Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এক পাতা গল্প311 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কেউ কেউ কথা রাখে – ৭

    অধ্যায় ৭

    সন্দেহভাজন

    “ইমতিয়াজ!”

    সিগারেটে জোরে টান দিয়ে ধোঁয়া ছাড়ার পর পর দাঁতে দাঁত পিষে বললেন এসএম হায়দার। নাক দিয়ে যেন ধোঁয়া নয়, বের হচ্ছে উত্তপ্ত ক্রোধ! চোখের সামনে ধরে রেখেছেন একটি সাদা-কালো ছবি।

    আমি রামজিয়ার বাসা থেকে সোজা থানায় ফিরে এসে দেখি হায়দারভাই অস্থির হয়ে পায়চারি করছেন। আমাকে দেখেই তিনি প্রশ্নবাণে জর্জরিত করতে শুরু করবেন, অমনি তাকে একগাদা নতুন তথ্য দিয়ে বোবা করে দেই ক্ষণিকের জন্য।

    মিলির স্বামি মিনহাজের সাথে আমার কথোপকথন, ছবিতে ইমতিয়াজের অমন চানি, রামজিয়ার কাছ থেকে ইমতিয়াজ সম্পর্কে যতোটুকু জেনেছি, সব বলার পর আমার হাত থেকে ছবিটা নিয়ে তিনি রাগে ফুঁসতে থাকেন।

    “ছবির এই চাহনি দেখে অবশ্য নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না, তবে খতিয়ে দেখতে হবে,” আমি বললাম। “খুনি হিসেবে এই লোকের সম্ভাবনা আছে। আপনি কি বলেন?”

    “তা তো আছেই, কেউই সন্দেহের বাইরে নয়। সবাইকে বাজিয়ে দেখতে হবে।” তার দৃষ্টি ছবিতেই নিবদ্ধ।

    “আপনি এতো দেরি করলেন কেন? কোথায় গেছিলেন?”

    মুখ তুলে তাকালেন হায়দারভাই। ছবিটা ডেস্কের উপরে রেখে বললেন, “আর বোলো না, একটা মামলায় কোর্টে গেছিলাম…শালার ম্যাজিস্ট্রেটের আসার কোনো নামগন্ধ নেই। আসার কথা দশটার দিকে, হারামজাদা নবাব সলিমুল্লাহ এসেছে সাড়ে বারোটায়।” রাগেক্ষোভে মুখ বিকৃত করে ফেললেন তিনি। “নবাবসাহেব একটা মামলা শেষ করেই চলে গেলো লাঞ্চে, ফিরে এলো দু-টার পর। আমি খালাস পেলাম তিনটায়। সারাটা দিনই গেলো কোর্টের বারান্দায়।”

    পুলিশের চাকরি অল্পদিন ধরে করলেও ততোদিনে অনেক কলিগকে এরকম অভিজ্ঞতা অর্জন করতে দেখেছি। দ্রুতই বুঝতে পেরেছি, কোনো মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে কোর্টে হাজিরা দেয়ার মতো বিড়ম্বনার কাজ আর নেই।

    “মনে হয় দেশটা এদের জন্যই স্বাধীন হয়েছে।” ক্ষোভের সাথে বললেন হায়দারভাই। “কোনো কিছু যদি ঠিকমতো চলতো! সবখানে একই অবস্থা। পাবলিক তো এখনই বলা শুরু করে দিয়েছে, পাকিস্তান আমলই ভালো ছিলো।”

    আমি চুপ থাকার সিদ্ধান্ত নিলাম। অন্য কোনো সময় হলে হায়দারভায়ের সাথে একচোট তর্কাতর্কি করতাম, যেমনটা সব সময় করি। উনি আওয়ামী লীগের কড়া সমালোচক আর আমি কট্টর সমর্থক। স্বাধীনতার পর থেকেই উনার স্বপ্নভঙ্গ হতে শুরু করেছে। সরকারী দলটির অনেক কর্মকাণ্ড আর নীতি তার পছন্দ নয়। আমি এর বিপরীত। তখনও আশায় ছিলাম, অচিরেই সব ঠিক হয়ে যাবে। বঙ্গবন্ধু ঠিকই সব গুছিয়ে নিতে পারবেন। তার স্বপ্নের সোনারবাংলা হবেই হবে।

    এই একটা বিষয়ই আছে যা আমাদের সম্পর্ককে পুরোপুরি মিষ্টি হতে দেয়নি, কিছুটা টক-ঝাল করে রেখেছে। এতে অবশ্য আমাদের আন্তরিকতায়, সম্পর্কে কোনো চিড় ধরেনি। বরং আমার মনে হয়, এর ফলে আমাদের ঘনিষ্ঠতা আরো বেড়ে গেছে। দু-জনেই দু-জনের মনের কথা খোলাখুলিভাবে বলতে পারি, রাগ-ক্ষোভ, হতাশা প্রকাশ করতে পারি। আমার ধারণা, সম্পর্ক বেশি মিষ্টি হলে ডায়বিটিসের মতো ভয়ঙ্কর কিছু ঢুকে পড়ে!

    “আর আমাদের জাতিরপিতা! তোমার বঙ্গবন্ধু!” ঝাঁঝের সাথে বললেন, “আবেগমার্কা কথাবার্তাই শুধু বলে যাচ্ছেন। উনার চারপাশে নাকি সব চোর! চাটার দল নাকি সব চেটেপুটে খাচ্ছে! তা, আপনি কী করছেন? আপনি তো সৈয়দ মোহাম্মদ হায়দার নন, কোনো ঠুটা জগন্নাথও নন। আপনি জাতির পিতা! দেশটার মালিক! সমস্ত ক্ষমতা আপনার হাতে। চোরবাটপারগুলোকে পাছায় লাথি মেরে বঙ্গপোসাগরে ফেলে দিচ্ছেন না কেন! চাটার দলের জিহ্বা কেটে কুকুর দিয়ে খাইয়ে দেন! আপনার আশেপাশেই তো ওরা ঘোরাঘুরি করে। ওদেরকে আপনি ভালো করেই চেনেন। আপনি মামা না- হয়ে, বাবা না-হয়ে, মুজিবভাই না-হয়ে, দলের নেতা না-হয়ে আমাদের শেখসাহেব হয়ে যান না আবার!

    আমার চুপ মেরে থাকাটা যেন হায়দারভাইকে আরো ক্ষেপিয়ে তুললো।

    “এখন মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছো কেন? চোপাবাজি করো? তোমার নেতাকে ডিফেন্ড করো? কিছু যুক্তি দাও?”

    “আমি যা-ই বলবো সেটাই আপনার কাছে কু-যুক্তি মনে হবে, তাই কিছু না বলাই ভালো,” মুচকি হেসে বললাম।

    “বাহ্, দারুণ পরিবর্তন হয়েছে তো তোমার!” নাটকিয় ভঙ্গিতে বললেন তিনি। “কয়েক দিন আগেও তো খুব চোপাবাজি করতে, আজ দেখি অন্য সুর! তলে তলে আবার ঐ বালের জাসদে নাম লিখিয়েছো নাকি?”

    আমি হেসে ফেললাম। “আমি জাসদে যোগ দেবো? কী যে বলেন!”

    “তাহলে হঠাৎ এই পরিবর্তন, ঘটনা কি?”

    “আশ্চর্য! ঘটনা আবার কি, ঐ লোকটার ঠিকানা জোগাড় করেছি, চলেন তার খবর লাগাই। সব সময় রাজনীতি নিয়ে তর্কা করতে ভালো লাগে না।”

    “আরে ব্রাদার, সাধে কি করি? আমাদের সবকিছু জড়িয়ে আছে এই রাজনীতির সাথে। সবকিছু।”

    মুচকি হাসলাম আমি। “হুম, বুঝতে পেরেছি। আমাদের এই কেসেও রাজনীতি আছে!”

    আমার টিটকারিসুলভ কথাটা আমলে নিলেন না হায়দারভাই, একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন শুধু। “না থাকলেই ভালো।” তারপর একটু চুপ থেকে আবার বললেন, “রাজনীতি ঠিক না হলে কোনো কিছুই ঠিকমতো চলবে না। এমনকি আমাদের এই যে তদন্ত, এটাও ঠিকমতো করতে পারবো না।”

    ঐ মুহূর্তে কথাটার গুরুত্ব আমি পুরোপুরি বুঝতে না পারলেও মাথা নেড়ে সায় দিয়েছিলাম, যেন সবটাই আমার কাছে পরিস্কার। “সবই বুঝি, বড়ভাই,” বলেছিলাম তাকে, “কিন্তু এখানে বসে বসে কারোর চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করলে কি রাজনীতি ঠিক করতে পারবেন?”

    হায়দারভায়ের ক্ষুব্ধ চোখে হঠাৎ করেই বিষন্ন এক হতাশা নেমে এলো যেন। আর সেই বিষন্ন চোখজোড়া সরাসরি আমার দিকেই নিক্ষিপ্ত। “কী করবো, বলো, এখন তো যুদ্ধ চলছে না…গুলি করে শেষ করে দেবো সব ক-টাকে।” দীর্ঘশ্বাস ফেলে বুকের ভেতর জমে থাকা ক্ষোভ নির্গত করে বললেন, “এসব বলি কেন জানো?”

    আমি ভেতরে ভেতরে লজ্জায় কুকড়ে গেলাম। আমার এভাবে কথা বলা ঠিক হয়নি।

    “অনেক ক্ষোভ…সারাক্ষণ দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে। তুমি বুঝবে না, ব্রাদার। এসব বলে বলে আগুনের তেজ কমাই।”

    হায়দারভাই জীবনবাজি রেখে, মা-বাবা, ভাই-বোন এমনকি নতুন বউকে ফেলে যুদ্ধে চলে গেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন এমন একটি সমাজ যেখানে একটু-আধটু অভাব থাকলেও অন্যায় যেন না থাকে। সেটা যখন পাননি তখন তার হতাশা আন্দাজ করা আমার মতো একজনের পক্ষে বোঝা সত্যি কঠিন। আমি, যে কি-না যথেষ্ট উপযুক্ত বয়স থাকা সত্ত্বেও যুদ্ধে যাবার সাহস দেখাতে পারিনি। ভীরু কাপুরুষের মতো পালিয়ে বেড়িয়েছি নিজের জীবন নিয়ে। বেঁচে থাকাটাই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে আমার কাছে। এই যে যুদ্ধে না-যাওয়া, এটা আমার আজন্ম আক্ষেপ হয়ে আছে। যদিও হায়দারভাই কখনও চূড়ান্ত রাগের সময়ও বলতেন না-তুমি কিভাবে বুঝবে, তুমি তো যুদ্ধ করোনি! তিনি জানতেন, যুদ্ধে না-যাবার অপরাধবোধ আমার ভেতরে রয়েছে। এটা বলে আমাকে কখনও লজ্জা দিতে চাইতেন না। কিন্তু উনি না বললেও আমি ঠিকই কথাটা শুনতে পেতাম! যেন মগজের ভেতরে কেউ চিৎকার করে বলে উঠতো, আমাকে যারপরনাই বিব্রত করে তুলতো।

    “চলো, ঐ শালার ইমতিয়াজের পাত্তা লাগাই।”

    হায়দারভায়ের কথায় মুখ তুলে তাকালাম। উনি ডেস্ক থেকে উঠে দাঁড়ালেন।

    “চলো?”

    আমি হায়দারভায়ের পেছন পেছন থানা থেকে বের হয়ে গেলাম। যে জিপটায় করে রামজিয়াদের বাড়িতে গেছিলাম ওটা নিয়েই চলে গেলাম ইমতিয়াজের খোঁজে কাঠালবাগানে। তখন ওসব এলাকা খুব নিরিবিলি ছিলো, অনেকটা মফশ্বলের মতো। পথেঘাটে যানজট বলতে কিছুই ছিলো না। আজিমপুর থেকে কাঠালবাগানে চলে গেলাম কয়েক মিনিটের মধ্যেই। পথে আমাদের মধ্যে তেমন কোনো কথা হলো না। হায়দারভাই চুপচাপ সিগারেট টেনে গেলেন। আমি অবশ্য সিগারেট ধরালাম না। ইচ্ছে করছিলো না। কখন যে কাঠালবাগানের বড় মসজিদের সামনে চলে এলাম টেরই পাইনি।

    হায়দারভাই একটা চুল কাটার সেলুনের সামনে গাড়ি থামিয়ে বয়স্ক নাপিতকে ইমতিয়াজের কথা জিজ্ঞেস করতেই লোকটা হাত তুলে দেখিয়ে দিলো একটু দূরেই ইলেক্ট্রিক পোস্টের পাশে রঙচটা দেয়ালের একতলার বাড়িটা।

    পুলিশের গাড়ি দেখে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা অনেকেই সটকে পড়লো। কেউ কেউ উৎসুক হয়ে ঘাড় উঁচু করে দেখতে লাগলো ঘটনা কি।

    ইমতিয়াজদের বাড়িতে ঢোকার জন্য কোনো দরজা নেই। তখনকার দিনে অনেক বাড়িই এমন ছিলো।

    বাড়িটার দিকে তাকালাম। খুবই মলিন আর পুরনো। ভেতরে ঢোকার পর কাঁচামাটির একটি আঙিনা, তারপর দু-তিনটে ঘর। চারদিকে পাকা দেয়াল হলেও ছাদ টিনের। পুলিশের পোশাকে দু-জন লোককে ঢুকতে দেখে বয়স্ক এক মহিলা ঘর থেকে বের হয়ে এলেন। তার চোখেমুখে আতঙ্ক।

    “এটা কি ইমতিয়াজদের বাসা?” হায়দারভাই বেশ রাশভারি কণ্ঠে জিজ্ঞেস করলেন।

    মাথা নেড়ে সায় দিলেন মহিলা।

    “আপনি কে?”

    “ওর মা।”

    “ইমতিয়াজ বাড়িতে আছে?”

    “না।”

    “কখন আসবে?”

    মহিলা ঢোক গিললেন। “ও তো কাইল রাইতে বাড়িতে আসে নাই।”

     হায়দারভাই ভুরু কুচকে চেয়ে রইলেন কয়েক মুহূর্ত। “আসে নাই মানে?”

    মহিলা একটু কাচুমাচু খেলেন। “মাজেমইদ্যেই রাইতে বাড়িতে আসে না।” কথাটা বলেই মাথা নীচু করে ফেললেন ইতমিয়াজের মা।

    “রাতে বাসায় না এসে কোথায় থাকে জানেন না?”

    মাথা দোলালেন বৃদ্ধা।

    হায়দারভাই বাড়ির চারপাশটা দেখে নিলেন। “ইমতিয়াজের বাবা আছেন?”

    “অফিসে গেছে।”

    “কি করেন উনি?”

    “ঢাকা ভারসিটির রেজিস্টার বিল্ডিংয়ে কাজ করে।”

    “আর কেউ নেই? ভাই-বোন?”

    “আমার এক মেয়ে আছে…বিয়া হইয়া গেছে, বাবা।” মহিলাকে আরো ভয়ার্ত দেখালো।

    “আপনার ছেলে করে কি?”

    মহিলা ফ্যাল ফ্যাল করে চেয়ে ঢোক গিলে বললেন, “আ-আমি জানি না।”

    “ছেলে কি করে আপনি জানেন না?” হায়দারভাই একটু চটে গেলেন।

    আবারো ঢোক গিললেন মহিলা। “পলিটিক্স করে। কিন্তু কাম-কাজ কি করে তা তো জানি না, বাবা।”

    “হুম,” দাঁতে দাঁত পিষে আবারো আমার দিকে তাকালেন তিনি। “পলিটিক্স করলে তো আর কিছু করা লাগে না। দারুণ একখান পেশা।”

    মহিলা ফ্যাল ফ্যাল চোখে চেয়ে রইলেন আমাদের দিকে

    “ওর কোনো বন্ধুবান্ধব আছে? মানে যাকে জিজ্ঞেস করলে জানা যাবে ও কোথায় থাকে?”

    ইমতিয়াজের মা মাথা দোলালেন। “আমি তো এমুন কাউরে চিনি না। একটু চুপ থেকে গম্ভীরভাবে বললেন, “মিলি যে খুন হয়েছে এটা আপনারা জানেন?”

    “জানুম না কেন, ওরা তো আমাগো আত্মীয় হয়।”

    “হুম।”

    মহিলা ঢোক গিলে জানতে চাইলেন, “ইমতিয়াজ কি করছে, বাবা?”

    হায়দারভাই বাঁকাহাসি দিলেন। “কিছু করে নাই। পাসপোর্ট করতে দিয়েছে। পাসপোর্ট করতে দিলে পুলিশ বাসায় এসে খোঁজখবর নিয়ে দেখে ঠিকানাসহ সব ঠিকঠাক আছে কি-না, বুঝলেন?”

    মনে হলো মহিলা খুব অবাকই হলেন কথাটা শুনে। “ও পাসপোর্ট করতে দিসে?”

    “হুম।”

    “বিদেশ যাইবো নি?”

    “তাই তো মনে হচ্ছে।” হায়দারভাই আমার দিকে ফিরলেন। “চলো। এখানে কাজ শেষ।”

    ইমতিয়াজের বাড়ি থেকে বের হয়ে হায়দারভাই যেন আরো বেশি নিশ্চিত হয়ে গেলেন মিলির খুনটা সে-ই করেছে। গাড়িতে করে থানায় ফিরে আসার সময় আমার পিঠ চাপড়ে দিয়েছিলেন। মানে, সত্যি সত্যি পিঠে চাপড় মেরে যেভাবে বাহবা দেয়া হয় সে-রকম কিছু।

    “তুমি দারুণ কাজ করেছো। অসাধারণ!”

    হায়দারভায়ের মুখ থেকে কথাটা শুনে গর্বে বুক ফুলে যাবার কথা, কিন্তু আমি লজ্জায় কুকড়ে গেলাম।

    “আমি ভাবতেই পারিনি এভাবে ছবি দেখে সাসপেক্ট বের করা যেতে পারে।” আমার দিকে তাকালেন। “এরজন্যে তুমি আমার কাছ থেকে আপাতত একটা সিগারেট পেতেই পারো। পরে তোমাকে বড় কিছু দেবো।” কথাটা শেষ করেই একটা সিগারেট বাড়িয়ে দিলেন তিনি। “এটা তোমার প্রাইজ।”

    আমি সিগারেটটা হাতে নিয়ে রীতিমতো আবেগতাড়িত হয়ে পড়লাম। হোক না সামান্য একটা সিগারেট, হায়দারভায়ের কাছ থেকে একটা শব্দ- বাক্য উপহার পেলেও আমি খুশিতে সারারাত ঘুমাতাম না।

    “আমি খুব খুশি হয়েছি।”

    লজ্জায় আরো কুকড়ে গেলাম। সেটা কাটিয়ে ওঠার জন্য বললাম, “ইমতিয়াজই যে করেছে তা কিন্তু নিশ্চিত না, ভাই।”

    “আলবৎ ও করেছে। আমি হান্ড্রেড পার্সেন্ট শিওর। ফ্যামিলি থেকে ডিটাচ্‌ড লোকজনই এরকম জঘন্য খুন-ধর্ষণ করে। এগুলো স্বাভাবিক মানুষের কাজ না,” বেশ জোর দিয়ে বললেন। “বুড়ো মা-বাবা রেখে বাড়ির বাইরে থাকে, কাজকর্ম কিছু করে না, বিয়েশাদিও করেনি। একদম খাপে খাপে মিলে যাচ্ছে, বুঝলে?”

    “দেখা যাক…ইমতিয়াজকে ধরতে পারলেই সব জানা যাবে।”

    “ওকে আমি ধরবোই। যেখানেই থাকুক, আমি ওকে ধরবো। আমার হাত থেকে ও পালাতে পারবে না।”

    পরদিন খুব সকালে আবারো ইমতিয়াজের বাসায় গেলাম আমরা। আমাদের দেখে ইমতিয়াজের মা বেশ ভড়কে গেলেন। জানালেন তার ছেলে বাসায় নেই। গতকাল রাতেও বাসায় আসেনি।

    হায়দারভাই এবার আর নিছক কথা বলে চলে এলেন না। ইমতিয়াজের ঘরটা তল্লাশি করলেন তিনি। কিছুই পাওয়া গেলো না। দশ-বাই-দশ ফুটের ছোট্ট একটা ঘর। সস্তা আমকাঠের খাট। জামাকাপড় রাখার একটি আলনা। একটা চেয়ার আর টেবিল। ঘরের দেয়ালভর্তি বাংলা সিনেমার নায়ক- নায়িকাদের রঙ্গিন ছবি লাগানো। দেখেই বুঝতে পারলাম, সিনে-পত্রিকা চিত্রালী আর রূপবাণী’র পৃষ্ঠাগুলো কেটে কেটে লাগানো হয়েছে।

    হায়দারভাই অবশ্য দেয়ালের দিকে নজর না দিয়ে প্রায় ফাঁকা আলনার দিকে চেয়ে রইলেন।

    “ও কাল বাড়িতে এসেছিলো,” আস্তে করে বললেন তিনি।

    কথাটা শুনে অবাক হলাম। “তাই নাকি?”

    মাথা নেড়ে সায় দিলেন। “ওর মা মিথ্যে বলছে।”

    হায়দারভাই কেন এমন সিদ্ধান্তে এলেন সেটা বুঝতে পারলাম আলনায় কোন জামা-কাপড় নেই দেখে।

    ঘর থেকে বের হয়ে ইমতিয়াজের মাকে ধমক দিয়ে জানতে চাইলেন এসএম হায়দার, “মিথ্যে বললেন কেন, আপনার ছেলে তো কাল বাড়িতে এসেছিলো?”

    মহিলা আমতা আমতা করে ঢোক গিললেন।

    বয়স্ক মহিলা বলে খুব বেশি ধমকাধমকি না করে আমাকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেলেন তিনি।

    “এখন আমরা কি করবো তাহলে? ওকে কোথায় খুঁজবো?” বাড়ির বাইরে এসে জানতে চাইলাম আমি।”

    সিগারেট ধরিয়ে আমাকেও ইশারা করলেন ধরাবার জন্য, তারপর প্রথম টান দিয়ে উদাস হয়ে কিছুক্ষণ ভেবে গেলেন, “তুমি ঐ মেয়েটার সাথে দেখা করবে…যার কাছ থেকে ইমতিয়াজের পরিচয় জেনেছো…ভিক্টিমের বান্ধবি।”

    আমি সিগারেটে খুব আস্তে করে টান দিয়ে মনোযোগী শ্রোতার মতো চেয়ে রইলাম, যেন ফলাফল ভালো করার পর আরো বেশি মনোনিবেশ করা কোনো ছাত্র! “ঠিক আছে।”

    “ওই মেয়েকে বলবে, সে যার কাছ থেকে ইমতিয়াজের বাড়ির ঠিকানাটা জোগাড় করেছে তার নাম-ঠিকানা দিতে…তার সাথে আমাদের কথা বলতে হবে।”

    “ঠিক আছে, আমি কালই ফোন করবো।”

    “না, না…ফোনটোন করার দরকার নেই। সরাসরি দেখা করবে, হায়দারভাই দিকনির্দেশনা দেবার ভঙ্গিতে বললেন। “ফোনে এড়িয়ে যাওয়া, না-করা অনেক সহজ হয়, বুঝলে? সামনাসামনি অতোটা সহজ হয় না। মেয়েটা হয়তো উটকো ঝামেলা মনে করে আর বেশি হেল্প না-ও করতে পারে। ভালো হয় দেখা করে বললে। তখন চক্ষুলজ্জার খাতিরে না করতে পারবে না।”

    আমি মাথা নেড়ে সায় দিলাম। যদিও আমার নিশ্চিত বিশ্বাস ছিলো রামজিয়া সাহায্য করবে। মিলি ছিলো তার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বান্ধবি।

    **

    ঐদিন বিকেলে দ্বিতীয়বারের মতো আবারো গেলাম রামজিয়াদের বাসায়। ফোন করে যাইনি বলে সে আমাকে দেখে অবাকই হলো। বাড়ির সামনে এক চিলতে বাগানে কী যেন করছিলো। হাতে কাঁচামাটি লেগে আছে। পরনে গতকালকের মতোই বেলবটম প্যান্ট, তবে আজকে পরেছে শার্ট। হালকা গোলাপি শার্টটা রোদে লাল হওয়া ত্বকের সাথে মিলেমিশে যাচ্ছে যেন।

    “এনিথিং রং?” আমাকে দেখেই বললো সে।

    “না, তা নয়। একটা দরকারে এসেছিলাম,” বললাম আমি।

    “ফোন করে আসলেই পারতেন, এরকম সময়ে আমি সাধারণত বাড়িতে থাকি না। আজ বাগানে কিছু নতুন গাছ লাগাচ্ছিলাম বলে বাইরে যাইনি।”

    “আসলে থানার সবগুলো ফোন সকাল থেকে নষ্ট…ফোনের লাইন ঠিক করা হচ্ছে,” একটা মিথ্যে বানিয়ে দ্রুত বলে দিলাম তাকে। সময়টা অ্যানালগ টেলিফোনের। ঘনঘন লাইন খারাপ হওয়াটা একেবারেই সাধারণ ঘটনা ছিলো।

    “ও,” বলেই দু-হাতের আলগা মাটি ঝেড়ে ফেললো। “ড্রইংরুমে গিয়ে বসুন, আমি হাত ধুয়ে আসছি।”

    “দরকার নেই, খুব বেশি সময় লাগবে না। আমি এক্ষুণি চলে যাবো।”

    “তাই?” মুখের সামনে থেকে অবাধ্য চুলগুলো ডানহাতের তালুর উল্টোপিঠ দিয়ে সরিয়ে দিলো সে।

    আশ্বস্ত করার হাসি দিলাম। “আসলে একটা ছোট্ট ইনফর্মেশনের জন্য এসেছি।”

    “বলুন?”

    আমার দিকে আগ্রহি হয়ে তাকালো সে। সঙ্গে সঙ্গে টের পেলাম তার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে হিমশিম খাচ্ছি। ছোট্ট বাগানের দিকে তাকালাম। “খুব সুন্দর।”

    “কি?” বুঝতে না পেরে বললো সে।

    আমি আরো বেশি নার্ভাস হয়ে পড়লাম। “আপনার বাগানটা খুব সুন্দর।”

    “নতুন কিছু গাছ নার্সারি থেকে নিয়ে এসেছি,” একেবারে সৌজন্যমূলক হাসি দিলো। মাপা, নিঃশব্দ আর ক্ষণস্থায়ি। “হ্যা, কী যেন জানতে চেয়েছিলেন?”

    আমি বাগান থেকে চোখ সরিয়ে আবার তাকালাম ওর দিকে। “ওই যে, ইমতিয়াজের ঠিকানা যিনি আপনাকে দিয়েছিলেন, উনার ঠিকানাটা দরকার। ফোন নাম্বার হলেও চলবে।

    তার দুই ভুরু কিছুটা কাছাকাছি চলে এলো। হালকা ভাঁজ পড়লো কপালে। “পারভেজের সাথে কথা বলতে চান? কেন?”

    “ইমতিয়াজকে খুঁজে পাচ্ছি না। আমরা ওর বাসায় গেছিলাম, পাইনি। পারভেজসাহেবের সাথে দেখা করে ইমতিয়াজের ব্যাপারে কিছু জেনে নিতে চাইছি।”

    “বাসায় নেই মানে?” বিস্মিত হয়ে জানতে চাইলো সে। “ও কি বুঝে গেছে ওকে সাসপেক্ট করা হচ্ছে?”

    “আমরা দু-দিন ওর বাড়িতে গেছিলাম। প্রথমদিন যাওয়ার পরই সে বাড়ি ছেড়েছে মনে হয়।”

    “ও।” মাথা নেড়ে সায় দিলো রামজিয়া। “ঠিক আছে, ভেতরে চলুন। আমি পারভেজকে ফোন করে জিজ্ঞেস করে নেই। ওর অনুমতি ছাড়া ফোন নাম্বার পুলিশকে দেয়া ঠিক হবে না।”

    আমি কিছু বললাম না।

    দ্বিতীয়বারের মতো রামজিয়াদের ড্রইংরুমে ঢুকে ঠিক গতকাল যে সোফায় বসেছিলাম সেটাতেই বসলাম। ও চলে গেলো ভেতরে। খামোখা বসে না থেকে সামনের টেবিল থেকে ঐ দিনের ইত্তেফাক পত্রিকাটি তুলে নিলাম, যদিও এটা থানায় বসে পড়েছি একটু আগে।

    প্রায় পাঁচ-সাত মিনিট পর রামজিয়া ফিরে এলো হাত-মুখ ধুয়ে। আমি দেখতে পেলাম পরনের শার্ট আর প্যান্ট পাল্টে ফেলেছে। মুখটা ভেঁজা। বিশেষ করে ভুরু দুটো। তাকে শিশিরে ভেজা গোলাপ ফুলের মতো লাগছে।

    “পারভেজকে ফোন দিয়েছিলাম, ও বললো ওর সাথে ফোনে যোগাযোগ করতে পারেন। ওর নাম্বারটা লিখে রাখুন।”

    আমি পকেট থেকে কলম বের করে ছোট্ট নোটবুকে টুকে নিলাম। “আমার মনে হয় ইমতিয়াজের ব্যাপারে ও খুব বেশি কিছু জানে না। মাথা নেড়ে সায় দিলাম। “হুম। ওর মা-ও তেমন কিছু বলতে পারলো না।”

    “ওর ব্যাপারে আপনারা কতোটুকু নিশ্চিত? মানে, ক্রাইমটা কি ও-ই করেছে?”

    “আমার সিনিয়র এসএম হায়দার মনে করছেন ইমতিয়াজই কাজটা করেছে কিন্তু ওকে ধরা না গেলে, ইন্টেরোগেট করতে না পারলে নিশ্চিত হওয়া যাবে না।”

    মাথা নেড়ে সায় দিলো সে। “আমারও মন বলছে এটা ইমতিয়াজেরই কাজ, বাট উই নিড প্রুফ, তাই না?”

    আমি সায় দিলাম। আমাদের প্রমাণের দরকার—কথাটা শুনে অন্যরকম ভালো লাগার অনুভূতিতে আচ্ছন্ন হলাম ক্ষণিকের জন্যে। মনে হলো আমরা দু-জন যেন একই টিমে কাজ করছি।

    “ঠিক আছে,” উঠে দাঁড়ালাম। “আপনাকে আবারো অনেক অনেক থ্যাঙ্কস।”

    “বসুন, চা খেয়ে যান?” সে-ও উঠে দাঁড়ালো।

    “না, না। আজ সময় নেই। অনেক কাজ,” কথাটা বললাম নিতান্তই সৌজন্যতাবশত। আসলে আমার ইচ্ছে করছিলো আরেক কাপ চা খেতে, আরেকটু বসতে।

    “ও,” বললো সে। “ঠিক আছে।

    আমি মুচকি হেসে দরজার দিকে পা বাড়াবো অমনি পেছন থেকে বলে উঠলো

    “আমাকে ডেভেলপমেন্টটা জানাবেন কিন্তু।”

    আমি পেছন ফিরে মাথা নেড়ে সায় দিলাম। “শিওর।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজোনাকির রঙ – সায়ক আমান
    Next Article বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    Related Articles

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    দ্য দা ভিঞ্চি কোড – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    অরিজিন – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেমেসিস (বেগ-বাস্টার্ড – ১) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    কন্ট্রাক্ট (বেগ-বাস্টার্ড ২) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেক্সাস (বেগ-বাস্টার্ড ৩) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }