Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    Ek Pata Golpo সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প178 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নিরুদ্দেশের দেশে – ২

    ২

    স্টেশন থেকে নেমে সাইকেল রিক্সা। স্টেশনটি অতি নগণ্য, কিছুই নেই বলতে গেলে, প্রায় কেউ নাম জানে না। কাছাকাছি দুটো কারখানা আছে বলে এখানে দু’একটা ট্রেন থামে। সাইকেল রিক্সায় মিনিট পনেরো গেলে হাইওয়ে। এ রাস্তায় বাস চলে না। তবে ট্রাকগুলোকে হাত দেখালে থামে, দু’পাঁচ টাকা দিলে কিছু দূর নিয়ে যায়।

    প্রায় এগারো মাইল দূরে একটা ছোট জঙ্গলমাখা টিলার পাদদেশে আমি নেমে পড়লুম ট্রাক থেকে। ছ’টাকা ও তিনটি সিগারেট খরচ হয়েছে।

    এবারে জঙ্গলের মধ্য দিয়ে হাঁটা পথ। ঝকঝকে পরিচ্ছন্ন দিন, গরম নেই বলতে গেলে, এরকম সময়ে হাঁটতে ভালো লাগে। আমার কাঁধে শুধু একটা ঝোলা কাপড়ের ব্যাগ। এগুলোকে শান্তিনিকেতনী ব্যাগ বলে। এক সময় বহুরূপী–দলের ‘পথিক’ নামের একটা নাটক বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল। পরে সেই নাটকটি সিনেমা ও হয়। তাতে শম্ভু মিত্রকে সব সময় কাঁধে এইরকম একটা ব্যাগ নিয়ে ঘুরতে দেখা গিয়েছিল। তখন এর নাম হয়ে যায় পথিক ব্যাগ। বেশ চালু হয়ে গিয়েছিল নামটা, কিন্তু বেশিদিন টেকেনি।

    শান্তিনিকেতন নয়, আমি এই ব্যাগটা কিনেছিলুম রাজারহাট–বিষ্ণুপুর থেকে। ব্যাগ থেকে একটা বাঁশি বার করে ফুঁ দিলুম।

    আমি বাঁশি বাজাতে পারি না। আমার এক মামা বাঁশি বাজাতেন এবং তিনি টি বি–তে মারা গিয়েছিলেন। সে বহুকাল আগেকার কথা। বোধহয় আমার জন্মের আগের। কিন্তু সেই থেকে আমার বাড়ির লোকদের ধারণা, বাঁশি বাজালে যক্ষ্মা হয়।

    বাড়িতে তো বাজাতে পারি না, তাই দিকশূন্যপুরে যাওয়ার এই জঙ্গলের রাস্তাটায় আমি বাঁশি প্র্যাকটিস করি। বেসুরো হলেও এখানে তো ভুল ধরবার কেউ নেই।

    আগেরবার এই পথে একটা সাপ দেখতে পেয়েছিলুম। কোটা কী জাতের সাপ আমি চিনি না। সাপ দেখলেই আমার গা শিরশির করে। ভেবেছিলুম আমার বাঁশি শুনেই আকৃষ্ট হয়ে সে গর্ত থেকে বেরিয়ে এসেছে। ভয়ে হাত পা কাঁপলেও আমি বাঁশি বাজাতে বাজাতেই দ্রুত পার হয়ে গেছি সে জায়গাটা।

    পরে অবশ্য বই পড়ে জেনেছি যে বাঁশির সুর শুনে সাপেদের মুগ্ধ হওয়ার ব্যাপারটা একেবারে গাঁজাখুরি। সাপেদের নাকি কান নামের বস্তুটাই নেই। সাপুড়েরা বাঁশি বাজাবার সময় দু’দিকে হাত নাড়ে, সেই দেখে দেখে সাপ মাথা দোলায়। অর্থাৎ রবীন্দ্রসঙ্গীতের একটা লাইন ঈষৎ বদলে নিয়ে বলা যায়, “তারে কানে শুনিনি, শুধু বাঁশি দেখেছি!”

    চতুর্দিকে তন্নতন্ন চোখে চেয়ে চেয়ে হাঁটছি। এই জঙ্গলে ময়ূরও আছে শুনেছি। এবারে একটা ময়ূর দেখতে পেলে মন্দ হয় না। গাছের পাতার ফাঁক দিয়ে টুকরো টুকরো আকাশ। শাল, সেগুন আর আকাশমণি গাছই বেশি। যে– দিকটায় শাল সেদিকটা বেশ পরিষ্কার তকতকে, সেগুনের বড় বড় পাতার জন্য সেদিকটা ভিজে ভিজে আলো–ছায়াময়। কিছু কিছু গাছ চিনি না। এ জঙ্গলে এখনো কাঠ–চোরদের উপদ্রব শুরু হয়নি।

    পথ সংক্ষেপ করবার জন্য একটা টিলার ওপর উঠতে হয়। কাছাকাছি অন্যান্য টিলার মধ্যে থেকে এই বিশেষ টিলাটি আমি চিনে রেখেছি একটি শিমূল গাছ দিয়ে। বনস্পতির মতন তার মাথা সব গাছ ছাড়িয়ে। তার গুঁড়িতে কে যেন কবে একটা আধ–ফালি চাঁদ এঁকে রেখেছে।

    কঠিন গ্রানাইট নয়, ঝুরো ঝুরো লাল পাথরের সেই টিলাটির ওপর উঠে আসতে দেরি লাগে না। তখনই চোখে পড়ে দিকশূন্যপূর। গাছপালার ফাঁকে–ফাঁকে ছোট ছোট বাড়ি। চোখ জুড়িয়ে গেলেও বুকটা আকুলি বিকুলি করে, মনে হয় আর দেরি করতে পারছি না, পাখির মতন উড়ে যাই।

    কোনো অপ্সরীর ভুল করে ফেলে যাওয়া অলংকারের মতন নিঃশব্দে পড়ে আছে নদীটা, ওর নামও চন্দ্রহার। এই বর্ষায় কিছুটা জল হয়েছে। নদী কি তার গর্ভের নাম না জলের নাম? সুবর্ণরেখায় যখন একটুও জল থাকে না, তখনও তো তার নাম সুবর্ণরেখা।

    টিলার এদিকটা বড় খাড়াই, পা টিপে টিপে নামতে হয়। কাঁটা ঝোপ। কয়েক রকম ক্যাকটাসও আছে এখানে, কিন্তু একটাতেও ফুল ফোটেনি। কোনো একটা ঝোপের মধ্যে সরসর শব্দ হতেই থমকে দাঁড়ালুম। বাঁশি আগেই ব্যাগে ভরে রেখেছি, সেই সাপটা নাকি?

    সাপ নয়, একটা ধূসর রঙের বেজি। তার গায়ে সিল্কের মসৃণতা। তার শরীর বিভঙ্গ যেন চিত্রার্পিত – গতি।

    ঝোপ থেকে বেরিয়ে বেজিটা আমার দিকে ফিরে একদৃষ্টে চেয়ে রইল।

    আমি কুর্নিশ জানিয়ে বললুম, ওহে, নকুল, তুমি কি দ্বাররক্ষী? আমি পরিচিত মানুষ, আমায় যেতে দাও!

    বেজিটি তবু নড়ে না। মনে হয় যেন সে আমার কাছ থেকে পাস ওয়ার্ড বা মন্ত্রগুপ্তি শুনতে চায়।

    আমি গলা ফুলিয়ে, ভাবগম্ভীর স্বর আনার চেষ্টা করে বললুম, স্বস্তি ন ইন্দ্ৰো বৃদ্ধশ্রবাঃ স্বস্তি নঃ পূষা বিশ্ববেদাঃ…।

    ঠিক শূন্যে উড়ে যাবার ভঙ্গি করে বেজিটা স্যাৎ করে মিলিয়ে গেল পাশের ঝোপে। এমন মনে করা যেতে পারে যে আমার কথা শুনেই সে পথ ছেড়ে দিল। যা তা কথা তো বলিনি, একেবারে বেদবাক্য ঝেড়ে দিয়েছি!

    বেজির বদলে ময়ূরের দেখা পেলে ভালো হতো, ময়ূর সম্পর্কে আমার ভালো ভালো কবিতা ও গানের লাইন জানা ছিল। বেচারা বেজিকে নিয়ে কবি–টবিরা তো দূরে থাক, মুনি–ঋষিরাও বোধহয় কিছু লেখেননি।

    আগেরবার চন্দ্রহার নদী হেঁটেই পার হয়েছি, এবারে মনে হলো বেশ জল। আশা করেছিলুম, নদীর ওপারে কারুকে দেখতে পাব। ছবি আঁকার জন্য বসন্ত রাও তো প্রতিদিনই নদীর ধারে আসে। কিন্তু আজকের এত বেশি সাদা রোদ বোধহয় ছবি আঁকার পক্ষে প্রশস্ত নয়।

    একটা কাজ করা যেতে পারে। পাজামা–পাঞ্জাবি খুলে ব্যাগে ভরে, সেই ব্যাগটা এক হাতে উঁচু করে, অন্য হাতে সাঁতরে পার হবার তো অসুবিধে কিছু নেই। ছেলেবেলায় এ রকম অনেকবার করেছি। নগ্নতার জন্য লজ্জা পাবারও কারণ নেই, কেউ দেখছে না। অবশ্য আকাশ দেখবে, পাহাড়–জঙ্গল–নদী ও বাতাস দেখবে, কিন্তু জামাকাপড় পরা মানুষ তো ওরা দেখছে এই সেদিন থেকে, মাত্র চার–পাঁচ হাজার বছর।

    আঃ, কী ঠাণ্ডা, নির্মল জল। সারা শরীরে যেন মোহময় আদর অনুভব করলুম। কোমর থেকে বুক জল এলো, এখনো হেঁটে যেতে পারছি, পাহাড়ী নদী তাই কাদা নেই, রুপোলি জলের স্রোতের মধ্যে ছোট ছোট মাছ।

    ঠাণ্ডা জলের মধ্যে নামলেই হিসি পেয়ে যায়। গঙ্গায় নাইতে নেমে আমি কতবার হিসি করেছি, কিন্তু আমার এই প্রিয় ছোট নদীটিকে আমি অপবিত্র করব না। বুক জল ছাড়াল না বলে সাঁতার কাটতে হলো না, তবু আমি ডুব দিয়ে মাথা ভেজালুম।

    অন্য পারে উঠে গা মাথা মুছে নেবার পর একটা তৃপ্তির নিঃশ্বাস ফেললুম আমি দিকশূন্যপুরে পৌঁছে গেছি। এখানে আসবার অন্য আরো রাস্তা আছে নিশ্চয়ই। কিন্তু আমার এই পথটাই পছন্দ।

    পৌঁছে যখন গেছি, তখন আর তাড়া নেই। একটা সিগারেট ধরিয়ে ধীরে সুস্থে এগোনো যায়।

    নদীর এপাশটায় এবড়ো খেবড়ো উঁচু পাথরের প্রাচীরের মতন হয়ে আছে। মাঝখানে মাঝখানে সুঁড়িপথ। একটা বড় পাথরের চাঙে কেউ ছেনি মেরে মেরে একটি বিরাট মানুষের মূর্তির আদল গড়েছে। প্রথমটায় চমকে উঠলুম, আমারই মূর্তি নাকি? তারপর ভালো করে দেখলুম, না, এর মুখে রয়েছে সামান্য দাড়ি এবং তলোয়ারের রেখা।

    পাথরের দেওয়াল পার হবার পর চোখে পড়ল একটা হলুদ সর্ষের ক্ষেত। এটাও যেন একটা আঁকা ছবি। কারণ ক্ষেতটি চতুষ্কোণ বা গোল নয়, বিশাল ক্যানভাসে জল রঙে আঁকা নদীর মতন। আগেরবার আমি এখানে সর্ষের ক্ষেত দেখিনি।

    সেটাকে পাশ কাটিয়ে একটি তরুণ শাল জঙ্গলের মধ্যে ঢোকবার পর চোখে পড়ল প্রথম বাড়িটি। টালির ছাদ দেওয়া বাংলো। সামনের চাতালে একটি টিউবওয়েল।’সেই টিউবওয়েলের জল দিয়ে একটি গরুকে স্নান করাচ্ছেন শর্টস ও গেঞ্জি পরা একজন মধ্যবয়স্ক পুরুষ। খুব যত্ন করে তিনি গোরুটির গা ঘষে দিচ্ছেন।

    আমি একটু দূরে দাঁড়িয়ে ডাকলুম, তপনদা!

    তিনি চমকে মুখ তুললেন, তারপরই খুশির হাসি ছড়িয়ে গেল সেই মুখে তিনি বললেন, নীলু? এসো, এসো! কখন এলে?

    আমি বললুম, ভালো আছেন, তপনদা? আমি এই মাত্র পৌঁছেছি। পরে আসব।

    –এসো না। একটু বসে যাও। অনেক কথা আছে।

    —বিকেলে আসব তপনদা। আগে এক জায়গায় যেতে হবে।

    –জানি কোথায় যাবে। ও বেলা ঠিক এসো কিন্তু!

    খানিকটা এগুতেই দেখি একটা বড় মহুয়া গাছের নিচে তুলি ক্যানভাস নিয়ে বসন্ত রাও খুব গভীরভাবে মগ্ন। গাছতলাটায় ছায়া ছায়া। আলো আসছে উত্তর দিক থেকে।

    নিঃশব্দে তাঁর পেছনে গিয়ে দাঁড়ালুম।

    এখনো এ ছবিতে কোনো মূর্তি আসেনি, বসন্ত রাও শুধু চাপিয়ে যাচ্ছেন রং। বোধহয় আমার সামান্য ছায়া পড়েছে, তাতেই মুখ ফিরিয়ে তাকালেন।

    —নীলু। হোয়াট আ প্লেজান্ট সারপ্রাইজ। তুমি আমাদের জন্য বাইরের দেশের খবর এনেছ।

    —কেমন আছ বসন্ত ভাই।

    —খাসা আছি, উত্তম আছি, মনোরম আছি। তুমি কিছু কহানী শুনাও।

    —পরে গল্প হবে। তুমি কিসের ছবি আঁকছ?

    –কী জানি। আপনা আপনি যা গড়ে ওঠে। রং থেকে রেখা আসে। রেখা থেকে আয়তন। তারপর আসে স্বর্গ কিংবা নরক। মাঝখানের পৃথিবীটা সহজে আসতে চায় না। বাস্তবের জন্য ধেয়ান করতে হয়!

    বাস্তবের জন্য ধেয়ান করতে হয় শুনে আমার মজা লাগল। চোখের সামনে যা দেখি, তাই–ই তো বাস্তব। চোখ বুজে ধ্যান করতে হয় তো অতীন্দ্রিয় কিছুর জন্য। কিন্তু বসন্ত রাও না বুঝে–সুঝে কিছু বলেন না। শিল্পীদের কথা বোঝা শক্ত।

    বসন্ত রাও মধ্যপ্রদেশের মানুষ, কোথায় বাংলা শিখেছেন কে জানে। কিন্তু ওঁর ভাষা বড় মিষ্টি। টানা টানা চোখ দুটি সব সময় সজল মনে হয়।

    দু’জনে কথা বলছি, এমন সময় একটা প্রজাপতি উড়তে উড়তে এসে ক্যানভাসের ওপরে বসল।

    আমি হেসে বললুম, দ্যাখো দ্যাখো বসন্ত ভাই, তোমার ছবির ওপর একটা বাস্তব নিজে থেকে চলে এসেছে। তোমার ছবিতে ওর দাবি আছে।

    বসন্ত রায় ঠোটে আঙুল দিয়ে বলল, চুপ। তারপর এক দৃষ্টিতে চেয়ে রইল প্রজাপতিটির দিকে।

    প্রজাপতিটি চঞ্চল ভাবে কয়েকবার ডানা খুলল, বন্ধ করল, তারপর পরিপূর্ণ ভাবে মেলে স্থির হলো।

    বসন্ত রাও ফিসফিস করে বলল, এই পতঙ্গটাকে দ্যাখো। একটা উড়ন্ত পোকা, মাত্র দু’চারদিনের জীবন, অথচ কী সুন্দর, কী নরম, কত নিখুঁত বর্ণমালা, কত যত্ন নিয়ে আঁকা, কোনো ভুল নেই। একে এমন সুচারু নিখুঁতি করে কে বানাল নীলু?

    আমি মুচকি হেসে বললুম, তোমাদের মধ্যপ্রদেশে তার নাম ভগবান। আমরা বাংলায় বলি প্রকৃতি।

    –কেন রে ব্যাটা, আমাদের মধ্যপ্রদেশের বুঝি প্রকৃতি নেই? না ঠাট্রা নয়, নীলু, এত পলকা একটা প্রাণী, কত ক্ষণস্থায়ী তবু এত সুন্দর কেন? সুন্দর কি এত অপ্রয়োজনীয়?

    —ফুলও তো একদিন দু’দিনে ঝরে যায়। একটা গোলাপ যখন কুঁড়ি থেকে ফুল হয়, তখন সেটা বিস্ময়কর নির্মাণ মনে হয় না? অথচ মোটে দু’একদিনের মামলা!

    –হাঁ, এ নিবন্ধে কথা আছে। আমি অনেক ভেবেছি। আমরা ফুল দেখে মুগ্ধ হই, ছবি আঁকি, কবিতা লিখি, ফুলের গান গাই, কিন্তু কোনো ফুলই তা জানে না। ফুল কখনো মানুষের জন্য সাজে না, মানুষকে তোয়াক্কাই করে না। ফুল যে এত রং মেখে সুন্দরী হয় তা এই সব পতঙ্গ–কীট, পোকামাকড়ের জন্য।

    —সেটা সত্যি কথা। এই সব পোকামাকড়রা কি রং চেনে? ছবি বোঝে?

    – আলবাৎ বোঝে। তুমি ভাবো, এক জায়গায় যদি দশ–বারো রকমের ফুল ফুটে থাকে, সেটা আসলে কী? একটা জীয়ন্ত ছবির একজিবিশান নয়? এই সব পোকামাকড়রা ধেয়ে আসে সেই প্রদর্শনী দেখতে, ঘুরে ঘুরে বিচার করে, তারপর যার যেটি পছন্দ তার মুখে চুমা দেয়। সব ফুল এত সাজসজ্জা করে শুধু কোনো প্রেমিকের মন পাবার জন্য, এই সব প্রেমিক। মানুষ নয়, মানুষ তো ফুলকে গর্ভবতী করতে পারবে না। হায় হায়, নীলু, সব মানুষই ফুলের কাছে উপেক্ষিত, অনাদৃত, ব্যর্থ প্রেমিক!

    দূরে একটা ছায়া দেখে আমি চোখ তুলে তাকালুম।

    কালো শাড়ি পরা একজন রমণী একা একা হেঁটে আসছে এই দিকে। তার গায়ের রং গৌর, কালো শাড়িটির জন্য আরো ফর্সা দেখায়। মাথায় চুল খোলা, খালি পা।

    এই রমণীকে আমি আগে দেখিনি।

    সেই কৃষ্ণবসনা এদিকে আমাদের দিকে চেয়ে আসতে আসতে হঠাৎ এক জায়গায় থমকে দাঁড়াল। তারপর পাশ ফিরে তাকাল একটা সোনাঝুরি গাছের দিকে।

    আমি বসন্ত রাও–কে জিজ্ঞেস করলুম, ইনি কে?

    বসন্ত রাও মুখ তুলে বলল, জানি না। এক–দু’ হপ্তা হলো এসেছেন, কেউ এখনো এর নামটি পর্যন্ত জানে না। ইনি কথা বলেন না। কিন্তু বোবা নন, মাঝে মাঝে গলায় সুর শোনা যায়, সেই সুরে কোনো ভাষা নেই।

    —উনি এই জায়গার সন্ধান পেলেন কী করে?

    —কী জানি! আমরা প্রাইভেটলি ওঁর নাম দিয়েছি আকুলা রাই।

    —সব সময় কালো পোশাক পরেন?

    —হ্যাঁ। শোনো, নীলু, তুমি ওঁর সঙ্গে কিন্তু যেচে কথা বলতে যেও না। আমাদের এখানকার নিয়ম জান তো? কেউ নিজে থেকে পরিচয় না দিলে আমরা জিজ্ঞাসিত হতে পছন্দ করি না। বাতাস, জল, আকাশের মতন স্বাভাবিক বলে মেনে নিই।

    প্রজাপতিটা উড়ে গেছে। আমি বললুম, আবার পরে দেখা হবে বসন্ত ভাই। কৃষ্ণবসনা যেখানে দাঁড়িয়ে, তার পাশ দিয়েই আমাকে যেতে হবে। বসন্ত রাও তাকিয়ে রইল আমার যাওয়ার পথের দিকে। আমি নিয়মভঙ্গ করি কিনা দেখবার জন্য। আমি দেবর লক্ষ্মণের মতন শুধু মহিলার পা দুটির দিকে তাকিয়ে হাঁটতে লাগলুম। ওর পায়ে ফাটা দাগ নেই, এমনিই সাধারণ যত্নে রাখা মেয়েদের পা, পায়েল বা অন্য কোনো অলঙ্কারও নেই, তবু কেন যেন আমার মনে হলো, এই নারী আগে চিত্রতারকা ছিল!

    অন্য বাড়িগুলোর কাছাকাছি কোনো মানুষজন আর দেখতে পেলুম না। না দেখাই ভালো, এখন আর থামা যেত না। আমার বেশ খিদে পেয়েছে।

    একটা ছোট্ট টিলার গায়ে কয়েকটি বাড়ি। আমাকে পৌঁছতে হবে একেবারে টঙে।

    প্রথম বাড়িটির সামনে একটা বেশ বড় কুয়ো। উঁচু করে পাড় বাঁধানো। ভারি সুস্বাদু জল। এখান থেকেই অনেকে জল নিতে আসে। এখন কেউ নেই।

    কুয়োটা পেরিয়ে আমি চলে যাচ্ছিলুম, হঠাৎ মনে পড়ল আমি নিয়মভঙ্গ করছি।

    কুয়োর ধারে দুটি লাল টুকটুকে পলিথিনের বালতি রয়েছে, খালি। এখানকার প্রথা হচ্ছে, পথ–চলতি কেউ ওরকম খালি বালতি দেখলে ভরে দিয়ে যাবে। কারুর তো জল তোলার অসুবিধে থাকতে পারে।

    ফিরে এসে আমি দড়ি–বাঁধা বালতি নামিয়ে দিলুম কুয়োর জলে। যে ছোট বালতি ফেলে জল তোলা হয়, সেটার আলাদা একটা নাম থাকা উচিত। যে হাতি দিয়ে অন্য হাতি ধরা হয় তার যেমন নিজস্ব নাম আছে। আমি এই বালতিটার নাম দিলুম ডুবুরি। ওরে, ডুবুরিটা কোথায় গেল? এই যাঃ, ডুবুরিটা দড়ি ছিঁড়ে পড়ে গেল! ডুবুরি তোলবার জন্য এবার ডুবুরি ডাকতে হবে!

    প্রথমে ঠাণ্ডা জলে আমি মুখ হাত ধুয়ে নিলুম। একটু তেষ্টা থাকলেও পান করলুম না, এই জল সাঙ্ঘাতিক হমি, এখন আমার খালি পেট, নাড়ি–ভুঁড়ি হজম করে দিতে পরে।

    দুটি লাল বালতি ভরা হতেই পাশের বাড়ি থেকে এক বৃদ্ধ আস্তে আস্তে হেঁটে আমার কাছে এসে দাঁড়ালেন। মাথার চুল সব সাদা। পরনে সাদা পায়জামা ও পাঞ্জাবি, হাতে একটি ছড়ি। এঁকেও আমি আগে দেখিনি।

    বৃদ্ধটি ধীর স্বরে বললেন, দু’দিন জ্বর হয়েছিল, আমার হাতের জোর কমে গেছে।

    আমি বললুম, নমস্কার। আমার নাম নীললোহিত। আমি আজই এখানে এসে পৌঁছেচি।

    বৃদ্ধ হাত তুলে বললেন, শুভমস্তু।

    এই ধরনের আশীর্বাদ পাওয়ার অভ্যেস নেই আমার। এখানেও আগে শুনিনি। এর উত্তরে কী বলতে হয় আমি জানি না।

    বৃদ্ধ বললেন, তুমি বালতি দুটো আমার বাড়ির মধ্যে পৌঁছে দেবে?

    আমি বললুম, নিশ্চয়ই।

    সদর দরজা পেরিয়ে একটা ছোট উঠোন, তার এক পাশে রান্নাঘর। সেই রান্নাঘরের সামনে আমি বালতি দুটি নামিয়ে রাখলুম। বৃদ্ধ আমার সঙ্গে সঙ্গে এসেছেন, তিনি বারান্দায় একটি চেয়ার দেখিয়ে বললেন, বসো।

    আমি বললুম, এখন নয়, পরে এক সময় আসব।

    উনি আবার বললেন, বসো। একটু বসো।

    এবারে আমি বিনীত দৃঢ়তার সঙ্গে বললুম, মাপ করবেন, এখন আমার বসার নিষেধ আছে।

    বৃদ্ধ আমার চোখের দিকে তাকিয়ে রইলেন কয়েক মূহূর্ত। তারপর রান্নাঘরের কাছে গিয়ে পা দিয়ে জলের বালতি দুটো উল্টে দিয়ে বললেন, ঠিক আছে, যাও!

    এই বুড়োটা ক্ষ্যাপা নাকি? আমার হাসি পেয়ে গেল।

    আমি বললুম, আপনি রাগ করলেন, কিন্তু সত্যি আমার এখন বসার উপায় নেই।

    বৃদ্ধ ছড়ি তুলে হুকুমের সুরে বললেন, যাও!

    কথা বাড়িয়ে লাভ নেই, আমি পিঠ ঘোরালাম। বালতি বয়ে দিয়েছি বলে উনি বোধহয় বিনিময়ে আমাকে কিছু খেতে–টেতে দিতে চাইছিলেন। কিংবা একাকিত্ব অসহ্য লাগছে, তাই খুঁজছিলেন একজন কথা বলার সঙ্গী। কিন্তু সঙ্গী নির্বাচনে ওঁর ভুল হয়েছে।

    এই ভর–দুপুরে মুরগি ডেকে উঠল যেন কোন্ বাড়িতে।

    আমি টিলার গা দিয়ে দৌড়ে দৌড়ে উপরে উঠতে লাগলুম। আগের দিন বৃষ্টি হয়ে গেছে, তাই কোথাও রুক্ষতা নেই।

    কালো শাড়ি পরা মহিলাটির পা–দুখানির কথা মনে পড়ছে। আমি ওর মুখ ভালো করে দেখিনি। দিনের বেলা চড়া রোদের মধ্যে ঐ রকম মিশমিশে কালো শাড়ি পরে ঘুরতে আমি আগে কখনো দেখিনি। কী রকম যেন অপ্রাকৃত লাগে। মনে হয় হঠাৎ মিলিয়ে যাবে।

    একেবারে পৌঁছলুম বাড়িটার পেছন দিকে। এটাও দু’খানা ঘরের বাড়ি, টালির ঢালু ছাদ। কোনো জানলাতেই পর্দা নেই। এখানে সূর্য ছাড়া আর কেউ জানলা দিয়ে উঁকি মারে না।

    ছাদের ওপর একটা শঙ্খচিল চুপ করে বসে আছে। তার ঠোটেরই মতন তার দৃষ্টি। যেন সে এই বাড়ির পাহারাদার। চিলের মতন এত সুন্দর শরীর– সৌষ্ঠব আর খুব কম পাখিরই আছে, কিন্তু বেচারাদের গলায় আওয়াজটা বড় দুর্বল।

    ঘুরে এলুম সামনের দিকে। একটা ছোট মতন বাগান। এক পাশে ফুল। অন্য পাশে কিছু না কিছু তরকারির চাষ হয়। গতবারে দেখে গিয়েছিলুম পেঁয়াজকলি, এবারে দেখছি বেগুনের খেত। বেশ নধর বেগুনি রঙের বেগুন ফলেছে। বন্দনাদি একটা ঝারি নিয়ে জল দিচ্ছে সেই ক্ষেতে।

    কলকাতা ছাড়বার পর বন্দনাদিকে আমি শাড়ি পরতে দেখিনি। তার পোশাক অনেকটা বেদেনীদের মতন, এই পোশাক বন্দনাদি নিজেই তৈরি করে নেয়। কোমরের নিচে একটা ঘাগরা, মনে হয় যেন গাছের পাতা শেলাই করা। ওপরে একটা টাইট জামা, হাত–কাটা, চার পাশে লেশ বসানো। মাথায় একটা লাল রঙের ফেট্টি।

    আমি কিছুক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে বন্দনাদিকে দেখতে লাগলুম।

    কিন্তু পুরুষ মানুষদের উপস্থিতির একটা উত্তাপ আছে। মেয়েরা ঠিক টের পেয়ে যায়। হঠাৎ পেছন ফিরে বন্দনাদি বলল, কে?

    আমায় দেখে মোটেই অবাক হলো না। ভুরু তুলে বলল, নীলু? আমি ঠিক জানতুম, তুই দু’একদিনের মধ্যে আসবি।

    বাগানে ঢুকে এসে আমি জিজ্ঞেস করলুম, তুমি আমায় ডেকেছ, তাই না?

    হাতের ঝারিটা নামিয়ে রেখে বন্দনাদি আকাশের দিকে তাকাল। তারপর সারা মুখে হাসি ছড়িয়ে বলল, আজকের দিনটা খুব সুন্দর।

    এতক্ষণে আমার দিকশূন্যপুরে ঠিকঠাক পৌঁছনো হলো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Next Article ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }