Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    Ek Pata Golpo সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প178 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নিরুদ্দেশের দেশে – ৭

    ৭

    ফেরার পথে আমাদের আর একজন সঙ্গী জুটল। তার নাম জয়দীপ। দীর্ঘকায় পুরুষ, প্যান্টের ওপর পাঞ্জাবি পরা, অসম্ভব গম্ভীর ধরনের। ঠিক গাম্ভীর্যও নয়, তার মুখে যেন বিমর্ষতার ছাপ।

    সভা শেষ হয়ে যাবার পর আমরা আরো প্রায় এক ঘণ্টা সেখানে ছিলাম। বন্দনাদির অনেকের সঙ্গেই চেনা, তাই তাকে বেশ কিছুক্ষণের জন্য দেখা যায়নি, রোহিলা নিজের থেকে কারুর সঙ্গে আলাপ জমাতে পারে না বলে সে দাঁড়িয়েছিল আমার হাত ধরে। শেষ পর্যন্ত আমরা ইউক্যালিপটাস গাছটার তলায় বসে পড়েছিলাম।

    আমাদের খুব কাছেই মাটির ওপর চিৎ হয়ে শুয়ে ছিল সতেরো–আঠেরো বছরের একটি কিশোর। টানা টানা দুটি চোখ, সে দেখছিল মেঘের খেলা। এই রকম মুখ দেখলেই চমকে উঠতে হয়। মনে হয় যেন কতবার খবরের কাগজে এই মুখখানাই ছাপা দেখেছি, যার তলায় লেখা থাকে, কিশোর, ফিরে এসো, তোমাকে কেউ ভুল বোঝেনি, মা মৃত্যুশয্যায়, কত টাকা পাঠাতে হবে সত্তর জানাও!

    মা–বাবাকে চরম দুশ্চিন্তায় ফেলে রেখে এই কিশোরটি কেন এখানকার মাঠে নিশ্চিন্তভাবে শুয়ে আছে? এই সব পলাতকেরা কী করে দিকশূন্যপুরের সন্ধান পায়?

    আমি কিশোরটির চোখে চোখ ফেলে একবার বলেছিলুম, মেঘ জমছে, আজ আবার বৃষ্টি হবে মনে হচ্ছে, তাই না?

    কিশোরটি কোনো উত্তর না দিয়ে উদাসীন চোখে তাকায়।

    আমি আবার তার সঙ্গে আলাপ–পরিচয়ের উদ্দেশ্যে বলেছিলুম, আমি আজ‍ই এখানে পৌঁছেছি। কলকাতায় এখন খুব ঝড়–বৃষ্টি হচ্ছে। কত গাছ উল্টে পড়েছে। কলকাতার খবর, বাইরের পৃথিবীর খবর সম্পর্কে কোনো আগ্রহই নেই, ঐটুকু ছেলের মনে কী এমন বৈরাগ্য?

    সে আস্তে আস্তে উঠে চলে গিয়েছিল সেখান থেকে।

    রোহিলা বলেছিল,আহা রে!

    আমার বেশ রাগ হয়ে গিয়েছিল। আমি বলেছিলুম, আহা রে আবার কী! এ ছেলেটা হয়তো পরীক্ষায় ফেল করে বাড়ি থেকে পালিয়েছে, তারপর এখানে এসে দিব্যি মজায় আছে। পড়াশুনোর চিন্তা নেই।

    রোহিলা চোখ বড় বড় করে আমার দিকে তাকিয়ে বলেছিল, পড়াশুনো কি সবাইকে করতেই হবে? পড়াশুনো না করলে কী ক্ষতি হয়? কেউ যদি গাছ পুঁতে তাতে ফল ফলাতে ভালোবাসে, তাকেও বই মুখস্থ করতে হবে? নীললোহিত, তুমি একি বললে?

    আমি তৎক্ষণাৎ লজ্জা পেয়ে গিয়েছিলুম। আমার অত অভিভাবকগিরি করার কী দরকার? পড়াশুনোয় ফাঁকি মারার সুযোগ পেলে আমিও কি কখনো ছেড়েছি। আসলে আমি বাইরের লোক বলে ওর বাবা–মায়ের পক্ষ নিতে চাইছিলুম।

    এমনও তো হতে পারে, ঐ ছেলেটির বাবা–মা প্রতিদিন ঝগড়া করে ঘরের ছাদ ফাটায়। সন্ধেবেলা পার্টিতে যায়, গভীর রাতে ফিরে এসে কদর্য ভাষায় পরস্পরের নামে দোষারোপ করে। তাদের ছেলেমেয়ে সেই সময় কাঁচা ঘুম ভেঙে ফ্যাল ফ্যাল করে চেয়ে থাকে। ছেলেটি সেরকম বিষাক্ত পরিবেশ ছেড়ে চলে এসেছে। সেরকম পরিবারও আমি দেখিনি কি? দেখেছি!

    তবু, ছেলেটি কেন আমার সঙ্গে কথা বলল না!

    বন্দনাদি এক সময় জয়দীপকে সঙ্গে এনে বলেছিল, চল, এবার ফিরি।

    আমাদের সঙ্গে জয়দীপের আলাপ করিয়ে দিলে সে নমস্কার করার জন্য হাতও তোলে না, শুধু মাথা নাড়ে।

    অন্য একটা পথ দিয়ে ফিরতে ফিরতে আমার চোখে পড়ল একটা গির্জা। মাঝারি ধরনের সরু চূড়া, ওপরের দিকে একটা ঘড়িও লাগানো আছে, তবে তার একটাও কাঁটা নেই।

    এখানেও ধর্মস্থান আছে? আগে তো দেখিনি।

    আমি জিজ্ঞেস করলুম, বন্দনাদি, এটা কে বানিয়েছে?

    বন্দনাদি বলল, আমরা বানাইনি। এই দিকশূন্যপুর কলোনিটাও তো আমরা বানাইনি, বৃটিশ আমলের। তখন যারা ছিল, তারা গির্জা ছাড়া শহর বানাতো না!

    –এই গির্জায় এখনো কেউ যায়?

    —যায় কেউ কেউ। মাঝে মাঝে ঘণ্টার শব্দ শুনতে পাই। আমিও এসেছি কয়েকবার। যীশুর যে–কোনো মূর্তিতেই মুখখানা এমন শান্ত যে দেখতে ভালো লাগে।

    রোহিলা কপাল ও বুকে আঙুল ছুঁইয়ে ক্রুশ চিহ্ন আঁকল।

    তা হলে কি ও তিন বছর আগে ক্রিশ্চিয়ান ছিল? সে কথা জিজ্ঞেস করবার আগেই জলদগম্ভীর স্বরে জয়দীপ বলল, আমি প্রথম এসে এখানে কোনো বাড়ি খালি পাইনি। তখন এই গির্জার মধ্যে শুয়ে থাকতাম।

    বন্দনাদি বলল, তখন ..তুমি কোনো অলৌকিক স্বপ্ন দেখোনি?

    জয়দীপ বলল, আমি জেগে জেগেই অনেকরকম স্বপ্ন দেখি! আমার কাছে এই জগৎটাই একটা স্বপ্ন।

    আমি ইয়ার্কির লোভ সামলাতে পারলুম না। ঐ কথা শোনা মাত্র পট্ করে জিজ্ঞেস করলুম, আপনি রূপনারায়ণ নদীর নাম শুনেছেন?

    জয়দীপ ভুরু কুঁচকে জিজ্ঞেস করল, রূপনারায়ণ নদী? হ্যাঁ, নাম শুনেছি। বেঙ্গলে তো, তাই না!

    আমি বললুম, হ্যাঁ। একদিন ঐ রূপনারায়ণ নদীর ধারে আপনার ঘুমিয়ে পড়া উচিত ছিল। তারপর জেগে উঠলে ঠিক বুঝতে পারতেন, এ জগৎটা স্বপ্ন নয়। শুধু ঐ নদীর ধারে ঘুমোবার পর জেগে উঠলেই এরকম উপলব্ধি হয়

    —তার মানে?

    রোহিলাও মানে বুঝতে পারেনি, তারও চোখেমুখে কৌতূহল।

    বন্দনাদি বলল, নীলুটা তোমার সঙ্গে হেঁয়ালি করছে। জয়দীপ, তুমি তো রবীন্দ্রনাথের লেখা পড়োনি। তাঁর একটা কবিতা আছে।

    রূপনারাণের কূলে
    জেগে উঠিলাম
    জানিলাম এ জগৎ
    স্বপ্ন নয়

    রোহিলা বলল, নদীটার নাম বড় সুন্দর। ইস, আমি কেন ঐ নদী দেখিনি!

    আমি বললুম, আমি কখনো কোনো গির্জার মধ্যে ঘুমোইনি। তবে একবার তাজমহলে গিয়ে রাত্তিরে আর ফিরিনি, চাতালটাতেই শুয়ে ছিলাম। ওঃ, কী দুর্দান্ত স্বপ্ন দেখেছিলুম সে রাতে। আমি শাজাহান আর স্বয়ং মমতাজ বেগম সোনার পাত্রে আমাকে সিরাজী ঢেলে দিচ্ছে!

    বন্দনাদি বলল, তুই আর গুল ঝাড়িস না, নীলু!

    রোহিলার তো মাত্র তিন বছর বয়েস, সে সব কিছুতেই অবাক হয়। সে ভুরু তুলে বলল, তুমি সত্যি তাজমহলে ঘুমিয়েছিলে, না ঘুমোওনি?

    আমি বললুম, আমি সত্যি একবার সেখানে সারা রাত শুয়ে থেকেছি, আর ঐ স্বপ্নটা নিজে তৈরি করেছি। চোখ বুজে যে–কোনো স্বপ্নই তো তৈরি করা যায়।

    রোহিলা বলল, সেটা সত্যি। খুব সত্যি। ইস, আমি কেন একদিন তাজমহলে ঘুমোইনি?

    বন্দনাদি এমনভাবে রোহিলার দিকে তাকাল যেন বলতে চাইল, ইচ্ছে করলে তুমি এখনো তাজমহলে চলে যেতে পার। কেউ তোমাকে বাধা দেবে না।

    রোহিলা সেই অর্থ গ্রহণ করল না। সে আপন মনে বলল, এখানকার নদীটাও বেশ সুন্দর। একদিন ঐ নদীর ধারে সারা রাত শুয়ে থাকলে হয় না?

    আমি বললুম, জ্যোৎস্নার ঘরে যে আততায়ী এসেছিল কাল রাত্রে, তাকে কেউ এখনো চিনতে পারেনি, সে এখনো ঘুরে বেড়াচ্ছে।

    ভয়ে কেঁপে উঠে রোহিলা বলল, না–না, আমি একা শুতে পারব না। আমরা সবাই মিলে!

    বন্দনাদি বলল, একটা পাগলকে আমরা ভয় পাব কেন? হ্যাঁ, নদীর ধারে শুয়ে থাকা যেতে পারে।

    রোহিলা বলল, আজ রাত্তিরেই?

    বন্দনাদি বলল, যদি বৃষ্টি না হয়!

    সবাই একসঙ্গে আকাশের দিকে তাকালাম। হয়তো সবারই মনে পড়ল জ্যোৎস্নার কথা। তার আকাশ–প্রীতি বোধহয় একটু বাড়াবাড়ির পর্যায়ে পড়ে। যতই নিরাপত্তা থাকুক, তবু কোনো যুবতী মেয়ে ঘরের দরজা খুলে ঘুমোয়, এরকম কখনো শুনিনি। অবশ্য, সামাজিক অর্থে যাদের স্বাভাবিক মানুষ বলে, এখানকার কেউই বোধহয় সেরকম নয়।

    আকাশে মেঘের আনাগোনা বেড়েছে। জ্যোৎস্না হারিয়ে যাচ্ছে ক্ষণে ক্ষণে।

    বন্দনাদির বাড়ির টিলাটার কাছে এসে বললুম, তোমার ঐ অঙ্কের পণ্ডিত বৃদ্ধকে তো মিটিং–এ দেখতে পেলুম না। উনি গিয়েছিলেন?

    বন্দনাদি বলল, আমিও দেখিনি।

    –অত বুড়ো মানুষ, একলা থাকেন কী করে?

    – পাহাড়ে আরো বুড়ো বুড়ো সন্ন্যাসীরা থাকে না?

    —যদি কখনো অসুস্থ হয়ে পড়েন?

    থমকে দাঁড়িয়ে পড়ে বন্দনাদি বলল, দাঁড়া, একটু দেখে আসি। আহা, আমায় কত ভালোবাসে, বিয়ে করতে চায়—

    কুয়োর পাশ দিয়ে বন্দনাদি এগিয়ে গিয়ে ঢুকে পড়ল বৃদ্ধের বাগানে। ডাকল না। একটা খোলা জানলার নিচে দাঁড়াল।

    একটু পরে হাসি মুখে ফিরে এসে বলল, নাক ডাকছে, তার মানে দিব্যি আরামে ঘুমোচ্ছে।

    জয়দীপ জিজ্ঞেস করল, আমি কি এবার বাড়ি যাব?

    বন্দনাদি বলল, কেন, তুমি এসো। আমাদের সঙ্গে কিছু খেয়ে নেবে। জয়দীপ যেন কী সব চিন্তা করল, আমার আর রোহিলার মুখের দিকে তাকাল। তারপর আবার বলল, যাব?

    বন্দনাদি তার হাত ধরে বলল, এসো!

    এখানে একটা সুবিধে এই, কারুর বাড়িতেই কেউ প্রতীক্ষায় বসে নেই। বেশি রাত করে বাড়ি ফিরলেও অন্য কেউ চিন্তা করবে না বা বকুনি দেবে না। কিন্তু এখানে কি কারুর সঙ্গে কারুর প্রেম হয় না। আমি আর রোহিলা সঙ্গে আছি বলেই কি জয়দীপ বন্দনাদির সঙ্গে যেতে ইতস্তত করছে!

    ওপরে উঠে এসে বন্দনাদি মোমবাতি জ্বালাল।

    রোহিলা বলল, এ বাড়িটা কী সুন্দর! এখান থেকে অনেক দূর দেখতে পাওয়া যায়। ঐ যে, ঐ তো নদী।

    জয়দীপ আমার দিকে তাকিয়ে ধমকের সুরে জিজ্ঞেস করল, এ জগৎটা স্বপ্ন নয়, না?

    আমি বললুম, রবীন্দ্রনাথের মতন কবি তা মানতে চাননি। তবে দার্শনিকরা তো অনেকেই ঐ কথা বলেন… কবিদের কথা বাদ দিন!

    বারান্দা থেকে বন্দনাদি বলল, জানিস নীলু, আমাদের এখানে কিন্তু একজনও কবি নেই। কবিরা ভাবজগত নিয়ে কারবার করলেও তারা কিন্তু ঘোর সংসারী। কেউ বাড়ি ছেড়ে চলে যায় না।

    আমি বললুম, কবিদের চিনবে কী করে? কবিতা লেখা বন্ধ করে দিলে কবিদের তো চেহারা দেখে চিনতে পারার উপায় নেই।

    –কেন, কবি–কবি চেহারা দেখলেই চেনা যায়!

    – যাদের কবি–কবি চেহারা তারা সাত জন্মে কবিতা লিখতে পারে না। কে যেন একজন বলেছিলেন যে, জীবনানন্দ দাশের চেহারা খেয়া নৌকোর মাঝির মতন। আর একালের কবিরা তো.. সব ভিড়ে মিশে থাকে!

    –সে যাই বলিস, এখানে কোনো কবি থাকলে ঠিক টের পাওয়া যেত।

    —এখানে এলে সবাই বোধহয় দার্শনিক হয়ে যায়।

    —দাশর্নিক কাদের বলে আমি জানি না। আয়, আগে খেয়ে নেওয়া যাক।

    বন্দনাদি এক ডেকচি খিচুড়ি রেঁধে রেখেছিল, সেটা গরম করে নেওয়া হলো। তারপর বেশ কিছু আলু আর পেঁয়াজ মিশিয়ে ভাজা। আমার আবার কাঁচা লঙ্কা ছাড়া চলে না। তাও রয়েছে।

    বারান্দায় বসে ডেকচিটা মাঝখানে রেখে ছোট ছোট প্লেটে তুলে তুলে খেতে লাগলুম। হঠাৎ এক সময়ে খাওয়া থামিয়ে রোহিলা এক দৃষ্টিতে চেয়ে রইল মাটির দিকে।

    বন্দনাদি বলল, কী হলো? তুমি মোটে ঐটুকু নিয়েছ, আরো নাও।

    রোহিলা বাহু দিয়ে চোখ চেপে ধরে ধরা গলায় বলল, আমার এত আনন্দ হচ্ছে যে, কান্না পেয়ে যাচ্ছে। খেতে পারছি না। একবেলা আগেও তোমাদের কারুকে চিনতুম না। অথচ এখন কত সুন্দরভাবে একসঙ্গে খাচ্ছি… আগে কোনোদিন জানতুম না, মানুষ এত সহজ হতে পারে।

    চোখ তুলে সে আবার বলল, তোমরা জানো না, আমার আগের জীবনটা কী সাংঘাতিক ছিল। সব সময় স্বার্থ আর হিংসে।

    বন্দনাদি নরম গলায় বলল, তুমি এখানে সবে এসেছ তো, তাই পুরোনো কথা মনে পড়ছে। আর কিছুদিন বাদে, যত বেশি আগেকার জীবনটা ভুলে যেতে পারবে, দেখবে ততই বেশি সুন্দর হচ্ছে এখনকার জীবনটা

    আমি নিরীহভাবে জিজ্ঞেস করলুম, এখানে বুঝি কেউ কারুকে হিংসে করে না?

    বন্দনাদি বলল, সকলের মনের কথা কি আমি জানি? তবে আমার সে– রকম কোনো অভিজ্ঞতা হয়নি।

    জয়দীপ প্রায় কটমট করে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। এই লোকটি প্রথম থেকেই কেন যেন অপছন্দ করেছে আমাকে। এটা ঠিক বোঝা যায়। বিষণ্ণতার বদলে ওর মুখে এখন একটা অপ্রসন্ন ভাব। সে বলল, হাওয়া থেমে গেছে, আকাশে একটাও তারা দেখা যাচ্ছে না। তুমি কেন ঐ কথাটা বললে?

    —কোন কথাটা?

    —এখানে হিংসে আছে কি না! তুমি কি গুপ্তচর?

    –না–না, আমি সে রকম কিছু ভেবে বলিনি!

    জয়দীপ আবার আকাশের দিকে তাকাল। যেন মেঘ এসে তারা ঢেকে দেওয়ার জন্য আমিই দায়ী।

    তারপর সে বন্দনাদির দিকে ফিরে বলল, জানো বন্দনা, আমার জন্য সারা ভারতবর্ষে স্পাই ঘুরছে। একদিন না একদিন এখানেও তারা আসবে। আমাকে ছাড়বে না।

    বন্দনাদি বলল, কেন? তোমার জন্য স্পাই ঘুরছে কেন?

    –আমি যে একটা ভীষণ গোপন কথা জানি। স্টেট সিক্রেট। আমি না মরে গেলে ওরা নিশ্চিন্ত হবে না! যদি কেউ একবার বলে দেয় যে আমি এখানে আছি, তা হলে ওরা ঠিক শিকারী কুকুরের মতন ছুটে আসবে।

    বন্দনাদি জয়দীপের পিঠে মমতামাখা হাত রেখে বলল, না, জয়দীপ, এখানে কেউ আসবে না।

    সে তবু আমার আর রোহিলার মুখের দিকে পর্যায়ক্রমে তাকাতে লাগল।

    রোহিলা বলল, তুমি কী গোপন কথা জানো? সবাইকে বলে দাও তা হলে আর সেটা গোপন থাকবে না!

    জয়দীপ গর্জন করে উঠল, তুমি কেন এই কথা বললে? তুমি কেন এই কথা বললে? তুমি কে?

    রোহিলা তাতে একটুও ভয় না পেয়ে খিলখিল করে হেসে বলল, আমি গুপ্তচর! আমি গুপ্তচর! ধরা পড়ে গেছি!

    জয়দীপ হাতের প্লেটটা ছুঁড়ে ফেলে দিল, খান খান শব্দে সেটা ভাঙল। সে উঠে দাঁড়াতে যেতেই বন্দনাদি তার হাত ধরে টেনে বলল, আঃ জয়দীপ, কী ছেলেমানুষী করছ? বসো!

    –না, আমি বসব না। এরা, এরা আমায় বাঁচতে দেবে না!

    –বসো বলছি, নইলে মার খাবে আমার কাছে!

    জয়দীপ তবু বন্দনাদির হাত ছাড়িয়ে নিয়ে বাগানের মধ্যে গিয়ে দাঁড়াল। দু হাতে মাথা চেপে ধরে সে কর্কশ গলায় বলল, আমাকে ওরা বাঁচতে দেবে না! আমি আর কিছু চাই না, শুধু নিরিবিলিতে নিজের মতন থাকতে চাই, তবু ওরা আমাকে জোর করে ধরে নিয়ে যেতে চায়। আমাকে বড় চাকরির লোভ দেখায়। বন্দনা, তুমি কেন আমায় এখানে ডেকে আনলে?

    —জয়দীপ, তুমি ভুল ভাবছ। এখানে কেউ তোমার খারাপ চায় না। এসো, খাবারটা শেষ করে নাও। তোমাকে আমি আর একটা প্লেট দিচ্ছি!

    –নাঃ!

    বন্দনাদি উঠে দাঁড়াবার আগেই জয়দীপ দৌড়ে চলে গেল, মিলিয়ে গেল অন্ধকারে। বন্দনাদি খানিকটা এগিয়ে গিয়ে টর্চ জ্বেলে কয়েকবার ডাকল ওর নাম ধরে। কোনো উত্তর এলো না।

    বন্দনাদি ফিরে এলে রোহিলা বাচ্চা মেয়ের মতন ভীতু ভীতু গলায় জিজ্ঞেস করল, আমি কোনো দোষ করেছি?

    বন্দনাদি বলল, না, তুমি কোনো দোষ করোনি। জয়দীপের __ এক সময় এই রকম হয়, ঠাট্টা–ইয়ার্কি কিছু বোঝে না!

    রোহিলা বলল, খিচুড়িটা আমার খুব ভালো লাগছে। আমি আর একটু খেতে পারি? আমার আস্তে আস্তে খাওয়া অভ্যেস।

    —হ্যাঁ, খাও’ বাঃ, খাবে না কেন? সবটা শেষ করতে হবে।

    আমার খাওয়ার ইচ্ছে ঘুচে গেছে। একটু কু–চিন্তা ঝিলিক মারছে মাথার মধ্যে। এই জয়দীপ যে এক ধরনের পাগল তাতে কোনো সন্দেহ নেই। গুপ্তচর–ভীতি খুব সাধারণ একরকম পাগলামির লক্ষণ। কাল রাত্রে জ্যোৎস্না নামের ঐ মেয়েটির ঘরে এই জয়দীপই যায়নি তো? এদের যে কার ওপর কখন সন্দেহ হয় তার তো ঠিক নেই।

    বন্দনাদি বলল, কাল সকালে দেখবি, ও একেবারে অন্য মানুষ!

    আমি জিজ্ঞেস করলুম, রোজ রাত্তিরেই এই রকম হয় নাকি?

    –না–না, রোজ নয়। মাঝে মাঝে। ও কারুর সঙ্গে ভালো করে মিশতে পারে না। সেই জন্যই আমি ওকে ডাবি লোকজনের সঙ্গে থাকলে ভালো থাকে।

    – আজকে আমাদের থাকাটাই ওর অপছন্দ হয়েছে। হয়তো তোমাকে একা পেতে চেয়েছিল।

    বন্দনাদি গাঢ় চোখে তাকাল আমার দিকে। তারপর হেসে বলল, নাঃ, সে রকম কিছু না।

    এই সময় বৃষ্টি নামল ঝিরঝির করে।

    রোহিলা বলল, যাঃ, তা হলে আজ আর নদীর ধারে শোওয়া হলো না। আমি তা হলে কোথায় ঘুমোব?

    বন্দনাদি বলল, বৃষ্টি থামুক, তারপর নীলু তোমায় বাড়ি পৌঁছে দিয়ে আসবে।

    একটু থেমে বন্দনাদি আবার বলল, নীলু, তুই ইচ্ছে করলে ওখানে থেকেও যেতে পারিস। আবার কেন কষ্ট করে এতটা ফিরে আসবি?

    আমার একটু ধাঁধা লাগল। বন্দনাদি কি চায় না যে আমি রাত্রে এখানে থাকি? আগেরবার তো এই বাড়িতেই ছিলাম।

    আবার মাদলের শব্দ শোনা গেল।

    বন্দনাদি বলল, এই রে!

    আমি জিজ্ঞেস করলুম, আবার মিটিং ডাকছে নাকি?

    বন্দনাদি চিন্তিত ভাবে বলল, না। একদিনে দু’বার মিটিং হবে না। কেউ সাহায্য চাইছে। এখানে তো আর অন্য কোনো ব্যবস্থা নেই, কারুর কোনো বিপদ হলে এই ভাবে অন্যদের ডাকে।

    —প্রত্যেক বাড়িতে মাদল আছে নাকি?

    -সব বাড়িতে না থাকলেও প্রত্যেক পাড়ায় একটা দুটো করে আছে। আমি টিলার ওপরে থাকি, আমার বাড়িতে একটা রেখেছি।

    —চলো, তা হলে যাই।

    –থাক, আমাদের যাবার দরকার নেই। শব্দটা অনেক দূরে। ওদিককার পুরুষরা যাবে।

    ঘন, নিশ্ছিদ্র স্তব্ধতার মধ্যে সেই মাদলের শব্দটা অত্যন্ত গম্ভীর, মনে হয় যেন নিয়তির সঙ্কেত। আমরা একটুক্ষণ চুপ করে শুনলাম সেই শব্দ। কী হয়েছে ওখানে? কাল রাতে জ্যোৎস্না নামে মেয়েটির যা হয়েছিল, সেইরকম কিছু? জয়দীপ?

    আওয়াজটা একটু পরেই থেমে গেল।

    রোহিলা বলল, আমার ভয় করছে!

    বন্দনাদি বলল, সেরকম ভয়ের কিছু নেই। হয়তো কেউ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে।

    —এখানে অসুখ করলে তোমরা জঙ্গলে ফেলে দিয়ে আস?

    -ধ্যাৎ! কে বলেছে তোমাকে এসব কথা? ফেলে দিয়ে আসা হবে কেন! এখানে কারুর ওপরেই কোনো ব্যাপারে জোর জবরদস্তি করা হয় না! কেউ যদি চায়, ঘরে শুয়েই মরতে পারে। তবে বেশি অসুখ হলে, হাঁটা চলার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে গেলে অনেকেই চায় জঙ্গলে গিয়ে শুয়ে থাকতে। আগেকার দিনেও তো লোকে মৃত্যুর আগে বনে চলে যেত।

    –আমার একলা থাকতে বড্ড ভয় করে।

    –তুমি এক কাজ করো। তুমি এই নীলকে ধরে রেখে দাও তোমার কাছে ওকে আর ফিরে যেতে দিও না!

    এবারে আমি বললুম, তোমার ব্যাপার কী বলো তো বন্দনাদি? আমি তোমার বাড়িতে থাকলে তোমার কোনো অসুবিধে হবে মনে হচ্ছে!

    বন্দনাদি হেসে উঠল।

    —তুই ভাবছিস বুঝি রাত্তিরবেলা গোপনে গোপনে আমার কোনো প্ৰেমিক আসবে, তুই থাকলে অসুবিধে। সেই রকম কারুর আসবার কথা থাকলেও আমি তা তোর কাছে গোপন করব কেন? তুই কি আমার গার্জেন? আমি জীবনে কোনোদিনই কিছু গোপন করিনি।

    —হ্যাঁ, একটা ব্যাপার গোপন করেছ।

    –কী!

    –বলব? আজও কেউ জানে না, রূপসার বাবা কে!

    —নীলু! তোকে বারণ করেছি না কোনোদিন তুই আমার কাছে ঐ প্ৰসঙ্গ তুলবি না!

    —অত রেগে যাচ্ছ কেন? এই হাসছ, এই রাগ করছ, ব্যাপারটা কী তোমার?

    রোহিলা বন্দনাদির পক্ষ নিয়ে আমার প্রতি ভর্ৎসনার সুরে বলল, এই নীলু, তুমি কেন বন্দনাদির মনে দুঃখ দিচ্ছ? বন্দনাদি খুব সাচ্চা মেয়ে, আমি এক নজর দেখেই বুঝে নিয়েছি।

    আমি বললুম, না, আমি কষ্ট দিতে চাইনি। তবে মানুষের কৌতূহল প্রবৃত্তিটা বড্ড স্ট্রং। কৌতূহল আছে বলেই তো মানুষ জাতি এত কিছু আবিষ্কার করেছে।

    রোহিলা বলল, আর সেই সঙ্গে সঙ্গে মানুষ নিজের সর্বনাশও ডেকে এনেছে।

    বন্দনাদি ঝাঁঝাল গলায় বলল, অন্যের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতূহল দেখানোটা সভ্যতার লক্ষণ নয়। আমরা এখানে ঐ রকম কৌতূহল প্রবৃত্তির প্রশ্রয় দিই না!

    –তুমি তো জানোই, আমি সভ্য নই। যাই হোক, আজ রাত্তিরে এখানে আর কারুর আসবার কথা আছে কি নেই?

    —যে–কেউ এসে পড়তে পারে। কোনো বাধা তো নেই। তুই ঠিক বুঝবি না, নীলু। এখানে যারা আসে তারা সবাই পোড় খাওয়া মানুষ। তাই কেউ আর এখানে চট করে প্রেমে পড়তে চায় না। আমার অনেক বন্ধু আছে এখানে, কিন্তু প্রেমিক–ট্রেমিক কেউ নেই।

    রোহিলা বলল, আমার কিন্তু খুব প্রেম করতে ইচ্ছে করে। জীবনে আমি কখনো প্রেম পাইনি। শুধু লোভ, শুধু লোভ। ও বন্দনাদি, আমার প্রেম হবে, নাকি এমনি এমনি মরে যাব?

    বন্দনাদি আবার হাসল। রোহিলার থুতনি ছুঁয়ে বলল, এই মেয়েটা সত্যি একেবারে বাচ্চা! হ্যাঁ, তোমার প্রেম হবে। কেন হবে না? তবে ঐ নীলুটার ওপর বেশি ভরসা করো না।

    –কেন, ও বুঝি ডরপুক?

    –ওকে দু’ হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরতে গেলেই ও ফুরুৎ করে উড়ে পালিয়ে যায়।

    আমি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললুম, হায় রে, সেরকম বাহুবন্ধন পেলাম কোথায় যে পালাব?

    হঠাৎ একটা শব্দ হতেই আমরা তিনজন সচকিত ভাবে তাকালুম বাইরের দিকে। কেউ একজন আসছে। অন্ধকারের মধ্যে, একজন মানুষ বাগানের প্রান্তে এসে দাঁড়াল।

    গা–টা ছমছম করে ওঠে। মনে পড়ে মাদলের ডাক।

    বন্দনাদি জিজ্ঞেস করল, কে? কে ওখানে?

    উত্তর না দিয়ে লোকটি ছুটে এলো। আমি সঙ্গে সঙ্গে উঠে দাঁড়ালুম, এখানে আমি একমাত্র পুরুষমানুষ, প্রতিরক্ষার দায়িত্ব আমারই নেওয়া উচিত।

    কাছে আসতে জয়দীপকে চেনা গেল। হাত জোড় করে বলল, বন্দনা, আমি ক্ষমা চাইতে এসেছি। ছি–ছি, আমি কী খারাপ ব্যবহার করেছি তোমাদের সঙ্গে। তুমি কত যত্ন করে খেতে দিলে, আমি ভেঙে ফেললুম সেই প্লেটটা। তোমরা কি আমায় ক্ষমা করবে?

    বন্দনাদি বলল, বৃষ্টিতে ভিজছ কেন, ওপরে উঠে এসো, জয়দীপ!

    জয়দীপ রোহিলা আর আমার মুখের দিকে তাকিয়ে বলল, ওরা…ওরা কি আমায় মারবে? ওরা নিশ্চয়ই আমাকে খুব খারাপ লোক ভেবেছে? মাঝে মাঝে আমার মাথার ঠিক থাকে না।

    জয়দীপ অনেকক্ষণ থেকেই ভিজছে। তার পোশাক ভিজে শপশপে। বন্দনাদি একটি তোয়ালে এনে নিজেই জয়দীপের মাথা মুছে দিতে লাগল। দৃশ্যটার মধ্যে এমন একটা সৌন্দর্য আছে যা বুকে এসে ধাক্কা মারে। জয়দীপ বন্দনাদির চেয়ে বয়েসে বেশ বড়ই হবে, কিন্তু এখন তাকে শিশুর মতন লাগে।

    বন্দনাদি জিজ্ঞেস করল, কোথায় মাদল বাজছিল, জয়দীপ? কী হয়েছে। তুমি কি জানো?

    জয়দীপ বলল, না, জানি না। আমি তো টিলার নিচে কুয়োর ধারে বসেছিলাম। মাথাটা হঠাৎ গরম হয়ে গিয়েছিল কেন কে জানে? তারপর বৃষ্টি যেই পড়ল, তখন মনে হলো, আমি কী অন্যায় করেছি। এদের সঙ্গে প্রথম দিন মাত্ৰ আলাপ।

    রোহিলা বলল, আমরা কিন্তু খিচুড়ি সব খেয়ে ফেলেছি।

    বন্দনাদি বলল, হ্যাঁ, যেমন রাগ করেছিলে, এখন তোমার আধপেটা খেয়ে থাকতে হবে। ঘরের মধ্যে গিয়ে প্যান্ট আর পাঞ্জাবিটাও ছেড়ে ফ্যালো।

    জয়দীপ বলল, অ্যাঁ? এগুলো ছেড়ে কী পরব?

    —আমার একটা শাড়িই পরতে হবে। তা ছাড়া উপায় কী? এগুলো পরে থাকলে তোমার নিউমোনিয়া হয়ে যাবে।

    আমি বললুম, আমার কাছে এক্সটা পাজামা আছে, দিতে পারি।

    জয়দীপ আমার দিকে তাকিয়ে বিহ্বল ভাবে বলল, তুমি…তোমার পাজামা… আমাকে দেবে?

    আমি সেটা বার করে দিলুম। জয়দীপ আমার চেয়ে লম্বা ও চওড়া। পাজামাটি তার আঁট হলো ও পায়ের কাছে অনেকখানি উঠে রইল। খালি গায়ে সেই ঠেঙো পাজামা পরে জয়দীপ যখন বেরিয়ে এলো, তাকে দেখে খিল খিল করে হেসে উঠল রোহিলা।

    বন্দনাদি বলল, এ বৃষ্টি তো থামবে না মনে হচ্ছে। তোমরা বাড়ি ফিরবে কী করে? ফেরার দরকার কী, এখানেই সবাই শুয়ে থাকো। ঘরের মধ্যে গরম হবে, এই বারান্দাতেই তো ভালো।

    রোহিলা বলল, আমার খুব বারান্দায় শুতে ইচ্ছে করে। কিন্তু একলা শুতে ভয় করে। আজ কী চমৎকার দিন। আচ্ছা বন্দনাদি, তোমার এক সময় রাত্তিরে ঘুমের আগে মুখে ক্রিম মাখার অভ্যেস ছিল না? আমার তো খুব ছিল। জঙ্গলে শুটিং করতে যেতাম, তখনও ক্রিম ঠিক সঙ্গে থাকত। অথচ এখন দিনের পর দিন ক্রিম মাখি না, তাতে কোনোই ক্ষতি হয় না!

    বন্দনাদি বলল, ওসব ক্রিম ট্রিমের কথা আমি ভুলেই গেছি!

    আমি বললুম, বন্দনাদি, আমার গলায় সুর নেই তাই, নইলে এখন একটা গান খুব গাইতে ইচ্ছে করছে!

    —কোন গানটা রে?

    সুরের অভাবে আমি হাত–পা নেড়ে চেঁচিয়ে উঠলুম, এমনি করেই যায় যদি দিন যাক না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Next Article ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }