Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তোমাকে আমি ছুঁতে পারিনি – সন্মাত্রানন্দ

    সন্মাত্রানন্দ এক পাতা গল্প173 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২. কহিল মন্মথ মার

    ২. কহিল মন্মথ মার

    অলিন্দের ভিতর কালো ছায়া স্তম্ভিত হয়ে আছে। এমন নয় যে, আলো নেই। অলিন্দের ছাদ হতে স্থানে স্থানে ধাতব জিঞ্জির নেমে এসে দীপাধার ধারণ করে আছে। কিন্তু সে-সকল দীপের আলোক অন্ধকারকে দূরীভূত না করে যেন ঘনীভূতই করেছে। তুমি এই তমসানিগূঢ় অলিন্দ বেয়ে হেঁটে চলেছ, সিদ্ধার্থ।

    তুমি জানো না, এই অন্ধকারই আমি। তোমার পথকে আমিই মসিকৃষ্ণ করে রেখেছি। এখনও বলছি, যেয়ো না। তুমি আমার কথায় কর্ণপাতও করছ না। ছায়া হয়ে আমি তোমাকে ঘিরে ধরেছি। মণিকুট্টিমের উপর হামাগুড়ি দিয়ে শ্বাপদের মতো আমি তোমাকে পদে পদে বাধা দিচ্ছি। অলিন্দের আলিশার উপর একটি কালপেচক হয়ে আমি অশুভ সংকেতে ভরে দিলাম রাত্রির বিবর। তুমি উপেক্ষা করলে।

    দ্বিতলের অলিন্দ হতে সোপান বেয়ে নেমে আসছ তুমি। এমন সময় সহসা ঝড় উঠল। প্রবল বাত্যাঘাতে কেঁপে উঠল প্রদীপসমূহের বিশীর্ণ শিখা। তোমার রাজকীয় বস্ত্রের প্রান্তদেশ সেই বাতাসে প্রকম্পিত হল, উড়ে পড়ল তোমার উত্তরীয়। তুমি ভূক্ষেপও করলে না। তোমার কেশপাশ নিদারুণ প্রভঞ্জনে উড়ছে।

    সোপাননিম্নে মহার্ঘ বিলাসকক্ষ। স্থানে স্থানে দীপাধারে আলো জ্বলছে। কুট্টিমের ওপর কোমল গালিচায় তোমার পদপাত ডুবে গেল। এই প্রমোদভবন আজই সন্ধ্যায় জেগে উঠেছিল বর্ণে, সুরে, বিভঙ্গে। আজই সন্ধ্যায় তুমি নর্তকীদের নৃত্যগীত উপভোগ করেছিলে। শুধু সে-উপভোগে তোমার মন ছিল না।

    তুমি অন্যমনস্ক ভঙ্গিতে ভবনটির এক পার্শ্বে দৃষ্টিক্ষেপ করলে। একধারে সন্ধ্যার সেই নর্তকীরা নিদ্রিত হয়ে পড়ে আছে। তাদের অঙ্গে সন্ধ্যারই সেই পরিধান। কারও বসন বিগলিত, কারও নূপুর স্খলিত, কারও কঙ্কণ বাজুবন্ধ হতে বিচ্যুত। কেউ বা ঘুমের মধ্যে হাই তুলছে, কেউ মুখগহ্বর ব্যাদিত করে রেখেছে, ব্যাদিত সেই মুখ হতে কারও বা লালারস নিঃস্রাবিত হচ্ছে। আঃ সিদ্ধার্থ! তুমি ওদিকে দৃষ্টিপাত কোরো না। সুন্দরকে তার যথোচিত অবস্থায় দর্শন করতে হয়। অসময়ে অনবস্থায় তাকে দেখতে নেই। তুমি বরং সন্ধ্যাবেলার সেই শৃঙ্গারাঢ্যা সুন্দরীদের কথা মনে করো। এরা শুধু তোমার ভোগের জন্যই নির্মিত হয়েছে। ওহে সিদ্ধার্থ, সেইসব আশ্চর্য মদবিহ্বল কটাক্ষের কথা মনে পড়ে?

    ‘হাঁ, মনে পড়ে। সুন্দরীদের সেই কটাক্ষের পেছনে আছে শিরা-উপশিরার জটিলতা, স্নায়ুসংস্থান, মাংসপেশির আলোড়ন—মনে পড়ে বই-কি!’

    আহ্ নির্বোধ! অত গভীরে প্রবেশ কোরো না। মনে করো সেই উত্তুঙ্গ স্তনযুগ, সেই চন্দ্রাননা নর্তকীর দল, আলোড়িত জঘন হস্তীশিরের মতো সুবিপুল মসৃণ… মনে পড়ে সেইসব মুগ্ধ তনুরুচি?

    তুমি আত্মগত স্বরে নির্মোহ কণ্ঠে বললে, ‘সেই উত্তুঙ্গ স্তনযুগ আসলে দুটি মাংসগ্রন্থি ব্যতীত আর কিছু নয়, সেই চন্দ্রানন আসলে শ্লেষ্মার আগার মাত্র, আর সেই হস্তীশিরের ন্যায় অতিকায় জঘন সময়ে সময়ে স্রাবে, মূত্রে ক্লিন্ন হয়ে থাকে। এই নিন্দনীয় রূপ—শুধু কবিদের বর্ণনায় তার আতিশয্য। আমার এই নারীদের এখন প্রেতচ্ছায়ার মতো মনে হচ্ছে। দূষিত, পরিত্যক্ত, অপবিত্র মাংসের স্তূপ!

    এই বলে তুমি প্রমোদভবন পরিত্যাগ করে প্রাঙ্গণের মধ্যে এসে দাঁড়ালে। মাথার ওপর অন্ধকার আকাশ। কে যেন জগতের সমস্ত কালি দিয়ে আজ এ গগন পরিপ্লুত করে রেখেছে। প্রগাঢ় নৈঃশব্দ্য। তুমি মাথা তুললে আকাশে। ঝড়ের বাতাস বাদুড়ের ডানার মতো তোমার মুখের রেখায় তার অস্ফুট স্পর্শ বুলিয়ে দিয়ে গেল। বাতাসের শব্দ এসে ভেঙে দিয়ে গেল রাত্রির নীরবতা।

    তুমি সেই ঝড়ের স্বননের মধ্যে কান পেতে কী যেন শুনতে চাইলে। আমি অবাক হয়ে ভাবছিলাম, কী তোমার অন্বিষ্ট। কী কথা তুমি এখন শুনতে চাইছ। এমন সময় সেই প্রবল প্রভঞ্জনশব্দের ভিতর মনে হল কারা যেন গান গাইছে। গান গাইতে গাইতে আকাশ বেয়ে উড়ে চলেছে কারা! গানের সেই কথাগুলো আমারও কানে এসে প্রবেশ করল। আমি ভয় পেলাম। এই গীত আমার কাছে ভয়ংকর!

    আকাশপথে কারা যেন গাইছে :

    ‘কোথা হতে আমরা ভেসে আসি, কোথায় ভেসে যাই আমরা জানি না, আমরা শুধু বিশ্রাম চাই, আমরা শুধু শান্তি চাই… এই আমাদের শুধু ফিরে ফিরে আসা, মিছামিছি শুধু এই কাঁদাহাসা… এর কি কোনো শেষ নেই? কে আমাদের খেলায়? আমরাই বা সে-খেলায় কেন অংশ নিই? কী বিচিত্র কুহকে জেগেও ঘুমিয়ে থাকি…. এই রাত্রি কি প্রভাত হবে না আর?… উদ্ভ্রান্ত বাতাসের মতো আমাদের এই নিত্য ধাবমানতা… কে আমরা জানি না, জানি না কোথায় এসেছি, কেন এসেছি… কোথায় চলেছি… কত দেশে দেশে ভেসে ভেসে চলেছি… চারিদিকে কত জীবের কলরোল… যাতনার উদযাপন… এই আছে, এই নেই… কী কাজে আসা, কী কাজে জীবন অতিবাহিত হল… প্রবাহের বারিসদৃশ আমরা একস্থানে রইতে পারি না… কূলহারা নদীর মতো আমাদের লক্ষ্যহীন গতিবিধি… কেউ কি নেই যে আমাদের চেতনা দিতে পারে? কবে বিদূরিত হবে আমাদের এই মোহস্বপ্নের যাতায়াত…? হে চেতনার উদিতভানু, তুমি আমাদের এই অজ্ঞানের অন্ধকার নাশ করো…’

    গান শেষ হল। যারা আকাশপথে এ গান গাইছিল, তারা আকাশ বেয়েই কোথায় যেন হারিয়ে গেল। তুমি অন্ধকারে কিছুক্ষণ স্থির হয়ে রইলে, তারপর দীর্ঘনিশ্বাস পরিত্যাগ করে অশ্বশালার দিকে যাত্রা করলে।

    ‘ছন্দক! ছন্দক!’ চাপা স্বরে তুমি ডাকলে। কিছুক্ষণ ডাকার পর অন্ধকার আবাস হতে তন্দ্রাতুর ছন্দক বাহির হয়ে এল। চক্ষে তার নিদ্রাবেশ লেগে আছে। কিন্তু অল্প পরেই সেই স্বপ্নাচ্ছন্নতা ভেঙে গিয়ে তার মুখেচোখে বিস্ময়কাতরতা ফুটে উঠল। এত রাত্রে স্বয়ং রাজপুত্র তার মতো এক সামান্য সারথির অঙ্গনে উপস্থিত হয়েছেন! তবে কি এই নিশীথে আচম্বিতে কোনো বহিরাক্রমণকারীর দল রাজ্যের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে? এখনই যুদ্ধার্থে বহির্গত হতে হবে?

    ভয়বিহ্বল স্বরে ছন্দক প্রশ্ন করল, ‘রাজকুমার! আপনি, এত রাত্রে?’

    মন্দ্রস্বরে তুমি বলে উঠলে, ‘ছন্দক! আজ রাত্রে আমার সময় এসেছে। আমি এখনই আমার পিতার রাজ্য পরিত্যাগ করে চলে যাব।’

    ‘কী বললেন? না, না! আপনি আমার সঙ্গে পরিহাস করছেন, কুমার!

    ‘পরিহাস নয়, ছন্দক! আমার শ্বেত অশ্ব কণ্ঠককে এখনই প্রস্তুত করো। আমি সর্বস্ব ত্যাগ করে যাব।’

    ‘কিন্তু কেন, কুমার? কেন আপনার এই মতিভ্ৰম?‘

    ‘মতিভ্রম নয়, ছন্দক। এ আমার দীর্ঘ মননজাত সিদ্ধান্ত। আমি আর পারছি না। ওরা আমাকে প্রতি রাত্রে সংকেত পাঠাচ্ছে!’

    ‘কারা, কুমার? কাদের কথা আপনি বলছেন?’

    ‘শুনতে পাচ্ছ না? ভালো করে কান পেতে শোনো। এই সোনার প্রাসাদের গায়ে তাদের কান্নার শব্দ বাতাসের সঙ্গে মিশে আছড়ে পড়ছে। তারা বলছে, ত্রাণ করো, ত্রাণ করো। দুঃখ থেকে, শোক থেকে, মহাভয় থেকে আমাদের উদ্ধার করো। ওই, ওই তারা বলছে—

    চিরপ্রসুপ্তমিমং লোকং তমঃস্কন্ধাধিগুণ্ঠিতম্।
    ভবান্ প্রজ্ঞাপ্রদীপেন সমর্থঃ প্রতিবোধিতুম্।।—

    এই সমস্ত জগৎ অনন্তকাল অজ্ঞানের অন্ধকারে, মহাসুপ্তির অতলে ডুবে আছে। একমাত্র আপনিই আপনার হৃদয়স্থিত জ্ঞানদীপের আলোকে আমাদের ঘুম ভাঙাতে পারেন। শুনতে পাচ্ছ না, ছন্দক?’

    ছন্দক দু-পাশে মাথা নাড়ল। সে কিছুই শুনতে পাচ্ছে না। আর তখনই তার এই বিহ্বলতার সুযোগ নিয়ে আমি মার, তার কণ্ঠে প্রবেশ করলাম। হৃদয়ের সব ব্যাকুলতা নিংড়ে ছন্দকের কণ্ঠে আমি জাগালাম সকরুণ বিলাপ ও আর্তির স্বর।

    আমার দ্বারা আবিষ্ট ছন্দক করুণ কণ্ঠে বলতে লাগল, ‘কিন্তু কাল প্রভাতে আপনার গৃহত্যাগের সংবাদ পেয়ে আপনার পিতা মহারাজ শুদ্ধোদন কী প্রচণ্ড আঘাত পাবেন, একবারও কি ভেবেছেন, কুমার? আপনি এই রাজ্যের একমাত্র ভরসাস্থল। আপনি রাজ্যত্যাগ করে গেলে শুধু আপনার শিশুপুত্র রাহুলই নয়, আপনার প্রজারাও যে অনাথ হয়ে পড়বে! এই আঘাতে মহারাজ হয়তো মৃত্যুমুখে পতিত হবেন, হয়তো আপনার পালিকা মাতা গৌতমী কিংবা আপনার রাজ্ঞী যশোধরা শোকে প্রাণত্যাগ করবেন…’

    ‘জীবনের মহত্তম উদ্দেশ্য সাধনের জন্য যদি পিতামাতা, স্ত্রী-পুত্র পরিজন প্রাণত্যাগও করে, তাতেই বা কী? আমি মনঃস্থির করেছি, ছন্দক। তুমি অশ্ব প্ৰস্তুত করো। আজ কোনো বাধাই আমার কাছে আর বাধা নয়।’

    তোমার এই উত্তর শুনে আমিও কিছুক্ষণ বিহ্বল হয়ে গেলাম। মনে মনে তোমার প্রতিজ্ঞার কঠোরতাকে আমি অভিবাদন জানালাম। কিন্তু ওহে সিদ্ধার্থ! তুমি শেষ অবধি এই কঠোরতা বজায় রাখতে পারবে তো? আরে, কত দেখলাম! কত মুনিঋষির প্রতিজ্ঞায় আমি ছিদ্র করেছি, ফাটল ধরিয়েছি তাদের তপঃকঠিন প্রজ্ঞায়, তুমি তো সামান্য যুবক! আমি মার, আমি মূর্তিমান প্রলোভন, আমি মন্মথ মধুসারথি, আমি সেই চিরন্তন তপোভঙ্গকারী অনঙ্গ!

    ইতোমধ্যে নিতান্ত অনিচ্ছাসত্ত্বেও ছন্দক অশ্বশালা হতে শ্বেত অশ্ব কণ্ঠককে বাহির করে এনে তাতে লাগাম ও রেকাব পরিয়েছে। তুমি ছন্দকের দিকে তাকিয়ে বললে, ‘আজ আমিই অশ্বচালনা করব, ছন্দক! তুমি আমার পরে অশ্বারোহণ করো।’ এই বলে সেই অনিবার্য নিশীথে এক লম্ফে তুমি অশ্বারূঢ় হলে। ছন্দক তোমার পশ্চাতে উপবেশন করল।

    তারপর সে কী প্রচণ্ড গতি! সম্মুখে প্রাসাদের সুবৃহৎ দ্বার পড়ল। দ্বাররক্ষীরা সকলেই নিদ্রিত। আমি ভেবেছিলাম, রক্ষীদের জাগরিত করার প্রয়াসেই তুমুল আলোড়ন উপস্থিত হবে। এত রাত্রে সেই বিপুল প্রাসাদদ্বার উন্মোচিত করতে হলে যে তুমুল শব্দ হবে, তাতেই প্রাসাদের সকল নরনারী জেগে উঠবে; তোমার যাত্রায় অন্তরায় উপস্থিত হবে। আমি সেই সুযোগেই ছিলাম। কিন্তু হায়! আজ আমার সকল প্রয়াসই ব্যর্থ হয়ে চলেছে। কী এক অজ্ঞাত শক্তির প্রভাবে সেই বিপুলাকৃতি দ্বারকপাট নিঃশব্দে উন্মোচিত হল। নিদ্রিত রক্ষীরা জানতেও পারল না, রাজপুত্র প্রাসাদ পরিত্যাগ করে গেছেন।

    বিদ্যুৎবেগে অন্ধকারে ভিতর অশ্ব ধাবমান। তুমি আর ছন্দক ব্যতীত আরও একজন তৃতীয় ব্যক্তি যে এই অশ্বেই তোমারই সঙ্গে চলেছে, তুমি তা জানতে পারোনি, কুমার সিদ্ধার্থ! সে ব্যক্তি আমি—তোমার অভিন্নহৃদয় অদৃশ্য মিত্র মার!

    ঘোরা রজনী! অশ্বপদতলনিম্নে সরে যাচ্ছে মাঠ, ঘাট, নগরী, গ্রাম, অটবি, বিতান… রাত্রির তমসায় চরাচর নিঃসুপ্ত, কোনো কোনো গ্রামদেশে গৃহস্থের বহিরাঙ্গনে শ্বাপদনিবারক হুতাশন প্রজ্বলিত রয়েছে… কোথাও গ্রামপ্রান্তে বটবৃক্ষতলে কোনো সন্ন্যাসী ধুনির আগুন জ্বেলে সেই প্রজ্জ্বলিত পাবকের সম্মুখে গভীর ধ্যানে নিবিষ্ট হয়ে আছেন… কোথাও পত্রপুষ্পহীন শাখাসর্বস্ব শমীবৃক্ষের শিরোদেশে শেষ রাত্রির চন্দ্রমা একাকী উদিত হচ্ছেন, কোথাও স্থির পুষ্করিণীর জলতলের ওপর বৃক্ষচ্যুত কোনো পত্র অলস ভঙ্গিমায় নেমে আসছে… কোথাও শস্যহীন ক্ষেত্র উদার ধূসর হয়ে পৃথিবীর করোটির মতো জেগে আছে… কোথাও শ্মশানে চিতা জ্বলছে, চিতাগ্নির চারিপাশে শবলুব্ধ শ্বাপদসমূহ গুঁড়ি মেরে এগিয়ে আসছে… রাত্রির চিত্রসম্ভার চক্ষের সম্মুখে পটচিত্রের মতো আবর্তিত হচ্ছে…

    কিন্তু সেদিকে দৃষ্টিপাত না করে আমি তোমাকে অবলোকন করছিলাম, সিদ্ধার্থ! দুই হস্তে তুমি অশ্বের লাগাম সবলে ধরে আছ! তোমার বাহুতে প্রচণ্ড ক্ষাত্রশক্তি খেলা করছে। কণ্ঠক অশ্ব দুরন্ত ঝড়ের মত ধাবমান, তার উন্মুক্ত মুখগহ্বর শ্বেত- ফেনিল হয়ে উঠেছে। তোমার দৃষ্টি নীল রাত্রির মতো আয়ত, স্থির। আমি এখনও তোমাকে বলছি, সিদ্ধার্থ, একবার ফিরে যাবে কিনা, ভেবে দ্যাখো। কিন্তু আমার পরামর্শ তোমার কর্ণে প্রবেশ করছে না। সেটা স্বাভাবিক। এ তোমার প্রথম বৈরাগ্য, সত্যের প্রতি প্রথম অনুরাগ। এখন আমার কথা তোমার কানে ঢুকবে না। আমাকে এখন অপেক্ষা করতে হবে। নিশ্চয়ই অল্পদিন পর তোমার এ বৈরাগ্য শিথিল হবে, কে আর চিরকাল দুরন্ত অশ্বের লাগাম শক্ত হাতে ধরে রাখতে পারে? সেই শিথিল বৈরাগ্যের ফাঁক দিয়েই আমি সেদিন তোমার অন্তরে প্রবেশ করব। তোমাকে সংসারের পথে পুনরায় ফিরিয়ে আনার প্রয়াস আমি সেদিন করব, কুমার! এখন আমার শুধু সেই অতর্কিত মুহূর্তের অপেক্ষা!

    সে-রাত্রি প্রভাত হল। সূর্যের দীপ্তি প্রথমে কোমল, পরে প্রখর হয়ে উঠল। ছন্দকের হস্তধৃত বর্ষায় সূর্যের আলোক ঝিকিয়ে উঠতে লাগল। সমস্ত দিনমান তুমি অশ্বচালনা করে দিনান্তে এক নদীর ধারে অবতীর্ণ হলে। এই নদী—অনোমা— স্বচ্ছসলিলভারে আপূর্যমানা—মন্দ মন্দ বেগে সম্মুখে প্রবাহিত হয়ে চলেছে।

    কিন্তু এ কী? এ তুমি কী করছ, সিদ্ধার্থ? কটিদেশ হতে তরবারি নিষ্কাশিত করে নিজ কেশকলাপ ছেদন করছ? আহা, অমন কমনীয় কুন্তল মুণ্ডন করে এ তোমার কী প্রকারের তৃপ্তি? ওই কেশরাশি যে গোপার কত প্রিয় ছিল, কত আনন্দসন্ধ্যায় তোমার সুন্দর মুখের চারিপাশে তারা প্রেমচ্ছন্দে আন্দোলিত হত— সেসব তুমি কর্তন করে ফেললে?

    অনোমা নদীর তীরে এক শ্মশান ছিল; তারই একপাশে ভূমির ওপর মৃত কোনো ব্যক্তির জীর্ণ পাণ্ডুর বসন পড়ে ছিল। মৃতের সেই ছিন্নবাস পরিধান করে তুমি রাজকীয় বেশ পরিত্যাগ করলে। তারপর সেই রাজবেশ, কুণ্ডলাদি অলংকার, কর্তিত কেশগুচ্ছ, তরবারি—সমস্ত রাজকীয় চিহ্ন রোরুদ্যমান ছন্দকের হাতে তুলে দিয়ে বললে, ‘এবার তুমি ফিরে যাও, ছন্দক! পিতাকে এইসব চিহ্ন প্রত্যর্পণ করে বোলো, আমি চিরতরে গৃহস্থাশ্রম পরিত্যাগ করে প্রব্রজিত সন্ন্যাসী হয়েছি।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপিঙ্গল আকাশ – শওকত আলী
    Next Article গাত্রহরিদ্রা – সমীরণ গুহ

    Related Articles

    সন্মাত্রানন্দ

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }