Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    Ek Pata Golpo সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প178 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নিরুদ্দেশের দেশে – ১২

    ১২

    অত দূরে যাওয়ার কোনো দরকার ছিল না। বস্তুত মাদলের বাজনা শুনে আমাদের না গেলেও চলত! বন্দনাদি নিজেই বলল, আজ আর যেতে ইচ্ছে করছে না, বড্ড টায়ার্ড লাগছে, খিদেও পেয়েছে। রোজ রোজ মিটিং ভালো লাগে না। আজকের মিটিং–এ কী হলো কাল অন্যদের কাছে শুনে নিলেই হবে।

    বসন্ত রাও আর রোহিলা ফিরে আসার পর নুন–টুন মিশিয়ে আমরা যখন খেতে বসেছি, তখনও মাদলের ধ্বনি পরিষ্কার শোনা যাচ্ছে।

    জয়দীপ বলল, এতক্ষণ যখন বাজছে, তাহলে খুবই জরুরি মিটিং বলে মনে হয়। খাওয়ার পরে একটু হাঁটা ভালো। চলো না যাই।

    হাঁটতে আমারও আপত্তি নেই। দিনের বেলার গরমটা এখন কমে গেছে। পরিষ্কার আকাশ, হাওয়া দিচ্ছে মৃদুমন্দ। অন্তরীক্ষে জেগে উঠল একটা ধাতব আওয়াজ, তারপর একটা বিমান উড়ে গেল মাথার উপর দিয়ে। অদ্ভুত বেমানান লাগল এই ব্যাপারটা। দিকশূন্যপুরে একটা সাইকেল পর্যন্ত চলে না, অথচ সেখানেও মাথার ওপর দিয়ে প্লেন যায়, মনে হলো যেন অন্য কোনো গ্রহ থেকে এসেছে।

    বিমানের শব্দ মিলিয়ে যাবার পর আবার মাদলের শব্দ শুনতে পাওয়া যায়। আমরা সেই শব্দ অনুসরণ করে হাঁটি। কেউ বিপদে পড়লে তো এতক্ষণ মাদল বাজাবে না! কালকের মিটিংয়ের বাজনাও এর থেকে কম সময় বেজেছিল।

    বন্দনাদির বাড়ির টিলাটার পাশ দিয়ে যেতে যেতে আমার একটা কথা মনে পড়ল। আমি বললুম, বন্দনাদি, আজ বাড়ি ফিরে যদি একটি নতুন অতিথি দেখতে পাও, তাহলে চমকে যেও না!

    বন্দনাদি এখনই চমকে গিয়ে বলল, সে কি রে? আবার কোন্ নতুন অতিথি?

    আমি বললুম, একটা বুনো খরগোশ। তার পায়ে একটু চোট লেগেছে বলে দৌড়তে পারছে না। রাত্তিরে বোধহয় তোমার ঘরেই শোবে।

    –কোথা থেকে এলো রে ওটা?

    —আজ দুপুরে পিউ নামে একটি মেয়ে এসে দিয়ে গেল।

    —পিউ এসেছিল? এতক্ষণ বলিসনি কেন? তোর সঙ্গে পিউ–এর আলাপ হলো, তুই ওকে নিয়ে এলি না কেন আমাদের কাছে? নীলু, তুই যে এত বে–রসিক হয়ে গেছিস তা তো জানতুম না!

    —ঠিক আলাপ হলো কোথায়? মেয়েটা কীরকম যেন কাটা কাটা কথা বলে।

    —ও ঐরকমই। আমার পিউকে খুব ভালো লাগে। ও কোনো রকম নিয়মের মধ্যে পড়ে না। তবে ওকে বেশি দেখা যায় না। কোথায় যে লুকিয়ে থাকে।

    বসন্ত রাও বলল, পিউ? নাম শুনিনি তো আগে। আমি মেয়েটিকে চিনতে চাই।

    রোহিলা হেসে উঠে বলল, কী মজার কথা! চিনতে চাই! আমরা বলি দেখতে চাই। আগে দেখা, তার পরে তো চেনা।

    বসন্ত রাও বলল, আমি সংক্ষেপে বলি!

    রাস্তার বিপরীত দিক থেকে দু’জন মানুষ হেঁটে আসছে। বসন্ত রাওয়ের চেনা। বসন্ত রাও এগিয়ে গিয়ে জিজ্ঞেস করল, তোমরা কি মিটিং থেকে আসছ?

    লোক দুটি আমাদের দলটিকে দেখল। তারপর একজন নিম্ন স্বরে বলল, মিটিং নয়, জ্যোৎস্নার বাড়িতে সবাইকে ডাকছে। তোমরা যদি পার তো কিছু ফুল নিয়ে যাও।

    — নীহারদা?

    —হ্যাঁ।

    লোক দুটি চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জয়দীপ বলল, আমি যাব না!

    রোহিলা বলল, আমিও যাব না!

    আমরা কিছুক্ষণ নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে রইলাম। মৃত্যুর বাড়িতে যাওয়ার ইচ্ছে আমারও নেই।

    বন্দনাদি বলল, একজন চলে গেল, আর আজই নতুন একজন এলো আমাদের মধ্যে। প্রকৃতি সব জায়গাতেই ভারসাম্য বজায় রাখে।

    বসন্ত রাও বলল, মৃত্যুতেই নীহারদা বেশি গ্লোরিফায়েড হলেন। এরপর অসুস্থ, অথর্ব হয়ে বেঁচে থাকা ওঁকে মানাত না। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত উনি জীবনকে ভালবেসে জীবনকে ছেড়ে চলে গেলেন।

    বন্দনাদি বলল, তাহলে কী হবে, জয়দীপরা যে যেতে চাইছে না!

    জয়দীপ আবার জোর দিয়ে বলল, আমি যাব না!

    বসন্ত রাও বলল, এক কাজ করা যাক। চলো, আমরা আরও খানিকটা এগোই। তারপর তোমরা এক জায়গায় অপেক্ষা করবে। আমি আর বন্দনা গিয়ে খানিকটা ফুল দিয়ে আসব।

    এখন ফুল পাওয়া যাবে কোথায়? একটা তে–মাথার মোড়ে সকালবেলা একটা কাঠচাপা গাছে কিছু ফুল ফুটে থাকতে দেখেছিলাম। জয়দীপ বলল, গির্জার বাগানে অনেক ফুল ফুটে থাকে। কিন্তু গির্জাটা এখান থেকে উল্টো দিকে। বেশ দূর।

    দু’ পাশের রাস্তা দেখতে দেখতে আমরা এগোলাম। এক জায়গায় কিছু জিপসি ফুল পাওয়া গেল, তাই–ই যথেষ্ট।

    আমরা একটা ফাঁকা জায়গা দেখে বসে পড়লুম, বসন্ত রাও আর বন্দনাদি চলে গেল জ্যোৎস্নার বাড়িতে।

    জয়দীপ নিঃশব্দ। রোহিলা একটা গাছের শুকনো ডাল দিয়ে ছবি আঁকছে মাটিতে। আবছা আবছা অন্ধকারে ছবিটা দেখা যায় না। আমরা যেন তিন দেশের তিনটি মানুষ, পরস্পরের ভাষা জানি না।

    একসঙ্গে চার–পাঁচজন লোক হেঁটে আসছে এদিকে। জ্যোৎস্নার বাড়ি থেকেই ফিরছে মনে হয়। আমাদের পাশ দিয়ে যেতে যেতে তাদের মধ্যে একজন থমকে দাঁড়াল। তাকে দেখেই ধক্ করে উঠল আমার বুকের ভেতরটা।

    লোকটিকে দেখে আমি ভয় পাইনি। আমার আশঙ্কা হলো এবার একটা কিছু ঘটবে। এই সন্ধেবেলার শান্তি নষ্ট হবে।

    এই সেই সকালের টাকমাথা লোকটি। এক দৃষ্টিতে দেখছে রোহিলাকে। জয়দীপ চোখাচোখি করল আমার সঙ্গে। আমার প্রতিটি স্নায়ু সজাগ। লোকটি কোনো অসভ্যতা করলে তার উচিত শিক্ষা দিতে আমরা বাধ্য। একটি নারীকে কেন্দ্র করে পুরুষমানুষদের মারামারি অতি বিশ্রী ব্যাপার, কিন্তু অন্য কোনো উপায়ও তো নেই

    রোহিলা একবার চোখ তুলে লোকটিকে দেখল, তারপর আবার ছবি এঁকে যেতে লাগল একমনে। আগের ছবিটা হাত দিয়ে মুছে দিয়ে অন্য ছবি।

    লোকটি দাঁড়িয়ে আছে কিন্তু কোনো কথা বলছে না। ও কিছু খারাপ ব্যবহার না করলে তো আমরা প্রতিবাদ করতে পারি না। রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা অপরাধ নয়।

    একবার মনে হলো, লোকটি বোধহয় অনুতপ্ত, সকালের ব্যবহারের জন্য ক্ষমা চাইতে এসেছে। সেটা হলেই তো চুকেবুকে যায়। ক্ষমা করতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু লোকটি সে কথা বলছে না কেন?

    কোনো কথা না বলে লোকটি আমাদের থেকে খানিকটা দূরত্ব রেখে বসে পড়ল। এক্ষেত্রেও আমরা ওকে নিষেধ করতে পারি না। জয়দীপ সকালবেলা ওর সঙ্গে কথা বলেছিল, সে তো এখন জিজ্ঞেস করতে পারে লোকটিকে যে কী ব্যাপার।? কিন্তু জয়দীপ গাম্ভীর্যের মুখোশটা খুলতে রাজি নয়।

    এ তো মহাজ্বালা! একটা লোক যাকে আমরা পছন্দ করি না, সে আমাদের কাছে এসে বসে রইল, সেও কোনো কথা বলছে না, আমরাও কোনো কথা বলছি না।

    ধুলোর ওপর আঁকা ছবিটা আবার মুছে দিয়ে রোহিলা হঠাৎ আমাকে জিজ্ঞেস করল, নীললোহিত, তুমি সত্যিই তাজমহলের বারান্দায় সারা রাত শুয়েছিলে?

    বুঝলুম, ও অন্য প্রসঙ্গে মন ফেরাতে চায়।

    –হ্যাঁ, রোহিলা, সত্যি শুয়েছিলুম একরার। আর একবার খাজুরাহো মন্দিরের চত্বরে।

    -খাজুরাহো, সে তো অনেক দূর!

    —হ্যাঁ, দূর মানে, সেটা নির্ভর করে কোথা থেকে। জব্বলপুর থেকে বেশি দূর নয়। তুমি খাজুরাহো দেখনি?

    —নাম শুনেছি, দেখিনি। আমি তো অনেক কিছুই দেখিনি। তুমি কি এইসব জায়গায় একলা যাও?

    –একলা না গেলে কল্পনাশক্তি খোলে না। জানো, খাজুরাহো মন্দিরের চত্বরে শুয়ে…মাঝ রাত্তিরে, সে রাতে খুব জ্যোৎস্না ছিল, হঠাৎ আমি ঘুঙুরের শব্দ শুনতে পেয়েছিলুম। এদিক তাকাই, ওদিক তাকাই কিছু দেখতে পাই না, তবু স্পষ্ট ঘুঙুরের শব্দ, যেন পাথরের মূর্তিগুলো নাচছে। আমি রাজা, চতুর্দিকে সব রাজনর্তকী!

    –সত্যি না হলেও সুন্দর।

    –সে রাতে আমার সত্যি মনে হয়েছিল। সঙ্গে অন্য কেউ থাকলে এটা শোনা যেত না, আমরা নিজেদের মধ্যে গল্প করতুম!

    —নীললোহিত, তুমি অনেক ভালোবাসা পেয়েছ, তাই না?

    –আমি ভালোবেসেছি। কতটা পেয়েছি তা জানি না।

    —ভালোবাসা পেতে হলে আগে ভালোবাসতে হয়। ঠিক, ঠিকই তো। তুমি আমাকে শেখাবে কী করে ভালোবাসতে হয়?

    আমি আড়চোখে লোকটির দিকে তাকালুম। তার কোনো প্রতিক্রিয়া নেই, এদিকে চেয়ে বসে আছে নিঃশব্দে। হয়তো ওকে ডেকে নিলে ও আমাদের বন্ধু হতে চাইবে। কিন্তু আমার মনের ভেতর থেকে রাগ যায়নি, ও ক্ষমা না চাইলে নিজে থেকে আমি ওকে ডাকতে পারব না।

    রাস্তা দিয়ে আরো মানুষজন যাচ্ছে। অনেকেই ফিরে ফিরে দেখছে আমাদের, কিন্তু কেউ থামছে না। মাদলটা এখনো বেজেই চলেছে খুব ঢিমে লয়ে। এখন বোঝা যায়, ওর মধ্যে একটা শোকের শব্দ আছে।

    বন্দনাদি আর বসন্ত রাও ফিরে এলো একটু বাদে।

    ওঃ। অসাধারণ এখানকার মানুষদের সংযম। ওরা দু’জন টাক–মাথা মানুষটিকে দেখল, অবাক হলো, কিন্তু একটি প্রশ্নও জিজ্ঞেস করল না। ওর উপস্থিতি অগ্রাহ্য করল একেবারে।

    বসন্ত রাও বলল, তোমরা গেলে পারতে। এমন তৃপ্ত কোনো মৃত মানুষের মুখ আমি ইহজীবনে দেখিনি। নীহারদার ঠোটে এখনো হাসি লেগে আছে। এটা দেখাও একটা অভিজ্ঞতা।

    বন্দনাদি বলল, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত জ্ঞান ছিল, কথাও বলেছেন। সব সময় জ্যোৎস্নার হাত ধরেছিলেন আর বলছিলেন, জ্যোৎস্না–তোমাকে আমি কী দিয়ে যাব, কী দিয়ে যাব? আমার যে কিছুই নেই, তবু তোমাকে অনেক কিছু দিয়ে যেতে ইচ্ছে করছে।

    আমি বললুম, বসন্ত রাও, সকালে তুমি যে কবিতাটা শোনালে, তাতেও তো এই কথাই ছিল।

    বন্দনাদি বলল, জ্যোৎস্নাকে ঠিক বিধবার মতন দেখাচ্ছে। অথচ জ্যোৎস্নার সঙ্গে ওর মাত্র একদিনের সম্পর্ক। তোমারও তাই মনে হয়নি, বসন্ত রাও?

    —ঠিক বলেছ। জ্যোৎস্নাকে দেখাচ্ছিল বিধবার মতন সাদা। দ্যাখো, এক ঘণ্টা বা একদিনের ভালোবাসাও চিরকালীন হতে পারে। ব্রাউনিং–এর সেই কবিতার লাইনটা মনে পড়ে, আউট অব অল ইয়োর লাইফ, গীভ মি বাট আ সিঙ্গল মোমেন্ট!

    জয়দীপ উঠে দাঁড়িয়ে বলল, আমরা এবার যাব?

    বন্দনাদি বলল, নীহারদা বলে গেছেন,ওঁকে পোড়ান হবে না বা কবরও দেওয়া হবে না। নদীর জলে ডুবিয়ে দেওয়া হবে। সে ব্যবস্থা করবার অনেক লোক আছে, আমাদের আর থাকবার দরকার নেই।

    টাক–মাথা লোকটিও উঠে দাঁড়িয়েছে। আমরা হাঁটতে শুরু করতেই সে হন হন করে চলে গেল উল্টো দিকে।

    খানিকটা এগোবার পর বন্দনাদি জিজ্ঞেস করল, ঐ লোকটি কি এখন রোহিলার সঙ্গে কোনো খারাপ ব্যবহার করেছে?

    আমি বন্দনাদির পিঠ ছুঁয়ে বললুম, এ কী বিস্ময়, হে দেবী, আপনারও সামান্য মানবীর মতন কৌতূহল আছে?

    বন্দনাদি বলল, একটা কথা শুনলে তোরা অবাক হয়ে যাবি। জ্যোৎস্নার বাড়িতে আমি গিয়ে দেখি ঐ লোকটা নীহারদার পা ছুঁয়ে প্রণাম করছে। অথচ নীহারদার সঙ্গে ওর নিশ্চয়ই তেমন ঘনিষ্ঠতা ছিল না। নীহারদার বাড়ি ছিল আমার বাড়ির কাছাকাছি, কিন্তু সেখানে ওকে কোনোদিন দেখিনি।

    এতক্ষণের গাম্ভীর্য ভেঙে জয়দীপ বলল, সত্যি? প্রণাম করল নীহারদাকে?

    বন্দনাদি বলল, হ্যাঁ, আমি নিজে দেখলাম। তুমি লক্ষ করনি, বসন্ত রাও?

    বসন্ত রাও বলল, আমি তখন জ্যোৎস্নার সঙ্গে কথা বলছিলাম। ওকে বেরিয়ে যেতে দেখলাম যেন!

    আমি বললুম, বন্দনাদি, তুমি এসে লোকটির সঙ্গে কথা বললেই তো পারতে!

    বন্দনাদি বলল, আমি আশা করেছিলাম ও নিজে থেকেই কিছু বলবে। সেইজন্য কিছু বলা হলো না।

    আমি বললুম, দু’ পক্ষেরই না–বলার জন্য যে পৃথিবীতে কত জিনিসের মীমাংসা হয় না।

    বন্দনাদি রোহিলার কাঁধে হাত রেখে বলল, কী হয়েছে তোমার, রোহিলা? মন খারাপ লাগছে?

    রোহিলা বলল, আমার কিচ্ছু হয়নি, বন্দনাদি। আমি ঠিক আছি। ঐ লোকটির কথা আমি একটুও চিন্তা করছি না, কারণ ওকে আমার মনে নেই।

    –তা হলে তো আর কোনো কথাই নেই। আমরা শুধু শুধু তবে ওর কথা ভাবছি কেন?

    একটু পর বিদায় নিয়ে চলে গেল বসন্ত রাও, তার বাড়ি অন্য দিকে। রোহিলা জিজ্ঞেস করল, আমি কী করব?

    বন্দনাদি বলল, তুমিও বাড়ি চলে যাও। নীহারদার কথা বারবার মনে পড়ছে, আজ আর আড্ডা জমবে না। একলা ফিরতে তোমার ভয় করবে না তো?

    রোহিলা অদ্ভুত ভাবে হেসে বলল, আমি মানুষকে ভয় পাই না! এখানে আসার পর আমার একটুও ভয় করে না!

    বন্দনাদি বলল, তবু জয়দীপ তোমাকে খানিকটা এগিয়ে দিয়ে আসুক। জয়দীপ, তুমি যাবে ওর সঙ্গে?

    জয়দীপ মাথা হেলিয়ে সম্মতি জানাল।

    রোহিলা আমার দিকে ফিরে বলল, সু–নিশি, নীললোহিত! কাল দেখা হবে।

    জয়দীপ বলল, কাল দেখা হবে।

    ওরা বেঁকে গেল ডান দিকের রাস্তায়। আমরা একটুখানি দাঁড়িয়ে ওদের দেখলুম। জয়দীপ রোহিলার একটা হাত ধরেছে। জয়দীপ বন্দনাদির ভক্ত, অথচ বন্দনাদি কত সহজে তাকে অন্য নারীর সঙ্গে চলে যেতে দিল।

    টিলার কাছে এসে বন্দনাদি বলল, তুই এখান থেকে চিনে তোর বাড়িতে যেতে পারবি, নীলু?

    আমি বললুম, কেন পারব না? তোমার ক্লান্ত লাগছে? তোমাকে আর আসতে হবে না!

    বন্দনাদি বলল, তুই ঠিক থাকতে পারবি তো নীলু? প্রথম রাতটা খুব ছটফটানি লাগে। অবশ্য, তুই তো একেবারে নতুন না, তবু, সব কিছু ছেড়ে আসার চিন্তা।

    আমার কোনো অসুবিধে হবে না, বন্দনাদি।

    —নীলু, তুই থেকে যেতে রাজি হলি কেন রে?

    —তোমার জন্য! শুধু তোমার জন্য!

    –তুই কী সুন্দর করে মিথ্যে কথা বলতে পারিস!

    আমাকে দু’হাত মেলে জড়িয়ে ধরে গালে গাল ঠেকাল বন্দনাদি। আস্তে আস্তে বলল, আজ রাত্তিরটা লক্ষ্মীছেলের মতন ঘুমিয়ে থাক। কাল তোকে একটা চুমু দেব। কাল সকালে আমি তোর বাড়িতে চা খেতে যাব!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Next Article ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }