Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এক পাতা গল্প311 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কেউ কেউ কথা রাখে – ২

    অধ্যায় ২

    একটি খুন

    এরকম একজোড়া চোখ যেকোনো যুবকের হৃদয়ে ঝড় তোলার ক্ষমতা রাখে। সেই চোখে তাকিয়ে সাধারণ কোনো যুবকও লিখে ফেলতে পারে কবিতা। সম্ভবত এই চোখের করুণ আর্তি দেখে ক্ষণিকের জন্যে থমকে গেছিলো খুনি; কেঁপে উঠেছিলো তার উদ্যত হাত। তারপরও খুনটা হয়েছে। খুনির ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা পশু লাগাম খুলে বেরিয়ে এসেছিলো। পাশবিক উন্মাদনায় ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো মেয়েটির উপরে।

    আমি যখন বিকেলের দিকে ক্রাইমসিনে আসি তখনও পথঘাট ভেজা। ঘণ্টা দুয়েকের বৃষ্টিতে পুরো শহর কেমন পরিস্কার হয়ে গেছে। ঢাকায় তখন বৃষ্টি হলে একদমই জলাবদ্ধতা হতো না।

    ঘরে ঢোকামাত্রই দেখি মেয়েটির মৃতদেহ একটি চাদর দিয়ে ঢাকা, তবে মুখটা উন্মুক্ত। প্রথমেই আমার নজরে পড়লো তার মায়াভরা চোখদুটো ঐদিনের পর থেকে এই চোখদুটো আমি কোনোদিনই ভুলতে পারিনি। অবশ্য সেই চোখের দিকে বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকা সম্ভব হলো না আমার পক্ষে। কয়েক মুহূর্ত পরই দৃষ্টি সরিয়ে নিলাম অন্যদিকে। মাত্র দু-বছর ধরে পুলিশের চাকরি করছি, খুন-খারাবি দেখতে অভ্যস্ত হইনি তখনও। সিনিয়র কলিগেরা বলতো, পুরোপুরি পুলিশ হতে গেলে নাকি কমপক্ষে পাঁচ বছর লাগে। আমি তিন বছরের ঘাটতি নিয়ে যারপরনাই অস্বস্তির মধ্যে পড়ে গেলাম!

    চাদরে ঢাকা লাশের সামনে দাঁড়িয়ে আছি দ্বিধা নিয়ে। হাত দিয়ে চাদরটা সরানোর সাহস হচ্ছে না। তিনজন কনস্টেবল আড়ষ্ট হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলেও তাদেরকে বলতে সংকোচ হচ্ছে। হাজার হলেও আমি একজন অ্যাসিসটেন্ট সাব-ইন্সপেক্টর, এই খুনের তদন্তে সহযোগী ভূমিকা আমার। দ্বিধা ঝেড়ে যে-ই না একটু এগিয়ে যাবো লাশের দিকে অমনি একজন ত্রাণকর্তা এসে আমার জন্যে কাজটা সহজ করে দিলেন। আমার যাবতীয় কঠিন কাজগুলোর সময় তিনি যেন ঈশ্বরের ইঙ্গিতে চলে আসেন ঠিক সময়ে। বিগত দু-বছর ধরে এমনটিই হয়ে আসছে।

    সিনিয়র সাব-ইন্সপেক্টর এসএম হায়দার ঘরে ঢুকে এক ঝটকায় চাদরটা সরিয়ে দিয়ে আমার দিকে ক্ষিপ্ত চোখে চেয়ে রইলেন কয়েক মুহূর্ত। আমি তার ক্রোধ টের পাচ্ছিলাম।

    “দেখো, শূয়োরেরবাচ্চাটা কি করছে!” অজ্ঞাত খুনিকে গালি দিয়ে বললেন তিনি।

    আমার সামনে দৃষ্টি মেলে চেয়ে আছে মৃত এক তরুণী। মেয়েটির গায়ে বলতে গেলে কোনো পোশাকই নেই। এই প্রথম আমি কোনো নগ্ন লাশ দেখলাম, তা-ও আবার কোনো তরুণীর। চোখ সরিয়ে ফেললাম। বয়সের কারণে হোক কিংবা আমার কোমল হৃদয়ের জন্য, এরকম মৃতদেহ দেখলেই কেমনজানি লাগে।

    “আপনি এতোক্ষণ কোথায় ছিলেন?”

    “উপরে,” ছোট্ট করে জবাব দিলেন। “দোতলার ভাড়াটিয়াদের সাথে কথা বলছিলাম।”

    “ঘটনাটা কখন ঘটেছে?” কাজের প্রসঙ্গে চলে আসার চেষ্টা করলাম আমি।

    থুতনির নীচে একটু চুলকে নিলেন এসএম হায়দার। এটা তার মুদ্রাদোষ। কোনো বিষয়ে খুব নিশ্চিত হলেই তিনি এটা করেন। নতুন কারোর কাছে মনে হতে পারে তিনি অনিশ্চয়তায় ভুগছেন।

    “সাড়ে তিনটা থেকে পৌণে চারটার মধ্যে খুনটা করা হয়েছে। খুনি হয়তো এখানে এসেছে তারও কিছুক্ষণ আগে। উমমম…ধরো, দশ-পনেরো মিনিট?”

    আমি বিস্মিত। স্যার আর্থার কোনান ডয়েলের বিখ্যাত চরিত্রটিও এতো কম সময়ের মধ্যে খুনের সঠিক সময় বলতে পারতো কি-না সন্দেহ। হায়দারভাই বড়জোর বিশ মিনিট আগে এখানে এসেছেন। আমি একটা কাজে বাইরে গেছিলাম, থানায় ফিরে এসে শুনি হায়দারভাই আমাকে এখানে চলে আসতে বলেছেন। এই অল্প সময়ের মধ্যে মিনিটের হিসেবও বের করে ফেলেছেন তিনি!

    এসএম হায়দার আমার চোখেমুখে অবিশ্বাস আর বিস্ময় দেখে মুচকি হাসলেন। ভাবখানা এমন, এতে অবাক হবার কী আছে!

    সত্যি বলতে আমি খুবই অবাক হয়েছিলাম। “একেবারে মিনিটের হিসেবও বলে দিলেন?!”

    এসএম হায়দার বিছানার বামদিকের বেডসাইড টেবিলের নীচে আঙুল তুলে দেখালেন। “ঘড়িটা দেখেছো?”

    একটা গোলাকার বেডসাইড ঘড়ি চিৎ হয়ে পড়ে আছে মেঝেতে। কাঁচটা ভেঙে গেছে, ডায়ালটাও ফেঁটে গেছে পড়ে যাওয়ার সময়। ওটার কাঁটা স্থির হয়ে আছে তিনটা বাহান্নতে।

    “ধস্তাধস্তির সময় ঘড়িটা পড়ে গেছে,” বললেন তিনি, “এরপর বড়জোর তিন-চার মিনিট বেঁচে ছিলো মেয়েটি, এর বেশি হবে না।”

    শার্লক হোমস যেমন তার দুর্দান্ত অনুমাণের ব্যাখ্যা দেবার পর ডাক্তার ওয়াটসন কিংবা স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের ইন্সপেক্টরদের কাছে সেটা মামুলি বলে মনে হয়, হায়দারভাই ঘড়িটা দেখিয়ে দেবার পর আমারও তাই মনে হলো।

    এ আর এমন কি ঘড়িটা আমার চোখে পড়লে আমিও একইভাবে অনুমান করে এটা বলে দিতে পারতাম!

    কিন্তু সত্যি হলো, এরকম সব বিষয় বাকিদের চোখে ধরা পড়ে না, ধরা পড়ে হায়দারভায়ের চোখে। তার ক্ষুরধার মস্তিষ্কটি যে আমাদের সবার চেয়ে সেরা, সে-কথা তার কড়া মেজাজ আর বদরাগি চরিত্রের আড়ালে ঢাকা পড়ে থাকে সব সময়। ঘনিষ্ঠভাবে না মিশলে কেউ বুঝতেই পারে না এসএম হায়দার কতোটা মেধাবি।

    “ঘটনার শুরু ড্রইংরুমে, সেখান থেকে মেয়েটা হয় বাঁচার জন্য বেডরুমে এসেছিলো, নয়তো ধর্ষকই তাকে টেনে হিচরে এখানে নিয়ে এসেছে।”

    “ডাকাতির ঘটনা?”

    আমার কথা দৃঢ়ভাবে নাকচ করে দিলেন তিনি। “রেপিস্ট মেয়েটার পরিচিত, তবে মেয়েটার সাথে খুব একটা ভালো সম্পর্ক ছিলো না। স্বল্প- পরিচিত কেউ।”

    আমি ঘাড় ঘুরিয়ে হায়দারভায়ের দিকে তাকালাম। এটাও কি মামুলি কোনো জিনিস দেখে আন্দাজ করেছেন তিনি? আমার মনের ভেতরে যে প্রশ্নের উদয় হয়েছে সেটা আমার অভিব্যক্তি দেখে আবারো ধরতে পারলেন। মাথার পেছনটা চুলকে আমাকে ড্রইংরুমে আসার জন্য ইশারা করলেন তিনি। আমি তার পেছন পেছন সেখানে চলে গেলাম।

    “দেখো।” ড্রইংরুমের সোফার সামনে টেবিলটার দিকে ইশারা করলেন। একটা চায়ের কাপ আর পিরিচ, কিছু টোস্ট বিস্কিট টেবিলের ঠিক কাছেই, মেঝেতে পড়ে আছে। “মেহমান…বুঝলে? কিন্তু উটকো মেহমান।”

    মেঝেতে পড়ে থাকা কাপ-পিরিচ দেখতে লাগলাম আমি। মেহমান ঠিক আছে কিন্তু উটকো মেহমানের ব্যাপারটা মাথায় ঢুকলো না।

    “আর মেহমান কখনও একদম অপরিচিত হয় না। তার মানেটা দাঁড়াচ্ছে, খুনি ভিক্টিমের পরিচিত।”

    হায়দারভায়ের দিকে তাকালাম। “এটা কিভাবে বুঝলেন? মানে, উটকো মেহমানের কথা বলছি।”

    মাথা দোলালেন তিনি। তার মধ্যে অধৈর্যভাব ফুটে উঠলো। “চায়ের কাপ একটা…বুঝলে না?”

    বুঝতে পারলাম না আমি। চায়ের কাপ একটা তো কি হয়েছে? কাপ গুণে মেহমানের সংখ্যা বের করা যায় কিন্তু পরিচয়ের ঘনিষ্ঠতা কিংবা অযাচিত-কাঙ্খিত এসব বের করা যায় জানা ছিলো না।

    “তোমার বাড়িতে যদি ঘনিষ্ঠ কেউ বেড়াতে আসে তাহলে তুমিও তার সাথে চা খাবে,” ব্যাখ্যা করতে শুরু করলেন তিনি। “কিন্তু এমন কেউ যদি আসে যার সাথে তোমার ঘনিষ্ঠতা কম, কিংবা যাকে তুমি ঠিক মেহমান হিসেবে পছন্দ করছো না, তাহলে?”

    বুঝতে পারলাম, আবারো এসএম হায়দার ঠিক ঠিক অনুমাণ করতে পেরেছেন সম্ভবত।

    “মেহমানের জন্য এক কাপ চা বানিয়ে দেবে…তার সাথে বসে এক কাপ চা খেতে চাইবে না, ঠিক?”

    আমি মাথার পেছনটা একটু চুলকে বোকার মতো হাসলাম, সেই সাথে মাথা নেড়ে সায় দিতেও ভুললাম না। যেন পড়া না-পারা কোন ছাত্র শিক্ষকের কাছে ধরা খেয়েছে। সত্যি বলতে, তিনি আমার শিক্ষকই। তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে আমার যতোটুকু জ্ঞান অর্জিত হয়েছে তার বেশিরভাগই এসএম হায়দারের কাছ থেকে পাওয়া।

    “আমরা ভিক্টিমের আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব আর পরিচিতজনদের সাথে কথা বলবো। এই বাড়ির বাইরে ছোট্ট একটা মুদির দোকান আছে,

    ওটা বন্ধ দেখলাম। মুদির সাথে কথা বলা দরকার।”

    “মুদির সাথে কেন?”

    “আমার ধারণা খুনি বেশ কয়েকদিন ধরে বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সব কিছু লক্ষ্য করেছে। মেয়েটার স্বামি কখন বাসায় ফেরে, মেয়েটা কি করে এসব অবজার্ভ করেছে। মনে হয়, এই কাজটা সে মুদি দোকানের আশেপাশেই করেছে।”

    বুঝতে পেরে মাথা দোলালাম আমি। “তাহলে এটা প্রি-প্ল্যান ছিলো?”

    “অবশ্যই। এখন সেই মেহমানকে খুঁজে বের করতে হবে।”

    শেষ কথাটা হায়দারভাই অনেকটা আপনমনে বললেন।

    “আচ্ছা, খুনের সময় মেয়েটির স্বামি কোথায় ছিলো?” আমি চেষ্টা করলাম গুরুত্বপূর্ণ কোনো প্রশ্ন করে অবদান রাখতে।

    “হাজব্যান্ড বলছে, সে অফিস থেকে বাসায় এসে দেখে ওয়াইফ খুন হয়ে পড়ে আছে।” কোমরে দু-হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আবার বললেন, “এটা আমরা চেক করে দেখবো।”

    “কেন?” কথাটা আমার মুখ ফসকে বের হয়ে গেলো।

    শিক্ষক যেমন বোকা ছাত্রের দিকে তাকায় হায়দারভাই ঠিক সেভাবে আমার দিকে তাকালেন। “স্ত্রি যখন খুন হয় তখন বেশরিভাগ ক্ষেত্রে প্রাইম সাসপেক্ট কে হয়, জানো?” আমার জবাবের অপেক্ষা না করেই তিনি জোর দিয়ে বললেন, “হাজব্যান্ড।”

    আমি মাথা নেড়ে সায় দিলাম।

    “সুতরাং হাজব্যান্ডের এই স্টেটমেন্টটা আমাদেরকে চেক করে দেখতে হবে। তদন্ত কাজে সব কিছু শুধু চেক করে দেখলেই হয় না, ডাবল চেক করতে হয়।”

    আমি এবার বেশ জোরেই মাথা নেড়ে সায় দিলাম। আলবৎ!

    “তাছাড়া কেউই সন্দেহের বাইরে নয়। কেউ না।”

    এ ব্যাপারে দ্বিমত পোষণ করার কোন কারণ নেই। “মেয়েটার স্বামি এখন কোথায়?” জানতে চাইলাম আমি।

    আলতো করে দীর্ঘশ্বাস ফেললেন তিনি। “ঘুমাচ্ছে।”

    “ঘুমাচ্ছে?” অবাকই হলাম।

    “পাগলের মতো আচরণ করছিলো, ডাক্তার সিডেটিভ দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রেখেছে।”

    একটু চুপ থেকে আবার বললাম, “আশেপাশের বাড়ি থেকে কেউ কিছু দেখে নি?”

    “আই উইটনেসের কথা বলছো?”

    “হুম।”

    “আপাতত সে-রকম কাউকে পাওয়া যায়নি। এই গলিটা খুবই নিরিবিলি, মানুষজন খুব একটা আসে না। ঘটনা যখন ঘটেছে তখন আবার খুব বৃষ্টি হচ্ছিলো। সে-কারণে কেনো রকম চিৎকার কিংবা ধস্তাধস্তির শব্দ কেউ শুনতে পায়নি। তবে আমার মনে হচ্ছে দোতলায় যারা আছে তাদের কেউ কিছু একটা দেখেছে। অবশ্য সেটা তারা স্বীকার করছে না।”

    হাটতে হাটতে আমরা আবারো চলে এলাম শোবার ঘরে, মেয়েটার লাশের কাছে।

    “অনেকের সাথে কথা বলতে হবে আমাদের, বুঝলে?”

    মাথা নেড়ে সায় দিলাম। খুনের তদন্তে প্রচুর লোকজনকে জেরা করতে হয়। দীর্ঘশ্বাস ফেলার শব্দ শুনে ফিরে তাকালাম হায়দারভায়ের দিকে।

    “মাত্র তিনমাস আগে বিয়ে হয়েছে ওদের,” গম্ভীর মুখে বললেন তিনি।

    ওহ্! কথাটা শুনে আমার খুব খারাপ লাগলো। নিহত মেয়েটির দিকে আবার তাকালাম, মনে হলো মেয়েটির ফাঁকা দৃষ্টি আমার দিকেই নিবদ্ধ। চোখ সরিয়ে ফেললাম সঙ্গে সঙ্গে। কী করুণ আর মায়াভরা চোখ। এখনও দু-চোখে অশ্রু টলটল করছে যেন!

    “ওদের কোনো কাজের লোক নেই?” আমি তদন্ত প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকতে চাইলাম। এটা হয়তো এক ধরণের পলায়ন। অন্তত মেয়েটির দৃষ্টি থেকে নিজেকে মুক্ত করতে চাইছিলাম।

    “আছে, কিন্তু সে এখানে থাকে না। ছুটা বুয়া।” হায়দারভাই লাশের দিকে চেয়েই বললেন। কী যেন খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছেন।

    “মেয়েটি তাহলে সারাদিন একাই থাকতো?”

    এবার আমার দিকে তাকালেন তিনি। “ছেলেটা ব্যাঙ্কে চাকরি করে, বিয়ের ঠিক আগে দিয়ে ঢাকায় পোস্টিং পেয়েছে। আর বিয়ের এক মাস পরই এই বাড়িতে উঠেছে মেয়েটাকে নিয়ে।”

    “মেয়েটা এখানে সারাদিন একাই থাকতো?”

    “এটা খতিয়ে দেখতে হবে। দোতলার ভাড়াটিয়াদের সাথে কথা বলে মনে হলো ওরা কিছু লুকাচ্ছে। আবারো ওদের সাথে কথা বলতে হবে। ভিক্টিমের হাজব্যান্ডের সাথে তো এখন কথা বলা যাবে না। ওর সাথে কথা বলাটা খুব জরুরি।”

    আমি আর কিছু বললাম না। হায়দারভাই এই তদন্তের প্রায় সবগুলো দিকেই নজর রাখছেন। উনি থাকতে আমার কোনো চিন্তা নেই। আমি আস্তে করে দরজার দিকে পা বাড়ালাম।

    “কই যাও?” পেছন থেকে এসএম হায়দার বললেন।

    “বাইরে। আপনি কাজ সেরে আসেন।”

    “লাশের সুরতহাল করবে না?”

    “আপনি তো করেছেনই।” আমি আর কোনো কথা না বলে ঘর থেকে বের হয়ে গেলাম।

    বাড়ির বাইরে প্রচুর লোকজন উঁকিঝুঁকি মারছে। চাপাকণ্ঠে একে অন্যের সাথে কথা বলছে প্রতিবেশীরা। সবার চোখেমুখে আতঙ্ক। বিশেষ করে বয়স্ক লোকজনের কপালে চিন্তার ভাঁজ একটু বেশি। সম্ভবত তাদের ঘরে এরকম তরুণী মেয়ে আছে। একই রকম ঘটনা তাদের পরিবারেও ঘটতে পারে। দেশের অবস্থা ভালো নয়। দুর্ভিক্ষের কালো ছায়া এখনও তিরোহিত হয়নি। এটা নেই ওটা নেই। চারদিকে শুধু হাহাকার আর স্বপ্ন ভঙ্গের বেদনা। সেই বেদনা আবার ক্ষোভ হয়ে ছাইচাপা আগুনের মতো ফুঁসছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুবই খারাপ। যতো অপরাধ সংঘটিত হয় তার সিকিভাগের আসামিও ধরা পড়ে না। আবার যাদের ধরা হয় তাদের বিরাট একটি অংশ ক্ষমতাসীন দলের সাথে সংশ্লিষ্ট, সুতরাং উপর থেকে ফোন পেয়ে মাথা নীচু করে তাদেরকে ছেড়ে দিতে হয়। প্রতিদিনই ঘটছে এরকম ঘটনা। জনগণ অতীষ্ঠ হয়ে উঠছে কিন্তু বোঝা যাচ্ছে না। আশেপাশে জটলা পাকানো লোকজনের চোখেমুখে এক ধরণের চাপাঘৃণা দেখতে পেলাম আমি।

    একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে পকেট থেকে ক্যাপস্টেন সিগারেট বের করে ধরালাম। এসব জানলে পুলিশের চাকরিতে ঢুকতাম না। অনেক স্বপ্ন নিয়ে গ্রাম থেকে ঢাকা কলেজে ভর্তি হয়েছিলাম, ইচ্ছে ছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার, কিন্তু ইন্টারমিডিয়েট পাস করতে না করতেই বাবা মারা গেলো, মা- তো মারা গিয়েছিলেন আমার জন্মের সময়েই। একেবারে অথৈজলে পড়ে যাওয়া যাকে বলে আমার বেলায় তাই হয়েছিলো। উচ্চাশিক্ষার স্বপ্ন বাদ দিয়ে প্রাইভেট টিউশনির টাকায় কোনো রকমে ডিগ্রি পাস করেই ঢুকে পড়ি পুলিশবাহিনীতে। সেটাও হয়েছে বাপের এক বাল্যবন্ধুর বদান্যতায়। ভদ্রলোক আমাদের এলাকায় ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতা। বাল্যবন্ধুর প্রতি করুণা দেখানোর মতো একটি সহৃদয় তখনও তার ছিলো, তাই আমার এই চাকরি; আর ঢাকার মতো জায়গায় পোস্টিং।

    “এখনও তুমি অভ্যস্ত হতে পারলে না,” পেছন থেকে আমার পিঠে চাপড় মেরে বললেন হায়দারভাই।

    আমি কোনো জবাব দিলাম না। পকেট থেকে তার জন্যে একটা সিগারেট বের করে বাড়িয়ে দিলাম।

    সিগারেটটা হাতে নিয়ে বললেন, “আজ আর ধোঁয়ায় কাজ হবে না, গলা ভেজাতে হবে।”

    “আপনি তো চান্স পেলেই খান, উসিলা খুঁজছেন কেন?” সিগারেটে টান দিয়ে বললাম।

    হায়দারভায়ের একটাই দোষ-মদ্যপান। খুব সম্ভব প্রতিদিনই খান কিন্তু তার দাবি সপ্তাহে দু-তিনবারের বেশি বোতলের ছিপি খোলেন না।

    “না, বউয়ের প্যানপ্যানানিতে স্টপ রেখেছিলাম কয়টা দিন, আজ মনে হচ্ছে খেতেই হবে।”

    আমি চুপ মেরে রইলাম।

    “মেয়েটার চোখদুটো দেখে কেমনজানি অস্থির অস্থির লাগছে।”

    অবাক হলাম খুব। তাহলে জাঁদরেল হায়দারভায়েরও আমার মতো অবস্থা হয়!

    “চিন্তা করো, মাত্র তিন মাস আগে বিয়ে হয়েছে,” বলেই সিগারেটে এমন একটা টান দিলেন যেন এক টানেই পুরো সিগারেটটা শেষ করে দেবেন। একগাল ধোঁয়া ছেড়ে বললেন, “খুনির কাছে পিস্তল ছিলো, বুঝলে?” অবাক হয়ে তাকালাম তার দিকে। “কিভাবে বুঝলেন? খুনি তো মেয়েটাকে গুলি করেনি?”

    “দেখো, খুনটা করা হয়েছে শ্বাসরোধ করে। নাকে-মুখে অনেক ঘুষিও মারা হয়েছে।” একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে আবার বললেন, “আমার ধারণা মেয়েটাকে পিস্তল দেখিয়ে চুপ থাকতে বাধ্য করেছিলো খুনি, নইলে এত সহজে কাজটা সে করতে পারতো না।”

    মাথা নেড়ে সায় দিলাম আমি। হায়দারভায়ের এমন লজিকে আস্থা রাখতেই হলো।

    “এজন্যেই ভিক্টিম কোনরকম চিল্লাফাল্লা করেনি। যেটুকু করেছিলো সেটাও বৃষ্টি আর বজ্রপাতের আওয়াজে ঢাকা পড়ে গেছে।”

    দৃশ্যটা চোখের সামনে ভেসে উঠলো। অসহায়, ভীত এক তরুণিকে তারই স্বল্পপরিচিত কেউ পিস্তল দেখিয়ে চুপ থাকতে বাধ্য করছে। কিন্তু ধর্ষণের সময় মেয়েটা চিৎকার না করেও পারেনি। খুনি হয়তো মুখ চেপে ধরেছিলো। তাতেও সুবিধা করতে না পেরে গলা টিপে ধরে।

    কয়েক মুহূর্তের নীরবতার পর আমি মুখ খুললাম। “এখন আমাদের কাজ কি?”

    “এখানে আর কাজ নাই…লাশটা মর্গে নিয়া যাবে এখন। আজকে আর কাউকে কিছু জিজ্ঞেস করে লাভ নেই, কাল আসতে হবে আবার।”

    “তাহলে থানায় যাই, চলেন।”

    “তুমি যাও, আমাকে একটু খেতে হবে, তারপর বাড়ি যাবো।”

    “ভাবি না নিষেধ করেছে? এসব খেয়ে বাড়ি গেলে তো আবার ঝগড়া হবে।”

    “আর ঝগড়া!” চোখমুখ বিকৃত করে সিগারেটটা ছুঁড়ে ফেলে দিলেন। “ওটা আমাদের রোজই হয়…না খেলেও হয়।”

    আমি মাথা দোলালাম। “কেন যে আপনারা ঝগড়া করেন বুঝি না।”

    “বিয়ে তো করো নাই বুঝবে কেমনে? করো না একটা, তখন বুঝবে ঠ্যালার নাম কাশেমবাবা।”

    এই কাশেমবাবাটা কে, হায়দারভাইকে কখনও জিজ্ঞেস করা হয়নি। সবাই যেখানে ঠ্যালার নাম বাবাজি বলে, তিনি বলেন কাশেমবাবা। ঠিক করলাম, একদিন তার কাছে জানতে চাইবো এটা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজোনাকির রঙ – সায়ক আমান
    Next Article বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    Related Articles

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    দ্য দা ভিঞ্চি কোড – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    অরিজিন – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেমেসিস (বেগ-বাস্টার্ড – ১) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    কন্ট্রাক্ট (বেগ-বাস্টার্ড ২) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেক্সাস (বেগ-বাস্টার্ড ৩) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }