Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এক পাতা গল্প311 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কেউ কেউ কথা রাখে – ২০

    অধ্যায় ২০

    হঠাৎ করেই রামজিয়ার সঙ্গে দেখা করার আরেকটি উপলক্ষ পেয়ে গেছিলাম ওর দেয়া গ্রাহাম গ্রিনের বইটা চোখে পড়ার পর। কষ্ট করে হলেও ইংরেজি বইটা পড়ে শেষ করেছিলাম আমি কিন্তু ফেরত দিতে ভুলে গেছিলাম।

    তার সাথে দেখা করা, কথা বলা আর একটু সময় কাটানোর আশায় ওদের বাড়িতে গিয়ে দেখি প্রচুর লোকজনের আনাগোনা। এর আগে যে দু- বার গেছি, পুরো বাড়িটা সুনসান দেখেছি। ফলে একটু ভড়কে গেলাম। আমাকে দেখে দারোয়ান অবাক না হলেও বাড়ির ভেতরে থাকা কয়েকজন লোক নিশ্চই অবাক হয়েছিলো আমার পরনে পুলিশের ইউনিফর্ম দেখে। বাড়িতে পুলিশের উপস্থিতি কে-ই বা কামনা করে!

    অযাচিত মেহমানের মতো মেইনগেটের ভেতরে দাঁড়িয়ে রইলাম আমি, রামজিয়াকে দেখতে পেলাম না। দারোয়ান যদিও বললো ভেতরে চলে যেতে কিন্তু আমার পা দুটো বিশাল বারান্দার সামনে গেঁথে রইলো।

    “কাকে চাই?” উদ্বিগ্ন চোখে মাঝবয়সি এক লোক আমার দিকে এগিয়ে এলেন।

    “জি, রামজিয়ার কাছে এসেছিলাম,” কোনোমতে বলতে পেরেছিলাম আমি।

    উদ্বিগ্ন মুখটা আরো বেশি উদ্বিগ্ন হয়ে উঠলো আমার কথা শুনে। সেই সাথে যোগ হলো বিস্ময়। “কি দরকারে?!”

    আমি বোকার মতো বইটা বাড়িয়ে দিলাম ভদ্রলোকের দিকে। “এই যে…এটা দিতে এসেছি।”

    ভদ্রলোকের চেহারাটা দেখার মতো হয়েছিলো। পুলিশের এক অ্যাসিসটেন্ট সাব-ইন্সপেক্টর ইংরেজি নভেল ফেরত দিতে এসেছে তাদের বাড়ির একমাত্র মেয়ের কাছে! ব্যাপারটা হজম করতে যেন বেগ পাচ্ছিলেন ভদ্রলোক।

    এমন সময় রামজিয়া এসে পড়লো সেখানে।

    “আরে, আপনি?” স্মিত হেসে পরিচয় করিয়ে দিলো ভদ্রলোকের সাথে। সম্পর্কে তার কাকা হয়। আমি যে মিলির কেসটা নিয়ে তদন্ত করছি সেটা জানিয়ে দিলো।

    “ও, আচ্ছা,” ভদ্রলোক আর কিছু না বলে বাড়ির ভেতরে চলে গেলেন কিন্তু তার চোখেমুখে বিস্ময় একটুও কমলো না।

    “আপনি কি আমাকে ফোন করেছিলেন?”

    রামজিয়ার এ কথায় মাথা দোলালাম। “না, মানে…এখান দিয়ে যাচ্ছিলাম, ভাবলাম বইটা দিয়ে যাই।”

    ‘ও,” বইটা হাতে নিয়ে হেসে বললো। তার মধ্যে লাজুক একটি অভিব্যক্তি দেখতে পাচ্ছিলাম তখন। “ইয়ে…মানে, আজ তো বাড়িতে একটা প্রোগ্রাম আছে… অনেক লোকজন।

    “হ্যা, আমিও বুঝতে পারছিলাম এরকম কিছু হবে,” বললাম তাকে। “ভেতরে আসুন? এক কাপ চা?…”

    আমি ভালো করেই জানতাম এটা নিতান্তই সৌজন্যতার খাতিরে বলা।

    “না, না। তার কোনো দরকার নেই। আমার কাজ আছে। আর আপনার বাড়িতে আজ প্রোগ্রাম হচ্ছে…আরেকদিন এসে চা খেয়ে যাবো।”

    নিঃশব্দে হাসলো সে। “তাহলে আরেকদিন আসবেন কিন্তু?”

    “আচ্ছা,” কথাটা বলেই আমি তাদের বাড়ি থেকে বের হয়ে গেলাম। বাড়ির পরিবেশ দেখে কেমন একটা খটকা লাগছিলো। গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে আবারো ফিরে তাকালাম। কারোর জন্মদিন?

    কৌতুহল চেপে রাখতে না পেরে দারোয়ানকে জিজ্ঞেস করে বসলাম। “আপারে ছেলেপক্ষ দেখতে আসবো,” হাসিমুখে জানালো সে। “ছেলে বিলাত ফেরত… বিরাট বড় লোক।”

    কথাটা শোনামাত্র আমার বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠলো। কেমন হাহাকার করে উঠলো বোঝাতে পারবো না। রামজিয়া শেহরিনের বিয়ে হয়ে গেলে আমার কী? আমার কেন এমন হচ্ছে? এ প্রশ্নের কোনো উত্তর খুঁজে পেলাম না। সচেতন আমি ঘুণাক্ষরেও রামজিয়া শেহরিনের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির স্বপ্ন দেখি না। আমাদের দু-জনের মধ্যে এমন কিছু হয়নিও। আর দু- জনের যোজন যোজন দূরত্বের কথা আমার ভালো করেই জানা ছিলো। রামজিয়ার সহজ-স্বাভাবিক আচরণ হয়তো আমাকে লোভি করে তুলেছিলো। হয়তো আমার অবচেতন মন সমস্ত যুক্তিবুদ্ধির বাইরে গিয়ে ভাবতে শুরু করে দিয়েছিলো।

    মাথা থেকে চিন্তাটা ঝেড়ে ফেলে একটা সিগারেট ধরিয়ে হনহন করে হাটতে শুরু করলাম আমি। একটা ঘোরের মধ্যে হাটতে হাটতে কখন যে নিজের বাড়ির কাছে পৌঁছে গেছিলাম টেরই পাইনি।

    পরবর্তি দু-তিনদিন আমি মনমরা হয়ে ছিলাম। ব্যাপারটা হায়দারভায়ের চোখ এড়ায়নি। তিনি বেশ কয়েকবার জানতে চেয়েছিলেন এর কারণ কি, আমি প্রতিবারই এড়িয়ে গেছি, মিথ্যে বলেছি। বাবা-মা’র কথা খুব মনে পড়ছে-এরকম বিশ্বাসযোগ্য একটি মিথ্যে হায়দারভাইকে সন্তুষ্ট করতে পেরেছিলো। তিনি হয়তো ভেবেছেন, অকালে পিতা-মাতা হারানোর একটি ছেলে মাঝেমধ্যে বাবা-মায়ের কথা মনে করে মনমরা হয়ে থাকবে, এটা খুবই স্বাভাবিক।

    পাঁচদিন পর বলা নেই কওয়া নেই হুট করে থানায় এসে হাজির হলো রামজিয়া। আমার কলিগদের ভুরু কপালে উঠে গেলো। বাঁকাচোখেও তাকালো কেউ কেউ। ভাগ্য ভালো, বেলবটম আর শার্ট পরে আসেনি, তখনকার বাঙালি মেয়েদের মতোই কামিজ আর চুড়িদার পরেছে।

    “এই তো, এখান দিয়েই যাচ্ছিলাম, ভাবলাম আপনার বইটা ফেরত দিয়ে যাই। ঐদিন আসলে খেয়াল ছিলো না।”

    আমি বোকার মতো হাসতে লাগলাম কেবল। তাকে যে বসতে দেবো সে খেয়াল নেই। বার বার আশেপাশে থাকা আমার কলিগদের দিকে চোখ চলে যাচ্ছিলো। তাদের সবার দৃষ্টি আটকে আছে রামজিয়া শেহরিনের দিকে।

    “আমি কিন্তু কাল আপনাকে ফোন করেছিলাম,” সে জানালো, “কেউ একজন বললো আপনি বাইরে আছেন।

    “ক্-কখন?” একটু তোতলালাম আমি।

    “এই তো…বিকেল পাঁচটার দিকে?”

    গতকাল বিকেল চারটার পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আমি থানায়ই ছিলাম। সুতরাং বুঝতে অসুবিধা হলো না আমার ঈর্ষাকাতর কলিগদের কেউ এটা করেছে। বাঙালির ঈর্ষা—এর চেয়ে ভয়ানক অসুখ কমই আছে। শুধুমাত্র রিনিঝিনি একটি নারীকণ্ঠই তাদেরকে যেরকম ঈর্ষায় আক্রান্ত করেছে তাতে করে আজকে সামনাসামনি দেখার পর কী হবে কে জানে!

    রামজিয়া তার প্রবল ব্যক্তিত্ব আর তারচেয়েও তীব্র সৌন্দর্য নিয়ে আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। আর আমি এই থানার সামান্য একজন এএসআই, আড়ালে আবডালে লোকজন যাদেরকে ঠোলা বলে গালি দেয়।”

    তো, আমার মনের একটা অংশ বলছিলো, সম্ভবত নিজের বিয়ের পাকা খবরটা দেবার জন্য থানায় চলে এসেছে, বই ফেরত দেবার ব্যাপারটা উসিলামাত্র। ঠিক যেমনটি আমি বই ফেরত দেবার ছলে তার সঙ্গে দেখা করতে গেছিলাম! মানুষ তো নিজেকে দিয়েই বিচার করে-তাই না?

    সম্বিত ফিরে পেতেই দেখি স্টাইলিশ ভ্যানিটি ব্যাগের জিপার খুলছে সে। আমি তাকে তখনও বসতে বলিনি। মূর্তিমান এক বোকা হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম।

    “এই নিন, আপনার বই।” বাঙালী জীবনে রমণী বাড়িয়ে দিলো আমার দিকে। কিন্তু আমার দৃষ্টি-আগ্রহ সত্যিকারের রমণীতে!

    বইটা হাতে নিয়ে বুঝতে পারলাম অভদ্রের মতো তাকে বসতে না বলে আমিও দাঁড়িয়ে আছি। “বসুন,” বললাম তাকে।

    “আমার মনে হয় আপনারা ভীষণ ব্যস্ত আছেন। তাছাড়া এখানে বসাটা ঠিক হবে না।”

    “আশ্চর্য, এটা বলছেন কেন?” আমি মৃদু প্রতিবাদ করলাম।

    “সত্যি বলতে, আমি এর আগে কখনও থানায় ঢুকিনি। এই প্রথম।” কথাটা বলে সে কী বোঝালো বুঝতে পারলাম না।

    “আজ আসি…পরে কথা হবে।”

    এ কথার জবাবে আমি শুধু মাপা হাসি দিতে পেরেছিলাম। যেন মৌনতাই সম্মতির লক্ষণ। দ্বিতীয়বার তাকে বসার জন্য আর অনুরোধ করিনি। যদিও এটা করাই আমার উচিত ছিলো। আসলে আমি চাইছিলাম সে তাড়াতাড়ি চলে যাক। তার বাড়ির ড্রইংরুমে বসে আড্ডা দেয়া, কিংবা নিউ মার্কেটের কফিশপে বসে কফি খেতে বেশ লাগে কিন্তু থানার ভেতরে ঈর্ষাকাতর কলিগদের মাঝে তাকে নিয়ে প্রচণ্ড অস্বস্তি বোধ করছিলাম।

    “‘আত্মঘাতী বাঙালী’ পড়েছেন?” বোকার মতোই বলে ফেললাম আমি। “ওটাও নীরদচন্দ্র চৌধুরির বই।”

    “এই বইটার সিকুয়েল নাকি?” আমার হাতে থাকা বাঙালী জীবনে রমণী’র দিকে ইঙ্গিত করলো সে।

    “ঠিক তা নয়, তবে এরকম তিনটি সাবজেক্ট নিয়ে তার তিনটি বই আছে।”

    “আরেকটা কি?”

    “আত্মঘাতী রবীন্দ্রনাথ।”

    “ওয়াও,” শব্দটা সে এমনভাবে উচ্চারণ করলো যেন রবীন্দ্রনাথ সত্যি সত্যি আত্মঘাতী হলেও সে-খবর আজ দীর্ঘদিন পর নতুন করে আবিষ্কৃত হয়েছে! কিংবা রবীন্দ্রনাথের আত্মঘাতি হওয়াটা খুবই মজার কোন ঘটনা!

    আমি বুঝতে পারলাম, থানার মধ্যে বই নিয়ে কথা বলাটা ঠিক হয়নি।

    “আপনার কাছে আছে?” আগ্রহভরে জানতে চাইলো সে।

    মাথা নেড়ে সায় দিলাম।

    “তাহলে আমাকে ওটা দিয়েন…পড়বো।”

    “আচ্ছা,” মুচকি হেসে বললাম তাকে। তারপর ভদ্রতার খাতিরে থানার মেইন গেট পর্যন্ত পৌঁছে দেবার জন্য বের হয়ে গেলাম। কথা দিলাম দুয়েকদিনের মধ্যেই তাকে ‘আত্মঘাতী’ দিয়ে আসবো। তার বাসার সামনে দিয়ে প্রায়ই আমাকে যেতে হয়, সুতরাং যাবার পথে বইটা দিয়ে যাওয়া আমার জন্য কোনো সমস্যাই হবে না-এমন মিথ্যে অজুহাত দাঁড় করিয়ে আরেকবার তার সান্নিধ্য পাবার সুযোগটা পাকাপোক্ত করে ফেললাম।

    “কি মিয়া, একেবারে থানায় চলে এসেছিলো নাকি?”

    রামিজয়া চলে যাবার একটু পর হায়দারভাই থানায় এসেই আমার টেবিলের উপর ঝুঁকে চোখেমুখে যতোটা সম্ভব ইঙ্গিতপূর্ণ অভিব্যক্তি হেনে বললেন।

    “আপনিও দেখি ওদের মতোই করছেন,” বললাম আমি।

    “ওদের আর কী দোষ বলো, চোখের সামনে এরকম একজনকে দেখলে ঘাড় ঘুরিয়ে তো দেখবেই।”

    “আমার তো মনে হচ্ছে একেকজন ঈর্ষায় মরে যাচ্ছে।” কথাটা না বলে পারলাম না। অবাক হয়ে আবিষ্কার করলাম, এই ব্যাপারটা, মানে, কলিগদের ঈর্ষার বিষয়টি আমি খুব উপভোগ করছি। ঈর্ষা খারাপ হতে পারে কিন্তু ঈর্ষার শিকার হওয়াটা নেহায়েত মন্দ নয়। সম্ভবত, কখনও কখনও সবচাইতে উপভোগ্য জিনিস!

    “জানেন, ও আমাকে ফোন করেছিলো কাল বিকেলে…কেউ একজন ফোন ধরে বলে দিয়েছে আমি থানায় নেই। অথচ কাল সারাটা বিকেল আমি এখানে!” অনুযোগের সুরে বললাম।

    ঠোঁট উল্টে মাথা নেড়ে সায় দিলেন হায়দারভাই। “খুব খারাপ! ভীষণ অন্যায়।”

    তার কথার ভঙ্গি আমাকে হতাশ করলো। “আপনি তো দেখি মজা নিচ্ছেন।”

    “ব্রাদার, রমণী তো জীবনে ঢুকেই পড়েছে, এখন এসব বই পড়ে কী লাভ!”

    আমি সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পারলাম আমার হাতে ‘বাঙালী জীবনে রমণী’ প্রকটভাবেই উন্মুক্ত। বইটা টেবিলের ড্রয়ারে রেখে দিলাম।

    “আশ্চর্য, আপনি এসব কী বলেন!” আমি হায়দারভায়ের ঠাট্টায় যারপরনাই বিব্রত।

    “নীরদবাবু একখান বই লিখেছে বটে! বই পড়লেই জীবনে রমণীর আগমণ ঘটে যায়।”

    আমি মাথা দুলিয়ে গেলাম, কিছু বললাম না।

    “ভাই, আমাকে এমন একটা বই দাও না, যেটা পড়লে তোমার ভাবির সাথে আর ঝগড়াঝাটি হবে না। আমার প্রেমে মশগুল হয়ে যাবে সে।”

    আমি বাঁকাহাসি দিয়ে বললাম, “এরজন্যে কষ্ট করে শতশত পৃষ্ঠার বই পড়ার দরকার কি? আমার দুটো উপদেশ শোনেন, কাজ হয়ে যাবে।

    আমার দিকে সপ্রশ্ন দৃষ্টিতে তাকালেন তিনি।

    “প্রথম উপদেশ, মদ খাওয়া ছেড়ে দেন।”

    হাত নেড়ে বাতিল করে দিলেন হায়দারভাই।

    “দ্বিতীয় উপদেশ, মাথাটা একটু ঠাণ্ডা রাখেন। সেক্ষত্রে নিদ্রাকুসুম তেল ব্যবহার করতে পারেন। দরকার হলে আমি কয়েক বোতল সাপ্লাই দেবো।” হা-হা-হা করে হেসে উঠলেন সিনিয়র সাব-ইন্সপেক্টর। “প্রেমে পড়ে দেখি কথাও শিখে গেছো!”

    “আশ্চর্য!” প্রতিবাদ করে উঠলাম আমি। “মাথা-টাথা কি খারাপ হয়ে গেছে নাকি? ঐ মেয়ের সাথে আমার টুকটাক কথাবার্তা হয়…দুয়েকটা বই বিনিময় হয়েছে…এই যা।” একটু থেমে আবার বললাম, “আমার মতো সামান্য ঠোলার সাথে ঐ মেয়ে…” মাথা দোলালাম আমি, “আমি তো দু- বোতল মদ খেয়েও এমন আজগুবি চিন্তা করতে পারবো না। আপনার মাথায় এসব ঢোকে কী করে?”

    মুচকি হাসলেন হায়দারভাই। “ব্রাদার, যুক্তিতত্ত্ব দিয়ে কোনো কালেই প্রেম হয়নি, হবেও না। আমি যেটা বলতে চাইছি সেটা শোনো। ঐ মেয়ের কথা আমি জোর দিয়ে বলতে পারবো না। তবে আমি আমার ছোট্ট ভাইটার কথা বলতে পারি। সে প্রেমে পড়েছে। ঐ আপ-টু-ডেট ছুকরির প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে সে। ভেতরে ভেতরে…গোপনে গোপনে!”

    “ধুর!” বলেই আমি উঠে চলে গেলাম।

    “কই যাও?” পেছন থেকে আমাকে ডাকলেন তিনি।

    “বাথরুমে,” ঘাড় ঘুরিয়ে কথাটা বলেই থানার নোংরা বাথরুমের দিকে

    পা বাড়ালাম। আসলে পালালাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজোনাকির রঙ – সায়ক আমান
    Next Article বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    Related Articles

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    দ্য দা ভিঞ্চি কোড – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    অরিজিন – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেমেসিস (বেগ-বাস্টার্ড – ১) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    কন্ট্রাক্ট (বেগ-বাস্টার্ড ২) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেক্সাস (বেগ-বাস্টার্ড ৩) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }