Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    সায়ক আমান এক পাতা গল্প265 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুয়াশার ফুল – ৮

    অষ্টম অধ্যায়

    খুটখুট একটানা হয়ে চলেছে আওয়াজটা। কোনও বিরাম নেই, বিশ্রাম নেই, যেন একটা ঘড়ির কাঁটা এগোতে চেয়েও এগোতে না পেরে কেবল এগোনোর ইচ্ছা প্রকাশ করে চলেছে। কোনও একটা অদৃশ্য টান তাকে নিজের নিয়মে চলতে দিচ্ছে না।

    ঘুম ভেঙে বিছানার উপর উঠে বসে সায়ন। রাত বেশ গভীর হয়েছে। কিন্তু তাও ওর নার্ভগুলো সজাগ হয়ে উঠছে। কেবলই মনে হচ্ছে কেউ একটা ডেকে চলেছে ওকে। এই ঘরের কোথাও থেকে। আয়নার দিক থেকে, না হয় জানলার দিক থেকে।

    ওর ঘরের ভেতর শীতলতা স্বাভাবিকের থেকে একটু বেড়ে উঠে। হঠাৎ একটা অদ্ভুত ব্যাপার খেয়াল করল সায়ন। ঘরে সবুজ রঙের নাইট ল্যাম্প জ্বলছিল। আপাতত তার রং বদলে নীল হয়ে গেছে। তাহলে কি মাঝরাতে নিজে থেকেই বদলে গেছে আলোটা?

    একটু অবাক হল সায়ন। নাইট ল্যাম্পের দিকে চোখ যেতেই চমকে উঠল! ল্যাম্পটার রং বদলায়নি, বরং সেটা নিভে গেছে। ঘরে যে নীল আলোটা ভরে আছে সেটা কোথা থেকে আসছে তা বুঝতে পারছে না।

    হঠাৎই সেই নীল আলোর মধ্যে ও খেয়াল করে বিছানার ঠিক ওর পায়ের নিচে কেউ একটা বসে আছে। একটা নারীমূর্তি! মাথা নিচু করে দুটো হাঁটুর মধ্যে মুখ রেখে ঠিক যেন একটা মৃতদেহকে কেউ বসিয়ে রেখে গেছে। মাথা থেকে নেমে আসা অবিন্যস্ত চুল ওর পা দুটোকে ঢেকে রেখেছে।

    সায়ন হঠাৎ খেয়াল করল চাপা একটা কান্নার আওয়াজ আসছে। যেন নারীমূর্তিটা খুব নরম স্বরে কাঁদছে।

    ‘কে? কে আপনি?’ কাঁপা গলায় চিৎকার করে ওঠে সায়ন। নারীমূর্তির ফোঁপানো থামে না। কান্নার সঙ্গে কয়েকটা ছেঁড়া ছেঁড়া শব্দ বেরিয়ে আসে, ‘আমি ডাইনি নই! আমি ডাইনি নই…চুল সরিয়ে দেখো…আমি ডাইনি নই!’

    সায়ন জানে এই মুহূর্তে বিছানা থেকে উঠে তার কাছে গিয়ে চুল সরানো উচিত হবে না। কিন্তু কোন এক অদৃশ্য বল যেন বিছানা থেকে টেনে তোলে ওকে। ওর মনে হয় ওর হাতদুটো নিজের নিয়ন্ত্রণে নেই।

    এক-পা এক-পা করে সেই ক্রন্দনরত নারী মূর্তির সামনে গিয়ে দাঁড়ায় সায়ন। হাতদুটো বাড়িয়ে দেয় ওর চুলের ফাঁকে। খেয়াল করে মেঝের উপর যেখানে মেয়েটার চোখের জল এসে জড়ো হওয়ার কথা সেখানে দলাদলা রক্ত পড়ে আছে। ও হাত দিয়ে মেয়েটার চুল স্পর্শ করে, আর সঙ্গে সঙ্গে একটু আগের সেই খুটখুট আওয়াজটা আগের থেকে আরও বেড়ে ওঠে…

    ও মুখ ফিরে তাকায় দরজার দিকে। দরজায় টোকা দিয়ে কেউ ডাকছে। নারীমূর্তির দিকে ফিরে তাকিয়ে অবাক হয়ে যায় ও। সেখানে কেউ নেই। জায়গাটা ফাঁকা, নীল আলোর তীব্রতা বেড়ে ওঠে। ও এগিয়ে গিয়ে ছিটকিনিটা খুলে দরজাটা খুলে দেয়।

     দিলুবাবু দাঁড়িয়ে আছেন বাইরে। ওকে দেখে একটা চওড়া হাসি খেলে যায় তার মুখে, ‘এখনও ঘুমাওনি? কী ব্যাপার বলো তো?’

    ‘না আসলে আপনার ঘরের আলোটা হঠাৎ বদলে গেছে তাই…’

    ঘাড় চুলকালেন দিলুবাবু, ‘ওরকম করে মাঝে মাঝে। তুমি ভয় পেয়ো না।’

    ‘ভয় পাচ্ছি সেটা আপনাকে কে বলল?’

    ‘না, এই চারদিকে যা চলছে…যে কেউ যখন তখন খুন হয়ে যাচ্ছে…তা মুখটা দেখতে পেলে?’

    ‘কোন মুখ বলুন তো?’

    ‘ওই যে, চুল সরিয়ে যেটা দেখতে যাচ্ছিলে?’

    সায়নের মাথা থেকে পা পর্যন্ত একটা শিহরন খেলে যায়। দিলুবাবু কী করে জানতে পারলেন যে ও চুলটা সরাতে যাচ্ছিল?

    ‘আপনি কী করে…’

    ‘আরে! তুমি ভয় পাচ্ছ কেন?’ দিলুবাবু হাসতে হাসতেই খাটের দিকে এগিয়ে যান, ‘বললাম না, ভয় পেয়ো না…ওসব ডাইনি ফাইনি সব গুজব, বুঝলে? আসলে…’

    সায়ন কিছু বলতে যাচ্ছিল। তার আগেই আবার দরজায় খটখট শব্দ হয়। আবার কে এল? ও গিয়ে দরজাটা খুলে অবাক হয়ে যায়। দিলুবাবু দাঁড়িয়ে আছে। মুখে একগাল হাসি। পাথরের স্থির মূর্তি যেন।

    ‘কে এল ভাই সায়ন?’ বিছানার দিক থেকে এসেছে প্রশ্নটা। উত্তর দিতে গিয়েও থমকে যায় সায়ন। যে প্রশ্নটা এসেছে সেটা একটা মেয়েলি গলায়।

    ‘মুখটা দেখতে পেলে?’ আবার সেই মেয়েলি গলায় প্রশ্ন, ‘এদিকে ঘুরে দেখো তো এরকম মুখ কিনা…’

    খুব ধীরে ধীরে পেছন ফেরে সায়ন। এখন বিছানার উপরে আর দিলুবাবু বসে নেই। তার চেহারাটা পাল্টে গেছে একটা নারীমূর্তিতে। সে দুহাত দিয়ে পেট আড়াল করে বসে আছে। সমস্ত মুখ রক্তে লাল হয়ে আছে। তাও যেন সেই নারীমূর্তির মুখে হাসি লেগে রয়েছে।

    নীলচে আলোটা এইবার অসহ্য লাগতে শুরু করেছে। নারীমূর্তির দুটো হাত পেট ছেড়ে উঠে আসে উপরের দিকে। যেন ওকে কাছে আসতে আহ্বান জানাচ্ছে সে। সায়ন অবাক হয়ে দেখে তার পেটটা ফাঁক হয়ে আছে। রক্ত আর নাড়িভুঁড়িতে ভরে আছে সেই ফাঁকটা। সেখান থেকে কিলবিল করে বেরিয়ে আসছে কী যেন একটা। সেই ফাঁক থেকেই আসছে নীলচে আলোটা। এবার মহিলার হাসিতে শব্দ এসে মেশে…সায়ন হাতদুটোর আরও কাছে এগিয়ে আসে…

    আর সঙ্গে সঙ্গে সায়নের ঘুম ভেঙে যায়। কী বীভৎস দুঃস্বপ্ন! ও মুখ তুলে জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখে এতক্ষণে ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে। ঘড়ির দিকে তাকায়, সাড়ে চারটে বাজে। মাথাটা ভার হয়ে আসে ওর। সমস্ত শরীর ঘামে ভিজে গেছে। মুখের উপর একবার হাত বুলিয়ে বিছানা ছেড়ে উঠে পড়ে। মনটা ভার হয়ে থাকে।

    স্বপ্নের সেই অদ্ভুত নারীমূর্তির বলা কয়েকটা ইতস্তত ছেঁড়া ছেঁড়া শব্দ এখনও ওর কানে ভাসছে। শব্দগুলো ঠিক কী তা ওর মনে নেই। কেবল এইটুকু মনে আছে সেগুলো ভীষণ চেনা।

    টুকটুক করে আওয়াজ হয় দরজায়। সেটা খুলে সায়ন দেখে কুসুম দাঁড়িয়ে আছে দরজায়। ওর হাতে একটা আপেল। সেটা কামড়াতে কামড়াতে ঘরের ভিতর ঢুকে আসে সে। আপেল গালে অস্পষ্ট উচ্চারণে বলে, ‘গুড মন্নিং…’

    ‘তুই এত ভোরে উঠিস?’ সায়ন বিস্ময় প্রকাশ করে।

    ‘উঠি না। আজ উঠেছি।’

    ‘কেন?’

    ‘আজ বাড়িতে আপেল আছে। কেউ ওঠার আগে খেয়ে নেব।’

    সায়ন এই ক’দিনে বুঝেছে মেয়েটা ভীষণ রকমের পেটুক। তবে মনটা ভারি সরল। ওকে দেখলে নিজের মনের ভিতরটাও যেন পরিষ্কার হয়ে যায়। এ বাড়িতে অন্য কোথাও বসে খেতে গেলে অন্য কারও দেখে নেওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাই ও সায়নের ঘরে বসেই যাবতীয় খাওয়াদাওয়া সারে।

    ‘তুমি আপেল খাবে?’ খাওয়া আপেলের একটা দিক ওর দিকে বাড়িয়ে দেয় কুসুম। সায়ন মাথা নাড়ে। তারপর কী যেন ভেবে বলে, ‘হ্যাঁ রে, তুই গঙ্গার মেয়ে মৌলিকে চিনিস?’

    ‘চিনব না কেন? আমি সবাইকে চিনি।’

    ‘বাবা! তা কী করে চিনলি?’

    ‘আমি যাই তো মাঝে মাঝে ওর কাছে। আমাকে খুব ভালোবাসে। মুড়কি খেতে দেয়।’

    ‘খেতে দেয়! তুই ওদের বাড়ি যাস নাকি?’

    ‘কেন যাব না? আমি সবার বাড়ি যাই।’

    ‘গঙ্গাকে দেখেছিস?’

    ‘না, গঙ্গা কারো সঙ্গে দেখা করে না। মৌলিদিদি বাইরের টেবিলে বসায় আমাকে। তারপর আমি খাই আর দিদি রুগি দেখে। আমাকে মাঝে মাঝে অনেক কিছু শেখায়।’

    ‘কী শেখায়?’

    কুসুম আপেলটা তুলে ধরে। তারপর বলে, ‘মৌলিদিদি বলে এই আপেলের বীজে বিষ থাকে। এই বীজ থেকে বিষ তৈরি করতে হয়। তবে একটা আপেলে হয় না গো, অনেক আপেল লাগে। সেই আপেলের বীজ অনেকগুলো একসঙ্গে নিয়ে…তারপর…’

    ‘মৌলি তোকে বিষ তৈরি করতে শিখিয়েছে? কেন?’ সায়নের কান গরম হয়ে ওঠে।

    ‘তা তো জানি না। মৌলিদিদি বলে সব মানুষের মধ্যে বিষ থাকে। শুধু সময়মতো সেই বিষ উগরে দিতে হয়। কোথায়, কখন বিষ উগরাতে হবে সেটা নাকি নিজে থেকেই শিখে যাব…’ কথাগুলো বলে একটু থমকে কী যেন দেখে কুসুম, তারপর বলে, ‘মৌলিদিদি না, মাঝে মাঝে কেমন যেন হয়ে যায়, জানো?’

    ‘কেমন?’

    ‘পাল্টে যায়। তখন কারও সঙ্গে কথা বলে না। আমি বেশি কথা বললে রেগে যায় খুব। আমি তখন পালিয়ে আসি।’

    একটা আপেল ছেড়ে আর একটা আপেল ধরেছে কুসুম। সায়ন ওর মাথার চুল এলোমেলো করে দেয়। তারপর উঠে বাইরে যাওয়ার জামাকাপড় পরতে পরতে বলে, ‘তোর ক্রিম বিস্কুট আছে আমার ব্যাগে। তবে বেশি খেলে কিন্তু দাঁত পড়ে যাবে। তখন আর কামড়ে আপেল খেতে পারবি না।’

    ওকে জামাকাপড় পরতে দেখে কুসুম জিগ্যেস করে, ‘তুমি কোথায় যাচ্ছ এত সকালে?’

    সায়ন কাঁধ ঝাঁকায়, ‘দেখি আশেপাশে সুন্দর দেখতে কিছু খাবার পাওয়া যায় কিনা। তোর জন্য নিয়ে আসব।’

    ‘জেঠু জিগ্যেস করলে কী বলব তাহলে?’

    এবার সায়ন হেসে ফেলে। খাওয়ার ব্যাপারে মা আর জেঠুর কাছে নিশ্চয়ই ভীষণ বকাঝকা খায় মেয়েটা। হাত বাড়িয়ে কুসুমের গাল টিপে দেয় ও।

    কিছুক্ষণ পর আলনা থেকে জ্যাকেটটা নিয়ে সায়ন বাড়ির বাইরে বেরিয়ে পড়ে। বাইরে বেরতে কুসুমের অনুপস্থিতিটা টের পায়। মেয়েটা নেই বলে আবার একটা অদ্ভুত অনুভূতি চেপে ধরেছে ওকে। যে ক’দিন এখানে এসে আছে ও তার মধ্যে রোজই মনে হয়েছে রাতে বাইরে থেকে কেউ লক্ষ করে ওকে। কিন্তু ভালো করে বাইরে তাকিয়েও কাউকে দেখতে পায় না। কেবল চামড়ার উপর একটা তীক্ষ্ণ দৃষ্টির স্পর্শ—ওর অবচেতন মন ওকে সজাগ করেছে। এও কি এক ধরনের মানসিক খেয়াল? কিন্তু কাল রাতের ওই বিচিত্র ব্যাপারটা? ও নিশ্চিত, ওর ঘরে কিছু একটা ঢুকেছিল কাল। ও জেগে ওঠার ঠিক আগে সংকেত পেয়ে দ্রুত বাইরে বেরিয়ে হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে।

    কথাটা ভাবতে ভাবতেই নিচে নেমে আসে সায়ন। তারপর খোলা দরজা দিয়ে বেরিয়ে রাস্তায় নেমে পড়ে।

    রাস্তাঘাট এখনও ফাঁকা। আর একটু পর থেকেই লোকজন দেখা যাবে রাস্তায়। জ্যাকেটটা ভালো করে শরীরে জড়িয়ে নেয় সায়ন। তারপর হাঁটতে শুরু করে জঙ্গলের পাশে সেই ঝোপঝাড়ওয়ালা জায়গাটার উদ্দেশে। ওখানেই শিকড় তুলতে আসে মৌলি। কী যেন একটা বলবে বলেছিল ওকে। অন্যদিনের উৎসাহের সঙ্গে আজ একটা বাড়তি কৌতূহল যোগ হয়েছে। দ্রুত পা চালায় সায়ন।

    জঙ্গলের লাগোয়া জায়গাটায় পৌঁছে মৌলিকে দেখতে পায় না সায়ন। কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকে। এদিক-ওদিক তাকায়, অপেক্ষা করে। মেয়েটার আগের দিন বলা কথাগুলো মনে পড়ে যায়। যতক্ষণ না সূর্য ওঠে অপেক্ষা করতে হয়। কিন্তু সূর্য তো উঠে গেছে, ক্রমশ বেলা বাড়তে শুরু করেছে। এত দেরি করছে কেন ও?

    সায়নের মনটা খচখচ করতে থাকে। বেশ কিছুক্ষণ সেখানে দাঁড়িয়ে থেকে ঠিক করে একবার বাসুদেবের মাঠে গিয়ে দেখবে সেখানে গিয়ে বসে আছে কিনা। যেরকম মাথা খারাপ মেয়েটার, ওকে না জানিয়ে ওখানে চলে যাওয়াটাও বিচিত্র নয়।

    তাড়াতাড়ি পা চালিয়ে সেখানে গিয়েও ওকে দেখতে পায় না সায়ন। মাঠের মাঝে মৌলির বিরাট রকেটটা আগের মতোই পড়ে আছে। আড়াআড়ি গ্রিলগুলোর উপর সূর্যের আলো পড়ছে ধীরে ধীরে। একটা কুচকুচে কালো কাক বসে তার উপরে।

    এবার গিয়ে সেই ভাঙা লরিটার দরজা খুলে উঁকি মারে সায়ন। না। এখানেও নেই সে। গেল কোথায়?

    সায়ন ঠিক করে মৌলির বাড়ি গিয়েই একবার খবর নিয়ে আসবে। বাড়িতে তো যেতেই বলেছিল। মনঃস্থির করে নিয়ে গঙ্গাদের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেয় সে।

    বাড়িটাকে দূর থেকে দেখতে পেয়ে থমকে যায় সায়ন। সত্যিই হানাবাড়ি বটে। বাড়ির দোতলা খানিকটা ছড়ানো। সমস্ত বাড়িটার মধ্যে কেমন একটা কালচে ভাব। যেন সূর্যের আলো কৃপণ হাতে প্রবেশ করে ভেতরে। দোতলার অনেকটা অংশ ভাঙা। বাকি যেদিকটা আস্ত আছে সে দিকেও বোধহয় লোকজনের যাতায়াত নেই। সেই দিকের একটা বারান্দা ভাঙা শূন্যে ঝুলে রয়েছে। ভাঙা বারান্দা দিয়ে একটা টেবিল দেখা যাচ্ছে। বোঝা যায় সেটাও বহু যুগ আগেকার।

    একতলার বাইরে একটা সরু পাঁচিল। তার গায়ে লাগোয়া একটা বড়সড় দরজা। তার উপরে কিছু লতানে গাছপালা লাগানো। তাছাড়াও দোতলা বাড়ির গোটাটা জুড়েই নানান রকম গুল্ম আর ঝুলন্ত লতাপাতার সার। রাতের অন্ধকারে এ বাড়িখানাকে দেখলে গা ছমছম করা আশ্চর্যের নয়!

    গঙ্গার বাড়ির সামনে সকাল থেকে ভিড় জমে যাওটা স্বাভাবিক। আশেপাশে তিন চারটে গ্রাম থেকে মানুষজন আসে চিকিৎসার আশায়। বাড়ির দিকে এগিয়ে যেতে একটু অবাক হয় সায়ন। আজ ভিড় থাকলেও, লাইন নেই। গ্রাম্য লোকজন ইতস্তত ছড়িয়ে ছিটিয়ে নিজেদের মধ্যে কী যেন গুনগুন করছে।

    ও আরও কিছুটা এগিয়ে যেতে দেখে বাড়ির বাইরে পাঁচিলের দরজাটা বন্ধ। বিশাল একটা জং ধরা তালা ঝুলছে সেই দরজায়। তার সামনে থেকে থেকে দু-একটা লোক মাঝেমধ্যে উঁকিঝুঁকি মেরে ফিরে আসছে। তারপর নিজেদের মধ্যে কানাকানি করছে। কেউ কেউ দূর থেকে মুমূর্ষু রোগী নিয়ে এসেছে। তাদের অনেকে ব্যথায় ককিয়ে উঠছে থেকে থেকে। সম্ভবত চিকিৎসা এখনও শুরু হয়নি। জায়গাটা জুড়ে এক অসুস্থ পরিবেশ।

    সায়ন আরও কিছুটা এগিয়ে গিয়ে সবে মাত্র পাঁচিলের দরজা দিয়ে উঁকি মেরে আসা একটা লোককে জিগ্যেস করে, ‘দাদা, আজকে এখানে লাইন পড়েনি কেন?

    লোকটার মুখ ব্যাজার হয়েছিল, তেমন বিরক্তি প্রকাশ করেই তিনি বলেন, ‘পড়বে কী করে? ভেতরে কেউ আছে নাকি?’

    ‘কেউ নেই মানে?’

    ‘দেখতে তো পাচ্ছেন, পাঁচিলের দরজাটা বাইরে থেকে বন্ধ! বাড়িতে জনমানুষ নেই মশাই…দুজনেই পালিয়েছে…’

    ‘পালিয়েছে! সে কী, কখন?’

    ‘সে আমি কী জানি? আজ সকালে সবাই এসে দেখছে এই অবস্থা। বলুন দেখিনি, তিনমাইল হেঁটে ভোরবেলা লোকে লাইন দিয়েছি, আর এরা…’

    সায়ন হতবাক হয়ে যায়। মৌলি না হয় কোনও কারণে বাড়ি ফেরেনি, কিন্তু তার মা তো সচরাচর বাড়ি ছেড়ে নড়ে না। তাহলে? ও নিজেও এগিয়ে যায়। তালার ফাঁক দিয়ে ভিতরে উঁকি মেরে বাইরের উঠোনে একটা ভাঙা টেবিল দেখতে পায়।

    দু-একজন লোককে জিগ্যেস করে আরও কিছু জানার চেষ্টা করছিল, এমন সময় ওর পকেটে মোবাইল ফোনটা বেজে ওঠে। ফোনটা রিসিভ করতে ওপার থেকে দিলুজেঠুর গলা শোনা যায়, ‘তুমি এই কাকভোরে বেরিয়ে গেছ! আমাকে তো একবার বলে যাবে!’

    ‘ভাবলাম আপনি ঘুমাচ্ছেন, তাই আর বিরক্ত করিনি…কুসুমকে তো বলে এলাম!’

    ‘ওর জ্ঞানগম্যি আছে ভেবেছ? না না, এভাবে দুমদাম বেরিয়ে যাবে না। মতিপুর আর আগের মতো নেই। তার উপর আজ ভোর থেকে যা শুনছি…’

    ‘কী শুনছেন?’

    দিলীপ দস্তিদারের গলা একটু খাদে নেমে আসে, ‘তুমি আমার নিজের লোক বলেই বলছি। তবে যা বলছি সেটা আর কাউকে এক্ষুনি বোলো না। লোক জানাজানি হলে দক্ষজজ্ঞ শুরু হয়ে যাবে!’

    ‘আমি আর কাকেই বা বলব? হয়েছেটা কী?’

    ‘কাল রাতে গ্রামের কিছু লোক গঙ্গার মেয়েকে জঙ্গলে ধরে নিয়ে গেছে। রাত থেকে সেখানেই আছে শুনছি। গাছের সঙ্গে বেঁধে পাগলের মতো মারধোর করেছে শুনলাম।’

    সায়নের পায়ের তলার মাটি মুহূর্তে বালিতে পরিণত হয়। চোরাবালিতে ডুবে যেতে থাকে ও। কোনরকম ফোনটা শক্ত করে ধরে বলে, ‘ধরে নিয়ে গেছে মানে? কোথায় ধরে নিয়ে গেছে?’

    ‘জানি না। পুরুতমশাই বললেন মন্দিরের পাশের জঙ্গলে ওদের একটা ডেরা বানিয়েছে। জনা তিরিশেক লোক। আরও নাকি দল বাড়ছে ওদের। সেখানেই বেঁধে রেখেছে। এদিকে পুলিশও কাল রাত থেকে লক্ষ রাখছিল ওর উপর। আমি এদিকে শ্যাম রাখি না কূল রাখি…এরা আমাকে আর শান্তিতে থাকতে দেবে না। বড়সড় একটা কিছু লাগবে এবার!’

    সায়ন প্রায় চিৎকার করে ওঠে, ‘কিন্তু মৌলি কী করেছে?’

    ‘সে আর কে বোঝাবে ওদের? মনে হয় মাকে না পেয়ে মেয়েকে তুলে নিয়ে গেছে। ওরা বলছে মা-বেটি দুজনেই নাকি জড়িত আছে এসবে। যেরকম খেপে আছে তাতে এতক্ষণে আরও বড় কিছু করে বসেছে কিনা কে জানে!’

    সায়নের দিক থেকে উত্তর না পেয়ে আবার বলেন তিনি, ‘যাক গে, তুমি আর এইসবের মধ্যে থেকো না। ফেরার ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে যাও বাপু। আমার এই ঝঞ্ঝাটের মধ্যে তোমাকে এখানে নিয়ে আসাই ভুল হয়েছে…’

    ‘এখনও জঙ্গলের ভিতরেই আছে ওরা?’

    ‘মনে তো হয় তাই। আমি ফোন করছি যাদের চিনি, কাউকে ধরতে পারছি না।’

    ফোনটা কেটে দেয় সায়ন। ওর মাথার ভিতরে উন্মাদ রক্তের স্রোত বইতে শুরু করেছে। হাতের আঙুলগুলো মুঠো হয়ে আসছে। চোয়াল শক্ত হয়ে ওঠে। অর্থাৎ কাল রাত থেকে এই কারণেই ফেরেনি মৌলি। কিন্তু গঙ্গা? সে কোথায় গেল?

    সায়ন আর এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে ওখানে উপস্থিত কয়েকজন লোককে জিগ্যেস করে মন্দিরটা কোথায় জেনে নেয়। তারপর ঊর্ধ্বশ্বাসে দৌড়াতে শুরু করে সেদিক লক্ষ্য করে।

    মিনিট দশেকের মধ্যে মন্দিরের কাছে পৌঁছাতেই কয়েক সেকেন্ড থমকে দাঁড়িয়ে পড়ে সায়ন। মন্দিরের বাইরেটা খাঁ-খাঁ করছে। এ সময় এই চত্বর এতটা ফাঁকা থাকার কথা নয়। ওর মন বলে, কিছু একটা ঘটেছে। এবং যেখানে ঘটেছে সেটা এখানে থেকে খুব বেশি দূরে নয়।

    জঙ্গলের ভেতর একটা গুঞ্জনের আওয়াজ শুনতে পায় সায়ন। খুব স্পষ্ট নয়, অনেক লোক একজায়গায় জড় হলে তাদের ছোটছোট আওয়াজ সম্মিলিত হয়ে যেমন বোল ওঠে, সেইরকম।

    দ্রুত জঙ্গলের ভেতরে ঢুকে আসে সে। আওয়াজটা লক্ষ করে দৌড়াতে থাকে। সারিসারি গাছ ঘন হয়ে ওর দৃষ্টি আটকাতে থাকে। কয়েকটা কাঁটা গাছে লেগে হাতের বেশ কিছু জায়গায় চিরে যায়। কিন্তু ওদিকে ভ্রুক্ষেপ করে না সায়ন। মৌলি কি বেঁচে আছে? এতক্ষণে লোকগুলো…

    ওর চোখ ফেটে কান্না আসতে থাকে। গঙ্গাই বা কোথায়? মৌলিকে বাঁচাতে এসেছিল? কিন্তু এতগুলো লোকের মাঝখানে তাকে বাঁচানোটা…

    হঠাৎ সায়ন থমকে দাঁড়িয়ে পড়ে। জঙ্গল ফুঁড়ে একটা গ্রাম্য লোক বেরিয়ে এসে ওর পথ আগলেছে।

    ‘ও দাদা, কে আপনি? এখন এদিকে কেন?’ লোকটার চোখমুখে উত্তেজনার স্পষ্ট ছাপ।

    সায়ন চোখ তুলে তাকায় তার দিকে। কিছু উত্তর দেওয়ার আগেই পাশ থেকে আরেকটা লোক এগিয়ে আসে, ‘আরে এ তো দিলুবাবুর লোক। নতুন এসেছে, কিন্তু এত সকালে এদিকে এসেছেন কেন আপনি?’

    ‘আপনারা একটা মেয়েকে তুলে এনেছেন এখানে?’ রাগত গনগনে স্বরে বলে সায়ন।

    লোকটার মুখে শিরাগুলো কুঞ্চিত হয়। যেন এ প্রশ্নটা ভয়ঙ্কর বিরক্ত করেছে তাকে। অস্থির লাগতে থাকে।

    ‘এনেছিলাম…’ মাথা দোলায় লোকটা, ‘এখন আর নেই।’

    ‘নেই মানে?’

    লোকটা হাত বাড়িয়ে জঙ্গলের একটা নির্দিষ্ট জায়গা দেখিয়ে দেয়, ‘জিগ্যেস করছেন যখন কলজের জোর থাকলে আপনি নিজেই গিয়ে দেখে আসুন, নেই মানে কী…’

    সময় যেন উন্মাদ হাওয়ার বেগে বইতে থাকে। ওর সামনেটা ছেড়ে দাঁড়ায় লোকটা। সেখান দিয়ে কাঁপা কাঁপা পায়ে দৌড়াতে থাকে সায়ন। বাকি জমাট বেঁধে থাকা দলের লোকজন ওর দিকে একবার সন্দেহের দৃষ্টি হেনে আবার মুখ ঘুরিয়ে নেয়। বোঝা যায় দরকারি কিছু আলোচনা করছে তারা। ওদের মুখে উদ্বেগ আর আশঙ্কার চাপ স্পষ্ট। সায়নের বুক উত্তেজনায় যেন ফেটে যাবে। একটু পরে ঠিক কী দেখতে চলেছে ও নিজেও জানে না। পা’টা ভারী মনে হয়।

    কিছুটা এগিয়ে যেতে একটা জায়গায় এসে থমকে দাঁড়িয়ে পড়ে সায়ন। একটা লম্বা গাছের সঙ্গে একটা দড়ি আলগা করে জড়ানো। যেন টান মেরে কেউ ছিঁড়ে ফেলেছে সেটাকে। বোঝা যায় একটা সময় একটা মানুষ বাঁধা ছিল তাতে।

    মানুষ নেই দেখে আশ্বস্ত হওয়ার সময় পায় না সে। তার আগে অন্য একটা জিনিস চোখে পড়েছে। গাছের ঠিক সামনে দুটো মানুষের দেহ পড়ে আছে। তবে মানুষের শরীর বলে চিনতে ভুল হয় সেগুলো। শরীরের দুটো হাত আর দুটো পা আলাদা আলাদা করে যেন মুচড়ে ছিঁড়ে নিয়েছে কেউ। তারপর পেট চিরে একটা শরীরের নাড়িভুঁড়ির সঙ্গে অন্য শরীরের নাড়িভুঁড়িগুলোকে পেঁচিয়ে দিয়েছে। ওদের শরীরের উপরেই গাছ থেকে দুটো লম্বা দড়ি ঝুলছে। সেই দড়ির ডগায় ঝুলছে ওদের চারটে হাত-পা। বোঝা যায় দড়িদুটোয় একসময় বাঁধা ছিল ওদের দেহ।

    সায়ন বুঝতে পারে ঠিক কী ঘটেছিল। হাত-পা একজায়গায় করে তাতে দড়ি বেঁধে পিছমোড়া করে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল লোকদুটোকে। তারপর অসীম শক্তিতে হ্যাঁচকা টানে ধড়টুকু ছিঁড়ে নামানো হয়েছে মাটিতে। এবং গোটা ব্যাপারটা হয়েছে লোকদুটো জীবিত থাকা অবস্থায়। মৃত্যুর পর প্রবল আক্রোশে তাদের নাড়িভুঁড়ি বের করে জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আপাতত দুটো শরীর একটা সম্মিলিত মাংসপিণ্ড হয়ে পড়ে রয়েছে।

    সায়নের বুকে একটা ধাক্কা লাগে। এমন নৃশংস ও বীভৎস দৃশ্য সে আগে দেখেনি। পিছিয়ে এসে মাটির উপরেই বসে পড়ে সে। দুহাত দিয়ে চোখদুটো ঢেকে ফেলে।

    একটু আগের লোকটা এগিয়ে এসে ওর কাঁধ স্পর্শ করে। নরম গলায় বলে, ‘বলেছিলাম না, কলজের জোর দরকার এসব দেখতে গেলে। উঠে আসুন স্যার, আমরা খারাপ লোক নই।’

    ‘কিন্তু এগুলো কীভাবে…’

    মাটিতে পড়ে থাকা দুটো দেহর দিকে আঙুল দিয়ে দেখায় লোকটা, ‘কাল রাতে ওই দুজনকে পাহারায় রেখে আমরা বাইরে বসেছিলাম। আমাদের সঙ্গে কোনও মেয়ে ছিল না, তাই ভোরবেলা কয়েকজন মিলে গ্রাম থেকে মহিলাদের আনতে গেছিলাম। বাকি সবারই অল্প ঘুম পেয়ে গেছিল। হঠাৎ একটা চিৎকারে গণেশের ঘুম ভেঙে যায়। ও গিয়ে দেখে ওই মেয়েটা নেই। আর বাকিটা তো দেখলেন…’

    সায়ন কথা বলতে পারে না। বিড়বিড় করে অস্ফুট কিছু শব্দ বেরিয়ে আসে ওর মুখ থেকে।

    ‘এবার বিশ্বাস হল আমাদের কথা? সামান্য জড়িবুটি দিয়ে দুটো রোগ সারিয়ে বছরের পর বছর এই গ্রামে…যাই হোক, আমি দিলুবাবুর মুখে শুনেছি আপনার কথা। আমাদেরকে ক’টা সাহায্য করতে পারবেন?’

    ‘কী সাহায্য?’

    ‘ওই মেয়েটার শরীরে কয়েকটা উল্কি পাওয়া গেছে। মোবাইলে সেগুলোর ছবি তুলে রেখেছি আমরা। কিন্তু মানেগুলো জানি না। যদি আপনি কোনওভাবে…’

    সায়ন উঠে পড়ে। তারপর পেছন ফিরে হাঁটতে থাকে, ‘সন্ধেবেলা বাড়িতে আসুন, তখন দেখা যাবে।’

    কথা শেষ না করেই জঙ্গল থেকে বেরিয়ে যায় ও। মাথার ভেতরে এখনও রক্তাক্ত শরীরদুটোর ছবি উজ্জ্বল হয়ে রয়েছে। এ দৃশ্য ও আগে দেখেছে কেবল বইয়ের পাতায়। একটা বিশেষ বইয়ের পাতায়…।

    কিন্তু লোকগুলো কি মিথ্যে কথা বলছে? মৌলিকে ফাঁসানোর জন্য ওরা নিজেরাই নিজেদের লোককে খুন করে। সত্যি কি এত কিছু করতে পারে ওরা?

    ওর মাথা কাজ করে না। চোখদুটো বন্ধ হয়ে আসে…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকলব্য – হরিশংকর জলদাস
    Next Article মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    Related Articles

    সায়ক আমান

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Our Picks

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }