Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    সায়ক আমান এক পাতা গল্প265 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুয়াশার ফুল – ১২

    দ্বাদশ অধ্যায়

    গাড়িটা রাজবাড়ির সামনে এসে দাঁড়াতে দরজা খুলে নেমে এল তনুজা। সেই সঙ্গে প্রত্যয়।

    বাইরে বারান্দা গোছের একটা ছোট্ট ছাউনি। সেখানেই গামছা কাঁধে খালি গায়ে একটা দারোয়ান বসেছিল। লোকটা মোটাসোটা। বিরাট জয়ঢাকের মতো একটা ভুঁড়িও আছে। সম্ভবত ওদের জন্যই অপেক্ষা করছিল। ওদের দেখতে পেয়ে হাসিমুখে এগিয়ে এল।

    রাজবাড়ি বলতে সামান্যই অবশিষ্ট আছে। আর বছরখানেকের মধ্যেই এ বাড়ি ভেঙে ফেলা হবে। সরকার থেকেও নির্দেশ এসে গেছে। রাজবংশের যা লোকজন ছিল তাদের কেউই আর বেঁচে নেই। সে সময়ের যিনি নায়েব ছিলেন তার এক বংশধর নাকি এখানে আপাতত থাকেন। তার বয়সও প্রায় আশি ছুঁইছুঁই। তেমনটাই জেনে এসেছে ওরা।

    যে লেখকের কাজে ওরা এখানে এসেছে, তাকে ফোন করে বলতে, তিনিই এখানে আসার ব্যবস্থা করে দেন। বোধহয় বুড়ো খানিক টাকাপয়সাও পেয়েছেন তার কাছ থেকে। তাই এত হাসি মুখ আর খাতিরের বন্দোবস্ত।

    ওদের দুজনকে একরকম হাত ধরে ভেতরে নিয়ে গেল সে। গামছাটা থেকে অন্য কাঁধে ফেলে বলল, ‘আমার নাম রতন দাস। বাবু অপেক্ষা করছেন আপনাদের জন্য…আসলে এ বাড়ি…’

    বাড়ির ছাদ আর দেওয়ালের দুর্দশা নিয়ে বকবক করে যাচ্ছিল রতন দাস। তনুজা প্রথম দিকে কিছুটা শুনছিল। তারপর আর আগ্রহ পায়নি। ওর পূর্বপুরুষের কে যেন এখানে জমিদারবাড়িতে কোতোয়ালের না কীসের কাজ করত, এখন তো আর সেসব চাকরি জোটে না, তাই ও এ বাড়ি দেখাশোনা করে। আরও হাবিজাবি কী সব কথা।

    প্রত্যয় প্রসঙ্গে আসে, ‘ভুপেনবাবু দোতলায় আছেন নাকি?’

    ‘হ্যাঁ উনি দোতলাতেই থাকেন। সচরাচর নিচে খুব একটা আসেন না। তাছাড়া এতগুলো সিঁড়ি ডিঙানোর অভ্যাস নেই কিনা…আরথিটি না কী যেন বলে…’

    ‘আরথ্রাইটিস, তাহলে একতলায় এনে রাখতে পারেন তো। বিকেলের দিকে একটু আশেপাশে হেঁটেও আসা যায় তাতে…’

    ‘সে কী আর আমি বলিনি বাবু? তবে বড়বাবুর ওই এক গোঁ, দোতলা থেকে কিছুতেই একতলায় নামবেন না। বাবু বলেছেন একেবারে চোখে তুলসী পাতা দিয়ে তবে নিচে নামবেন।’

    রাজবাড়ির ভেতরটা বাইরের থেকে আরও বেশি ভাঙাচোরা। যেন কয়েক শতাব্দীর মাকড়সার ঝুল জড় হয়ে রয়েছে। ভাঙা ইটের স্তূপ থেকে বয়ে আসা রোডে জমাট শ্যাওলার গন্ধ সমস্ত বাড়ি জুড়ে। প্রত্যয় লক্ষ করে এর মধ্যেই বেশ কয়েকটা ডুমো মশা ওর হাতে আর ঘাড়ে কামড়ে দিয়েছে। ফুলে গেছে জায়গাগুলো।

    সিঁড়ি দিয়ে ওরা উপর দিকে উঠতে থাকে। রতনের চেহারার জন্য ওকে সিঁড়ি দিয়ে উঠতে বেগ পেতে হয়। অথচ সারাদিনে বেশ কয়েকবার যে উঠতে হয় সেটাও বোঝা যায়। বড়বাবুর উপর রাগ হওয়া বিচিত্র নয়।

    দোতলায় উঠে বাঁ দিকের একটা প্যাসেজের দিকে এগিয়ে যান রতন। বেশিরভাগ ঘরে তালা বন্ধ। সেই তালায় পুরু জং লেগেছে। হ্যাঁচকা টান দিলেই বোধ হয় ভেঙে চলে আসবে।

    ওরা চেয়ে দেখল এরই মধ্যে একটা ঘরের তালা খোলা। সেই ঘরেই সম্ভবত আছেন উপেনবাবু। সেইটার সামনে গিয়েই গলা তুলে হাঁক পাড়ে রতন, ‘বাবু, ওই ওনারা এসেছে…’

    ফিনফিনে কাঁপা গলা শোনা যায়। এককালে গলায় দাপটের অভাব ছিল না। এখন বয়সের জন্য সে দাপট তলানিতে ঠেকেছে, ‘কে এল আবার?’

    ‘ওই যে যাদের আসার কথা ছিল। আপনি ভুলে গেলেন?’

    ‘ও! টাকাটা এসে গেছে তো?’

    ‘আজ্ঞে বাবু, তা সেই সকালেই এসে গেছে।’

    কী যেন হিসেব করে লোকটা, তারপর বলে, ‘তাহলে আর দাঁড় করিয়ে রেখেছিস কেন, ভিতরে পাঠিয়ে দে…’

    ভেজানো দরজাটা ঠেলে ভেতরে ঢুকে আসে ওরা তিনজনে। বাড়ির যত ভিতরে ওরা ঢুকছে ততই যেন প্রাচীনত্বের ছাপ বেড়ে চলেছে। ঘরে দুটো জানলা। দুটোই খোলা। লোহার গ্রিল ক্ষয়ে ক্ষয়ে সরু হয়ে গেছে। তার ফাঁক দিয়ে আলো এসে কোনওরকমে ভরিয়ে রেখেছে ঘরটা। ঘরে কিছু পুরোনো বইপত্র দুটো টেবিল একটা চেয়ার একটা খাট ছাড়া আর তেমন কোনও আসবাবপত্র নেই। জানলার ঠিক সামনে বিছানার উপর ঝুলন্ত মশারি একদিকে সরানো আছে।

    ‘নমস্কার ভুপেনবাবু। আমি তনুজা আর ও প্রত্যয়। আমাদের কথাই বলছিলেন…’

    ভদ্রলোক পান চিবোচ্ছিলেন, বিছানার তলা থেকে পিকদানিটা বের করে পিক ফেলে আবার নিচে ঢুকিয়ে রাখলেন। তারপর টেবিলের পাশে রাখা দুটো চেয়ার দেখিয়ে বললেন, ‘ওই যে ওইখানে বসো। চা খাবে?’

    ‘এই তো রাস্তার ধারে গাড়ি দাঁড় করিয়ে চা খেয়ে এলাম। আমাদের আসলে কিছু জিজ্ঞাসা…’

    লোকটা হাত তুলে থামিয়ে দিল ওদেরকে, তারপর হাত উল্টে একটা বিশ্রী ভঙ্গি করে বলল, ‘দেখো, জিজ্ঞাসা করবে করো, কিন্তু এ গ্রামের ওইসব ডাইনি-ফাইনির ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না…নিজের চোখে তো কিছু দেখিনি। ছোটবেলায় যা শোনার শুনেছিলাম। কিন্তু সেসব কথা এতদিন কিছু মনেও নেই। আমাকে জিগ্যেস করে কিছু লাভ হবে না।’

    ‘আপনি তাহলে আমাদের আসতে বললেন কেন?’

    ‘কেন বললাম?’ ভারিক্কি চালে পান চিবুতে চিবুতে বলেন ভুপেনবাবু, ‘তোমরা যে সিঁড়িটা দিয়ে উঠলে সেটা যে কোনওদিন ভেঙে পড়তে পারে। এ বাড়ির অবস্থা দেখেছ? ক’টা কাঁচা টাকা হাতে পেলে যে দু-তিন বছর বাঁচব একটু আরামে বাঁচতে পারি। একটা দাদুর বয়সি বুড়োর জন্য দয়ামায়া হয় না তোমাদের?’

    ‘বাঞ্চোত!’ হিসহিসিয়ে বলে ওঠে প্রত্যয়।

    ‘এটুকু কষ্ট করে তোমরা না হয় এই বুড়োকে শেষ ক’টা…’

    প্রত্যয়ের মাথাটা গরম হয়ে যাচ্ছিল। গড়গড় করে বলল, ‘শালা, পুলিশে না ধরলে আজই তোর শেষ দিন করে দিতাম বাঁড়া…’

    তনুজার মাথাটা গনগন করছিল। লোকটার বয়স বেশি না হলে এক্ষুনি কষিয়ে একটা চড় মেরে দিত। কিন্তু চেহারার যে অবস্থা একটা চড় খেলে প্রাণ পাখি না মশারির ফাঁক আর জানলার গ্রিল গলে বেরিয়ে যায়। সে কোনওরকমে মাথা ঠান্ডা রাখে।

    ‘বেশ, দুকাপ চা করে আনতে বলুন। অন্তত তাতেও আপনার পকেট থেকে কিছু খসবে।’

    রতনকে ডেকে চা করে আনতে বলেন ভুপেনবাবু তারপর আবার নির্বিঘ্নে পান চিবোতে থাকেন।

    তনুজা আলাপ জমানোর চেষ্টা করে, ‘আপনার শরীরের এই অবস্থা যখন তাহলে দোতলায় থাকেন কেন? একতলাটা তো এতটা ভাঙাচোরা নয়…’

    ‘দোতলায় থাকি বলেই দোতলাটা কিছুটা টিকে আছে। আমি একতলায় নামলে দোতলা বলে আর কিছু থাকবে না।’

    ‘গোটা বাড়িটাই তো ভাঙা পড়বে ক’দিন পরে। শুধু দোতলা টিকিয়ে রেখে কী লাভ আপনার?’

    ‘আমি যতদিন ভাঙা পড়ছি না ততদিন এই বাড়িও ভাঙা পড়বে না। আমি চলে গেলে পরে কে কী করবে তা আমার জেনে কাজ নেই।’

    প্রত্যয় কী যেন বিড়বিড় করে, তারপর বলে, ‘এই শালাকে খুঁচিয়ে আর লাভ নেই। ফালতু এত দূরে এলাম। ঢ্যামনা বুড়ো কোথাকার!’

    ‘আহ! তুই চুপ কর।’ আবার বুড়োর দিকে চেয়ে জিগ্যেস করে, ‘আচ্ছা আপনি তাও কবে থেকে এখানে থাকেন?’

    ‘তা আছি বলতে সেই ছোট থেকেই। তখন থেকেই রাজবাড়ির বংশধররা কমে এসেছে। আগে দোতলার ওই বাঁ দিকটায় থাকতাম। তারপর একে একে রাজবংশ শেষ হয়ে যেতে গোটা বাড়িটা আমরাই দখল করে নিলাম…’

    ‘আপনি বিয়ে করেননি?’

    উপরে নিচে মাথা নাড়ান ভদ্রলোক, ‘করেছিলাম। প্রথম স্ত্রী বছর দুয়েক পরে মারা যায়। আবার বিয়ে করেছিলাম সেটা মাসখানেক পরেই…’ হাত দিয়ে আকশের দিকে ইশারা করলেন ভুপেনবাবু।

    প্রত্যয় আবার ফুট কাটে, ‘দাদু আমাদের লেডিকিলার!’

    ‘আর আপনার মা-বাবা?’ তনুজা জিগ্যেস করে।

    ‘মা সেই ছোটবেলাতেই মারা গেছে। এই বাড়ির দোতলার বারান্দা থেকে নিচে পড়ে যান। সুইসাইড…’

    ওরা খেয়াল করে মায়ের কথা বলতে গিয়ে ভদ্রলোকের গলার স্বর এই বয়সেও ধরে আসে। অর্থাৎ ওই অল্প বয়সের স্মৃতি এখনও টাটকা আছে।

    ‘ছোটবেলায় এখানে থাকত বলেই এই তলাটা ছেড়ে নড়তে চায় না।’ তনুজা চাপা গলায় বলে, ‘একে ওই পথেই অ্যাটাক করতে হবে।’

    দেওয়ালের দিকে একটা ছবি দেখায় তনুজা, ‘এইটা বুঝি আপনার মা?’

    তনুজা তাকিয়ে দেখে ছবিটা যে মহিলার তিনি ভীষণ সুন্দরী। একটা বইয়ের র‌্যাকের সামনে আঁকা হয়েছে ছবিটা। টেবিলের বসে একটা খাতাতে কী যেন লিখছেন।

    তনুজা সেদিক থেকে মুখ ফিরিয়ে বলে, ‘সেকালের মহিলা এমন টেবিলে বসে লেখালিখির ছবি! ওর লেখালিখির শখ ছিল নাকি?’

    ভুপেনবাবু খাটের উপরে পা তুলে বসেন, ‘মায়ের শখ ছিল বটে। ওই নিয়েই তো থাকতেন সারাদিন।’

    ‘বটে…কোনও বই-টই?’

    দুপাশে ঘাড় নেড়ে ‘না’ বলেন ভুপেনবাবু, ‘লেখা শেষ হওয়ার আগেই তো মা চলে গেলেন।’

    ‘কী নিয়ে লিখছিলেন উনি?’

    ‘এই জমিদার বংশের ইতিহাস। মানে তার নিজের স্বামী, শাশুড়ি আর বাড়ির চাকরবাকরদের মুখে যা শুনেছিলেন। তাই উপন্যাসের মতো লিখছিলেন…’ তনুজাদের মুখে উৎসাহের হাসি ফুটে উঠতে দেখে তিনি নিরস হাসি হাসেন, ‘আপনাদের আনন্দ পাওয়ার কিছু নেই। সে সব লেখা আমরা নিজেরা পড়েছি। তাতে আপনাদের ডাইনি বাইনি নিয়ে কিছুই লেখা নেই। বারবার বলেছি জমিদারবংশে ডাইনির সঙ্গে কারও কোনও যোগাযোগ ছিল না। সবই পারিবারিক কেচ্ছা কোন্দল…ব্যস!’

    ‘কেচ্ছা?’ প্রত্যয় জিগ্যেস করে।

    ‘সেকালের জমিদারবাড়ির বাপ-ছেলেদের কেচ্ছা আর কী, বাইজি নাচানো, উপপত্নী রাখা, আরও আজেবাজে ব্যাপার। চান তো দেখাতে পারি, কিন্তু ও আপনারা জেনে কী করবেন?’

    ‘বেশ, মানে আপনার থেকে কিছু জানতে পারা যাবে না, তাই তো?’ তনুজা রাগত গলায় জিগ্যেস করে।

    ভদ্রলোক একটুও লজ্জিত না হয়ে ঘাড় নেড়ে দেন।

    ‘চলে আয় প্রত্যয়, উনি সিঁড়িটা মেরামত করুন।’

    দুজনে ঘর থেকে বেরিয়ে সিঁড়ির দিকে হাঁটতে যাচ্ছিল। হঠাৎ পাশ থেকে একটা চাপা ডাক শুনতে পায়, ‘ইয়ে…সার…’

    ঘুরে তাকায় তনুজা, লোকটার চোখে-মুখে কেমন যেন চাপা আগ্রহ, ‘কিছু বলবে?’

    রতন ইতস্তত করে। কথাটা বলা উচিত হবে কিনা ভাবে বোধহয়, তারপর কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়ে বলে, ‘আপনারা, ডাইনির ব্যাপার জানতে এসেছেন, কিন্তু বাবু ওসব কথা কিছু বলতে পারবে না। আমি পারব!’

    ‘তুমি পারবে! কী করে?’

    সলজ্জ হাসি হাসে রতন, ‘বললুম না, বাবুরা ছিলেন নায়েব। ওরা টাকাপয়া, খাজনা, বাজার হাট এইসব সামলাতেন। এইসব গায়ে-গতরে ব্যাপার লেঠেলদেরই সামলাতে হত। আমি আমার বাপ-পিতেরোর কাছ থেকে ডাইনির অনেক গল্প শুনেছি। তবে সেসব গল্প কতটা সত্যি আর কত জল তা বলতে পারব না।’

    ‘যা জানো তাই বললেই হবে।’

    ‘আসেন, এদিকে আসেন। উনি শুনতে পেলে আবার…’

    রতন ওদের দোতলাতেই একটা ছোট ঘরে নিয়ে যায়। একটা দড়ির খাটিয়া রাখা আছে এখানে। তবে পাখা নেই। শীতকাল বলে অসুবিধা হয় না। একটা জানলা খুলে দেয় রতন। একঝাঁক রোদ এসে পড়ে মেঝেতে।

    খাটিয়ার ওপর বসে আয়েশ করে একটা বিড়ি ধরায় রতন। বলে, ‘শুনুন তবে। বেলতলা গ্রামে দু-আড়াইশো বছর আগে যে ডাইনির কথা আপনারা বলছেন তার নাম ছিল মায়াদেবী। আমারে দাদুর দাদুর বাবা জমিদারবাড়ির খাস লেঠেল ছিল সেসময়। তিনি এমন কিছু কথা জানতেন যা আর কেউ জানত না…’

    ‘যেমন? কী কথা?’

    ‘মায়াদেবীকে তখনকার রাজা অজিতেশ সামন্তই কোথা থেকে খুঁজে পেতে নিয়ে আসেন। সে নাকি ধন্বন্তরি ডাইনি ছিল। সবার সব রোগের উপশম ছিল তার কাছে। বিশেষ করে মেয়েদের রোগনাড়ার অব্যর্থ ওষুধ দিত মায়াদেবী। সে সত্যি ডাইনি ছিল কিনা বলতে পারব না, কিন্তু সে মেয়ে ছিল না…’

    ‘মানে? পুরুষ?’

    মাথা নাড়ে রতন, ‘পুরুষও না, মেয়েও না। ওই যাকে বলে…’

    ‘ট্রান্সজেন্ডার!…হুম, তারপর?’

    ‘তো সে মাঝেমাঝে ছেলে আর মাঝে-মাঝে মেয়ে সেজে থাকত। কখনও স্বামীর ভূমিকায় কখনও স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করত। দুজনকে একসঙ্গে কখনও দেখা যেত না। রোগী ছাড়া আর কেউ তাকে তেমন একটা দেখতে পেত না। অবশ্য এ কথা অজিতেশ আর গ্রামের কজন বিশিষ্ট লোক ছাড়া আর কেউ জানত না।’

    ‘কিন্তু এরকম সেজে থাকার কারণ কী?’

    ‘কারণ আর কিছু না। সেকালে তো চাইলেই ধন্বন্তরি চিকিৎসক হওয়া যেত না। বিশেষ করে মেয়েমানুষ ডাক্তারি করলে গ্রাম-গঞ্জে ডাইনি অপবাদ রটতে বেশি সময় লাগত না। আবার ব্যাটাছেলে ডাক্তারের কাছে মেয়েরা এসে রোগের কথা বলেই বা কী করে…তাই এই ব্যবস্থা। ডাইনি অপবাদ রটলে পেয়াদা খুঁজতে এসে স্বামীকে খুঁজে পাবে কিন্তু ডাইনিকে পাবে না। এই ছিল ব্যবস্থা। সমস্ত ব্যাপারটা অজিতেশের ইচ্ছেতেই হচ্ছিল, ফলে তেমন কিছু অসুবিধা হয়নি…’

    তনুজা এবার প্রত্যয়ের দিকে তাকায়, ‘যতদূর মনে হচ্ছে এ মহিলার কাছে এমন কিছু রোগের ওষুধ ছিল যেগুলো তখনও আবিষ্কার হয়নি। নইলে ডাইনির অপবাদের ভয়টা থাকত না। এখন কথা হল মহিলা এত কিছু জানলেন কী করে?’

    রতনের মুখে রঙ লাগে, সে আবার বলতে শুরু করে ‘কিন্তু মায়াদেবী জানতেন না অজিতেশ কত বড় ছুপা রুস্তম! অজিতেশ ততদিনে মায়াদেবীকে হিংসা করতে শুরু করেছে। বেলতলার লোক তার থেকে বেশি সম্মান করে মায়াদেবীকে। সে সাধারণ এক জমিদার, আর মায়াদেবী সাক্ষাৎ ভগবানের দূত। এরই মধ্যে ছেলেদের খোজা করার ওষুধ বেচে তার নামে ডাইনির গুজব রটে। অজিতেশ এই সুযোগে স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই পুড়িয়ে মারার নির্দেশ দিলেন। পাঠানো পেয়াদার দল গিয়ে দেখে স্বামীটি আছে, কিন্তু বউ পালিয়েছে। পেয়াদারা মায়াদেবীর স্বামীকেই হাতের সামনে পেয়ে তুলে আনলেন। গ্রামে রটিয়ে দেওয়া হল দুজনকেই তুলে আনা হয়েছে…’

    ‘ওদের ছাগলঘর অবধি নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব ছিল আমার দাদুর দাদুর বাবার। গ্রামের লোকদের চোখে ধুলো দিয়ে দুজনের নাম করে একজনকেই সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় ছাগলঘরে। লোকে ভাবে দুজন পুড়ছে। কিন্তু আসলে পোড়ে একজন!’

    ‘এই কারণেই একটা পোড়া দেহ পাওয়া যায়, তাই তো?’

    ‘আজ্ঞে হ্যাঁ। ডাইনিকে পোড়ানোর পর তার ঝলসানো দেহ নিয়ে উৎসব করতে ঘরের ভিতরে ঢোকে গ্রামের লোকেরা। তারা ঝলসানো দেহে ব্যাটাছেলের কাপড় দেখে বুঝতে পারে ডাইনি কোনওভাবে পালিয়েছে…’

    সমস্ত ব্যাপারটা মাথার মধ্যে পরিষ্কার হতে একটু সময় লাগে দুজনের। বাইরে থেকে মেঝের উপর এসে পড়া রোদের মধ্যে ধুলোর বিন্দু ঘুরে বেড়াচ্ছে। তনুজা মন দিয়ে সেদিকে চেয়ে ছিল। নখ দিয়ে অন্যমনস্ক ভাবে চেয়ারের গায়ে দাগ কাটছিল সে।

    ‘পোড়ানোর ঠিক পর পরই মায়াদেবীর ঘরে কারা যেন ডাকাতি করে। মনে হয় ওষুধপাতি চুরির করার জন্যই। অন্য কিছুই আর খোয়া যায়নি। মানে আমি যা শুনেছি…’

    তনুজা রতনের বাকি কথাগুলো আর খেয়াল করে না। প্রত্যয়ের দিকে চেয়ে ধীরে গলায় সে প্রশ্ন করে, ‘যদি মায়াদেবী এবং মায়াদেবীর স্বামী দুজনেই পুড়ে গিয়ে থাকে তাহলে মতিপুরের ডাইনি কে ছিল?’

    প্রত্যয়ও ভাবনায় ডুবে ছিল, সে মুখ ফিরিয়ে বলে, ‘বোঝাই যাচ্ছে ওর আইডেন্টিটি ব্যাক আপে নিয়ে ইম্পোস্টার হিসেবে এসেছিল কেউ। এবং তাকে সাহায্য করেছিল কালিপদ। অ্যান্ড হু অয়াজ দিস কালিপদ ম্যান?’

    ‘কী নাম বললেন আপনারা?’ রতন উঠে দাঁড়িয়ে মুখ ঝুঁকিয়ে তাকিয়েছে ওদের দিকে, ‘কালিপদ? বেলতলা গ্রামের?’

    ‘এই নামে কাউকে চিনতেন নাকি?’

    রতন দাস কিছুক্ষণ হাঁ করে তাকিয়ে থাকে ওদের দিকে। তারপর ধীরে ধীরে বলে, ‘কালিপদ জমিদারবংশের লোক। অজিতেশ নারায়ণের ভাই। ওই মায়াদেবী মারা যাবার ক’দিন পর থেকেই সে নিখোঁজ হয়ে যায়।’

    ‘মানে? কেন?’

    ‘শোনা যায় কীসব নাকি কেচ্ছা ছিল তার…’

    ‘কেচ্ছা!’ প্রত্যয়ের মুখ থেকে বেরিয়ে আসে কথাটা। ওরা আর সেখানে দাঁড়ায় না। দ্রুত ঘর থেকে বেরিয়ে ভুপেনবাবুর ঘরে ঢুকে পড়ে। ভদ্রলোক এতক্ষণে অতিথি বিদায় করে আবার বালিশে মাথা দেওয়ার উপক্রম করেছিলেন। ওদের দেখতে পেয়ে বিরক্তই হন, ‘এ কী আপনারা যাননি এখনও!’

    ‘আপনার মায়ের সেই লেখাপত্র কোথায়?’

    একটু হকচকিয়ে যান ভুপেনবাবু, ‘মানে সেসব তো…’ রতনকে হাঁক দেন ভুপেনবাবু, ‘বইয়ের বাক্স খুলে সতেরো নম্বর খাতাটা নিয়ে আন তো…’ তারপর ওদের দিকে ঘুরে বলেন, ‘কিন্তু আপনারা এসেছিলেন ডাইনির খোঁজ করতে! সেসব নিয়ে কী করবেন এখন?’

    তনুজা খাটের উপর ওর পাশেই বসে পড়ে বলে, ‘জমিদারবংশের মানে অজিতেশ নারায়ণের ভাই কালিপদ। তার নামে কী কেচ্ছা ছিল?’

    এমন আচমকা প্রশ্নের জন্য তৈরি ছিলেন না ভুপেনবাবু, একটু খাবি খেয়ে বলেন, ‘কে…কেচ্ছা বলতে তার বউ ছিল…’

    ‘এটা কেচ্ছা?’

    ‘না না, এটা হতে যাবে কেন? বউ ছিল। কিন্তু তার সঙ্গে সদ্ভাব ছিল না তার।’

    ‘উপপত্নী ছিল, অন্য নারীতে আসক্ত ছিল, তাই তো?’

    ভুপেনবাবু মাথা নামিয়ে ঘাড় নাড়েন। অবসন্ন দেখায় তাকে, ‘সে হলেও তো হত। কিন্তু…কালিপদ পড়াশোনায় ভারি ভালো ছিল। সে সময়ে বিয়ে করে বাড়িতে বউ রেখে বিদেশযাত্রা করে পড়াশোনা করতে। শোনা যায় বউয়ের সঙ্গে প্রথম থেকেই তার সম্পর্ক ভালো ছিল না। বিদেশে গিয়ে তার একটা প্রেম হয়। বিয়েও করে কিনা জানা যায় না। তো দুজনে একইসঙ্গে এখানে ফিরে আসে। প্রথমে দাদা অজিতেশ কিছুতেই মানতে চান না। দুজনকেই বাড়ি থেকে ঘাড়ধাক্কা দেন। পরে মেনেও নেন। কেন মেনে নেন তা অবশ্য জানা যায় না…’

    ‘কোন দেশে গিয়েছিল জানেন আপনি?’

    একটু ভেবে উত্তর দেন ভুপেনবাবু, ‘যদ্দুর মনে পড়ছে জার্মানি।’

    তনুজা আর প্রত্যয় একে অপরের দিকে তাকায়। এতক্ষণে রতন খাতাগুলো নিয়ে এসেছে। ভুপেনবাবু সেটা হাতে নিয়ে উল্টেপাল্টে কী যেন খোঁজেন। বেশিরভাগ পাতাই ঝুরঝুরে হয়ে গেছে। মহিলা যখন এইসব ইতিহাস ঘেঁটে বের করেছেন তখন অন্তত ঘটনার একশো বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেছে। তাও যতটা পারা যায় গুছিয়ে লিখেছেন। ভুপেনবাবু খাতার ফাঁক থেকে বের করে একটা পুরনো চিঠি বের করে ওদের হাতে তুলে দেন। তারপর বলেন, ‘এই যে একটা চিঠি পাওয়া গেছিল। বিদেশ থেকে লেখা কালিপদর চিঠি…জায়গার নামটাও ওখানে লেখা আছে, দেখে নিন।’

    বাঁকাবাঁকা অক্ষরে সেখানে লেখা আছে জায়গার নামটা। ‘বাভারিয়া’ থমথমে গলায় শব্দটা উচ্চারণ করে প্রত্যয়, তনুজা বিড়বিড় করে বলে, ‘ওয়াল্পারগা হাস্মানিন…’

    ‘কালিপদর এই বিদেশি বউয়ের সম্পর্কে কিছু জানা যায় না?’ তনুজা কম্পিত গলায় প্রশ্ন করে।

    ‘যেতে পারে কিন্তু আমার ঠিক মনে পড়ছে না। কতদিন আগে পড়েছি…’ বৃদ্ধ স্মৃতি হাতড়ানোর চেষ্টা করেন, ‘আবছা আবছা মনে পড়ছে সে পেশায় ছিল ডাক্তার। টুকটাক রোগ সারানোর ক্ষমতা ছিল তার। আসার সময় সঙ্গে অনেক বইপত্র এনেছিল। তবে দেখুন, মাও তো নিজের চোখে দেখেনি। বাড়ির লোকজনের মুখে শুনে যতটা জানা যায় আর কী…’

    ‘ডাক্তার!’ তনুজা আবার ফিরে এসে চেয়ারে বসে পড়ে। প্রত্যয় ওর সামনে হাঁটু মুড়ে বসে বলে, ‘কী ভাবছিস তুই?’

    কয়েকটা প্রশ্ন ভারি অদ্ভুত, ‘অজিতেশ নারায়ণ হঠাৎ মেয়েটিকে মেনে নিলেন কেন? মায়াদেবীর বাড়িতে চুরি হল কেন?’ কথাটা বলেই আবার গলা তুলে প্রশ্ন করে তনুজা, ‘আচ্ছা ভুপেনবাবু, এই কালিপদর বউ এ গ্রামে আসেন কবে? মায়াদেবী মারা যাবার আগে না পরে?’

    এবার উত্তর দিতে দেরি হয় না ভুপেনবাবুর, ‘ঢের আগে…’

    ঠোঁটে আঙুল দিয়ে গভীর ভাবনায় ডুব দেয় তনুজা, ‘তাহলে ক্রোনোলজিক্যালি সাজালে—কালিপদ বিদেশ থেকে বউ আনল, মায়াদেবী নামে এক ধন্বন্তরির পসার হল, তার খ্যাতির সঙ্গে সঙ্গে অজিতেশের জমিদার হিসেবে মান বাড়ল। আবার দিনে দিনে মায়াদেবীর ছ’টায় অজিতেশ ঢাকা পড়ে যেতে মায়াদেবীকে সে কায়দা করে খুন করল। তারপর হল তার ঘরে চুরি। তারপর মতিপুরে ডাইনি…যে ডাইনি মুখে কাপড় বেঁধে…আই ফাকিং গট ইট!’ কথাটা বলে লাফিয়ে ওঠে তনুজা।

    ভুপেনবাবু হেঁচকি তুলতে তুলতে সামলে নিলেন।

    ‘আরে, হলটা কী তোর?’

    আনন্দে প্রত্যয়ের কাঁধ ধরে ঝাঁকিয়ে দেয় তনুজা, ‘ক্যান্ট ইউ সি? কালিপদর বউ একা আসেনি। হয় সে ওয়াল্পারগা হাস্মানিনের বংশের কেউ, না হয় কোনওভাবে তার সঙ্গে জড়িত কিছু তথ্য বা পুঁথিপত্র হাতে এসেছিল তার। সে পেশায় ছিল ডাক্তার। ফলে এই পুঁথিপত্রর গুরুত্ব সে বুঝতে পারে। প্রেমে পড়ে সে এদেশে চলে আসে। কিন্তু ভাশুর তাকে কিছুতেই মেনে নিতে চায় না। এদিকে ভাশুরকেও এলাকার লোকজন জমিদার বলে মানতে চায় না। সে একটা মাঝামাঝি রফাসূত্র বের করল। পুঁথিপত্রের কিছু জ্ঞান ও ওষুধপত্র সে অজিতেশের ভাড়াটে লোক মায়াদেবীকে ধার দিল। এতে করে জমিদারের কেরামতি বাড়ল। শেষে মায়াদেবী মারা যেতে সে দেখল, এত আশ্চর্য জ্ঞান সব পড়ে পড়ে নষ্ট হয়ে যেতে চলেছে। তার স্বামী ও সে মিলে ঠিক করল পালিয়ে যাবে। কিন্তু পালিয়ে যাবে কোথায়? একটা আইডেন্টিটি দরকার। খুব সহজ একটা উপায় মাথায় এসে গেল দুজনের। একজন মহিলা গ্রাম থেকে উধাও হয়েছেন যার কোনও অস্তিত্ব ছিল না। দুজনে মায়াদেবীর ঘর থেকে পুঁথি চুরি করে পালিয়ে গেল। গিয়ে আশ্রয় নিল মতিপুরে…বেলতলার কেউ মতিপুরে ওদের খোঁজ করতে গেল না…’

    হাঁ করে সমস্ত ব্যাপারটা শুনছিল প্রত্যয়, ‘কিন্তু আমাদের গুপ্তধনের কী হল তাহলে?’

    ‘গুপ্তধন, মানে কালিপদর বউয়ের বিদেশ থেকে আনা সেই পুঁথিপত্র। সেগুলো গঙ্গার কাছে এখনও আছে হয়ত। সেগুলো পড়েই চিকিৎসা বিজ্ঞানে এত দখল তার।’

    ‘তার মানে গঙ্গা ডাইনি হতেই পারে না।’

    ‘হাতে চুম্বক থাকলেই ম্যাজিক দেখানো যায়। এমনকী চুম্বক কী করে কাজ করে না জেনেও। গঙ্গা হয়ত সেই ম্যাজিকই এতদিন দেখিয়ে আসছে। যতদূর সম্ভব পুঁথিপত্রগুলো ও ওর বাড়ির কোথাও খুঁজে পায়। ওগুলোর গুরুত্ব যদি ও বুঝে থাকে তাহলে এতদিনে সেগুলো যত্ন করে কোথাও রেখে দিয়েছে।’

    দুজনে চেয়ার ছেড়ে উঠে পড়ে। দুজনের চোখেই বিদ্যুৎ খেলা করছে। রতন এতক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে দরজায় চা হাতে। হাসিমুখে এগিয়ে এসে চা-টা টেবিলের উপরে রাখে।

    ‘আপনাদের কোনও উপকার করতে পারলাম না বলে…’ ভুপেনবাবু বিমর্ষ গলায় বলছিলেন।

    তনুজা থামিয়ে দেয় তাকে, ‘এতটা উপকার হবে আমরা ভাবতেই পারিনি। যদি কোনওভাবে আপনাকে সাহায্য করতে পারতাম…’

    ভুপেনবাবু কিছু বললেন না। কিন্তু ওর অজ্ঞাতে হঠাৎ করেই একটা নীলচে ঝিলিক খেলে গেল দুজনের চোখে। যেন অজানা নীল মেঘ এসে ঢেকে ফেলল ওদের চোখের মণি।

    ভুপেনবাবুর দিকে এগিয়ে গেল তনুজা, ‘না, একটা উপকার করতে পারি আপনার।’

    ‘কী বলো তো?’ ভদ্রলোক হেসে জিগ্যেস করলেন।

    ‘বলছিলেন না এই দোতলাতেই দেহ রাখার শখ আপনার?’ কথাটা বলেই ওর গলাটা আচমকা চেপে ধরে তনুজা। ককিয়ে উঠে হাত-পা ছুড়তে থাকেন বৃদ্ধ। ওর গলা দিয়ে কেবল একটা গোঙানির শব্দ বেরিয়ে আসে।

    এমন ঘটনার জন্য প্রস্তুত ছিল না রতন। সে ছুটে আসে তার বড়বাবুর দিকে। প্রত্যয় ওর গলাটা টিপে ধরে। দুটো আঙুল দিয়ে দুপাশ ধরে রুদ্ধ করে দেয় টুঁটিটা। ককিয়ে ককিয়ে নিস্তেজ হয়ে আসে দুজনে। একসময় দেহদুটো স্থির হয়ে যায়।

    বিছানার উপরে পড়ে থাকা পুরনো চিঠিপত্রগুলো তুলে নেয় ওরা দুজন। সঙ্গে খাতাগুলোও। দুজনের চোখেই এখন নীলচে বিদ্যুতের ঝিলিক।

    দেহদুটোকে ঘরের ভিতর ফেলে রেখেই বাইরে বেরিয়ে আসে ওরা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকলব্য – হরিশংকর জলদাস
    Next Article মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    Related Articles

    সায়ক আমান

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Our Picks

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }