Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এক পাতা গল্প311 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কেউ কেউ কথা রাখে – ১৪

    অধ্যায় ১৪

    খেলা

    জীবনে প্রথম স্টেডিয়ামে গেলাম খেলা দেখতে নয়, আসামি ধরতে!

    তার মানে এই নয় ঢাকা স্টেডিয়াম আমার কাছে অপরিচিত জায়গা। মাঝেমাঝে ওখানে ঢু মারতাম আমি, কিন্তু সেটা অবশ্যই মাঠের বাইরে। ঐ সময় ঢাকা শহরে নিউ মার্কেট ছাড়াও স্টেডিয়ামের নীচে বড় বড় কয়েকটি বইয়ের দোকান ছিলো। সেকেন্ডহ্যান্ড ইংরেজি বইও পাওয়া যেত কিছু দোকানে।

    তো, হায়দারভাই আর আমি একদিনের জন্য আবাহনীর সাপোর্টার হয়ে গেলাম!

    পশ্চিম-গ্যালারিতে ঢুকে দেখি একেবারে কাণায় কাণায় পূর্ণ। হায়দারভাই বলেছিলেন নতুন দল আবাহনীর সপোর্টার অতো বেশি হবে না। কিন্তু গ্যালারি চিত্র সে-কথা বলছিলো না। আবাহনীর সাপোর্টাররা সংখ্যায় যেমন বেশি তেমনি তারা সুসংগঠিত। অনেকেই দলের জার্সি পরে এসেছে। কারো কারো হাতে দলের পতাকা। অন্যদিকে পুব-গ্যালারিতে পুরনো দল ঢাকা ওয়ান্ডারাসের কয়েক হাজার সমর্থক-দর্শক দেখে মনে হলো, দীনহীন এক জমিদার বসে আছে! যার সমস্ত গৌরব আর জৌলুস ম্রিয়মান। যেন দলটির সাপোর্টাররা দীর্ঘদিনের অভ্যাসবশত চলে এসেছে স্টেডিয়ামে! “

    কট্টর সাপোর্টারদের গ্যালারিতে ঢুকে শুরু করে দিলাম মানুষের মুখ দেখার কাজ। শতশত, হাজার-হাজার মানুষের মুখ দেখা যে কী পরিমাণ বিরক্তিকর আর যন্ত্রণাদায়ক কাজ সেটা ভুক্তভোগি ছাড়া কেউ বুঝবে না।

    খেলা শুরু হবার আগে পনেরো মিনিটে ইমতিয়াজের খোঁজ পেলাম না। খেলা শুরু হবার পর পনেরো-বিশ মিনিট অতিক্রান্ত হতেই আমাদের হতাশা বাড়তে শুরু করলো। হায়দারভাই দুই ঠোঙা চিনাবাদাম কিনে আনতে গেলেন। আমি জানি ইমতিয়াজের ছবি দেখিয়ে তিনি বাদামওয়ালাদের কাছে জানতে চাইবেন চেনে কি-না। ওদের কাছ থেকে কিছু না পেয়ে ফিরে এসে একটা বাদামের ঠোঙা আমার হাতে ধরিয়ে দিলেন তিনি। ভাবখানা এমন, খাও আর দেখো!

    কিন্তু কী দেখবো, জনসমুদ্র?

    এক একটা সুদীর্ঘ গ্যালারি ধরে তীক্ষ্ণদৃষ্টিতে মানুষের মুখ পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছি। ততোক্ষণে চোখ, ঘাড় আর মাথাব্যথা শুরু হয়ে গেছে আমাদের। সত্যি বলতে, খেলার হাফ-টাইমের একটু আগেই আমি হাল ছেড়ে দিয়েছিলাম। বাদাম চিবোতে চিবোতে মানুষের মুখগুলো আর দেখছিলাম না। শুধু ভান করছিলাম আমি ইমতিয়াজকে খুঁজে যাচ্ছি।

    প্রথম আশার আলোটা দেখলেন হায়দারভাই-ই। হাফ-টাইম হবে হবে, ঠিক অমন সময় খপ্ করে আমার হাতটা ধরে বললেন, “ঐযে!”

    আমি চমকে তাকালাম তার দিকে। “কোথায়?”

    আমার কথার জবাব না দিয়ে তিনি ছুটে গেলেন সামনের একটা গ্যালারির দিকে। অগত্যা তাকে অনুসরণ করতে বাধ্য হলাম আমি।

    গ্যালারি ভর্তি দর্শকের মধ্য দিয়ে ঠেলেঠুলে এগোনোটা যে কতো দুরুহ ব্যাপার সেটা হাঁড়ে হাঁড়ে টের পেলাম। ফুটবলপ্রেমিদের মনোযোগ বিঘ্ন ঘটিয়ে, গালাগালি হজম করে এগিয়ে গেলেন এসএম হায়দার, আর তার পিছু পিছু আমি। তাকে যে কিছু বলবো তার কোনো উপায় নেই। তবে জিজ্ঞেস করার খুব একটা দরকারও পড়েনি, ভালো করেই জানতাম ইমতিয়াজকে দেখতে পেয়েছেন!

    নিবিষ্টমনে খেলা দেখতে থাকা এক যুবককে কলার ধরে টেনে ওঠাতে যাবেন অমনি থমকে গেলেন এসএম হায়দার। যুবক ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলো। আমি তার পেছনে এসেই বুঝতে পারলাম কি হয়েছে।

    ভুলে ইমতিয়াজ মনে করে এক যুবককে ধরেছেন তিনি!

    ছেলেটা দেখতে ইমতিয়াজের মতো। মানে, ছবিতে যে ইমতিয়াজকে আমরা দেখি। সন্দেহভাজনকে আমরা তখনও সামনাসামনি দেখিনি। সুতরাং বাস্তবের ইমতিয়াজ কেমন তা জানতাম না, ভুল হওয়াটা একদম স্বাভাবিকই ছিলো।

    যাই হোক, সঙ্গে সঙ্গে কলার ছেড়ে দিয়ে হাসিমুখে যুবককে এসএম হায়দার বললেন, “সরি ভাই। আমি ভেবেছিলাম আমার বন্ধু ইমতিয়াজ।” বলেই তিনি আমার দিকে ফিরলেন।

    বিরক্ত হয়ে সেই যুবক বিড়বিড় করে কিছু বললেও সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই আমাদের।

    আক্ষেপে মাথা দোলালেন এসএম হায়দার। আমি তার বাহু ধরে ওখান থেকে টেনে নিয়ে এলাম অপেক্ষাকৃত কম ভিড়ের একটি জায়গায়।

    “ভাই, এভাবে যাকে তাকে ধরলে তো গণপিটুনি দেয়া শুরু করবে।”

    মাথা নেড়ে সায় দিলেন তিনি, “হুম।”

    কিন্তু আমার মনে হলো না হায়দারভাই বুঝেছেন। তিনি যে ছবির ইমতিয়াজকে গ্যালারিতে থাকা হাজার-হাজার দর্শকের ভেতর থেকে খুঁজে বের করার ব্যাপারে মরিয়া সেটা তার চোখমুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছিলো।

    “চলো, একটা সিগারেট ধরাই,” বলে তিনি আমাকে আরেকটু কম ভিড়ের জায়গায় নিয়ে গেলেন। “এটা কোনো ব্যাপার না, বুঝলে।” আমি কিছু বলার আগেই আবার বললেন, “এরকম মিসটেক হতেই পারে। আমরা তো ঐ রেপিস্টটাকে সামনাসামনি কখনও দেখিনি, তাই না?”

    আমি আর কী বলবো। চুপচাপ তার বাড়িয়ে দেয়া সিগারেটটা ধরিয়ে বার কয়েক টান দিলাম। আমাদের চারপাশে উত্তেজিত দর্শক। নিজের দলের অলস, অকর্মণ্য আর অযোগ্য সব খেলোয়াড়দের মা-বাপ তুলে গালাগালি করছে। এদের দিয়ে কাজ হবে না। খালি পোস্ট পেলেও বল বাইরে দিয়ে মারবে এরা! একেকটার নল্লি ভেঙে লুলা করে দেয়া দরকার। হারামজাদারা ফুটবল খেলতে এসেছে নাকি জাম্বুরা!

    এরকম কথার ফুলঝুরি ছুটছে চারপাশে। ভালো করে কান পাতলে অনেক মজার মজার কথাও শোনা যেত কিন্তু আমরা ওখানে গেছি আসামি ধরতে, খেলা দেখতেও নয়। ক্ষুব্ধ দর্শক হয়ে মনের আশ মিটিয়ে গালাগালি করতে তো নয়-ই।

    হায়দারভাই উদাস হয়ে মাঠের দিকে তাকিয়ে সিগারেট টেনে যেতে লাগলেন। আমিও কোনো কথা খুঁজে না পেয়ে মাঠের দিকে নজর দিলাম।

    “এই যে, এরা গালাগালি করছে, এদের একটু ভালো করে দেখো তো।”

    হায়দারভায়ের এমন অপ্রাসঙ্গিক কথা শুনে আমি তার দিকে ফিরে তাকালাম। তারপর গালাগালি করতে থাকা লোকজনের দিকেও চোখ বোলালাম একটু। “বুঝলাম না…কী বলছেন?”

    “এই যে এরা প্লেয়ারদের মা-বাপ-চৌদ্দগুষ্টি তুলে গালি দিচ্ছে, এরা কারা?”

    প্রশ্নটা এমনই যে প্রথমে আমার মনে হয়েছিলো হায়দারভাই বুঝি মজা করছেন। কিংবা হেয়ালি করছেন অন্য কিছু বলার জন্য। এসএম হায়দারকে আমি যতোদিন ধরে চিনতাম, তাতে এটা স্পষ্ট, উনি এরকম সহজ প্রশ্ন করছেন অন্য একটা কারণে। তবে সেই কারণটা আমি তখনও জানতাম না।

    “এরা সাপোর্টার।” আমিও তার সহজ প্রশ্নে সহজ জবাব দিলাম।

    মাথা নেড়ে সায় দিলেন তিনি। “হুম। কোন্ দলের?’

    একেবারেই বালখিল্য প্রশ্ন। “কেন, আবাহনীর!”

    “তাই?”

    আমি এবার সত্যি সত্যি অবাক হলাম। এখানে ঢোকার আগে হায়দারভাই আমাকে এ বিষয়ে জ্ঞান দিয়েছিলেন। দু-দলের সমর্থক বসে দুটো আলাদা গ্যালারিতে। এখানে ভুল করলে বিপদ। এটা যেন অনেকটা শত্রু-শিবিরে ঢুকে পড়ার মতোই বিপজ্জনক কাজ।

    “আশ্চর্য, আবাহনীর গ্যালারিতে কি অন্যদলের সাপোর্টার বসবে নাকি!” বিরক্ত হয়ে আবার বললাম, “আপনিই না একটু আগে জ্ঞান দিলেন আমাকে?”

    মাথা নেড়ে সায় দিলেন এসএম হায়দার। “একদম ঠিক। কিন্তু এরা যেভাবে গালি দিচ্ছে…একেবারে মা-বাপ তুলে…আমার তো মনে হচ্ছে না এরা কেউ আবাহনীর সমর্থক।”

    আমি চারপাশে আবারো তাকালাম। উদ্বিগ্ন আর ক্ষিপ্ত সমর্থকদের শত শত মুখ আর সেই মুখ থেকে বের হচ্ছে ভয়ঙ্কর সব খিস্তি।

    “আমি আসলে বুঝতে পারছি না, আপনি কী বলতে চাচ্ছেন?”

    “আমি বলতে চাচ্ছি, যারা প্লেয়ারদের এভাবে গালাগালি করছে তারা কিভাবে এই দলের সমর্থক হয়? আমার তো ঘোরতর সন্দেহ হচ্ছে।”

    “কিসের সন্দেহ?” এবার আমি সিরিয়াস হয়ে উঠলাম।

    “আমি নিশ্চিত, এরা আবাহনীর সমর্থক না…ওয়ান্ডারাসের হবে বোধহয়।”

    আমি বেকুবের মতো আবারো চারপাশে গ্যালারির দিকে তাকালাম। শত শত, হাজার-হাজার মুখ দেখে মনে হচ্ছে না এরা প্রতিপক্ষ দলের সমর্থক। কয়েকজন খিস্তিবাজ লোকের হাতে আবাহনীর পতাকা পর্যন্ত আছে।

    “না, ভাই, এরা সবাই আবাহনীর সমর্থক। নিজের দলের খেলা পছন্দ না হলে সবাই এমন করে। তার মানে এই না, এরা অন্যদলের।”

    “ঠিক বলছো। আমারও তাতে কোনো সন্দেহ নেই।”

    হায়দারভায়ের এমন হেয়ালিপূর্ণ কথায় আমি সত্যি সত্যি হতভম্ব হয়ে গেলাম।

    “এরা সবাই আবাহনীর সমর্থক। এই গ্যালারিতে আবাহনীর বিরুদ্ধে সমর্থন করলে তার হাড্ডি-গুড্ডি এক করে ফেলবে সাপোর্টাররা।”

    “আশ্চর্য, আপনি একবার বলছেন এরা আবাহনীর সমর্থক না…আবার এখন বলছেন এরা…”

    হায়দারভায়ের মুখে যে চওড়া আর নিঃশব্দ হাসি দেখতে পেলাম সেটা আমাকে পরিস্কার বলে দিচ্ছে উনি এখন সমস্ত প্রহেলিকা বাদ দিয়ে আসল কথায় চলে আসবেন।

    “তাহলে কেউ যদি শেখসাহেবের সমালোচনা করে, তার দলের সমালোচনা করে তাকে তুমি প্রতিপক্ষ ভাববে নাকি সমর্থক ভাববে?”

    বুঝতে পারলাম আমি। হায়দারভাই যে সব সময় সরকারের সমালোচনা করে, বঙ্গবন্ধুর সমালোচনা করে সে কারণে আমি তাকে বঙ্গবন্ধু আর আওয়ামী বিরোধি হিসেবে মনে করি। কিন্তু উনি যে এই স্টেডিয়ামে আসামি ধরতে এসে আমাকে ঈসপের মতো গল্পের ছলে শিক্ষা দেবেন, চোখে আঙুল দিয়ে আমার ভুল ধরিয়ে দেবেন সেটা আশা করিনি। স্বাভাবিকভাবেই আমি লা-জওয়াব হয়ে ছিলাম। এসএম হয়দারের খুরধার যুক্তিতে আমি পর্যুদস্ত। আমার আর কিছুই বলার ছিলো না।

    “বুঝেছি। এখন চলেন…মনে হচ্ছে আসামি ধরার আশা বাদ দিয়েছেন,” আমি তাকে বললাম।

    মাথা দোলালেন তিনি। “এতো সহজে ধৈর্যহারা হলে চলে না, বুঝেছো?” সিগারেটে জোরে জোরে টান দিয়ে বললেন এসএম হায়দার। “ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন খুব টাফ জব।”

    কথাগুলো যে আমার উদ্দেশ্যে সেটা বুঝতে পারলাম। “ভাই, আমি ধৈর্যহারা হচ্ছি না, শুধু বলতে চাচ্ছি কাণ্ডজ্ঞানহীনভাবে খোঁজাখুঁজি করা ঠিক হবে না।”

    আমাকে অবাক করে দিয়ে হায়দারভাই মাথা নেড়ে সায় দিলেন। “ঠিক বলছো।”

    কিন্তু আমার মনে হলো না তিনি এই খড়ের গাদায় সূঁচ খোঁজা বাদ দেবেন। “আমরা কি আরো কিছুক্ষণ থাকবো নাকি চলে যাবো?”

    বিস্মিত হলেন এসএম হায়দার। “কি বলো? খেলার তো হাফটাইমও হলো না এখনও।”

    “আপনি খেলা শেষ হওয়ার পর্যন্ত এখানে থাকতে চাইছেন?” আঁতকে উঠলাম আমি।

    “আজব কথা বললে,” সিগারেটে জোরে জোরে টান মেরে বললেন, “খেলা শেষ হবার পরই তো আসল খোঁজাখুঁজি শুরু হবে।”

    পাগলে কয় কি! মনে মনে বলে উঠেছিলাম। “আসল খোঁজাখুঁজি মানে?”

    “আহা, খেলা শেষ হলে কি সবাই হুটহাট করে বাড়িতে চলে যায়? আড্ডাবাজি করে, স্টেডিয়ামের বাইরে রেস্টুেরেন্টগুলোতে ঢুকে হালকা খাওয়া-দাওয়া করে। এখানে সেখানে জটলা পাকিয়ে আড্ডা মারে।”

    “আপনি কি ওইসব জায়গাতেও ঢু মারবেন?”

    “মারবো না?” পাল্টা বলে উঠলেন। “এই সুযোগ কি বার বার পাবো? আবার কবে না কবে খেলা হয়।”

    কিছু বলতে যাবো অমনি টের পেলাম সব দর্শক উঠে যাচ্ছে। খেলার হাফটাইম হয়ে গেছে ততোক্ষণে। আমি আর হায়দারভাই দু-জনেই টয়লেটে চলে গেলাম। ফিরে এসে আরো দুই প্যাকেট বাদাম কিনে বসে পড়লাম গ্যালারিতে। দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হবার আগে আবারো তীক্ষ্ণদৃষ্টিতে দর্শকদের মধ্যে একটা মুখ খুঁজে গেলাম দু-জনে।

    খেলা আবার শুরু হলো। কোনো দলই গোল করতে পারেনি তখনও। সমর্থকদের মধ্যে টানটান উত্তেজনা। কিন্তু আমি আর এসএম হায়দার সেই উত্তেজনা থেকে মুক্ত। আমাদের উত্তেজনা সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরণের।

    প্রায় ষাট মিনিট অতিক্রম হয়ে গেলেও খেলার মতোই নিষ্ফল রইলো আমাদের প্রচেষ্টা। দু-দল যেমন হন্যে হয়েও গোলের দেখা পায়নি তেমনি আমরাও ইমতিয়াজের দেখা পেলাম না গ্যালারির কোথাও। ততোক্ষণে একটা ব্যাপারে প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেলাম-আমাদের সন্দেহভাজন ঢাকা শহরে নেই। প্রিয় দলের খেলা দেখার জন্য ঢাকায় আসার ঝুঁকিও সে নেয়নি

    হায়দারভায়ের দিকে তাকালাম। বেচারা এক মিনিটের জন্যেও মাঠের দিকে তাকাচ্ছেন না। তাকে যদি কেউ খেয়াল করতো দেখতে পেতো, তিনি মাঠের দিকে চোখ না রেখে দর্শকদের দেখে যাচ্ছেন নিবিষ্টমনে। নিজের হতাশা দূর করতেই যেন একের পর এক সিগারেট ধ্বংস করে যাচ্ছেন। আমি অবশ্য তার সাথে পাল্লা দিয়ে সিগারেট খাইনি। চুপচাপ গ্যালারিতে বসে নিষ্ফল খেলাটাই দেখতে শুরু করে দিয়েছিলাম ততোক্ষণে। আমার দিকে তাকানোরও ফুরসত নেই হায়দারভায়ের। তিনি হাজার হাজার মুখ দেখার কাজে ডুবে থাকলেন।

    সম্ভবত খেলা শেষ হবার দশ-বারো মিনিট আগে, যখন আবাহনীর সমর্থকেরা গালাগালি আর উল্লাস করা বাদ দিয়ে আমাদের মতোই হতাশ হয়ে বসে আছে ঠিক তখনই তাদের দলের দশ নাম্বার জার্সির স্ট্রাইকার আরেকটি সহজ সুযোগ নষ্ট করে বসলো। সঙ্গে সঙ্গে টের পেলাম আমার চারপাশে ক্ষিপ্ত সমর্থকদের গালাগালির ফোয়ারা ছুটে যাচ্ছে। কিন্তু অজস্র মানুষের অজস্র গালাগালির মধ্যে একজনের বিক্ষুব্ধ কণ্ঠ আমার মনোযোগ আকর্ষণ করলো। আমি জানি না কেন, মাথাটা ঘুরিয়ে দেখার চেষ্টা করলাম সেই বিশিষ্ট গালিবাজকে।

    “চুতমারানির পোলা! লোপ্পা পায়াও গোল দিবার পারে না! বালের স্ট্রাইকার একটা!”

    সত্যি বলতে কোনো রকম প্রচেষ্টা ছাড়াই, একেবারে ঘটনাচক্রে কিংবা ঝড়ে বক মরার মতো, আমার দৃষ্টি গিয়ে পড়লো গালাগালি করতে থাকা লোকটার উপরে। আমার পেছনে, বামদিকে এক রো উপরে বসে আছে সে। রেগেমেগে চোখমুখ খিচে সিগারেটে জোরে জোরে টান দিচ্ছে আর খিস্তির ফোয়ারা ছোটাচ্ছে। মুখটা আস্ত শয়তানের মতোই দেখাচ্ছে যেন!

    ইমতিয়াজ?

    আমি নিশ্চিত হতে না পারলেও কয়েক মুহূর্তের জন্য হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে গেলো। পুরোপুরি নিশ্চিত হবার জন্য তড়িঘড়ি পকেট থেকে সাদা-কালো একটি ছবি বের করে দেখে নিলাম। মিলিয়ে নিলাম ছবির সাথে কয়েক হাত দূরে বসা মানুষটিকে। সাদা-কালো গ্রুপফটো থেকে একজন মানুষকে দেখে বাস্তবের কারো সাথে মিলিয়ে নেয়াটা খুবই দুরুহ ব্যাপার। আমি দ্বিধায় পড়ে গেলাম। বিদ্যুৎগতিতে তাকালাম হায়দারভায়ের দিকে। উনি আমার থেকে বেশ খানিকটা দূরে চলে গেছেন। নাছোরবান্দার মতো খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছেন গ্যালারির প্রতিটি রো। একটু জোরেই ডাকলাম।

    “হায়দারভাই!”

    চমকে তাকালেন তিনি। আমার চিৎকারের মধ্যে কিছু একটা ছিলো হয়তো, সম্ভবত একটা তাড়না। তার সাথে চোখাচোখি হতেই তিনি বুঝে গেলেন আমি সম্ভবত ইমতিয়াজকে দেখেছি। দেরি না-করে দর্শকদের ভিড় ঠেলে এগিয়ে আসতে লাগলেন। তার চোখ ঘুরে বেড়াচ্ছে আমার চারপাশে।

    “কোথায়!?” তাড়া দিয়ে জানতে চাইলেন তিনি।

    আমি আস্তে করে তাকে দেখিয়ে দিলাম আমার পেছনে বামদিকে বসা ক্ষিপ্ত আর খিস্তি আউড়াতে থাকা লোকটার দিকে।

    হায়দারভাইও যেন নিশ্চিত হতে পারলেন না। আমার হাত থেকে ইমতিয়াজের ছবিটা ছোঁ মেরে নিয়ে মিলিয়ে দেখার চেষ্টা করলেন। একবার ছবির দিকে, আরেকবার খিস্তিবাজের দিকে চোখ কুচকে তাকিয়ে নিশ্চিত হতে চাইছেন। একটু আগে ভুল করে একজনকে ধরেছিলেন, সেজন্যে তিনি বেশি সতর্ক এখন।

    আমার দিকে তাকালেন হায়দারভাই। “ইমতিয়াজই তো মনে হচ্ছে, তাই না?”

    কিন্তু আমি তার অনিশ্চয়তা দূর করতে পারলাম না, এটা করলো ইমতিয়াজ নিজেই!

    সম্ভবত আমাদের দিকে চোখ গেছিলো বদমাশটার, সে কিছুটা আঁচ করতে পেরে ভড়কে গেলো। চোরের মন পুলিশ পুলিশ-কথাটা অবশ্যই সত্যি। হায়দারভাই আর আমার সাথে তার কয়েক মুহূর্তের চোখাচোখি হতেই দৌড় দিলো সে।

    “শূয়োরেরবাচ্চা!” দাঁতে দাঁত পিষে বললেন হায়দারভাই।

    সন্দেহের আর কোনো অবকাশ নেই। আমার জন্য অপেক্ষা না করেই উপরের রো-তে ওঠার জন্য পা বাড়ালেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে পুরো গ্যালারিটা আন্দোলিত হয়ে উঠলো একসঙ্গে। সেইসাথে গগনবিদারি উল্লাস-ধ্বণি!

    গোল!!

    কোন্ দল দিয়েছে সেটা মাঠের দিকে না তাকিয়েও বুঝতে পারলাম। খেলা শেষ হবার মাত্র দশ মিনিট আগে আবাহনী সত্যি সত্যি তাক লাগিয়ে দিয়েছে গোল করে। পুরো গ্যালারিটা যেন সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো তরঙ্গায়িত হতে লাগলো। একজনও নিজের আসনে বসে নেই। সবাই লাফাচ্ছে অভূতপূর্ব এক উল্লাসে। সেই প্রথম আমি দেখলাম স্টেডিয়ামে খেলার দেখার কী উন্মাদনা।

    হায়দারভাই আর আমার পক্ষে উন্মাতাল দর্শকদের ডিঙিয়ে ইমতিয়াজের নাগাল পাওয়া সম্ভব হলো না। নিরূপায় হয়েই কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হলো। লাফালাফি করা সমর্থকদের ফাঁকফোকড় দিয়ে দেখার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হলাম।

    সুদীর্ঘ এক মিনিট পর দর্শকদের উন্মাদনা নিস্তেজ হয়ে আসতেই হতাশার সাথে দেখতে পেলাম ইমতিয়াজ নেই! আশেপাশে চোখ বুলালাম উদভ্রান্তের মতো, শতশত মুখের ভিড়ে খুঁজে পেলাম না তাকে।

    হায়দারভাই আমার দিকে তাকালেন। তার চোখের ভাষা বুঝতে অসুবিধা হলো না। আমাদের সন্দেহভাজন হাত ফসকে পালিয়ে গেছে। আর খুনির জন্য আশির্বাদ হয়ে নাজেল হয়েছে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত একটি গোল! সেই গোলটা যেন ওয়ান্ডারাসের বিরুদ্ধে নয়, আমাদের বিরুদ্ধে করা হয়েছে! আবারো পিছিয়ে গেলাম আমরা। দ্বিতীয়বারের মতো!

    কিন্তু এসএম হায়দার হাল ছেড়ে দেবার পাত্র নন। কী মনে করে যেন গ্যালারির উপরের দিকে রো-গুলো ডিঙিয়ে উঠতে শুরু করলেন আমাকে কোনো কিছু না বলেই। তার ভাবসাব দেখে আমি নিশ্চিত বুঝে গেলাম তিনি কতোটা মরিয়া। একজন ধর্ষক-খুনি তার হাত ফসকে চলে যাবে-এটা তিনি মেনে নিতে পারছেন না। কয়েক বছর আগে যুদ্ধ করেছেন। তার রক্তে তখনও যোদ্ধার তেজ বিরাজ করছিলো পূর্ণমাত্রায়। অগত্যা আমিও তার সাথে পাল্লা দিতে বাধ্য হলাম।

    হায়দারভাই গ্যালারির উপরের দিকে রো-তে উঠতেই ঘটনা ঘটে গেলো। ইমতিয়াজ, যে কি-না দর্শকদের মধ্যে নীচু হয়ে ঘাপটি মেরে বসে ছিলো, সে বুঝে গেলো এভাবে ধোঁকা দেয়া যাবে না। উঠেই দৌড় লাগালো সে। তার গন্তব্য গ্যালারির আরো উপরে। আমি দেখতে পেলাম হায়দারভাই তার দিকে ছুটে যাচ্ছে। আমিও প্রাণপণে চেষ্টা করলাম তাদের কাছে পৌঁছাতে। গ্যালারির দর্শক গোলের আবেগে আপ্লুত, তাদের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই আমাদের দিকে। কয়েকজন হয়তো ব্যাপারটা খেয়াল করে অবাক হয়ে চেয়ে ছিলো কিন্তু তাদের দিকে তাকানোর ফুরসতও আমাদের ছিলো না।

    ইমতিয়াজ গ্যালারির উপরে উঠে অন্যদিক দিয়ে আবার নেমে যেতে শুরু করলো। তার থেকে দুটো রো নীচে ছিলাম বলে হায়দারভাই চকিতে আমার দিকে তাকিয়ে ইশারা করলেন। আমি দ্রুত সরে গিয়ে ইমতিয়াজের পথরোধ করে দাঁড়ালাম। ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে সে থমকে দাঁড়ালো কয়েক মুহূর্ত, তারপরই বামদিকে অনেকটা ঝাঁপিয়ে কিছু দর্শকের গায়ে গিয়ে পড়লো। কোণঠাসা বেড়ালের মতো মরিয়া সে। পড়িমরি করে উঠে দাঁড়াতেই আবার দৌড় লাগালো। বেশ কিছু দর্শক বুঝতে না পেরে গালাগালি শুরু করলে স্টেডিয়ামে ছোটোখাটো একটি হল্লা তৈরি হয়ে গেলো মুহূর্তে। কিন্তু আবাহনীর আরেকটি আক্রমণ শুরু হলে তাদের সবার মনোযোগ চলে গেলো সেদিকে। ইমতিয়াজের জন্য দারুণ সুযোগ তৈরি করলো এটা। প্রতিটি রো লাফিয়ে লাফিয়ে নেমে যেতে শুরু করলো সে। তার কারণে কিছু দর্শক ধাক্কা খেয়ে হুরমুর করে পড়েও গেলো। আমি অবশ্য তার মতো করে এগোতে পারলাম না। হায়দারভাইও না।

    আমরা দু-জনেই দেখতে পেলাম চোখের সামনে দিয়ে ইমতিয়াজ স্টেডিয়াম থেকে বের হয়ে যাচ্ছে। আমাদের থেকে তার দূরত্ব খুব বেশি ছিলো না কিন্তু দর্শকভর্তি গ্যালারি দিয়ে দ্রুত নেমে যাওয়াটা সত্যি কঠিন কাজ। ইমতিয়াজ যখন একদম নীচের রো-তে তখন আমি আর হায়দারভাই তিন রো উপরে। এটা বুঝতে আর বাকি রইলো না, তার নাগাল পাওয়াটা প্রায় অসম্ভব।

    স্টেডিয়ামের আট নাম্বার গেট দিয়ে দৌড়ে বের হয়ে গেলো আমাদের শিকার।

    হায়দারভাই তখনও হাল ছেড়ে না দিয়ে প্রাণপণে দৌড়ে যাচ্ছেন। আমরা যখন আট নাম্বার গেটটা দিয়ে বাইরে বেরিয়ে এলাম তখন ইমতিয়াজের টিকিটাও দেখতে পেলাম না। আউটার স্টেডিয়ামের দিকে তাকালাম আমি—এখন যেটা মওলানা ভাসানী হকি সেইডয়াম হিসেবেই সবাই চেনে। বিশাল খোলা প্রাঙ্গন। সেখানে কিছু টোকাই ছেঁড়া-ফাঁটা ফুটবল নিয়ে খেলছে। আর কেউ নেই। হায়দারভাই সম্ভবত আগেই এটা দেখেছে, তিনি সোজা দৌড়ে গেলেন পশ্চিম-দিকের মেইনগেটটার কাছে। একটু পরই খেলা শেষ হয়ে গেলে হাজার-হাজার দর্শক গেট দিয়ে বেরিয়ে আসবে। এরইমধ্যে আশাহত ওয়ান্ডারাসের সমর্থকেরা বেরিয়ে আসছে একে একে। স্টেডিয়ামের বাইরে কোলাহল বাড়ছে ক্রমশ।

    দম ফুরিয়ে প্রায় কুপোকাত আমি। একটু থেমে জিরিয়ে নিলাম। কিন্তু হায়দারভাইকে দেখতে পেলাম হঠাৎ করেই তিনি স্টেডিয়ামের ডানদিকে, বায়তুল মোকারমের পাশ দিয়ে দৌড়ে গেলেন। আমি বাধ্য হয়েই তাকে অনুসরণ করলাম।

    কিছুটা সামনে গিয়েই দেখি আমার থেকে বিশ-ত্রিশ গজ সামনে পিস্তল হাতে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি। তার সামনে দু-জন মানুষ ধরাশায়ি হয়ে মাটিতে পড়ে আছে। তাদের একজনকে চিনতে ভুল হলো না আমার-ইমতিয়াজ।

    স্টেডিয়ামের উত্তর-দিকে পুরানা পল্টনের যে গেটটা আছে সেখান দিয়ে বের হয়ে যাবার চেষ্টা করেছিলো ইমতিয়াজ। কিন্তু এক ঘুমনিওয়ালার সাথে ধাক্কা লাগতেই তারা দু-জন হুরমুর করে পড়ে যায়। রাস্তায় ছিটকে পড়ে ঘুমনির বোলসহ বাকি জিনিসপত্র।

    হায়দারভাই দ্রুত পিস্তল বের করে তাক্ করে ফেলে ইমতিয়াজের দিকে। বেচারা মাটি থেকে উঠে আর দৌড়ানোর সাহস করেনি।

    আমি তার কাছে এগিয়ে যেতেই দেখতে পেলাম দম ফুরিয়ে জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিয়ে নিচ্ছেন। ইমতিয়াজ উঠবে-কি-উঠবে না একরকম দ্বিধায় পড়ে ফ্যালফ্যাল চোখে চেয়ে আছে। তাকে শেষ ওয়ার্নিং দেবার জন্য গর্জে উঠলেন এসএম হায়দার।

    “শূয়োরেরবাচ্চা, পালানোর চেষ্টা করলেই গুলি করবো!”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজোনাকির রঙ – সায়ক আমান
    Next Article বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    Related Articles

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    দ্য দা ভিঞ্চি কোড – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    অরিজিন – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেমেসিস (বেগ-বাস্টার্ড – ১) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    কন্ট্রাক্ট (বেগ-বাস্টার্ড ২) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেক্সাস (বেগ-বাস্টার্ড ৩) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }