Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তোমাকে আমি ছুঁতে পারিনি – সন্মাত্রানন্দ

    সন্মাত্রানন্দ এক পাতা গল্প173 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৪. স্বপ্নকথা লিখেছে ময়ূখ

    ১৪. স্বপ্নকথা লিখেছে ময়ূখ

    স্বপ্নের ভিতরে আলোর পাখিরা এসে কথা বলে। সাদা-কালো ছিটছিট ডানার পাখিরা সব। পাখি নয়, তারা সব স্মৃতি-সংস্কার। এ জন্মের নয় শুধু, জন্মজন্মান্তরের আলো-আঁধারের রং সেইসব স্মৃতিপাখিদের ডানায় আঁকা। কে এঁকেছে ডানা জুড়ে এমন বিমর্ষ অবসাদ? সেই পটুয়াকে আমি খুঁজি, পাই না কোথাও। শুধু নীল স্বপ্নের উঠানে খইফুল খেতে নামে আলোর পাখিরা।

    পরিযায়ী পাখি এরা; উড়ে যায় স্বপ্নাত্তরে। আবার সেখানে ঘরবাঁধাবাঁধি ছল। আবার প্রণয়খেলা, মুখে মুখ রাখা। ডানায় ডানায় ঘষা নরম আদর। বুকের ভিতরে মুখ গুঁজে ঘুম যাওয়া। স্বপ্নের ভিতরে স্বপ্ন, কাহিনির ভিতরে কাহিনির রূপকথা। ডানার অলীক ভেঙে আবার উড়ান।

    এখন এখানে আমি আর ময়ূখ নই কোনো… একদিন সৌদাস ছিলাম। সুজাতার স্বামী। তারপর কোনো জন্মে উদাত্ত হয়েছি। সুজাতা হয়েছে মল্লিকা। সৌদাস- সুজাতা কোনো জন্মে উদাত্ত-মল্লিকা। এইভাবে পালটে যায় সব। আবার কোনো জন্মে ময়ূখ হব। সুজাতামল্লিকা হবে বনের হরিণী।

    স্বপ্ন এসে ভুলিয়ে দিয়েছে সব। সেই দিনটিতে ফিরে গেছি যেন। মাঘীপূর্ণিমার মেলা। অপরাহুকাল। নদীতীরে মেলাটি বসেছে। বিহারের থেকে মেলা দেখব বলে ভিড়ের ভিতর হারিয়ে গিয়েছি। এসেছে পসরা কত দূর দূর দেশ থেকে। বিপণি বিতান, মাদারির খেলা, ভোজবিদ্যাজীবী কিছু ঐন্দ্রজালিক। মেঠো সুরে গান গায় গ্রাম্য যত গায়কের দল। ঘৃতপক্ক আহার্যের থালি। মহার্ঘ বস্তুর ভারে সমৃদ্ধ আপণ। সেইখানে জমে ভিড় ধনী, রিক্ত যত মানুষের।

    নদীর ঘাটের কাছে দেখা হল। সে পরেছে ময়ূরকণ্ঠিরঙা নীলাভ দুকূল। শ্বেত উত্তরীয়ে ঢাকা আছে বক্ষোজ কুসুম। ভ্রমরের মতো চোখে আমাকে সে ডাক দিল অপাঙ্গ দৃষ্টিতে। আমি ভাবলাম, সে কি ডাক দিল আমাকেই?

    কাছে যাই। বলি তাকে, ‘কী নাম তোমার?’

    ‘মল্লিকা। কন্যা আমি বিভবশ্রেষ্ঠীর। দূরে ওই বনবীথি। ওইখানে গ্রাম। তুমি কি ভিক্ষু কোনো মহাবিহারের?’

    ‘আমি ভিক্ষু উদাত্ত। প্রব্রজিত। সারনাথে আমাদের সঙ্ঘারাম। সেইখানে থাকি।’ সেই নদীতীরে দেখা। মনে হল, কত চেনা জন্ম জন্ম আগে। মনের ভিতর নীড়চেতনায় স্মৃতির পাখিরা ডাকে অবিরল। তাকে আমি তখনই চিনেছি।

    আমাদের সঙ্ঘারামে মিতবাক নামে এক স্থবির ছিলেন। একদিন মধ্যদিনে আমি আর আমার এক বন্ধুশ্রমণ সুনন্দ–স্থবির মিত্রবাকের কাছে বসে ছিলাম। জল্পনা আলাপে কাটছিল কিছুটা সময়। হঠাৎ বৃদ্ধ স্থবির আমাকে বলেছিলেন, ভিক্ষু উদাত্ত! আমি দেখছি, তোমার ভিতরে একদিন জেগে উঠবে জন্মান্তরের স্মৃতি।’

    তখন এসব কথা মনে হয়েছিল কোনো অলস কৌতুক। কিন্তু আজ মেলাশেষে নদীটির ঘাটে মল্লিকাকে দেখে মনে পড়ল সব। বহু জন্ম আগে সে ছিল সুজাতা আর আমি তার কাব্যের প্রণেতা সৌদাস।

    সেই দেখাশোনা শুরু হল। তারপর বহুদিন বিহার থেকে চলে গেছি দূর বনে। সেইখানে সে আসত। আমার অচিনপারের দূতী। আমি তাকে একটু একটু করে চিনলাম। চোখে চোখ, হাতে হাত রেখে কত কথা। সেইসব কথা মঠে ফিরে লিখে রাখতাম।

    তাকে বলেছিলাম, ‘অতীত জন্মের কথা মনে পড়ে?’

    সে বলেছিল, ‘না।’

    বলেছিলাম, ‘মনে নেই সেই গ্রাম গোপীনাথপুর? নৈরঞ্জনা নদী? পরপারে উরুবেলা বন? একজন ধ্যানশীল তপস্বী শ্রমণ ভিক্ষার্থে এসেছিল আমাদের দ্বারে? পায়েসের পাত্র শিরে তুমি গিয়েছিলে একদিন বৃক্ষদেবতার থানে। মনে নেই এসব তোমার?’

    আঁধার ঘনালো মুখে। মাথা নীচু করে সে আনমনে বলেছিল, ‘মনে নেই। কিছু মনে নেই।’

    মহাবিহারে জলপাত্রের পাশে পুস্তকাধারে রেখেছিলাম আমার রচয়মান কাব্যটি। মল্লিকা সে-কবিতার নায়িকা। লিখেছিলাম, মল্লিকাকুসুম। এখন রাত্রি। তোমার পরিযায়ী পাখির মতন করপুট দুটি মনে পড়ছে খুব।

    একদিন সেই কাব্য বিহারের স্থবিরদের চোখে পড়ে। তারপর প্রতিমোক্ষ সভা আহূত হয়। প্রণয়কাব্য কেন আমি লিখেছি প্রব্রজিত ভিক্ষু হয়েও, প্রশ্ন উঠেছিল। স্থবিরেরা প্রশ্ন করেছিলেন, ‘কে এই মল্লিকা?

    আমি বলেছিলাম, ‘এক শ্রেষ্ঠীকন্যা। আমার কাব্যের নায়িকা।’

    তুমি কি জানো না, ভিক্ষুর পক্ষে এই আচরণ গর্হিত অপরাধ? জানো নাকি, এ যে পাপ!’

    ‘প্রণয় অপরাধ নয়। কাব্য—সে-ও নয় পাপ। আমার কোনো পাপবোধ নেই, স্থবির। মল্লিকা শ্রেষ্ঠীকন্যা—সে আমার প্রিয়া পূর্বজনমের।’

    ‘এখনই তুমি সঙ্ঘের কাছে অপরাধ স্বীকার করে প্রতিমোক্ষপাঠ করো। সঙ্ঘের এমনই নির্দেশ।’

    প্রতিমোক্ষ পড়িনি আমি। তখন আমাকে বলা হল, বিহার ছেড়ে চলে যেতে। সেইদিনই আমি সঙ্ঘ ছেড়ে চলে যাই। সঙ্গে ছিল মল্লিকাকাব্যের পুথি।

    খোঁজ নিয়ে জানলাম, বিভবশ্রেষ্ঠী কন্যা মল্লিকাকে নিয়ে চলে গেছেন পারাদ্বীপে। হয়তো বাতাসে ভাসছিল কথা। কন্যার প্রণয়প্রার্থী প্রব্রজিত ভিক্ষু এক। এ যে কী বিষম পাপ! হয়তো তাই, বিভবশ্রেষ্ঠী কন্যাসহ গ্রাম ছেড়ে চলে গেছেন বহুদূরে।

    আমি বিহার ছেড়ে নামলাম পথে। কত গ্রাম, কত জনপদ, কত তীর্থে কেটে গেল কাল। পথিপার্শ্বে, গ্রামপ্রান্তে, নির্জন মন্দিরে রাত্রি কাটাই। শ্রমণজীবন আমাকে শিখিয়েছে অনিশ্চয়তার সঙ্গে কীভাবে বন্ধুত্ব করতে হয়। ঘর ছেড়েছি ঊষসী কৈশোরে। আর আজ মধ্যযৌবনে ছেড়েছি মঠের আমি নিশ্চিন্ত আশ্ৰয়।

    ভাবলাম, এই উত্তরাপথ ছেড়ে চলে যাব দক্ষিণে। সে অনেক পথ। তাতে কোনো ভয় নেই। মৃত্যুকে ভালোবাসি আমি। জীবন তাই আমার কাছে নিয়ত পরিবর্তনশীল প্রমোদের উপাখ্যান।

    সে যেন অনেক পথ। বহু বর্ষ মাস যেন কেটে গেল পথে। কত নদী পার হলাম। কত বনমধ্যে রাত্রি হল ভোর। কখনও আশ্রয় দিল সমৃদ্ধ নগর। প্রাসাদে, কুটিরে, হটে কেটে গেল কাল। সরে গেল আচম্বিতে মনের আড়াল। কত নারী বলেছিল, হে বন্ধু, বসত করো আমাদের ঘরে। তবুও মালতি কেন পথপাশে ঝরে? আমি তো পথিক এক রাখালের সুর। আমার দিগন্তমায়া একান্ত সুদূর।

    কতদিন চলে গেছে, ঘুরতে ঘুরতে আর্যাবর্ত ছেড়ে চলে এসেছি দাক্ষিণাত্যে। পার হলাম কাবেরীর স্রোত। জনবহুল এক পল্লিতে প্রবেশ করলাম আমি। ভিক্ষা আহরণ করে কাবেরীতটে ফিরে এসে আহার সমাধা করছি, একটি নৌকা এসে ঘাটে লাগল। নৌকা হতে নামলেন এক বণিক। আমাকে দেখে তাঁর কৌতূহল হল। পাশে এসে বসলেন।

    বললেন, ‘ভিক্ষু! কী নাম আপনার?

    ‘ভিক্ষু উদাত্ত। আপনি?

    ‘আমি নাগদত্ত। বণিক। আপনি কোথায় চলেছেন?’

    ‘জানি না। পান্থ আমি। পথই আমার ঘর। আর কোনো গন্তব্য নেই। একদিন ছিল।’

    আজ আমার গৃহে আতিথ্য গ্রহণ করুন।’

    আমি সেই বণিকের সঙ্গে চললাম। নগরের এক পার্শ্বে তাঁর বিপুল প্রাসাদ। আমার ঠাঁই মিলল বহির্বাটিতে।

    বড়ো নির্জন সেই ঘর। একান্তবাসের উপযুক্ত। স্নানাহার সেরে আমার সেই অসমাপ্ত কাব্যের পুথিটি খুলে বসেছি। সঙ্ঘরাম ছেড়ে এ নিতান্ত অনিকেত জীবনে প্রবেশ করার পর আমার কাব্যটি আর এক পদও অগ্রসর হয়নি। জানালা দিয়ে পুথির পাতার উপর এসে পড়েছে মধ্যদিনের আলো। কিছুক্ষণ উদাস নয়নে পুথির হলুদ পাতার দিকে চেয়েছিলাম। মন নেই কাব্যে আর। এ কাব্য যাকে নিয়ে লিখেছি, সে এই কবিতার চেয়ে কত বেশি বাস্তব ছিল। আমার কবিতা শুধু আমার শূন্য মনেরই ফসল। সে-রূপমঞ্জরী আমি আঁকতে পেরেছি কই? পরিবর্তে শব্দের আলপনায় পুথির পাতার শূন্যতাকে ভরিয়ে দিতে চেয়েছি। কিন্তু এক শূন্যতা কি অন্য শূন্যতাকে পূর্ণ করতে পারে?

    হঠাৎ কী একটি শব্দে চমকিত হয়ে উঠলাম। নিস্তব্ধ দুপুর যেন কার কঙ্কনবলয়ের শব্দে রণিত হয়ে উঠল। উঠে দাঁড়ালাম। বাতায়নপার্শ্বে দাঁড়িয়ে দেখলাম, প্রাসাদ-প্রাঙ্গণে কে এক নারী কূপ হতে জল আহরণ করছে। সম্মুখ হতে তার অবয়ব আমি দেখতে পেলাম না।

    জানালার কাছ থেকে সরে আসছি, এমন সময় সে তার মুখ ফেরাল। আমি তার পূর্ণাবয়ব দেখতে পেলাম। আমি অবাক হয়ে গেলাম। একে যে আমি বড়ো বেশি চিনি।

    বিস্ময়ের ঘোর অপসৃত হতে সময় লাগল। অবশেষে বিহ্বলতা সরিয়ে আমি তাকে ডাকলাম তার নাম ধরে অস্ফুটে।

    ‘মল্লিকা!’

    বিস্ময়াহত হয়ে সে ঘুরে দাঁড়াল এবার। কাছে এল। সেই আশ্চর্য নীল দুটি চোখ তুলে সে আমাকে বলল, ‘তুমি! তুমি এখানে কীভাবে এলে?’

    আমি সেই মঠ ছেড়ে দিয়েছি, মল্লিকা! তোমাকে নিয়ে কাব্য লিখেছিলাম। স্থবিররা বললেন, এ পাপ। আমি তা স্বীকার করিনি। প্রতিমোক্ষ পড়িনি আমি। সঙ্ঘ ত্যাগ করে পথে পথে তোমাকে কত খুঁজেছি। কোথায় যে তোমরা চলে গেলে!’

    মল্লিকা মাথা নীচু করে থাকল অনেকক্ষণ। তারপর ধীরে ধীরে বলল, ‘তোমাকে-আমাকে নিয়ে বারাণসীতে অনেক কথা হচ্ছিল। তাই এক প্রভাতবেলায় আমার পিতা আমার হাত ধরে পারাদ্বীপ চলে যান। সেখানে আমরা ছিলাম বহু বছর। তারপর বণিক নাগদত্তের সঙ্গে পিতা আমার বিবাহ দিলেন। পিতা পারাদ্বীপেই আছেন। আমার স্বামী নাগদত্ত আমাকে নিয়ে এই কাবেরীতটে মণিপট্টনম নগরীতে ফিরে এলেন। সেই থেকে এখানেই আছি।’

    ‘কিন্তু সুজাতা, তুমি যে বলেছিলে, তুমি আমার চিরন্তনী।’

    ‘কে সুজাতা?’

    ‘সুজাতা! সুজাতা! চিনতে পারছ না? আমি তোমার সৌদাস! আমি সৌদাস।’

    ‘কী বলছ, কিছুই বুঝতে পারছি না, ভিক্ষু।’

    ‘ভাল করে ভেবে দ্যাখো, সে আমাদের পূর্বজনমের কাহিনি। তুমি গোপকন্যা সুজাতা ছিলে। তোমারই পায়সান্ন আহার করে সিদ্ধার্থ বুদ্ধ হয়েছিলেন। আর আমি–আমি ছিলাম তোমার স্বামী সৌদাস।’

    ‘এসব তোমার কবিকল্পনা, উদাত্ত। এই বৃথা কল্পনায় তুমি আর তোমার জীবন ক্ষয় কোরো না। সঙ্ঘ যখন পরিত্যাগ করেছ, এবার গৃহে ফিরে যাও।‘

    আমার তো গৃহ নেই। সব শেষ হয়ে গেছে। জানো নাকি, বাসা পুড়ে গেলে পাখি আকাশ আশ্রয় করে থাকে?’

    মল্লিকা কিছু বলল না। আবার সে মাথা নীচু করে আছে। হঠাৎ টের পেলাম নিশ্বাসের গভীরে ডুবে গিয়ে সে নিঃশব্দে কাঁদছে। আমার জন্মান্তরকথা সে বুঝতে পারেনি। তবু আমার অন্তর্লীন বেদনা তার মনের অতলে নেমে অশ্রুবারিধারার স্বচ্ছ স্রোতোমুখ খুলে দিয়েছে।

    আমি বললাম, ‘কাঁদছ কেন?’

    সে বলল, ‘জানি না, কেন কাঁদছি। আমি না-চাইলেও কান্নার স্রোত আমার বুকের শ্বেতপাথর ফাটিয়ে উঠে আসছে যেন। তুমি উদাত্ত, নাকি সৌদাস আমি জানি না। শুধু একটি ভিক্ষা আমাকে দাও।’

    ‘আমি নিজেই যে ভিক্ষুক! ভিক্ষুকের কাছে তুমি ভিক্ষা নেবে?’

    কান্নার ঝড়ের ভিতর নীড়হারা পাখির মতো দিশেহারা হয়ে আকুল স্বরে বলল, ‘তুমি ভিক্ষুক নও গো, ভিক্ষুক নয়। তুমি রাজা। তোমার রাজৈশ্বর্যের কাছে আমার এ নারীজীবন বড়ো তুচ্ছ মনে হয় আজ। তোমাকে কিছুই আমি দিইনি, তবু একটি ভিক্ষা চাই আমি তোমার কাছে আমার করপুট পেতে।’

    তুমি জানো না, মল্লিকা, অতীত জন্মে তুমি আমাকে কী দিয়েছ। এই জন্মেও। তুমি যাকে আমার ঐশ্বর্য বলছ, সে তোমারই উপহার। স্মৃতির পাখিরা ডানা মুড়ে আছে বলে তুমি জানতে পারছ না। তোমাকে অদেয় আমার কিছুই নেই। বলো তুমি, কী চাও।’

    ‘আমি চাই এই বিচ্ছেদের বেদনা নিয়ে বেঁচে থাকবার অধিকার। আর কিছু নয়।’

    ‘বেশ, তাই হবে। আমি চলে যাচ্ছি, মল্লিকা। আর কোনোদিন আসব না। এজন্মে আর কোনোদিন দেখা হবে না আমাদের। তোমার বেদনার সম্ভার থেকে একটি বনফুলের পাপড়িও আমি নিয়ে গেলাম না।’

    মণিপট্টনম হতে সেই দ্বিপ্রহরেই আমি চলে এলাম। কাবেরীর জলে ভাসিয়ে দিলাম মল্লিকাকাব্যখানি।

    আবার চলেছি আমি। সহস্রাব্দের পর সহস্রাব্দ, পথ যেন আমার ফুরায় না। আকাশগঙ্গার স্রোতে আমি বুঝি কোনো তারাফুল জ্যোৎস্নাজোয়ারে ভেসে চলেছি অনন্তকাল।

    বহু বৎসর পর আমি উপনীত হলাম কাঞ্চীপুরে। একদিন হট্টমধ্যে দিকশূন্য বসে আছি, দেখলাম, এক তরুণ ভিক্ষু পথ দিয়ে চলেছেন। তাঁর মুণ্ডিত মস্তক, গৈরিক কাষায়, শমিত পদক্ষেপ আমার পূর্বজীবনের সংস্কার উদ্বুদ্ধ করে দিল। স্মৃতিপাখিরা আবার ডানা ঝাপটাচ্ছে আমার বুকের ভিতর।

    তরুণ ভিক্ষুকে অনুসরণ করে আমি যেন তাঁদের সঙ্ঘারামে উপস্থিত হলাম। মহাসঙ্ঘিক বৌদ্ধদের বিহার। জনৈক বৃদ্ধ স্থবির আমাকে দেখে কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তুমি এখানে কী চাও, পান্থ?’

    আমি বললাম, ‘সঙ্ঘের আশ্রয়।’

    তিনি বললেন, ‘এসো তবে। এই ঘরে থাকো। কাল প্রাতে তোমার উপসম্পদা হবে।’

    আমি পুনরায় প্রব্রজ্যা গ্রহণ করলাম। প্রব্রজ্যা গ্রহণকালে সম্মুখে তথাগতর একটি ধ্যানস্থ মূর্তি ছিল। মনে হল, মহাশ্রমণ আমার দিকে চেয়ে মৃদু মৃদু হাসছেন। খেলাফেরত শিশুর মুখপানে চেয়ে মা যেমন হাসেন, ঠিক যেন সেইরকম।

    পুনরায় আরম্ভ হল স্বাধ্যায় ও সাধনা। মহাসঙ্ঘিকদের দার্শনিক মতবাদ ভালো করে আয়ত্ত করতে লাগলাম। সূত্র ও বিনয় অধিগত করলাম গভীর নিষ্ঠায়। শুধু একটি প্রশ্নের উত্তর আমি কিছুতেই পাচ্ছিলাম না। সুজাতার প্রদত্ত পায়সান্ন আহার করে সেই বৈশাখী পূর্ণিমার রাত্রে সিদ্ধার্থ কীভাবে উপনীত হয়েছিলেন মহাসত্যে? কী ছিল, অনুভবে উপনীত হবার সোপানসমূহ? শাস্ত্রে অনেক খুঁজলাম। কিন্তু কীটদষ্ট পুথির পাতায় অনুভবের আলোক ছড়ানো থাকলেও সিদ্ধার্থের সেই মহারজনীর অভিজ্ঞতা লেখা নেই।

    আচার্য সুভূতি এই দাক্ষিণাত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ বৌদ্ধ পণ্ডিত। তাঁকে এই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করলাম। বললাম, ‘ভদন্ত, নৈরঞ্জনা নদীতীরে উরুবেলা বনে বৈশাখী পূর্ণিমার সেই রাত্রে মহাকারুণিক কীভাবে এই সত্যে উপনীত হলেন, অনুগ্রহ করে আমাকে বলুন। কীভাবে সিদ্ধার্থ বুদ্ধ হলেন?’

    আচার্য সুভূতি বললেন, ‘বুদ্ধ কোনো ব্যক্তিনাম নয়। বুদ্ধ একটি অবস্থা। সেই অবস্থায় আমরা প্রত্যেকেই একদিন উপনীত হব। সেখানে পৌঁছানোর জন্য প্রযত্ন করো। ব্যক্তি-সিদ্ধার্থকে নিয়ে ব্যতিব্যস্ত হয়ো না।’

    ‘কিন্তু ব্যক্তি-সিদ্ধার্থ কী উপায়ে সেখানে পৌঁছেছিলেন, তা না-জানলে কেমন করে আমি সে-পথে চলব, ভদন্ত?’

    ‘দ্যাখো, ভ্রাতঃ! সেই পথ ছিল সিদ্ধার্থের পথ। আমাদের প্রত্যেকেরই স্বতন্ত্র পথ আছে। সিদ্ধার্থের পন্থা নিয়ে বিব্রত হয়ো না। সিদ্ধার্থের ব্যক্তিমায়া পরিত্যাগ করো তুমি।’

    এই কথায় আমার মর্মস্থলে যেন আঘাত লাগল। ধর্ম, দর্শন, প্রব্রজ্যা বড়ো কথা। কিন্তু তারও চেয়ে আমার কাছে মহার্ঘ সম্বুদ্ধের ব্যক্তিজীবন। এমনকি বুদ্ধও নয়, আমার অনুরাগ শুধু সিদ্ধার্থে। সেই যে অগমপারের পথিক যুবক তিনি রাজ্য রাজ্য খেলা ছেড়ে দিয়ে অস্তিত্বের সুবিপুল বেদনা বুকে নিয়ে অনতিপ্রবেশ্য অটবিতে অটবিতে ঘুরে ঘুরে খুঁজেছিলেন মানবমুক্তির পথ, শেষে শাস্ত্রে গ্রন্থে আর তপস্বীদের কাছে জিজ্ঞাসার উত্তর না-পেয়ে নিজেই বসেছিলেন ধ্যানে উরুবেলায়, মনের পাতালপ্রদেশে কুয়াশামাখা অন্ধকার সরিয়ে চেতনার কিরণে স্নাত হয়ে উঠে দাঁড়িয়েছিলেন অক্ষোভ্যমূর্তিতে, সেই অভয়মূর্তি—যাঁর কান্তিময় উপস্থিতি পূর্বজন্মে আমাকে মুহূর্তে তুলে নিয়ে গিয়েছিল আলোকবিসারী অনুভূতির দ্বারপ্রান্তে, সেই সিদ্ধার্থই আমার একতম আশ্রয়। বুদ্ধোপদেশের থেকেও আমার কাছে মূল্যবান তাঁর জীবনের কোনো একটি আখ্যায়িকা, কিংবা তাঁর একটি আলেখ্য অথবা তাঁর ধাতুমূর্তি। তাই আচার্য সুভূতি যখন আমাকে বললেন, সিদ্ধার্থের সেই ব্যক্তিমায়া পরিত্যাগ করতে, তখন সে-উপদেশ যতই প্রজ্ঞানুবর্তী হোক না কেন, আমার কাছে তা মৃত্যুযন্ত্রণার মতোই বেদনানীল ছিল।

    বিষাদ নামল মনে গভীর রাত্রিতে শ্রাবণের আকাশভাঙা বারিপাতের মতোই। অন্ধকারে যেন বৃষ্টি পড়ছে। কেউ কোথাও নেই, একা শূন্যমনে প্রশস্ত স্তূপগৃহের সম্মুখের অলিন্দে স্বপ্নচালিতের মতো হেঁটে চলেছি। দেওয়ালের কুলুঙ্গিতে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বলছিল। বাইরে অশ্রান্ত বারিধারা ঝরছে, তারই তুমুল শব্দ রাত্রির জঠর ভরে রেখেছিল, আসন্নপ্রসবা নারীর গর্ভ যেমন ভরে রাখে অজাত সন্তানের সম্ভাবনা। মনে মনে ভাবছিলাম, পরিণতিতে উদাসীন এ-জীবনের আর কোনো তাৎপর্য আছে? আছে কোনো ফলবান বৃক্ষের প্রতিশ্রুতি? পিছনে ফেলে এসেছি জন্মজন্মান্তরের সঙ্গিনীকে; আর তার সঙ্গে দেখা হবে না। এদিকে জানতেও পারলাম না পূর্বজনমের সেই প্রিয়ার দেওয়া পায়সান্ন আহার করে প্রিয়পুরুষ সিদ্ধার্থ কোন উপায়ে জীবনের চরম সিদ্ধিতে পৌঁছেছিলেন।

    ঘৃতপ্রদীপের তির্যক আলোক অলিন্দের দেয়ালে প্রলম্বিত সিদ্ধার্থের একটি আলেখ্যের উপর এসে পড়েছে। আমি সেই ছবিটির সামনে কিছুক্ষণ নিশ্চল হয়ে দাঁড়িয়েছিলাম। অলংকৃত চিত্রপট। কেন্দ্রে সিদ্ধার্থের ধ্যাননিমগ্ন মূর্তি। আর তারই চারিপাশে বৃত্তাকারে ভীষণাকৃতি মার-সেনানীদের ভয়াবহ আকার।

    মারসৈন্যরা যেন সিদ্ধার্থের চারিপাশে অশান্তির আগুন জ্বেলেছে। শূলহস্তে মার সিদ্ধার্থের দিকে ‘হান, হান’ শব্দে তেড়ে আসছে। হিংস্র, দন্তুর পশু এবং উদ্যতফনা বিষাক্ত অহিকুল সিদ্ধার্থকে দংশনে উদ্যত। দুইপাশে দুই স্তনভরনমিতা শৃঙ্গারাঢ্যা নারীর মোহিনী মূর্তি। অথচ এত আক্রমণের ভিতরেও কেন্দ্ৰে অকম্প দীপশিখার মতো অনির্বাচ্য প্রশান্তি নিয়ে সিদ্ধার্থ ধ্যানে ডুবে আছেন।

    ছবিটি কতক্ষণ ধরে দেখছিলাম, হুঁশ ছিল না। হঠাৎ মনে হল, সমস্ত ছবিটি কাঁপছে। সে-ছবি আর পটের উপর আঁকা জড়বস্তু নয়, তার প্রতিটি তন্তু যেন জীবন্ত হয় উঠেছে। যেন সহস্রাব্দ-প্রাচীন সেই ঘোরা রজনীটি আমার চক্ষের সম্মুখে পুনরভিনীত হচ্ছে। প্রথমে ভাবলাম, এ বুঝি আমার মনের ভুল। পরমুহূর্তেই সেই সংশয় অপগত হল। আলেখ্যে সিদ্ধার্থের মূর্তি যেন চিন্ময়, যেন তিনি ধ্যান থেকে এইমাত্র জেগে উঠছেন।

    তাঁর চক্ষু দুটি পদ্মের পাপড়ির মতো খুলে গেল। আহ, সেই আশ্চর্য করুণাবর্ষী দৃষ্টি, যা আমি জন্মান্তরে দেখেছিলাম। নিজের অজান্তেই আমি তাঁর সম্মুখে নতজানু হলাম। চরণপ্রান্তে আমার শিরোদেশ স্পর্শ করে আমি বলে উঠলাম, ‘তথাগত! হে তথাগত!’

    ‘উদাত্তসৌদাস! বলো, তুমি কী জানিতে চাহিতেছ?’

    ‘আমার পূর্বজনমের প্রিয়া সুজাতা… তাকে কি আমি—?’

    ‘পাইবে। কিন্তু তার পূর্বে সুচিরকালব্যাপী তোমাদের বিরহের সাধনা করিতে হইবে। কোনো জন্মে সে হইবে বনের হরিণী। আর তুমি হইবে এক যুবক ময়ূখ। তখন একবার মাত্র মৃগদাব সারনাথে তোমাদের দেখা হইবে।’

    ‘এমন কঠিন পরিণতি কেন, মহাকারুণিক?’

    ‘বিরহের সত্তাপে দগ্ধ হইয়াই তো তোমাদের প্রেম জ্ঞানের স্পর্শ লাভ করিবে। জ্ঞানবিরহিত প্রেম আর প্রেমবিরহিত জ্ঞানই জন্মজরাব্যাধিমৃত্যুর একমাত্র হেতু। এ চক্রনেমির নাভি তৃষ্ণা। এই তৃষ্ণাকে জয় করো, উদাত্ত।’

    ‘এই যা দেখছি, এ সবই কি স্বপ্ন?’

    ‘হ্যাঁ, এ সবই স্বপ্ন। সবই মায়া। এই স্বপ্ন হইতে উত্থিত হইয়া তুমি ময়ুখ হইবে। তখন এই স্বপ্নমধ্যে যাহা দেখিলে, যাহা শুনিলে, সমস্ত লিপিবদ্ধ করিবে। তবে মনে রাখিও, এ-উদাত্ত যেমন স্বপ্ন, সে-সৌদাসও তেমনই স্বপ্ন ছিল। এমনকি ময়ূখও তোমার আর-এক প্রকার স্বপ্ন হইবে। সুজাতা, মল্লিকা, হরিণী সকলই স্বপ্ন। সিদ্ধার্থও স্বপ্ন, বুদ্ধও স্বপ্ন।’

    তবে এ স্বপ্ন ভাঙবে কবে, সুগত?’

    ‘স্বপ্ন তো ভেঙেই আছে, যুবক। তুমি কেবল তা বুঝিতে পারিতেছ না। শুধু এই বুঝিয়া লওয়াকেই বোধি বলা হয়। আবার সেই বুঝিয়া লওয়াও কিন্তু স্বপ্নেরই ভিতর।’

    ‘আমি আরও একটি কথা জানতে চাই, মহাশ্ৰমণ!’

    ‘বলো, উদাত্ত।’

    ‘উরুবেলায় নদীতীরে বোধিদ্রুমতলে সেই দারুণ রাত্রিতে কেমনভাবে আপনার চেতনায় বোধিকিরণ নেমে এসেছিল, সেই কথা…’

    ‘কেন? তার জন্য কি বুদ্ধোপদেশ যথেষ্ট নয়?’

    ‘বুদ্ধ নয়, বুদ্ধ নয়, প্রভু! আমি সিদ্ধার্থের কথা জানতে চাই।’

    মহাকারুণিক যেন স্মিত হাসলেন। তারপর বললেন, ‘তবে সাবধানে শ্রবণ করো, ভিক্ষু। আমি স্বয়ং তোমাকে আজ সেই ঘোরা শর্বরীর কথা বলিব।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপিঙ্গল আকাশ – শওকত আলী
    Next Article গাত্রহরিদ্রা – সমীরণ গুহ

    Related Articles

    সন্মাত্রানন্দ

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }