Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    সায়ক আমান এক পাতা গল্প265 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুয়াশার ফুল – ৭

    সপ্তম অধ্যায়

    দূর থেকে আলো দেখতে পেয়ে জঙ্গলের ভেতর ঢুকে এল মধু। এত রাতে জঙ্গলে আলো জ্বেলেছে কে? তার উপর এমন নীলচে মায়াবী আলো! জঙ্গলে এত রাতে আসবেই বা কোন অভাগা?

    মধু এমনি এমনি রাত-বিরাতে রাস্তাঘাটে ঘুরে বেড়াচ্ছিল না। এই গ্রামে তার একটি গোপন প্রেমিকা আছে। প্রেমিকা ঠিক বলা যায় না, বরং মধুই ভালোবাসে মেয়েটিকে। সে ঘুরেও তাকায় না ওর দিকে।

    তার বাড়ির সামনে গিয়ে অকারণেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা লুকিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে মধু। উঁকিঝুঁকি দেয় বাড়ির ভেতরে। কখনও জানলা দিয়ে দেখতে পেয়েও যায়।

    মধুর বয়স প্রায় চল্লিশ পেরিয়েছে। বিয়ে-থা করেনি এখনও। সম্ভবত আর করবেও না। মন খুব খারাপ করলে সে তার প্রেমিকার বাড়ির আশেপাশে ঘুরে বেড়ায়। তাকে একবার দেখতে পেলেই মনটা ভালো হয়ে যায় ওর। ও বুঝতে পারে দিনদিন ওর ভেতরে একটা অদ্ভুত আকর্ষণ জন্মাচ্ছে, খানিকটা পাগলামিও। তবে এই পাগলামিটা ও মনে মনে ভারি উপভোগ করে।

    তবে আজ একটু আগে হঠাৎ মনটা ভেঙে গেছে। এতদিন মধু নিজেই নিজেকে সান্ত্বনা দিত যে ওর প্রেমিকার ওর প্রতি কোনও আগ্রহ যেমন নেই, তেমনি এ দুনিয়ার অন্য কারও দিকে সে ফিরেও তাকায় না। কিন্তু আজ ও দেখেছে তার বাড়িতে অন্য একটা মানুষকে ঢুকতে। চুপি চুপি চোরের মতো ঢুকেছে লোকটা। আধঘণ্টা কি পঁয়তাল্লিশ মিনিট ভেতরে ছিল। ততক্ষণ ভিতরে কী হয়েছে না হয়েছে মধু কিছুই বুঝতে পারেনি। তেমনি সতর্ক বিড়াল পায়ে হেঁটে বেরিয়ে গেছে।

    লোকটা সম্ভবত অনেক দূর থেকে এসেছিল। সঙ্গে আর কেউ ছিল বলে মনে হল না মধুর। তবে সমস্ত ব্যাপারটা দেখে মধু বুঝতে পারে, ওর গোপন প্রেমিকারও এক গোপন প্রেমিক আছে।

    রাগ হচ্ছিল মধুর। মাটির উপর সজোরে কয়েকটা ঘুষি মারতে ইচ্ছা করছিল। কোনওরকমে সামলে নিয়েছে নিজেকে। ইশ! এতদিন এসব জানলে ও বাড়ির আশেপাশে ঘোরাঘুরি একরকম বন্ধই করে দিত। কিন্তু কে লোকটা? আসেই বা কোথা থেকে?

    এইসব কথা ভাবতে ভাবতেই ও বাড়ি ফিরছিল। এমন সময় জঙ্গলের মধ্যে চোখে পড়ল সেই আলোটা। হালকা নীল আভা। যেন জঙ্গলের ভেতর ইলেকট্রিকের কানেকশন করে নীল আলো জ্বেলেছে কেউ। ব্যাপার কী?

    কৌতূহল বেড়ে উঠতে ও আরও কিছুটা এগিয়ে আসে জঙ্গলের ভেতরে। এবং আসতেই শুনতে পায় একটা অদ্ভুত আওয়াজ আসছে সেখান থেকে। খুব মন দিয়ে শুনলে বোঝা যায়, সেটা একটা মন্ত্র উচ্চারণের আওয়াজ।

    মন দিয়ে শোনার চেষ্টা করে মধু। না, এর আগে যত মন্ত্র ও শুনেছে তার কোনওটার সঙ্গেই এই মন্ত্রের কোনও মিল নেই। এমনকী ভাষাটাও আগে কখনও শুনেছে বলে মনে পড়ে না। কেমন যেন বিশ্রী অশুভ একটা সুর মন্ত্রের। অথচ শুনলে স্পষ্ট মনে হয়, মন্ত্র পড়ে কিছু পুজো হচ্ছে যেন!

    এবার একটু ভয় ভয় লাগে মধুর। ও কয়েকবার কানাঘুষো শুনেছে এই গ্রামে নাকি ডাইনির দৃষ্টি আছে। সেই কি তাহলে জঙ্গলে এসে পুজো-আচ্ছা করছে?

    বুক দুরু দুরু করে ওঠে ওর। পায়ে পায়ে আরও একটু এগিয়ে আসে। আসতেই একটা অদ্ভুত জিনিস চোখে পড়ে। জঙ্গলের মধ্যে কয়েকটা গাছে ঘেরা একটা ছোট্ট ফাঁকা জায়গা। সেখানে ওর দিকে পেছন ফিরে হাঁটু মুড়ে বসে আছে একটা মেয়ে। তার বয়স অল্প তবে গোটা পিঠ জুড়ে মা কালীর মতো ঝালর চুলের ঢল নেমেছে। আর সেই চুলের পাশ দিয়ে ওর শরীর থেকে বেরোচ্ছে নীলচে আলোটা! সেই আলোই জঙ্গলের এই প্রান্তটা ভরে রেখেছে। মানুষের শরীর থেকে কি এরকম আলো বের হতে পারে? মধু বুঝতে পারে ওর সামনেই অলৌকিক কিছু একটা ঘটছে!

    মন্ত্রের তীব্রতা বেড়ে ওঠে। স্পষ্ট দৃঢ় গলায় মেয়েটা মন্ত্র উচ্চারণ করে চলেছে। এবার নীল আলোটা আরও বাড়ল! মেয়েটার সামনে ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছে একটা নীলচে রঙের সরু বৃত্ত। যেন হাওয়ার উপর অসংখ্য অদৃশ্য টুনি বাল্ব জ্বলছে। ক্রমশ বড় হচ্ছে বৃত্তটা। একটু একটু করে মেয়েটার মন্ত্রচারণের ছন্দে সেটা বেড়ে উঠছে।

    মধুর পা কাঁপতে শুরু করে। ঠোঁটের ফাঁকে অজান্তেই ‘ডাইনি’ শব্দটা বেরিয়ে আসে। মেয়েটা অবশ্য শুনতে পায়নি। সে একমনে মন্ত্র পড়েই চলেছে।

    বৃত্তের অপর দিকটা অন্ধকার। সেখানে ধীরে ধীরে কিছু একটা ফুটে উঠতে শুরু করেছে। একটা কম্পমান মানুষের ছায়া শরীর। সেও বসে আছে মেয়েটার মতোই। অন্ধকারের মধ্যে যেন পেন্সিল দিয়ে মানুষের শরীরের আউটলাইন টানছে কেউ। মধু অনেকক্ষণ সেদিকে নিঃশ্বাস বন্ধ করে তাকিয়ে থাকে। ঠিক যেন একটা নীলচে আয়না মেয়েটার সামনে ঝুলিয়ে দিয়ে গেছে কেউ!

    ক্রমশ সেখানে যা ফুটে ওঠে সেটা দেখে আতঙ্কে স্তব্ধ হয়ে যায় মধু। ওর মনের গভীর থেকে কেউ বলে ওঠে এখানে আর দাঁড়িয়ে থাকা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।

    আর একটা মেয়ে বসে আছে সেই গোল বৃত্তের মাঝে। এবং সেই মেয়েটা…

    দ্রুত পিছিয়ে আসে মধু। তারপর অন্য কোনওদিকে না তাকিয়ে দৌড়াতে থাকে গ্রামের রাস্তার দিকে। ওর বুকের ভেতরটা একটা তীব্র ভয়ের ধাক্কায় বরফ হয়ে গেছে। দৌড়াতে দৌড়াতে একবার পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখে হাঁটু মুড়ে বসে থাকা মেয়েটা একটু একটু করে ঘাড় ঘুরিয়ে ফিরে তাকাচ্ছে ওর দিকে…

    টিমটিম করে জ্বলছে প্রদীপটা। তার আলোয় মন্দিরের ভিতরের ছোট্ট ঘরটা আলোকিত হয়ে আছে। একদিকের দেওয়ালে হেলান দিয়ে বসে আছেন মাধব ভট্টাচার্য। তার ঠিক অন্যদিকে হাঁটুর উপর হাত রেখে বসে গুপি। আজ সন্ধে আরতি শেষ করে মাধব ভট্টাচার্য ঠিক এইভাবেই বসেছেন। তারপর সেখান থেকে এতটুকু নড়েননি তিনি। মাঝেমধ্যে কেঁপে ওঠা প্রদীপের শিখার দিকে তাকাচ্ছেন, তারপর আবার নেমে আসছে তার চোখ। পাশেই খড়্গ হাতে কালীর মূর্তি। মিশকালো রঙ তাঁর।

    গুপির শরীরে অস্বস্তি হয়েই চলেছে। সে কিছুতেই স্থির হয়ে বসতে পারছে না। চোখ বন্ধ করলেই কালকের দৃশ্যটা ভেসে উঠছে চোখের সামনে। অবাস্তব মনে হচ্ছে সমস্ত ঘটনাটা। অমন বীভৎস মৃতদেহ সে আগে কখনও দেখেনি। মনে পড়লেই একটা শিরশিরানি দলা পাকিয়ে উঠছে তার শরীরে।

    ‘তুই ঠিক দেখেছিলি তো গুপি, একটা মেয়েমানুষই ছিল?’

    ‘আমার সঙ্গে মণিও দেখেছে। শুধু তাই নয়, আকাশে কিছু একটা উড়ে যেতেও দেখেছে। হুশ করে এপাশ থেকে ওপাশ চলে গেল। সেটা অবশ্য আমি পুলিশকে বলিনি। আজ সকালে দিলুবাবু বলছিলেন পুলিশ গঙ্গাকে সন্দেহ করছে…’

    উপরে নিচে মাথা নাড়ান মাধব ভট্টাচার্য, ‘সন্দেহ যে আগে আমারও হয়নি তা নয়। কিন্তু মন মানতে চায় না রে গুপি…’

    গুপি অনেকক্ষণ থেকেই একটা প্রশ্ন করতে চাইছিল, এবার সেটা করেই ফেলে, ‘আপনি তো ছোট থেকে দেখছেন, কোনওদিন মনে হয়নি ও ভেতরে ভেতরে এমন কিছু হতে পারে?’

    কপালের উপর একবার হাত চালান মাধব ভট্টাচর্য, ‘ছোট থেকে ঘরমুখো। আমার বাবা তখন এ মন্দিরের পুরোহিত। তখন দেখেছি ওর মা মন্দিরে আসতেন খুব। কয়েকবার ওকেও টেনে এনেছিলেন। ওর মুখ দেখে বুঝতাম এখানে আসতে খুব একটা ভালো লাগত না ওর…ওই বাইরে সিঁড়িতে বসে মাঝে মাঝে উঁকিঝুঁকি দিত ভেতরে।’

    ‘আপনার সঙ্গে কথা হয়নি কখনও?’

    ‘তেমন একটা না। তবে পশুপাখির সঙ্গে ছেলেবেলা থেকেই একটা বন্ধুত্ব ছিল ওর। মনে হত যেন কথা বলছে ওদের সঙ্গে। মন্দিরের চাতালে তখন কয়েকটা ছাগল বাঁধা থাকত। তাদের নিজে হাতে করে খাওয়াত। একবার একটা ছাগলকে খাওয়াতে গেছে আর অমনি ছাগলটা দৌড়ে পালিয়ে গেছে। শেষে আমিই দৌড়ে গিয়ে ধরে নিয়ে আসি ছাগলটাকে। সেদিন খানিক কথা হয়েছিল…’

    স্মৃতিচারণ করতে বসলেন মাধব ভট্টাচার্য, ‘আর এক দিনের কথা খুব মনে পড়ে, জানিস। কোনদিন মনে নেই, তবে সেদিন ছিল অমাবস্যার রাত। বাবার ল্যাজে ল্যাজে ঘুরে বেড়াই। পুজো আচ্চার ধরন-ধারণ শিখি। বাবা কোথাও গেলে আমাকেও নিয়ে যান। একদিন বেশ সন্ধেরাতের দিকেই গঙ্গার মা মন্দিরে এসে হাজির। এ সময় কেউ বড় একটা মন্দিরে আসে না। বাবা নিজেই গোছগাছ করে বাড়ি ফেরার তোড়জোড় করছে। ওর মা বলল ওর শরীরটা নাকি হঠাৎ করে খুব খারাপ হয়েছে। বাবা বলল, শরীর খারাপ হয়েছে তো ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলেই হয়। উনি আর কী করতে পারেন, কিন্তু ওর মা বলল, শরীর খারাপ নাকি এমন যা ডাক্তারে সরাতে পারবে না।

    আমার একটু অবাকই লাগল। এই গ্রামের লোকজন কিছু হলেই আগে গুণিন ওঝার কাছে ছোটে। পুরোহিতের কাছে আসাটা খুব একটা স্বাভাবিক ব্যাপার না। বাবার সঙ্গে আমিও গেলাম গঙ্গার বাড়ি। আমাকে কিন্তু বাবা দরজার কাছেই দাঁড় করিয়ে রাখল। বাইরে থেকে শুনে যেটুকু বুঝতে পারলাম, তাতে মনে হল গঙ্গার রোগ শরীরে নয়। মাথাতে।

    শুনলাম ক’দিন হল তার নাকি জ্বর হয়েছিল। এমন সময় হঠাৎ তেড়েফুঁড়ে উঠে কাকে যেন আক্রমণ করে সে। বাড়ি থেকে বেরিয়ে পথচলতি মানুষকে আঁচড়ে কামড়ে দিতে থাকে। একটা ঘরে বন্ধ করে দেওয়ায় নিজেই নিজের শরীরে আঁচড় কাটতে থাকে। সারা শরীর একেবারে রক্তারক্তি করে ফেলেছে আঁচড়ে কামড়ে। একটা পোষা কুকুর ছিল গঙ্গার। কুচকুচে কালো কুকুর। তার আবার একটা পা ভাঙা ছিল। সেই কুকুরটাকেও নাকি আঁচড়ে কামড়ে শেষ করে ফেলেছে। শেষে বাড়ির লোক যখন বুঝতে পারে যে-কোনও সময় ভয়ংকর কিছু একটা করে বসবে তখন বাবার কাছে এসে উপস্থিত হয়।’

    ‘মাথার রোগই তো মনে হচ্ছে!’

    ‘কিন্তু মাথার রোগ এমন দুম করে হয়? তিনদিনের জ্বরে?’

    ‘তাও বটে, কিন্তু উনি কী করলেন?’

    পুরোহিতমশাই যেন চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছেন ঘটনাটা। মাথার তেল চকচকে টাকে হাত বোলাতে বোলাতে বললেন, ‘কী করলেন তা জানি না, বাবা এই নিয়ে আর কোনওদিন কোনও কথা বলেননি আমাকে। কিন্তু সেদিনের পর থেকেই গঙ্গা কেমন যেন বদলে যায়। আমি পরদিন দেখতে গেছিলাম ওকে। দেখি ততক্ষণে গঙ্গা শান্ত হয়ে গেছে। সে শান্তি যেন শ্মশানের শান্তি। দেখে মনে হল শরীরের উপর দিয়ে একটা ঘূর্ণিঝড় বয়ে গেছে। সেই ঝড়েই ওর অনেকটা খাবলে নিয়ে গেছে। সারা শরীরে নিজের নখের কাটাকুটির দাগ, চুল উসকো-খুসকো, গায়ে হাতে পায়ে এলোমেলো রক্ত লেগে আছে। বিশেষ করে কপালে নখ দিয়ে একেবারে ফালাফালা করে দিয়েছে। আমাকে দেখে জানি না কেন কাঁদতে শুরু করল। খুব…খুব কাঁদল…আমার হাতদুটোকে জাপটে ধরে একেবারে হাউহাউ করে কেঁদে ফেলল…’

    ‘আপনার সঙ্গে তো তেমন পরিচয় ছিল না, তাও কাঁদল?’

    ‘সেটাই আশ্চর্যের। তখন আমার খানিক ভয়ও লেগেছিল। তারপর ধীরে ধীরে ভারি মায়া হল, জানিস? বড্ড অসহায় মেয়েটা। বাপ-মা তেমন ভালোবাসে না, খেয়াল রাখে না। একা একাই ঘুরে বেড়ায়। না জানি, কী মাথার ব্যামো ঢুকেছে ওর ভেতরে। আমি একবার বলেছিলাম মাথার ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে। কিন্তু সে আর হয়ে ওঠেনি। তবে সেই হাউহাউ করে কেঁদে ফেলা মেয়েটা যে ডাইনি হয়ে গেছে তা আমার বিশ্বাস হয় না।’

    কিছু একটা উত্তর দিতে যাচ্ছিল গুপি। ঠিক এমন সময় বাইরে থেকে একটা ফ্যাসফ্যাসে গলা ভেসে আসে। ওরা দুজনেই দরজার দিকে মুখ বাড়ায়। তিনটে ছায়া মূর্তি এসে দাঁড়িয়েছে সেখানে। তাদের মধ্যেই একজন ডাক দিয়েছে।

    পুরোহিতমশাই গলা তুলে বলেন, ‘ভেতরে এসো…’

    ছায়াগুলো কয়েক পা এগিয়ে আসতে ওদের চিনতে পারেন মাধব ভট্টাচার্য। প্রভাকর, হরি আর জগন্নাথ। প্রভাকরকে ভালো করেই চেনেন পুরোহিতমশাই। ক’মাস আগে যে শেষ বাচ্চাটা গ্রাম থেকে উধাও হয়েছে সেটা প্রভাকরের ছিল। একেবারে নাকি চোখের সামনে থেকে তুলে নিয়ে গেছে বাচ্চাটাকে।

    এই মুহূর্তে ঘরের কম্পমান আলোকশিখায় প্রভাকরের মুখ হিংস্র দেখায়। বাকি দুজনকে অবশ্য ভালো করে চেনেন না পুরোহিতমশাই। তবে মনে হয়, আগে বারকয়েক দেখেছেন।

    গুপি লক্ষ করে প্রভাকরের চোখ ধিকিধিকি জ্বলছে। যেন হিংস্র আগুন ঝরছে সেখান থেকে। পুরোহিতমশাই হাত তুলে ইশারা করেন, ‘বসো প্রভাকর।’

    প্রভাকর কথা না বাড়িয়ে বসে পড়ে। ওর পেছনের দুজনও ওর সঙ্গে বসে। অন্যজনকে এবার চিনতে পারেন পুরোহিতমশাই। জগন্নাথ। আজ থেকে বছরদশেক আগে ওর ছেলেকে ডাইনিতে তুলে নিয়ে যায় বলে শোনা যায়। মাসখানেক পরে সেই শোকে ওর বউও জলে ডুবে মরে। এতদিনে জগন্নাথের স্বাস্থ্য আরও ভেঙে পড়েছে। তবে ক্রোধ আর প্রতিহিংসাও বেড়ে উঠেছে তার চেয়েও বেশ কয়েকগুণ।

    কয়েক সেকেন্ড তার দিকে তাকিয়ে মাধব ভট্টাচার্য জিগ্যেস করেন, ‘পুলিশ কী বলল?’

    এদের মধ্যে প্রথাগত শিক্ষা প্রভাকরেরই বেশি। গ্রামের লোক তাকে মান্যিগণ্যি করে, সেই জবাব দিল, ‘কী আর বলবে, ওরা চেষ্টা করছে…এছাড়া আর কী বলার আছে ওদের?’

    ‘পুলিশের কাজকর্মের উপর ধৈর্য হারিও না, প্রভাকর। ওদের কাজ এগোয় ধীরে, কিন্তু ওটাই একমাত্র…’

    ‘দেখুন মাধববাবু, এসব ফলটল আমাদের আর কিছু চাই না। এবার যা করার আমরাই করব। আপনি গ্রামের গুরুজন…তাই আপনার থেকে অনুমতি নিতে এসেছি।’

    ‘করবে মানে? কী করতে চাইছ তোমরা?’

    ‘যা অনেকদিন আগে করা উচিত ছিল।’ জগন্নাথ উত্তর দেয়, ‘এ গ্রামে সবাই জানে ওই বাচ্চা চুরি কার কীর্তি। শুধু কেউ দিনমানে ভয়ে বলতে পারে না। তার মানে এই নয় যে আমরা সব মেয়েছেলে হয়ে বসে থাকব…’ কথাটা বলে জিভে অস্বস্তি হয় জগন্নাথের। ওর সামনেই কালীমূর্তি খড়্গ হাতে দাঁড়িয়ে। ও চুপ করে যায়। বাকিটুকু প্রভাকর বলে, ‘জগন্নাথের বউ স্পষ্ট দেখেছিল গঙ্গাকে। তখন আমরা কেউ বিশ্বাস করিনি। কিন্তু এতগুলো লোক বলছে যখন। তাছাড়া পুলিশ তো আর এমনি এমনি বলেনি গঙ্গার বাড়ি তল্লাশ করবে!’

    ‘বেশ, তো করুক না। তার জন্য তো একটু অপেক্ষা করতে হয়।’

    ‘আপনার মনে হয়—পুলিশ কবে তল্লাশ করবে, তার জন্য ওসব সাক্ষ্য প্রমাণ ওই ডাইনি বাড়িতে সাজিয়ে রেখে দেবে? এত বোকা ভাবেন ওকে?’

    গুপির দিকে একবার চোখ বুলিয়ে নেন পুরোহিতমশাই। সে স্তব্ধ হয়ে প্রভাকরের মুখের দিকে তাকিয়ে আছে।

    ‘গঙ্গা যে সত্যিই ডাইনি তা তোমরা নিশ্চিত হলে কী করে? জগন্নাথের বউ ভুল দেখে থাকতে পারে।’

    ‘ওই ওকে জিগ্যেস করুন না…’ গুপির দিকে আঙুল নির্দেশ করে প্রভাকর, ‘কাল রাতে ও গঙ্গাকে দেখেনি? জানলা ভেঙে বেরিয়ে যেতে?’

    ‘ও কাউকে একটা বেরিয়ে যেতে দেখেছে। সেটা একটা নারী মূর্তি হলেও হতে পারে। গঙ্গাকে দেখেছে এ কথা ও একবারও বলেনি।’

    ‘আপনি তার মানে আমাদের অনুমতি দেবেন না?’

    ‘কীসের অনুমতি চাইছ সেটা আগে জানতে হবে আমাকে।’

    ‘ডাইনিদের সঙ্গে যা করা উচিত…’

    পুরোহিতমশায়ের মুখে ছায়া নামে। মুখ নামিয়ে নেন তিনি। তারপর বলেন, ‘এ গ্রামে এমন অনেক মানুষ আছে যারা গঙ্গাকে ভালোবাসে। এ গ্রামের আদি বাসিন্দাদের মধ্যে ও একজন। এত লোকের উপকার করেছে। কারও কারও প্রাণও বাঁচিয়েছে হয়ত। তাদের কী জবাব দেবে তোমরা?’

    ‘তাদের কারো বাচ্চা খোয়া যায়নি পুরুমশাই! তাদের কারও বাড়িতে বাচ্চা নেই। যাদের খোয়া গেছে তাদের কষ্ট তারা বুঝবে কেন? আমার বউয়ের চোখের সামনে থেকে আমার বাচ্চাকে তুলে নিয়ে গেছে। আমার অতটুকু মেয়েটাকে ভালো করে কাঁদতে পর্যন্ত দেয়নি…’ কথাটা বলতে গিয়ে প্রভাকরের গলা কেঁপে যায়।

    সমীরণ মিত্রের সঙ্গে হরির হৃদ্যতা ছিল। বন্ধু আর বন্ধুর বউয়ের বীভৎস শরীরটা দেখে ক’দিন রাত্রে ঘুমাতে পারেনি ও। এবার ওর ধরা গলা শোনা যায়, ‘আমার ভাইয়ের শরীরে ছত্রিশবার বার ছুরি মেরেছে। বউদিকে পেটে কাঁধে গলায় যেখানে পেরেছে এলোপাথাড়ি ছুরি মেরেছে। আমি ওকে ছাড়ব না পুরোহিতমশাই!’

    ‘পুলিশ কিছু করবে না। ওরা কিছু খুঁজে বের করতেও পারবে না। আর যতদিন না কোনও প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে, দিলুবাবুও গঙ্গাকে গ্রাম ছাড়া করতে পারবেন না। আমরা নিজে থেকে যদি কিছু না করি এ গ্রাম থেকে আরও বাচ্চা উধাও হবে, এই আমি বলে রাখলাম পুরোহিতমশাই!’ প্রভাকর মাটির উপর একটা চাপড় মেরে বলে। ওর সমস্ত মুখ ঘামে ভেজা। উত্তেজনায় কপালের শিরা ফুলে উঠছে কথা বলতে গিয়ে।

    গুপি এতক্ষণ চুপ করে বসেছিল। তার দিকে এগিয়ে যায় প্রভাকর, ‘কীরে, তুই কিছু করবি না? নিজেই তো দেখলি—।’

    গুপি উত্তর দেয় না। চুপ করে থাকে।

    ‘হ্যাঁ, তুই কেনই বা করবি?’ ভর্ৎসনা করে প্রভাকর, ‘আমাদের বুকের ভেতরে কী চলছে তুই আর বুঝবি কেন?’

    কথাগুলো গুপিকে উদ্দেশ্য করে বললেও পুরোহিতমশায়ের বুকের ভেতর গিয়ে আঘাত করে শব্দগুলো। তিনি উঠে দাঁড়ান। গলা চড়িয়ে বলেন, ‘তোমরা যা করবে বলছ সেটা করলে পুলিশ তোমাদের ছেড়ে দেবে? ইতিমধ্যে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে, এর মাঝখানে তোমরা গিয়ে যদি একজনকে তুলে আনো তার বাড়ি থেকে, তাহলে তোমরাও কিন্তু আইনের চোখে অপরাধী হয়ে যাবে, এই আমি বলে দিলাম…’

    ‘দেখুন পুরোহিতমশাই, আইনকানুন কিছু বোঝাবেন না। আগে গ্রামের বাচ্চাগুলো বাঁচুক, আপনি আমি বাঁচি, তারপর ওইসব আইন দেখাতে আসবেন!’

    ‘আর আপনি আইনের কথা কী বলছেন? আপনি না মা কালীর পুজো করেন? অন্যায়ের সংহার করা আপনার ধর্মে লেখা নেই?’

    ‘গঙ্গা যে অন্যায় করেছে তা তুমি প্রমাণ করতে পারবে?’

    ‘আজ না হোক কাল পারব!’

    ‘বেশ, তাহলে যতদিন না সেই প্রমাণ বের হচ্ছে ততদিন অপেক্ষা করো।’

    হঠাৎ করেই একটা বাঁকা হাসি হাসে জগন্নাথ। উগ্র প্রতিহিংসা ছাড়া লোকগুলোর মুখে আর কোনও অনুভূতি নেই। এরা হাতের সামনে যাকে পাবে তাকেই শত্রু ভেবে ধ্বংস করবে।

    বিরক্ত গলাতেই বলেন মাধব ভট্টাচার্য, ‘তোমরা যা পারো করো, কিন্তু আমার অনুমতি কিছুতে পাবে না!’

    গুপির দিকে একবার তাকিয়ে মন্দিরের বাইরে বেরিয়ে আসেন পুরোহিতমশাই, ‘এখন তোমরা এসো। আমাদের বাড়ি ফিরতে হবে।’

    ‘বেশ, আমরা চলে যাচ্ছি, কিন্তু আপনি একটু আসতে পারবেন আমাদের সঙ্গে?’ প্রভাকর বলে।

    ‘কোথায়?’

    ‘আসুন না, বেশিক্ষণ লাগবে না। দশ মিনিট। গুপি তুইও চল।’

    অনিচ্ছা সত্ত্বেও পা বাড়ায় ওরা দুজনে। পাঁচজনে মন্দির ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসে। প্রভাকর ওদের দুজনকে হাতের ইশারা করে জঙ্গলের দিকটা দেখিয়ে বলে, ‘এই যে, এই দিকটায় আসুন—।’

    রাতের অন্ধকার এখন আরও জমাট বেঁধেছে। জঙ্গলের ভিতরে কোনও পাখপাখালির শব্দ নেই। কেবল ওদের হাতে ধরা টর্চ মাটির উপর পড়ে সামনের কিছুটা অংশ আলোকিত করছে। সেই আলোতেই পথ হাঁটছে ওরা পাঁচজন। ঝিঁঝি ডাকছে একটানা। বাকি সব আওয়াজ কোথায় যেন হারিয়ে গেছে।

    জঙ্গলের সরু রেখা পেরিয়ে ঢুকতেই মাধব ভট্টাচার্যের বুকের ভিতরটা কেমন শীতল হতে শুরু করে। কোথায় নিয়ে চলেছে ওরা? একটু আগেই ওদের মুখের উপর না বলে দিয়েছেন তিনি। লোকগুলো রগচটা, এবং এইমুহূর্তে ভীষণ রকম প্রতিহিংসাপরায়ণ! কী যে করতে পারে ঠিক নেই। গুপির গায়ে অবশ্য জোর আছে। তবে ওরা তিনজনে একসঙ্গে অস্ত্র নিয়ে চড়াও হলে সে আদৌ সামলাতে পারবে কিনা কে জানে!

    মিনিটদশেক জঙ্গলের রাস্তায় হাঁটার পর টর্চগুলো নিভিয়ে ফেলে প্রভাকরের দলবল। পুরোহিতমশাই অবাক হয়ে লক্ষ করেন জঙ্গলের গভীরে একটা ছোট জায়গায় জনাদশেক লোক দাঁড়িয়ে আছে। অন্ধকারে তাদের মুখ ঢাকা। ভালো করে তাকিয়ে তিনি বুঝতে পারেন এরা সবাই প্রভাকরের দলের লোকজন। তবে এরা মুখ দেখাতে চায় না। যেন জঙ্গলের ভিতরে জটলা করেছে তারা কোনও বিশেষ উদ্দেশে। ব্যাপার কী? এরা দল বেঁধে ডাকাতি করতে যাবে নাকি?

    দলের মধ্যে একজনকে আঙুল তুলে নির্দেশ দেয় প্রভাকর, ‘যা বলেছিলাম রে মনা, পুরোহিতমশাই রাজি হচ্ছেন না। তাই ওনাকেই দেখাতে নিয়ে এলাম…’

    অপরজন কোনও শব্দ করে না। সম্ভবত নিজের পরিচয় গোপন রাখতেই। পুরোহিতমশাই লক্ষ করেন এদের সবার হাতেই কিছু না কিছু অস্ত্র আছে। কারো হাতে দা, কারো হাতে কুড়ুল, আবার কোথাও বা সাধারণ লাঠি জাতীয় কিছু। কিন্তু এত লাঠিসোটা নিয়ে এরা কি গঙ্গাকে ধরতে যাবে?

    প্রভাকরকে একটা ছোট ধাক্কা দেন পুরোহিতমশাই, ‘এসব কী করেছ তোমরা? তোমাদের কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে?’

    ‘মাথা খারাপ হতে এখনও খানিকটা বাকি আছে পুরোহিতমশাই। এ তো কিছুই নয়…’

    হাত ধরে টেনে ওদের দুজনকে আরও কিছুদূর নিয়ে আসে ওরা। একটা চাপা ঘরঘর আওয়াজ কানে আসে ওদের। আর সঙ্গে সঙ্গে পুরোহিতমশায়ের বুকটা ছ্যাঁত করে ওঠে।

    তিনি কিছু বলে ওঠার আগেই হাতের টর্চের আলোটা জ্বেলে সামনে ফেলে প্রভাকর। একটা গাছের গুঁড়ির ওপর গিয়ে পড়েছে আলোটা। সেই আলোতে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে একটা মানুষের শরীর। গাছে বাঁধা আছে শরীরটা। তার সর্বাঙ্গের বস্ত্র ছেড়া, কেবল অন্তর্বাসটুকু লেপ্টে আছে শরীরে। কয়েকটা মাঝবয়সি গ্রাম্য লোক মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় মেয়েটার সেই নগ্ন দেহের ছবি তুলছে। তাদের পরনে কেবল গামছা। মাঝে মাঝেই হেসে উঠছে তারা। কখনও এগিয়ে গিয়ে চড় মারছে মেয়েটার গালে। সে ককিয়ে উঠছে।

    মেয়েটার মুখটা শক্ত কাপড় দিয়ে বাঁধা। শরীরে অসংখ্য আঘাতের ক্ষতচিহ্ন। পায়ের ঠিক নিজেই পড়ে আছে একটা কালো বিড়ালের শরীর। কোনও একটা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ফালাফালা করা হয়েছে শরীরটাকে। বোঝা যাচ্ছে বাঁধা মানুষটার চোখের সামনেই খুন করা হয়েছে তার আদরের পোষ্যকে। মেয়েটার চোখে জল আর লেপ্টে যাওয়া কাজলের দাগ।

    পুরোহিতমশাইয়ের হতভম্ব মুখ থেকে একটা চাপা শব্দ বেরিয়ে আসে, ‘মৌলি!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকলব্য – হরিশংকর জলদাস
    Next Article মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    Related Articles

    সায়ক আমান

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Our Picks

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }