Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এক পাতা গল্প311 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কেউ কেউ কথা রাখে – ১৭

    অধ্যায় ১৭

    উদযাপন আর উপহার

    “আমি তোমাকে বলেছিলাম না,” তর্জনি উঁচিয়ে আমার মুখের খুব কাছে নিজের মুখ এনে বললেন হায়দারভাই, “ওই শালারে আমি ধরবোই!” তারপরই একটা ঢেকুর তুললেন তিনি।

    সন্ধ্যার পর আমরা দু-জন থানা থেকে বের হয়ে চলে এসেছি কলাবাগান মাঠের এককোণে। হায়দারভাই এখানে আসার আগেই যা খাওয়ার খেয়ে নিয়েছেন। এখন একের পর এক সিগারেট ধ্বংস করে যাচ্ছেন। এ কাজে অবশ্য আমি ভালো সঙ্গই দিচ্ছি তাকে।

    মদের কটু গন্ধের কারনে আমি আমার মুখটা সরিয়ে ফেললাম। “কী সব খান…এতো বাজে গন্ধ!” সত্যি বলতে মদের গন্ধ আমার কাছে বিশ্রি মনে হতো। এই জিনিস মানুষ কী করে খায় মাথায় ঢুকতো না। তখনও আমি জানতাম না, আর ক-দিন পর গোগ্রাসেই গিলবো এ জিনিস।

    “ধুর মিয়া!” হাত নাড়িয়ে বলে উঠলেন তিনি, “এখনও পোলাপানের মতো কথা বলো। এই জিনিস না খেলে পুরুষ মানুষ হওয়া যায় নাকি! “

    মাথা দোলালাম আমি। “আমার ওসব হওয়া লাগবে না। এখন বলেন, পুরো বোতল সাফ করে দিয়েছেন নাকি? আপনার অবস্থা তো সুবিধার মনে হচ্ছে না।”

    “আহ্!” একটু চটে গেলেন। “মদ আমাকে গিলতে পারে না, ব্রাদার… আমি ওরে গিলি!” এবার লম্বা করে সিগারেটে টান দিয়ে ধোঁয়া ছাড়লেন।

    “আপনার কি আজ বাড়িতে যাবার ইচ্ছে নেই? ভাবি তো মনে হয় লঙ্কাকাণ্ড বাধিয়ে ফেলবে।”

    হা-হা-হা করে হেসে ফেললেন তিনি। “ব্যাগ অ্যান্ড ব্যাগেজ বাপের বাড়ি চলে গেছে…নো চিন্তা, ব্রাদার!”

    “আবার ঝগড়া করেছেন?”

    “আহ্!” বিরক্ত হলেন যেন। “আবিয়াত্তা পোলাপান, কিস্তু বোঝো না। ঝগড়া না-হলে কি মেয়েমানুষ বাপের বাড়ি যাবে না?”

    আমি সপ্রশ্ন দৃষ্টিতে চেয়ে রইলাম।

    “নাইওর গেছে,” বলেই একটা চোখ টিপে দিলেন।

    আমি অনেকটা হাফ ছেড়ে বাঁচলাম। “তাহলে ঠিক আছে। কিন্তু আপনাকে দেখে মনে হচ্ছে বউ বাপের বাড়ি চলে যাওয়ায় খুব খুশি?”

    মাথা দোলালেন এসএম হায়দার। “এটা খুশি-অখুশির ব্যাপার না। মেয়েরা মাঝেমধ্যে বাপের বাড়ি যাবেই… হাজব্যান্ডদের এটা মেনে নিতে হয়, বুঝলে?”

    “আমি সেটার কথা বলছি না, আপনাকে মনে হচ্ছে খুব খুশি। বউকে তো মনে হয় মিস্ করেন না?”

    বাঁকাহাসি দিলেন তিনি। “কী করি না করি সেটা জানে আমার মন। বাইরেরটা দেখে বুঝবে না, ব্রাদার।”

    আমি প্রসঙ্গ বদলে ফেলতে চাইলাম। “আপনার যা অবস্থা, কাল সকালে কোর্টে যেতে পারবেন তো? ওই হারামজাদার জামিন কিন্তু ঠেকাতে হবে।”

    “ওটা নিয়ে ভাববে না, আমি ঠিক সময়েই চলে যাবো।”

    “শুধু ঠিক সময়ে গেলেই তো হবে না, আপনাকেও ঠিক থাকতে হবে।” “আমি ঠিক থাকবো, চিন্তা কোরো না।”

    “ঠিক থাকলেই ভালো।” কথাটা বলেই সিগারেটের দিকে নজর দিলাম।

    “এই কেসে কিন্তু তোমার কন্ট্রিবিউশন অনেক,” নতুন আরেকটা সিগারেট ধরাতে ধরাতে বললেন এসএম হায়দার। “তুমি না থাকলে কেসটার যে কী অবস্থা হতো!”

    আমি বিনয়ী হবার চেষ্টা করলাম। “কী যে বলেন, আপনার সাথে থেকে থেকেই তো একটু-আধটু শিখেছি।”

    মুচকি হাসলেন তিনি। “ভালোই শিখছো। তোমার মাথাটা খুব ভালো, আমার মতো গরম না।”

    কথাটা অবশ্য সত্যি। ছোটোবেলা থেকেই আমি শান্তশিষ্ট।

    “চলো, পুরান ঢাকায় যাই। আজ কমপক্ষে দুইটা হাজি মারতে হবে।”

    “কি?” বুঝতে না পেরে বলে উঠলাম। “দু-জন হাজি মারবেন?”

    “হাজিসাব না, হাজির বিরিয়ানি।” বলেই হেসে ফেললেন।”

    “এতো রাতে কি পাওয়া যাবে? শুনেছি, সন্ধ্যার পরই শেষ হয়ে যায়।”

    “আরে, কী আর রাত হয়েছে…চলো তো।”

    হায়দারভাই আমাকে টেনে দাঁড় করালেন। আমিও তাকে বাধা দিলাম না। হাজির বিরিয়ানি আগেও দুয়েকবার খেয়েছি, এর দুর্নিবার আকর্ষণ থেকে মুক্ত রাখতে পারলাম না নিজেকে, হাজার হলেও, উদযাপন করার মতো একটা ঘটনা তো ঘটেছেই!

    *

    পরদিন কোর্টে একটু দেরি করে হাজির হলেও হায়দারভাইকে দেখে মনে হলো না তিনি গতরাতে পুরোপুরি মাতাল ছিলেন, বরং তাকে একটু বেশিই ফ্রেশ মনে হলো আমার কাছে। বেশ ফুরফুরে মেজাজে ছিলেন। আমি অবশ্য আশঙ্কা করছিলাম, ইমতিয়াজের জামিন হয়ে যেতে পারে ভেবে। সে যে রাজনীতি করে সেটা আমরা জানি। সেই প্রভাব খাটিয়ে জামিন করার চেষ্টা করতেই পারে।

    কিন্তু ইমতিয়াজের হয়ে যে উকিল জামিনের আবেদন করেছিলো তাকে দেখেই হায়দারভাই আমাকে নীচুস্বরে বলেছিলেন, “এইসব পাঁচানি কেসের উকিল কি জীবনে কখনও খুনের মামলায় জামিনের জন্য কোর্টে দাঁড়িয়েছে?”

    তার ঠোঁটের বাঁকাহাসি দেখে বুঝেছিলাম আসামিপক্ষের উকিল সম্পর্কে তিনি মোটেও ভালো ধারণা পোষণ করেন না। তারচেয়েও বড় কথা, আসামির জামিন না হবার ব্যাপারে তিনি প্রায় নিশ্চিত ছিলেন। শেষ পর্যন্ত তা-ই হলো। আদালত তার জামিন আবেদন প্রতাখ্যান করে জেলহাজতে পাঠিয়ে দেন।

    কোর্ট থেকে বের হয়ে হায়দারভাই আর আমি সোজা ঢুকে পড়লাম রাস্তার ওপাড়ে প্রসিদ্ধ দিল্লী মুসলিম নামের একটি রেস্তোরাঁয়। দুপুরের খাবার ওখানেই খেয়ে নিলাম। মামলাটার পরবর্তি কার্যক্রম কিভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবো সেটা নিয়েও অল্পবিস্তর আলাপ করলাম। হায়দারভাই বললেন, মিলির স্বামি মিনহাজকে খবরটা দেয়া দরকার। আমি যেন আজ বিকেলের পর ওর সাথে দেখা করি।

    বিকেলের দিকে, ব্যাঙ্ক ছুটি হবার একটু আগে আমি মিনহাজের সাথে দেখা করি ওর অফিসে। আমার কাছ থেকে খবরটা শুনতে পেয়ে মিনহাজের চোখ দিয়ে টপটপ করে অশ্রু ঝরতে শুরু করলো। বিব্রত হয়ে আমি কী করবো বুঝতে পারলাম না। এক পর্যায়ে সে আমার হাতদুটো ধরে তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিলো।

    “আপনি আর আপনার ঐ সিনিয়র অফিসারের কাছে আমি আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবো, ভাই,” চোখ মুছতে মুছতে বলেছিলো সে। “আপনাদের ঋণ আমি কোনোদিনও শোধ করতে পারবো না।”

    “এটা ঋণ হতে যাবে কেন, মিনহাজসাহেব?” আমি বিনয় দেখিয়ে বললাম। “এটা তো আমাদের দায়িত্ব।”

    কয়েক মুহূর্ত নিজেকে স্বাভাবিক করতে ব্যস্ত হয়ে পড়লো মিলির স্বামি “আচ্ছা, এখন মামলা শেষ হতে কতোদিন লাগতে পারে?”

    আমি একটু কাচুমাচু খেলাম। এ দেশের আদালতের দীর্ঘসূত্রিতা বহু পুরনো একটি ঐতিহ্য। বছরের পর বছর পার হয়ে গেলেও মামলা শেষ হয় না। এইসব রুঢ় বাস্তবতা কাউকেই স্বস্তি দেবে না, আর আমিও চাইছিলাম না এমন মুহূর্তে মিনহাজকে অপ্রিয় সত্যিটা জানাতে

    “মনে হয় বছরখানেকের বেশি লাগবে না।” সত্যি বলতে, নিজের কাছেই কথাটা অসাড় বলে মনে হলো।

    হালকা ভাঁজ পড়লো মিনহাজের কপালে। “তাই নাকি?” ঢোক গিলে বললো সে, “আমি তো শুনেছি, বছরের পর বছর পার হয়ে যায়, অনেক সময় লাগে?”

    “সেটা দেওয়ানি মামলা-মোকদ্দমায়। ফৌজদারি মামলা একটু দ্রুতই শেষ হয়,” আবারো প্রবোধ দেবার চেষ্টা করলাম।

    “দেওয়ানি-ফৌজদারি মানে?”

    সাধারণ জনগণের মতো মিনহাজও এটা জানতো না। জীবনে যে ব্যক্তি আদালতে পা রাখেনি, যার পরিবারের কেউ মামলা-মোকদ্দমায় জড়িত ছিলো না তার পক্ষে এইসব আইনী প্রভেদ বোঝা সম্ভব নয়।

    “জমি-জমা, সম্পত্তি নিয়ে যে মামলা হয় সেটা দেওয়ানি,” মিনহাজকে বললাম। “আর খুন-রাহাজানি, চুরি-ডাকাতি, ওগুলো ফৌজদারি,” ইচ্ছে করেই ধর্ষণের কথাটা উল্লেখ করলাম না।

    “ও,” মাথা নেড়ে সায় দিলো সে, তারপর অন্য প্রসঙ্গে চলে গেলো। “খেয়াল রাখবেন, ঐ হারামজাদার যেন ফাঁসি না-হয়।”

    আমি দ্বিতীয়বারের মতো অবাক হয়েছিলাম মিনহাজের কাছ থেকে এমন কথা শুনে।

    “আমি চাই শূয়োরেরবাচ্চাটা জেলে পচে মরুক। আস্তে আস্তে…ধীরে ধীরে!”

    আমি তার মনোভাবটা বুঝতে পেরে চুপ থাকলাম।

    “সারাটা জীবন জেলে কাটাক। জীবনে যেন জেলের বাইরে পা রাখতে না পারে। মরে যাবার পর ওর লাশ জেলে বাইরে নেয়া হবে, তার আগে নয়।”

    এ সময় নম্র-ভদ্র মিনহাজের চেহারাটা কেমন উন্মাদগ্রস্ত বলে মনে হলো আমার কাছে, তবে সেটা একেবারেই অল্প সময়ের জন্য। পরক্ষনেই নিজেকে ফিরে পেলো সে। “এখন মিলির কবরের সামনে গিয়ে আর কাঁদবো না। ওকে বলবো, ওর খুনি ধরা পড়েছে…ওর শাস্তি হবে।”

    আমি জানি মিনহাজ প্রায় প্রতিদিন ওর স্ত্রীর কবরের সামনে গিয়ে কিছুটা সময় কাটিয়ে আসে। এরকম ভালোবাসা, এমন প্রেম আমি গল্প-উপন্যাসেও পড়িনি। সত্যি বলতে, মিনহাজের প্রতি আমার যে পক্ষপাতিত্ব তার অনেকগুলো কারণের মধ্যে এটাও অন্যতম।

    *

    মিনহাজের ওখান থেকে থানায় ফিরে এসেই আমি রামজিয়াকে ফোন করলাম। কিন্তু ও তখন বাসায় ছিলো না। কাজের লোক জানালো ওদের আপা বাইরে গেছে, সন্ধ্যার দিকে ফিরবে। তবে সন্ধ্যায় আর আমাকে ফোন করতে হলো না, রামজিয়া নিজেই ফোন করলো।

    “ইমতিয়াজকে গতকাল অ্যারেস্ট করেছি আমরা।”

    “তাই?” খুবই অবাক হলো, সেইসঙ্গে অবশ্যই আনন্দিত। “মাই গড! কিভাবে ধরলেন ওকে? কোথায় পেলেন?”

    ‘স্টেডিয়াম থেকে ধরেছি। খেলা দেখতে গেছিলো।”

    ‘স্টেডিয়াম থেকে? বলেন কি?!”

    “একেবারে ডিটেক্টিভ উপন্যাসের মতো ঘটনা,” বেশ গর্বের সাথেই বললাম।

    “ওয়াও,” তার বিস্ময় যেন শেষই হয় না। “প্লিজ, একটু ডিটেইল বলেন না? আমার খুব শুনতে ইচ্ছে করছে।”

    আমি বিপাকে পড়ে গেলাম। টেলিফোনে পুরোটা বলতে গেলে অনেক সময় লাগবে। তখনকার দিনে খুব কম লোকেই টেলিফোনে এতো সময় নিয়ে কথা বলতো। তাছাড়া থানায় বসে এটা করা প্রায় অসম্ভব। জরুরি দরকার ছাড়া একটা ফোন দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখার কথা চিন্তাও করা যায় না। প্রচুর লোকজন আমার আশেপাশে, তাদের কানে ঠিকই যাবে আমি কাউকে গল্প বলছি।

    “ইয়ে, মানে…লম্বা কাহিনী।”

    ভাগ্য ভালো সে বুঝতে পেরেছিলো সঙ্গে সঙ্গে। “ঠিক আছে, তাহলে এক কাজ করুন, কাল বিকেলে নিউ মার্কেটে চলে আসুন, বুক পয়েন্টের সামনে। কফি খেতে খেতে শোনা যাবে।”

    রামজিয়ার এমন প্রস্তাবে রাজি না-হয়ে উপায় ছিলো না। আমরা দু-জন নিউ মার্কেটের ভেতরে একটি খাবারের দোকানে গিয়ে বসলাম পরদিন বিকেলে। দু-কাপ কফি খেতে খেতে পুরো ঘটনাটা তাকে বলতে বাধ্যই হলাম বলা যায়। আমার গল্প বলার ভঙ্গি নাকি কাহিনীটার জন্য, মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে শুনে গেলো সে।

    “ওয়াও! আনবিলিভেবল!”

    আমার কথা বলার মধ্যে বেশ কয়েকবার এ কথাটা উচ্চারণ করলো। বুঝতে পারলাম, সচ্ছল পরিবারে বড় হয়েছে, আর্থিক অনিশ্চয়তা কি জিনিস জানে না। তার জীবনটা একেবারে নিস্তরঙ্গ কেটেছে। খুব কমই উত্থান-পতন দেখেছে সে, মিশেছে আরো কম মানুষের সাথে। আর যাদের সাথে মিশেছে তাদের বেশিরভাগই তার সমগোত্রীয়, তাই খুব সহজেই বিস্মিত হয়ে যায়। আমাদের মতো তার কিছু কিছু অনুভূতি এখনও ভোতা হয়ে যায়নি।

    আমার বিশ্বাসই হচ্ছে না।” সব শোনার পর আবারো নিজের বিস্ময় প্রকাশ করলো সে। “আগে ভাবতাম, বিদেশি গোয়েন্দারা অসাধারণ হয়, আমাদের দেশেও যে এমন কেউ আছে সেটা বিশ্বাস করতাম না।” মাই গড! ইউ আর অ্যা জিনিয়াস!”

    রামজিয়ার শেহরিনের মতো আপ-টু-ডেট সুন্দরি মেয়ের কাছ থেকে প্রশংসা পেতে কে না চাইবে, কিন্তু আমি ভীষণ বিব্রত বোধ করলাম সব কৃতিত্ব একা আমাকে দিয়ে দিচ্ছে বলে।

    “আসলে, কেসটা তদন্ত করেছেন এসএম হায়দার, উনি আমার সিনিয়র,” বললাম তাকে। “খুবই অসাধারণ মানুষ, এয়ারকুল পোইরোর মতো।”

    আগাথা ক্রিস্টির পোইরোর কিছু গল্প পড়ে বেশ ভালো লেগেছিলো, তাই হয়তো তুলনাটা দিয়েছিলাম।

    “কিন্তু ছবি থেকে সাসপেক্ট খুঁজে বের করেছেন তো আপনিই?” নিষ্পাপ চানি দিয়ে বললো রামজিয়া। তার প্রশ্নটা শিশুর মতোই সরল।

    “হ্যা, সেটা ঠিক। হায়দারভায়ের সহকারি হিসেবে একটু কন্ট্রিবিউট করেছি বলতে পারেন। এর চেয়ে বেশি কিছু না।”

    “আপনি যে ছবি থেকে ইমতিয়াজকে সাসপেক্ট হিসেবে ধরে নিলেন, এটা কিন্তু আমার কাছে ইউনিক আইডিয়া বলে মনে হয়েছে। একদম গল্পের মতো।”

    বিনয়ী আর বিব্রত হাসি দেয়া ছাড়া আমি আর কিছুই করতে পারলাম না।

    “শেষ পর্যন্ত আপনার সন্দেহই ঠিক বলে প্রমাণিত হলো। দ্যাটস গ্রেট।”

    আবারো বিব্রত হাসি দিয়ে আশেপাশে তাকালাম। নিউ মার্কেটের ভেতরে লোকজন যাওয়া-আসা করার সময় আমাদের দিকে আড়চোখে তাকাচ্ছে। এটা দেখে আমার খুব ভালো লাগলো। আপনি যদি দেখেন কোনো সুন্দরির সাথে বসে আড্ডা দিচ্ছেন আর লোকজন আপনার দিকে ঈর্ষার চোখে তাকাচ্ছে তখন ভালো না লেগে উপায় নেই। আমি হলফ করে বলতে পারি, কোনো সুন্দরি তরুণীর সাথে নির্জন কোনো সৈকতে কিংবা জনবিরল স্থানে বসে গল্প করার চেয়ে নিউ মার্কেটের মতো জনাকীর্ণ স্থানে বসে কফি খাওয়াটা অনেক বেশি উপভোগ্য! চারপাশে ঈর্ষণীয় চোখের চেয়ে সুখের বস্তু আর কী আছে!

    আমরা অনেকক্ষণ ধরে গল্প করেছিলাম সেদিন। নানান কথার ভিড়ে যে নিজেদের কথা বলেছিলাম সেটা বেশ মনে আছে। রামজিয়া জানিয়েছিলো ওদের আদি-নিবাস কোলকাতা। সাতচল্লিশের পর বাবা-মাসহ পরিবারের বেশিরভাগ সদস্য চলে আসে ঢাকায়। তার জন্ম অবশ্য এখানেই। এক কাকা তখনও কোলকাতা রয়ে গেছেন, তিন ওখানকার হাইকোর্টের একজন জাস্টিস। তার বাবা বেশ কিছুদিন করাচিতে এক আমেরিকান ফার্মে চাকরি করার পর নিজের লেদার-ব্যবসা শুরু করেন। তাদের বেশিরভাগ আত্মীয়- স্বজনই কোলকাতায় আছে। দুই ভাই-বোনের ছোট্ট সংসার তাদের।

    রামজিয়ার আগ্রহে আমিও আমার কথা বলেছিলাম। জন্মের সময় মা মারা গেলো, বাবা আর বিয়ে করলেন না। মানুষ হলাম মামা-মামির কাছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার আশা ছিলো কিন্তু বাবা মারা গেলেন বলে ডিগ্রি পাস করে ঢুকে পড়ি পুলিশবাহিনীতে।

    আমার কথা একাকি শৈশব আর জীবনযুদ্ধের গল্প শুনে সমব্যথি হয়ে উঠেছিলো সে।

    এভাবে আলাপ চলতে চলতে সন্ধ্যা হয়ে এলে বাড়ি ফেরার প্রস্ততি নেই। নিউ মার্কেট থেকে বের হবার আগে বুক পয়েন্ট থেকে তিন-চারটা বই কিনে নিলো রামজিয়া। অবাক করে দিয়ে তার প্রিয় বান্ধবির খুনিকে ধরার পুরস্কার হিসেবে একটা বই গিফটও করে দিলো আমাকে।

    কী মনে করে যেন বলে ফেললাম, “বইতে কিছু লিখে দিন।”

    আমার দিকে বিস্ময়ভরা দৃষ্টি নিয়ে চেয়ে রইলো সে। “কী লিখবো?!”

    “কিছু একটা…আপনি যে বইটা আমাকে উপহার দিয়েছেন তার একটা প্রমাণ থাকতে হবে না?” হালকাচালে বললাম তাকে।

    “প্রমাণ!?” তার বিস্ময় তখনও কাটেনি।

    “ঠিক তা নয়। আসলে বই উপহার দিলে কিছু একটা লিখে দিতে হয়, বুঝলেন?”

    কিন্তু রামজিয়ার চেহারা দেখে মনে হলো না সে কিছু বুঝতে পারছে। তারপরও দ্বিধাভরে বইটা হাতে নিয়ে একটু ভেবে গেলো, অবশেষে কলম বের করে লিখে দিলো কিছু। লেখা শেষ করে বইটা যখন আমার দিকে বাড়িয়ে দিচ্ছিলো তখন তার চেহারায়, চোখেমুখে অদ্ভুত এক লজ্জার আবেশ ভর করেছিলো।

    বইটা হাতে নিয়ে আমি সঙ্গে সঙ্গে খুলে দেখলাম না।

    “কি লিখেছি দেখলেন না যে?” অবাক হলো আমার এমন অদ্ভুত আচরণে।

    “এখন না, বাসায় গিয়ে দেখবো।”

    “কেন?!”

    “এমনি।”

    আমার এ কথা শুনে হেসে ফেললো সে। “সেটাই ভালো। লেখাটা পড়ে হয়তো আপনার হাসি পাবে। আমি আসলে গুছিয়ে কিছু লিখতে পারি না।” একটু থেমে আবার বললো, “প্লিজ, আপনি কিন্তু হাসবেন না।”

    হাত তুলে তাকে অভয় দিলাম। “একদম হাসবো না।” বলেই হেসে ফেললাম।

    রামজিয়াও হেসে ফেললো আমার সঙ্গে সঙ্গে। তার মোহনীয় হাসির মাদকতাপূর্ণ শব্দ এখনও আমার কানে বাজে। দৃশ্যটা যেন আমার স্মৃতির দেয়ালে চমৎকার ফ্রেমে বন্দি হয়ে আছে আজও।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজোনাকির রঙ – সায়ক আমান
    Next Article বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    Related Articles

    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    দ্য দা ভিঞ্চি কোড – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    অরিজিন – ড্যান ব্রাউন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেমেসিস (বেগ-বাস্টার্ড – ১) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    কন্ট্রাক্ট (বেগ-বাস্টার্ড ২) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    নেক্সাস (বেগ-বাস্টার্ড ৩) – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    November 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }