Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এক পাতা গল্প311 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কেউ কেউ কথা রাখে – ১২

    অধ্যায় ১২

    শিকার পর্ব

    ঢাকা শহর তখনও খুব ছোটো, জনসংখ্যাও আজকের তুলনায় অনেক কম, তারপরও ইমতিয়াজকে খুঁজে বের করতে না পেরে ক্রমশ হতাশ হয়ে উঠছিলেন হায়দারভাই। নাছোরবান্দার মতো লেগেছিলেন তিনি। এখানে ওখানে বহু জায়গায় খোঁজ করার পর আমরা বুঝে গেলাম ইমতিয়াজ সতর্ক হয়ে উঠেছে। এতে করে হায়দারভাই আরো বেশি নিশ্চিত হয়ে গেলেন, খুনটা সে-ই করেছে, নইলে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়েরের আগে কেন এতো সতর্ক হয়ে উঠলো।

    বেশ কয়েকটা দিন নিষ্ফলা কেটে যাবার পর একদিন দেখতে পেলাম বিহারি কাশেম নামের এক লোক থানায় এসে হায়দারভায়ের সাথে কথা বলে গেলো। অন্য একটা কাজে ব্যস্ত ছিলাম বলে তাদের কথাবার্তা তেমন একটা শুনতে পাইনি, তবে হায়দারভাই যে ইমতিয়াজের ব্যাপারে কথা বলছিলেন সেটা বুঝতে পেরেছিলাম।

    এর আগেও আমি বিহারি কাশেমকে কয়েকবার দেখেছি। লোকটা ঢাকা শহরের বেশ কয়েকটি থানায় ইনফর্মার হিসেবে কাজ করে। যেমনি ধুর্ত তেমনি ঘাগু। অন্যসব ইনফর্মাররা যেখানে একটি নির্দিষ্ট থানার নাড়িনক্ষত্রের খবর রাখে সেখানে এই লোক বলতে গেলে পুরো ঢাকা শহরের হাড়ির খবর রাখে। এটাই ওর একমাত্র পেশা। যতো খবর ততো ইনকাম

    “বিহারি কাশেমকে লাগিয়ে দিলাম, ও ঠিকই ইমতিয়াজের পাত্তা খুঁজে বের করতে পারবে।” ইনফর্মার লোকটা থানা থেকে চলে যাবার পর আমাকে বলেছিলেন এসএম হায়দার। “কতোদিন পালিয়ে থাকবে? ঠ্যালার নাম কাশেমবাবা!” কথাটা বলেই চোখ টিপে দিলেন তিনি।

    নড়চড়ে বসলাম আমি। “কাশেম! এই লোকই কি আপনার সেই কাশেমবাবা?”

    মাথা নেড়ে সায় দিলেন তিনি। “আমি মজা করে ঠ্যালার নাম বাবাজি না বলে কাশেমবাবা বলি কেন জানো? জীবনে আমি এই শালার মতো ফাঁপড় মারতে কাউকে দেখিনি।”

    বিহারি কাশেম কঠিন চিজ। এই ধুরন্ধর লোকটা পুলিশকে ভয় পয় না, মাঝেমধ্যে তাদেরকেও এমন ফাপড় দেয় যে, না দেখলে বিশ্বাস করা যাবে না। তবে এসএম হায়দারকে কেনজানি খুবই সমীহ করে।

    “কাশেম আপনাকে খুব মানে,” কথাটা না বলে পারলাম না, “এর কারণ কি?”

    একটা ভাবনায় ডুবে সিগারেটে টান দিয়ে বললেন তিনি, “যুদ্ধের পর পর ও মুক্তিবাহিনীর হাতে ধরা পড়েছিলো, আমি ওকে বাঁচিয়ে দিয়েছিলাম।”

    “ও কি কোলাবরেটর ছিলো?” রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস–জঘন্য নামগুলো কোলাবরেটর শব্দে প্রকাশ করা হতো তখন।

    “না।”

    “তাহলে?”

    “বিহারি ছিলো…শুধুই বিহারি।”

    কথাটা শুনতে যেমনই লাগুক, ৭১-এ বাঙালি-বিহারী সম্পর্কটা চিরশত্রুর মতো হয়ে উঠেছিলো। অনেক বিহারি বাঙালি-নিধনে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলো তখন, বিশেষ করে বিহারী অধ্যূষিত এলাকায় বাঙালিদের জন্য আজরাইলের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় তারা। সব যুদ্ধের মতো আমাদের মুক্তিযুদ্ধও ‘কোলাটেরল ড্যামেজ’ থেকে মুক্ত ছিলো না। অনেক নিরীহ বাঙালি যেমন এর শিকার হয়েছে তেমনি কিছু বিহারীও বেঘোরে মারা পড়েছে শুধুমাত্র বিহারি বলেই। এটা অস্বীকার করা যাবে না।

    যাই হোক, বিহারি কাশেম কয়েকদিন পরই তার ‘ঠ্যালা’ বুঝিয়ে দিলো। লেকু মিয়া নামের একজনের হদিস দিলো সে। মিলি খুন হবার আগে এই লেকু মিয়ার সাথেই নাকি ইমতিয়াজকে সব সময় দেখা যেত। ওকে ধরলে হয়তো জানা যাবে ইমতিয়াজ কোথায় আছে। লোকটা এখন তার সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে ধানমণ্ডিতে পাকিস্তানি ব্যবসায়ির পরিত্যক্ত এক বাড়িতে আস্তানা গেঁড়েছে। সরকার দলীয় প্রভাবশালী এক নেতা বাড়িটা নিজের দখলে রাখার উদ্দেশ্যে এটা করেছে। ঐ নেতার হয়েই কাজ করছে লেকু আর তার লোকজন।

    খবরটা পাওয়ামাত্রই হায়দারভাই আমাকে নিয়ে রওনা হয়ে গেলেন ধানমণ্ডির ঐ বাড়িতে।

    “বুঝেছো, তোমার দলের নেতারা দেশ স্বাধীন করে এখন ভাগ- বাটোয়ারায় ব্যস্ত,” পুলিশের জিপে বসতেই টিপ্পনি কাটলেন তিনি। “পাকিস্তানি ব্যবসায়িদের বাড়িগুলো কে কার আগে দখলে নিতে পারে সেটা নিয়ে কামড়া-কামড়ি লেগে গেছে। যারা মুক্তিযুদ্ধের সময় ‘ও আমার দেশের মাটি তোমার পরে ঠেকাই মাথা’ বলে কেঁদে ফেলতো তারাও এখন মাটি দখলে নেমে পড়েছে। বাকিদের কথা আর কী বলবো।”

    আমি ততোদিনে এরকম টিটকারিতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। হায়দারভায়ের এ কথায় কিছু বললাম না।

    “সারা দেশেই এমন হচ্ছে,” বলে চললেন তিনি। “এই এক ধানমণ্ডিতে কতো বাড়ি যে ঐ শালার চাটার দল দখল নিয়েছে তার কোনো হিসেব নেই!” ঘেন্নায় একদলা থুতু ফেললেন গাড়ির বাইরে।”

    “কিছু লোভি নেতার জন্য পুরো দলকে আপনি দায়ি করতে পারেন না, ‘ আস্তে করে বললাম আমি। যদিও এই যুক্তিটা বহুল ব্যবহারে জীর্ণ হয়ে পড়েছিলো ততোদিনে।

    “ছোটোভাই, এসব কথা বাদ দিয়ে নতুন কিছু থাকলে বলো,” তিক্তমুখে বললেন এসএম হায়দার। “একটা পরিবারে যদি আটজন ভালো মানুষ থাকার পরও দু-জন ইতর, বদমাশ থাকে তাহলে পুরো পরিবারটি বদনামের ভাগিদার হয়। কেন হয়? কারণ তুমি বদমাশকে প্রশ্রয় দিয়েছো। তাকে থামানোর চেষ্টা করছো না। লাখি মেরে তাকে তাড়িয়েও দিচ্ছো না।”

    আমি আবারো চুপ থাকার সিদ্ধান্ত নিলাম। ভালো করেই জানি আজিমপুর থেকে ধানমণ্ডির পথটা খুব অল্প সময়ের। জবাব না দিয়ে চুপ করে থাকাটাই আমার জন্য ভালো হবে। আমার বোবানীতির কারণে রাজনৈতিক পেচালে সুবিধা করতে পারলেন না হায়দারভাই।

    কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা চলে এলাম ধানমণ্ডি লেকের পাশে একটি দোতলা বাড়ির সামনে। গেটে কোনো দারোয়ান নেই। এলাকাটি একদম নির্জন। হায়দারভায়ের মতে এই এলাকায় মোট তিনটি বাড়ি সরকার দলের লোকজন দখল করে রেখেছে।

    গাড়ি থেকে নেমে মেইনগেটে জোরে জোরে টোকা মারলেন এসএম হায়দার। অনেকক্ষণ পর রোগাপটকা এক লোক গেট খুলে দিতেই ভিরমি খেলো আমাদের দেখে।

    “লেকু মিয়া আছে?” জানতে চাইলেন হায়দারভাই।

    “হ” বললো সেই লোক।”

    “সর্,” লোকটাকে সরে দাঁড়াতে বলেই হায়দারভাই আমাকে নিয়ে ঢুকে পড়লেন ভেতরে।

    বাড়ির সামনে এক চিলতে লন অযত্ন আর অবহেলায় নোংরা হয়ে আছে। দোতলার বারান্দায় দড়ি টানিয়ে লুঙ্গি, আন্ডারওয়্যার, শার্ট, গেঞ্জি ঝুলিয়ে শুকানো হচ্ছে। বাড়ির বর্তমান বাসিন্দাদের সামাজিক অবস্থান এতেই বোঝা গেলো—একদল লোক দখলদারের পক্ষ নিয়ে আসন গেঁড়েছে এখানে।

    “ওই কাঞ্চইন্যা…কে রে?” বাড়ির ভেতর থেকে লুঙ্গি পরা গাট্টাগোট্টা এক লোক এসে দাঁড়ালো আমাদের সামনে। তার চোখমুখে অবশ্য ভড়কে যাবার কোন চিহ্ন নেই। বিস্মিত সে। “আপনেরা?”

    “তোমার নাম কি লেকু মিয়া?” অনেকটা ধমকের সুরে জানতে চাইলেন হায়দারভাই।

    “হ।” তার চোখদুটো ধূর্ত শেয়ালের মতো। একবার আমার দিকে, আরেকবার হায়দারভায়ের দিকে তাকাচ্ছে। “এইটা কইলাম আমাগো লিডারের-”

    “জানি জানি,” লেকুর কথার মাঝখানে বাধা দিয়ে বলে উঠলেন এসএম হায়দার। “তোর লিডারে পেয়ারের বাড়ি নিয়ে আমাদের কোন মাথাব্যথা নেই।” তিক্তমুখে তুই-তোকারি করা শুরু করলেন তিনি।

    “তাইলে?” লেকুর কপালে ভাঁজ পড়লো। লোকটার চোখমুখ দেখে মনে হচ্ছে আমরা দু-জন অনধিকার প্রবেশ করেছি তাদের ‘আস্তানায়।”

    “আগে বল্, এখানে তোরা কে কে থাকিস?”

    “আ-আমি, কাঞ্চন আর শেখল,” একান্ত অনিচ্ছায় বলে উঠলো সে। বাড়ির চারপাশে চোখ বুলালেন হায়দারভাই। “আর কেউ না?”

    “না।” কথাটা বলতে গিয়ে কেমন যেন করলো লেকু। “আপনারা কারে চান, কন তো?”

    “ইমতিয়াজ।” বলেই তিনি বাড়ির দিকে পা বাড়ালেন। লেকু আর আমিও তার সঙ্গে সঙ্গে এগিয়ে গেলাম।

    “ই-ইমতিয়াজ তো এইহানে-”

    “থাকে না?” হাটতে হাটতেই আবারো লেকুর কথার মাঝখানে বাধা দিয়ে বললেন হায়দারভাই।

    “না, থাকে না,” জোর দিয়ে বললো সে।

    “হুম।” বাড়িটার বারান্দার সামনে এসে দাঁড়ালেন এসএম হায়দার। “তাহলে ইমতিয়াজ এখন কোথায় থাকে?”

    একেবারে আকাশ থেকে পড়লো যেন লেকু মিয়া। “ও কই থাকে আমি কেমনে জানমু?”

    এবার লোকটার দিকে ফিরে তাকালেন তিনি। “ইয়ার-দোস্ত কই থাকে তুই জানিস না?” মুচকি হাসলেন। “নাকি বলবি, ইমতিয়াজ নামের কাউকে চিনিসই না?”

    লেকু বুঝে উঠতে পারলো না কী বলবে। ভুরু কুচকে চেয়ে রইলো সে। “ও-ওরে আমি চিনি, কিন্তু ও আমাগো লগে থাকে না।”

    “যাক, তাহলে চিনিস,” বললেন হায়দারভাই। “তোরা কোন্ ঘরে থাকিস?”

    প্রশ্নটা শুনে লেকু মিয়া একটু অবাক হলো। “দুতলায়,” সংক্ষেপে জানালো সে। আঙুল তুলে দেখিয়ে দিলো।

    “আর শেখুল, সে কই?”

    “দুতলায়।”

    আমার দিকে তাকালেন হায়দারভাই। “চলো।” কথাটা বলেই লেকু মিয়াকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ির ভেতরে চলে গেলেন তিনি। আমিও তার পেছন পেছন ছুটলাম।

    ডুপ্লেক্স বাড়ির ভেতরটা পুরোপুরি নোংরা। তেমন কোনো আসবাবপত্র চোখে পড়লো না। ফ্লোর আর সিঁড়িটা মোজাইক করা। আমরা সিঁড়ি দিয়ে দোতলায় চলে গেলাম। ছোট্ট একটা হলওয়ে পেরিয়ে দরজা খোলা একটি রুমের সামনে দাঁড়ালেন হায়দারভাই।

    “এটা?”

    “হ,” বললো লেকু মিয়া।

    ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়লেন এসএম হায়দার, তার পেছন পেছন আমি। ঘরটা বলতে গেলে ফাঁকা। মেঝেতে একটি পুরনো শীতল পাটি বিছানো, তাতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে তাস। সিগারেটের গন্ধে ভরে আছে ঘরটা। একটা ভাঙা চায়ের কাপ অ্যাস্ট্রে হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। কাপ ভর্তি সিগারেটেরে উচ্ছিষ্ট। সম্ভবত আমরা আসার আগে লেকু মিয়ারা তাস খেলছিলো।

    লেকুর দিকে ফিরলেন এসএম হায়দার। হোলস্টার থেকে পিস্তলটা বের করে হাতে নিয়ে নিলেন তিনি। দাঁতে দাঁত পিষে লোকটার দিকে তাকালেন। “পুলিশের সাথে ফাজলামি করিস! ইমতিয়াজ কই?”

    তার কথা শুনে লেকুর মতো আমিও ভড়কে গেলাম। হায়দারভাই কী করে বুঝলেন এখানে ইমতিয়াজ আছে? নাকি ফাপড় দিয়ে কথা বের করার চেষ্টা করছেন?

    “কইলাম না, এইহানে থাকে না।” কথাটা বলেই ঢোক গিললো গাট্টাগোট্টা লোকটি।

    “শূয়োরেরবাচ্চা!” বলেই একটা চড় মেরে বসলেন হায়দারভাই।

    চড় খেয়ে রীতিমতো বিস্ফারিত চোখে চেয়ে রইলো লেকু।

    “চারজনে মিলে তাস খেলছিলি…অন্য একজন কই, অ্যাঁ?”

    হায়দারভায়ের কথা শুনে আমি শীতল পাটির দিকে তাকালাম আবার। চারজন মানুষ যে তাস খেলছিলো সেটা এবার চোখে ধরা পড়লো। পাটির চারদিকে চার পেটি তাস, বাটা শেষ করে খেলা শুরু করেছিলো মাত্র।

    “কই?”

    ঠিক এমন সময় বারান্দা থেকে ঘরের ঢুকলো পঁচিশ-ছাব্বিশ বছরের এক যুবক। বাবরি চুল আর পুরু গোঁফ। চোখদুটো লালচে। আমাদের দেখে আলগোছে ঢোক গিললো সে।

    “তুই কে?” ঝাঁঝের সাথে বললেন হায়দারভাই। “আ-আমি শেখুল,” তোতলালো সেই যুবক। “ইমতিয়াজ কই?”

    হায়দারভায়ের প্রশ্নটা শুনে ঢোক গিলে লেকু মিয়ার দিকে তাকালো শেখুল।

    “আরে শূয়োরেরবাচ্চা, ওর দিকে তাকাস কেন? আমার কথার জবাব দে!” চটে গেলেন তিনি।

    “আ-আপনেরা আসার আগেই পলাইছে!”

    ভুরু কুচকে তাকালেন এসএম হায়দার। “ও এখানে ছিলো?”

    মাথা নেড়ে সায় দিলো ছেলেটা।

    “আমরা যে আসছি ও এখান থেকে কিভাবে বুঝলো, অ্যাঁ?”

    “বারিন্দা থেইকা দেখছে।”

    হায়দারভাই সঙ্গে সঙ্গে বারান্দায় চলে গেলেন। নিচের দিকে তাকিয়ে মেইনগেটটা দেখতে পেলেন তিনি। বুঝতে পারলেন, এখান থেকে ইমতিয়াজ আমাদের দেখেই ভেগেছে।

    “কোন্ দিক দিয়ে পালিয়েছে?” চট করে লেকুর দিকে ফিরে বললেন। পিস্তল উঁচিয়ে ধরলেন লোকটার মুখের কাছে। “বল্!”

    “পি-পিছনের দেয়াল দিয়া-

    হায়দারভাই আর পুরো কথাটা শোনার জন্য অপেক্ষা করলেন না। আমাকে নিয়ে দৌড়ে সিঁড়ি দিয়ে নীচে নেমে গেলেন।

    বাড়ির পেছনদিকে এক চিলতে খালি জায়গা, সম্ভবত এর মালিক এখানে বাগান করেছিলো কিন্তু এখন সেটা আগাছায় পরিপূর্ণ। প্রচুর ভাঙাচোরা জিনিসপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। ফুলের কোনো গাছ আর অবশিষ্ট নেই, তবে বড় বড় বেশ কয়েকটি নাম না-জানা গাছ দাঁড়িয়ে আছে দেয়াল ঘেষে। আটফুট উঁচু সীমানা প্রাচীর কিন্তু হতাশার সাথেই আমরা আবিষ্কার করলাম, সেটা টপকে যাওয়া তেমন কঠিন কিছু না-একটা পরিত্যক্ত সাদা রঙের টয়োটা কোরোলা পড়ে আছে সেই দেয়াল ঘেঁষে। ওটার ছাদের উপর উঠে দাঁড়ালে যেকোনো প্রাপ্তবয়স্ক লোকের পক্ষে দেয়ালটা টপকানো খুবই সহজ।

    হায়দারভাই পিস্তল হাতে গাড়িটার উপরে উঠতেই থমকে গেলেন। আক্ষেপে মাথা দোলালেন তিনি। গাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে দেয়ালের ওপাশটা স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছেন। আমি তখনও গাড়ির নীচে দাঁড়িয়ে আছি।

    “কি হয়েছে?”

    আমার প্রশ্নে ফিরে তাকালেন। দাঁতে দাঁত পিষে বললেন, “ভেগেছে!” গাড়ির ছাদ আর বুটের দিকে নজর দিলেন তিনি। শীতকাল বলে ধুলোর আস্তরণ পড়ে আছে তাতে। “দেখো!” বুটের দিকে ইঙ্গিত করলেন।

    আমি দেখতে পেলাম ধুলোর আস্তরণে কিছু পায়ের ছাপ। একটু আগে কেউ গাড়িটার উপরে উঠেছিলো।

    রেগেমেগে গাড়ি থেকে নেমে এলেন হায়দারভাই। আমার দিকে তাকালেন। তার চোখেমুখে হতাশা দেখতে পেলাম। সত্যি বলতে আমি নিজেও হতাশ হয়েছিলাম খুব। এভাবে হুট করে ইমতিয়াজকে পেয়েও হাতছাড়া করবো সেটা আশা করিনি।

    লেকু, কাঞ্চন আর শেখুলকে আরো কিছুক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করে তেমন কিছু জানা গেলো না। একসঙ্গে থাকলেও ইমতিয়াজ সম্পর্কে খুব বেশি কিছু বলতে পারলো না তারা। যতোটুকু বোঝা গেলো, লেকু আর ইমতিয়াজ এক সঙ্গে ঘোরাঘুরি করে। এখানে সেখানে চাঁদাবাজি করে, সম্ভবত রাত-বিরাতে ভাসমান পতিতা নিয়ে এসে মউজ-ফূর্তি করে এখানে।

    লেকু আরো জানালো, সপ্তাহ দুয়েক আগে ইমতিয়াজ এসে তাকে বলেছিলো এই বাড়িতে সে কয়েকদিন থাকবে। তার বাড়িতে নাকি কী একটা সমস্যা হয়েছে। এ নিয়ে লেকু কিছু জিজ্ঞেস করেনি। তারা মাত্র তিনজন প্রাণী বাড়িটাতে থাকে, আরেকজন যোগ দিলে ভালোই হবে, তাস খেলার পার্টনার পাওয়া যাবে।

    হায়দারভাই আমাকে নিয়ে আবারো চলে গেলেন দোতলায়। তার উদ্দেশ্যটা বুঝতে পারলাম, ইমতিয়াজ যে ঘরে থাকে সেখানে ভালোমতো তল্লাশি চালাবেন। খুব দ্রুত আর তাড়াহুড়ো করে সে ভেগেছে, নিশ্চয় অনেক কিছু রেখে গেছে ঘরে। ইমতিয়াজের ঘরে ঢুকেই চারপাশে চোখ বুলাতে শুরু করলেন তিনি। তার চোখ ঘরের বিভিন্ন অংশে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

    একটা সিঙ্গেল খাট, উন্মুক্ত ময়লা ম্যাট্রেস আর বালিশ। যথারীতি এই ঘরটাও নোংরা। ঘরে আর কোনো আসবাব নেই।

    পুরো ঘরে তল্লাশি চালালেও তেমন কিছুই পেলাম না। এটা ইমতিয়াজের অস্থায়ি আস্তানা। আপদকালিন আবাস। প্রয়োজনীয় কিছু কাপড়-চোপর ছাড়া ঘরে কিছুই নেই। ইমতিয়াজের দুটো শার্ট, একটা প্যান্ট, স্যান্ডো গেঞ্জি আর আন্ডারওয়্যার দেয়ালে পেরেক গেঁথে হ্যাঙ্গারে টাঙানো আছে।

    ঠিত তখনই ঘরের এককোণে কালো রঙের একটি ছাতা দেখতে পেলাম আমি। হায়দারভায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি মাথা নেড়ে সায় দিলেন।

    আলামত!

    তল্লাশি যখন প্রায় শেষ তখন কী মনে করে যেন ইমতিয়াজের শার্ট আর প্যান্টটা হ্যাঙ্গার থেকে নামিয়ে নিলেন হায়দারভাই। পকেটে হাত ঢুকিয়ে খুঁজে দেখলেন। প্যান্টের বাম পকেট থেকে সিনেমার টিকেটের মতো একটা দোমড়ানো মোচড়ানো কাগজ বের করে আনলেন তিনি। কাগজটা মেলে ধরে দেখলেন ওটা সিনেমার টিকেট নয়। দরজার দিকে ফিরে লেকু মিয়ার দিকে তাকালেন এবার। লোকটা চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে।

    “ইমতিয়াজ কি ফুটবল খেলা দেখতে গেছিলো কয়েকদিন আগে?”

    “হ। নতুন টিম আবাহনীর কুনো খেলা মিস্ করে না। কঠিন সাপোর্টার।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজোনাকির রঙ – সায়ক আমান
    Next Article বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    Related Articles

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    দ্য দা ভিঞ্চি কোড – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    অরিজিন – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেমেসিস (বেগ-বাস্টার্ড – ১) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    কন্ট্রাক্ট (বেগ-বাস্টার্ড ২) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেক্সাস (বেগ-বাস্টার্ড ৩) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }