Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এক পাতা গল্প311 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কেউ কেউ কথা রাখে – ৯

    অধ্যায় ৯

    সন্দেহ

    “কি বলেন?!”

    হায়দারভাই যখন কথাটা বললো তখন প্রচণ্ড বিস্ময় আর হতাশার সাথে আমি বলে উঠেছিলাম। নিশ্চয় কোনো ভুল আছে এর মধ্যে।

    “ভাই, আমার বিশ্বাসই হচ্ছে না। এটা সম্ভব না,” কথাটা আমি না-বলে থাকতে পারিনি।

    ভেবেছিলাম হায়দারভাই রেগে যাবেন কিন্তু আমার কথা শুনে উনিও চুপসে গেলেন। দুই ভুরুর মাঝখানে তর্জনি দিয়ে ঘষতে লাগলেন চোখ বন্ধ করে। “এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত করে বলা যাবে না কিছু,” আস্তে করে বললেন তিনি। “কিন্তু ব্যাপারটা গুরুত্ব না দিয়েও পারছি না। এখন পর্যন্ত এই কেসে এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্লু…তারচেয়েও বড় কথা, আই-উইটনেস পাওয়া গেছে।”

    আমি চুপ মেরে রইলাম কয়েক মুহূর্ত। যে দুটো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জোগাড় করেছেন হায়দারভাই সেটা আমাকে ভীষণভাবে ভাবিয়ে তুলেছিলো সেদিন।

    মিলিদের দোতলার ভাড়াটিয়া যতো লুকোছাপাই করুক না কেন, আমি ভালো করেই জানতাম হায়দারভায়ের হাত থেকে ওরা নিস্তার পাবে না। ভেবেছিলাম ঐ পরিবারটি অন্য সবার মতো খুনখারাবির ঘটনায় ভীষণ ভয় পেয়ে গেছে। তারা এসব ঘটনা থেকে নিজেদেরকে দূরে রাখার চেষ্টা করবে সেটাই স্বাভাবিক। তাছাড়া, এখনকার মতো তখনও পুলিশ জনগনের বন্ধু হয়ে উঠতে পারেনি। বৃটিশ আমল থেকেই পুলিশবাহিনীকে ক্ষমতাসীনদের লাঠিয়াল হিসেবেই দেখে আসছে সাধারণ মানুষ। নিরীহ জনগণকে হয়রানি করাই যেন তাদের কাজ।

    কিন্তু হায়দারভাই যা জানতে পেরেছেন সেটা খুবই মারাত্মক। মিলিদের দোতলার ভাড়াটিয়া তাদের একমাত্র সন্তানকে নানা-নানির বাসায় পাঠিয়ে দিয়েছিলো ঘটনার পর পরই। ছেলেটার মা, স্কুল-শিক্ষিকা বলেছিলো সপ্তাহখানেক পর সে নানু বাড়ি থেকে ফিরে আসবে। কথাটা হায়দারভাই বিশ্বাস করেননি। তিনি সন্দেহ করেছিলেন, বাচ্চা ছেলেটা কিছু একটা দেখে ফেলেছে, সেজন্যেই ওর বাবা-মা উদ্বিগ্ন হয়ে ওকে আড়াল করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। তারা চাইছে না এইসব খুন-খারবির মতো ঘটনায় তাদের ছেলে জড়িয়ে পড়ুক। কিন্তু আগেই বলেছি, হায়দারভাই কেমন নাছোরবান্দা। তিনি সোজা ছেলেটার স্কুলে গিয়ে হাজির হোন। অল্পবয়সি ছেলেটাকে পটিয়ে- পাটিয়ে একটা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে নিয়েছেন। চার আনা দামের একটা কুলফি-বরফ নাকি ছেলেটার মুখ খুলতে সাহায্য করেছিলো খুব সহজে। ঐ সময়কার বাচ্চাদের কাছে এই আইসক্রিমতুল্য দেশিয় খাবারটি ছিলো ভীষণ জনপ্ৰিয়।

    যাই হোক, ছেলেটা বলেছে ঐদিন বিকেলে যখন বৃষ্টি নামতে শুরু করে তখন সে সিঁড়ির ল্যান্ডিংয়ে জমে থাকা পানিতে কাগজের নৌকা ভাসাতে গিয়ে মিলির হাজব্যান্ডকে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছিলো

    আমি হতভম্ব হয়ে পড়লাম। কথাটা বিশ্বাস করতেও কষ্ট হচ্ছিলো। “কিন্তু ওরকম একটা বাচ্চা ছেলের সাক্ষি তো রিলায়েবল হতে পারে না…কোর্টও গ্রহণ করবে না, তাই না?”

    আমার মুখের দিকে তাকিয়ে রইলেন হায়দারভাই। “ছেলেটা আরো কি বলেছে জানো?” আমার জবাবের অপেক্ষা না করেই আবার বললেন, “3 যখন সিঁড়ির ল্যান্ডিংয়ে দাঁড়িয়ে এটা দেখছিলো তখন ওর মা এসে ওকে টেনে ঘরে নিয়ে যায়।”

    “ওহ্!” চুপসে গেলাম আমি। “তার মানে, ছেলেটার মা-ও দেখেছে!” একটা দীর্ঘশ্বাস বের হয়ে এলো আমার ভেতর থেকে। মিনহাজকে থ্রি- হত্যাকারি হিসেবে ভাবতে খুব কষ্ট হচ্ছিলো।

    “আমি ছেলেটার মায়ের সাথে কথা বলেছি আজ। মহিলা অবশ্য বলছে ওটা মিনহাজ ছিলো কি-না নিশ্চিত করে বলতে পারছে না।”

    “কেন?” নিজের চেয়ারে সোজা হয়ে বসলাম আমি।

    “মাথার উপরে ছাতা থাকার দরুণ চেহারাটা সে দেখতে পায়নি। ছেলেটাও দেখতে পায়নি। তবে ভদ্রমহিলা বলেছে, ‘মিলির বাসায় মিনহাজ ছাড়া আর কে ঢুকবে অমন সময়।”

    “তারপরও, ওটা যে মিনহাজ ছিলো সেটা কিন্তু নিশ্চিত করে বলা যায় না। আপনার সেই উটকো মেহমানও হতে পারে?” নিজের কাছেই কথাটা বড় বেশি আশাবাদি বলে মনে হলো।

    “সেই সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। কিন্তু মিনহাজের ব্যাঙ্কে গিয়ে আরেকটা কথা জেনেছি আমি। সেটাও কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ।”

    “কি জেনেছেন?” আমি উদগ্রিব হয়ে জানতে চাইলাম।

    “মিলি যেদিন খুন হয় সেদিন মিনহাজ ক-টা বাজে ব্যাঙ্ক থেকে বের হয়েছিলো, জানো?”

    আমার দম বন্ধ হয়ে গেলো। “ক-টায়?”

    “চারটার একটু আগে।” বলেই দীর্ঘশ্বাস ফেললেন এসএম হায়দার। “অন্যসব দিনের চেয়ে বেশ আগেভাগে বের হয়ে গেছিলো। তার এক কলিগ বলেছে, কী একটা দরকারের কথা বলে নাকি একটু আগেই বের হয়ে যায় সে।”

    “ওর ব্যাঙ্ক থেকে বাসার দূরত্ব?”

    “হেটে গেলে দশ মিনিট। রিক্সায় করে গেলে আরো কম সময় লাগবে। গম্ভীর হয়ে বললেন হায়দারভাই, “দুটো ইনফর্মেশন কিন্তু আমার কাছ খুব ভাইটাল মনে হচ্ছে।”

    তার এ কথার সাথে আমি অবশ্য সায় দিতে বাধ্য হয়েছিলাম।

    “এখন ইনফর্মেশন দুটো খতিয়ে দেখা দরকার।”

    “কিন্তু এটা কিভাবে করবেন?”

    “মিনহাজ ঐদিন ব্যাঙ্ক থেকে কেন তাড়াতাড়ি চলে গেছিলো আর সে ছাতা ব্যবহার করে কি-না সেটা জেনে নিতে হবে। আর এই কাজটা করবে তুমি।”

    “আমি?!” কথাটা শুনে আঁতকেই উঠলাম।

    “হুম। কারণ তোমার সাথে ও সহজে কথা বলে। আমাকে দেখলেই তো কেমনজানি করে। সহজই হতে পারে না।”

    এটা আমিও বুঝি, কিন্তু অপ্রিয় কাজটা আমার ঘাড়ে এসে পড়ায় অস্বস্তি বোধ করলাম।

    “মিনহাজের ছাতাটা কি রঙের সেটাও জেনে নিতে হবে।” হায়দারভাই বললেন।

    “ওই মহিলা আর বাচ্চা ছেলেটা কি বলেছে, ছাতাটা কি রঙের ছিলো?” মাথা নেড়ে সায় দিলেন তিনি। “কালো।”

    সমস্যা হলো, প্রায় নব্বইভাগ ছাতাই এ রঙের হয়ে থাকে। মিনহাজের যদি আদৌ কোনো ছাতা থেকে থাকে-একজন ব্যাঙ্ক অফিসার হিসেবে থাকাটাই স্বাভাবিক-তাহলে সেটার রঙ কালো হবার সম্ভাবনাই বেশি।

    “ধরেন, খোঁজ নিয়ে দেখলাম মিনহাজের কাছে কালো রঙের ছাতা আছে, তাহলে কি প্রমাণ হয়ে যায় ঐদিন ভাড়াটিয়া মহিলা ওকেই দেখেছে?”

    “প্রমাণ হবে আদালতে,” আস্তে করে বললেন হায়দারভাই, “আমাদের কাজ হলো সম্ভাব্য সব সাক্ষি-প্রমাণ জোগাড় করা,” একটু থেমে আবার বললেন, “আমাদের তদন্তে এই দুটো ইনফর্মেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।”

    **

    হায়দারভায়ের কথায় পরদিনই আমি আবারো মিনহাজের সাথে দেখা করতে গেলাম এক ধরণের অস্বস্তি নিয়ে। তার বাসার কাছে আসতেই পথে দেখা হয়ে গেলো আমাদের। জানতে পারলাম, অফিস থেকে ফেরার পথে পাশেই আজিমপুর কবরস্তানে গেছিলো মিলির কবরটা দেখতে।

    মিনহাজের বাসায় গিয়ে ওর সাথে সাধারণ কিছু কথা বলার পরও সঙ্কোচের কারণে দরকারি প্রশ্নগুলো করতে পারছিলাম না। অবশেষে নিজের দুর্বল পুলিশ সত্তাকে জাগিয়ে তুললাম একটা ক্যাপস্টেন সিগারেটের বিনিময়ে। ভাগ্যভালো মিনহাজও সিগারেট খায়, তার ব্র্যান্ড অবশ্য ডানহিল। তো, দু-জনে সিগারেট ধরিয়ে কথা বলতে বলতে এক পর্যায়ে অনেকটা কথারছলে জিজ্ঞেস করে বসলাম, “আপনি সব সময় কয়টার দিকে অফিস থেকে বাসায় ফেরেন?”

    আমার দিকে স্থিরচোখে চেয়ে চেয়ে থেকে বললো সে, “ছ’টা-।…বড়জোর সাড়ে সাতটা,” একটু থেমে আবার বললো, “এটা কেন জানতে চাইছেন?”

    তার কপালে হালকা ভাঁজ দেখতে পেলাম। “মনে হয় খুনি এটা জানতো। আমরা নিশ্চিত সে আপনাদের পরিচিত কেউই হবে,” বললাম তাকে।

    আমার কথা শুনে মিনহাজের কপালের ভাঁজ মিহঁয়ে গেলো। মাথা নেড়ে সায় দিলো সে।

    “কিন্তু ঘটনার দিন মনে হয় একটু আগেভাগে চলে এসেছিলেন, তাই না?” খুব সতর্কতার সাথে প্রশ্নটা করলাম, পাছে না আবার মনে করে বসে আমি তাকেই সন্দেহ করছি।

    “হ্যা।”

    “কেন?”

    প্রশ্নটা শুনেই মিনহাজের চেহারায় এমন অভিব্যক্তি ফুটে উঠলো। বুঝতে পারলাম আমার সমস্ত সতর্কতা বিফলে গেছে। আবারো গুছিয়ে নিতে থাকলাম এরপর কি বলবো কিন্তু আমাকে রেহাই দিয়ে সে নিজে থেকেই বলতে লাগলো।

    “ঐদিন অফিস থেকে একটু তাড়াতাড়ি বের হয়েছিলাম নিউমার্কেটে যাবো বলে। টেইলর থেকে ওর একটা ড্রেস তুলে আনার কথা ছিলো, গিয়ে দেখি মার্কেট বন্ধ। ঐদিন যে মঙ্গলবার ছিলো সে-কথা মনেই ছিলো না।” একটু থেমে দীর্ঘশ্বাস ফেললো সে। “খুব বৃষ্টি হচ্ছিলো বলে কিছু সময়ের জন্য মার্কেটে আটকা পড়ে গেছিলাম। বৃষ্টি কমতেই সোজা বাসায় চলে আসি।”

    আমি আর কিছু জানতে চাইলাম না। বাসায় এসে স্ত্রির লাশটা যে আবিষ্কার করেছে সেটা আমরা জানি।

    “বৃষ্টি না থাকলে আরেকটু আগেই চলে আসতাম,” দু-হাতে মুখ ঢেকে ফেললো চাপা কোনো আক্ষেপে। “হয়তো মিলিকে বাঁচাতে পারতাম। এবার বেশ শব্দ করে আরেকটা দীর্ঘশ্বাস ফেললো ভদ্রলোক।

    শোকাতুর কাউকে সান্ত্বনা দেবার গুণাবলী নেই আমার। এ কাজটা আমি করতেও পারি না। জোর করে করতে গেলে ভালোর চেয়ে খারাপই হয় বেশি।

    “আমার মনে হয়, আমি বাসায় ঢোকার কয়েক মিনিট আগে খুনি সটকে পড়েছিলো।”

    এবার মুখ তুলে সপ্রশ্ন দৃষ্টিতে তাকালাম ভদ্রলোকের দিকে। আমাদের ঘরোয়া পরিবেশ থমথমে হয়ে গেলো। অনেকক্ষণ দু-জনের কেউ কোনো কথা বললাম না, চুপচাপ সিগারেট টেনে গেলাম। আমি পড়ে গেলাম মুশকিলে। ছাতার কথা জিজ্ঞেস করবো কিভাবে বুঝতে পারছিলাম না। খুবই অস্বস্তির মধ্যে পড়ে গেছিলাম। কিন্তু পুলিশের চাকরি করি, এসেছি হত্যা- মামলার তদন্ত করতে, আমাকে তো সঙ্কোচের মধ্যে পড়ে গেলে হবে না। আমি কেন মিনহাজের কাছে এটা জিজ্ঞেস করতে এতো কুণ্ঠিত বোধ করছি? সত্যি বলতে, মিনহাজকে স্ত্রি-হত্যাকারী হিসেবে ভাবতেই পারিনি। কেন পারিনি তার হয়তো অনেক কারণ আছে। তবে একটা কারণ কোনোভাবেই এড়িয়ে যেতে পারিনি আমি। অনেক স্বামিই নিজের স্ত্রিকে খুন করে কিন্তু খুন করার আগে ধর্ষণ করেছে এমন কোন কথা আমার জানা ছিলো না। তাছাড়া, হায়দারভায়ের উটকো মেহমান’ তত্ত্বটাও আমার কাছে যুক্তিসঙ্গত বলে মনে হয়েছিলো। যদি তা-ই হয় তাহলে খুনি হিসেবে মিনহাজ কোনদিক থেকেই খাপ খায় না।

    আমি যখন ভাবছি কিভাবে মিলির স্বামিকে ছাতার কথাটা বলবো তখনই ত্রাণকর্তা হয়ে হাজির হলো বৃষ্টি!

    মিনহাজকে বললাম আমাকে এক্ষুণি থানায় ফিরে যেতে হবে কিন্তু যে বৃষ্টি নেমেছে, বাইরে বেরোলেই ভিজে একাকার হয়ে যাবো। এই গলিটার শেষ মাথায় মেইনরোডে না গেলে আবার রিক্সা পাওয়া যায় না। তার কাছে কি একটা ছাতা হবে? মেইনরোড পর্যন্ত এগিয়ে দিলেই হবে। ওখান থেকে রিক্সা নিয়ে চলে যেতে পারবো।

    আমাকে হতাশ করে মিনহাজ জানালো তার কাছে ছাতা আছে। সেটা আনতে ভেতরের ঘরে চলে গেলো সে, আর আমি প্রচণ্ড টেনশন নিয়ে বসে রইলাম ছোট্ট ড্রইংরুমটায়। হায়দারভায়ের একটি কথা বার বার মাথায় উচ্চারিত হতে লাগলো : স্ত্রি খুন হলে প্রাইম-সাসপেক্ট হয় স্বামি!

    ছাতা নিয়ে ঘরে ফিরে এলো মিনহাজ। সঙ্গে সঙ্গে আমার বুকের ভেতর থেকে একটা ভারি পাথর যেন সরে গেলো। মিনহাজের হাতের ছাতাটা কালো রঙের ছিলো না। লাল-সাদা-নীলের মিশ্রণে মেয়েলি ধরণের একটি ছাতা।

    “এটা মিলির ছাতা। আমি তো ছাতা ব্যবহার করি না, কেমনজানি লাগে।”

    মুচকি হেসে উঠে দাঁড়িয়েছিলাম আমি। নিজেকে খুব নির্ভার মনে হচ্ছিলো তখন। অপ্রীতিকর সন্দেহের ভার অনেক বেশি ওজনের হয়ে থাকে! সেটা থেকে মুক্তি পাওয়াটা স্বস্তিরই বটে। তবে সেই স্বস্তিটা শুধুমাত্র আমার নিজস্ব ছিলো।

    তারপরও হায়দারভাই মিনহাজকে পুরোপুরি সন্দেহের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দিলেন না। আমার কাছ থেকে সব শুনে অনেকক্ষণ চুপ মেরে রইলেন। তারপর ক্ষুরধার যুক্তি দিয়ে বিচার করলেন বিষয়টা।

    “নিউ মার্কেটে যাবার কথাটা বিশ্বাস করা যায় না, এটা হতে পারে মিনহাজের…কী যেন, বলে?” আমার দিকে সপ্রশ্ন চেয়ে রইলেন সাহায্যের আশায়।

    আমি বুঝতে পারলাম না প্রথমে। “কিসের কথা বলছেন?”

    “ঐ যে, আসামি যখন ইয়ে তৈরি করে…উফ্!” বিরক্ত হয়ে বললেন তিনি। “তুমি যে-সব গোয়েন্দা কাহিনী পড়ো সেখানে এটাকে কী যেন বলে?”

    সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পারলাম উনি কি বলতে চাচ্ছেন। “অ্যালিবাই?”

    “হ্যা-হ্যা, অ্যালিবাই। মিনহাজ এটাকে অ্যালিবাই হিসেবে দাঁড় করাতে পারে।”

    “আর ছাতার ব্যাপারটা? মিনহাজ কিন্তু ছাতা ব্যবহার করে না।” ঠোঁট ওল্টালেন এসএম হায়দার। “এটা তার টেস্টমেন্ট। কথাটা সত্যি কি-না খতিয়ে দেখতে হবে।”

    একটু হতাশই হলাম আমি।

    “মিনহাজ ছাতা ব্যবহার করতো কি-না ওর কলিগরা বলতে পারবে। পাড়ার লোকজনকে জিজ্ঞেস করলেও জানা যাবে। ওর বাড়ির সামনে যে মুদি দোকানিটা আছে সে-ও বলতে পারবে।”

    আমি চুপ মেরে রইলাম। হায়দারভায়ের কথায় যুক্তি আছে কিন্তু আমার মন সে-যুক্তি মানতে চাইছে না।

    “মিনহাজ যদি খুনি হয়ে থাকে আর সে যদি বুঝে যায় দোতলার ভাড়াটিয়া ওকে ছাতাসহ দেখে ফেলেছে তাহলে ছাতাটা নিশ্চয় ভ্যানিশ করে দিয়েছে এতদিনে।”

    “কিন্তু ভাই, মিনহাজ কেন তিনমাসের নতুন বউকে খুন করতে যাবে?” আমি আর ধৈর্য ধরে রাখতে পারলাম না। “নিজের বউকে খুন করার আগে ধর্ষণ করতে যাবে কোন্ দুঃখে? তার মোটিভটা কি?”

    কাঁধ তুললেন হায়দারভাই। “মিনহাজ যদি খুনি হয়ে থাকে তাহলে একটা না একটা মোটিভ তো থাকবেই। হয়তো ঘরে ফিরে মিলিকে ইমতিয়াজের সাথে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে রাগের মাথায় খুন করে ফেলেছে?”

    “কী যে বলেন না!” আমি কোনমতেই একমত হতে পারলাম না।

    “আহা, সম্ভাবনার কথা বললাম। তুমি দেখি কোনভাবেই মেনে নিতে পারছো না মিনহাজ খুনি হতে পারে!” বিরক্ত হলেন তিনি। “শোন, তদন্ত করার সময় একটা কথা মনে রাখবে-কেউই সন্দেহের বাইরে নয়।”

    হায়দারভায়ের কথায় মাথা নেড়ে সায় দিলেও আমি কোনভাবেই মিনহাজকে সন্দেহের তালিকায় ঠাই দিতে পারিনি

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজোনাকির রঙ – সায়ক আমান
    Next Article বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    Related Articles

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    দ্য দা ভিঞ্চি কোড – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    অরিজিন – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেমেসিস (বেগ-বাস্টার্ড – ১) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    কন্ট্রাক্ট (বেগ-বাস্টার্ড ২) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেক্সাস (বেগ-বাস্টার্ড ৩) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }