Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তোমাকে আমি ছুঁতে পারিনি – সন্মাত্রানন্দ

    সন্মাত্রানন্দ এক পাতা গল্প173 Mins Read0
    ⤶

    বুদ্ধ কৈরবী

    বুদ্ধ কৈরবী

    বন্ধনীভুক্ত প্রথম সংখ্যাটি ‘বুদ্ধচরিতম্’ কাব্যের অধ্যায়ক্রম ও পরের সংখ্যাটি শ্লোকক্রমের সূচক

    বন্দনা

    পরম-আনন্দ-দানে যিনি গূঢ় বিধিরও অধিক
    তমোঘ্ন সূর্যেরও চেয়ে প্রতিস্পর্ধী যাঁহার কিরণ,
    চাঁদের থেকেও যিনি নম্রতর করুণায়, জগতের সন্তাপমোচন!
    অতুলন সে অর্হৎ—চরণপদ্মে তাঁর আনত প্ৰণাম। (১.১)

    কুমার সিদ্ধার্থ বললেন :

    ‘অবজ্ঞা করি না আমি বিষয়ের সুখ,
    জানি লোকে ডুবে থাকে তাদেরই মায়ায়
    কিন্তু এ জগৎ আহা অনিত্য নশ্বর!

    এই কথা মনে করে হয়েছি বিমুখ
    অরুচি সংসারে মন আর না তো যায়।’ (৪.৮৫)

    ‘যদি না থাকত এই জরা-ব্যাধি-মৃত্যুর প্রতাপ জীবনে,
    আমিও খুঁজতাম সুখ, যা কিছু সে রমণীয় রুচিকর মনে।’ (৪.৮৬)

    ‘যে-জীবন ক্ষয়ময়, নশ্বরতা আবিশ্বসংসারে,
    যে-জীবন ভোগে লিপ্ত, যে-জীবনে আসক্তি দুর্বার,
    যে-জীবনে আমি নই প্রকৃতার্থে অধীন আমার,
    সে-জীবন হীন বড়ো; নয় ঋদ্ধ মহত্ত্বসম্ভারে।’ (৪.৯১)
    সপ্রতিভ ছন্দক, অশ্বশালায় সে যে তুরঙ্গের দেখাশোনা করে।
    তাকে ডেকে ঘুম থেকে মধ্যরাত্রে সিদ্ধার্থ বললেন :
    আমার কণ্ঠক ঘোড়া ত্বরিতে বাহির করো, হে সারথি!
    যাব আমি এখনই তো অমৃতত্ব ধ্রুব অভিসারে।’ (৫.৬৮)

    প্রস্ফুট পদ্মের মতো বিকচ নয়ন তুলে একবার তিনি দেখলেন,
    নগরী ঘুমিয়ে আছে। দ্বিধাহীন সিংহের মতন দৃপ্তস্বরে সিদ্ধার্থ বললেন :
    ‘জন্মমৃত্যু-পরপারে কী আছে তা জানবার আগে
    ফিরব না আমি আর কপিলের নামাঙ্কিত এ সমৃদ্ধ বিপুল নগরে’। (৫.৮৪)

    রাজ্য পরিত্যাগ করে অরণ্য অতিক্রম করে রাজগৃহ নগরীর পথে ভিক্ষাটন সেরে পর্বতের দিকে যাত্রা করলেন।

    যথালব্ধ ভিক্ষা নিয়ে তিনি এসে বসলেন নির্জন পাহাড়ি সেই ঝরনার পাশে,
    একা একা ভিক্ষাহার সেরে পাণ্ডব-পর্বতশীর্ষে ধীরে ধীরে উঠতে লাগলেন। (১০.১৪)

    লোধবৃক্ষে ঢাকা সেই বনভূমি, কুঞ্জ যার ময়ূরের কেকারবে সদা শিহরিত,
    সেইখানে কাষায় পরিহিত আলোর মতন দীপ্তিমান একজন মানুষ,
    যেন প্রাচীশৈলের উপর উদিত প্রভাতের প্রথম অংশুমালী। (১০.১৫)

    গুপ্তচর-প্রমুখাৎ তপস্বী সিদ্ধার্থের কথা শুনে নৃপতি বিম্বিসার সিদ্ধার্থের দর্শনার্থে
    উপনীত হলেন। তারপর সিদ্ধার্থকে সম্বোধন করে বললেন :

    ‘গাত্র তোমার চন্দনরাগ অনুলেপনের জন্য,
    এতে কী আর বলো, যুবক, কাষায়বস্তু মানায়?
    ওই দু-বাহু প্রজাপালন-সমৰ্থ,
    পরের দেওয়া অন্ন তুমি ওই দু-হাতে ভিক্ষা কেন করো?
    ধনুকছিলা-আকর্ষণে যে হাত তোমার দড়,
    মান্ধাতার মতন তুমি স্বর্গ-মর্ত-পাতাল যখন হেলায় জিনতে পারো,
    কেনই তবে দৃপ্ত বাহু—ব্যর্থ তাদের করো?’ (১০.২৪, ৩১)

    সিদ্ধার্থ রাজা বিম্বিসারের প্রশ্নের উত্তর দিলেন :

    হরিণ বাঁধা পড়ে গানের উচাটনে
    আগুন উজ্জ্বল পতঙ্গকে টানে
    মাছেরা ঠোকরায় টোপকে স্বাদু ভেবে
    বিষয়মুগ্ধতা দুঃখ এনে দেবে।

    যে-ভোগে তৃপ্তিতে লগ্ন ক্ষণিকতা,
    তাকে কি ভোগ বলে? সে যে কথার কথা!
    যেসব শর্তেই সুখের উপভোগ,
    তাদেরই অন্যথা দুঃখ সংযোগ।

    ভিক্ষা আহারেই যেজন সুখে আছে,
    নজর নিচু করে দেখো না তাকে, প্ৰিয়!
    জরা ও মৃত্যুর সাগর পেরোবে সে
    শান্তি ইহকালে, মুক্তি অবশেষে।

    বরং কৃপাচোখে তাকেই দেখে নিয়ো,
    যেজন সম্পদে থেকেও তৃষাতুর,
    স্বস্তিবঞ্চিত এখানে ইহলোকে,
    অন্তে যন্ত্রণা মজ্জমান শোকে।

    আমার জেনো, আছে রাজ্য বোধিপুর,
    মৃত্যুপাখি সেথা বাঁধেনি তার নীড়
    নেই তো উদ্বেগ পুনঃ ফিরে আসা,
    জন্মজরাহীন শান্তি সুনিবিড়।’ (১০. ৩৫, ৪১, ৫৪, ৫৫, ৫৯)

    অল্প দিন পর সিদ্ধার্থ রাজগৃহ ছেড়ে চলে গেলেন। আরও গভীর অরণ্যে প্রবেশ করলেন। সেখানে যোগী অরাঢ় কালামের সঙ্গে দেখা হল তাঁর। তত্ত্বজিজ্ঞাসু সিদ্ধার্থকে অরাঢ় কালাম উপদেশ দিলেন :

    ‘যেমন করে আলাদা করে নিতে হয়
    মুঞ্জাঘাসের বহিরাবরণ থেকে তার কমনীয় শিষ,
    খাঁচা থেকে যেমন করে আকাশপথে উড়ে যায় পাখি,
    তেমনই ক্ষেত্রজ্ঞ এই আত্মা
    ক্ষেত্ররূপ দেহ থেকে
    জ্ঞানসহ নিঃসৃত তা হলে
    মুক্তি বলি তাকে।

    এই তো পরম ব্রহ্ম,
    নির্লিঙ্গ, ধ্রুব, অক্ষর।
    তত্ত্বজ্ঞ মনীষীরা যাকে বলেন
    মোক্ষপদ।’ (১২. ৬৪, ৬৫)

    অরাঢ় কালামের তত্ত্বব্যাখ্যায় সিদ্ধার্থ সন্তুষ্ট হতে পারলেন না। তিনি উত্তরে বললেন :

    ‘শুনলাম এই পরম সূক্ষ্ম,
    পরম কল্যাণপ্রদ এ তত্ত্ব,
    তবুও মনে হল না এই-ই চরম,
    যেহেতু দেহেতে দেহেতে লগ্ন
    এই যে আত্মা তাকে
    কীভবে পরিত্যাগ করব, সেকথা
    এখানে হল না আর বলা।

    যেমন বীজের ভিতর ভাবী গাছের চলা,
    প্রকৃতিবিকৃতি থেকে আলাদা করে নিলেও
    তবু প্রসবসম্ভাবনা
    এই আত্মাতে রয়েই তো যেতে পারে;
    আবার জন্ম, আবার জীবন, আবার আসা যাওয়া
    চক্ররেখাকারে।’ (১২.৬৯, ৭০)

    অবশেষে নিজেই সাধনা করে জীবনপ্রশ্নের উত্তর খুঁজবেন স্থির করে সিদ্ধার্থ নৈরঞ্জনা নদীর পরপারে উরুবেলা বনে উপনীত হলেন।

    অথ নৈরঞ্জনাতীরে শুচিতে শুচি যার পরাক্রম
    একান্ত নির্জনে বনে বসবাস করতে লাগলেন। (১২.৮৮)

    মানুষের পক্ষে দুর্লভ সেসব সাধন
    ছ-টি বছর করে চললেন,
    ফল তবু কিছুই মিলল না। (১২.৮৯)

    অস্থিচর্ম রইল শুধু স্থির,
    মেদমাংসশোনিত গেল ক্ষয়ে
    যদিও ক্ষীণ তপোকঠিন দেহ
    তবুও তাঁকে দেখাত যেন সমুদ্রগম্ভীর। (১২.৯০)

    একদিন ধ্যান থেকে উঠে নদীজলে স্নানার্থে নামলেন।
    শরীর এত দুর্বল হস্তপদ সঞ্চালন করতেও বড় কষ্ট হচ্ছে।

    স্নান সেরে ধীরে ধীরে নৈরঞ্জনা নদী-আঘাটায়
    কৃশকায় তাপস উঠে আসতে লাগলেন,
    তীরের গাছগুলি তাদের শাখা বাড়িয়ে দিল তাঁর দিকে
    ভালোবেসে,
    গাছের ডাল ধরে তিনি উঠে এলেন কোনোমতে তীরে। (১২.১০৫)

    ‘বুদ্ধচরিতম্’- এ মেয়েটির নাম সুজাতা নয়, নন্দবালা। সেই নন্দবালা একদিন রুগ্ন সিদ্ধার্থের প্রাণ বাঁচালেন পায়সান্ন প্রদান করে।

    গোয়ালাদের দলপতির মেয়ে
    নাম তার নন্দবালা;
    যেন দেবপ্রেরিতা হয়ে এসেছিল কাছে,
    হৃদয়ে আনন্দ তার উপজিত সন্ন্যাসীসকাশে। (১২.১০৬)

    সাদা শাঁখায় উজলা দুটি হাত,
    গভীর নীল পশমিনার শাড়ি
    যেন সে নীল যমুনা নদী ফেনকরুণ মুখ।

    শ্রদ্ধা আর প্রীতির ভাষা জাগালো বনভূমি,
    দুটি সে-চোখ নলিনীনত বিকচকুসুমিত,
    আভূমি দীন প্রণত মেয়ে কৃতাঞ্জলিপুটে,
    বলল, ওগো তাপস! তুমি নাও এ দয়া করে
    সামান্য এ নিবেদিলাম পায়সান্নপদ। (১২.১০৭, ১০৮)

    সিদ্ধার্থের তপস্যায় আকৃষ্ট হয়ে পাঁচজন তপস্বী তাঁর সঙ্গে তপস্যা করছিলেন। সিদ্ধার্থ গোপকন্যা নন্দবালার হাত থেকে পায়েস নিয়ে আহার করেছেন দেখে এই পাঁচজন সিদ্ধার্থকে তপোভ্রষ্ট জ্ঞান করে সেখান থেকে চলে যান।

    ‘আবার বুঝি সংসারের চাকায় ফিরে এল’-
    একথা ভেবে অবজ্ঞায় পঞ্চবর্গীয়
    ভিক্ষু পাঁচ ছেড়ে গেলেন তাঁকে;
    যেমন ছাড়ে পঞ্চভূত মুক্ত আত্মাকে। (১২.১১১)

    ভালই হল। সিদ্ধার্থ নির্জন সেই বনভূমিতে একান্তে ধ্যাননিবিষ্ট হলেন।
    বিশ্বে যা কিছু শ্রেষ্ঠ, তা সবই একান্তেই অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সুদৃঢ় দেহ অচলাসনে অঙ্গ সংহত
    যেন সে কোনো মহানাগের সমুদ্যত ফণা,
    বজ্রস্বরে নিনাদিলেন অটুট প্রতিজ্ঞায় :
    চরম সেই লক্ষ্যে আমি না হয়ে উপনীত
    উঠব না এই মাটির থেকে আসন ছেড়ে আর’। (১২.১১৭)

    ধ্যানাসনে সিদ্ধার্থের এই কঠিন প্রতিজ্ঞাতে মারের আসন টলে উঠল। কিন্তু কে এই মার?

    বিশ্বে যিনি কামেশ্বর নামেতে প্রচারিত
    চিত্রায়ুধ, পুষ্পশর কতো না নাম তাঁর!
    সকলে যাঁর অধীনে থাকে, কামের অধিপতি
    চিরকালীন কাঙ্ক্ষাময় মোক্ষদ্বেষী মার। (১৩.২)

    মার সিদ্ধার্থ-সমীপে উপস্থিত হয়ে বললেন :

    ‘যেহেতু এই তাপস আজও আমার সীমানায়,
    যেহেতু আজও জ্ঞাননয়ন ফোটেনি প্রজ্ঞায়,
    ভাঙব আমি শপথ তার সর্বশক্তিতে
    যেমন করে প্রবল স্রোতে সেতু যে ভেসে যায়।’ (১৩.৬)

    ‘ওঠো হে ক্ষত্ৰিয়সুত! মৃত্যুভীত নর!
    রাজার উচিত কার্য করো হে কুমার!
    ছাড়ো যোগীজনগম্য মোক্ষধর্মপথ।
    যুদ্ধ করো যজ্ঞ করো জয় করো ধরা,
    বাসবের স্বর্গ লভো মৃত্যুর উত্তর। (১৩.৯)

    ওঠো শীঘ্র অতঃপর, ফেরো স্বসংজ্ঞায়
    আমার সুধার শর দীপ্ত লেলিহান!
    রতিপ্রিয় চক্রবাক মিথুন-যুগল
    তাদেরও উপরে আমি হানি না এ বাণ। (১৩.১৩)

    সিদ্ধার্থ মারের বচন অগ্রাহ্য করলেন।
    আরম্ভ হল সিদ্ধার্থের উপর মারের ভয়াবহ আক্রমণ।

    হানল সেই শর, শাক্যমুনি তবু অনড় ধ্রুব তাঁর প্রতিজ্ঞায়,
    অকম্পিত তিনি ধ্যানের মুদ্রায় করেননি তো মারে কর্ণপাত
    অনড় তাঁকে দেখে বিষাদে ডুবে গেল পুষ্পধনু মার অতঃপর,
    বলল ধীরে ধীরে চিন্তা জড়ো করে হতাশ রতিপতি স্তিমিতস্বর : (১৩.১৫)

    ‘যে-বাণে শম্ভুও অদ্রিজার প্রতি প্রণয়ে জর্জর স্খলিতত
    একদা শরাঘাতে শিবেরও চিত্ততে এনেছি সন্তাপ অকস্মাৎ
    আজকে কী যে হল! করেনি দৃকপাত বারেকও এ তাপস উপেক্ষায়!
    চিত্ত নেই এর? নাকি এ তিরখানি নয় সে সেদিনের পুষ্পশর?’ (১৩.১৬)

    বরাহমুখাকার তীক্ষ্ণ দস্তুর মাছের মতো রূপ বীভৎস
    অশ্ব গর্দভ উষ্ট্র ব্যাঘ্রের মিলিত আননের হুহুংকার
    ঋক্ষ, সিংহের আস্য ভয়ানক, অনেক মুখজোড়া একটি চোখ,
    তিনটি মুণ্ডের অনল-ঈক্ষণ মারের সেনানীরা ভয়ংকর। (১৩.১৯)

    তামার মতো লাল বিন্দুচর্চিত আয়ুধ হাতে তারা আলোল কেশ
    পীতাভ কুন্তল অথবা ধোঁয়াকার সে-কর কর্ণের আন্দোলন চর্মাবৃত কেউ,
    কেউ দিগম্বর, অর্ধদেহ শ্বেত, অর্ধশ্যাম, অরুণ ধূম্রের হলুদ,
    কৃষ্ণের সর্পফণা সব ভীষণ ভুজ। (১৩.২১)

    বইছে দশদিকে প্রকম্পিত বেগে লুপ্তসংসার প্রভঞ্জন,
    তারারা নিভে গেছে, অস্তে গেছে চাঁদ, কৃষ্ণ্যবনিকা অন্ধকার
    রজনী ঘোররূপা তামসী নিশাকাল গিলছে ত্রিজগৎ লেলিহমুখ
    মেদিনী কম্পিত ক্ষুব্ধ আলোড়িত সমুদ্রের শ্যাম বিশাল ঢেউ। (১৩.২৯)

    কিন্তু মার-সেনানীর ভয়ংকর আক্রমণে সিদ্ধার্থের একটি কেশাগ্রও কম্পিত হল না।

    তথাপি মহর্ষি তিনি। চোখ তুলে দেখলেন মারের সেনানী,
    দশদিক হতে তারা আনে ঘোর আক্রমণ ধর্মবিৎ ‘পরে।
    অকম্প হৃদয় তবু, অবিচল মহাশান্তি ফুল্ল মুখাম্বুজ,
    যেন সিংহ সমাসীন গোযূথের কেন্দ্রে স্থির অভয় উদাস। (১৩.৩৩)

    ভয়াবহ রূপ, ভাব—পুরোভাগে ভয়ংকর দানবের দল,
    শঙ্কাহীন নিরুদ্বেগ তবুও ভাঙে না তাঁর মুখশ্রী কোমল।
    যেন পরিণতবোধ বয়স্ক কোনো সে এক প্রবীণের মন
    নেমেছে খেলার মাঠে উদ্ধত শিশুর দল নিয়ে চারপাশে। (১৩.৩৬)

    এত যে শরীরে মনে করে মহা আক্রমণ তাঁর চারিদিকে,
    এত যে প্রমত্ত শত্রু চতুর্দিকে করে চলে অশনিসম্পাৎ,
    আসনে তবুও তিনি অচঞ্চল শাক্যমুনি অক্ষোভ্যসম্ভব।
    বন্ধু তাঁর প্রতিজ্ঞার বিনিশ্চল মুখ। (১৩.৪৩)

    তখন আকাশ হতে অদৃশ্য এক পুরুষ মারের নিষ্ফল প্রয়াস দেখে গম্ভীর স্বরে বললেন :

    ক্লান্তিকর পরিশ্রম কোরো না তুমি আর, হে অনঙ্গ!
    হিংস্রতা পরিত্যাগ করে বিশ্রাম নাও এবার শান্তিময়।
    বাতাস কখনও মেরুপর্বতকে বিচলিত করতে পারে না।
    তেমনই তোমার দ্বারা এই সন্ন্যাসীর তপোভঙ্গ হবে না। (১৩.৫৭)

    আগুনও হতে পারে শীতল কখনও বা,
    জল ছেড়ে দিতে পারে কখনও বা তার তারল্য,
    পৃথিবীও হয়ত কোনোদিন ছাড়লেও ছাড়তে পারে কাঠিন্য,
    তবু সিদ্ধার্থ পরিত্যাগ করবেন না তাঁর প্রতিজ্ঞা অবিচল,
    অনেক কল্প ধরে আচরিত শুভকর্মের দ্বারা অর্জিত তাঁর এই সংকল্প ভীষণ। (১৩.৫৮)

    এই তাঁর পরাক্রম, তাঁর তেজ, সর্বজীবে তাঁর এই অমেয় করুণা!
    সম্বোধি লাভ না করে তিনি উঠবেন না এ-আসন থেকে, জেনো সুনিশ্চিত।
    সূর্য যেমন অন্ধকার দূর না করে পূর্ব গগনে উদিত হন না কখনও। (১৩.৫৯)

    অরণি মন্থন করলে বেরিয়ে আসে আগুন,
    মৃত্তিকা খনন করলে জল,
    যাঁর এমন অধ্যবসায়, অপ্রাপ্য তাঁর নেই কিছুই;
    তাঁর পক্ষে সকলই প্রাপনীয়, সকলই সম্ভব। (১৩.৬০)

    রুগ্ন, বাসনাতাড়িত, আর্ত এই পৃথিবীর প্রতি করুণায়
    তিনিই ভিষগ, অশ্রান্ত চিত্তে তিনি খুঁজে চলেছেন প্রজ্ঞা-ঔষধ।
    তাঁর পথে অসম্ভব তোলা আজ বাধার প্রাচীর। (১৩.৬১)

    মহা অন্ধকারে সবাই যখন হারিয়ে গেছে চিহ্নহীন,
    ইনিই শুধু জ্ঞানপ্রদীপ দীপ্যমান,
    ঘোরা রজনীর বিবরে জুলমান একমাত্র এ প্রদীপ নেভানো যাবে না। (১৩.৬২)

    যে মহীরুহের শিকড় সুদৃঢ় সংকল্পে প্রোথিত,
    আঁশ যার ধৈর্য, চারিত্র্য যার পুষ্প,
    স্মৃতি আর বুদ্ধি যার প্রসারিত শাখা,
    ধর্মফলপ্রদাতা এই প্রবর্ধমান জ্ঞানবৃক্ষ,
    এর উৎপাটন জেনো একান্ত অসম্ভব। (১৩.৬৫)

    এই স্থান ধরিত্রীর নাভি,
    শ্রেষ্ঠ স্থানাঙ্ক এই, ধরার পরমতম ধাম,
    সারা পৃথিবীতে এমন আরেকটি স্থান নেই,
    সম্বোধিপ্রদেশ এই অমিতকল্যাণ।’ (১৩.৬৮)

    যুদ্ধে পরাস্ত হয়ে এই কথা শুনবার পর মারের কী হল?

    এই দেববাণী শুনে আর নিষ্কম্প মহামুনিকে দেখে
    হতাশ হতোদ্যম মার
    পৃথিবী কম্পনকারী সেই বিষাক্ত শরগুলি নিয়ে
    ফিরে গেল স্বলোকে তাহার। (১৩.৭০)

    যখন প্রস্থিত হল সেই পরাস্ত পাপাত্মা,
    আকাশ প্রসন্ন হল চারিদিকে,
    চাঁদ বেরিয়ে এল মেঘের আড়াল থেকে নিষ্কলুষ,
    স্বর্গ থেকে নামল কুসুমসম্পাত,
    আর নির্মেঘ কুমারীর মতো হল রাত্রিকাল। (১৩.৭৩)

    তারপর?

    ধীরতা আর সংযমের দ্বারা মারবিজয়ের পর
    পরমার্থজিজ্ঞাসায় ধ্যানকোবিদ
    ধ্যাননিবেশিত হলেন। (১৪.১)

    সর্ববিধ ধ্যানসিদ্ধ তাঁর অতঃপর
    রজনীর প্রথম প্রহরে
    মনে পড়ল অনর্গল একচিত্ততান
    পূর্বজন্মপরম্পরাকথা। (১৪.২)

    ‘এমন স্থানে এমন নামে আমি ছিলাম,
    সেখান থেকে চলে এসে
    আবার আমি এমন হলাম’–এমনিভাবে
    হাজার হাজার জন্মজোড়া পরিক্রমা পুনর্ভাবন। (১৪.৩)

    জন্ম ভেবে মৃত্যু ভেবে পুনর্জাত
    চক্রাকারে নিজের সাথে
    ঘুরছে সবাই। হৃদয় হল প্রণয়স্নাত
    সকল জীবের কারুণ্যফল ক্ষুধায় অন্ন তৃষায় সজল অনুদ্ধত। (১৪.৪)

    কলাগাছের কাণ্ড যেমন অসারগর্ভ
    তেমনই এই নিঃসারতা
    এ সংসারে—হাজার হাজার পরিক্রমা জন্মজোড়া
    জন্ম দিল এ-বোধ গাঢ় অভিজ্ঞতার (১৪.৬)

    রাত্রি তখন দ্বিতীয় যাম
    অদ্বিতীয় পরাক্রমে খুলল এবার দিব্যনয়ন;
    নিখিল ভুবন মালিন্যহীন মুকুর যেন
    আবর্তিত সকল জীবের জন্মমরণ
    উচ্চাবচ কর্মকেতন অনুবেদন
    খুলল দুয়ার কারুণ্যস্রোত মর্মরিত।

    রাত্রি তখন গভীর হল আলোলকেশ দ্বিতীয় যাম। (১৪.৭,৮,৯)

    ভদন্ত অশ্বঘোষ-প্রণীত ‘বুদ্ধচরিতম্’ কাব্যের নির্বাচিত
    শ্লোকাবলীর সন্মাত্রানন্দকৃত অনুবাদ ‘বুদ্ধকৈরবী’ সমাপ্ত

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপিঙ্গল আকাশ – শওকত আলী
    Next Article গাত্রহরিদ্রা – সমীরণ গুহ

    Related Articles

    সন্মাত্রানন্দ

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }