Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এক পাতা গল্প311 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কেউ কেউ কথা রাখে – ২২

    অধ্যায় ২২

    থার্টিফাস্ট আর হুইস্কি

    বছর শেষ, সকাল হলেই নতুন বছর ১৯৭৫-এ পদার্পন করবো আমরা। নতুন বছরের ঠিক আগের রাতে থার্টি ফার্স্ট বলে যে কিছু একটা আছে সেটা আমার মতো গ্রামে বেড়ে ওঠা কারোর পক্ষে কেন, সত্যি বলতে ঐ সময়ে ঢাকা শহরের বেশিরভাগ মানুষের কাছেই ছিলো অজানা।

    এই শব্দটা আমি প্রথমে শুনি রামজিয়া শেহরিনের মুখে। নতুন বছরের আগের দিন শেষ বিকেলে, চারপাশে যদিও তখন গাঢ় অন্ধকার নামতে শুরু করেছে শীতকাল বলে, আমি আমার ডেস্কে বসে চা খাচ্ছিলাম নাইট শিফট করার প্রস্তুতি হিসেবে, ঠিক তখনই এক কনস্টেবল আমাকে বললো, এক ভদ্রমহিলা ফোন করেছে। কথাটা শুনেই বুঝে গেছিলাম কে হতে পারে। উঠে গিয়ে থানার ভেতরে যে ফোনটা আছে সেটা তুলে নিলাম।

    ফোনে আমার কণ্ঠটা শুনেই উৎফুল্ল ভঙ্গিতে বলে উঠলো সে, “হ্যালো, কেমন আছেন?”

    “এই তো ভালো। আপনি কেমন আছেন?”

    “আমি তো খুবই ভালো আছি।”

    তার এত ভালো থাকার কারণটা কি জানতে চেয়েও জিজ্ঞেস করলাম না।

    “সেই যে গেলেন আর তো কোনো খবর নেই আপনার।”

    “না, মানে…খুবই ব্যস্ত ছিলাম।”

    “আজ বছরের শেষ দিন, জানেন তো?”

    কয়েক মুহূর্তের জন্য আমার মনে হয়েছিলো আগামিকাল কি পহেলা বৈশাখ? পরক্ষণেই বুঝতে পেরেছিলাম, আজ ৩১ শে ডিসেম্বর। ইংরেজি বছরের শেষ দিন। আগামিকাল সকাল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে নতুন বছর!

    “ও, হ্যা…তাই তো,” বললাম আমি।

    “আজ কি আপনার নাইট-শিফটে ডিউটি আছে?”

    একটু অবাক হলাম কথাটা শুনে। আমার নাইট-শিফটের ডিউটির কথা জানতে চাইছে! “হ্যা…কেন?”

    “ওফ্, একটু হতাশ মনে হলো তাকে। “আজ যদি আপনার নাইট- শিফটের ডিউটি না থাকতো তাহলে ভালো হতো।”

    “কেন?” আমি বুঝতে না পেরে আবারো প্রশ্ন করলাম।

    “আমরা কাজিন আর বন্ধুরা মিলে বাসায় থার্টিফার্স্ট করবো আজ। সারা রাত ফান করবো। অনেক খাওয়া-দাওয়া হবে।”

    “থার্টি ফার্স্ট?!” কথাটা আমার মুখ দিয়ে বের হয়ে গেলো।

    “হুম। থার্টিফার্স্ট নাইট। ভাবলাম, আপনাকে ইনভাইট করি।” আমাকে ইনভাইট করতে চাইছে? নিজের কানকেও বিশ্বাস করতে কষ্ট হলো।

    “ওদেরকে বলেছিলাম আপনি কিভাবে মিলির কেসটা ইনভেস্টিগেট করে ইমতিয়াজকে ধরেছিলেন। ওরা তো খুবই ইন্টারেস্টেড আপনার সাথে পরিচিত হবার জন্য।”

    এবার বুঝতে পারলাম দাওয়াত দেবার মাজেজা। কিন্তু মিলির কেসটা যে হায়দারভাই তদন্ত করছেন সে-কথা এই মেয়েকে যতোই বলি না কেন, তার দৃঢ় বিশ্বাস কাজের কাজটা আমিই করেছি।

    “একটু চেষ্টা করে দেখেন না…আসলে ভালো হতো।” আমি চুপ মেরে আছি বলে বললো সে।

    “ইয়ে মানে…কখন?”

    “এগারোটার পর চলে আসুন।”

    কথাটা শুনে ভিরমি খেলাম। রাত এগারোটা! বলে কী! ঐ সময় তো মানুষজন অনুষ্ঠান শেষ করে যার যার বাড়িতে ফিরে যায়।

    “আসলে, তখন তো ডিউটিতে থাকতে হবে। আটটা-নয়টা হলে একটু চেষ্টা করে দেখতাম।”

    অনেকদিন পর বুঝতে পেরেছিলাম, আমার এ কথা শুনে রামজিয়া নিশ্চয় মুখ চাপা দিয়ে হেসেছিলো। থার্টি ফার্স্ট কোনো বিয়ে কিংবা জন্মদিনের অনুষ্ঠানও নয় যে আটটা-নয়টায় শুরু হবে। আমি যে এসব বিষয়ে নাচার সেটা ধরতে পেরেছিলো সে। তবে তার আচরণে কিছুই বুঝতে পারিনি তখন।

    “ও,” একটু বিরতি দিয়ে আবার বললো, “ঠিক আছে, যদি ঐ সময়ে আমাদের বাসার সামনে দিয়ে যান তো একটু ঢুঁ মেরে যাবেন, কেমন?”

    “আচ্ছা,” আর কোনো কথা খুঁজে পেলাম না। “হ্যাপি নিউ ইয়ার।”

    সুললিত কণ্ঠে বলে ফোনটা রেখে দিলো সে। আর আমি বোকার মতো

    দাঁড়িয়ে রইলাম কয়েক মুহূর্ত। জীবনে প্রথম কেউ আমাকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালো, আর আমি সত্যি সত্যি ‘ক্ষেত’ থেকে উঠে আসা একজন, এর জবাবে যে পাল্টা হ্যাপি নিউ ইয়ার বলতে হয় সেটাও জানতাম না। সবেমাত্র জানলাম থার্টি ফার্স্ট বলে কিছু একটা আছে, যেটার শুরু হয় নতুন বছরের আগেরদিন রাতে। আটটা-নয়টার মতো ভদ্র সময়ে নয়, এগারোটা-বারোটার মতো নিশুতি রাতে!

    যাই হোক, ঐদিনই হায়দারভায়ের পাল্লায় পড়ে আমি প্রথমবারের মতো একটু মদ্যপান করেছিলাম, তবে সেটার উপলক্ষ্য নিশ্চিতভাবেই থার্টিফার্স্ট ছিলো না। তখন আজকের দিনের মতো ওরকম কোনো উৎসব ঢাকা শহরে খুবই কম হতো। এসবের প্রচলন হয় আরো অনেক পরে। অভিজাত পাড়া হিসেবে খ্যাত ধানমণ্ডি-গুলশান-বনানীতে কেউ কেউ বিচ্ছিন্নভাবে এটা করতো। ঐ সময় ৩১শে ডিসেম্বর, বছরের শেষ রাতে পুলিশকেও বাড়তি কোনো দায়িত্ব পোহাতে হতো না। আর সব দিনের মতোই ঢাকা শহর ঘুমিয়ে পড়তো রাত দশটা-এগারোটার পর। আমাদের মতো রাতের ডিউটি যাদের ছিলো তারা অন্য সব রাতের মতোই একটা লক্কর-ঝক্কর পুলিশের গাড়ি নিয়ে থানার চৌহদ্দির মধ্যে টহল দিতো ভোর পর্যন্ত।

    ঐদিন হায়দারভাই আর আমার দু-জনেরই নাইট-শিফট ছিলো। রাত ন-টার পর একটা পুলিশ জিপ আর দু-জন কনস্টেবল নিয়ে আমরা টহল দিতে বেরিয়ে পড়লাম।

    “ভাই, এই থার্টি ফার্স্ট জিনিসটা কি?”

    কথাটা শুনে হায়দারভাই স্থিরচোখে তাকালেন আমার দিকে। “কে বলছে তোমাকে?”

    “এই তো, একজন বললো।” রামজিয়ার কথাটা বললাম না। পাছে হায়দারভাই টিটকারি মারা শুরু করেন সেই ভয়ে।

    “৩১শে ডিসেম্বরের রাতে যে পার্টি করা হয় ওটাই থার্টি ফার্স্ট।” বিজ্ঞের মতো বললেন তিনি। তার ভাবভঙ্গিই বলে দিচ্ছিলো বিষয়টা সম্পর্কে ভালোই জ্ঞান রাখেন।

    “এই থার্টি ফার্স্ট পার্টিতে কি করে লোকজন?”

    সিগারেটের ধোঁয়া গাড়ির জানালা দিয়ে বাইরে ছেড়ে দিয়ে মুখ বাঁকিয়ে তিনি বললেন, “ওয়েস্টার্ন কালচার, বুঝলে। কিছু বড়লোক এটা আমদানি করেছে এ দেশে। সারা রাত মওজ-ফূর্তি করে, মদ খায়!”

    কথাটা শুনে আমার বিশ্বাস করতেও কষ্ট হলো। মদ খায়?! রামজিয়া বলেছিলো বেশ খাওয়া-দাওয়া হবে-এই কি সেই খাওয়া-দাওয়া?

    “শুধু মদ খায়?”

    মাথা নেড়ে সায় দিলেন তিনি। “ইয়াং ছেলেপেলেরা মদ-বিয়ার খেয়ে আড্ডাবাজি করে, ইংরেজি গান শোনে, নাচানাচি করে। পুরাই তেলেসমাতি কারবার, বুঝলে? নষ্ট হয়ে যাচ্ছে সব!”

    আমার বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠলো। হায়দারভাই যা বললেন তার সাথে রামজিয়াকে মেলাতে কষ্ট হচ্ছিলো আমার। ভীষণ কষ্ট! থার্টি ফার্স্ট যদি নষ্টামি হয়ে থাকে তাহলে তার সাথে আর যাই হোক রামজিয়া শেহরিনের কোনো সম্পর্ক থাকতে পারে না। কিন্তু আজ বিকেলে সে নিজেই আমাকে ফোন করে আমন্ত্রণ দিয়েছে। স্পষ্ট করেই বলেছে, রাত এগারোটার পর চলে আসতে, তার কাজিন আর বন্ধুরা থার্টি ফার্স্ট করবে!

    “এসব অনুষ্ঠান কয়টার দিকে শুরু হয়, ভাই?” মলিন কণ্ঠে জানতে চাইলাম আমি, আসলে নিশ্চিত হতে চাইছিলাম।

    আবারো একগাল ধোঁয়া ছেড়ে তিনি বললেন, “এগারোটা-বারোটা থেকে শুরু হয়…চলে সারা রাত।”

    মিলে যাচ্ছে! রামজিয়া আমাকে এই সময়েই আসতে বলেছে।

    “এই যে, বাড়িগুলো দেখছো,” ধানমণ্ডির আবাসিক এলাকার বাড়িগুলোর দিকে ইঙ্গিত করলেন তিনি। “এসব বাড়িতে আজ থার্টিফার্স্ট হবে।”

    “সব বাড়িতে?” বিস্মিত হয়ে বললাম।

    “সব বাড়িতে না, কিছু কিছু বাড়িতে।” আমি থম মেরে বসে রইলাম

    “এগুলো হলো বড়লোকের নষ্ট পোলাপানদের আমোদ-ফূর্তির পার্টি। একটু পরই দেখবে কিছু ইয়াং ছেলেমেয়ে গাড়ি নিয়ে ঢুকছে কোনো বাড়িতে।”

    আমোদ-ফূর্তি! নষ্ট পোলাপান! মদ!

    কোনোভাবেই আমি রামজিয়াকে এসবের সাথে মেলাতে পারছিলাম না। “সবাই মদ খাবে?”

    আমার দিকে না তাকিয়েই জবাব দিলেন হায়দারভাই, “হুম। সবাই খাবে। না খেলে পার্টি হবে নাকি, আজব! থার্টিফার্স্ট মানেই মদ্যপান। বুঝলে?” কথাটা শেষ করে বাঁকাহাসি দিলেন। “আমি মদ খাই দুঃখে আর এরা খায় ফূর্তি করার জন্য। আরে, নতুন বছর আসবে তো তোর কী? ক্যালেন্ডারের পাতা ওল্টা…এটা নিয়ে এতো আদিখ্যেতা দেখানোর কী আছে! পহেলা বৈশাখে তো হালখাতা দিয়ে অনুষ্ঠান করে, তোরা কী দিয়ে করিস? বাল খাতা দিয়ে?” বাঁকাহাসি দিলেন তিনি

    গাড়িতে অনেকক্ষণ চুপচাপ বসে রইলাম আমি। সেই প্রথম আমার মধ্যে একটা পরিবর্তন এলো-মদ্যপান আসলে অতোটা খারাপ কিছু না। হায়দারভায়ের মতো ভালোমানুষ খায়, তারচেয়েও বড় কথা রামজিয়া শেহরিনও থার্টিফার্স্টের সময় এটা চেখে দেখে। কেবলমাত্র আমার মতো গ্রাম থেকে উঠে আসারা এটাকে খারাপ মনে করে।

    “কি মিয়া, চুপ মেরে আছো কেন?”

    হায়দারভায়ের কথায় সম্বিত ফিরে পেলাম। “না, মানে…” একটু থেমে আবার বললাম, “আপনারা যে কেন মদ খান সেটা বুঝতে পারি না। এসব জিনিস খেয়ে কী হয়? আমার তো মনে হয় পুরাই ফালতু একটা জিনিস।”

    আমার কথা শুনে হো হো করে হেসেন উঠলেন এসএম হায়দার। “এটা যদি ফালতু জিনিস হয় তাহলে পুরো জিন্দেগিটাই ফালতু, ব্রাদার।”

    মাথা দোলালাম আমি। “একটা ফালতু কথা বললেন।”

    “তুমি তো কখনও খাওনি, কেমনে বুঝবে এ জিনিসের মর্যাদা? একবার খেয়ে দেখো, তারপর এইসব বোলো।”

    “থাক, আমার দরকার নেই, আপনিই খান।”

    কয়েক মুহূর্ত চুপ থেকে বলে উঠলেন হায়দারভাই, “এই যে তুমি বিভিন্ন লেখকদের বই পড়ো, তাদেরকে এতো সম্মান করো, তুমি কি জানো, এরা প্রত্যেকেই মদ খেতো?”

    আমি সন্দেহের দৃষ্টিতে তাকালাম। “সবাই খেতো?”

    মাথা নেড়ে সায় দিলেন তিনি। “আলবৎ খেতো। রবীন্দ্রনাথ থেকে শুরু করে নজরুল…সবাই। কে খেতো না সেটাই বলো!”

    রবীন্দ্রনাথ খেতেন? খেতেই পারেন, জমিদার ছিলেন। নজরুল? তার মতো বাউণ্ডুলে জীবন-যাপন করা কবির পক্ষে সেটা বেমানান নয়। অন্য যারা আছে তারাও হয়তো খেতো।

    মদ সম্পর্কে বাজে ধারনাটি আক্ষরিক অর্থেই রাতারাতি পাল্টে গেলো আমার। এ নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করে দিলাম। তখনও ঘুণাক্ষরে বুঝতে পারিনি একটু পরই সেই জিনিসটার আস্বাদন করবো প্রথমবারের মতো!

    এমন নয় যে, হায়দারভাই আমাকে জোর করে মদ্যপান করিয়েছিলেন, আবার এমনও নয়, আমি খুব আগ্রহভরে এটা চেখে দেখেছি। ব্যাপারটা কেমন করে জানি হয়ে গেছিলো।

    মাঝরাতের দিকে আমাকে চুপ মেরে থাকতে দেখে হায়দারভাই বলেছিলেন, “একটু চেখে দেখবে নাকি?”

    সত্যি বলতে, আমি সঙ্গে সঙ্গে না করে দেবার মতো মানসিক অবস্থায় ছিলাম না ঐ রাতে। হাজার হলেও রামজিয়া শেহরিনও এই জিনিস খায়!

    যাই হোক, রাত দেড়টার দিকে টহল দলকে বিশ্রামে রেখে হায়দারভাই আমাকে এক ফুটবল ক্লাবে নিয়ে গেলেন। ওখানকার প্রায় সবাই তাকে ভালো করেই চেনে। বোঝা গেলো নিয়মিতই আসেন তিনি। সেই প্রথম আমি জানতে পারলাম, ফুটবল ক্লবাগুলোতে রাতের বেলায় মদ-বিয়ারের সমারোহ চলে। এর আগে আমি জানতাম, ক্লাবগুলোতে জুয়া খেলা, হাউজি খেলা প্রকাশ্যে চলে, আর এটা তাদের নিজস্ব ইনকামের একটি সোর্স। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারিবাহিনী বিষয়টা জেনেও না জানার ভান করে থাকে উপরের নিদের্শে। বিনিময়ে তারা কিছু সেলামিও পেয়ে থাকে নিয়মিত।

    ক্লাবের এককোণে দুটো চেয়ার নিয়ে বসে পড়ি আমরা। প্রথমবার হিসেবে হায়দারভাই আমাকে মদ না দিয়ে বিয়ার দিতে চেয়েছিলেন কিন্তু ঐদিন বিয়ার শেষ হয়ে যাওয়ায় শুধু হুইস্কি আর ভদকা ছিলো। অগত্যা প্রথমবারের মতো হুইস্কি দিয়ে মদের আস্বাদন নিলাম। বলা ভালো, প্রথম অভিজ্ঞতা হিসেবে ওটা ছিলো খুবই জঘন্য। এমন তেতো পানি কেবল ছোটোবেলায় মামির দেয়া চিরতার রসের সাথেই তুলনীয় হতে পারে। নাক চেপে চিরতার রস খাওয়া যায় কিন্তু মদ নামক তরল পদার্থ আমার গলা দিয়ে নেমে যাবার সময় প্রায় বমি হবার উপক্রম হয়েছিলো, পৌরুষের অপমাণ হবে বলে জোর করে চেপে রেখেছিলাম সেটা। হায়দারভাই নিশ্চয় আমার চোখমুখ দেখে ব্যাপারটা আন্দাজ করতে পেরেছিলেন। তিনি একটা সিগারেট ধরিয়ে বললেন, একটু একটু করে চুমুক দিয়ে যেন খাই।

    নিঃসঙ্গভাবে মদ্যপান করলে কী ধরণের অনুভূতি হয় সেটা আমি পরবর্তিতে বুঝেছিলাম কিন্তু সঙ্গি থাকলে মদ্যপানরত ব্যক্তির আচরণ কেমন হয় সেটা ঐদিন আবিষ্কার করি।

    এসএম হায়দার, যাকে থানার সবাই ভয় করে চলে তার কড়া মেজাজ আর অংশত মুক্তিযোদ্ধা হবার জন্য, সেই লোক মদ্যপানের এক পর্যায়ে শিশুর মতো আচরণ করতে শুরু করলেন। তার যতো দুঃবোধ যেন উড়ে এসে জুড়ে বসলো, আর তিনি সে-সব উগলে দিতে শুরু করলেন আমার উপরে।

    আমার সাথে হায়দারভায়ের ঘনিষ্ঠতা থাকলেও ঐদিনের আগে আমি জানতে পারিনি স্ত্রির সাথে উনার ঝামেলটা আসলে কী নিয়ে। নতুন বছরের আগমনের দিনটায় আমি এই সত্যটা জানতে পারলাম-একটা ফুটফুটে শিশু।

    বিয়ের চার বছর পরও তাদের কোনো বাচ্চা-কাচ্চা হচ্ছিলো না। এ নিয়ে অবশ্য হায়দারভায়ের তরফ থেকে কোনো সমস্যা ছিলো না কিন্তু তার স্ত্রি মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন, আর ঝামেলার শুরু তখন থেকেই। বেচারি হয়তো নিজেকে বন্ধ্যা নারী হিসেবে ভাবতে আতঙ্কিত বোধ করতেন। দু- জনের কারোর সমস্যা নেই, যেকোনো সময় এটা ঘটতে পারে, ডাক্তারের এমন আশ্বাসের পরও হায়দারভায়ের স্ত্রি নানা রকম কবিরাজি আর পীর- ফকিরের কাছে ধর্না দিতে শুরু করেছিলেন। কুসংস্কারমুক্ত মানুষ হিসেবে হায়দারভাই এটা মেনে নিতে পারেননি। স্ত্রির দেয়া পড়া-পানি খেতে অস্বীকার করেন, তাবিজ পরার ব্যাপারে ঘোরতর আপত্তি তার, শ্বশুড়বাড়ির লোকজনের কাছে কামেল বলে খ্যাত পীড়-ফকিরের কাছে যেতেও রাজি হন না-এইসব নিয়ে নিত্য কলহ লেগে থাকতো তাদের। তার সাথে যুক্ত হতো

    হায়দারভায়ের মদ্যপানের বদঅভ্যেস আর বদমেজাজ।

    “বুঝলে, তুমি যদি ঝগড়া করতে চাও তাহলে সবকিছু নিয়েই ঝগড়া করতে পারবে,” মাতাল হয়ে বলেছিলেন তিনি। “ডালে লবন বেশি দিয়েছো, কিংবা একদমই দাও নি-এটা নিয়েও তুমুল ঝগড়া করা সম্ভব।”

    কথাটা শুনে আমি মুখ টিপে হেসেছিলাম।

    “এই বঙ্গে কতো রঙ্গ হয়, ব্রাদার,” একটা বিশ্রি ঢেকুর তুলে বলেছিলেন। “আমার তো মনে হয় বাংলার ইতিহাসে শুধুমাত্র ডালে বেশি লবন দেয়া আর না দেয়া নিয়ে ঝগড়া করে অনেক পরিবার ভেঙে গেছে। তিন-চারটা খুনও হয়েছে মনে হয়। গত বছর ইত্তেফাকে এরকম একটা নিউজ পড়েছিলাম, স্বামির হাতে স্ত্রি খুন! ডালে লবন না দেয়ার কারণে সৃষ্ট কলহে এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত স্বামি বটি দিয়া স্ত্রির মাথায় কোপ মারিয়া বসে!” একেবারে ইত্তেফাকের সাধুভাষায় আবৃত্তি করলেন তিনি।

    তার বলার ভঙ্গি দেখে-শুনে খুব হাসি পাচ্ছিলো আমার। “আপনিও কি এরকম বিষয় নিয়ে ঝগড়া করেন নাকি?” হাসতে হাসতেই বলেছিলাম তাকে।

    তর্জনি উঁচিয়ে দু-পাশে মাথা দুলিয়ে কথাটা উড়িয়ে দিয়েছিলেন এসএম হায়দার। “না, ব্রাদার…আমি এখনও অতোটা কাণ্ডজ্ঞানহীন হইনি। নীলু মা হবার জন্য পাগল হয়ে গেছে। কী করে না করে তার নেই কোনো ঠিক। সব সময় মেজাজ খিটখিটে থাকে তার…বুঝলে? সে মনে করে মদ খেলে পুরুষমানুষের বাচ্চা-কাচ্চা হবার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়।”

    “তাই নাকি? ভাবি আসলেই এটা বলে?” আমি একটু অবাকই হলাম।

    মাথা নেড়ে সায় দিলেন তিনি। “হুম।” তারপর চারপাশে তাকালেন। “আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি, এখানে যারা আছে তাদের একেকজনের তিন-চারটা করে বাচ্চা আছে ঘরে।” আবারো একটা ঢেকুর বের হয়ে এলো ভেতর থেকে। “কিন্তু আমার ময়নাপাখিটারে কে বোঝাবে!”

    “আশ্চর্য, আপনাদের বিয়ের মাত্র চার বছর হয়েছে, এখনও অনেক সময় হাতে আছে…ভাবিকে এটা বোঝান।”

    বাঁকাহাসি দিয়েছিলেন তিনি। “তাকে আমি বোঝাই, সে-ও কয়েকটা দিন ঠিক থাকে তারপর বাপের বাড়ি আর শ্বশুড়বাড়ির লোকজনের খোঁচা, টিপ্পনি খেয়ে মাথা আউলা-ঝাউলা হয়ে যায়।”

    বাঙালি পরিবারের এমন চিত্র আমার কাছে মোটেও অচেনা নয়। আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে কুটনা টাইপের মহিলাদের এ নিয়ে কথা শোনানো বাঙলার সংস্কৃতির অংশ হয়ে গেছে। বিষয়টা বুঝতে পেরে চুপ মেরে রইলাম।

    “তোমার ভাবি আবার খুব অভিমানি, বুঝলে? মুখ ফুটে কাউকে কিছু বলতে পারে না তাই সব রাগ ঝাড়ে আমার উপরে।”

    “আপনি যদি ব্যাপারটা বুঝতেই পারেন তাহলে চুপচাপ মেনে নিলেই হয়, ঝগড়া করতে যান কেন?”

    ঢুলু ঢুলু চোখে আবারো বাঁকাহাসি দিয়ে আমার দিকে তাকালেন তিনি। “ওই মিয়া…তুমি কি আমারে পয়গম্বর ভাবো নাকি, অ্যাঁ? এই যে তোমারে বললাম আমি সব বুঝি এটা তো তখন মাথায় থাকে না, ঝগড়া-ঝাটির পর মাথায় আসে।”

    কথাটা শুনে আমি হেসে ফেলেছিলাম আবারো। “চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে!”

    হায়দারভাইও হেসে ফেললেন।

    “এরপর থেকে ভাবি ঝগড়া করতে চাইলেও আপনি করবেন না, ঠিক আছে?”

    আমার দিকে স্থিরচোখে চেয়ে রইলেন। “এটা কি অর্ডার নাকি রিকোয়েস্ট?”

    “উমম…অর্ডার।”

    “ওকে, বস্!” তিনি হুট করে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন, মিলিটারি কায়দায় মেঝেতে জোরে পা ঠুকে স্যালুট দিলেন আমাকে। “যদি আপনার এই মূল্যবান আদেশের কথাটা তখন আমার মনে থাকে তো।”

    তাকে ধরে চেয়ারে বসিয়ে দিলাম। এসএম হায়দারের মাতলামি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাক সেটা আমি চাইনি।

    “সমস্যা হলো,” টেনে বললেন তিনি, “তখন কিছুই মনে থাকে না। শুধু মাথায় থাকে, আমার সাথে এটা করলো! আমাকে এটা বললো! এই শালি তো আমাকে একদমই ভালোবাসে না! একটুও না! এক ফোঁটাও না!” উনি তর্জনি আর বুড়ো আঙুল একসাথে করে ফোঁটার আকৃতি দেখানোর চেষ্টা করলেন।

    আমি কপালের বামপাশ চুলকালাম। এই মাতালকে নিয়ে বাকি রাতটা কিভাবে টহল দেবো সেটাই ভাবতে লাগলাম।

    “আরে, তুমি তো কিছুই খাওনি…মাত্র এক পেগ! ধুর!” এবার আমার গ্লাসের দিকে নজর দিলেন তিনি, “এক পেগে কিছু হয়?!” মাথা দোলালেন। “আমার বাল হয়!”

    মনে মনে প্রমাদ গুণলাম। এসএম হায়দারের মাতলামি বেড়েই চলেছে। “আমার ভালো লাগেনি, খুবই বিশ্রি লেগেছে।”

    “মেয়েমানুষের মতো কথা বলছো কেন? দু-তিন পেগ পেটে না গেলে এই জিনিসের মাজেজা বুঝবে নাকি, অ্যাঁ?”

    “ওরে বাবা!” দু-হাত তুলে আত্মসমর্পন করার ভঙ্গি করলাম আমি। “আমার পক্ষে সম্ভব নয়।”

    সত্যি, সেদিন আমার পক্ষে এক পেগের বেশি পান করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু ঐ ঘটনার কয়েক মাস পরই যে আমি পেগের পর পেগ গলাধকরণ করতে শুরু করবো সেটা কে জানতো।

    এখন নিজের ঘরে বসে একা একা মদ্যপান করছি আর ভাবছি, আজ যদি হায়দারভাই জানতেন, আমি মদ্যপান শুরু করলে চার-পাঁচ পেগের নীচে করি না তাহলে কী ভাবতেন?

    বুকের ভেতর থেকে একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এলো শুধু।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজোনাকির রঙ – সায়ক আমান
    Next Article বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    Related Articles

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    দ্য দা ভিঞ্চি কোড – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    অরিজিন – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেমেসিস (বেগ-বাস্টার্ড – ১) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    কন্ট্রাক্ট (বেগ-বাস্টার্ড ২) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেক্সাস (বেগ-বাস্টার্ড ৩) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }