Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এক পাতা গল্প311 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কেউ কেউ কথা রাখে – ৩৬

    অধ্যায় ৩৬

    সময় সব কিছু বদলে দেয়। দুই যুগ মহাকালের গর্ভে তুচ্ছ হলেও একজন মানুষের জীবনে বিরাট একটি অংশ। এই সময়ের মধ্যে কতো উত্থান-পতন ঘটে যায়, কতো কিছুর আগমণ ঘটে। আবার অনেক কিছুই যায় হারিয়ে।

    আমি মিনহাজের মুখটা কল্পনা করলাম। অমায়িক আর সজ্জন একজন মানুষ। চেহারার মধ্যে নিরীহ একটি ভাব আছে। অন্তত দুই যুগ আগে তা-ই ছিলো। কিন্তু এখন, আজ এতগুলো বছর পর তার চেহারায় নিশ্চয় অনেক পরিবর্তন হয়েছে। সেই বিষন্ন চোখজোড়া, রেগে গেলে নীচের ঠোঁটের মৃদু কাঁপন, কপালের উপর হামলে পড়া চুলের গোছা, মার্জিত ভঙ্গি-সব কি অটুট আছে? নাকি সময়ের চাবুক পড়ে বদলে গেছে!

    দীর্ঘ বাসযাত্রায় এসব ভাবছিলাম আমি। বিরাশি সালের দিকে একবার কী একটা কাজে ঢাকায় এসেছিলাম। তখন মিনহাজের ব্যাঙ্কে গেছিলাম দেখা করার জন্য। তার পুরনো কলিগদের কেউই সেখানে ছিলো না। নতুন যারা ছিলো তারা আমাকে বলতে পারেনি মিনহাজ কোথায় বদলি হয়ে গেছে, কিংবা আদৌ চাকরি করে কি-না। ব্যাঙ্কের এক পুরনো পিয়ন শুধু বলতে পারলো, পঁচাত্তরের শেষের দিকেই মিনহাজ ঢাকার বাইরে বদলি হয়ে গেছিলো। এরপর তার কোন খোঁজ সে জানে না। নব্বইর আগে দিয়ে লেখালেখির কারণে আবারো ঢাকায় ফিরে আসার পর থেকে আজ পর্যন্ত মিনহাজের কোন খবর আমি জানতে পারিনি। যেন দুনিয়ার বুক থেকে উধাও হয়ে গেছে সে। ঠিক ইমতিয়াজের মতোই!

    আজ দুই যুগ পর নিভৃত এক গ্রামে বসবাস করা মিনহাজের সাথে দেখা করতে যাচ্ছি।

    গতকাল সকালে আমার ঘুম ভেঙেছিলো রামজিয়ার ফোনকলে। রাত জেগে একটু লেখার চেষ্টা করেছিলাম, তাই সকাল নটা পর্যন্ত ঘুমিয়েছিলাম আমি। সে- ই আমাকে জানালো মিনহাজের ঠিকানা জোগাড় করা গেছে। ও কোনো ফোন ব্যবহার করে না। আত্মীয়-স্বজনদের সাথেও খুব একটা যোগাযোগ রাখে না। নিজগ্রামের কাছাকাছি একটি মফশ্বল শহরে তার ব্যাঙ্কের একটি শাখায় বদলি হয়ে চলে গেছিলো। বাপ-দাদার বিশাল ভিটেয় থাকে এখন

    লেখাটা দ্রুত শেষ করার তাগিদ অনুভব করছিলাম আমি, সেই সাথে মিনহাজের সঙ্গে দেখা করার জন্যও মুখিয়ে ছিলাম, তাই দেরি না করে পরদিন সকাল সকাল রওনা হয়ে যাই অসমাপ্ত পাণ্ডুলিপিটার একটি কপি নিয়ে।

    বাসের জানালা দিয়ে দূরের ধানক্ষেত আর গুচ্ছ গুচ্ছ গ্রামগুলোর দিকে উদাস হয়ে চেয়ে থেকে ভাবলাম, আজ এতদিন পর আমাকে দেখে মিনহাজ চিনতে পারবে তো? আমার ধারণা, পারবে না। তবে পরিচয় দিলে অবশ্যই মনে পড়ে যাবে, দুই যুগ আগে আমার মতো এক অক্ষম পুলিশ অফিসারের সাথে তার অল্প-বিস্তর পরিচয় ছিলো।

    কয়েক ঘণ্টার ক্লান্তিকর বাসযাত্রার অবসান হলো দুপুরের পর পরই। চামড়ার ব্যাগটা নিয়ে পা বাড়ালাম মিনহাজের পৈতৃক ভিটার দিকে। বাসস্টেশনেই এক লোককে ঠিকানাটা দেখালে সে বলে দিলো কিভাবে যেতে হবে ওখানে। রিক্সায় করে গেলে পনেরো মিনিটের মতো পথ।

    আমি একটা রিক্সা নিয়ে রওনা হয়ে গেলাম। সাপের মতো এঁকেবকে কাঁচা-পাকা রাস্তা মাড়িয়ে ঢুকে পড়লাম বিশুদ্ধ এক গ্রামে। বিশাল একটি কাঠবাদাম গাছের সামনে এসে রিক্সাওয়ালা হাত তুলে দেখিয়ে দিলো উঁচু বেড়া আর কাঠের গেটের একটি বাড়ির দিকে। স্থানীয়রা একে খামারবাড়ি বলেই ডাকে।

    বাড়ির সামনে বিশাল একটি পুকুর। দেখেই বোঝা যায় মাছচাষ করা হয়। পুকুরের চারপাশে বড় বড় গাছ আর আগাছায় পরিপূর্ণ একটি জায়গা। দু-পাশে ছোটোবড় ডোবায় কচুরিপানায় ভরে উঠেছে। প্রায় জঙ্গলের মতো রুপ নিয়েছে যেন পুরো জায়গাটি। সেই জঙ্গলময় জায়গার ভেতর দিয়ে সরু একটা রাস্তা চলে গেছে। একদম নিরিবিলি আর সুনসান। দেখে মনে হয় না কোন মানুষ থাকে এখানে। আমি সেই সরুপথ দিয়ে এগিয়ে যেতেই দেখতে পেলাম পুরনো দিনের তৈরি ছোটোখাটো একটি একতলা বাড়ি। এমন বাড়ি গ্রামে প্রায়ই দেখা যায়। তিন-চারটা ঘর হবে। সামনে টানা বারান্দা। একটা পুরনো চেয়ার আর আরামকেদারা আছে সেখানে। আরো আছে আগাছা সাফ করার কাস্তে, নিড়ানি, কোদাল আর দড়ি। বামদিকের ঝোঁপের সামনে বিভিন্ন সাইজের কিছু বাঁশ স্তুপ করে রাখা।

    বাড়ির সামনে এক চিলতে ফাঁকা জায়গা আগাছায় পরিপূর্ণ। বোঝা গেলো খুব বেশি মানুষজন এখানে যাতায়াত করে না। বাড়ির ডানদিকে একটি মেঠোপথ চলে গেছে। আর বামদিকটা ঝোঁপঝাঁড়ে পরিপূর্ণ। নাকে টের পেলাম অতিপরিচিত সেই গন্ধটা।

    গরু। গোবর।

    দূর থেকে একটা হাম্বা ডাক ভেসে এলে বুঝতে পারলাম বাড়ির পেছনে গো-খামার আছে। সেজন্যেই এলাকার লোকজন এটাকে খামারবাড়ি বলে ডাকে।

    বাড়ির সামনে গিয়ে বোকার মতো দাঁড়িয়ে রইলাম কিছুক্ষণ। ঘরের দরজাগুলো খোলা থাকলেও ভেতরে কাউকে দেখতে পাচ্ছিলাম না।

    “কেউ কি আছেন?” কিছুক্ষণ পর ডেকে উঠলাম আমি। কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে আবারো ডালাম। “কেউ আছেন?”

    একটু পর শুকনো ঘাসে পা মাড়ানোর শব্দ শুনতে পেলাম। বাড়িটার ডানদিকে যে মেঠোপথ চলে গেছে সেখানে দেখলাম ভারি কাঁচের চমশা চোখে এক লোক দাঁড়িয়ে আছে খাবারের ট্রে হাতে নিয়ে। মাথার চুল পাতলা আর সাদা। একটু কুঁজোও মনে হলো। পাজামা আর ফতুয়া গায়ে। বেশ পরিপাটি।

    আমার দিকে ভুরু কুচকে তাকালো ভদ্রলোক। আমি দুয়েক পা এগিয়ে গেলাম তার দিকে।

    “মিনহাজসাহেব…?”

    “আ-আপনি…কে?” আমার প্রশ্নের জবাব না দিয়ে বেশ সন্দিগ্ধ দৃষ্টিতে তাকালো সে।

    চশমার আড়ালে থাকা চোখদুটো চিনতে আমার বেগ পেতে হলো না। “কোত্থেকে এসেছেন?” তার কণ্ঠ আগের তুলনায় ভারি। তাতে মিশে আছে উদ্বেগ।

    “অনেক দিন আগের কথা… চিনতে না পারটাই স্বাভাবিক,” মুচকি হেসে বললাম, “মিনহাজসাহেব…আমি আজিমপুর থানার এএসআই-”

    “ও,” আমার কথা শেষ হবার আগেই বিস্ময়ে বলে উঠলো সে, “আপনি?!” যেন আকাশ থেকে পড়লো। চোখেমুখে বিস্ময় তার। “আমি আপনাকে দেখে চিনতেই পারিনি।”

    “সেটাই স্বাভাবিক,” হেসে বললাম আমি, “কতো দিন পর দেখা হলো।” প্রসন্নভাবে হেসে মাথা নেড়ে সায় দিলো সে।

    দুই যুগ পর আমার মতো স্বল্পপরিচিত একজন মানুষ বলা নেই কওয়া নেই হুট করে তার বাড়িতে হাজির হয়েছি সুতরাং তার দিক থেকে অবাক হবার যথেষ্ট কারণ আছে।

    হাতের ট্রে-টা বারান্দায় রাখা একটা চেয়ারের উপর রেখে আমার দিকে এগিয়ে এলো। জোর করে সৌজন্যমূলক হাসি দেবার চেষ্টা করলো একটু।

    তাতে অবশ্য আমার আগমণে যে পুরোপুরি খুশি হতে পারেনি সেটা ঢাকা পড়ে গেলো না।

    “এতদিন পর…” বললো মিনহাজ, “কি মনে করে?” তারপর আমি কিছু বলার আগেই হাতটা বাড়িয়ে দিলো।

    করমর্দন করলাম তার সাথে। “কেমন আছেন?”

    হাসিটা মিইয়ে গেলো তার, স্থিরচোখে চেয়ে রইলো কয়েক মুহূর্ত আমার দিকে। “এই তো, চলে যাচ্ছে।” একটু থেমে আবার বললো, “আপনার কি খবর? রিটায়ার করেছেন?”

    মাথা দোলালাম আমি। “অনেকদিন আগেই পুলিশের চাকরি ছেড়ে দিয়েছি।”

    “তাই নাকি?”

    “আপনি ঢাকা ছাড়ার আগে,” একটু থেমে আবার বললাম, “পঁচাত্তর সালেই।”

    মিনহাজের কপালে ভাঁজ পড়লো। “তখনই? মানে, আপনার ঐ কলিগ…কী যেন নাম?”

    “এসএম হায়দার।”

    “হ্যা, হ্যা। ঐ ভদ্রলোক মারা যাবার পর?”

    মাথা নেড়ে সায় দিলাম।

    “আমার এখানে?…কী মনে করে?” উদ্বিগ্ন কণ্ঠে জানতে চাইলো মিনহাজ। “একটা দরকারে এসেছি,” বললাম তাকে।

    সৌজন্যতার খাতিরেই যেন আমাকে ঘরে আসতে বললো সে। আমি তার পেছন পেছন ঢুকে পড়লাম। ঘরে ঢুকেই মিনহাজ একটা বড় জানালার পর্দা টেনে দিলো। ওটা দিয়ে বাড়ির পেছনে থাকা বিশাল খামারটা দেখা যায়। তারপর আমাকে বসার ইশারা করলো সে। আমি সোফায় বসে পড়লে মিনহাজ আমার বিপরীতে একটা চেয়ার টেনে বসে পড়লো।”

    এক সেট পুরনো আমলের সোফা, ময়লা আর তেল চিটচিটে হয়ে গেছে, পড়ার টেবিল, দুটো চেয়ার, একটা বুকসেল্ফ আর আলমিরা ছাড়া ঘরটা বলতে গেলে ফাঁকা। বুকশেলফে অনেক বই। বেশিরভাগই মেডিকেলের। আমি জানতাম, মিনহাজ এখানে হোমিওপ্যাথি প্র্যাকটিস করে। তাছাড়া, খামার করে সে-গবাদিপশুর রোগ-বালাই সম্পর্কেও তাকে সচেতন থাকতে হয়। তবে বইগুলোর দিকে মনোযোগ দেবার আগেই আমার চোখ আটকে গেলো একটা ছবিতে।

    সেই চোখ! সেই মায়াভরা মুখ!

    দুই যুগ আগে মিনহাজের ঘরে মিলির এই ছবিটাই আমি দেখেছিলাম।

    “দুপুরের খাবার খেয়েছেন?”

    মিনহাজের কথায় সম্বিত ফিরে পেয়ে তাকালাম। “হ্যা” মিথ্যেটা অবলীলায় বলে দিলাম তাকে।

    “তাহলে চা বানাই?”

    “আরে না, তার কোন দরকার নেই,” বললাম তাকে। সত্যি হলো চা সিগারেট দুটোই খাওয়ার তেষ্টা পেয়ে বসেছে।

    “সিগারেটের অভ্যাস এখনও আছে?”

    মুচকি হেসে মাথা দোলালাম।

    “আমি অবশ্য ছেড়ে দিয়েছি…শরীরে আর কুলোয় না।” একটু থেমে আবার বললো, “আপনি কিন্তু সিগারেট খেতে পারেন, কোন সমস্যা নেই।”

    “এখন খেতে ইচ্ছে করছে না.” আবারো মিথ্যে বললাম। ঘরের চারপাশটা দেখে জিজ্ঞেস করলাম, “মনে হচ্ছে একাই থাকেন?”

    মলিন হাসি দিলো সে। “সঙ্গি পাবো কোথায়?”

    “কেন, আর বিয়ে করেন নি?”

    মাথা দুলিয়ে জবাব দিলো। “সংসার করার ইচ্ছে আর হয়নি।”

    কথাটা শুনে একটু অবাকই হলাম। যারা বিয়ে করে সুখি হয় তারা স্ত্রী বিয়োগ হবার পর খুব বেশি দিন একা থাকতে পারে না। আবার বিয়ে করে বসে। কারণ, দ্বৈতজীবনে যে সুখি হওয়া যায় সে অভিজ্ঞতা তার আছে। আর যে মানুষটি বৈবাহিক জীবনে অসুখি, সে স্ত্রী বিয়োগের পর আর ও পথে পা বাড়ায় না। দ্বিতীয়বার অসুখি হবার ঝুঁকি নিতে চায় না সে।

    তাহলে কি মিনহাজও সে-রকম অসুখি ছিলো?

    অসম্ভব। এটা আমার বিশ্বাস করতেও কষ্ট হলো। মিলির প্রতি ওর যে প্রেম আর ভালোবাসা আমি দেখেছি সেটা অতুলনীয়। ঈর্ষনীয়। অসুখি হলে এত ভালোবাসা জন্মালো কী করে?

    “আপনার কি খবর? বাচ্চা-কাচ্চা ক-জন?”

    বিব্রতকর হাসি দিয়ে মাথা দোলালাম আমি। দীর্ঘদিন পর দেখা হলে

    আমার পরিচিত সবাই এই প্রশ্নটা করে। “বিয়ে করিনি।”

    অবাক হলো মিনহাজ। “বলেন কি!”

    আমি কিছু না বলে নিঃশব্দে হাসি দিলাম শুধু।

    কয়েক মুহূর্ত পর মিনহাজ বললো, “আমি যে এখানে থাকি সেটা কিভাবে জানলেন?”

    মিনহাজের অভিব্যক্তি দেখে মনে হলো, তার গোপন আস্তানার খবরটা চাউর হওয়ায় একটু হতাশ হয়েছে সে।

    “রামজিয়ার কাছ থেকে।” ছোট্ট করে বললাম।

    তার কপালে ভাঁজ পড়লো। “ও কি দেশে…?”

    “হ্যা। তিন-চারমাস হয় এসেছে, আর বোধহয় ফিরে যাবে না।”

    “কিন্তু ও তো আমার এখানকার ঠিকানা জানে না।” আবারো সন্দিগ্ধ দেখালো মিনহাজকে।

    “আমি যখন বললাম আপনার সঙ্গে দেখা করতে চাই তখন আপনার কোন এক রিলেটিভের সাথে যোগাযোগ করে এখানকার ঠিকানাটা জোগাড় করে দিয়েছে।”

    আমি দেখতে পেলাম মিনহাজের চেহারায় অজ্ঞাত এক ভয় জেঁকে বসেছে। কেমন চিন্তিত দেখাচ্ছে তাকে। ভেবে পেলাম না, তার এমন আচরণের কারণ কি।

    “আ-আপনি আমার সাথে দেখা করতে চাইছেন কেন?”

    “একটা কাজে…” কথাটা বলেই চামড়ার ব্যাগের ভেতর থেকে পাণ্ডুলিপিটা বের করে আনলাম।

    “কি এটা?” তার চোখেমুখে যতো না কৌতুহল তার চেয়ে বেশি উদ্বেগ।

    “আমার লেখা,” বলেই পাণ্ডুলিপিটা তার দিকে বাড়িয়ে দিলাম। “পুলিশের চাকরি ছাড়ার পর আমি লেখালেখি করতে শুরু করি।”

    “তাই নাকি?”

    ভালো করেই জানি অবাক হয়েছে। পুলিশ থেকে লেখক-এর চেয়ে বেমানান আর কী হয় এ দেশে! “

    “তেমন সিরিয়াস কিছু না, গল্প-উপন্যাস লিখি… গাল-গল্প বলতে পারেন, বলেই হেসে ফেললাম।

    “কি ধরণের গল্প, রোমান্টিক?” আমার পাণ্ডুলিপিটা হাতে নিয়ে বললো সে। মুচকি হেসে মাথা দোলালাম। সম্ভবত শিরোনামটা দেখে তার এমন ধারণা করেছে : কেউ কথা রাখেনি।

    “না। মার্ডার মিস্ট্রি। ক্রাইম-ফিকশন…খুন-খারাবির গল্প।” কথাটা বলার পরই বুঝতে পারলাম খুন-খারাবি শব্দটা ব্যবহার না করলেই ভালো হতো। অন্তত যে মানুষটার জীবন একটা খুনের কারণে এলোমেলো হয়ে গেছে তার সামনে এটার ব্যবহার সব সময়ই অপ্রীতিকর স্মৃতি জাগিয়ে তুলবে নিশ্চয়।

    মিনহাজের চেহারা দেখে মনে হলো না আমার লেখালেখি নিয়ে তার কোন আগ্রহ আছে। “আপনি বলছিলেন, একটা কাজে এসেছেন আমার কাছে?” মনে করিয়ে দিলো সে।

    মাথা নেড়ে সায় দিলাম। “হ্যা। এই বইটার ব্যাপারে আর কি।” একটু থেমে কথাগুলো গুছিয়ে নিলাম। “এটা মিলির ঘটনাটা নিয়ে।”

    মিনহাজ আমার দিকে ফ্যালফ্যাল চোখে চেয়ে রইলো কয়েক মুহূর্ত।

    “আমার মনে হলো, যেহেতু এটা মিলিকে নিয়ে, আপনিও আছেন এখানে, তাই আপনার কাছ থেকে মৌখিকভাবে অনুমতি নেয়া উচিত। অন্তত প্ৰকাশ করার আগে জানা দরকার কোন বিষয়ে আপনার আপত্তি আছে কি-না।”

    সন্দেহের সুরে বললো মিনহাজ, “শুধু এজন্যে আমাকে খুঁজে বের করে এখানে চলে এসেছেন?”

    গভীর করে নিঃশ্বাস নিয়ে নিলাম আমি। মিথ্যে বলে প্রশ্নটা এড়িয়ে যাওয়ার চিন্তা বাদ দিলাম। “না। আরেকটা কারণও আছে।”

    “কি?” মিনহাজকে আবারো সন্দিগ্ধ দেখালো।

    “আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে, আপনি আসলে কেন ঢাকা ছাড়লেন।”

    “আপনার কি মনে হয়?” মিনহাজ পাল্টা জানতে চাইলো।

    সমস্ত দ্বিধা ঝেড়ে বলেই ফেললাম, “ইমতিয়াজের কারণে।”

    আমার দিকে চেয়ে মুচকি হাসি দিলো সে। হাসিটার অর্থ আমি বুঝতে পারলাম না।

    “সে হয়তো আপনার কোন ক্ষতি করতে পারে এই ভয়ে ঢাকা ছেড়েছেন। হায়দারভায়ের খুন হবার খবরটা শোনার পর সম্ভবত আপনি এমন ভয় পেতে শুরু করেন।”

    মাথা দোলালো মিনহাজ। “আমি ইমতিয়াজকে মোটেও ভয় পেতাম না। একটুও না।”

    “তাহলে?”

    কাঁধ তুললো সে। “আপনি তো সাহিত্যিক, আপনার মতো গুছিয়ে বলতে পারবো না। সত্যি বলতে, ঢাকা শহরে থাকতে ইচ্ছে করছিলো না। শহরটার উপরেই আমার অভিমান জন্মে গেছিলো। কেন, সেটা নিশ্চয় আপনি আন্দাজ করে নিতে পারছেন।”

    আমি মাথা নেড়ে সায় দিলাম।

    “একটু নিরিবিলি থাকতে চেয়েছিলাম। এরকম শান্ত আর নিরিবিলি গ্রামিন পরিবেশে।” আমাকে চুপ থাকতে দেখে আবারো বলতে শুরু করলো, “এটা আমার পৈতৃক বাড়ি। থাকার মতো কেউ ছিলো না বলে খালিই পড়ে ছিলো। ঐ ঘটনার পর ভাবলাম, বাকি জীবনটা এখানেই কাটিয়ে দেই।”

    আমি চুপ মেরে রইলাম।

    “তাছাড়া এখান থেকে খুব কাছেই, টাউনে আমার ব্যাঙ্কের একটি ব্র্যাঞ্চ আছে। কোন ভালো অফিসার বদলি হয়ে এখানে আসতে চাইতো না। প্রমোশনের লোভ দেখালেও না। তো, আমি সুযোগটা নিয়ে নিলাম। এক ঢিলে দুই পাখি মারলাম আর কি।” একটু থেমে আবার বললো সে, “প্রমোশনও পেলাম, সেইসাথে যেটা চাচ্ছিলাম সেটাও পেয়ে গেলাম।” কথাটা শেষ করে মুখে হাসি ধরে রাখলো মিনহাজ। সেই হাসি একদম কৃত্রিম।

    আমি তার এরকম হাসির কারণটা ধরতে না পারলেও এটা বুঝতে পারছিলাম, আমার মতোনই ঢাকা শহরে দম বন্ধ হয়ে পড়ছিলো মিনহাজ। তাকে আর সে-কথা বললাম না আমিও তার মতোই ঢাকা ছেড়েছিলাম।

    “আপনি কি জানেন, ইমতিয়াজের কোন খোঁজ পাওয়া যায় নি?”

    আমার মনে হলো কথাটা শুনে একটু চমকে উঠলো সে। “তাই নাকি?”

    “হুম।”

    বাঁকাহাসি দিলো এবার। “এরকম জঘন্য লোকজন সব সময়ই পার পেয়ে যায়। হয়তো বিদেশে চলে গেছে। বিয়েশাদি করে সংসারি হয়েছে।”

    “আমারও সে-রকম মনে হয় মাঝেমাঝে,” একমত পোষণ করে বললাম। “বছরখানেক ধরে ওকে আমি খুঁজে বেরিয়েছি…আশ্চর্যের ব্যাপার কি জানেন, কেউ তার খোঁজ জানে না। এমন কি সে বিদেশে গেছে কি-না তা-ও জানে না।”

    মিনহাজ কৌতূহলভরে চেয়ে রইলো আমার দিকে।

    “অনেক খোঁজাখুঁজি করে ওর এক বোনকে খুঁজে পেয়েছিলাম…ওই মহিলাও ইমতিয়াজের কোন খবর জানে না।”

    “কে জানে, হয়তো মারা গেছে।”

    মিনহাজের কথার সাথে আবারো সায় দিলাম আমি। “তা হতে পারে। কিন্তু কিভাবে মারা গেলো, কবে মারা গেলো সেটাও কেউ জানবে না, ব্যাপারটা একটু অদ্ভুত না?”

    “অদ্ভুত কেন হবে,” বললো মিনহাজ, “ওর মতো লোকজন যেকোন সময় বেঘোরে মরতেই পারে।”

    কথাটায় যুক্তি আছে। পঁচাত্তরের পনেরোই আগস্টের পর পর ইমতিয়াজ নিশ্চয় ঢাকা ছেড়েছিলো কিংবা আত্মগোপনে চলে গেছিলো। সেই সম্ভাবনাই বেশি। তখনই হয়তো কোনভাবে মারা পড়েছে সে।

    “দুই যুগ পার হয়ে গেছে, অনেক কিছুই বদলে গেছে। এখন এসব নিয়ে মাথা ঘামিয়ে কী লাভ।”

    মিনহাজের কথায় স্থিরচেখে চেয়ে রইলাম আমি। “কিন্তু আপনি নিশ্চয় ভুলতে পারেন নি?”

    আবারো মুচকি হাসলো সে। “আমি আমার কথা বলছি না।”

    সপ্রশ্ন দৃষ্টিতে চেয়ে রইলাম তার দিকে।

    “আপনার কথা বলছি।” আক্ষেপে মাথা দোলালো মিনহাজ। “আমি নিজেই ইমতিয়াজের কী হলো না হলো সে-সব নিয়ে মাথা ঘামানো বাদ দিয়ে দিয়েছি, আপনারও সেটা করা উচিত। এত বছর পর এসব জেনে আপনি কী করবেন? ইমতিয়াজ যদি বেঁচে থাকে তাহলেই বা কি করবেন, বলেন?”

    “আপনি রাজি থাকলে কেসটা আবার রি-ওপেন করা কিন্তু সম্ভব।”

    আমার দিকে বিস্ময়ে চেয়ে রইলো মিনহাজ। “আপনার মাথা খারাপ হয়ে গেছে? এত বছর পর এরকম কোন কেস নিয়ে কেউ মাথা ঘামাবে?” আক্ষেপে মাথা দোলালো। “আসামিরই তো কোন খবর নেই।”

    “কেসটা রি-ওপেন করা হলে পুলিশ খুঁজে বের করতে পারবে ইমতিয়াজ বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে। বেঁচে থাকলে কোথায়-”

    হাত তুলে আমাকে থামিয়ে দিলো মিনহাজ। “প্লিজ। এসব কথা আমাকে বলবেন না। এত বছর পর আমি এসব নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে চাই না। যা হবার তা হয়ে গেছে।”

    কয়েক মুহূর্ত চুপ থেকে বললাম, “আমি চাই মিলির স্মৃতিটা বেঁচে থাক। ওর সাথে যা হয়েছে-”

    “মিলির স্মৃতি একান্তই আমার ব্যক্তিগত একটি বিষয়।” আমার কথার মাঝখানে আবারো বাধা দিয়ে বলে উঠলো মিনহাজ। “ওটা আমৃত্যু আমার সাথে থাকবে।”

    “আপনি চান না আমি বইটা প্রকাশ করি?” উদ্বিগ্ন হয়ে জানতে চাইলাম।

    “আমার মনে হয়, এর কোন দরকার নেই,” দৃঢ়ভাবে বললো সে। “দুই যুগ আগের ক্ষত এতদিনে মুছে না গেলেও শুকিয়ে গেছে। আপনি সেটাকে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে আবার জাগাতে চাইছেন কেন?”

    হতাশ হয়ে চেয়ে রইলাম আমি। কী বলবো বুঝতে পারলাম না।

    “এসব বাদ দিন, অন্য কোন গল্প লিখুন। সেটাই ভালো হয়।” একটু থেমে আবার বললো তবে অনেকটা বিড়বিড় করে, “আমাদের দু-জনের জন্যই।”

    আমার মুখ দিয়ে কোন কথা বের হলো না। যদিও এরকম পরিস্থিতির জন্য আমি মনে মনে প্রস্তত ছিলাম, ভেবে রেখেছিলাম, মিনহাজ রাজি না হলে গল্পটার চরিত্রগুলোর নাম পাল্টে দেবো।

    “‘কেউ কথা রাখেনি’ মানে কি?” জানতে চাইলো আমার কাছে। “কে কথা রাখেনি?” তার কণ্ঠে অসন্তোষ।

    মিনহাজের ভাবভঙ্গি দেখে মনে হচ্ছে বইয়ের শিরোনামটি যেন সরাসরি তাকে উদ্দেশ্য করেই দিয়েছি!

    আমি ব্যাখ্যা দিতে শুরু করলাম, “আপাতত একটা নাম দেবার দরকার তাই দিয়েছি। এটাই যে শেষ পর্যন্ত থাকবে তা কিন্তু নয়।”

    মনে হলো বইয়ের শিরোনাম নিয়েও তার খুব একটা আগ্রহ নেই আর। পাণ্ডুলিপিটা ফিরিয়ে দিলো আমাকে। “এসব পড়ার কোন ইচ্ছে নেই। আমি যেটা ভুলে যেতে চাই, আপনি সেটা মনে করিয়ে দিতে চাচ্ছেন।

    আমি লেখক মানুষ, প্রত্যাখান আমার কাছে অভিনব কিছু নয়। প্রকাশকের কাছে প্রত্যাখ্যাত হওয়াটা নতুন লেখকের জন্য স্বাভাবিক ব্যাপার। আর প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেলে যে প্রত্যাখ্যান পর্বের সমাপ্তি ঘটে তা-ও নয়। তখন আবার পাঠকের কাছ থেকে প্রত্যাখ্যাত হবার সম্ভাবনা তৈরি হয় প্রতিটি লেখা প্রকাশের পর পর। কিন্তু মিনহাজের কাছ থেকে বিমুখ হয়ে মুষড়ে পড়লাম। আমি চেয়েছিলাম মিলির ঘটনাটা যেহেতু সত্যি, তাই সেটা সাহিত্যের মধ্য দিয়ে হলেও বেঁচে থাকুক।

    আমি আমার পাণ্ডুলিপিটা ব্যাগে ভরে উঠে দাঁড়ালাম।

    “সরি,” মিনহাজও উঠে দাঁড়ালো। “আশা করি কিছু মনে করেননি।”

    “না, ঠিক আছে,” ভদ্রতা দেখিয়ে বললাম তাকে। দরজা দিয়ে বের হতেই আমার মনে হলো একটা কথা মিনহাজকে না বললে অনুচিত হবে। ঘুরে দাঁড়ালাম আমি। “আপনার নাম, মিলির নাম… সব নাম বদলে দিয়ে যদি বইটা প্রকাশ করি তাহলে নিশ্চয় কোন আপত্তি থাকবে না?”

    আমার এ কথা শুনে মিনহাজ একটু ভেবে নিলো। নীচের ঠোঁট কামড়ে ধরলো সে।

    “আসলে মিলির খুনটা আমি ভুলতে পারিনি আজো। এত বছর পরও আমি এসব নিয়ে ভাবি। এই একটা ঘটনা আপনার, আমার অনেকের জীবনই পাল্টে দিয়েছে। এটা আপনার একান্ত নিজস্ব ব্যাপার নয়, মিনহাজসাহেব। এই ঘটনায় হায়দারভায়ের মতো মানুষও খুন হয়েছেন। এরকম একটি ঘটনা না লিখে আমি থাকতে পারিনি,” একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে অবশেষে বলে ফেললাম, “এই বই আমি প্রকাশ করবোই। ইমতিয়াজকেও খুঁজে বের করবো। যতোক্ষণ না জানতে পারছি সে মারা গেছে। পারলে আমাকে ক্ষমা করে দিয়েন।”

    কথাটা বলেই পা বাড়ালাম সামনের দিকে।

    “দাঁড়ান।”

    আমাকে চমকে দিয়ে মিনহাজ বলে উঠলো পেছন থেকে। ঘুরে তাকালাম আমি। ঘরে ঢোকার জন্য ইশারা করলো সে।

    “ভেতরে আসুন। আপনাকে একটা কথা বলার আছে আমার।”

    সত্যি বলতে, কয়েক মুহূর্তের জন্য আমার মনে হয়েছিলো মিনহাজের ভাবভঙ্গি কেমনজানি রহস্যময়। একটা অজানা আশঙ্কাও জেঁকে বসলো আমার মধ্যে, তবে সেটা মাথা থেকে ঝেড়ে আমি আবার ঘরে ঢুকে পড়লাম। একটু আগে যেখানে বসেছিলাম সেখানেই বসলাম আমরা দু-জন।

    মিনহাজ কপালের বামপাশটা ঘষলো হাত দিয়ে। “আপনার এবং হায়দারসাহেবের কাছে আমি আজীবন কৃতজ্ঞ। আপনারা মিলির হত্যাকারীকে ধরেছিলেন, অনেক বাধা-বিপত্তি ডিঙিয়ে তাকে উপযুক্ত শাস্তি দেবার চেষ্টা করেছিলেন। এ কাজ করতে গিয়ে হায়দারসাহেব অকালে প্ৰাণ হারিয়েছেন। আপনার দুঃখটা আমি বুঝি। কিন্তু তার পরও আমি বলবো, এসব বাদ দিতে। ইমতিয়াজকে খুঁজে কোন লাভ নেই।”

    আমি হতাশ আর বিস্মিত হয়ে তাকিয়ে থাকলাম। এ কথা বলার জন্য আবারো আমাকে ঘরে ডেকে এনেছে মিনহাজ?!

    “কেন বলছি জানেন?”

    আমি সপ্রশ্ন দৃষ্টিতে চেয়ে রইলাম তার দিকে। “কারণ ইমতিয়াজ বেঁচে নেই!”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজোনাকির রঙ – সায়ক আমান
    Next Article বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    Related Articles

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    দ্য দা ভিঞ্চি কোড – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    অরিজিন – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেমেসিস (বেগ-বাস্টার্ড – ১) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    কন্ট্রাক্ট (বেগ-বাস্টার্ড ২) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেক্সাস (বেগ-বাস্টার্ড ৩) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }