Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তোমাকে আমি ছুঁতে পারিনি – সন্মাত্রানন্দ

    সন্মাত্রানন্দ এক পাতা গল্প173 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৯. ময়ূখ-সন্দৰ্ভ

    ৯. ময়ূখ-সন্দৰ্ভ

    নিতান্ত ব্যাকুল হয়ে বসে আছি আমি। আমি একুশ শতকের ময়ূখ—আড়াই হাজার বছর আমার লেখার টেবিলে খেলা করছে। ঠিক যে-মুহূর্তে সিদ্ধার্থ ‘মধ্যপন্থা’ আবিষ্কার করলেন, সেই মুহূর্তেই তাঁর পাঁচজন সঙ্গী তাঁকে ছেড়ে গেলেন। ভুল বুঝলেন। এই হয়। সিদ্ধার্থের আগে এই মধ্যপন্থা’ কেউ তো আবিষ্কার করেননি। অন্তত, সেরকম কোনো প্রমাণ নেই। একটি নতুন আবিষ্কার সমকালে গৃহীত হয় না, কেউই আবিষ্কর্তাকে বুঝতে পারে না, সকলেই তাঁকে ভুল বোঝে, ছেড়ে যায়।

    কিন্তু আমি—আমি কেন এ বহু-আলোচিত কাহিনি লিখে চলেছি? না লিখে আমার আর অন্য উপায় নেই, তাই। আমি ময়ূখ, চল্লিশোত্তীর্ণ মধ্যবয়স্ক পুরুষ, বিশ শতকের সাতের দশকের শুরুতে আমি জন্মেছি, আমার জীবন কেমন করে সিদ্ধার্থের সঙ্গে জড়িয়ে গেল যে!

    হ্যাঁ, অনেকেই বলে আমি স্বাভাবিক নই। বলে, আমি সবসময় কী একটা ঘোরের মধ্যে থাকি। আমি যে স্বাভাবিক হতে চেষ্টা করিনি, তা তো নয়। এমনকি অনেক মনঃচিকিৎসককেও দেখিয়েছি, তাঁরা কিন্তু পরীক্ষা করে সকলেই আমাকে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক বলেছেন। এই যে আমার চোখের সামনে যেন কোন্ দূর কালের ঘটনা ঘোরে ফেরে, সেগুলো সিজোফ্রেনিয়ার লক্ষণ বলে প্রমাণিত হয়নি। ডাক্তাররা বলেছেন, ওগুলো আমার নিছকই কল্পনা। সৃষ্টিশীল মনের কল্পনা। এবং ওগুলো আমার বাস্তব জীবনকে কোনোমতে প্রভাবিতও করছে না। আমার সত্তার গভীরে আমি কোথাও ওগুলোকে সত্য বলে গ্রহণ করি না। কিন্তু সত্যিই কি তাই?

    ছোটোবেলার কথা মনে পড়ে। মা রান্না করত, আর আমি রান্নাঘরের চৌকাঠে বসে দুলে দুলে পড়তাম। অন্য কোনো বই নয়, স্কুলেরই বই। এমনি করে পড়তে পড়তে একদিন, তখন আমি ক্লাস থ্রি-তে পড়ি, ইতিহাস বইতে পড়েছিলাম বুদ্ধের কথা। আর অমনই মনে হয়েছিল, এসব আমার ভীষণভাবে চেনা। দারুণভাবে পরিচিত। কিন্তু কেন এমন মনে হয়েছিল, আমি জানি না।

    সেই থেকে যেন নেশা লেগে গেল। কিছুদিন পরেই পড়েছিলাম অবন ঠাকুরের ‘নালক’। সে বই পড়তে গিয়েও একই দশা। মনে হল, এই সিদ্ধার্থকে, নৈরঞ্জনা নদীকে, সুজাতাকে, পাঁচজন ভিক্ষুকে আমি খুব ভালোভাবে চিনি। বইতে যেমন লেখা আছে, তার থেকে অনেক স্পষ্টভাবে। ঠিক যেমন করে আমি আমার চারপাশটাকে চিনি, তার থেকেও স্পষ্টভাবে যেন চিনি ওদের। যেন আমার চোখের সামনেই কতকাল আগে এইসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সেই থেকেই বড্ড অন্যমনস্ক হয়ে পড়েছিলাম। শৈশব থেকে কৈশোর, কৈশোর থেকে যৌবন আমি যেন একটা আবেশের মধ্যে কাটিয়েছি। স্কুলে কলেজে পড়েছি, কোনো বন্ধু পাইনি। অন্যদের সঙ্গে আমার একটা সংযোগের সাধারণ ভূমি খুঁজে পাইনি। ওরা কী ভাষায় কথা বলে, কেন হাসে, কেন কাঁদে, কিছুই আমাকে স্পর্শ করে যেত না। নিজের ভেতরে আমি যেন নির্বাসিত। শুধু নিজের কাছে ফিরে এসে নিজের মনেই সেই নৈরঞ্জনা তীর, সেই উরুবিল্ব বন, সেই গোপীনাথপুর গাঁ, সিদ্ধার্থ, সুজাতা, পাঁচজন ভিক্ষু—এইসব ছবি নিয়ে তোলাপাড়া করেছি।

    বড়ো হয়ে পড়েছি পল ক্যারাস, আর্নল্ডের লাইট অব এশিয়া, এডওয়ার্ড, কোঞ্জের বই… বুদ্ধ-বিষয়ে যে-কোনো বই আমি গোগ্রাসে গিলেছি। ঘুরে বেড়িয়েছি রাজগিরে, সারনাথে, বোধগয়ায়, পাবা নগরীতে। আর সেইসব পড়া, সেইসব বেড়ানোর মধ্যে একটি নাম আমার জাগর-তন্দ্রায় স্পন্দিত হয়ে চলেছে, সিদ্ধার্থ…সিদ্ধার্থ! একবার ভেবেছিলাম বৌদ্ধ শ্রমণ হব, বৌদ্ধ সঙ্ঘে যোগদান করব। কিন্তু কী যেন আমাকে পেছন থেকে টেনে রেখেছে। সে কি কোনো নারী?

    আমার এই জীবনে কোনো মেয়েকে আমি ভালোবাসতে পারিনি। এমন নয় যে, প্রেমের সামর্থ্য আমার ছিল না। ছিল, খুবই ছিল। কিন্তু আমাকে যেন কে মনে করিয়ে দিয়েছে, আমি সহস্রাব্দ সহস্রাব্দ আগের কোনো এক নারীর প্রণয়কুসুমের ভ্রমর। সে আমাকে আজও ভালোবাসে। আমিও তাকে…

    সেই এক ভালোবাসা আমাকে বেঁধে রেখেছে সর্বক্ষণ। আমি তাকেই খুঁজে চলেছি অন্য নারীদের মধ্যে, কিন্তু পাইনি কোথাও। আর পেলাম না বলেই অন্য কোনো মেয়েকে আমি আর ভালোবাসতে পারিনি।

    মাঝে মাঝে মনে হয়, আমি কি তবে জাতিস্মর? অন্য জন্মের কথা মনে আছে? কই, না তো! কিছুই মনে নেই আমার। তা সত্ত্বেও কেন যে আমি ভাবতে ভালোবাসি, কেন যে সুদূর অতীতের কোনো এক চরিত্রের সঙ্গে নিজেকে একাত্ম বোধ করি, যে-চরিত্রের কথা ইতিহাসের পৃষ্ঠাতেও নেই, কিংবা ইতিহাসের পৃষ্ঠা থেকে সেই চরিত্র বহু অমার্জিত হস্তের অবলেপে মুছে গেছে, সেই চরিত্রটি আমি নিজেই—কেন এমন ইচ্ছেভাবনা আমাকে সবসময় তাড়িয়ে বেড়ায় যে!

    সে এক সুদূর কাল… বৈদিক যুগের ঋষিপ্রেমিকদের শেষ আদরের দাগ ভারতবর্ষের মুখশ্রী থেকে তখন যেন মুছে আসছে… জীবনের অর্থ অন্বেষণ করতে একদল মানুষ গৃহ পরিত্যাগ করে শ্রামণ্য গ্রহণ করছেন—কেউ হয়তো ছিলেন রাজপুত্র, কেউ বা শ্রেষ্ঠী… সেই এক সময়, যখন আনুষ্ঠানিক আচার-বিচারের হিরণ্ময় শৃঙ্খল ভেঙে পড়ছে, পুরোনো প্রথাপ্রকীর্ণতা পরিত্যক্ত হচ্ছে… নতুন প্রশ্ন জাগছে, কোনো স্থবির বিশ্বাসকে মানুষ আর ধরে রাখতে পারছে না পূর্বধ্রুবতায়… সমাজে জাত-পাতের বন্ধন ভেঙে, বর্ণাশ্রমের কঠিন নিগড় চুর্ণ বিচূর্ণ করে জেগে উঠতে চাইছে নতুন এক ভারতবর্ষ… ষোড়শ মহাজনপদে বিভক্ত দেশ স্বপ্ন দেখছে নবীন এক ঐক্যের, সাম্যবাদ হবে যার মহামন্ত্র.. সেই সুদূর যুগের ভিতর থেকে আমার মগ্ন সত্তা উঠে এসে কতগুলো আবিষ্ট চিত্ররূপ এঁকে আমার মনকে তন্ময় করে রেখেছে।

    অন্যদের সঙ্গে কথা বলে দেখেছি, অন্যরা এই ছবি দেখতে পায় না। শুধু আমার মাথার ভিতরেই এই ছবিগুলো পাক খায়? আমি বোঝাতে পারি না!

    না, বিয়ে করা হয়নি আমার। উপার্জন করি একটি প্রাইভেট স্কুলে ছেলে পড়িয়ে। কলেজে ইউনিভারর্সিটিতে ম্যাস পড়েছিলাম। আমি তাই অঙ্কের মাস্টার। কিন্তু সে আমার বাইরের পরিচয়। এই বাইরের পরিচয়টা খুবই সাদামাঠা। কিছুই না। আমি একটা হেঁজিপেজি লোক সেই অর্থে। স্কুলে পড়াই, বাজার-হাট করি, একাই থাকি, নিজের রান্নাবান্না নিজেই করি, মাঝে মাঝে বর্ধমানে দেশের বাড়ি যাই।

    কিন্তু বিশ্বাস করুন, এগুলো সব আমার বাইরের পরিচয়। এগুলোতেই আপনি যদি সন্তুষ্ট থাকেন, তবে আপনি আমার চোখে অন্য পাঁচজনের মতোই বাইরের লোক থেকে যাবেন। কিন্তু আপনি যদি আমার বন্ধু হতে চান, তবে আপনাকে তো আমার ভেতরের মানুষটাকে চিনতে হবে!

    ভেতরের সেই মানুষটা এখনকার না, এখানকার নয়। সে অন্য কালের মানুষ, অন্য স্থানের। বিশ্বাস করুন, আমি একটুও বানিয়ে বলছি না। আমি জানি আমার কথা আপনার বিশ্বাস হতে চাইবে না। কেউই বিশ্বাস করতে চায় না। আর ওই জন্যেই তো কারো সঙ্গে বন্ধুত্ব হল না আমার। নিভৃত একাকী মানুষের জীবন।

    নির্জন কক্ষে নিভৃত দীপাধারে একটি প্রদীপ শুধু জ্বলছে।

    একদিন নিভে যাবে। কেউ জানবে না।

    এই আমার জীবন।

    কিন্তু এসব কথা আমাকে তো কাউকে বলতে হবে। কাকে বলব? কে শুনবে? ভেতরের এই তুমুল তাড়নাটা আমাকে এত বছর কুরে কুরে খেয়েছে। শেষে আর থাকতে না পেরে কলম ধরলাম।

    না, আমি কোনো লেখক নই। লেখার প্রকরণ, পদ্ধতি আমি কিছুই জানি না। দেশ-বিদেশের সাহিত্যও আমার তেমন কিছু পড়া হয়নি। অনেক সময় অনেকে যেখানে কথা বলেন, এমন সব আড্ডায় আমি গেছি। একপাশে বসে থেকেছি। অসহায়ের মতন। বেশির ভাগ কথা অন্যরা যা বলেন, আমি বুঝতে পারি না। ভারী ভারী নাম, নানা বইপত্তরের নাম—সবই আমার অজানা। লিখতে কেমন করে হয়, তাই-ই তো জানি না আমি। কাজেই লেখক হবার দূরতম বাসনাও আমার নেই। কিন্তু না লিখে পারছি না, তাই লিখছি। ভেতরে কতগুলো কথা, কতগুলো ছবি জমে আছে। সেগুলোকে মুক্তি দেবার জন্যেই লিখছি। নিজের হাত থেকে মুক্তি পাবার জন্যেই লিখছি। আর কিছু না।

    লিখতে লিখতে এই কয়েকটা অধ্যায় লেখা হয়ে গেছে। সিদ্ধার্থের জীবনেরই কথা। তাঁর গৃহত্যাগের দৃশ্য দিয়েই শুরু। কতদূর লিখব, তাও জানি না। এক- একটি চরিত্রের চোখ দিয়ে লিখে চলেছি সেই জীবনকথা। মারের চোখ দিয়ে, রাজগৃহ নগরীর চোখ দিয়ে, সিদ্ধার্থের চোখ দিয়ে, নৈরঞ্জনা নদীর চোখ দিয়ে…. এইসব। লিখতে লিখতে একটুও ভাবছি না। যেমন আসছে, বলা ভালো যেমন আমি দেখছি, সেরকমই লিখে চলেছি।

    এই যে এখন লিখছি, বাইরে ঘোর বর্ষা নেমেছে। জানালার ওদিকে জোর বৃষ্টি পড়ছে। রাত হয়ে গেছে। ঝিঁঝি পোকা ডাকছে, দূরের একটা পুকুরের থেকে ব্যাঙের ডাক শোনা যায়। জানালার ওদিকে কতগুলো কদমগাছ। বৃষ্টিভেজা কদম ফুলের সুবাস ভেসে আসছে বাতাসে। মাথার উপর ফ্যান ঘুরছে, ভাগ্য ভালো এমন বৃষ্টির রাতেও বিদ্যুৎ পরিষেবা চালু আছে। জায়গাটা কলকাতা থেকে বেশি দূরে নয়, তবে কলকাতা এখনও একে গ্রাস করতে পারেনি। এখানেই আমি থাকি। একটা ঘর ভাড়া করে। দিনের বেলা স্কুলে চাকরি করি আর রাত্রে ঘরে ফিরে নিজের জন্যে দুটি ফুটিয়ে নিয়ে লিখতে বসি।

    সিদ্ধার্থের যে সমস্ত জীবনী আমি পড়েছি, সেসব বইতে, কেন জানি আমার মনে হয়েছে, অনেক ক-টা চরিত্র যেন নেই। কিংবা উল্লেখ থাকলেও তাদের বিস্তার করা হয়নি। এর একটা কারণ হচ্ছে, সিদ্ধার্থ বা বুদ্ধই সেখানে প্রধান, পার্শ্বচরিত্রগুলি প্রায়শই অনালোচিত। সূর্যের উপস্থিতিতে আলোর বন্যায় যেমন ডুবে যায় আকাশের অন্য তারারা। এই যেমন সিদ্ধার্থের পরিণীতা স্ত্রী গোপা যশোধরার কথা। শুধু সিদ্ধার্থের গৃহত্যাগের সময় তাঁর একটু উল্লেখ আছে। আর আছে বুদ্ধের পরিণত জীবনে। তিনি পুত্র রাহুলকে পাঠিয়েছিলেন পিতৃধন চেয়ে নিতে। প্রব্রজ্যা গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু এর বাইরে, সিদ্ধার্থ যখন সন্ন্যাসী হয়ে গেলেন, তখন তাঁর আর কোনো সংবাদ নেই, তখন কেমন করে তিনি জীবনধারণ করেছিলেন, কী ভেবেছিলেন, সেসব কথা অনুক্তই থেকে গেছে। পণ্ডিত উদরক রামপুত্রের কথা আছে বইপত্রে একটু, কিন্তু বিস্তারিত নয়। সুজাতার কথাও সামান্যই বলা হয়েছে।

    অথচ কী অদ্ভুত! আমার মনে হয়, আমি ওদের কথা জানি। আমার কাছে ওরা স্পষ্ট। না, ওদের আমি দেখতে পাই। কেন এমন হয় আমার, আমি জানি না। আপনারা বলতে পারেন, কেন আমার এমন হয়?

    আমি ওদের কথা লিখব। ওদের চোখ দিয়ে সিদ্ধার্থের কথা বলব। আমাকে বলতেই হবে। আমার ভেতরে কে যেন জোর করছে। বড্ড জেদি সে। কে আমাকে এসব লেখাচ্ছে। না-লেখা অবধি আমার শান্তি নেই।

    ঘর থেকে বাজার যাওয়ার যে-রাস্তাটা, আমি রোজ স্কুলে যাবার সময় ওই পথ দিয়েই ঘুরে মোড়ের মাথা থেকে অটো ধরি। দেখি, মাথায় কাঠ বোঝাই করে কজন বুড়ি টাল সামলে রোজ পথ হাঁটে। মোড়ের মাথায় মুরগি কাটার দোকান। অসহায় মুরগিগুলো মাংসবিক্রেতার হাতের মধ্যে ডানা ঝাপটে ঝাপটে বাঁচার শেষ চেষ্টা করছে। একটা মুদির দোকান। কে একজন দোকানদার আর- একজনকে হেসে হেসে বলছে, ‘ঠাকুরভক্ত? ঠাকুরভক্তি সে তো ভালোই। কিন্তু কর্ম ছাড়া তোমার ঠাকুর থাকবে কি?’

    রাস্তার ধারে একটা ঘুমন্ত শ্যাওলাঢাকা মজা পুকুর, তারই পাড়ে সেলুন একটা, সেখানে সারাদিন লোকে চুল কাটাচ্ছে… মিষ্টির দোকানের সামনে ভিড়… বাজার … মুড়ির কারখানা, ধোঁয়া উঠছে চিমনি দিয়ে… অটো রিকশার হ্যান্ডেলের সামনে ঠাকুরের ছবিতে বাসি মালা ঝুলছে… মসজিদের ধারে গলির একপাশে সন্ধেবেলা হাতে গড়া রুটি আর তড়কা বিক্রি করছে একটা রোগা লোক—এইসব পরিচিত দৃশ্য, শব্দ, ঘ্রাণের ভিতর, এই চিরচেনা পথ দিয়ে কেন জানি আমার মনে হয় আজও হেঁটে চলেছেন এক মানুষ, মানুষ হয়েও মানুষের অনেক উপরে যাঁর মানসিক স্থিতি, তাঁর চরণপাতে একটুও শব্দ হচ্ছে না, পথের একটি ধূলিকণাও কাঁপছে না তাঁর পা-তোলায় পা- ফেলায়, প্রেম-জ্ঞান-করুণার ইঙ্গিত তাঁর হস্তধৃত মুদ্রায়—তিনি সিদ্ধার্থ, আমার অতি পরিচিত সিদ্ধার্থ!

    লেখার টেবিলে ফিরে আসি। আজ মনটা উদাস হয়ে রয়েছে, মনে হয়, যাকে আমি চিরকাল ভালোবেসে এসেছি, যে আজও আমাকে ভালোবেসে চলেছে, যার জন্য অন্য কোনো নারীকে আমি ভালোবাসতে পারলাম না, তাকে যেন চিনতে পেরেছি। আড়াই হাজার বছর আগের সেই এক মেয়ে। তার কথা বইতে উল্লেখমাত্র আছে।

    সে বড়ো অভিমানী মেয়ে, একটু আদরে গলে পড়ে, আবার এক মুহূর্ত মুখ ফিরিয়ে নিলে অভিমানে সকালের মালতীর মতো মুখ লুকিয়ে নেয়। বাসন্তী রঙের কাপড় পরে সে। তার রাঙা রূপ সে ঢেকে রাখে আত্মবিস্মৃতির মেখলায়। তার দিঘল কালো দুই চোখে শতাব্দী শতাব্দী পারের অন্ধকার…

    বইতে আছে, গ্রামের মোড়লের মেয়ে সুজাতা, অনেকদিন তার কোনো সন্তান হয়নি। তাই সে নৈরঞ্জনা নদীর পরপারে উরাইল বনের ধারে দেবতা-বৃক্ষের কাছে মানসিক করে। তারপর তার সন্তান হলে এক বৈশাখী পূর্ণিমার বিকেলবেলায় সে তাদের রাঙি গাইয়ের দুধ থেকে পায়েস তৈরি করে নদীর পারে ওই বৃক্ষদেবতার থানে পায়েস নিবেদন করতে গিয়ে সিদ্ধার্থকে দ্যাখে। তার দেওয়া সেই পায়েস আহার করে সেই রাত্রেই বোধিলাভ করেন সিদ্ধার্থ।

    এইসব কথাই পুথির পাতায় আছে। কিন্তু পুথির পাতা থেকে হারিয়ে গেছে শুধু একজনের নাম। তার নাম ছিল সৌদাস-সুজাতার স্বামী। সে ছিল কবি। সুজাতাকে সে ভালোবেসেছিল প্রথম যৌবনে। সৌদাস ছিল সুজাতারই গ্রামের যুবক। তার কবিতায় ধরা পড়েছিল সুজাতার প্রেম, সুজাতার অমোঘ সৌন্দর্যের কথা। বইতে সিদ্ধার্থের কথা আছে, সুজাতার কথাও আছে। কিন্তু বইতে সুজাতার স্বামীর কথা কোথাও নেই। জগৎ সুজাতার স্বামীর কথা কোনোদিন জানতেও পারেনি। ভুলোমন ইতিহাস সৌদাস আর তার কাব্যের কথা একেবারে ভুলে গেছে।

    কিন্তু আমি ভুলিনি। কারণ, আমিই ছিলাম সেই সৌদাস—সুজাতার প্রণয়ী, সুজাতার স্বামী, সুজাতাকে নিয়ে লেখা অবলুপ্ত সেই একমাত্র কাব্যের কবি। সেই সৌদাসের কথাই এখন আমি বলব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপিঙ্গল আকাশ – শওকত আলী
    Next Article গাত্রহরিদ্রা – সমীরণ গুহ

    Related Articles

    সন্মাত্রানন্দ

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }