুকপুকুনি শুনতে পায় সায়ন। ওর নিজেরও চোখ বুজে আসে। অদ্ভুত এক শান্তি!

    সায়নের তন্দ্রা যখন ভাঙে। কতক্ষণ অতিবাহিত হয়েছে ও নিজেও জানে না। এখনও আগের আগের মতোই ঝিঁঝি ডেকে চলেছে। চারপাশ অদ্ভুতরকম নিস্তব্ধ। গঙ্গার মাথাটা এখনও ওর কাঁধেই হেলে রয়েছে।

    হঠাৎ একটা অদ্ভুত ব্যাপার লক্ষ করে সায়ন। ওর ঘুম কোনও স্বাভাবিক কারণে ভাঙেনি। ভেঙেছে কিছু বিশেষ ধরনের শব্দে। এবং সে শব্দটা আসছে লরির চারদিক থেকে। চতুর্দিকে ছড়িয়ে থাকা বুনো জন্তুদের মধ্যে কেমন যেন একটা চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। অথচ চারপাশে চোখে পড়ার মতো কিছুই নেই প্রায়।

    সায়ন সতর্ক হয়ে খেয়াল করে চারদিক। করতেই ওর বুকের রক্ত হিম হয়ে যায়। খুব ক্ষীণ খসখসে আওয়াজ আসছে। যেন জঙ্গলের ভিতর খুব সাবধানে সন্তর্পণে পা ফেলছে অনেকগুলো লোক। দল বেঁধে তারা এগিয়ে আসছে ওদের দিকে।

    ‘গঙ্গা, গঙ্গা! ওরা এসে পড়েছে! পালাতে হবে আমাদের…’

    মুহূর্তে চতুর্দিক বদলে যায়। জনা তিরিশেকের দলটা হাতে মশাল আর লাঠিসোটা নিয়ে হিলহিলিয়ে বেরিয়ে আসে জঙ্গলের গাছপালার ফাঁক দিয়ে। মুহূর্তে ঘিরে ফেলে লরিটাকে। এতক্ষণ যে জায়গাটায় বুনো জন্তুর হাঁকডাক ছাড়া আর কিছু ছিল না, সেটা ভরে ওঠে ঝাঁক-ঝাঁক মানুষজনের চিৎকারে। ছোট ভাঙা লরিটাকে ঘিরে ফেলে উত্তেজিত চিৎকার করতে থাকে ওরা।

    ‘এই এখানেই আছে, টেনে নামা মাগিকে!’

    ‘জ্বালিয়ে দে শালিকে। ওর ডাইনিপনা শেষ করে দেব আজ!’

    সায়ন তাকিয়ে দেখে গঙ্গার ঘুম এতক্ষণে ভেঙেছে। বাইরের দৃশ্য খেয়াল করে না সে। তৃপ্তিমাখা মুখ তুলে বলতে যায়, ‘কী সুন্দর একটা স্বপ্ন দেখলাম, জানো?’

    সায়ন তার আগেই ওকে থামিয়ে দেয়। ধাক্কা দিয়ে বলে, ‘দৌড়াতে হবে আমাদের। আপনাকে ধরতে পারলে ওরা…’

    একদল লোক ছুটে এসে লরির দরজাটা টেনে খুলে ফেলে। তারপর হাত বাড়িয়ে টেনে নামায় সায়নকে। ও লক্ষ করে ওপাশ থেকে গঙ্গাকেও চুলের মুঠি ধরে হিড়হিড় করে টেনে নামানো হয়েছে। তাকে মাটিতে ফেলে চোখে মুখে পেটে পরপর লাথি মারতে থাকে একদল লোক।

    সায়ন চিৎকার করে প্রায় কেঁদে ওঠে, ‘অত মারলে ও মরে যাবে! আপনারা কী মানুষ?’

    কেউ কেউ থুতু ছিটিয়ে দেয় গঙ্গার শরীরে। সায়ন লরির তলা দিয়ে লক্ষ করে এতক্ষণ লাথি মারতে থাকা পা’গুলো দাঁড়িয়ে গেছে। পরমুহূর্তে কাতরাতে থাকা গঙ্গার শরীরে কয়েকটা সরু জলধারা এসে পড়ে, সঙ্গে হাসির শব্দ। পেচ্ছাপের গন্ধে ভরে ওঠে বন্য জায়গাটা।

    সায়ন কাটা ছাগলের মতো চিৎকার করে ওঠে, ‘গঙ্গা ডাইনি নয়! ওকে ছেড়ে দিন, গঙ্গা ডাইনি নয়…’

    কিন্তু হিংস্র হাসি আর চিৎকারের মাঝে ওর গলার আওয়াজ ঢাকা পড়ে যায়। ওর মুখেও কয়েকটা লাথি এসে পড়ে। পরক্ষণে হাতে টান পড়ায় বুঝতে পারে ওদের দুজনকে টেনে হিঁচড়ে কোথাও একটা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মাটির উপর ঘসটানিতে শরীর রক্তাক্ত হয়ে যায়। ও আশেপাশে তাকিয়ে দেখে গঙ্গাকে আর দেখা যাচ্ছে না।

    টানতে টানতে ওদের জঙ্গল ছাড়িয়ে একটা খোলা মাঠের মধ্যে নিয়ে যায় লোকগুলো। হট্টগোলের মধ্যে প্রভাকরকে আবার দেখতে পায় সায়ন। তার হাতে একটা কাটারি। মারতে মারতে প্রায় আধমরা করে রক্তাক্ত অবস্থায় গঙ্গাকে একটা বড় গাছের সঙ্গে বেঁধেছে গ্রামের লোকগুলো। বাঁধার পরেও তার দিকে ছিটিয়ে দিচ্ছে থুতু আর ঢিলের টুকরো। সেই সঙ্গে ক্রমাগত চলেছে প্রহার। ওর কপাল ফেটে গেছে। সমস্ত শরীর থেকে পেচ্ছাপের গন্ধ বেরোচ্ছে। মারের চোটে ফুলে যাওয়া রক্তাক্ত মুখটা আর চেনাই যাচ্ছে না। টেনে টেনে ওর চুলগুলো ছিঁড়ছে একদল লোক। কেউ মৃত হরিণের পাঁজর থেকে মাংস খুবলে নেওয়া হায়নার মতো টেনে ছিঁড়ছে ওর পোশাক…।

    সায়নকে খানিক দূরে পিছমোড়া করে বাঁধা হয় অন্য একটা গাছের সঙ্গে। ওকে দেখতে পেয়ে কাছে এসে ওর গাল টিপে ধরে প্রভাকর, তারপরে হিসহিসে গলায় বলে, ‘আগে ওই ডাইনিটাকে শেষ করি, তারপর তার পোষা বিড়ালের কী ব্যবস্থা করা যায় দেখছি…’

    সায়নের শরীরটা অবশ হয়ে আসছে। ও নিজের যন্ত্রণা ভুলে যায়। অবরুদ্ধ কান্না বেরিয়ে আসে ওর গলা দিয়ে। গঙ্গাকে মেরে ফেলবে ওরা…।

    ও যেখানটায় দাঁড়িয়ে আছে সে জায়গাটা অপেক্ষাকৃত ফাঁকা। ওকে নিয়ে লোকগুলোর ততটা আগ্রহ নেই। ওরা আপাতত গঙ্গাকে মারধর করতেই ব্যস্ত।

    ‘পুড়িয়ে দে…পুড়িয়ে দে শালিকে…’ বিবস্ত্র গঙ্গার দিকে তাকিয়ে চিৎকার করে ওঠে কেউ।

    প্রভাকর হাত তুলে তাকে বাধা দেয়, ‘দাঁড়া, ও পরে হবে। আগে যে হাত দিয়ে আমাদের বাচ্চাগুলোকে তুলে নিয়ে গেছে, সেগুলোর ব্যবস্থা করি…’

    পকেট থেকে একটা গজাল বের করে প্রভাকর। তারপর ধীরে ধীরে এগিয়ে যায় গঙ্গার রক্তাক্ত শরীরটার কাছে। কিছুক্ষণ একটানা তাকিয়ে থাকে গঙ্গার দিকে। তারপর আচমকাই ওর কব্জির কাছে সজোরে সমূলে বসিয়ে দেয় গজালটা। আকাশ ফাটিয়ে আর্তনাদ করে ওঠে গঙ্গা, প্রতিধ্বনিত হতে থাকে সেই আওয়াজ। যন্ত্রণার চিৎকারের সঙ্গে মিশে যায় কান্না। সেটার রেশ কাটতে না কাটতে আর একহাতে গজাল ঢুকে যায় তার।

    পকেট থেকে অন্য একটা যন্ত্র বার করে প্রভাকর, ‘যে মুখ দিয়ে আমাদের বাচ্চাগুলোকে খেয়েছে সেখানে…’

    একটা পেরেক তোলার সাঁড়াশি দিয়ে একটা একটা করে গঙ্গার দাঁতগুলো তুলতে থাকে সে। উন্মাদ চিৎকার আর ভেসে আসা কৌতুক হাসাহাসিতে ভরে ওঠে জায়গাটা।

    জগন্নাথ এগিয়ে যায় এবার। বউটার কথা মনে পড়ছে এখন ওর। খুব ভালোবাসত বউকে। কাজ থেকে ফিরে একদিন দেখেছিল সামনের গাছ থেকে ঝুলতে। বউয়ের ছিবড়ে হয়ে যাওয়া শরীরটাও ভারি উপাদেয় মনে হয়েছিল তখন। গজালটা প্রভাকরের হাত থেকে নিয়ে গঙ্গার পেটের কাছে ধরে জগন্নাথ। হাসি খেলে যায় মুখে। বিড়বিড় করে বলে, ‘আমার বউয়ের শরীলটাও তোর মতো ছিল। দেখ কেমন মজা দি…’ গজালটা ঢোকাতে গিয়ে ওর নিজেরই মুখ থেকে চাপা শব্দ বেরিয়ে আসে। রক্তে ভরে যায় ওর হাত।

    সায়নের সারা শরীর ঝিমঝিম করছিল। মনে হচ্ছিল এক্ষুনি অজ্ঞান হয়ে পড়ে যাবে। মনে হল গঙ্গার আগে লোকগুলো যদি ওকে মেরে ফেলত তাহলে এই দৃশ্য ওকে চোখের সামনে দেখতে হত না।

    হঠাৎ এত চিৎকারের মধ্যেও সামনে একটা আলতো শব্দ শুনতে পায় সায়ন। ওর সামনে এসে দাঁড়িয়েছে কেউ। ওর চোখ খুলে যায়। আবার খেয়াল করে শুনতে পায়, ‘ছোটদাদা, ও ছোটদাদা…’

    এই গলার আওয়াজটা ও চেনে। কুসুম! সায়ন সামনে চোখ ফিরিয়ে দেখে ওর ঠিক সামনে এসে দাঁড়িয়েছে কুসুম। ও কী করে এল এখানে? কুসুমের হাতে একটা ছোট পেয়ারা কাটার ছুরি। ওকে মুখে আঙুল রেখে চুপ করতে বলে ওর পেছন দিকে সরে আসে কুসুম।

    ‘তুমি ভয় পেয়ো না। আমি তোমার দড়ি কেটে দিচ্ছি। তুমি পালিয়ে যাবে কিন্তু…’

    ‘কিন্তু কুসুম, গঙ্গা…গঙ্গাকে ওরা…’

    পেছন থেকে কুসুম বিমর্ষ গলার বলে, ‘গঙ্গাদিদিকে বাঁচাতে পারব না ছোটদাদা…তুমিও পারবে না…’

    সজল চোখে গঙ্গার দিকে তাকিয়ে থাকে মেয়েটা। একটা একটা করে উপড়ানো হচ্ছে তার দাঁত, শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ। অথচ মরতে দেওয়া হচ্ছে না কিছুতেই। ওর চিৎকারের বদলে তীব্র হাসির শব্দ ছুড়ে দিচ্ছে জনতা। সেই শব্দ কানে নিয়েই দড়ি কেটে সায়নের হাতের বাঁধনটা খুলে ফেলে কুসুম।

    ছাড়া পেয়েই একছুটে সেদিকে এগিয়ে যাচ্ছিল সায়ন। তার আগেই ওর হাত ধরে কুসুম, ‘তুমি যেও না! গঙ্গাদিদিকে তুমি বাঁচাতে পারবে না। তুমি যেও না। পালিয়ে যাও!’

    শেষের কথাগুলো প্রায় চিৎকার করে বলে কুসুম। ওর চোখে জল। সেটা মুছে নিয়েই একছুটে লোকগুলোর মাঝে মিলিয়ে যায় কুসুম। আর দেখা যায় না তাকে।

    সায়ন তাও দৌড়াতে যাচ্ছিল ওদিকে। ওর হাতে একটা হাতের স্পর্শ লাগে। সেই হাত ওকে একটা হ্যাঁচকা টানে টেনে নিয়ে আসে জঙ্গলের মধ্যে।

    মৌলি!

    ‘তুই! ওরা গঙ্গাকে…’ সায়ন পকেট থেকে ফোন বের করে ইন্সপেক্টর গাঙ্গুলীর নাম্বারটা ডায়াল করে। ওপাশ থেকে তার উদ্বিগ্ন কণ্ঠস্বর শোনা যায়, ‘মিস্টার মজুমদার, আপনি কোথায়?’

    ‘মাঠে, আপনারা তাড়াতাড়ি এখানে চলে আসুন, প্লিস যত তাড়াতাড়ি সম্ভব…’

    ‘কেন কী হচ্ছে ওখানে?’

    ‘গ্রামের লোকেরা গঙ্গাকে ধরে ফেলেছে। ওরা ওকে এক্ষুনি পুড়িয়ে মেরে ফেলবে…’

    গাঙ্গুলীর নিরুত্তাপ গলা শোনা যায়, ‘সেই জন্যই বলছি আপনি এইসব ফালতু লাফড়ার মধ্যে থাকবেন না। এখানে চলে আসুন, আমি আপনার বাড়িতেই আছি…’

    ‘আপনি কি পাগল?’ সায়ন গর্জে ওঠে, ‘গঙ্গা যে কোনও ক্রাইমের সঙ্গে যুক্ত নয় সেটা আপনিও জানেন। তাছাড়া আমার কাছে প্রমাণ আছে গঙ্গার ফ্যামিলি হিস্ট্রিতে ডাইনি বলে কেউ ছিল না। আপনার কাছে ফোর্স আছে, অস্ত্র আছে…’

    ‘তাতে আমার কিছু যায় আসে না মিস্টার মজুমদার…’ ইন্সপেক্টর গাঙ্গুলীর গলায় একটা অদ্ভুত উদাসীনতা খেলে যায়, ‘কিন্তু গঙ্গা ক্রাইম করুক আর না করুক, ওকে বাঁচিয়ে রাখলে আমার চাকরিটা যে আপনার জেঠু খাবেন…’

    সায়ন কথা বলতে পারে না। কান বেয়ে যেন আগুন ঝরে পড়তে থাকে ওর। ওপাশ থেকে আবার শোনা যায়, ‘সব থেকে বড় ফোর্স আর অস্ত্র কার কাছে আছে জানেন? সর্বশক্তিমান ভগবানের কাছে। তিনি যখন নেমে এসে কিছু করছেন না, আমি তো তার অনুগত দাস…’

    ‘খানকির ছেলে!’ সায়নের মুখ থেকে এক দলা থুতুর সঙ্গে খিস্তিটা বেরিয়ে আসে। সেটা গাঙ্গুলীর উদ্দেশে, নাকি সেই সর্বশক্তিমানের উদ্দেশে বোঝা যায় না।

    ‘আরে, রাগ করবেন না, তার চেয়ে কাল সকালে ওর পোড়া দেহটা নিয়ে আপনি বরং গ্রাম্য কুসংস্কারের বিরুদ্ধে মোমবাতি মিছিল করবেন। এখন চলে আসুন ওখান থেকে…’

    হাতের ফোনটা সজোরে গাছের উপর ছুড়ে মারে সায়ন। একটা হলদে আলো জ্বলে উঠেছে মাঠের দিকে। সমস্ত জায়গাটা ভরে গেছে কেরোসিনের গন্ধে।

    মৌলি এসে দাঁড়িয়েছে ওর পেছনে। সায়ন ক্ষিপ্র গতিতে এগিয়ে যায় ওর দিকে, ‘মৌলি গঙ্গাকে…ওরা গঙ্গাকে মেরে ফেলবে!’

    ‘আমি জানি…আমাদের কিছু করার নেই…’

    সায়ন বিশ্বাস করতে পারে না কথাটা, ‘গঙ্গা তোর মা মৌলি!’

    মৌলি সজল চোখ তুলে তাকায় ওর দিকে। ওর গালে একটা হাত রাখে। দুদিকে মাথা নাড়ায়, ‘না, গঙ্গা আমার মা নয় সায়নবাবু…’

    ‘তাহলে?’

    মৌলির মুখে একটা করুণ হাসি ফোটে। দূরে জ্বলন্ত মানুষটার দিকে তাকিয়ে বলে, ‘গঙ্গা আপনার মা সায়নবাবু। আপনার বায়োলজিক্যাল মাদার…’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকলব্য – হরিশংকর জলদাস
    Next Article মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    Related Articles

    সায়ক আমান

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Our Picks

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }